Category: জাতীয়

  • শাহজালাল বিমানবন্দরে ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ গ্রেফতার

    শাহজালাল বিমানবন্দরে ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ গ্রেফতার

    রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে সনাতন ধর্মবিশ্বাসী সংগঠন আন্তর্জাতিক শ্রীকৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমবার বিকালে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তাকে গ্রেফতার করে।

    জানা গেছে, ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস এদিন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার উদ্দেশে বিমানবন্দর আসেন। সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গত ৫ আগস্টের পর দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীর নামে কয়েক দফা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেসব সমাবেশ থেকে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস বর্তমান সরকারের উদ্দেশে নানা ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে বক্তব্য দেন। এর আগে থেকে তিনি আলোচনায় থাকলেও গত ২৫ অক্টোবর বিকালে চট্টগ্রাম নগরের লালদীঘি মাঠে ৮ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সমাবেশের বেশি আলোচনায় আসেন।

    ওই সমাবেশ করা হয় বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের নামে। সমাবেশে এই চিন্ময় কৃষ্ণ দাসই বাংলাদেশের হিন্দুদের মন্দিরে হামলা ও বাড়িঘরে লুটপাট, অগ্নিসংযোগসহ নানা অভিযোগ করেন। অথচ তার বিরুদ্ধেই দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময় তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে থাকেন।

    চিন্ময় কৃষ্ণ দাস আলোচিত হিন্দু সংগঠন ইসকনের অন্যতম সংগঠক। তিনি সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে তিনি চিন্ময় প্রভু নামে পরিচিত। চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ও পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ।

    উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর সনাতন ধর্মবিশ্বাসী সংগঠন আন্তর্জাতিক শ্রীকৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) আলোচিত সংগঠক চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে এ মামলা দায়ের হয়। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন- রাজেশ চৌধুরী ও হৃদয় দাশ। ফিরোজ খান নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে নগরীর কোতোয়ালী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

  • কুরআনের আয়াত পোস্টের সঙ্গে ২ ছবি শেয়ার, কী বার্তা দিলেন আসিফ নজরুল

    কুরআনের আয়াত পোস্টের সঙ্গে ২ ছবি শেয়ার, কী বার্তা দিলেন আসিফ নজরুল

    অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দুটি ছবি শেয়ার করে তার ক্যাপশনে পবিত্র কুরআনের একটি আয়াতের অনুবাদ পোস্ট করেছেন।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই পোষ্ট দেন আইন উপদেষ্টা।

    স্ট্যাটাসে আসিফ নজরুল লেখেন- আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘পৃথিবীতে দম্ভভরে পদচারণা কর না। নিশ্চয় তুমি তো ভূপৃষ্ঠকে কখনোই বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় তুমি কখনোই পর্বত প্রমাণ হতে পারবে না। (সুরা বনী ইসরাইল বা ইসরা: ৩৭)

    পোস্টের প্রথম ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সেনানিবাসস্থ সেনাকুঞ্জে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস আলাপ করছেন। দ্বিতীয় ছবিটি কার্টুন। সেখানে নদীতে ফেলে দেওয়ার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

    ধারণা করা হচ্ছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সময় এই শীর্ষ দুই ব্যক্তিকে পদ্মার পানিতে চুবাতে চেয়েছিলেন। অথচ প্রায় দুই বছরের ব্যবধানে গণআন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন শেখ হাসিনা। এজন্য ছবি দুটি ব্যবহার করেছেন আইন উপদেষ্টা।

    সেই পোস্টে একজন কমেন্টে লেখেন, ‘অসাধারণ কথা কুরআনের আয়াতের সঙ্গে বাস্তবতার হুবহু মিল রয়েছে। ধন্যবাদ উপদেষ্টা মহোদয়।’

    ফারহান রহমান চৌধুরী নামের একজন লেখেন, ‘আল্লাহ যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দান করেন, যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজত্ব ছিনিয়ে নেন এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান করেন আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত করেন। আপনারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই আপনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাশীল। ‘

    জাহাঙ্গীর নামের একজন বলেন, অহংকার পতনের মূল, যারা খালেদা জিয়া এবং ড. মো. ইউনূসকে নিয়া কি কটুক্তি করত আজকে তারা কোথায়?

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১৮ মে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে খালেদা জিয়াকে টুস করে নদীতে ফেলে দেওয়া উচিৎ। একই সঙ্গে পদ্মা নদীতে নিয়ে দুই চুবানি দিয়ে উঠিয়ে নেওয়া উচিত ড. ইউনূসকে। মরে যাতে না যায়।

  • সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়াকে সম্মান জানানোয় গোটা জাতি আনন্দিত

    সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়াকে সম্মান জানানোয় গোটা জাতি আনন্দিত

    সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে যে সম্মান জানানো হয়েছে, তাতে গোটা জাতি আনন্দিত বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকালে সেনাকুঞ্জে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

    মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া এ দেশের জন্য তার জীবনের সবচেয়ে বড় সময়টা দিয়ে দিয়েছেন গণতন্ত্রের জন্য, স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্বের জন্য। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে সবচেয়ে দেশপ্রেমিক বাহিনী সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীকে তার থেকে দূরে করে রাখা হয়েছে। আমি আজকে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিশেষ করে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। বিশেষ করে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যে, তিনি আজকে ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) যে সম্মান দেখিয়েছেন, এতে আমরা যেমন কৃতজ্ঞ হয়েছি, একই সঙ্গে গোট জাতি আজকে আনন্দিত হয়েছে।

    এর আগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বেলা ৩টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে পৌঁছান।

    প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানিয়েছে, খালেদা জিয়া সেনাকুঞ্জে পৌঁছালে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন তাকে অভ্যর্থনা জানান।

    এর আগে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে খালেদা জিয়া গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান তার সঙ্গে ছিলেন।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, খালেদা জিয়া সেনাকুঞ্জে পৌঁছে তার আসনে বসার পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। আগেই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পৌঁছান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খালেদা জিয়াকে অনুষ্ঠানে দেখে তিনি কেঁদে ফেলেন।

    সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিএনপির নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আবদুল মঈন খানসহ দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে সেনাকুঞ্জে আমন্ত্রণপত্র জানানো হয়।

  • অবরুদ্ধ পেট্রোবাংলা, ভেতরে আটকা শত শত কর্মকর্তা

    অবরুদ্ধ পেট্রোবাংলা, ভেতরে আটকা শত শত কর্মকর্তা

    পেট্রোবাংলার সামনে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন চাকরি প্রত্যাশীরা। মৌখিক পরীক্ষা ইচ্ছাকৃতভাবে স্থগিত করার অভিযোগে তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন।

    রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় অবস্থিত পেট্রো বাংলার অফিসের প্রধান ফটকের সামনে তারা অবস্থান করছেন।

    এতে করে শত শত কর্মকর্তা-কর্মীরা পেট্রো বাংলার ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে আছেন। রোববার বেলা ১১টা থেকে তারা এই কর্মসূচি পালন করছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা।

    অবরোধ কর্মসূচি থেকে চাকরিপ্রত্যাশীরা বলছেন, পেট্রোবাংলার অধীনস্থ কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের রাজস্বখাতে ১৭ ক্যাটাগরিতে কর্মচারী পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বারবার অজুহাত দেখিয়ে মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত করা হচ্ছে। আমাদের দাবি দ্রুত যেন মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয় এবং ফলাফল প্রকাশ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা হয়। আমাদের এই এক দফা দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা আমাদের অবস্থান কর্মসূচি থেকে ফিরে যাব না। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই আন্দোলন চালিয়ে যাব।

  • গরুর মাংসের দাম এখনও নাগালের বাইরে: ফরিদা আখতার

    গরুর মাংসের দাম এখনও নাগালের বাইরে: ফরিদা আখতার

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, গরুর মাংসের দাম এখনও নাগালের বাইরে। মাংস, ডিম ও দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের কথাও বলেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার সকালে সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এমন কথা বলেন। বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শাহীনা ফেরদৌসী।

    ফরিদা আখতার বলেন, গরুর মাংসের দাম এখনও নাগালের বাইরে। অনেকেই বলছেন, মাংস আমদানি করে করে সুলভ মূল্যে বিক্রির কথা। আমার প্রশ্ন, আমদানি করতে হবে কেন? মাংস, ডিম ও দুধ উৎপাদনে কেন স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা যাবে না?

    মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন উপদেষ্টা। এ সময় জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা প্রসঙ্গেও কথা বলেন ফরিদা আখতার।

    মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ভুল-ত্রুটি হয়েছে বলেই চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহতদের দাবিগুলো যৌক্তিক বলেই তারা হাসপাতাল ছেড়ে সড়কে নেমে এসেছেন। যেকোনো মূল্যে সরকার তাদের দাবি পূরণে বদ্ধপরিকর।

    তিনি বলেন, ভোররাত পর্যন্ত আমি ক্ষুব্ধ চিকিৎসাধীন আহতদের সঙ্গে কথা বলেছি। নানা আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে আহতদের অনেকেই এখনও ক্ষতিপূরণ পাননি। সেটির দ্রুত ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

    এই মুহূর্তে যারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাদের এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয় বলেও উল্লেখ করে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

    তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের আহতদের পুনর্বাসনের বিষয়ে সরকার আন্তরিকভাবে সচেষ্ট। কারণ, আহতদের অনেকেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাদের ত্যাগের কারণেই জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    উপদেষ্টা জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে আমরা আবারও তাদের সঙ্গে বসব। আশা করছি, সেখানে একটি ভালো সমাধান আসবে।

    প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য উপদেষ্টা রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে আন্দোলনে আহত হয়ে চিকিৎসাধীনদের দেখতে গেলে তোপের মুখে পড়েন তিনি। এ সময় রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন আহতারা। প্রায় ১১ ঘণ্টার অবরোধ শেষে উপদেষ্টাদের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন তারা।

  • কুইক রেন্টালে দায়মুক্তি অবৈধ: হাইকোর্ট

    কুইক রেন্টালে দায়মুক্তি অবৈধ: হাইকোর্ট

    কুইক রেন্টাল সংক্রান্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ এর ৯ ধারায় দায়মুক্তি অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।

    বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

    গত ২ সেপ্টেম্বর কুইক রেন্টাল সংক্রান্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ এর ৯ ধারায় দায়মুক্তি কেন অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

    বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ড. শাহদীন মালিক। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার সিনথিয়া ফরিদ।

    গত ২ সেপ্টেম্বর কুইক রেন্টাল সংক্রান্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ এর ৯ ধারায় দায়মুক্তি কেন অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

    এর আগে, কুইক রেন্টালে দায়মুক্তি এবং ক্রয় সংক্রান্ত ৬ (২) ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী।

    রিটে বিবাদী করা হয়েছে, আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং বিভাগের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানকে। আইনের ৬(২) এবং ৯ ধারা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে।

  • শহিদি মিছিলে যুক্ত হলেন আরও এক শিক্ষার্থী

    শহিদি মিছিলে যুক্ত হলেন আরও এক শিক্ষার্থী

    তিন মাস মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে হার মানলেন জুলাই-আগস্টের আরেক যোদ্ধা শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মো. আব্দুল্লাহ।

    বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন তিনি।

    আবদুল্লাহর বাড়ি যশোরের বেনাপোল। আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন তিনি।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্বাস্থ্য বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য সচিব তারেকুল ইসলাম তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহিদের জানাযা অনুষ্ঠিত হবে।

    তারেকুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমাদের ভাই, সহযোদ্ধা আব্দুল্লাহ আজ শহীদ হয়ে গেলেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।’

    তিনি আরও লিখেছেন, ‘শহীদ আব্দুল্লাহ ৫ আগস্ট বিজয়ের পর সন্ধ্যা সাতটার দিকে গুলিবিদ্ধ হন। ঠিক যে সময়ে ঢাকার কোটি মানুষ বিজয় উদযাপনে ব্যস্ত ছিলেন, সে সময়ে আব্দুল্লাহ মাথায় গুলি নিয়ে তিন ঘন্টা রাস্তায় পড়ে ছিলেন। এক পর্যায়ে কেউ তাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে নেয় এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে আনা হয়।’

    কপালের মাঝ বরাবর গুলি লাগলেও সৌভাগ্যক্রমে অল্পের জন্য মস্তিষ্ক রক্ষা পায় উল্লেখ করে তারেকুল ইসলাম জানান, ওই দিন রাত তিনটায় সার্জারি শুরু হয়ে ভোর ছয়টায় শেষ হয়। অপারেশন সাকসেসফুল হলে এক পর্যায়ে বেশ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যান আব্দুল্লাহ।

    কিন্তু কিছুদিন পরেই তার প্রচণ্ড মাথাব্যথা শুরু হয়। আবার ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়। চিকিৎসকরা তার মাথায় ইনফেকশন আবিষ্কার করেন। ফের সার্জারি। কিন্তু তেমন উন্নতি লক্ষ্য না করতে পেরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহায়তায় তাকে ২২ আগস্ট ঢাকা সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়।

    তারেকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে কিছুটা উন্নতি হলেও কিছুদিন পরেই তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া লাগে। এরপর থেকে আজ শহীদ হওয়ার আগ পর্যন্ত লাইফ সাপোর্টেই ছিলেন আব্দুল্লাহ। আল্লাহ আমাদের শহীদ ভাই আব্দুল্লাহকে কবুল করে নিন। পরিবারের সাথে আলোচনা চলছে। অতিসত্বর আলোচনা সাপেক্ষে তার জানাজার সময় নির্ধারণ করে জানিয়ে দেওয়া হবে। জানাজা হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।’

  • কেমন সংবিধান হওয়া উচিত, জানালেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

    কেমন সংবিধান হওয়া উচিত, জানালেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

    নতুন বাংলাদেশে সংবিধান কেমন হবে তা নিয়ে চলছে আলোচনা। এবার বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।

    বুধবার (৬ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে তিনি সংবিধান নিয়ে ধারণা দেন।

    যেখানে তিনি বলেন, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের বিশ্বাস ও মূল্যবোধ ধারণকারী একটি সংবিধান আমাদের প্রত্যাশা। যেখানে আমাদের বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রতিফলিত হবে।

    তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সংবিধান সংশোধন কমিশনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সংবিধান সংশোধন বিষয়ে সর্বস্তরের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতব্য এক আলোচনা সভায় আমন্ত্রণ পেয়েছি। দেশের বাইরে অবস্থান করায় উক্ত সভায় উপস্থিত হতে না পারলেও লিখিত প্রস্তাবনাসহ আমার প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন ইনশাআল্লাহ।

    আশা ব্যক্ত করে তনি বলেন, জাতীয় জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সংশ্লিষ্ট মহল সুবিবেচনা ও প্রজ্ঞার পরিচয় দেবেন।

  • সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম ৫ দিনের রিমান্ডে

    সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম ৫ দিনের রিমান্ডে

    রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানার হত্যা মামলায় সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামের জামিন নামঞ্জুর করে ৫ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় এ্যাডভোকেট মমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদীরও ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।

    বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তাদের এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    এর আগে, গত ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএস এলাকা থেকে ডিএনসিসি’র সাবেক মেয়র মোহাম্মদ আতিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও থানা পুলিশ।

    তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে। সেগুলো হলো, মো. আল শাহরিয়ার হোসেনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে মামলা, অটো রিকশা চালক মো. রনি হত্যা মামলা, সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাকিব হত্যা মামলা। সবগুলো মামলায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের যৌথ হামলার অভিযোগ রয়েছে।

  • বিদ্যুৎ নিয়ে আদানির সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    বিদ্যুৎ নিয়ে আদানির সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    বিদ্যুৎ নিয়ে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে হওয়া একতরফা সকল চুক্তি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

    বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ব্যারিস্টার এম কাইয়ুম জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হবে।

    এর আগে গত ৬ নভেম্বর বিদ্যুৎ নিয়ে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে সকল চুক্তি বাতিল চেয়ে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

    নোটিশে অবিলম্বে অন্যায্য একতরফা চুক্তি পুনর্বিবেচনা অথবা পুরোটাই বাতিল চাওয়া হয়েছে। তিনদিনের মধ্যে আদানিকে এই ঘটনায় চুক্তি পুনর্বিবেচনার কার্যক্রম শুরু না করলে হাইকোর্টে রিট করবেন বলেও জানান সংশ্লিষ্ট আইনজীবী। জ্বালানি ও আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পর্যালোচনা কমিটি গঠন করে বিস্তারিত রিপোর্ট দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানানো হয়েছে।

    ওই লিগ্যাল নোটিশের জবাব দিতে পিডিবির চেয়ারম্যান ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে ৩ তিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়। নোটিশের সময় পেরিয়ে যাওয়ায় এ রিট আবেদনটি করা হয়েছে।

    বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনায় আদানির সঙ্গে তাড়াহুড়া করে ২০১৭ সালে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি হয়। ওই সময় দেশে আমদানি করা কয়লানির্ভর কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়নি। এসব চুক্তির একটি ২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে করা ২৫ বছর মেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি। ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডে আদানির ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মূলত বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।