Category: জাতীয়

  • ড. ইউনূসকে তুরস্ক সফরের আমন্ত্রণ জানালেন এরদোগান

    ড. ইউনূসকে তুরস্ক সফরের আমন্ত্রণ জানালেন এরদোগান

    আজারবাইজানে কপ-২৯ বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন শীর্ষ সম্মেলনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট রিসেফ তাইয়্যেপ এরদোগানের সঙ্গে দেখা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসময় তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসকে সস্ত্রীক তুরস্ক সফরের আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন এরদোগান।

    অধ্যাপক ইউনূসও এরদোগান দম্পতিকে শিগগিরই বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

    রাজধানী বাকুতে শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রধান উপদেষ্টা।

    মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ড. ইউনূস বিশ্বের অন্তত ২০টি দেশের শীর্ষনেতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে দেখা করেছেন।

    যার মধ্যে রয়েছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এবং নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল। আলাপকালে ড.ইউনূস দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের শীর্ষ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সার্কের পুনরুজ্জীবনের আহ্বান জানিয়েছেন।

    অন্য শীর্ষনেতাদের মধ্যে বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী, ঘানার প্রেসিডেন্ট, বসনিয়া হার্জেগোভিনার প্রধানমন্ত্রী, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট, আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী, মন্টিনিগ্রোর প্রেসিডেন্ট, বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী, ব্রাজিল ও ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট, ফিফা সভাপতি, আইওএমের মহাপরিচালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ড. ইউনূস।

    এছাড়া প্রধান উপদেষ্টা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। তিনি জুলাই অভ্যুত্থানে সংহতি প্রকাশ করা বন্দি ৫৭ বাংলাদেশী নাগরিককে মুক্তি দেওয়ার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান।

  • নাহিদের রক্তজমাট ছবি পোস্ট করে যা বললেন হাসনাত

    নাহিদের রক্তজমাট ছবি পোস্ট করে যা বললেন হাসনাত

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের উপস্থিতিতে সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) তাকে উদ্দেশ করে কটূক্তি করার অভিযোগ উঠে। তবে জুলাই বিপ্লবে নাহিদের অবদানের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তার ওপর অমানবিক নির্যাতনের দুইটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করে একটি পোস্ট দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।

    বুধবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে দেওয়া ওই পোস্টের ক্যাপশনে হাসনাত লেখেন, ‘গত ১৬ বছরে বাংলাদেশের চিত্র এমনই ছিল। যারা হাসিনাকে পুনর্বাসনে সহায়তা করছে তারা দেশকে রক্তপাত, জোরপূর্বক গুম, হত্যার সেই পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে চায়। হাসিনা শাসনের পুনর্বাসনকে সমর্থন করলে শেষ পর্যন্ত একই বিধ্বংসী পরিণতি ঘটবে।’

    পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘ফ্যাসিস্টবিরোধী বাংলাদেশই নাহিদ। উই আর নাহিদ। জুলাই ১৩৬, ২০২৪।’

    এদিকে একই ইস্যুতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অন্যতম সমন্বয়ক এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।

    বুধবার ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি বলেন, নাহিদ, আসিফরা জীবন দেয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েই রাজপথে নেমেছিল৷ DGFI, DB’র পাশবিক অত্যাচার, কোনো কিছুই এদের টলাতে পারেনি। হাসনাতরা আরও ৩ মাস আগেই বলেছিল ‘we are open to be killed’. মাহিন সরকার, আবু বাকের মজুমদার, রিফাত রশিদ, হান্নান মাসুদদের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই৷ শেখ হাসিনার পুরো রেজিমের ভয় এদেরকে লক্ষ্য থেকে সরাতে পারেনি।

    তিনি আরও লেখেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্লোগান ওদের পূর্ববর্তী করাপ্টেড সিস্টেম নিয়ে ছিল সেটা বুঝেছি। সহযোদ্ধাদের মধ্যে মান-অভিমান থাকতে পারে সেটা নিয়েও সমস্যা নেই। ন্যায়ের পক্ষে রাজপথের লড়াই সংগ্রাম মিনিটের মধ্যে আবার অমাদের ঐক্যকে শক্তিশালী করবে এটা আমরা বিশ্বাস করি। যখনই সংকট এসেছে আমার এই সহযোদ্ধারাই কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ছুটে এসেছে।

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাস আর্মির কাছে হস্তান্তরের দাবিতে আন্দোলনের সময় তথ্য ও যোগাযোগ উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের উপস্থিতিতে তাকে উদ্দেশ করে কটূক্তি করার অভিযোগ উঠে।

  • রাতে দেশের প্রধান দুই শহরে অগ্নিকাণ্ড

    রাতে দেশের প্রধান দুই শহরে অগ্নিকাণ্ড

    দেশের প্রধান দুই শহর ঢাকা-চট্টগ্রামসহ এক রাতে চার স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া না গেলেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে রাজধানীর কল্যাণপুরে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসে, চট্টগ্রাম নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকায় অবস্থিত কর্ণফুলী সুপার মার্কেটে, সাভারে একটি কাপড়ের গুদামে এবং রাজধানীর বাড্ডায় একটি মালবাহী লরিতে এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    রাজধানীর কল্যাণপুরে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসে আগুন লাগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান, আগুনে গ্রাহকদের পার্সেল ও ডকুমেন্টসহ গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। কেমিক্যাল থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করছেন কুরিয়ার সার্ভিসটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আগুনে পুরো গোডাউনের মালামালের কোনোটি পুড়ে গেছে, আবার কোনোটি পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। পুড়ে যাওয়া মালামালের উৎকট গন্ধ ছড়িয়েছে চারপাশে।

    চট্টগ্রাম নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকায় অবস্থিত কর্ণফুলী সুপার মার্কেটে আগুন লাগে রাত সোয়া ১০টার দিকে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের চেষ্টায় এক ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন,‌ রাত সোয়া ১০টার দিকে কর্ণফুলী সুপার মার্কেটে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নেভাতে যায়। এক ঘণ্টা পর রাত সোয়া ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।

    সাভারে একটি কাপড়ের গুদামে আগুন লাগে রাত পৌনে ১২টার কিছু আগে। সাভার পৌর এলাকার বাজার বাসস্ট্যান্ডের রাজভোগ সুইটমিটের তৃতীয় তলায় ‘মরিয়ম বেগম’ নামে ওই গুদামে লাগা আগুন ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট গিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টার মতো চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।

    রাজধানীর মধ্যবাড্ডা এলাকায় যান্ত্রিক ত্রুটিতে একটি মালবাহী লরিতে আগুন লাগে রাত ১২টা ৫ মিনিটে। এ সময় মধ্যবাড্ডা থেকে বিমানবন্দরমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

  • ‘শেখদের পতন’ শীর্ষক পোস্টে যা বললেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম

    ‘শেখদের পতন’ শীর্ষক পোস্টে যা বললেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম

    গত সোমবার বঙ্গভবনের দরবার হল থেকে সরিয়ে ফেলা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি। ফেসবুকে এটি নিশ্চিত করেন অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা তৈরি হয়। এবার শেখ মুজিব এবং হাসিনাকে নিয়ে ‘শেখদের পতন’ শিরােনামে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন মাহফুজ।

    তীব্র প্রাণঘাতী গণআন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। ওইদিনই ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয় দলটির সভানেত্রী এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ও ম্যুরাল ভেঙে ফেলা হয়। বিভিন্ন অফিস থেকে নামিয়ে ফেলা হয় শেখ হাসিনা এবং শেখ মুজিবের ছবি।

    তবে বঙ্গভবনের দরবার হলে উপদেষ্টাদের শপথ অনুষ্ঠানের দেখা যায় বঙ্গবন্ধুর ছবি, এ নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে সমালোচনা করেন নেটিজেনদের অনেকে। তাদের দাবি, এখনো শেখ মুজিবের ছবি বিদ্যমান থাকা জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনার বিরোধী।

    বুধবার (১৩ নভেম্বর) ফেসবুকে মাহফুজ লিখেন, ‘শেখ মুজিব ও তার কন্যা (আরেক শেখ) তাদের ফ্যাসিবাদী শাসনের জন্য জনগণের তীব্র রাগ-ক্ষোভের মুখে পড়েছেন। তাদের মধ্যে একমাত্র পার্থক্য, শেখ মুজিব একসময় পূর্ব বাংলার গণমানুষের জনপ্রিয় নেতা ছিলেন, যে জনপ্রিয়তা হাসিনার ছিল না। জনগণ পাকিস্তানি নির্যাতন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে তার (শেখ মুজিব) নেতৃত্ব অনুসরণ করেছিলেন, কিন্তু একাত্তরের পর তিনি নিজেই একজন স্বৈরশাসক হয়ে ওঠেন। মুজিববাদের প্রতি তার সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতায় একাত্তরের পর পঙ্গু ও বিভক্ত হয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। নিজের ফ্যাসিবাদী ভূমিকার কারণে ১৯৭৫-এ তার মৃত্যুতে মানুষ শোক-অনুতাপ প্রকাশ করেনি’।

    ৯ মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন হয় বাংলাদেশ। কিন্তু পরবর্তী শাসনামলে গণহত্যা, জোরপূর্বক গুম, দুর্নীতি, দুর্ভিক্ষ দেখে বাংলাদেশ। এসবের জন্য আওয়ামী লীগ ও শেখ পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে বলছেন মাহফুজ। তার ভাষ্য, অতীত কৃতকর্মের জন্য মুজিব ও হাসিনার ছবি, ম্যুরাল ও ভাস্কর্য মানুষ নামিয়ে ফেলেছে।

    নতুন এই উপদেষ্টা আরো লেখেন, ‘তবে, শেখ মুজিব তার একাত্তর-পূর্ব ভূমিকার জন্য সম্মান পাবেন, যদি শেখের একাত্তর-পরবর্তী গণহত্যা, জোরপূর্বক গুম, দুর্নীতি, দুর্ভিক্ষ ও নিশ্চিতভাবেই বাহাত্তরের সংবিধান, যা বাকশাল প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করেছিল—এসবের জন্য তার দল ও পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চান। শেখ-কন্যার ফ্যাসিবাদী শাসনের কথাও তাদের স্বীকার করা, ক্ষমা চাওয়া এবং এ জন্য বিচারের মুখোমুখি হওয়া উচিত (শেখ মুজিবকে একজন ঠাট্টা-বিদ্রূপ ও উপহাসের পাত্র বানিয়েছিলেন তিনি)। তাদের আরও উচিত, মুজিববাদী রাজনীতি ও শেখ পরিবারের বন্দনা পরিহার করা’।

    ‘কন্যার ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে শেখের ছবি সরানো হয়েছে (কর্মকর্তারা সরিয়েছেন, যদিও তা হয়েছে); যে শাসন মেয়ে করেছেন ফ্যাসিবাদী বাবার নামে ও তার একাত্তর-পরবর্তী চেতনার কথা বলে। তার বাবাকে দেবতুল্য করা হয়েছিল, কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের মানুষ একসঙ্গে তাদের দুজনের ছবি, ম্যুরাল ও ভাস্কর্য নামিয়ে ফেলেছেন’।

    ‘কেউ যদি সরকারি অফিস থেকে শেখদের ছবি সরানোর কারণে আক্ষেপ প্রকাশ করেন, তবে তিনি এ গণ-অভ্যুত্থান ও গণমানুষের চেতনারই নিন্দা জানালেন’।

    কোনো মুক্তিযোদ্ধা একাত্তর পরবর্তী সময়ে অন্যায় করলে তার শাস্তি হওয়া উচিত বলে মনে করেন মাহফুজ। একইসঙ্গে কোনো শাসক এবং তার পরিবারকে দেবতার আসনে বসানো উচিত নয় বলছেন তিনি।

    বৈষম্যবিরােধী আন্দোলনের এই নেতা লিখেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে, ইতিহাসকে মুছে ফেলা যায় না। আমরা এখানে এসেছি, ঐতিহাসিক অসংগতি ও অপব্যাখ্যাগুলো দূর করতে। মনে রাখতে হবে, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ছিল বাংলাদেশের গণমানুষের। আবার, কোনো মুক্তিযোদ্ধাও যদি একাত্তরের পর কোনো অন্যায় করে থাকেন, তার বিচার ও সাজা হওয়া উচিত’।

    ‘স্বাধীনতাযুদ্ধে ভূমিকা রেখেছেন বলেই তাদের (একাত্তরের পর কোনো অন্যায় করা মুক্তিযোদ্ধাদের) এ ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া উচিত নয়’।

    ‘বাংলাদেশের উচিত, শাসক পরিবারগুলোকে দেবতুল্য করা ও সেই ক্ষমতাসীন পরিবারগুলোর সবকিছু নিজেদের বলে মনে করা—এ থেকে বেরিয়ে আসা। ’৪৭ ও ’৭১-এর পাশাপাশি জুলাইয়ের চেতনা আমাদের সবার স্মৃতিতে থাকুক অম্লান’!

  • দক্ষিণ এশিয়ায় নেপাল ও ভুটানের জলবিদ্যুৎ গ্রিড তৈরির আহ্বান ড. ইউনূসের

    দক্ষিণ এশিয়ায় নেপাল ও ভুটানের জলবিদ্যুৎ গ্রিড তৈরির আহ্বান ড. ইউনূসের

    নেপাল ও ভুটানের তৈরি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প সর্বোচ্চ কাজে লাগিয়ে দক্ষিণ এশিয়া গ্রিড তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন অন্তবর্তকালীন সরকারের উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার আজারাবাইজানের বাকুতে জলবায়ু সম্মেলনের সাইডলাইনে সামাজিক ব্যবসার উদ্যোক্তাদের সাথে এক বৈঠকে এ আহ্বান জানান তিনি।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল এবং ভুটানের সাথে সংযোগকারী বিদ্যুতের গ্রিডের অভাবে বেশিরভাগ জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনা অব্যবহৃত রয়ে গেছে।

    নেপালের কর্মকর্তারা বলেছেন, দেশটির ৪০ হাজার মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে, যা ভারত ও বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলোতে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    অধ্যাপক ইউনুস বলেন, বাংলাদেশ সহজেই নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আনতে পারে কারণ এটি বাংলাদেশ থেকে মাত্র ৪০ মাইল দূরে। নেপালের জলবিদ্যুৎও সাশ্রয়ী। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল এবং ভুটানকে দক্ষিণ এশিয়ার গ্রিড তৈরি করার কথা ভাবতে হবে৷

    ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ভুটানের সফররত প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বিদ্যুৎ ও বাণিজ্য সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব তুলে ধরেছিল ঢাকা। ওই সময় ভুটানের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে অংশীদার হওয়ার সুযােগ চেয়েছিল বাংলাদেশ। চলতি বছরের জুনে নয়াদিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। ওই বৈঠকেও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়

    গত অক্টোবর নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি সই হয়। নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশ ত্রিপক্ষীয় এ চুক্তিতে সই করে। নেপালের এ বিদ্যুৎ সরবরাহে ভারতের ভূখণ্ড ও সরবরাহ লাইন ব্যবহার করা হবে। এজন্য ভারতীয় পক্ষও এ চুক্তিতে সই করে। এ চুক্তির অধীনে প্রতি বছর জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসের জন্য নেপাল থেকে ভারতের মাধ্যমে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।

    যদি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো সমন্বিতভাবে নেপাল এবং ভুটানের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে ব্যবহারে গ্রিড তৈরি করতে পারে, সেক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশগুলো অনেক উপকৃত হবে। সীমান্ত, কূটনীতি, নানা মারপ্যাঁচে অবাধভাবে জলবিদ্যুতের সর্বোচ্চ ব্যবহার করা কঠিন। দক্ষিণ এশিয়ায় জলবিদ্যুতের গ্রিড তৈরিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রস্তাব যুগান্তকারী।

  • ধ্বংসাত্মক মানসিকতার কারণে সভ্যতা গুরুতর ঝুঁকির মুখে: ড. ইউনূস

    ধ্বংসাত্মক মানসিকতার কারণে সভ্যতা গুরুতর ঝুঁকির মুখে: ড. ইউনূস

    ক্রমশ তীব্রতর হচ্ছে, আমাদের ধ্বংসাত্মক মানসিকতার কারণে সভ্যতাকে গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছি। আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে নিজের ভাষণে এমন মন্তব্য করেছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    একইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি কমাতে বিলাসী জীবনাচরণ পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন অধ্যাপক ইউনূস। ভাষণে জীবাশ্ম জ্বালানি, কার্বন নিঃসরণ এবং অপচয়মুক্ত পৃথিবী গড়ার তাগিদ তুলে ধরেছেন তিনি।

    ভাষণে ড. ইউনূস বলেন, বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক এবং যুবশক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপন করতে হবে।

    এর আগে মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ড. ইউনূস বিশ্বের অন্তত ২০টি দেশের শীর্ষনেতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে দেখা করেছেন।

    যাদের মধ্যে রয়েছে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং তুর্কি ফার্স্ট লেডি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এবং নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল। আলাপকালে ড.ইউনূস দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের শীর্ষ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সার্কের পুনরুজ্জীবনের আহ্বান জানিয়েছেন।

    অন্য শীর্ষনেতাদের মধ্যে বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী, ঘানার প্রেসিডেন্ট, বসনিয়া হার্জেগোভিনার প্রধানমন্ত্রী, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট, আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী, মন্টিনিগ্রোর প্রেসিডেন্ট, বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী, ব্রাজিল ও ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট, ফিফা সভাপতি, আইওএমের মহাপরিচালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ড. ইউনূস।

    এছাড়া প্রধান উপদেষ্টা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। তিনি জুলাই অভ্যুত্থানে সংহতি প্রকাশ করা বন্দি ৫৭ বাংলাদেশী নাগরিককে মুক্তি দেওয়ার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান।

  • গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো চাপ নেই: উপদেষ্টা নাহিদ

    গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো চাপ নেই: উপদেষ্টা নাহিদ

    তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো চাপ নেই। এই স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে গণমাধ্যমকে সাহসের সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।

    মঙ্গলবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দৈনিক সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।

    তথ্যের অবাধ প্রবাহের ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, সঠিক তথ্য ব্যাপকভাবে প্রচার না হওয়ায় গুজব ও অপতথ্যের দ্বারা মানুষ প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত হচ্ছে। গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে গণমাধ্যমকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

    বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গণমাধ্যমের ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের গল্প গণমাধ্যমে প্রচার করতে হবে। আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের জনস্মৃতিতে রাখতে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

    বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সমালোচনা করে উপদেষ্টা বলেন, ওই সময় অনেক গণমাধ্যমকর্মী ভয়ে সত্য ঘটনা প্রকাশ করতে পারেননি। এখন সেই সময় কেটে গেছে।উপদেষ্টা ফ্যাসিবাদী সরকারের গুম, দুর্নীতিসহ সব অপকর্মের তথ্য গণমাধ্যমে প্রচারের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

    গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সরকার গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করে।

    গণমাধ্যমের সংস্কার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার গণমাধ্যমের সংস্কারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কমিশন গঠন করেছে। কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গণমাধ্যমের সংস্কার করা হবে।

    মতবিনিময় সভায় পত্রিকার সম্পাদকরা বলেন, বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই। যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য আশীর্বাদ। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা রয়েছে। গত ১৬ বছর গণমাধ্যম সঠিক ভূমিকা পালন করলে দেশে ফ্যাসিবাদের উত্থান হতো না।

    মতবিনিময় সভায় ইংরেজি পত্রিকার জন্য আলাদা নীতিমালা প্রণয়নেরও দাবি জানানো হয়।

    মতবিনিময় সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্যাহ এবং দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আরও কমল সোনার দাম

    আরও কমল সোনার দাম

    পাঁচ দিনের ব্যবধানে ফের দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

    সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ হাজার ৫১৯ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।যা আজকেও ছিল এক লাখ ৩৮ হাজার ৭০৮ টাকা।

    স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম কমানো হয়েছে। বুধবার থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৫১৯ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৮৯ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪০৩ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৬৫ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ১১ হাজার ৪২৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৪৯ টাকা কমিয়ে ৯১ হাজার ৪১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এর আগে গত ৫ ও ৮ নভেম্বর আরও দুদফা সোনার দাম কমানো হয়। ৫ নভেম্বর ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হয় ১ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং ৮ নভেম্বর কমানো হয় ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা। ফলে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হলো ৭ হাজার ৩৩৭ টাকা।

  • বাংলাদেশে ট্রাম্পের সমর্থকদের গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেনি

    বাংলাদেশে ট্রাম্পের সমর্থকদের গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেনি

    যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের গ্রেফতার বা দমন অভিযানের কোনো ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেনি। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের ফ্যাক্টচেকিং ফেসবুক পেজে (সিএ প্রেস উইং ফ্যাক্টস) দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলা হয়েছে।

    পোস্টে বলা হয়েছে, রাজধানী ঢাকায় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে রোববার আওয়ামী লীগের বেশ কিছু নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দলটির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, দুর্নীতি ও কোটি কোটি ডলার পাচারের অভিযোগ আছে।

    পোস্টে বলা হয়, ঢাকা মহানগর পুলিশ এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্টার বহন করার এবং গ্রেফতারের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়ায় তারা সেগুলো বহন করছিলেন। আটক ব্যক্তিরা পুলিশকে বলেছেন, তারা মার্কিন রাজনীতি অনুসরণ করেন না, শুধু হাসিনার নির্দেশে ট্রাম্পের পোস্টার বহন করেছিলেন।

    পোস্টে আরও বলা হয়, আগস্টে অভূতপূর্ব বিপ্লবে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে কিছু ভারতীয় সংবাদপত্র শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে আক্রমণাত্মকভাবে ভুল তথ্য প্রচার করছে। তারা বিপ্লবোত্তর দিনগুলোতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনাগুলোকে ব্যাপকভাবে অতিরঞ্জিত করেছে। আওয়ামী লীগ-সমর্থকদের গ্রেফতারের ঘটনাও তারা একইভাবে অতিরঞ্জিত করেছে।

  • ‘মামলার আসামি’ হওয়া প্রসঙ্গে যা বললেন নতুন উপদেষ্টা

    ‘মামলার আসামি’ হওয়া প্রসঙ্গে যা বললেন নতুন উপদেষ্টা

    নিজের নামে মামলা প্রসঙ্গে নতুন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন বলেছেন, আমি খুব ভালো জানি না, আমাদের লিগ্যাল টিম ব্যাপারটা দেখছে। ওখানে আমার বাবার নামে কিছু অসঙ্গতি আছে। এটা আসলে আমি কিনা সেটা নিশ্চিত জানি না। নিশ্চিত হলে এটা লিগ্যালি ফেস করব।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা আন্দোলন করেছে তাদের আবেগের সঙ্গে আমার কোনো দ্বিমত নেই। আবেগ সঠিক।

    নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে রোববার শেখ বশির উদ্দিনসহ তিনজন উপদেষ্টা যুক্ত হন।

    প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নেওয়ার একদিন পর সোমবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রথমবারের মতো কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন তিনি। পরে তিনি সংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।