Category: জাতীয়

  • মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ২ যুদ্ধাপরাধী গ্রেফতার

    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ২ যুদ্ধাপরাধী গ্রেফতার

    একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ২ আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। তাদের নাম নকিব হোসেন আদিল সরকার ও মোখলেসুর রহমান মুকুল।

    সোমবার রাতে রাজধানীর দক্ষিণখান ও আশুলিয়া থেকে তাদের গ্রেফতার করে র‌্যাব-২ এর একটি দল।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে কাওরান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

    সেখানে বিস্তারিত জানানো হবে।

  • ব্যবসায়ীদের ক্ষতি ৬৫ হাজার কোটি টাকা

    ব্যবসায়ীদের ক্ষতি ৬৫ হাজার কোটি টাকা

    ডলারের দাম বৃদ্ধি, কভিডকালীন নানামুখী বিপর্যয়ে গত এক বছরে ব্যবসায়ীদের ৬৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তিন বছর আগে এক ডলারের দাম ছিল ৮২ টাকা। সেই ডলার এখন ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ব্যাংকে। ওই সময়ে যারা এলসি খুলেছিলেন দায় পরিশোধে তাদের এখন বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

    পাশাপাশি গ্যাস, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সংকট উত্তরণের জন্য ডলারের বিনিময় হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। আর জ্বালানি সংকট সমাধানে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ।

    চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মাসে ডলারের বিপরীতে টাকার দাম কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশ। গত অর্থবছরে দেশের আর্থিক হিসাবে ১ হাজার ৪০৬ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত ছিল। ২০২১-২২ অর্থবছরে উদ্বৃত্ত ছিল ১ হাজার ৩৭৭ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) আর্থিক হিসাবে উল্টো ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার।
    গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এ মনসুর বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতার কারণে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হওয়ায় গত এক বছরে বাংলাদেশের কোম্পানিগুলোর ৬৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিন বছর আগে ১০০ ডলার ৮ হাজার ২০০ টাকায় কেনা গেলেও গত এক বছরে ব্যবসায়ীরা ১০০ ডলার ১০ হাজার ৫০০ টাকায় কিনছেন। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অনেক কোম্পানির লোকসান হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০০ কোটি টাকায়। ডলারের বিনিময় হারের অস্থিরতার কারণে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফা কমেছে ৯০ শতাংশ থেকে ৯৫ শতাংশ।
    ডলারের দাম ফিক্সড থাকলে ঝুঁকি মূল্যায়নটা হয় না।

  • আবারও বাড়লো বিদ্যুতের দাম

    আবারও বাড়লো বিদ্যুতের দাম

    আবারও নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন দর ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হবে। গতকাল রাতে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে ‍বিদ্যুৎ বিভাগ। আজ এটি প্রচার করা হয়েছে।

    এবার গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ২০ পয়সা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী লাইফলাইন গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৩ টাকা ৯৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ১৪ পয়সা, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৬২ পয়সা এবং ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৬ টাকা ১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৩১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সেই সঙ্গে ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৬ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৬২ পয়সা, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটের জন্য ৬ টাকা ৬৬ পয়সা থেকে বেড়ে ৬ টাকা ৯৯ পয়সা, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে বেড়ে ১০ টাকা ৯৬ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ওপরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল ১২ টাকা ০৩ পয়সা থেকে বেড়ে ১২ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে পাইকারি দামের বিষয়ে বলা হয়, ‘সরকার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩ অনুযায়ী ভর্তুকি সমন্বয়ের লক্ষ্যে জনস্বার্থে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বাবিউবো) কর্তৃক বিভিন্ন বিতরণ সংস্থা বা কোম্পানিকে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের পাইকারি (বাল্ক) মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) পাশ কাটিয়ে নির্বাহী আদেশে বাড়ানো হলো বিদ্যুতের দাম। গত ১৪ বছরে এ নিয়ে ১১তমবারের মতো গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম।

    এর আগে গত ১২ জানুয়ারি গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয় নির্বাহী আদেশে। তিন সপ্তাহের মধ্যে তিন দফায় গ্যাস বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘটনা ঘটলো, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল।

    আগে কখনই এতো কম সময়ের মধ্যে দফায় দফায় দাম বাড়েনি।
    এর আগে গত ২১ নভেম্বর সর্বশেষ বিদ্যুতের পাইকারি দাম বাড়ায় বিইআরসি। তখন ইউনিট প্রতি ৫.১৭ টাকা থেকে গড়ে ১৯.৯২ শতাংশ বাড়িয়ে ৬.২০ টাকা করা হয়।

    সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, এখন থেকে প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয় করা হবে। এই মূল্য নির্বাহী আদেশে কার্যকর হবে।

    গ্রাহকদের এখন থেকে প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহের বিদ্যুতের মূল্য জানিয়ে দেয়া হবে যে- সমন্বিত মূল্য বাড়ছে নাকি কমছে।

  • ২৭ দিনে ১৬৭ কো‌টি ডলার পাঠালেন প্রবাসীরা

    ২৭ দিনে ১৬৭ কো‌টি ডলার পাঠালেন প্রবাসীরা

    বছরের শুরুতে প্রবাসী আয়ের ঊর্ধ্বমুখী ভাব অব্যাহত আছে। চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারির ২৭ দিনে ১৬৭ কো‌টি মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

    টাকার অংকে যার পরিমাণ প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা। এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে প্রবাসী আয় দাঁড়াবে ১৭০ কোটি ডলারে।

    প্রবাসী আয় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

    জানুয়ারি মাসে প্রবাসীদের আয় সাম্প্রতিক নিম্নগতি থেকে ঊর্ধ্বগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আগের মাস তথা ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এসেছিল ১৬৯ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময় জানুয়ারি মাসে এসেছিল ১৭০ কোটি ৪৫ লাখ মার্কিন ডলার। আর ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৯৬ কোটি ১৯ লাখ ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখানো হয়েছে, জানুয়ারির ২৭ দিনে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে তার মধ্যে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪০ কোটি ৫২ লাখ ডলার। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২২ কোটি ৬ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৮৯ লাখ মার্কিন ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৮ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

    একক ব্যাংক হিসাবে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে বেসরকারি ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে ২৭ দিনে প্রবাসী আয় এসেছে ৩০ কোটি ৮৪ লাখ ডলার।

    দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় আসা ব্যাংকটি হলো আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটির মাধ্যমে ২৭দিনে প্রবাসী আয় এসেছে ১০ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। আর অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৯ কোটি ১১ লাখ ডলার; রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মধ্যে অগ্রণী সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় সংগ্রহ করা ব্যাংক।

    এ সময়ে সাত ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স সংগ্রহ করতে পারেনি। ব্যাংকগুলো হলো – বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, বিদেশি খা‌তের হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি।

  • দেশে বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা

    দেশে বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা

    সারাদেশে বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। কমছে কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া। তবে কোথাও কোথাও চলছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

    ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া কিছুটা কমলেও তীব্র শীতে কোনো কোনো জেলায় বেড়েছে জনদুর্ভোগ।

    মঙ্গলবার ভোর ৬টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেতুঁলিয়ায় ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    চুয়াডাঙ্গায় শৈত্যপ্রবাহ কেটে গেছে। তবে এ জেলায় কমেনি শীতের তীব্রতা।

    গত কয়েক দিনের তুলনায় তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গতকাল ছিল ১৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি। জেলার হাসপতালগুলোয় নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া রোগীর চাপ বেড়েছে। ঘন কুয়াশায় রবি ফসলের ক্ষতির শঙ্কায় কৃষক।
    ঠাকুরগাঁওয়ে বেড়েছে তাপমাত্রা। শীতের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে শীতে দুর্ভোগ কমেনি অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের।

    এছাড়াও মঙ্গলবার সকালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    ভোরে কনকনে ঠান্ডা বাতাস ও কুয়াশার কারণে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। কাজে বের হতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শ্রমিক ও নিম্ন-আয়ের মানুষদের।

  • ছাত্রলীগের প্রতি যে অনুরোধ জানালেন চিত্রনায়িকা মাহি

    ছাত্রলীগের প্রতি যে অনুরোধ জানালেন চিত্রনায়িকা মাহি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (গোমস্তাপুর, নাচোল, ভোলাহাট) আসনের উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিয়া। তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

    ওই আসনে ক্ষমতাসীন দলটির মনোনয়ন পেয়েছেন মুহা. জিয়াউর রহমান। এবার তার পক্ষে প্রচারণায় নামার জন্য ছাত্রলীগের প্রতি অনুরোধ জানালেন অভিনেত্রী মাহি।

    তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মুহা. জিয়াউর রহমান আঙ্কেল প্রচণ্ড ভালো একজন মানুষ। ছাত্রলীগের প্রত্যেক ভাইদের অনুরোধ করব, সবাই তার পক্ষে নৌকার প্রচারণায় নেমে পড়েন। আমি বিশ্বাস করি, আপনারা যেই প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন, সেই প্রার্থীর হারার কোনও সম্ভাবনা নেই। ”

    সোমবার বিকালে রহনপুরে ছাত্রলীগের প্রতিনিধি সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এই অনুরোধ জানান।

    মাহি বলেন, আপনারা যেখানে ভূমিকা রাখবেন, সেখানে পরাজয় হতেই পারে না। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য উপনির্বাচনে নৌকা যাতে বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করতে পারে, সেই লক্ষ্যে আমাদেরকে কাজ করতে হবে। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের বিজয় উপহার দিতে চাই। আপনাদের প্রতি অনুরোধ, এতে যা যা করণীয় তার সবকিছুই করতে হবে।

  • গণঅভ্যুত্থান নয়, গণআন্দোলনেও ঢেউ তুলতে পারেনি বিএনপি’

    গণঅভ্যুত্থান নয়, গণআন্দোলনেও ঢেউ তুলতে পারেনি বিএনপি’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণঅভ্যুত্থান নয়, গণআন্দোলনেও ঢেউ তুলতে পারেনি বিএনপি। তাদের আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা নেই। বিএনপির তাদের আন্দোলন নেতাদের মধ্যে সীমতি।

    ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বকশীবাজারে নবকুমার ইনস্টিটিউটশন ও ডক্টর শহীদুল্লাহ্ কলেজ প্রাঙ্গনে গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ মতিউর রহমান মল্লিকের বেদিতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বাধীনতার পথে চূড়ান্ত মাইলফলক। বিএনপি ৭ মার্চ, ৭ জুন, ১৪ এপ্রিল, ১০ জানুয়ারি, ২৪ জানুয়ারি মানে না, পালন করে না।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, একাত্তরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার একমাত্র বৈধ অধিকার ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, অন্যরা পাঠকমাত্র।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়।

    সেখানে জাতীয় সংসদের উপনেতা আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেন, এদেশে ভাষা আন্দোলন কিংবা গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে ছাত্রদের আন্দোলনের কারণে। যখন একটি আন্দোলন সর্বস্তরের জনগণকে স্পর্শ করে তখন সে আন্দোলন সফল হয়। মতিউর একটি অবিনশ্বর চেতনার নাম। এসময় তিনি শহীদ মতিউর রহমান মল্লিকের স্মৃতি চারণ করে বক্তব্য রাখেন।

  • পিতৃপরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক হবেন মা : হাইকোর্ট

    পিতৃপরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক হবেন মা : হাইকোর্ট

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে পিতৃপরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক মা হতে পারবেন বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

    গত ১৬ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। ওই দিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আইনুননাহার সিদ্দিকা, অ্যাডভোকেট এস এম রেজাউল করিম এবং অ্যাডভোকেট আয়েশা আক্তার।

    এ ছাড়া রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।
    রিটের পক্ষের আইনজীবীরা জানান, ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আগে শিক্ষার্থী তথ্য ফরমে অত্যাবশ্যকীয়ভাবে বাবার নাম পূরণ করতে না পারার কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী ঠাকুরগাঁওয়ের এক তরুণীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের প্রবেশপত্র দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

    পরে এ ঘটনা অনুসন্ধান করে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এবং সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মায়ের স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ এবং নারীপক্ষ যৌথভাবে জনস্বার্থে ২০০৯ সালের ২ আগস্ট রিট দায়ের করে।

    রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ৩ আগস্ট বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহম্মেদ এবং বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মানবাধিকার, সমতার পরিপন্থী ও বিশেষভাবে শিক্ষার অধিকারে প্রবেশগম্যতার বাধাস্বরূপ বিদ্যমান বৈষম্যমূলক এ বিধানকে কেন আইনের পরিপন্থী এবং অসাংবিধানিক হিসেবে ঘোষণা করা হবে না- মর্মে রুল জারি করেন।

    একই সঙ্গে বর্তমানে কোন কোন শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বাবা ও মা উভয়ের নাম সম্পর্কিত তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হয় তার একটি তালিকা এবং যেসব যোগ্য শিক্ষার্থী তাদের বাবার পরিচয় উল্লেখ করতে অপারগ তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কি ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, সে সম্পর্কে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ২০২১ সালের ৬ জুন ব্লাস্ট আবেদনকারীদের পক্ষে একটি হলফনামা আদালতে দাখিল করে।

  • ডিসি সম্মেলনে ২৫ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    ডিসি সম্মেলনে ২৫ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, গুজব, খাদ্যে ভেজাল, সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জনগণকে সরকারি সেবা প্রধানসহ বিভিন্ন বিষয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ২৫টি নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৩’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

    নির্দেশনাগুলো হলো:

    ১. খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। পতিত জমিতে ফসল ফলাতে হবে।

    কোনো জমি যেন অনাবাদি না থাকে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
    ২. নিজেরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং জনগণকে এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

    ৩. সরকারি অফিসসমূহে সাধারণ মানুষ যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বিঘ্নে যথাযথ সেবা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। সেবা প্রত্যাশীদের সন্তুষ্টি অর্জনই যেন হয় সরকারি কর্মচারীদের ব্রত।

    ৪. সরকারি তহবিল ব্যবহারে কৃচ্ছতা সাধন করতে হবে।

    ৫. এসডিজি স্থানীয়করণের আওতায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাসমূহ অর্জনে তৎপরতা জোরদার করতে হবে।

    ৬. দেশে একজনও ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবে না। গৃহহীনদের জন্য গৃহনির্মাণ, ভূমিহীনদের কৃষি খাস জমি বন্দোবস্তসহ সব সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে যেন প্রকৃত অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক শ্রেণির মানুষ সুযোগ পায় তা নিশ্চিত করতে হবে।

    জমি ও ঘর দেওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
    ৭. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের পাঠদান কার্যক্রমের মানোন্নয়নে উদ্যোগী হতে হবে। অপেক্ষাকৃত দুর্গম এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

    ৮. কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রসমূহ যেন কার্যকর থাকে তা প্রতিনিয়ত তত্ত্বাবধান করতে হবে।

    ৯. শিশু-কিশোরদের শারীরিক-মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে তাদের জন্য প্রত্যেক এলাকায় সৃজনশীল চর্চা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ক্রীড়া সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

    ১০. নাগরিকদের সুস্থ জীবনাচারের জন্য জেলা ও উপজেলায় পার্ক, খেলার মাঠ প্রভৃতির সংরক্ষণ এবং নতুন পার্ক ও খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে।

    ১১. পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে উচ্চ-প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তুলতে কাজ করতে হবে।

    ১২. সরকারি দপ্তরসমূহের ওয়েবসাইট নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে। নিজ নিজ জেলায় সরকারের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সাফল্য ওয়েবসাইটে তুলে ধরতে হবে।

    ১৩. জনসাধারণের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণে কাজ করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার, গুজব ইত্যাদি রোধে উদ্যোগ নিতে হবে।

    ১৪. আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যেন কোনোভাবেই অবনতি না হয় সে লক্ষ্যে নজরদারি জোরদার করতে হবে।

    ১৫. মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে কেউ যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

    ১৬. মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দূর করতে হবে। নিরীহ ধর্মপ্রাণ মানুষ যাতে জঙ্গিবাদে জড়িত না হয় সেজন্য সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে। যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে মুক্ত রাখতে হবে।

    ১৭. বাল্যবিয়ে, ইভটিজিং, খাদ্যে ভেজাল, নকল পণ্য তৈরি ইত্যাদি অপরাধ প্রতিরোধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।

    ১৮. বাজারে নিত্য-প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে, কৃত্রিম সঙ্কট রোধ ও পণ্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

    ১৯. সরকারি জমি, নদী, বনভূমি, পাহাড়, প্রাকৃতিক জলাশয় প্রভৃতি রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণের উদ্দেশে নতুন সরকারি প্রতিষ্ঠান স্থাপনে ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণকে প্রাধান্য দিতে হবে।

    ২০. নিয়মিত নদী ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা বাড়াতে হবে। সুইচগেট বা অন্য কোনো কারণে যেন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয় সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বিশেষ করে জলাবদ্ধতার জন্য যেন উৎপাদন ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

    ২১. বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় তালগাছ রোপণ করতে হবে।

    ২২. পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও রক্ষণাবেক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। নতুন নতুন পর্যটন স্পট গড়ে তুলতে হবে।

    ২৩. জেলার নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষা এবং জেলাভিত্তিক বিখ্যাত পণ্যসমূহের প্রচার, বিপণন ও ব্র্যান্ডিং করতে হবে।

    ২৪. জনস্বার্থকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে রেখে সেবার মনোভাব নিয়ে যেন সরকারি দপ্তরগুলো পরিচালিত হয় সে লক্ষ্যে মনিটরিং জোরদার করতে হবে।

    ২৫. জেলার সব সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমসমূহ যথাযথ সমন্বয়ের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ তথা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনাদের ব্রতী হতে হবে।

  • পুলিশের পরিদর্শক হলেন সামসুন নাহার

    পুলিশের পরিদর্শক হলেন সামসুন নাহার


    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পদোন্নতি পেয়ে বাংলাদেশ পুলিশের পরিদর্শক হলেন এস আই সামসুন নাহার। গতকাল শনিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে মোট ৫১ জন এস আইকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পুলিশের এসআই (নিরস্ত্র) পদে কর্মরত ৫১ কর্মকর্তাকে পরিদর্শক (নিরস্ত্র) হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। পরিদর্শক হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া সামসুন নাহার বরিশাল থেকে প্রকাশিত দৈনিক ভোরের অঙ্গীকার পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মশিউর মন্টুর ছোট বোন। কর্মময় জীবনে সামসুন নাহার ভোলা,পটুয়াখালী, বরগুনা এবং জাতিসংঘ মিশনের একজন সদস্য হিসেবে হাইতিতে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত আছেন।