Category: জাতীয়

  • আশ্বস্ত করছি বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দেবে না: প্রধান উপদেষ্টা

    আশ্বস্ত করছি বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দেবে না: প্রধান উপদেষ্টা

    দেশে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দেবে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার বৃটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।

    বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন করলে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি আশ্বস্ত করছি যে, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দেবে না। তরুণেরা ধর্ম নিয়ে নিরপেক্ষ। তারা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চায়। এই তরুণেরা পুরো বিশ্ব পরিবর্তন করতে পারে। এটা শুধু একটি দেশ বা আরেকটি দেশ পরিবর্তনের বিষয় না। বাংলাদেশ যা করেছে এটি তার একটি উদাহরণ যে, তরুণরা কত শক্তিশালী।’

    স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের পর দ্য ইকোনমিস্টের ২০২৪ সালের বর্ষসেরা খেতাব জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎকারটি নেয় বৃটিশ সাময়িকীটি।

    ২০২৫ সালে নির্বাচন আয়োজনের পর কী করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমার চাকরি আসলে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমাকে জোর করে এ কাজে আনা হয়েছে। আমি আমার কাজ করছিলাম এবং তা উপভোগ করছিলাম। আমি প্যারিসে ছিলাম, সেখান থেকে আমাকে আনা হয়েছে অন্য কিছু করার জন্য। সুতরাং আমি আমার নিয়মিত কাজে ফিরে যেতে পারলে খুশি হব, যা আমি সারা জীবন ধরে করেছি। আর তরুণরাও এটিকে ভালোবাসে। সুতরাং আমি আবার সেখানে ফিরে যাব যেটা আমি সারা বিশ্বে তৈরি করেছি।’

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমাদের উচিত তরুণ-তরুণীদের প্রতি মনোযোগ দেওয়া। বিশেষ করে তরুণীদের ওপর। তারা বাংলাদেশের অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তরুণ-তরুণীদের ওপর মনোযোগ দেওয়া উচিত যাতে তারা নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে। তাদের সুযোগ এসেছে এবং সক্ষমতাও রয়েছে। অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তিন তরুণ বর্তমানে আমার ক্যাবিনেটে আছেন। তারা দুর্দান্ত কাজ করছে। এই তরুণেরা গত শতাব্দীর তরুণ নয়। তারা এই শতাব্দীর। তারা অন্যান্যদের মতোই সক্ষম।’

  • বুয়েট শিক্ষার্থীর মৃত্যু, সড়ক দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে যা বললেন উপদেষ্টা নাহিদ

    বুয়েট শিক্ষার্থীর মৃত্যু, সড়ক দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে যা বললেন উপদেষ্টা নাহিদ

    সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এক শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনা উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য সম্প্রচার ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সড়কে বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত সমাজের উচ্চপর্যায়ের বিচার হয় না।

    শনিবার রাজধানীর সার্কিট হাউস সংলগ্ন প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত সড়ক পরিবহণ খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত সংস্কার বিষয়ে জাতীয় সংলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন। দিনব্যাপী এই সংলাপে সড়ক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও পরিবহণ সেক্টরের অংশীদারজনও উপস্থিত ছিলেন।

    উপদেষ্টা নাহিদ বলেন, বুয়েটের একজন মারা গেলো। একটা ধারণা যে সমাজের উচ্চপর্যায়ের সঙ্গে যারা আছেন তাদের বিচার হয় না, জবাবদিহিতা হয়না। এখানে সাধারণ মানুষদের জীবনটাই আসলে যায়। এই চিত্র আমাদের সমাজে আছে। এটার পরিবর্তন দরকার। সবাইক বিচারের আওতায় আনা দরকার। এখানে কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। উন্নয়ন নীতিতে মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে।

    নাহিদ বলেন, এখন রাস্তায় বের হয়ে মানুষ মারা গেলে সেটাকে কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড বলা হচ্ছে। কারণ এটা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। এমন একটা ব্যবস্থা তৈরি করে রাখা হয়েছে রাস্তায় মানুষ বের হলে মানুষ মারা যেতে পারে৷ এখানে ব্যবস্থাপনাতেই সমস্যা রয়েছে। যে ধরনের প্রতিষ্ঠান সড়কের নিরাপত্তা দিতে পারে সেটাই তৈরি হয়নি।

    পরিবহণ সেক্টরের দুর্নীতি চলমান আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগের দল দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল আবার এখন আরেক দল রয়েছে। এই দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। এখানে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা প্রয়োজন। কারণ রাজনৈতিক কর্মীরাই এগুলোত জড়িত।

    জাতীয় সংলাপে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান মো. ইয়াসীন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ করপোরেশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম, ঢাকা পরিবহণ সমন্বয়ক কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আখতার, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, অ্যাক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক আরমানা সাবিহা হকসহ অন্যান্যরা।

  • রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ছাড়া মিয়ানমারে শান্তি আসবে না

    রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ছাড়া মিয়ানমারে শান্তি আসবে না

    পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান ছাড়া মিয়ানমারে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা আসবে না।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল (শুক্রবার) ব্যাংককে থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিস সাঙ্গিয়ামপোংসার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত মিয়ানমার সংক্রান্ত অনানুষ্ঠানিক পরামর্শ সভার সাইডলাইনে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে মিলিত হন। পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ, চীন, ভারত, লাও পিডিআর, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা যোগ দেন।

    তৌহিদ মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য একটি বিস্তৃত রোডম্যাপের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি রোহিঙ্গাদের জন্য পরিস্থিতি ক্রমশ অনিশ্চিত হয়ে পড়া রাখাইন রাজ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা পুনরুদ্ধারের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের পর রাখাইন রাজ্যে আসিয়ান সদস্য দেশগুলো তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।

    রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য তাদের কর্মসংস্থান ও জীবিকা সহায়তা প্রদানে অন্যান্য বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোকে তালিকাভুক্ত করারও আহ্বান জানান তিনি।

    তৌহিদ বলেন, ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর রোহিঙ্গা সংকট ইতোমধ্যেই মারাত্মক প্রভাব ফেলছে এবং বেশি দিন চলতে দিলে এটি আরও প্রকট হবে।’

    থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান এবং গঠনমূলক আলোচনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    তারা অকপট ও সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে মতামত ও পরামর্শ আদান-প্রদানের জন্য এ ধরনের অনানুষ্ঠানিক সংলাপের গুরুত্ব স্বীকার করেন।

    তারা বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন।

    পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী একমত পোষণ করেন যে বিদ্যমান ব্যবধান কমাতে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ স্থাপনের জন্য মিয়ানমারে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।

    থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী উভয় দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের চাহিদা অনুযায়ী রেঙ্গুন ও চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে উপকূলীয় শিপিং ব্যবস্থা চালু করতে বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন।

    থাই মন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে মৎস্য খাতে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।তিনি বিমসটেক অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তায় অবদান রাখতে থাইল্যান্ডের প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

    উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন আগামী বছরের দ্বিতীয়ার্ধে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনে থাইল্যান্ডের সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানান।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যের বরাত দিয়ে উপদেষ্টা তৌহিদ সাম্প্রতিক মাসগুলোতে থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্যয় বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা পদ্ধতি আরও সহজীকরণের পথ খুঁজে বের করতে থাই কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানান।

    সরকারি পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা সুবিধা ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪-এ কার্যকর রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

    থাইল্যান্ড কর্তৃক ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ই-ভিসা সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত স্বীকার করেন তারা।

    এদিকে একই দিনে অন্য এক অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা তৌহিদ থাই রেড ক্রস সোসাইটির মহাসচিব রাষ্ট্রদূত তেজ বুন্নাগের কাছে বাংলাদেশি প্রস্তুতকারকদের কাছ থেকে শীতবস্ত্র এবং শুকনো খাবারের একটি চালান হস্তান্তর করেন।

    রাষ্ট্রদূত বুন্নাগ এ অনুদানের জন্য বাংলাদেশের উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান এবং থাইল্যান্ডের সাম্প্রতিক বন্যাকবলিত উত্তরাঞ্চলের জনগণের কাছে এগুলো পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেন।তারা রোহিঙ্গা, মানবাধিকার পরিস্থিতিসহ কিছু প্রাসঙ্গিক আঞ্চলিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন।

    মহাসচিব বুন্নাগ বিজয় দিবস-২০২৪ উপলক্ষে এ মাসে স্বেচ্ছায় রক্তদান অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান।

    তিন দিনের ব্যাংকক সফরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস এবং জাতীয় প্রবাসী দিবস-২০২৪ পালন উপলক্ষে বাংলাদেশি প্রবাসীদের সঙ্গে সাক্ষাত ও মতবিনিময় করেন।

    তিনি ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাস পরিদর্শনের মাধ্যমে এই সফরের সূচনা করেন এবং থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ায় বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গে কনস্যুলার এবং কল্যাণমূলক বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

  • চাঁদাবাজরা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে, সতর্ক থাকুন: হাসনাত

    চাঁদাবাজরা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে, সতর্ক থাকুন: হাসনাত

    আগামীতে চাঁদাবাজরা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে, সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

    জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, আগামীতে চাঁদাবাজদের ক্ষমতায় আসতে দেবেন না। তারা যেন আগামীতে নতুন বাংলাদেশকে নিয়ে কোনো চক্রান্ত করতে না পারে সে লক্ষ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

    শনিবার দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বারে ইমাম এবং ওলামাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বত্তৃদ্ধতায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ৫ শতাধিক ইমামের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

    হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আলেম এবং ইমামদের কথা মানুষ বেশি গুরুত্ব দেয়। তাই আপনারা মসজিদে মসজিদে মানুষকে সচেতন করতে ভূমিকা রাখবেন।

    হাসনাত বলেন, আপনারা চাঁদাবাজ দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিদের মুখোশ উন্মোচনেও দায়িত্ব পালন করবেন।

    ইমামদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের ৫টা দাবি শুনেছি। আমি ধর্ম উপদেষ্টার কাছে আগামীদিন গিয়ে এগুলো উপস্থাপন করব।

    হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। আমরা এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছি। সংখ্যালঘুদের সঙ্গে আমাদের সামাজিক বন্ধন রয়েছে। আমরা তাদেরকে সংখ্যালঘু হিসাবে দেখি না। তাদেরকে পড়শি এবং প্রতিবেশী হিসেবেই দেখি। আমাদের শত বছরের এ বন্ধন নষ্ট করার পাঁয়তারা চলছে। ভারতের মিডিয়াগুলো আমাদের দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিগার সুলতানার সভাপতিত্বে অন্যদের মাঝে বত্তৃদ্ধতা করেন দেবিদ্বার ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আলাউদ্দিন, মডেল মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল আহাদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দেবিদ্বার প্রতিনিধি সিক্ত সিয়াম প্রমুখ।

  • এখন কোনো ‘কারচুপি নাই’ বলেই মূল্যস্ফীতি বেশি: অর্থ উপদেষ্টা

    এখন কোনো ‘কারচুপি নাই’ বলেই মূল্যস্ফীতি বেশি: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, মূল্যস্ফীতি আগে ৮ বা ৯-এ আটকে রাখা হলেও এখন কোনো ‘কারচুপি নাই’ বলেই মূল্যস্ফীতি বেশি দেখাচ্ছে।

    শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

    ‘ব্যাংকিং অ্যালমানাক’র ৬ষ্ঠ সংস্করণের প্রকাশনা উৎসবে অর্থ উপদেষ্টা মূল্যস্ফীতি বাড়ার কারণ জানিয়ে বলেন, বিবিএসকে বলা হয়েছে তথ্য যা আছে তাই প্রকাশ যেন হয়। এখানে কারচুপির কোনো ব্যাপার নেই।

    বিগত ১৫ বছরের তথ্য বিভ্রাট নিয়ে ‘বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়’ বলেও জানান সালেহউদ্দিন।

    তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো পাওয়ার দেখাতে আসিনি, একটা দায়িত্ব নিয়ে এসেছি। বিগত ১৫ বছরের তথ্য নিয়ে নানান বিভ্রাট রয়েছে। তথ্য লুকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা এগুলো পরিবর্তন ও সংস্কারের চেষ্টা করছি। কারণ, দাতা সংস্থাগুলো আমাদের কাছে নানা প্রশ্ন করেন। তারা বোঝাতে চান আগেই কম ছিল ইত্যাদি। এ নিয়ে আমরা তাদের বোঝাচ্ছি আগের তথ্য লুকানো ছিল, আমরা সঠিকটা উপস্থাপন করছি।’

    উপদেষ্টা আর ও বলেন, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো করার চেষ্টা করছি। যাতে ব্যবসায়ীরা এক স্থান থেকে সব তথ্য পায়। তথ্যের জন্য ব্যবসায়ীদের ১০ জায়গায় দৌঁড়াতে হবে না। আরও সুসংহতভাবে তথ্য যদি ম্যানেজমেন্ট করতে না পারি তাহলে সামনে আরও সমস্যা তৈরি হবে। আমাদের এই মিথ্যা তথ্যের প্রয়োজন নেই। কারণ, প্রিয় মিথ্যা যন্ত্রণাদায়ক।

    উল্লেখ্য, মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে বারবার সুদের হার বাড়ানো হলেও নিত্যপণ্যের বাজারে কোনো সুফল মিলছে না।মূল্যস্ফীতি নভেম্বরে আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশে। আগের মাসেও এই হার ছিল ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

  • জুলাই-আগস্টে হাসিনার নির্দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়, স্বীকারোক্তি পলকের

    জুলাই-আগস্টে হাসিনার নির্দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়, স্বীকারোক্তি পলকের

    গত জুলাই-আগস্টে ইন্টারনেট বন্ধ কোনো দুর্ঘটনা ছিল না, বরং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয় বলে জানিয়েছেন সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

    বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) জিজ্ঞাসাবাদে পলক এ তথ্য দিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

    তিনি বলেন, ইন্টারনেট বন্ধ করে গত জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। ইন্টারনেট বন্ধের এ নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

    এছাড়া ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত করার জন্যই বিচারের বৈধতা নিয়ে সাবেক সেনাকর্মকর্তা জিয়াউল আহসান প্রশ্ন তুলেছেন বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর।

    এছাড়া ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত করার জন্যই বিচারের বৈধতা নিয়ে সাবেক সেনাকর্মকর্তা জিয়াউল আহসান প্রশ্ন তুলেছেন বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, জুলাই গণহত্যার বিচারে যারাই বাধা হয়ে দাঁড়াবে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

    জুলাই গণহত্যায় বিভিন্ন মামলায় সাবেক এসপি আব্দুল্লাহেল কাফি ২৬ ডিসেম্বর, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলামকে ২৫ ডিসেম্বর ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ৩০ ডিসেম্বর জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

  • সম্পর্ক ভালো রাখতে চাইলে হাসিনাকে ফেরত দিতে হবে

    সম্পর্ক ভালো রাখতে চাইলে হাসিনাকে ফেরত দিতে হবে

    জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কী হবে সেটি তাদের কাজের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। সম্পর্ক ভালো রাখতে চাইলে ভারতকে খুনি শেখ হাসিনাকে আশ্রয় না দিয়ে ফেরত দিতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ তার বিচার করবে।

    শনিবার দুপুরে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘শহিদ পরিবারের পাশে বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিটের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেও ছেড়ে কথা বলবেন না বলেও মন্তব্য করেছেন সারজিস আলম।

    তিনি বলেন, আমরা শুধু বাংলাদেশ পুলিশ নয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, সবাইকে একটি জিনিস আমাদের জায়গা থেকে অনুরোধ করতে চাই। আমরা কারও অন্ধ দালাল নই। আমরা ক্ষমতাপিপাসু নই। বিবেকবোধের জায়গায় যদি আমাদের মনে হয়, যে কেউ এই অভ্যুত্থানের স্পিরিটের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছেন, ইভেন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসও যদি হয়, আমরা তাকেও ছেড়ে কথা বলব না।

    সারজিস আলম বলেন, আমরা বিবেকবোধ বেচে দেওয়া ওই প্রজন্ম নয়। তাহলে আমরা আমাদের প্রতিবেশী বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি ভারতের দালালি করতাম। কিন্তু আমরা তা করিনি, করবো না।

    সারজিস আরও বলেন, যারা গণহত্যায় সরাসরি জড়িত ছিল তাদের আমরা বিন্দুমাত্র ছাড় দেব না। পুলিশ হোক, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ পরিচয় যা-ই হোক, এই পরিচয়গুলো মূখ্য নয়। তার বিরুদ্ধে যদি ডকুমেন্ট থাকে তাহলে আমাদের কাছে তার একমাত্র পরিচয় একজন খুনি, হত্যাকারী। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

    এখনও আওয়ামী লীগের অনেক নেতা গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সারজিস বলেন, চব্বিশের অভ্যুত্থানের চার মাস পেরিয়েছে। খুনি হাসিনার অন্যতম দোসর নাটোরের খুনি এমপি শিমুল আজও আমাদের সামনে রয়েছে। আজও পাবনার সাঈদ চেয়ারম্যান, এই বাংলাদেশে তার অস্তিত্ব রয়েছে। অথচ এই খুনিরা প্রকাশ্যে আমার ভাইদেরকে পুড়িয়ে মেরেছে, গুলি করে হত্যা করেছে। তাহলে বাংলাদেশের ওই বিচারব্যবস্থা, পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যারা আছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-বিচার ব্যবস্থার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন যে শহিদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আজকে আপনারা উপদেষ্টা, পুলিশ সুপার, আইজিপি, ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার- তাদের রক্তের সঙ্গে এই বেঈমানি কিভাবে সম্ভব?

    শহিদদের লাশ তুলে ময়নাতদন্ত না করার আহ্বান জানিয়ে সারজিস আলম বলেন, চব্বিশের অভ্যুত্থানে যারা শহিদ হয়েছে তাদের হত্যা মামলার জন্য কারও লাশ উত্তোলন করা যাবে না। আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিচারিক যে মন্ত্রণালয় রয়েছে, সংশ্লিষ্ট সকলকে একটি কথা বলে দিতে চাই- যে ভাইয়ের জীবনের রক্তের ওপরে ওই চেয়ারে আপনারা বসে রয়েছেন, আপনারা চারমাস পর তাদের লাশ উত্তোলন করতে পারেন না।

    তিনি প্রশ্ন তোলেন, ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারকে হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত ছিল তাদের বিচারের জন্য যদি ডেডবডি কবর থেকে তোলা না হয়, তাহলে এই চব্বিশের অভ্যুত্থানে নতুন বাংলাদেশ আনতে গিয়ে যারা শহিদ হয়েছে কেনো তাদের লাশ উত্তোলন করতে হবে?

    গণহত্যায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই গণহত্যার সঙ্গে আমরা পুরো বাংলাদেশ পুলিশকে জড়িয়ে দেব না। কিন্তু দায়সারা কথাও আমরা মেনে নেব না যে, খুনি হাসিনা বলেছিল বলে গুলি করেছি। খুনি হাসিনা যদি গুলি চালানোর হুকুমও দেয়, তাহলে একজন ব্যক্তি হিসেবে আপনার মনুষ্যত্ববোধ, দেশের মানুষের জন্য যে শপথ নিয়েছেন, সে মনুষ্যবোধ কোথায় ছিল? কতিপয় পুলিশ সদস্য সরাসরি এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল, তাদের কেনো এখনও বিচার হচ্ছে না? আজকে আমরা দেখছি ওইসব পুলিশ নতুন করে পোস্টিংয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। খুনের শাস্তি কি শুধু বদলি?

    তিনি বলেন, পুলিশ সেই মামলাগুলো নিচ্ছে না, যে মামলাগুলোতে তাদের পুলিশ সদস্যদের নাম রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সমঝোতা হচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ওই খুনি আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগকে টাকার বিনিময়ে বাঁচানোর জন্য ব্যাকডোরে নেগোশিয়েশন করছে। এই যে মামলা বাণিজ্য, এতে রাজনৈতিক দল যেমন জড়িত রয়েছে তেমনি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিও জড়িত রয়েছে। নতুন বাংলাদেশেও পুলিশ সদস্য বিভিন্ন জায়গায় মামলাবাণিজ্য করছে।

    গণহত্যায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিচারে পুলিশকেই সহায়তার আহ্বান জানিয়ে এই ছাত্রনেতা বলেন, পুলিশের যে সকল সদস্য গণহত্যায় জড়িত ছিল, যারা জড়িত ছিলেন না তারা যদি তাদের বিচারের জন্য সহযোগিতা না করেন, তাহলে পরোক্ষভাবে আপনারাও গণহত্যায় জড়িত হয়ে যাবেন। কালো দাগ লেগে গেছে পুলিশে, এই কালিমা আপনাদেরই মুছতে হবে।

    সারজিস বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের দালালি আপনাদের কাছ থেকে প্রত্যাশা করি না। আপনারা এটা করবেন না। পুলিশ দায়িত্বশীল হলে আগামী ৬ মাসেই বাংলাদেশ ঠিক হয়ে যাবে।

    অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগের ৬৩টি শহিদ পরিবারের মধ্যে ৪৬ জন পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকার করে চেক দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ, রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কয়েকজন সমন্বয়ক বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে শহিদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩১৬

    ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩১৬

    ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ২৪১ জন।

    শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে একজন পুরুষ ও দুজন নারী।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৫৪৮ জন। মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৯৮ হাজার ৫০৪ জন।

  • গুমের ঘটনায় শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততা খুঁজে পেয়েছে কমিশন

    গুমের ঘটনায় শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততা খুঁজে পেয়েছে কমিশন

    জোরপূর্বক গুমের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততা খুঁজে পেয়েছে গুম কমিশন। শনিবার বিকাল ৫টায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে গুম সংক্রান্ত কমিশন তাদের প্রথম অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

    অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের কমিশন ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে ‘আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথ’ শীর্ষক প্রতিবেদন হস্তান্তর করে।

    মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী অভিযুক্ত করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‌্যাব) বিলুপ্ত করার সুপারিশ করেছে কমিশনটি।

    এর আগে পাঁচ নভেম্বর সকালে গুম কমিশনের সম্মেলন কক্ষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, পহেলা অক্টোবর পর্যন্ত এক হাজার ৬০০’র বেশি গুমের অভিযোগ পেয়েছে গুম কমিশন। এরই মধ্যে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে ১৪০ জনের। আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে ৪০০ অভিযোগ। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত গুমের ঘটনাগুলোর সঙ্গে পাশের দেশের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদেরও।

    সেদিন তিনি জানান, জি‌জিএফআই, র‌্যাব, পুলিশ, ডি‌বি, সি‌টি‌টিসি, সিআই‌ডির কর্মকর্তা‌রা গু‌মের স‌ঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। রাজ‌নৈ‌তিক কারণ ছাড়াও সরকা‌রের সমা‌লোচনা করায় অ‌নে‌কে গু‌মের শিকার হ‌য়ে‌ছেন।

    কমিশনটির চেয়ারম্যান জানান, অ‌নেক জায়গায় আলামত ধ্বং‌সের চেষ্টা করা হ‌চ্ছে। সবচেয়ে বে‌শি গু‌মের ঘটনা ঘ‌টি‌য়ে‌ছে র‌্যাব, যার সংখ‌্যা ১৭২টি।

  • অসুস্থ আবু সাঈদের বাবাকে হেলিকপ্টারে আনা হলো ঢাকায়

    অসুস্থ আবু সাঈদের বাবাকে হেলিকপ্টারে আনা হলো ঢাকায়

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের অসুস্থ বাবা মকবুল হোসেনকে আর্মি হেলিকপ্টারে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) আনা হয়েছে।

    বুধবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, শহিদ আবু সাঈদের বাবা জ্বর ও পেটের পীড়া নিয়ে গত ৭ ডিসেম্বর রংপুর সিএমএইচে ভর্তি হন। মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় তাকে হৃদযন্ত্রের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্মি অ্যাম্বুলেন্স যোগে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

    সেখান থেকে উন্নততর চিকিৎসার জন্য শহিদ আবু সাঈদের বাবাকে মঙ্গলবার দিবাগত রাতেই আর্মি হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে গত ১৬ জুলাই গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। তিনি আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।

    গত ২৮ নভেম্বর আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনের হাতে শহিদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশনের সনদ তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।