Category: লাইফস্টাইল

  • যে ৭ কারণে ফল বা সবজির রস খাওয়া দরকার

    যে ৭ কারণে ফল বা সবজির রস খাওয়া দরকার

    সুস্থ থাকতে, ওজন কমাতে অনেকেই ফল, সবজির রস খেলেও নিউট্রিশনিস্টরা জুস খাওয়ার ব্যাপারে বিশেষ উত্সাহ দেন না। কারণ, জুস করলে খাবারের ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়।

    তবে জুস মানেই কিন্তু খারাপ নয়, জুস খাওয়ার রয়েছে প্রচুর উপকারিতাও।

    ১। হজম: জুস করলে ফল, সবজির ফাইবার বেরিয়ে যায়। তাই তাড়াতাড়ি শোষিত হয় ও হজমও হয় তাড়াতাড়ি।

    ২। বেশি ফল ও সবজি: নিউট্রিশনিস্টরা দিনে অন্তত ৫-৬ রকমের ফল, সবজি খাওয়ার কথা বলে থাকেন। এত রকম ফল, সবজি এক দিনে খাওয়া সম্ভব হয় না। জুস করে খেলে যা সম্ভব।

    ৩। ডিটক্স: কোনও অনুষ্ঠানে ভারী খাওয়া দাওয়ার পর পাচনতন্ত্রের যখন বিশ্রামের প্রয়োজন হয় তখন ডিটক্স করার জন্য জুস খুবই উপকারি।

    ৪। ত্বক: জুস পুষ্টিগুণের কারণে ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আনতে সাহায্য করে। আবার ভাজাভুজি, ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমায়। ফলে ত্বক ভাল থাকে।

    ৫। স্ট্যামিনা: বিটরুট জুসের মতো বেশ কিছু জুস রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়িয়ে স্ট্যামিনা বাড়াতে সাহায্য করে। এই জুস অ্যাথলিটদের জন্য খুবই উপকারি।

    ৬। অনেক প্রকার সব্জি: জুস খেলে অনেক রকম সবজি রাখা যায় ডায়েটে। যে সবজি হয়তো রান্না করেন না বা স্যালাডে খান না, সেই সবও জুস করে খেতে পারেন।

    ৭। পুষ্টিগুণ: সবজির জুস খাওয়ার ভাল দিক হল এতে সবজির মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বজায় থাকে। রান্না করলে বা গরম করলে যা নষ্ট হয়ে যায়।

  • হালকা মেকআপে গর্জিয়াস

    হালকা মেকআপে গর্জিয়াস

    নারীর সাজের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি প্রসাধনী হচ্ছে মেকআপ। নিজেকে আরেকটু আকর্ষণীয় আর অনন্যা করে তুলতে মেকআপ ব্যবহার করে থাকেন বেশিরভাগ নারী। তবে এই মেকআপের আধিক্য আমাদের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলার বদলে অনেকটাই কমিয়ে দেয়। বরং হালকা মেকআপেই আপনি হয়ে উঠতে পারেন গর্জিয়াস।

    বেইজ মেকআপের ক্ষেত্রে ভারী ফাউন্ডেশন যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। দিনের বেলা ম্যাট ফাউন্ডেশন দিয়ে বেইজ করা ভালো। ত্বক তৈলাক্ত হলে প্রথমে সারা মুখে লুজ পাউডার লাগিয়ে তারপর ফাউন্ডেশন লাগাতে হবে। এতে মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী হবে। ত্বক যা-ই হোক, কমপ্যাক্ট পাউডার দিয়ে বেইজ মেকআপ শেষ করা ভালো।

    Make2

    রাতের সাজে তৈলাক্ত ত্বকে দিন ‘লিকুইড ফাউন্ডেশন’। আর শুষ্ক ত্বকে ‘ক্রিম ফাউন্ডেশন’। তারপর প্যানকেক দিন। জমকালো আর ভারী সাজেই কেবল প্যানকেক মানানসই। সাধারণত হলুদ আর গোলাপি এই দু’টি রংয়ের প্যানকেক ব্যবহৃত হয়। প্রথমে হলুদ প্যানকেক দিয়ে তারপর ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে গোলাপি শেইডের প্যানকেক দিন।

    সব ক্ষেত্রেই মেইকআপ ব্লেন্ডিং খুব জরুরি। ত্বকের সঙ্গে বেইজ যত ভালোভাবে মিশে যাবে ততই ‘ন্যাচারাল লুক’ আসবে। তারপর কমপ্যাক্ট পাউডার দিন। রাতের জমকালো অনুষ্ঠানে চাইলে ‘শিমার পাউডার’ ব্যবহার করতে পারেন।

    নাক একটু টিকালো দেখানোর জন্য নাকের দুপাশে গাঢ় শেইডের কনসিলার দিয়ে উপরে লম্বা করে হালকা শেডের কনসিলার দিন। একইভাবে চোয়ালের শেপ ঠিক করে নিন। কনসিলার ছাড়াও ব্রোঞ্জিং পাউডার দিয়েও কনট্যুর ও হাইলাইট করা যায়। চাইলে চোখও হাইলাইট করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ঠোঁটের জন্য ‘ন্যাচারাল স্কিন কালার’ মানানসই। হালকা বা ভারী- সাজ যা-ই হোক, চোখ আর ঠোঁটের সাজ হবে বিপরীত।

    Make3

    চোখের সাজে লাইনার, মাসকারা আর শ্যাডো ব্যবহার করা হয়। দিনের সাজে তিনটি একসঙ্গে ব্যবহার না করে যে কোনো দুটি বা একটিতে সীমাবদ্ধ রাখা যেতে পারে। কাজল ও আইলাইনারের চেয়ে মাসকারা প্রাধান্য দিন।

    চোখের পাতা ঘন দেখালে আরও আকর্ষণীয় লাগবে চোখ। সেজন্য কাজল বা আইলাইনার টেনে দিতে পারেন। তিনটি একসঙ্গে কেবল রাতের সাজেই চলতে পারে। ঠোঁটে ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করুন। ব্লাশন সব সময়ই হালকা হলে ভালো লাগে। এমনকি রাতের পার্টিতেও এখন গাঢ় ব্লাশনের চল নেই।