Category: লাইফস্টাইল

  • অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ক্যাটরিনা!

    অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ক্যাটরিনা!

    বলিউডের এসময়ের সবচেয়ে আলোচিত সিনেমা ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’। সিনেমাটিতে সালমান খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন হার্টথ্রুব অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ।

    ইতোমধ্যে সিনেমাটির গান ও ট্রেইলারের অ্যাকশন দৃশ্য দর্শকদের মনে কেড়েছে।    ছবির বেশ কিছু অ্যাকশন দৃশ্যে রয়েছেন ক্যাটরিনা। সিনেমাটির তেমনি একটি দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন ক্যাটরিনা।

    ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, মরক্কোতে টাইগার জিন্দা হ্যায় সিনেমার শুটিং করছিলেন সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ। দৃশ্যটি ছিল সালমান ঘোড়ার পিঠে চড়ে ছুটবেন, অন্যদিকে দ্রুতগতির একটি গাড়ি চালাবেন ক্যাটরিনা। সেটি করতে গিয়েই দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।

    এ প্রসঙ্গে ক্যাটরিনা বলেন, ‘এই শটটাতে আমাকে একটি সরু গলির মধ্যে দিয়ে খুবই দ্রুতগতির গাড়ি চালাতে হয়। এই সরু রাস্তা দিয়ে দিক ঠিক রাখা কঠিন হচ্ছিল। এই জন্য আমি অনেক প্রশিক্ষণও নিয়েছি কিন্তু চূড়ান্ত দৃশ্যধারণের সময় গাড়িটি গিয়ে একটি দেয়ালে ধাক্কা দেয়।

    তিনি আরো বলেন, ‘আমি গুরুতর আঘাত পেতে পারতাম। কিন্তু ক্রুরা সব তাদের দামি ক্যামেরা নিয়েই বেশি চিন্তিত ছিল, কারণ সেটি আমার গাড়ির নিচে চাপা পড়েছিল। তবে ভাগ্যভালো আমি কোনো আঘাত পাইনি এবং পরবর্তী শটেই সঠিকভাবে দৃশ্যটি করতে পেরেছি। ’

    টাইগার জিন্দা হ্যায় সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আলী আব্বাস জাফর। ২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এক থা টাইগার সিনেমার সিক্যুয়েল এটি। আগের সিনেমাটির মতো এই সিনেমাতেও জুটি বেঁধেছেন সালমান-ক্যাটরিনা। বড়দিন উপলক্ষে আগামী ২২ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

    বা:মু:প্র: তানজিল শুভ

  • অনেক তো পাপ করলাম, এখন একটু আল্লাহ আল্লাহ করি : শ্রাবন্তী

    অনেক তো পাপ করলাম, এখন একটু আল্লাহ আল্লাহ করি : শ্রাবন্তী

    ইপশিতা শবনম শ্রাবন্তী। এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। এছাড়াও ‘রং নাম্বার’ এবং ‘ব্যাচেলর’ সিনেমার মাধ্যমে বেশ সাড়াও জাগিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। তবে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ার পরও হঠাৎ করেই তিনি হারিয়ে গেলেন। অবশ্য তিনি বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরই শোবিজ দুনিয়া থেকে পুরোপুরি বিদায় নেন।

    তিনি ২০১০ সালের ২৯ অক্টোবর বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর থেকেই শোবিজের রঙিন দুনিয়া থেকে নিজেকে আড়াল করে নেন এই গুণী অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিন্ন রকম পোস্ট দিলেন শ্রাবন্তী। মায়ের অসুস্থতার খবর জানিয়ে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি লিখেন, ‘অনেক তো পাপ করলাম। কখন খোদা ডাক দেন কে জানে? মাও সিক। সব আল্লাহর ইচ্ছা।

    এখন থেকে একটু আল্লাহ আল্লাহ করি। কিছু আর গায়েও লাগে না। ভালো লাগে না। আল্লাহ ডাকা ছাড়া আসলে আমাদের আর কোনো উপায় নাই। সবাই যদি একটু সময় পান আমার মেয়ে দুইটার জন্য আর আমার আম্মার জন্য দোয়া করবেন। ‘

    (অভিনেত্রীর ফেসবুক পেইজ থেকে সংগৃহীত)

  • অবশেষে ভেঙে গেল শাকিব-অপুর সংসার

    অবশেষে ভেঙে গেল শাকিব-অপুর সংসার

    তারকা দম্পতি শাকিব-অপুর গোপন বিয়ের খবর জানাজানি হয় চলতি বছর ১০ এপ্রিল। এরপর থেকে চলচ্চিত্র পাড়ায় গুঞ্জন ছিল শাকিব-অপুর সংসার নাকি টিকবে না! সেই গুঞ্জন সত্যি হলো। অবশেষে ভেঙে গেলো শাকিব-অপুর সংসার।

    বর্তমানে নোলক ছবির শুটিং এ হায়দ্রাবাদে আছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। সেখান থেকে জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করে তিনি জানান, ‘অপুর কাছে ডিভোর্সের চিঠি পাঠিয়েছি। ৩০ নভেম্বর হায়দ্রাবাদ আসার আগে ডিভোর্স পেপারে স্বাক্ষর করেছি।’

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ ডিভোর্সের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের শেখ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

    অপরদিকে চিত্র নায়িকা অপু বিশ্বাস জানিয়েছেন, ‘গণমাধ্যমের খবরে জেনেছি শাকিব আমাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছে। কিন্তু আমি তা হাতে পাইনি। কারণ আমি বাসায় ছিলাম না।’

    শাকিব তার পক্ষ থেকে ডিভোর্স দিয়েছেন এমনটা জানা গেছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাংলার মুখকে এসব কথা বলেন অপু বিশ্বাস।

    তিনি বলেন, বাসায় গেলে বলতে পারব চিঠি এসেছে কি-না। চিঠি পেলে কী ব্যবস্থা নেবেন- জানতে চাইলে অপু বলেন, কী আর ব্যবস্থা নেব। সে যদি এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে আমার আর কিছু করার থাকবে না। আমার পরিবারের লোকদের সঙ্গে বসে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেব। এমন কিছু হলে আমাদের দু’জনেরই ইমেজ নষ্ট হবে। আমাদের একমাত্র ছেলের জীবনটাও একটা ধাক্কার মধ্যে পড়বে। দেখা যাক কী হয়।

    শাকিবঅপু গোপনে বিয়ে করেন ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল। বিয়ের ৮ বছরের মাথায় তাদের কোল জুড়ে আসে এক পুত্রসন্তান। তার নাম আব্রাহাম খান জয়।  ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার একটি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে জয়ের জন্ম হয়।

  • গায়ের কালো রঙেই আজ বিখ্যাত তিনি

    গায়ের কালো রঙেই আজ বিখ্যাত তিনি

    বছর দশেক আগের কথা। মা ও ভাই-বোনদের হাত ধরে দক্ষিণ সুদান থেকে রিফিউজি ক্যাম্প হয়ে কেনিয়া যান তিনি। অবশেষে খালি পায়ে পৌঁছান যুক্তরাষ্ট্রে। সে সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর।

    তিনি আর কেউ নন, আন্তর্জাতিক মডেলিং দুনিয়ায় যার পরিচিতি ‘কুইন অফ দ্য ডার্ক’ নামে; তার প্রকৃত নাম নেয়াকিম গ্যাটওয়েক। ‘মডেল’ শব্দের অর্থ কী, ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত সেটাই জানতেন না তিনি।

    noakim-2

    ভাগ্যের কী লীলা! ২৪ বছর বয়সে এসে সেই তারই ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় তিন লাখ। অথচ এক সময় গায়ের রংয়ের কারণে উঠতে-বসতে তাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।

    নেয়াকিম জানান, যুক্তরাষ্ট্রে এসে তিনি স্কুলে ভর্তি হন। প্রথম দিকে সেখানেও তাকে গায়ের রঙের জন্য বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কিন্তু হার মানার মেয়ে নন তিনি।

    noakim-2

    নিজের সাফল্যের প্রধান কারণ হিসেবে নেয়াকিম জানান, নিজেকে ভীষণ ভালবাসি। ভালবাসি আমার গায়ের রং। নিজেকে ভাল না বাসলে, অন্য কেউ আপনাকে ভালবাসবে না।

    সফল এই মডেল চান বিশ্ব দরবারে সুদানের কথা তুলে ধরতে। তার খুব ইচ্ছে, নিজের জন্মভূমির জন্য কিছু করার। বিশেষ করে সেখানকার ছোট ছোট অসহায় মেয়েদের জন্য কিছু করার।

  • মানুষের মৃত্যুর পর তার মস্তিষ্ক তা বুঝতে পারে

    মানুষের মৃত্যুর পর তার মস্তিষ্ক তা বুঝতে পারে

    মস্তিষ্ক হল কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের মূল অংশ, যা মস্তকের অভ্যন্তরে অবস্থিত। মস্তিষ্কই হল দেহের প্রধান নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। মানব মস্তিষ্কের মূল গঠন-উপাদান হল নিউরন। মস্তিষ্কে মোট ১০ বিলিয়ন স্নায়ুকোষ বা নিউরন থাকে। এই কোষগুলো বৈদ্যুতিক সংকেতের মতো অনুভূতি পরিবহন করে থাকে। মস্তিষ্কের নির্দেশ অনুযায়ী-ই শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কোনো কাজ সমপন্ন করে থাকে। তাই বলা যেতেই পারে যে এই নিউরনের ওপরই নির্ভর করে মানুষের সমস্ত কার্যাবলী।

    তবে সামপ্রতিক এক গবেষণায় মস্তিষ্ক সম্পর্কে চমকপ্রদ এক তথ্য দিয়েছে গবেষকরা। তাদের মতে, মানুষের মৃত্যুর পরও তার মস্তিষ্ক জানতে পারে যে ঐ ব্যক্তি মারা গেছেন। মৃত্যুর সাথে সাথে সেই তথ্য চলে যায় মৃত ব্যক্তির মস্তিষ্কে। গবেষকরা দাবি করেছেন, মৃত্যুর পরও নাকি বেঁচে থাকে তার মস্তিষ্ক!

    মৃত্যুর পর মানুষের হূদক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেলে কী ঘটে সেই প্রশ্ন থেকেই গবেষণা শুরু করেন নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি লাঙন স্কুল অব মেডিসিনের ড. সাম পারনিয়া এবং তার দল। ড. পারনিয়ার দলটি হূদরোগে আক্রান্ত রোগীদের ওপর গবেষণা পরিচালনা করেন।

    চিকিত্সা বিজ্ঞান অনুযায়ী রোগীর হূদক্রিয়া বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে মস্তিষ্কে রক্ত পরিবহন বন্ধ হয়ে যায়। সুতরাং হূদক্রিয়া বন্ধ হলেই চিকিত্সা বিজ্ঞানে রোগীকে মৃত বলে ধরে নেওয়া হয়। কিন্তু সাম পারনিয়া প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন যে, হূদক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেলে ব্রেনের কার্যক্রম বন্ধ হতে দুই থেকে ২০ সেকেন্ড সময় লাগে। এই সময়ের মধ্যেই মস্তিষ্ক জেনে যায় যে ঐ ব্যক্তি মারা গেছেন।
    -নিউইয়র্ক পোস্ট

  • মিস ওয়ার্ল্ড’ মুকুট জিতলেন ভারতের মানসী

    মিস ওয়ার্ল্ড’ মুকুট জিতলেন ভারতের মানসী

    ফের বিশ্ব সুন্দরীর মুকুট উঠল ভারতীয় সুন্দরীর মাথায়। ২০১৭ মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় খেতাব জিতলেন ভারতের মানসী চিল্লার।

    শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টার দিকে চীনে এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

    চীনের সানাইয়া সিটি এরেনায় মানসীর মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন গতবারের বিশ্বসুন্দরী স্টেফানি দেল ভালে।

    মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার ৬৭ তম সংস্করণে চিল্লার ছয় নম্বর ভারতীয় হিসেবে মুকুট জিতলেন। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন মেক্সিকোর আন্ড্রিয়া মেজা। তৃতীয় হন ইংল্যান্ডের স্টেফানি হিল।

    মানসী ১৯৯৭ সালের ১৪ মে দিল্লিতে এক চিকিৎসক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। দিল্লির সেন্ট থমাস স্কুলের ছাত্রী মানসীর বাবা ও মা দুজনেই পেশায় চিকিৎসক। মানসী নিজেও মেডিকেলের ছাত্রী। কিন্তু সুন্দরীদের প্রতিযোগিতায় তার বরাবরের নাম ডাক।

    ২০১৬ সালে মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় সেরার শিরোপা জিতেছিলেন এই সুন্দরী। আর এবারে পেলেন বিশ্বের সেরা সম্মান। এই নিয়ে পঞ্চমবার কোনও ভারতীয় সুন্দরীর হাতে এই খেতাব এসে পৌঁছে গেল।

    এবারের প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছিল চীনের এরেনায় শহরে। চূড়ান্ত তালিকায় এসে পৌঁছে ছিলেন প্রায় ১২১টি দেশের সুন্দরীরা। সেখান থেকে এক এক করে সেরা ৪০ হয়ে এই ঘোষণার ঘণ্টাখানেক আগে সেরা পাঁচের তালিকায় উঠে আসেন মানসী। তারপর থেকেই বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে তিনি। এরপরেই আসে সুখবর।

    এর আগে ভারত হয়ে  ১৯৯৪ সালে বিশ্বসুন্দরীর শিরোপা জিতেছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই, ১৯৯৭ সালে ডায়ানা হেডেন ও ২০০০ সালে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

  • প্রতিরাতে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম ভেঙে যায়?

    প্রতিরাতে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম ভেঙে যায়?

    ঘুম আসে, কিন্তু টানা থাকে না। মাঝ রাতে হঠাৎ করে ঘুম ভেঙে যায়।

    কোনও কারণ ছাড়াই। আর কিছুতেই আসতে চায় না। একটা নির্দিষ্ট সময়েই যেন ঘুমটা এমন বিশ্রীভাবে ভেঙে যায়। এটা কি স্বাভাবিক? না এর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ আছে! আপনার শরীর কিংবা মনের ভিতরে কোনও রোগ বাসা বাঁধেনি তো?

    রাত ১১টা থেকে ১টা এই সময়ের মধ্যে যদি স্বাভাবিকভাবে আপনার ঘুম ভেঙে যায় তাহলে তা গলব্লাডারের ক্ষতি হতে পারে। সাধারণত মানসিকভাবে হতাশ হলে এভাবে ঘুম ভেঙে যায়। এই সময়ের ঘুম ফিরে পেতে হলে ক্ষমা করতে শিখুন। আর অবশ্যই নিজেকে ভালোবাসতে জানুন।

    রাত ১টা থেকে ভোররাত ৩টা এই সময়ের মধ্যে ঘুম ভাঙা মানে লিভারের অসুখে ভোগা। সাধারণত যারা অল্পেতে রেগে যান এবং নিজেদের রাগের উপর যাদের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই তাদের এই সময়ে ঘুম ভেঙে যায়।

    ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠান্ডা জল খাবেন। আর পারলে নিজের আবেগের উপর একটু নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন।

    ভোররাত ৩টা থেকে ৫টা এই সময়টাকে ব্রহ্ম মুহূর্ত বলে। অনেকেই এই সময়ের মধ্যে ওঠার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে আচমকা ঘুম ভেঙে গেলে তা ক্ষতিকর। ফুসফুসের পক্ষে খারাপ হতে পারে। আবার এমন সময় মনে অবসাদ আসার প্রবণতা বেশি থাকে। তাই এই সময়ে উঠলে সবার আগে দীর্ঘ নিঃশ্বাস নিন। ধ্যানের মাধ্যমে মনে আত্মবিশ্বাস আনুন। ভবিষ্যত নিয়ে আশাবাদী হতে শিখুন।

    সকাল ৫টা থেকে ৭টা এই সময়ের ঘুম ভাঙার অর্থ আপনার মনে অনেক দ্বিধা রয়েছে। গতে বাধা জীবন। সেই জীবনেই অভ্যস্ত আপনি। ঘুম ভাঙার পর একটি শরীরচর্চা করুন। প্রয়োজনে ভালো করে প্রাতঃরাশ সারুন। এতে প্রাতঃকৃত্য ভালো হবে। আর সারাদিন শরীর ও মন দুইই ভালো থাকবে।

  • জানেন তাড়াতাড়ি চুম্বনে কতটা ক্যালোরি শরীর থেকে বেরিয়ে যায়?

    জানেন তাড়াতাড়ি চুম্বনে কতটা ক্যালোরি শরীর থেকে বেরিয়ে যায়?

    উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলার প্রথম এবং প্রধান অবলম্বন চুম্বন। একটি গভীর চুম্বন দুটি মানুষের মধ্যে অনেক ধরনের অনুভূতির সৃষ্টি করে।

    অপার সুখ ও অপরিসীম তৃপ্তি দিতে পারে এই চুম্বন। কিন্তু প্রশ্নটা হল চুম্বন সম্পর্কিত নানারকম মজার তথ্য আমরা কয়জন জানি? চুম্বন করা কি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো, ফ্রান্সে কীভাবে চুম্বন করা হয়, কারা চুম্বনের পর নাক চেপে রাখেন, বিয়ের আগে কে কতবার চুম্বন করে- এসব নিয়েই কিছু মজার তথ্য রইল এই প্রতিবেদনে।

    ১) এক একবারের চুম্বনে মুখের ২৯টি পেশির সঞ্চালন হয়। ফলে নিয়মিত চুম্বনে মুখের চামড়া চট করে কুঁচকে যায় না।

    ২) ঘনিষ্ঠ চুম্বনের সময় থুথু বা স্যালাইভায় থাকে ফ্যাট, মিনারেল সল্ট ও প্রোটিন। আর এক দেহ থেকে অন্য দেহে যখন এগুলো চুম্বনের মাধ্যমে যায়, তখন অপর দেহে তৈরি হয় অ্যান্টিবডি। ফলে শরীরে অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ইমিউনিটি ক্ষমতাও দৃঢ় হয়ে ওঠে।

    ৩) ৬৬ শতাংশ লোক (নারী-পুরুষ নির্বিশেষে) চুম্বনের সময় নিজেদের চোখ বন্ধ রাখেন। বাকিরা তারিয়ে তারিয়ে পার্টনারের চোখেমুখের আবেগকে লক্ষ্য করেন।

    ৪) মার্কিনী পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, আমেরিকান নারীদের অধিকাংশই বিয়ের আগে প্রায় ৮০ জন পুরুষকে চুম্বন করে ফেলেন।

    ৫) চট করে রোমান্টিক চুম্বনে শরীরের ২-৩ ক্যালোরি খরচ হয়, কিন্তু স্মুচ বা ফ্রেঞ্চ কিসে যেখানে জিভের সঙ্গে জিভের যোগাযোগ থাকে, সেখানে প্রতি চুম্বন পিছু ৫ ক্যালোরি এনার্জি বের হয় শরীর থেকে। নট ব্যাড!

    ৬) সেক্স, রোমান্সে বা রোমাঞ্চকর মুহূর্তে ঠোঁট হাতের আঙুলের থেকে ২০০ শতাংশ বেশি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে।

    ৭) অফিসে বেরোনোর আগে যেসব পুরুষরা স্ত্রীকে চুম্বন করে যান তাদের আয়ু অনেকটাই বেশি হয়। আর উল্টোটা যারা করেন, তাদের ট্রাফিক অ্যাক্সিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    ৮) স্মুচিংয়ের সময় প্রায় ৯০ সেকেন্ড ধরে ব্লাড প্রেশার আর পাল্স রেট বেড়ে যায় উত্তেজনায়। এমনকী মিনিটখানেকের জন্য শরীরে কিছু কিছু হরমোনেরও আধিক্য ঘটে।

    ৯) ফ্রান্সে ফ্রেঞ্চ কিসকে জাংচার অফ সোল বলে। কারণ এতে শুধু ঠোঁটই জড়িয়ে থাকে না। চলে আসে জিভও। আর ফরাসীবাসীদের ধারণা এসবের সঙ্গে আত্মার যোগ রয়েছে।

    ১০) দীর্ঘ চুম্বনের পর এস্কিমোরা একটা লম্বা শ্বাস নেন। তারপর দুজন দুজনের নাক চিপে প্রায় মিনিট দুয়েক ধরে থাকে।

    ১১) পৃথিবীর দীর্ঘতম চুম্বনের রেকর্ডটি রয়েছে মার্কিনীদের দখলে৷রীচ ল্যাংলো এবং লুইসা আলমেডেভোর একসঙ্গে ৩০ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট ধরে চুম্বন চালিয়েছিলেন একসঙ্গে। কোনোরকম বিরতি ছাড়াই।

    ১২) চুম্বনের ফলে দাঁতেও চট করে প্লাক জমতে পারে না, কারণ মুখগহ্বরে স্যালাইভার পরিমাণ বেড়ে যায়।

    ১৩) বাৎস্যায়নের কামসূত্রতে প্রায় ৩০ রকমের চুম্বনের কথা বলা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম আধুনিক ফ্রেঞ্চ কিসও।

    ১৪) দুই তৃতীয়াংশ লোকই চুম্বনের সময় তাদের মাথা ডানদিকে হেলিয়ে রাখেন।

    ১৫) চুম্বনের সময় হার্টবিট বেড়ে গিয়ে মস্তিষ্কেও বেশি পরিমাণে অক্সিজেন পৌঁছে।

  • Untitled post 1390

    রাগলে পৃথিবী ওলটপালট করে দিতে পারার ক্ষমতা অনেকেই রাখেন। তবে যিনি রাগেন, ক্ষতিটা তারই হয়।

    মাথা ঠান্ডা রাখার উপদেশ সবাই দিয়ে থাকেন কিন্তু সব পরিস্থিতিতে মাথা ঠিক রাখা যায় না। তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করার কিছু সহজ উপায়-

    * কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ুন, সে বাড়ির কাজই হোক বা অফিসের কাজ। যে কারণে রাগ সেটি মাথা থেকে সরে গেলেই রাগ পড়ে যাবে। মাথা গরম হলেই কানে হেডফোন গুঁজে গান শুনতে শুরু করুন। তারপর চোখ বুজে ডুবে যান সেই গানে। আর কোন ভাবনা মাথায় আসতেই দেবেন না।

    *  মাথা গরম হলেই যেখান আছেন, সেখান থেকে বেরিয়ে চলে যান। সব সময় হয়তো তেমন পরিস্থিতি থাকে না কিন্তু এটা করতে পারলে রাগের মাথায় অনেক ভুল কাজ করে ফেলা থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারবেন।

    * হাতের কাছে কাগজ থাকলে আঁকাআঁকি কাটতে শুরু করুন।

    মাথা যত ঠান্ডা হতে থাকবে, ততই দেখবেন ওই আঁকাআঁকি পালটে যাচ্ছে সুন্দর ছবিতে। কেউ কোন খারাপ কথা বলায় যদি রাগ হয় তবে চেঁচামেচি না করে ঠান্ডা মাথায় তাকে কঠিন কথা বলুন। মিষ্টি করেই কিন্তু সবচেয়ে সাংঘাতিক কথা বলা যায়।

    * হাতের কাছে চকলেট অথবা আপনার খুব প্রিয় কোন খাবার রাখুন। মাথা গরম হয়ে গেলেই মুখে পুরে দিন। এগুলি হল মুড বুস্টার। যতই এর স্বাদ নেবেন, ততই আপনার মুড ভাল হতে থাকবে এবং রাগ কমবে। ফোনে গেম খেলতে শুরু করুন। রাগ কমাতে এটিও ভাল কাজে দেয়।

    * খুব বেশি স্ট্রেসড লাগলে নির্জন কোণ বেছে নিন এবং তারপর রাগের কারণটি নিয়ে নিবিড়ভাবে ভাবতে থাকুন। আপনি কতটা খারাপ আছেন, আপনার উপর কত অন্যায়-অবিচার হচ্ছে এসব নিয়ে ভেবেই চলুন। ভাবতে ভাবতে একটা সময় হয় আপনি অত্যন্ত ভেঙে পড়বেন। নিজের উপর নিজেরই মমতা হবে। এই ক্যাথারসিসের পরেই আস্তে আস্তে মাথাটা ঠান্ডা হবে, মন হালকা হবে এবং রাগ কমে যাবে।

    * যদি রাগ হওয়ার সময়ে বাড়িতে থাকেন, তবে দরজা বন্ধ করে সাজগোজ করুন। নিজেকে সবচেয়ে সুন্দর করে যেভাবে খুশি সাজান। মন ভাল হলে তবেই দরজা খুলবেন। হাতের কাছে সব সময় সুগন্ধি রাখবেন। রাগ হলেই স্প্রে করবেন হাতে। সুন্দর অ্যারোমা নার্ভকে রিল্যাক্স করে। মন ভাল হয়ে যায়।

  • বন্ধুত্ব নাকি প্রেম বড়?

    বন্ধুত্ব নাকি প্রেম বড়?

    প্রেমের চেয়ে বড় বন্ধুত্ব। তবে বন্ধুত্বের হাত ধরেই আসে প্রেম।

    তাই কাছের কোনো বন্ধুকে ভালো লাগলে আগে নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া করে তারপর এগিয়ে যাওয়া উচিত।

     

    শিরোনাম দেখে কেউ হয়তো বলবে, বন্ধু আগে! আবার কেউ কেউ বলে বসবে— না, প্রেমই আগে। তবে এ প্রজন্মের দশজনের মধ্যে নয়জনই বলছেন, কখনো না। প্রেম বা বিয়েটাই শেষ কথা নয়। বোকা বাক্সের এ যুগে একজন সত্যিকারের বন্ধু বা মন থেকে ভালো চায় এমন একজন ‘ওয়েল উইশার’ সবারই জরুরি। একটা সুন্দর সম্পর্কের দামও আকাশছোঁয়া। হোক সেটা বন্ধু কিংবা প্রেমিকের সঙ্গে। প্রেমের চেয়ে বন্ধুত্বের সম্পর্ককেই প্রাধান্য দেয় আজকালকার ছেলেমেয়েরা। কেননা, এ সম্পর্ক অনেকটা সচ্ছল।

    অনেক ছেলেমেয়ে মনে করে প্রেমের চেয়ে বন্ধুত্বের সম্পর্কের বাঁধনটাই বেশ জোরালো। যে কোনো ধরনের সমস্যা তার সঙ্গে শেয়ার করা যায় অনায়াসেই। এক কথায় জীবনের সব কিছু তাকে খোলাখুলি বলা যায়। তবে এ সম্পর্কটিকে প্রেমের সম্পর্কে নেওয়া যায়? বা কাছের বন্ধুটির সঙ্গে প্রেম করলে কেমন হতো! সেরা বন্ধুটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে না জড়ানো ভালো বলেও মনে করেন অনেকে। কারণ সম্পর্কের মধ্যে উত্থান-পতন থাকে। সম্পর্ক যদি ঠিকঠাক না চলে, তখন প্রেম তো হয়ই না, বন্ধুত্বও ছুটে যায়। তবে বন্ধুত্বের হাত ধরেই আসে প্রেম। সফল সম্পর্কের ভিত্তি হলো বন্ধুত্ব— এমনটি অনেকেই মনে করেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক বলছেন, ‘প্রেমের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের পরিচিতজনকে (বন্ধু) অন্যের চেয়ে বেশি আকর্ষণীয় মনে হতে পারে। এই পরিচিতজনকে প্রেমের সঙ্গী হিসেবে বেছে নিলে সম্পর্ক ভালো হয়। ’ এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বন্ধুত্বের কারণে দুজন দুজনকে ভালোভাবে জানতে পারেন। পরস্পরের ভালো ও খারাপ দিকগুলো জানা হয়। গভীর বন্ধুত্বের মধ্যে লুকোচুরি কম থাকে। দুজনের পছন্দে ভিন্নতা থাকলেও বন্ধুত্বের সুবাদে ব্যবধান কমে আসে বা ঘুচে যায়। কিন্তু প্রেম নামক সম্পর্ক লুকাতে যে শব্দটা সব সময় সবার আগে এগিয়ে আসে, সেটাও বন্ধুত্ব। বন্ধুত্বকে উপায় হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। বন্ধুত্ব তখন নিছক খেলায় পরিণত হয়। এমনটি উচিত নয়। আবার বন্ধুকে ভালোভাবে না বুঝেই প্রপোজ করাটাও বোকামি। তাই কোনো বন্ধুকে ভালো লাগলে আগে নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া করা উচিত।   কেননা, সম্পর্কটা ঠিকঠাক মতো না চললে তখন বন্ধুত্বও ছুটে যায়।