Category: লাইফস্টাইল

  • পৃথিবীর যে দেশে রয়েছে স্বামী ‘জমা রাখার’ সার্ভিস

    পৃথিবীর যে দেশে রয়েছে স্বামী ‘জমা রাখার’ সার্ভিস

    পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত চালু হচ্ছে নিত্য নতুন সেবা। তবে এমন অদ্ভূত সেবা বোধহয় চীনেই প্রথম চালু হল। সেবার নাম স্বামী ‘জমা রাখার’ সার্ভিস। সাধারণত নারীরা শপিংয়ে যাওয়ার সময় তাদের স্বামীদের সাথে করে নিয়ে যান। ফলে কেনাকেটার সময় স্বামীরা তাদের স্ত্রীদের পেছন পেছন এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরতে থাকেন। তবে এক্ষেত্রে ওই সব স্বামীদের যাতে আর এমন অযথা হাঁটার কষ্ট করতে না হয় এজন্য নতুন একটা উদ্যোগ নিয়েছে চীনের একটি শপিংমল। ওই শপিংমলে যেসব নারীরা শপিংয়ে যাবেন, সেখানে তাদের স্বামীকে ‘জমা’ রাখার বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    চীনের সংবাদপত্র ‘দ্য পেপার’ জানাচ্ছে, সাংহাই এর গ্লোবাল হার্বার মলে বেশ কিছু গ্লাস পড বা কাঁচের খোপ তৈরি করা হয়েছে তেমনই বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। ‘গ্লাস পডে’ স্বামীদের জন্য নানা বিনোদনের ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে তারা বসে বসে গেম খেলতে পারবেন। প্রতিটি গ্লাস পডের ভেতরে থাকবে একটি চেয়ার, মনিটর, কম্পিউটার এবং গেম প্যাড। সেখানে বসে তারা নব্বই দশকের পুরোনো গেমগুলো খেলতে পারবেন।

    শপিং মলটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই সার্ভিস আপাতত ফ্রি। কিন্তু পরবর্তীতে তারা ফি চালু করার কথা ভাবছে। এই সার্ভিস ব্যবহার করেছেন এমন কয়েকজন পুরুষ পত্রিকাটিকে জানিয়েছে, তারা ব্যাপারটি পছন্দ করেছেন।

    চীনা সোশ্যাল মিডিয়ায় অবশ্য শপিং মলটির এই সার্ভিস নিয়ে ব্যাপক কৌতুক চলছে। এই সার্ভিস আরও বিভিন্ন জায়গায় সম্প্রসারণ করা যায় কিনা জানতে চেয়েছেন অনেকে।

    স্বামী ‘জমা রাখার’ ব্যবস্থা নিয়ে পুরুষরা উৎসাহিত হলেও নারীরা বেশ হতাশ। তাদের দাবি, স্বামী যদি কেবল বসে গেম খেলতে চান, তাকে শপিং এ নিয়ে যাওয়ার মানে কি?”

  • ফলে স্টিকার থাকে যে কারণে!

    ফলে স্টিকার থাকে যে কারণে!

    বাজার থেকে আপেল, আঙ্গুর, নাশপাতি বা অন্য যে কোনো ফল কেনার সময় নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন ফলের গায়ে স্টিকার লাগানো থাকে। বিভিন্ন ফলের ওপর থাকা স্টিকারগুলো দেখে আমরা ফলটির মান ও উৎপাদন সম্পর্কে অবগত হতে পারি।

    ফলের গায়ে মারা স্টিকারে কী লেখা থাকে, ভালো করে হয়তো সেটা অনেকেই দেখেন না। যদি দেখেও থাকেন, তাহলে এর মানেটা বোধগম্য করতে পারেন নাই। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে আসুন জেনে নেন, ফলের গায়ে লেগে থাকা সেই স্টিকারের মানেগুলো-

    ১. স্টিকারে যদি দেখেন ৪ সংখ্যার কোড নম্বর রয়েছে এবং সেটা শুরু হচ্ছে ৩ বা ৪ দিয়ে, এর মানে হলো, কোনো ফার্মে ওই প্রোডাক্টির চাষ হচ্ছে বিংশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে। যার অর্থ, কৃত্রিম সার ব্যবহারের মাধ্যমেই চাষ হয়েছে।

    ২. যদি কোনো ফলের গায়ে ৫ সংখ্যার কোড দেওয়া স্টিকার দেখেন, যার শুরুটা ৯ দিয়ে, অর্থ, চিরাচরিত প্রথাতেই চাষ হচ্ছে। হাজার হাজার বছর আগেও যেভাবে চাষ হত, সে ভাবেই। মানে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে, জৈব সার প্রয়োগের মাধ্যমে চাষ হয়।

    ৩. স্টিকারে যদি ৫ ডিজিটের কোড থাকে এবং শুরুটা যদি ৮ সংখ্যা দিয়ে হয়, তার মানে ওই ফলটি GMO বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড। সোজা বাংলায় এটা হাইব্রিড ফল। তবে রাসায়নিক সার দিয়েই সচরাচর এই হাইব্রিড ফলগুলোর চাষ হয়।

  • কিডনিতে পাথর হওয়া প্রতিরোধ করে যেসব ফলের রস

    কিডনিতে পাথর হওয়া প্রতিরোধ করে যেসব ফলের রস

    কিডনি আমাদের শরীর থেকে প্রস্রাবের সঙ্গে বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করে। কখনো লবনের সঙ্গে বিভিন্ন খনিজ পদার্থ মিশে কিডনিতে একধরনের কঠিন পদার্থের জন্ম দেয়, যাকে আমরা কিডনির পাথর বলি। আর লেবু বা লেবু জাতীয় ফল যেমন মাল্টা, কমলা ইত্যাদির রস কিডনিতে পাথর হওয়া থেকে আমাদের শরীরকে প্রতিরোধ করে।

    লেবুর রসে hydroxycitrate (HCA) থাকে, যা আমাদের শরীরের ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টাল গলিয়ে দিতে সাহায্য করে। এই ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টালের কারণেই মূলত কিডনিতে পাথর হয়।

    ইউনিভার্সিটি অব হাউজটনের অধ্যাপক জেফ্রি রিমার জানিয়েছেন, মিনারেল জমে শক্ত হয়ে আমাদের কিডনিতে জমে যায়। একেই আমরা কিডনির পাথর বলে থাকি। উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবিটিস, ওবেসিটি থেকে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। যে কোনও লেবুর রস এই জমাট বাঁধা ক্যালসিয়াম গলিয়ে দিতে সাহায্য করে।

  • শেষ বয়সে ‘পাপ’ করব না

    শেষ বয়সে ‘পাপ’ করব না

    অভাবের তাড়নায় টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন আদালত রোডে সপ্তাহে দুইদিন সুলভমূল্যে ডিম বিক্রি করে স্থানীয়দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বৃদ্ধ আব্দুস ছালাম। বাজার দরের চেয়ে কিছুটা কম দামে ডিম বিক্রি করেন তিনি। ডিম বিক্রি করে যে কয় টাকা আয় হয় তা দিয়েই স্ত্রীকে নিয়ে দিব্যি চলে যায় তার সংসার। দাম কমের জন্য পুরাতন আদালত রোডে আব্দুস ছালাম একজন সুপরিচিত ডিম বিক্রেতা।

    জানা যায়, ডিম বিক্রেতা আব্দুস ছালাম টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ৭নং আলোকদিয়া ইউনিয়নের সিংরামবাড়ি গ্রামের মরহুম রুস্তম আলীর ছেলে। এক সময় জমিজমা ভালোই ছিল। তিন ছেলের পড়ালেখা করাতে গিয়ে প্রায় সব জমিই বিক্রি করতে হয়েছে তাকে। ছেলেরাও বড় হয়ে সংসারী হয়েছেন। একজন বিদেশে চাকুরি করছেন। কিন্তু তারা বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখভালের প্রয়োজন বোধ করেন না। দেখা-শোনা তো পরের কথা, সন্তানরা বাবা-মার খোঁজ-খবর পর্যন্ত রাখে না। জীবিকার প্রয়োজনে বাধ্য হয়ে ডিম বিক্রির কাজে নেমেছেন। সপ্তাহে দুই দিন ডিম বিক্রি করে যা আয় হয় তা দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর সংসার ভালোই চলে।

    আব্দুস ছালাম সপ্তাহে পাঁচদিন নিজ এলাকা মধুপুরে ঘুরে ঘুরে পাইকারি দরে হাঁস-মুরগির ডিম কিনেন আর সেই ডিম সপ্তাহে দুই দিন টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন আদালত রোডে বিক্রি করেন। বাজার দরের চেয়ে প্রতি হালিতে ১-২ টাকা কম দামে বিক্রি করায় তার ডিমের চাহিদাও ব্যাপক। বলতে গেলে স্থানীয় ক্রেতারা বৃদ্ধ আব্দুস ছালাম কবে ডিম নিয়ে আসবেন সে অপেক্ষায় থাকেন।

    ৮০ বছরের বৃদ্ধ আব্দুস ছালাম আক্ষেপ করে জানান, ছেলেরা বিয়ে করে সংসারী হওয়ায় তাদের নিজেদেরই অনেক সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে বাবা-মার বোঝা কী করে বইবে! জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ সংশ্লিষ্ট দফতরের বারবার ধর্ণা দিয়েও একটি বয়স্কভাতার কার্ড পাননি। কার্ড পেতে ‘ঘুষ’ লাগে, কিন্তু বৃদ্ধ মানুষ এই শেষ বয়সে ঘুষ দিয়ে ‘পাপ’করতে চান না। তাই সামান্য পুঁজি নিয়েই ডিমের ব্যবসায় নেমে পড়েন। প্রথমে তিনি মধুপুরের গ্রামে গ্রামে ঘুরে বাড়ির গৃহিনীদের কাছ থেকে ডিম কিনে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডে বিক্রি করতেন। তাতে তেমন লাভ হতো না। এর মধ্যে জনৈক ব্যক্তির মুখে শুনতে পান মধুপুরের চেয়ে টাঙ্গাইল শহরে ডিমের দাম হালিতে ৩-৪ টাকা বেশি। তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নেন মধুপুর থেকে ডিম কিনে টাঙ্গাইল শহরে বিক্রি করবেন। সেই থেকে শুরু, চলছে এখনও!

    তিনি আরও জানান, টাঙ্গাইল শহরে হাঁস-মুরগির (দেশি) ডিমের বাজার মূল্যের চেয়ে তিনি হালিতে ১-২ টাকা দাম কম নেন। এটা ব্যবসা বাড়ানোর জন্য নয়, দেশপ্রেম থেকে। তিনি মনে করেন, এক হালি (চারটি) ডিমে ১-২টাকা মুনাফা করা যুক্তিযুক্ত বেশি হলে পাপ হবে।

    তপ্ত রোদ, ঝড়-বৃষ্টি কিংবা যত প্রতিকূল আবহাওয়াও আব্দুস ছালামকে দমাতে পারে না। সপ্তায় দুইদিন আদালত রোডে তিনি ডিমের দোকান খুলবেনই।

  • স্টিভ জবসের দশ উক্তি যা আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে

    স্টিভ জবসের দশ উক্তি যা আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে

    কর্পোরেট জগতের শীর্ষ সফল ব্যক্তিত্ব স্টিভ জবসকে নিশ্চয় আর নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে না। ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি তিনি এক মহা দার্শনিক হিসেবেও পরিচিতি পেয়ে ছিলেন। যা তার নানা উক্তিতেই ফুটে উঠেছে। তার অন্তত শ’খানেক উক্তি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আর যারা তার উক্তিগুলোকে অনুসরণ করেছেন তাদের অনেকেই দাবি করেছেন তারা স্টিভ জবসের মাত্র একটি উক্তি মেনে চলেই জীবনে সাফল্য পেয়েছেন।

    এখানে স্টিভ জবসের এমন দশটি উক্তি উল্লেখ করা হলো যেগুলোর গভীরতা উপলব্ধি করতে পারলে আপনার মধ্যে ইতিবাচক অনুভুত এনে দেবে।

    ১.
    ‘আপনার সময় সীমিত, সুতরাং অন্য কারো জীবন যাপন না করে বরং নিজের জীবনটাই যাপন করুন। ’

    ২.
    ‘কখনোই নিজের মতামতকে অন্যের মতামত দ্বারা প্রভাবিত হতে দেবেন না এবং আপনার ভেতরের স্বরটি থেকে অন্যের আওয়াজ বের হতে দেবেন না। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের হৃদয় এবং স্বজ্ঞাকে অনুসরণের সাহস ধারণ করুন।

    ৩.
    ‘গত ৩৩ বছর ধরেই প্রতিদিন সকালে আয়নার দিকে তাকিয়ে আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করে আসছি: ‘আজ যদি আমার জীবনের শেষদিন হয় তাহলে আমি আমার আজ যা করনীয় তা করতে চাইব? আর যখনই এই প্রশ্নের জবাবে আমি একাধারে বেশ কয়েকদিন ‘না’ উত্তর শুনেছি তখনই আমার মনে হয়েছে এবার হয়তো আমার মধ্যে কিছু একটা পরিবর্তন আনতে হবে। ’

    ৪.
    ‘গোরস্থানের শীর্ষ ধনী হওয়াটা আমার কাছে কোনো অর্খথ বহন করে না। বরং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় এই কথা বলতে পারাটাই আমার কাছে বেশি আকাঙ্খিত যে, আমরা আজ বিস্ময়কর কিছু একটা করতে পেরেছি। ’

    ৫.
    ‘আপনার জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই আপনার ভবিষ্যতকে রুপদানে কাজ করে। সুতরাং জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকেই সঠিকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করুন।

    ৬.
    ‘নিজের চিন্তাকে সরল করার জন্য পরিষ্কারভাবে চিন্তা করতে আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। কারণ পরিষ্কারভাবে চিন্তা করতে পারাটাই সবচেয়ে বড় কথা। ’

    ৭.

    ‘উদ্ভাবনই একজন নেতা ও একজন অনুসরণকারীর মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে দেয়। ’

    ৮.
    ‘অসাধারণ সব কাজ করুন এবং সামনে এগিয়ে যান। আমি মনে করি আপনি যদি এমন কোনো কাজ করেন যা প্রশংসা কুড়ায় তাহলে আপনা উচিত আরো ভালো কোনো কাজ করা। একটি প্রশংসার কাজ নিয়েই বেশি দিন পড়ে থাকবেন না। সবসময়ই এরপর কী করা যায় তা নিয়ে ভাববেন। ’

    ৯.
    ‘সামনের দিকে তাকিয়ে আপনি বিন্দুগুলোকে যোগ করতে পারবেন না। আপনি শুধু পেছন দিয়ে তাকিয়েই সেগুলিকে যুক্ত করতে পারেন। সুতরাং আপনাকে সেই বিন্দুগুলোর ওপর আস্থা স্থাপন করতে হবে যে সেগুলো কোনো না কোনোভাবে আপনার ভবিষ্যতে যুক্ত করবে। আপনাকে নিজের শক্তি, নিয়তি, জীবন, কর্ম এসবের ওপর আস্থা রাখতে হবে। ’

    ১০.
    ‘এই মুহূর্তে আপনিই হলেন নতুন। কিন্তু সেদিন খুব বেশি দূরে নয় যেদিন আপনি বুড়িয়ে যাবেন এবং দূরে সাফ হয়ে যাবেন। খুক বেশি নাটকীয়তার জন্য দু:খিত, কিন্তু এটা পুরোপুরি সত্য। ’

  • মনের জোর বৃদ্ধি করুন ১৩ টি উপায়ে!

    মনের জোর বৃদ্ধি করুন ১৩ টি উপায়ে!

    অনেক সময় আমরা হারিয়ে ফেলি মনের জোর, মানসিক শক্তি, উদ্যম নেমে আসে শূন্যের কোঠায়। প্রাপ্তিগুলোকে ছাপিয়ে জীবনের অপ্রাপ্তিগুলো বড় বেশী যন্ত্রনাদায়ক হয়ে ওঠে। অনেক সময় এই মানসিক হতাশা রূপ নিতে পারে আত্মহত্যায়ও! অথচ চাইলেই মানসিকভাবে হয়ে ওঠা সম্ভব অনেক শক্তিশালী আর আত্মবিশ্বাসী। জয় করা সম্ভব যত অপ্রাপ্তি। আপনাদের জন্যে রইলো কিছু টিপসঃ ১) খারাপ স্মৃতিগুলো ভুলে যানঃ মনের জোর হারিয়ে ফেলার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে অতীতের কষ্টকর স্মৃতি বারবার মনে করা। যন্ত্রণাদায়ক অতীত স্মৃতি সবার জীবনেই থাকে। কিন্তু সে সময়টা যেহেতু আপনি পার করে এসেছেন, তাই অযথা মস্তিষ্কের গুরুত্বপুর্ণ স্থানগুলো এসব স্মৃতিকে দখল করে রাখতে দেবেন না। ২) ইতিবাচক চিন্তা করুনঃ ইতিবাচক চিন্তা করুন। নিজের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী জীবন সাজাবার চেষ্টা করুন। একটা বিষয়ে ইতিবাচক চিন্তা আপনাকে অনেকটাই এগিয়ে দেয় সফলতার পথে। ৩) সফল মানুষদের সাথে মিশুনঃ চেষ্টা করুন আশপাশের সফল মানুষদের সাথে মেশার। এরা আপনাকে জীবন নিয়ে বহুদূর এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেবে। খুঁজে পাবেন অণু অনুপ্রেরণা। ৫) নিজের অর্জনগুলো নিয়ে ভাবুনঃ নিজের অর্জনগুলো নিয়ে ভাবুন। প্রয়োজনে একটা ডায়েরীতে লিখে ফেলুন। দেখবেন, নিজের অর্জনের তালিকা দেখে নিজেই অবাক হয়ে যাবেন। আমরা প্রায়ই নিজের অর্জন গুলোকে অনুধাবন করতে পারি না। ৬) ভালো বই পড়ুনঃ ভালো বই পড়ুন। বই পড়ার অভ্যাস আপনার জ্ঞানের ভান্ডার সমৃদ্ধ করবে এবং মানসিকভাবেও আপনাকে শক্তিশালী করবে। অনুপ্রেরণা মূলক বই আপনাকে সাহস যোগাবে। ৭) ধৈর্য ধরুনঃ জীবনে সমস্যা থাকবেই। হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধরুন। একটা নির্দিষ্ট সময় পরে খারাপ সময়টা কেটে যাবেই। নিজেকে বোঝান যে কষ্টের দিন কারো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ৮) কাছের মানুষগুলোর সাথে সময় কাটানঃ কাছের মানুষেরা আপনাকে সব চেয়ে বেশী অনুপ্রেরণা যোগাতে সক্ষম। তাই চেষ্টা করুন তাদের সাথে সময় কাটাবার। ভালো লাগার মানুষদের সংস্পর্শে মন ভালো হয়ে যায়, সময় ভালো কাটে, তাদের সামান্য প্রশংসাতেও অনেকটা অনুপ্রেরণা খুঁজে পাওয়া যায়। ৯) প্রকৃতির কাছাকাছি যানঃ একটু অবসর সময় পেলে চেষ্টা করুন প্রকৃতির কাছাকাছি যাবার। পাহাড়, সমুদ্র, অরণ্য আপনার মনকে সতেজ করবে। প্রকৃতির বিশালতায় হারিয়ে যাবে মনের যত ক্ষুদ্রতা, সংকীর্ণতা আর দুঃখবোধ। শুনতে খুব সহজ মনে হলেও, প্রকৃতির বিশালতার মাঝে বিলীন হয়ে যাওয়া মনের জোর বৃদ্ধি করার সেরা উপায়। ১০) নিজেকে নিয়ে পরিকল্পনা করুনঃ নিজেকে নিয়ে ভাবুন। পরিকল্পনা করুন। নতুন কিছু শিখুন, নিজের দক্ষতা বাড়ান। আগামী কয়েক বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান সে ছক আঁকুন। সে অনুযায়ী কাজ করুন। স্বপ্ন দেখতে পারাই সফলতার সূচনা। ১১) নিয়ম মাফিক জীবনযাপন করুনঃ ব্যায়াম, খাওয়া আর ঘুমের রুটিনটা ঠিক রাখুন। শরীরের সুস্থতার সাথে মনের জোর সরাসরি সম্পৃক্ত। নিজেকে দেখতে সুন্দর ও সতেজ লাগলে মনের জোর বেড়ে যায় বহুগুণে। ১২) বন্ধু বাড়ানঃ নতুন নতুন মানুষের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন। এটা আপনাকে আপনার চেনা জগতটা বড় করতে সাহায্য করবে। বন্ধু মহলে মেলামেশা আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে আপনাকে। বাড়বে মনের জোর। ১৩) সমাজসেবাঃ মানুষের সেবা করে আপনি যেমন ভালো কাজ করার সুযোগ পাবেন তেমনি এই মা্নসিক তৃপ্তি আপনার মনের জোর, আত্মশ্রদ্ধাবোধ ও আত্মবিশ্বাস বাড়বে। টিপসগুলো অনুসরন করেই দেখুন না! জীবনে এখনো অনেক পথ পাড়ি দেবার পালা অর্জনে আর আত্মবিশ্বাসে!

  • পর্ন ভিডিও ব্রেনের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর!

    পর্ন ভিডিও ব্রেনের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর!

    কৌতূহল চেপে রাখতে না পেরে আজকাল অনেকে ফেসবুক বা অন্য কোন সোশ্যাল সাইট থেকে পর্ন সাইটে চলে যান।  তথ্য-প্রযুক্তির প্রসার ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে পুরো বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। স্মার্টফোন অথবা ল্যাপটপ থেকে একটি ক্লিকেই প্রবেশ করতে পারেন নেট দুনিয়ায়। আর নানা রকম চটকদার ছবি ও বিজ্ঞাপণের প্রভাবে সহজেই প্রবেশ করছেন নীল ছবির জগতে। কিন্তু এর মাধ্যমে আপনি নিজের সবচেয়ে ভয়ানক ক্ষতিটি নিজেই করছেন।

    বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ ও চিকিৎসকদের গবেষণায় দেখা গেছে, যে সব পুরুষ নিয়মিত পর্ন ভিডিও বা যৌন উত্তেজক ছবি দেখেন তাদের ব্রেনের আকার পরিবর্তিত হয়ে সাধারণ পুরুষের ব্রেনের চেয়ে ছোট হয়ে যায়। জার্মান সাইকিয়াট্রি জার্নালে এক স্টাডির রিপোর্টে এ তথ্য জানানো হয়।

    চিকিৎসকগণ তাদের গবেষণায় সাধারণ পুরুষদের ব্রেনের সাথে পর্ণ ছবি দেখতে অব্যস্থ পুরুষদের ব্রেনের তুলনা করে এমন রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন বলে জানানো হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ষ্ট্রিয়াটোম নামের একপ্রকারের সেনসিটিভ বিকল্প থিওরি যা
    পর্নগ্রাফিতে মানুষকে আসক্ত করে, সেইসকল পুরুষদের ব্রেইন আকারে পরিবর্তন এনে থাকে।

    বার্লিনের ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনিষ্টিটিউটের ডঃ সাইমন কোহন, যিনি এই পেপারের লেখক ও লিড গবেষক তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত গবেষণায় এ সম্পর্কে তাদের কাছে ব্রেইনের আকার ছোট হওয়ার কারণটি উঠে এসেছে। তবে তারা এ নিয়ে আরও গবেষণা করে যাচ্ছেন।

    ড. কোহন এবং তার অনুসারীরা জার্মানির চারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদল প্রায় ৬৪ জন সুস্থ সুঠাম দেহের পুরুষ যাদের বয়স ২১ থেকে ৪৫ এর মধ্যে, তাদের উপর গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে প্রাথমিক তথ্যে উপনীত হয়েছেন, তারা দেখতে পেয়েছেন, সুস্থ সুঠাম দেহের পুরুষদের ব্রেনের তুলনায় যারা পর্ণ ছবিতে আসক্ত, তাদের ব্রেনের আকার ছোট হয়ে আসে।

    স্মার্টফোনে পর্ন দেখলে সম্ভাব্য ৫টি বিপদ
    ১। বিভিন্ন ধরণের ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যার রয়েছে যা স্মার্টফোন লক করে দেয়। অনেক সময়েই টাকার বিনিময়ে লক খুলতে হয়। পর্ন-সাইটে ভেসে ওঠে কিছু পপ-আপ। আর তাতে ছোঁয়া লাগলেই মোবাইল লক হয়ে যেতে পারে। অনলাইনে টাকা দিলে তবেই খোলা যায়। অনেক সময়ে খোলাও যায় না।

    ২। এটা সকলেরই জানা যে, চাইল্ড-পর্ন দেখা আইনত অপরাধ। অনেক সময়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে চাইল্ড-পর্ন সাইট খুলে যেতে পারে। হ্যাকাররা যদি জানতে পারে কেউ স্মার্টফোনে চাইল্ড পর্ন দেখেছে তবে তাকে আইনি বিপদে ফেলতে পারে কিংবা সেই ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করতে পারে।

    ৩। মনে রাখবেন, হ্যাকাররা সব সময়ে ওৎ পেতে বসে রয়েছে। তাদের অন্যতম বড় ফাঁদ হল পর্ন-সাইট। যারা নিয়মিত পর্ন দেখতে অভ্যস্ত তাদের বিভিন্ন সাইটের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে সেখানে ঢুকতে প্রলুব্ধ করে হ্যাকাররা। একবার সেই সাইটে ঢুকলেই হ্যাকাররা সহজেই চুরি করে নিতে পারে কোন ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য।

    ৪। পর্ন-সাইটের মাধ্যমে আপনি জড়িয়ে পড়তে পারেন নানা রকম পেইড সার্ভিসে। অনিচ্ছাকৃতভাবে মোবাইলে অ্যাক্টিভেট হয়ে যায় এমন কিছু সার্ভিস, যা আপনি জানতেও পারেন না। কিন্তু ওই সার্ভিসের জন্য কেটে নেওয়া হয় টাকা।

    ৫। পর্ন-সাইটে ঢুকলে শুধু যে বিজ্ঞাপনই আপনাকে বোকা বানাবে তা নয়, দেখানো হয় নানা রকম অ্যাপ ডাউনলোড বা আপডেটের লোভ। হ্যাকারদের এই ফাঁদে পা দিলেই হাতছড়া হয়ে যাবে আপনার যাবতীয় তথ্য।

  • দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর

    দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর

    দুধ-কলা দিয়ে কালসাপ পোষার-প্রবাদটি তো সকলেরই জানা ৷ তবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের করা সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। দুধ ও কলা আলাদা আলাদাভাবে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার। কিন্তু একসঙ্গে খেলে তা বরং আপনার শরীরের জন্য মারাত্মক হতে পারে ৷ জেনে নিন দুধ কলা একসঙ্গে খেলে কী হয়-

    ১। দুধ ও কলা আলাদা দুই ধরনের দুটি খাবার। দুধে প্রোটিন, ভিটামিন বি-১২ এবং রিবোফ্লেভিন ও ক্যালসিয়ামের মত খনিজ পদার্থ আছে। প্রতি ১০০গ্রাম দুধে রয়েছে ৪২ক্যালরি । যদিও ‘সুষম খাদ্য দুধ’ কথাটি এখন যথার্থ মনে হয় না কারণ দুধে ভিটামিন সি, হজম আঁশ নেই। সেই সঙ্গে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও কম।

    ২। অন্যদিকে, কলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন সি, পাচক আঁশ, পটাশিয়াম এবং বায়োটিন আছে। প্রতি ১০০গ্রাম কলায় ৮৯ ক্যালরি থাকে। কলা আমাদের পাকস্থলিকে ভারী করে রাখে এবং আমাদেরকে অনেকক্ষণ ‘পেট ভরা’ অনুভূতি দেয়।

    ৩। অনেকেই মনে করেন কলা ও দুধ একসঙ্গে খাওয়া ভাল। কিন্তু গবেষণা বলছে এমনটা ঠিক না। গবেষণাটির মতে, দুধ ও কলা একসঙ্গে খেলে তা যে শুধু আমাদের হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা করে তাই নয়। তা আমাদের সাইনাসের শোষনকেও ব্যাহত করে। এটা আমাদের সাইনাসের সমস্যা সৃষ্টি করে এবং অ্যালার্জির কারণও হতে পারে। তাই

    ৪। অনেকে দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া অনেকেই সমর্থন করলেও দুধ-কলা একসঙ্গে খেলে আমাদের বমি বমি ভাব আনতে পারে। এমনকী তা আমাশার কারণও হতে পারে।

    ৫। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রেও দুধ ও কলা একত্রে খাওয়ার নেতিবাচক প্রভাবের কথা বলা হয়েছে। দুধ ও কলা একঙ্গে খেলে আমাদের দেহে টক্সিফিকেশন হতে পারে যা দেশের স্বাভাবিক কাজে বাধা দেয়। সেই সঙ্গে দুধ ও কলা একসঙ্গে খেলে তা আমাদের মধ্যে গুরুতর হতাশা তৈরি করতে পারে এবং আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

    তাই গবেষকরা বলছেন দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া যাবে না। যদি আপনি কোন শারীরিক অনুশীলনের আগে বা পরে দুধ-কলা খেতে চান তাহলে দুধ খাবার অন্তত ২০মিনিট পর কলা খেতে পারেন। আর যদি দুগ্ধজাত কোনও খাবারের সঙ্গে কলা খেতে চান তবে দই এর সঙ্গে খেতে পারেন।

  • যেসব খাবারে দৈহিক শক্তি কমে

    যেসব খাবারে দৈহিক শক্তি কমে

    খাদ্যাভাসের মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে সম্প্রতি অধিকাংশ পুরুষই দৈহিক শক্তি হারানোর সমস্যায় ভুগছেন। এক গবেষণায় দেখা যায়, খাদ্যাভাস লিবিডোতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

    বিশেষ করে যখন বয়স বাড়তে থাকে তখন এই ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই যেসব খাবার দৈহিক শক্তি কমিয়ে দেয় সেসব খাবার তালিকা থেকে বাদ দেওয়াই ভালো। জেনে নিন এমন খাবারের নাম-

    অ্যালকোহল : অ্যালকোহল স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। শরীর দুর্বল করে, চেহারা-সুরতেও ফেলে বাজে ছাপ। এছাড়া দৈহিক শক্তিতেও মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। আর তাছাড়া অ্যালকোহল আর রিচ ফুড সবসময় আপনাকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করে রাখে। ফলে সঙ্গীকে সময় দেওয়ার ব্যাপারে আর উৎসাহ বোধ হয় না।

    সয়া: সয়াবিন থেকে তৈরি বেশিরভাগ পণ্যই সাইটোয়েস্ট্রোজেন নামে একটি রাসায়নিক পদার্থ থাকে। এটি পুরুষ ও নারীর দেহে হরমোনের ভারসাম্যে বিরূপ প্রভাব ফেলে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী যারা সয়া পণ্য ভোগ করে তাদের মধ্যে মিলনের আগ্রহ কম। তাই যেসব পুরুষ সন্তান গ্রহণের কথা ভাবছেন তারা খাদ্য তালিকা থেকে সয়া একদম বাদ দিয়ে দিন। কারণ সয়া শুক্রাণুর পরিমাণও কমিয়ে দেয়।

    পুদিনা পাতা: সুগন্ধির জন্য পুদিনা পাতা অনেক বেশি জনপ্রিয়। কিন্তু এটি মোটেও ভালো নয়। এটি শরীরিক শক্তি সৃষ্টিকারী হরমোন টেসটোসটের মাত্রা কমিয়ে দেয় যা শরীরকে ঠাণ্ডা করে দিয়ে আগ্রহ কমিয়ে দেয়। তাই সুগন্ধির জন্য পুদিনা বাদ দিয়ে আদা খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। আদা অনেক ভালো।

    কফি : কফি আপনার শরীরিক সম্পর্কের ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার মুড কার্যকর রাখে। তবে অতিমাত্রায় কফি খেলে হতে পারে বিপত্তি! এটি মূত্রথলির ক্ষতি করে এবং থাইরয়েড হরমোনে ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে।

    পনির : গরুর দুধ থেকে তৈরি পনির এখন সুপার মার্কেটে খুবই সহজলভ্য। পনির ছাড়া অনেকের নাশতাই যেন জমে না। পনিরকে হরমোন ও অ্যান্টিবডি তৈরির কৃত্রিম উৎসও মনে করা হয়। তবে বেশি মাত্রায় পনির খেলে শরীরে এস্ট্রোজেন-জাতীয় পদার্থের নিঃসরণ হয়, যা মানুষের আকর্ষণ শক্তি নষ্ট করে দেয়। এমনকি এর প্রভাবে দৈহিক শক্তি লোপ পেতে পারে।

  • স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় সবুজ শাক-সবজি

    স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় সবুজ শাক-সবজি

    সবুজ শাক-সবজি খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী। বহু জটিল রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে সবুজ এবং তাজা শাক-সবজি। সম্প্রতি একটি তথ্য প্রকাশ হয়েছে যে, রোজের ডায়েটে সবুজ তাজা শাক-সবজি রাখলে তা স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকিও কম করে।

    মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জন্য এবং তার সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপের কারণে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা দেখা গেছে।

    সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি খেয়ে থাকেন, তাদের মধ্যে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি ৬৪ শতাংশ কমে গেছে।

    বর্তমানে বিভিন্ন কারণে আমাদের মধ্যে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি প্রচণ্ড পরিমাণে বেড়ে গেছে। তাই আপনি যদি স্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে বাঁচতে চান, তাহলে এখনই রোজকার ডায়েটে সবুজ তাজা শাক-সবজি রাখুন।