Category: লাইফস্টাইল

  • পর্যটক সেবায় উম্মুক্ত হচ্ছে ,কুয়াকাটা সী বীচ ট্যুরিজম পার্ক

    পর্যটক সেবায় উম্মুক্ত হচ্ছে ,কুয়াকাটা সী বীচ ট্যুরিজম পার্ক

    কুয়াকাটা প্রতিনিধি// মোঃ আবু হানিফ :

    পর্যটন নগরী সাগরকন্যা কুয়াকাটায় আগত পর্যটক ও দর্শনার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ হতে চলেছে। কুয়াকাটায় সাগরের কোল ঘেঁসে র্নিমিত হয়েছে সকল আধুনিক সুবিধা সম্বলিত ট্যুরিজম পার্ক।

    যেখানে স্বস্তিদায়ক পরিবেশে পর্যটকরা উপভোগ করতে পারবেন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্যসহ সমুদ্রের নৈসর্গিক রূপ। খুব শীঘ্রই পর্যটকদের ব্যবহারের জন্য উম্মুক্ত হচ্ছে এ পার্কটি। নির্মাণ তদারকি প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, বেড়িবাঁধের বাইরে সাগরের কোল ঘেঁষে ঐতিহ্যবাহী নারিকেল বাগানের মধ্যে খালি জায়গায় ১৬০ ফুট দীর্ঘ এবং ১২০ ফুট প্রস্থ এ পার্কটির নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়ে।

    বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের অর্থায়নে ১ কোটি টাকা ব্যয়ে সাগর পাড়ের মনোরম পরিবেশে হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন এই পার্কটি। বাউন্ডারি ঘেরা দৃষ্টিনন্দন এই পার্কটিতে থাকছে অন্তত দুই শ’ লকার। নামমাত্র সার্ভিস চার্জের বিনিময় এ লকার ব্যবহার করবেন পর্যটকরা। সাগরে গোসল করতে নামার আগে পর্যটকরা এখানে জুতো, পরিচ্ছদ, মোবাইল ও টাকাসহ সবকিছু গচ্ছিত রাখতে পারবেন নিশ্চিন্তে। থাকছে আলাদা বিশ্রামাগার। সেখানে থাকবে সোফার ব্যবস্থা। সেখানে বসেই পর্যটকরা উপভোগ করতে পারবেন সমুদ্র রূপ। সাগরের নোনা পানিতে সাতার শেষে হাত-পা ধোয়ার জন্য মিস্টি পানির সরবরাহ লাইনসহ থাকছে অসংখ্য ট্যাপ।

    পুরুষ ও মহিলাদের আলাদাভাবে পোশাক-পরিচ্ছদ পাল্টানোর প্রয়োজনীয় সংখ্যক কক্ষ রয়েছে। অত্যাধুনিক সুবিধা সংবলিত নারী-পুরুষদের জন্য রয়েছে পৃথক পৃথক ওয়াশ রুম। ৫০ সিটের প্রায় ৪০ ফুট দৈর্ঘের দুই সারির কফি হাউসসহ ক্যাফে কর্ণার। পর্যাপ্ত সংখ্যক চেয়ারসহ পার্কে থাকছে বিশাল আকৃতির স্থায়ী ছাতা।

    পার্কটি সবসময় রাখা হবে প্রশাসনিক নিরাপত্তার আওতায়। বিশেষ কারণে পার্কের অভ্যন্তরে পর্যটকদের জন্য রাত্রি বাসের সুবিধা। পার্ক সংলগ্ন সীবিচে বোল্ডার দিয়ে সাগরের ঢেউয়ে বেলাভূমি ক্ষয়রোধেও নেয়া হচ্ছে বিশেষ ব্যবস্থা। সংশ্লিস্ট সূত্র জানায়, প্রতি সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে এখানে বিশেষ কনসার্টের ব্যবস্থা করা হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ট্যুরিজম বোর্ড এবং পটুয়াখালী জেলা প্রশাসককে তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ জানান, ট্যুরিজম পার্ক নির্মাণ কুয়াকাটার উন্নয়নের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এর ফলে পর্যটকের দীর্ঘদিনের একটি দাবী পুরন হলো।

    কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মিজানুর রহমান বুলেট আকন বলেন, আড়াই একর জমি অধিগ্রহণের মধ্য দিয়ে কুয়াকাটার উন্নয়নের গোড়াপত্তন করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৯৮ সালের মে মাসে কুয়াকাটায় পর্যটন কর্পোরেশনের হলিডে হোমস উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এর উন্নয়ন শুরু করেন জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা। পরিকল্পনার সঙ্গে প্রতিশ্রুতি দেন আধুনিক পর্যটন কেন্দ্রে উন্নীত করণের। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালে কুয়াকাটাকে পৌরসভায় উন্নীত করা হয়। পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য প্রনয়ন করা হয় মাস্টার প্লান।

    যার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে এই ট্যুরিজম পার্ক নির্মাণের মধ্য দিয়ে। কলাপাড়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তানভীর রহমান জানান, বর্তমানে এ পার্কটিকে ঘিরে কুয়াকাটায় আসা পর্যটক-দর্শনার্থীর বিনোদন কেন্দ্রীক একটি মাত্রা যোগ হচ্ছে। এছাড়া সাগরে গোসলের আগে কিংবা পরে যে বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হতে হতো পর্যটকে তা লাঘব হচ্ছে।

    স্বাচ্ছন্দে সাগর উপভোগের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ মাহবুবুর রহমান এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুয়াকাটার পরিকল্পিত উন্নয়নে বিশেষভাবে উদ্যোগ নিয়েছেন।

    যা ১৯৯৮ সাল থেকে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে তিনি কুয়াকাটাকে পৌরসভায় উন্নীত করেছেন। তিন নদীতে তিনটি সেতু র্নিমাণ করেছেন। ট্যুরিজম পার্ক নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে পর্যটকের দীর্ঘ দিনের একটি প্রত্যাশা পূরণ হবে।

  • আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চারুশিল্পী সোমার ‘ফ্যাশান শো’ ভাবনা

    আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চারুশিল্পী সোমার ‘ফ্যাশান শো’ ভাবনা

    রংতুলির আঁচড় দিয়েই কথা বলতে চান নারীর জীবন সংগ্রামের। যার দিনের অধিক সময়টা কাটে সাদা আর্ট পেপার আর চিকন কাঠের মাথায় কাঠবিড়ালির লোম দিয়ে তৈরি ব্রাশ আর হাতের খেলায়।

    কখনও ৫ নং, আবার কখনও ৬ নং, কিংবা ১০ নং বা হকিয়ার নামক বাহারি তুলির ছোঁয়ায় মন জুড়ানো ছবি আঁকার ভাবনায় ডুবে থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন চিত্রশিল্পীরা।

    বলা যেতে পারে ভিনজগৎ নিয়ে ভাববার সময় কোথায়। কিন্তু না, কাঠের ফ্রেমে বাঁধানো অঙ্কন করা ছবির বৃত্তের মধ্যে থেকেও অন্য গণ্ডিতে পা রাখা যায় অনায়াসে। এমন স্বাক্ষর রেখেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চারুশিল্পী নারগিস পারভিন সোমা।

    সম্প্রতি ভারতের দিল্লীতে অনুষ্ঠিত মিস্টার, মিস এন্ড মিসেস এশিয়া গ্লামার ২০১৮ এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে একমাত্র ভিআইপি গেস্ট হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন রাজশাহীর এই মেয়ে। মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে দেশটির সবচেয়ে বড় এই ফ্যাশান শোর বিজয়ী নির্বাচন প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন রাজশাহী আর্ট কলেজের প্রভাষক ও ষড়ং আর্ট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সোমা।

    বিভিন্ন সময় নারীর জীবন সংগ্রামের ছবির জন্য ভারত, জাপান ও নেপাল থেকে ৮টি অ্যাওয়ার্ড পাওয়া এই কারুশিল্পী পুরো অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করেন বাংলাদেশের।

    রূপকারের দুনিয়ার মাঝেই তার র‌্যাম্প-আপের মঞ্চে মনোনিবেশ নিয়ে প্রশ্ন আসতেই পারে।

    সোমা বলতে চান রুচিশীল ফ্যাশান শোর মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তন করা সম্ভব। প্রতিটি মানুষের জন্য পোশাক অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করে। বলা যেতে পারে একটা ছেলে পাঞ্জাবি পরলে তার মনের ভেতর একটু জড়তা চলে আসে।

    যে কোনো কাজ করতে গেলে প্রথমেই ধর্মের কথা তার মনে আসে। যা কিনা জিনস আর শার্ট পরলে হয় না। কাজের ক্ষেত্রে জড়তা কম আসে। শাড়ি আর জামা পায়জামার ক্ষেত্রে একই অবস্থা। রুচিশিল পোশাক সমাজকে সুন্দর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। তাই ফ্যাশান শোর মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে পোশাকের বিষয়টি খুব সহজেই প্রস্ফূটিত করা যায়। যা অন্য কোনভাবে সম্ভব নয়।

    আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই চারুশিল্পী বলেন, পোশাক কারো কাছে দায়ী, আবার কারো কাছে দায়ী না। মানুষকে বিভিন্ন অপরাধ থেকে দূরে রাখতে হলে সংস্কৃতি চর্চাটা বেশি প্রয়োজন। আর ফ্যাশান শো তারই একটা অংশ। যার দ্বারা সমাজ সংস্কার ও নিজেরের সৌন্দর্য বোধকে জাগ্রত করার জন্য সামাজকে সুন্দর একটা রূপদানেও সহায়ক ভূমিকা রাখে।

    শিল্পেরই আরেকটি অংশ ডিজাইন আর এই ফ্যাশান শো। বর্তমানকে সামনে রেখে বিভিন্ন ধরনের পোশাকে তুলে ধরা হয়েছে। সমাজের সুন্দরতম প্রধান জীব মানুষ। আর এই মানুষের বাহ্যিক রূপ বিকশিত হয় পোশাকে। আর পোশাক নির্বাচিত হয় সাধারণত কালচারের উপর নির্ভর করে। কারণ কোন পোশাক কাকে কেমন মানাবে- এটা বোঝার জন্য এবং সমাজের মানুষের চাহিদা বোঝার জন্য ফ্যাশান শো অনুষ্ঠানের প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন তিনি।

    আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আর ভারতের আয়োজনে খুব বেশি পার্থক্য নেই। কারণ দুই দেশের কালচারের অনেক মিল। বাংলাদেশেও ফ্যাশান শোর আয়োজন হয়। তবে তা বেশিরভাগ ঢাকা কেন্দ্রিক। আসলে এমন আয়োজন প্রত্যেক বিভাগেই হওয়া উচিত। তবেই মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য পোশাকের পরিবর্তন আসবে। আসবে রুচিশীলতা। ভবিষ্যতে ফ্যাশান শোর আয়োজন করার ইচ্ছা আছে বলে জানালেন এই চারুশিল্পী।

    নির্ভয়া ও সত্যনারায়নার আয়োজনে এই ফ্যাশান শোয়ে মিস এশিয়া গ্ল্যামার গোরখাপুরের আরাইনা গৌতম, মিস্টার এশিয়া গ্ল্যামার যমুনানগরের কার্তিক শর্মা এবং মিসেস এশিয়া গ্ল্যামার নিউদিল্লীর ইন্দু কাকার নির্বাচিত হন। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন নেপাল, ভুটান, ভারত এবং থাইল্যান্ডের মডেলরা। মিস এর জন্য ২৫ জন, মিসেস এর জন্য ১৪ জন ও মিস্টারের জন্য অংশ নিয়েছিলেন ৩০ জন। মোট ৭টা রাউন্ডে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল রাউন্ড দিল্লীতে হলেও অন্যান্য রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়েছে মুম্বাই, নেপাল, ব্যাঙ্গালোরে। ফাইনাল রাউন্ডে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন এশিয়ান নিউজের সম্পাদক সঞ্জিব দেব মালিক, সোশ্যাল এক্টিভিস্ট রেখা ভোরা ও কির্তি গৌতম।

    গ্র্যান্ড ফিনালেতে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাথায় মুকুট ও পুরস্কার তুলে দেন ভারতের চলচিত্র পরিচালক অমিত গার্গ। এই সময় ভিআইপি গেস্ট হিসেবে বাংলাদেশের রাজশাহী আর্ট কলেজের প্রভাষক, আন্তর্জাতিক চিত্রশিল্পী নারগিস পারভীন সোমা ও গেস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বলিউড অভিনেতা দিনেশ মোহন।

  • এবার দাঁতের জন্য টুথপালিশ

    এবার দাঁতের জন্য টুথপালিশ

    সাদা দাঁতের জন্যই এত কাল চেষ্টা করে এসেছে মানুষ। ঝকঝকে সাদা দাঁতের জন্য ব্যবহার করেছে নামিদামি বিভিন্ন টুথপেস্ট। কিন্তু এবার একটু ভিন্ন প্রচেষ্টা। ধবধবে সাদা দাঁতকে রাঙাতে এবার ব্যবহার করা হচ্ছে টুথপালিশ। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

    বর্তমান ফ্যাশনে অনেক কিছুই সম্ভব। চুল, নখ, ঠোঁটে স্থায়ী রং লাগিয়ে ফ্যাশন করা আর নতুন কিছু নয়। তবে দাঁতে রং লাগানো ধারণা মনে হয় নতুনই। তাই এটাই চাইছে নতুন প্রজন্ম। ফলে কেউ কেউ দাঁতে গোলাপি, কপার, নীল রং করেছেন।

    যার নাম দেওয়া হয়েছে টুথপালিশ। আবার অনেকে বলছেন ‘রেনবো টিথ’ অর্থাৎ রংধনু রঙের দাঁত। ‘ক্রোম’ নামে একটি সংস্থা এ ধরনের রং বিক্রি করছে। সেটি দাঁতে লাগানো হয়। তারা গোলাপি, নীল, সবুজ, সোনালি ও রুপালি রঙের টুথপালিশ তৈরি করেছে।

    ব্র্যান্ডটি লঞ্চ করেছেন ডেভিড সিলভারস্টাইন। ইনস্টাগ্রামে একাধিক মডেলের রঙিন দাঁতের ছবি পোস্ট করেছে ওই সংস্থা। প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে তারা এ ধারণা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চান। ফলে এখন থেকে কেউ হাসলে শুধু মুক্তাই ঝরবে না। দেখা যাবে রংধনুর নানা রং।

     

    সংস্থাটি জানায়, এ রং ২৪ ঘণ্টা থাকবে। কোনো খাবার খেলে উঠে যাবে না। এর কোনো টেস্ট নেই। খাবার খেলেও রংটি মুছে যায় না। লিপ গ্লসের মত টিউবে পাওয়া যায় এটি। এর দাম ১৮-২২ ডলার। মোট ১০টি রঙে পাওয়া যাচ্ছে এই টুথপালিশ।

  • ছেলেদের যে বিষয়গুলো খেয়াল করে মেয়েরা

    ছেলেদের যে বিষয়গুলো খেয়াল করে মেয়েরা

    আকর্ষণ কখনো একপাক্ষিক হয় না। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টিগত। তাই বলা যায়, শুধু ছেলেরাই মেয়েদের দিকে তাকিয়ে থাকে না। মেয়েরাও তাকায় ছেলেদের দিকে। ছেলেটিকে পছন্দ করার আগে খোঁজ-খবরও নেয় মেয়েরা। শারীরিক গঠন ছাড়াও বেশকিছু বিষয়ে খেয়াল করে দেখে।

    ছেলেদের দিকে তাকানোর সময় যে বিষয়গুলোর দিকে সবার আগে চোখ যায় মেয়েদের। আসুন জেনে নেই সে সম্পর্কে—

    ছেলেদের দৃষ্টি: মেয়েরা অপরিচিত মানুষের দিকে তাকানোর সময় চোখের দিকেই তাকায়। মানুষটি কোন দিকে তাকিয়ে আছে, সে দিকেও নজর যায়। পুরুষের দৃষ্টি কোন দিকে, সেটা তার মানসিকতারও পরিচায়ক। সে সম্পর্কেও মেয়েরা ধারণা নেয়।

    পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: মেয়েরা যখন কোনো পুরুষের দিকে তাকায়, তখন দেখে নেয় ছেলেটি পরিচ্ছন্ন কিনা। তার পোশাক বা জুতো কতটা পরিষ্কার।

    ছেলেদের পোশাক: মানুষের পোশাক তার সামাজিক অবস্থান, ব্যক্তিত্ব, রুচির পরিচয় বহন করে। তাই মেয়েরা পোশাক দেখে সে সব বিষয়ে ধারণা নিতে চায়।

    পায়ের জুতো: মানুষের জুতোও তার সম্পর্কে অনেক কথা বলে। তার বর্তমান অবস্থা কেমন, সে আভাসও দেয় জুতো। মেয়েরা কোনো পুরুষের জুতোর দিকে তাকিয়ে সেই বিষয়গুলো আঁচ করতে চায়।

    শারীরিক ভাষা: বডি ল্যাঙ্গুয়েজ হচ্ছে মনের আয়না। কোনো মানুষ যদি মুঠো বন্ধ করে বসে থাকে তাহলে সে গোপনতাপ্রিয়। শিরদাঁড়া টানটান করে যে বসে, সে কোনো কারণে উদ্বিগ্ন বা উত্তেজিত। তাই ছেলেদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে মেয়েরা একটা আভাস পেতে চায়।

    মনোযোগী শ্রোতা: মেয়েটি তার দিকে তাকিয়ে খেয়াল করে, সে কতটা মনোযোগী হয়ে অন্যের কথা শুনছে। আদৌ অন্যের কথা শোনার মানসিকতা তার মধ্যে রয়েছে কিনা। যে অন্যের কথা শুনতে রাজি নয়, সে মেয়েদের মন জয় করতে পারে না।

    খরচের হাত: কোনো ছেলে কেনাকাটা করার সময় একটি মেয়ে তার দিকে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করে, তার টাকা খরচের হাত কেমন। বুঝেশুনে খরচ করা ছেলের বিবেচনাবোধ বেশি, এমন ধারণা থাকে মেয়েদের।

    আচার-ব্যবহার: আশেপাশের মানুষদের সঙ্গে কোনো ছেলের আচার-ব্যবহার লক্ষ্য করে মেয়েরা তার মানসিকতা বোঝার চেষ্টা করে।

    রসবোধ: প্রাণ খুলে হাসা, আবার কথায় কথায় হাসা, তার রসবোধের পরিচয়। কোনো ছেলের হাসির আধিক্য দেখে মেয়েরা তার সম্পর্কে এমন ধারণা নিতে চায়।

    সৌজন্যবোধ: মেয়েদেরকে ‘লেডিস ফার্স্ট’ বলে এগিয়ে দেওয়া কিংবা বাসে বয়স্ক মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে নিজের সিট ছেড়ে দেওয়া ছেলের প্রতি আলাদা আকর্ষণ থাকে মেয়েদের। মেয়েরা দেখে নিতে চায়, ছেলেটির সৌজন্যবোধ রয়েছে কিনা।

  • যে কারনে ইঞ্জিনিয়ারকে বিয়ে করা উচিৎ!

    যে কারনে ইঞ্জিনিয়ারকে বিয়ে করা উচিৎ!

    মানুষের জীবনে বিয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়, যার প্রভাবে আমাদের জীবন অনেকটাই বদলে যায়। আর এই বিয়ে নিয়ে মেয়েদের চিন্তার শেষ নেই। কাকে বিয়ে করবেন, কীভাবে সংসার সাজাবেন এ নিয়ে চলে নানা হিসাব-নিকাশ। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার না ডাক্তার ছেলে মেয়েদের পছন্দ এ নিয়ে রয়েছে অনেক বিতর্ক।. তবে ইঞ্জিনিয়ার বিয়ে করলে কী কী সুবিধা পাওয়া যেতে পারে এনিয়ে একটি লেখা আজ পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো- > ইঞ্জিনিয়াররা কমপ্রোমাইজে অভ্যস্ত। কাল ক্লাস টেস্ট? ওকে! কুইজ আছে? বিশাল ল্যাব রিপোর্ট? নো প্রবলেম! তাই বিয়ের পর আপনি যদি বলেন, আজকে আমার মামাতো বোনের শ্বশুড়ের ভাগ্নের বড় ভাইয়ের প্রতিবেশির ছেলের সুন্নতে খৎনার দাওয়াত; এরা সানন্দে মেনে নিবে এবং শত ক্লান্ত হলেও আপনার সাথে বের হবে।

    ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে ঝগড়া করে আপনি অপার শান্তি লাভ করবেন। এরা প্রতি উত্তর দিবে না। কারণ এক কান দিয়ে লেকচার ঢুকিয়ে অন্য কান দিয়ে বের করতে এরা বিশেষভাবে পারদর্শী।
    সর্বোপরি, ইঞ্জিনিয়াররা সর্বংসহা। যতোই প্যারা দেন, এরা নিতে পারে। ১৬০-৭০ ক্রেডিটের নরক যন্ত্রণা সহ্য করে বলে এরা সবই হাসিমুখে সহ্য করতে পারবে।
    ইঞ্জিনিয়াররা কখনোই আপনার রান্নার খুঁত ধরবে না। সাধারণত তারা হল এবং ক্যাফেটেরিয়ার সুস্বাদু (!) খাবার খেয়েই অভ্যস্ত। আপনার হাতের রান্না যে খেতে পাচ্ছে এটাই তাদের জন্য অনেক!
    স্বভাবতই এরা কঠিন হিসাবের মানুষ। কয়টা ক্লাস মিস দিলে অ্যাটেন্ডেন্স 60% এর উপরে থাকবে থেকে শুরু করে ফেইল ঠেকাতে আর কত মার্কসের প্রয়োজন, এমন জটিল জটিল হিসাব কষে তারা দিন পার করে। তাই মাসিক ইনকাম যাই হোক না কেন, সংসার চালাতে আপনার কোনো সমস্যা হবে না!
    এরা কিঞ্চিৎ স্নেহের কাঙাল। সারাজীবন স্যারদের কাছ থেকে ‘অপদার্থ, গাধা -গরু -ছাগল, কিচ্ছু পারো না, সব থেকে বেয়াদব ব্যাচ…’ শুনে অভ্যস্ত। তাই দুয়েকটি ভালোবাসার কথা শুনলেই এদের অবস্থা প্রভুভক্তের মতো হয়ে যায়!

  • মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ সুন্দরীদের ফাইনাল রাউন্ড শুরু

    মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ সুন্দরীদের ফাইনাল রাউন্ড শুরু

    কে হবেন এবারের মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ? তাকে দেখার অপেক্ষায় সারাদেশ। অপেক্ষার প্রহর শেষ হবে কিছুক্ষণের মধ্যেই। জমকালো আয়োজনে রোববার সন্ধ্যায় পর্দা উঠলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৮ প্রতিযোগিতার।

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নারী জাগরণী গানে। ‘জাগো জাগো’ শিরোনামে গানটির মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান। রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের ৩ নম্বর হলের মঞ্চে এ গানের সঙ্গে নাচে অংশ নাচ পরিবেশন করেন গেল বছরের মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার চার সুন্দরী মিফতা, প্রিয়াংকা, মেহবুবা অনী ও সঞ্চিতা।

    চারজনই সেরাদশের তালিকায় ছিলেন। ইভান সোহাগের কোরিওগ্রাফিতে আজ রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সুন্দরী বাছাইয়ের মঞ্চে নাচ নিয়ে হাজির হন তারা।

    miss-world2

    এবারের আসরে মূল বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শুভ্রদেব, মডেল ও অভিনেত্রী তারিন, মডেল ও অভিনেতা খালেদ সুজন, মডেল ইমি, ব্যারিস্টার ফারাবী। গ্রান্ড ফাইনালের আইকন বিচারক হিসেবে থাকছেন মাইলস ব্যান্ডের শাফিন আহমেদ, হামিন আহমেদস এবং আনিসুল ইসলাম হিরু। তারাই ঘোষণা করবেন বিজয়ীর নাম।

    এবারের মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রেজেন্ট করছে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড। পাওয়ারড বাই স্পন্সর প্রেমস কালেকশন এবং কো পাওয়ার্ড বাই স্টেপ ফুটওয়্যার। ব্রডকাস্টিং পার্টনার এটিএন বাংলা, টিভি নিউজ পার্টনার একাত্তর টিভি, অনলাইন নিউজ পার্টনার,রয়্যাল প্যারাডাইস হোটেল।

    ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার রাজদর্শন হল থেকে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সমপ্রচার করছে এটিএন বাংলা। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনার দায়িত্বে আছেন ডিজে সনিকা ও আরজে নীরব।

    প্রসঙ্গত, ফাইনালে চূড়ান্ত বিজয়ী ৭ ডিসেম্বর চীনে মূল পর্বে যোগদানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

  • ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাকারবার্গসহ ফেসবুকের কর্মীরাও হ্যাকিংয়ের শিকার

    ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাকারবার্গসহ ফেসবুকের কর্মীরাও হ্যাকিংয়ের শিকার

    ফেসবুকের খুব বাজে সময় যাচ্ছে। আবার নয় কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য বেহাত হয়ে যাওয়ার ঘটনাকে ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেছেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ।

    এর আগে গত আগস্ট মাসেই কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারিতে সমালোচনার মুখে পড়েছিল ফেসবুক। এবারের ঘটনায় ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গসহ প্রতিষ্ঠানটির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা শেরিল স্যান্ডবার্গের অ্যাকাউন্টও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ফেসবুকের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন।

    গত শুক্রবার ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, হ্যাকাররা ডিজিটাল টোকেন চুরি করে নিয়েছে। যার মাধ্যমে পাঁচ কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য বেহাত হয়েছে, যা ফেসবুকের সবচেয়ে বাজে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা। প্রতি মাসে প্রায় ২২০ কোটি ব্যবহারকারী ফেসবুক ব্যবহার করেন। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, অ্যাকাউন্টের কোনো তথ্য অপব্যবহার করেছে, নাকি ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করেছে, তা এখনো ঠিক করতে পারেনি তারা।

    এখনো আক্রমণকারী সম্পর্কে বা কোন দেশের ব্যবহারকারী বেশি আক্রান্ত হয়েছে, সে তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে ফেসবুকের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এটি বড় ধরনের আক্রমণ। এ বছরের শুরুতে ৮ কোটি ৭০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফেসবুক থেকে হাতিয়ে তা রাজনৈতিক কাজে লাগানোর অভিযোগ ওঠে যুক্তরাজ্যের নির্বাচনী পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কেমব্রিজ অ্যানালিটিকার বিরুদ্ধে। বিশ্বজুড়ে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় ফেসবুককে। বিশ্বজুড়ে হ্যাশট্যাগ ডিলিট ফেসবুক প্রচার শুরু হয় ওই সময় থেকেই। ফেসবুকের যে নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত করা গেছে, তাতে পাঁচ কোটি ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ক্ষমতা হ্যাকারের হাতে ছিল।

    ফেসবুকের এ নিরাপত্তা ত্রুটি ২০১৭ সালের জুলাই মাস থেকে ছিল। কিন্তু গত মঙ্গলবার তা ধরা পড়ে। ফেসবুকের ভিউ অ্যাজ ফিচারটির ব্যবহার হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় অসংগতি ধরতে পারেন ফেসবুকের কর্মকর্তারা। ভিউ অ্যাজ ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি সেটিংস যাচাই করার সুবিধা দেয়, যার মাধ্যমে প্রোফাইল অন্যদের কাছে কেমন দেখাবে তার নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন ব্যবহারকারী। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ডার্কট্রেসের পরিচালক জাস্টিন ফিয়ের বলেছেন, ‘এ ঘটনার প্রভাব বিশাল।

    ফেসবুকের নিরাপত্তা বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট গাই রোজেন নিরাপত্তা ত্রুটির বিষয়টিকে জটিল বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি তিনটি বিশেষ সফটওয়্যার ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটেছে বলে মন্তব্য করেন। ফেসবুক বলছে, তারা ত্রুটি শনাক্ত করার পরপর গত বৃহস্পতিবারেই তা বন্ধ করে দেয়। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বিভাগ, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ও কংগ্রেস, আয়ারল্যান্ডের ডেটা প্রোটেকশন কমিশনকে বিষয়টি অবহিত করে। আয়ারল্যান্ডে ফেসবুকের ইউরোপীয় অঞ্চলের সদর সপ্তর অবস্থিত।

    আইরিশ কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ হ্যাকের ধরন ও ব্যবহারকারী ঝুঁকি সম্পর্কে পরিষ্কার জানাতে পারেনি। পাঁচ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর ডিজিটাল কি রিসেট করেছে তারা? এর বাইরে ভিউ অ্যাজ ফিচারটিও বন্ধ করে দিয়েছে। এর বাইরে আরও চার কোটি ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করছে ফেসবুক। ফেসবুক বলছে, নয় কোটি ব্যবহারকারীকে আবার ফেসবুকে নতুন করে লগইন করতে হবে।

    এ ছাড়া ফেসবুক দিয়ে লগইন করা হয় এমন অ্যাপেও নতুন করে লগইন করা প্রয়োজন হবে। শুক্রবার এ ঘটনায় ফেসবুকের বিরুদ্ধে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালতে মামলা করেছেন দুই ফেসবুক ব্যবহারকারী। প্রায় ছয় হাজার ব্যবহারকারী জাকারবার্গের ফেসবুক পেজে এ–সংক্রান্ত অভিযোগ করেছে।

  • আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে! বুঝবেন কীভাবে?

    আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে! বুঝবেন কীভাবে?

    শুক্রবার রাতে হ্যাক হয়েছে পাঁচ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য। রীতিমত প্রশ্নের মুখে পড়ে ফেসবুকের নিরাপত্তা। ফেসবুক এখন প্রায় প্রত্যেকের মোবাইলে। তাই, আপনিও হ্যাকের কবলে পড়ে থাকতেই পারেন।

    আর এটি একটি বিশাল মাপের হ্যাকিং হয়েছে, যার ফলে ফেসবুকে দেওয়া সব তথ্য কেউ হাতিয়ে নিয়ে থাকতে পারে। সে ছবি হোক, বা চ্যাটবক্সের কথোপকথন। সবটাই হ্যাকারদের হাতে চলে গেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। কিন্তু, কীভাবে জানবেন, আপনার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে কিনা কীভাবে বুঝবেন?

    ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আপনার অ্যাকাউন্ট যদি হ্যাক হয়ে থাকে, তাহলে সেটা আপনাকে নোটিফিকেশন দিয়ে জানানো হবে। নিউজ ফিডের উপরের দিকেই আসবে সেই নোটিফিকেশন।

    তারা জানিয়েছে, বিষয়টি সামনে এসেছে গত মঙ্গলবার। বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে ফেসবুকের পক্ষ থেকে এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। দ্রুত সমস্যা সমাধানের জন্য তদন্তও শুরু করা হয়।

    ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানা গেছে, ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টের view as অপশন থেকেই হ্যাকাররা তথ্য চুরি করেছে। একই ভাবে ওই অপশন থেকে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের অপব্যবহারও করা হয়েছে।

    ফেসবুকের নিরাপত্তা বিষয়ক প্রধান গে রসন জানিয়েছেন, অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যা হয়েছে তার জন্য তারা ক্ষমা প্রার্থী। এই পরিস্থিতিতে ব্যবহারকারীদের প্রতি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের পরামর্শ, ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি লগ আউট করে ফের লগ ইন করা উচিত।

    এর আগেও ফেসবুকের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরি হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তার পর ফের একই ঘটনা ঘটল। এবার কীভাবে এতো অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গেল সেই প্রশ্নই উঠছে।

    পরবর্তীকালে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে কিনা, তা জানার জন্য একটি অপশন আপনি অ্যাকটিভ করে রাখতে পারেন। তাহলে সহজেই বুঝতে পারবেন আপনার অ্যাকাউন্ট কেউ হ্যাক করার চেষ্টা করছে কিনা। তার জন্য কী করতে হবে?

    Step 1: Go to Account Settings and Enable Notifications

    ফেসবুকে লগ ইন করে ডানদিকের উপরের কোনে ‘Account’ বলে একটি অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করে একটি মেনু খুলে যাবে। সেখানে ‘Account Settings’ অপশনে ক্লিক করুন। এরপর একটি পেজ খুলে যাবে সেখানে ‘Name,’ ‘Password,’ ‘Linked Accounts’-এর মত অপশন থাকবে। এরপর ‘change’ অপশনে ক্লিক করুন। সেখানে দুটি অপশন দেখাবে। ‘Yes’ বাটনটা অ্যাকটিভ করুন।

    Step 2: Log In and Register Your Computer

    এরপর আপনাকে একবার ফেসবুক লগ আউট করে আবার লগ ইন করতে হবে। লগ ইন করলে দেখাবে ‘Register this computer.’ সেখানে এমন কিছু একটা নাম দিন যেটা আপনি মনে রাখতে পারবেন। এরপর আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হবে যে অন্য মেশিন থেকে লগ ইন করা হলে আপনি নোটিফিকেশন চান কিনা। সেখানে ‘Yes’ অপশনটি অ্যাকটিভ করুন।

    এরপর থেকে আপনি জানতে পারবেন যে আপনার অ্যাকাউন্ট কেউ হ্যাক করেছে কিনা।

  • সেবা চালু করলো ঢাকার বাইরে তিন শহরে উবার

    সেবা চালু করলো ঢাকার বাইরে তিন শহরে উবার

    আন্তর্জাতিক কার ও বাইকে যাত্রী সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান উবার এতদিন শুধু ঢাকা মহানগরীতে চালু ছিল। তবে গ্রাহক চাহিদা থাকার কারণে প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরে সেবা সম্প্রসারণ করলো প্রতিষ্ঠানটি।

    রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ব্যবসার কারণে, ফ্যাক্টরি ভিজিটে, বন্ধুদের সাথে ঘুরতে অথবা গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে শহরের বাইরে (নারায়ণগঞ্জ, সাভার বা গাজীপুর) যেতে প্রয়োজন হলে ব্যবহার করতে পারেন উবার ইন্টারসিটি।

    এখন থেকে অ্যাপের একটি বাটন প্রেস করে পরিকল্পনা করে ফেলুন গাজীপুর, সাভার বা নারায়ণগঞ্জের কোন কোন দর্শনীয় স্থান ঘুরে আসতে পারেন।

    এখন ইন্টারসিটি রাইড শেয়ারিং সার্ভিসের মাধ্যমে যাত্রীরা উবারের সেরা মানের সার্ভিসটি ব্যবহার করতে পারবেন ১০ ঘন্টা পর্যন্ত।

    এই সময়ের মধ্যে ফ্যাক্টরির কোনো কাজ বা ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্কের মতো দর্শনীয় স্থান অনায়াসে ঘুরে আসা সম্ভব।

    সেবার স্থান সম্পর্কে উবার জানিয়েছে, এই সার্ভিসটি শুধুমাত্র ঢাকা থেকে ব্যবহার করা যাবে এবং যাওয়া যাবে গাজীপুর, সাভার এবং নারায়ণগঞ্জ শহরে।

    যেভাবে কাজ করে উবারইন্টারসিটি

    ক) উবার অ্যাপ খুলে আপনার পছন্দমতো গন্তব্যস্থল (সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ভাওয়াল ইত্যাদি) সেট করুন।

    খ) অ্যাপে ভেসে উঠবে উবার ইন্টারসিটি অপশন

    গ) বুকিং কনফার্ম করলেই উবারের গাড়ি চলে আসবে

    ঘ) অ্যাপ আপনাকে যাত্রার সম্ভাব্য ভাড়া জানাবে। মূল ভাড়া নির্ধারিত হবে ট্রিপের ভ্রমণ দূরত্ব ও সময় অনুযায়ী।

    ঙ) ওয়ান ওয়ে ট্রিপের ক্ষেত্রে যদি ট্রিপটি ঢাকার সার্ভিস এরিয়ার বাইরে শেষ হয় তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিরতি ভাড়া যোগ হয়ে যাবে। ফিরতি ভাড়া সাভার অথবা গাজীপুরে ভ্রমণকৃত দূরত্ব অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।

    চ) রাউন্ড ট্রিপের ক্ষেত্রে পুরো ট্রিপের দূরত্ব এবং অতিবাহিত সময় অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারিত হবে।

    ভাড়া পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, উবার ইন্টারসিটির সর্বনিম্ন ভাড়া ৪৯৯ টাকা। প্রতি মিনিট চার্জ ৩ টাকা। প্রতি কিমি চার্জ ২২ টাকা এবং ক্যান্সেলেসন ফি ৫০ টাকা।

  • শাওমির পোকো এফ-১ স্মার্টফোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    শাওমির পোকো এফ-১ স্মার্টফোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    নানা জল্পনা কল্পনার পর বাজারে আসা শাওমির নতুন ফোন পোকো এফ-১ এর বিরুদ্ধে বেশ গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। দাম কম হলেও এ ফ্ল্যাগশিপ ফোনটি যারা বেশি মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করেন তাদের হতাশ করতে পারে। কেননা এ ফোনে ওয়াইড ভাইন এল১ ডিআরএম (Widevine L1 DRM নেই)।

    এ কারণে এইচডি ভিডিও স্ট্রিমিং এ সমস্যা দেখা দিচ্ছে ফোনটি। ফলে এ বাজেট ফ্ল্যাগশিপে নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন বা গুগল প্লে থেকে এইচডি স্ট্রিম করা যাচ্ছে না।

    জানা গেছে, ৮ জিবি র‌্যাম ও স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপসেটের এ ফোনে রয়েছে ওয়াইড ভাইন এল৩ যা শুধু স্ট্যান্ডার্ড ডেফিনেশন (SD) স্ট্রিম করতে সক্ষম। ওয়াইড ভাইন এল১, এল২, এল৩ এর মধ্যে সবচেয়ে পুরোনো টেকনোলজি ওয়াইড ভাইন এল৩ ব্যবহার হয়েছে এ ফোনে।

    আর এ খবর যাচাই করে দেখেছে ভারতীয় প্রযুক্তি সাইট গ্যাজেট ৩৬০। যে সব ফোনে ওয়াইড ভাইন এল১ থাকে সেই ফোনে নেটফ্লিক্সের সব ভিডিওর উপরে এইচডি আইকন দেখা যায়। পোকো এফ-১ ফোনে কোনো নেটফ্লিক্স ভিডিও এইচডিতে দেখা সম্ভব হয়নি।

    শাওমির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।