Category: লাইফস্টাইল

  • হ্যাপি রোজ ডে: কোন গোলাপ কিসের প্রতীক

    হ্যাপি রোজ ডে: কোন গোলাপ কিসের প্রতীক

    শুরু হয়ে গেল ভ্যালেন্টাইনস উইক। প্রেমের সপ্তাহ। আর প্রেম তো শুরু হয় নিবেদন দিয়ে। তাই ৭ ফেব্রুয়ারি রোজ ডে দিয়েই শুরু হয় ভালবাসা সপ্তাহ।

    ভালবাসার ভাষা বুঝতে ও বোঝাতে পারে গোলাপ। তাই উপহার হিসেবে গোলাপের চাহিদা সবার উপরে। লাল, হলুদ, সাদা, গোলাপি বিভিন্ন রঙের সঙ্গেই বদলে যায় গোলাপের ভাষা, আবেদন। জেনে নিন কোন রঙের গোলাপ কীসের প্রতীক।

    লাল গোলাপ: প্রেমের কবিতা, গল্পে বার বার ঘুরে ফিরে এসেছে রক্ত গোলাপের কথা। সৌন্দর্য, ভালবাসার প্রতীক লাল গোলাপ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রেমের ধরণ বদলে গেলেও প্রেম নিবেদনের ভাষা হিসেবে লাল গোলাপের আবেদন চিরন্তন।

    গোলাপি গোলাপ: শুধু লাল গোলাপ নয়, মনের ভাষা বোঝাতে পারে গোলাপি গোলাপও। ভালবাসা, কৃতজ্ঞতা, স্বীকৃতির প্রতীক গোলাপি গোলাপ। প্রিয় বন্ধু, নির্ভরযোগ্য সঙ্গীকে থ্যাঙ্ক ইউ বলতে পারেন গোলাপি গোলাপ দিয়ে।

    সাদা গোলাপ: সাদা ফুল আমরা সাধারণত শোকজ্ঞাপনে ব্যবহার করলেও সাদা গোলাপের গুরুত্ব অনেক গভীর। বিয়ের সময় কনের হাতে দেওয়া হয় একগুচ্ছ সাদা গোলাপ। কেন জানেন? এই ফুল নতুন জীবন শুরুর প্রতীক। আধ্যাত্মিকতারও প্রতীক সাদা গোলাপ। মৃতহেদ, কবরের উপর সাদা গোলাপ রাখার অর্থ তাঁকে মিস করা। তবে শুধু মৃত ব্যক্তিকে নয়, কাউকে মিস করলে আপনি তাঁকেও সাদা গোলাপ পাঠিয়ে জানাতে পারেন মনের ভাষা।

    কমলা গোলাপ: প্যাশন বোঝাতে আমরা লাল রং ব্যবহার করে থাকি। তবে আসলে কিন্তু কমলা গোলাপ আবেগ, উৎসাহ, উদ্দীপনার প্রতীক। সহযোদ্ধাকে উদ্বুদ্ধ করতে ব্যবহার করা হয় কমলা গোলাপ। কমলা গোলাপ উপহার দিয়ে বোঝাতে পারেন, আপনি পাশে আছেন।

    হলুদ গোলাপ: জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পর্কের প্রতীক হলুদ গোলাপ। ঠিক ধরেছেন। হলুদ গোলাপ বন্ধুত্বের প্রতীক। আনন্দ, সুস্বাস্থ্য বোঝাতেও হলুদ গোলাপ ব্যবহার করা হয়। আপনার জীবনে তার মূল্য বোঝাতে প্রিয়বন্ধুকে দিতে পারেন একগুচ্ছ হলুদ গোলাপ।

    পার্পল গোলাপ: পার্পল রং র‌য়্যালিটির প্রতীক। পার্পল গোলাপের ভাষা তাই ম্যাজেস্টি। রানিকে সম্মান জানাতে দেয়া হয় পার্পল গোলাপ।

    পিচ গোলাপ: এই রঙের গোলাপ আরোগ্যের প্রতীক। সততা, আন্তরিকতা, সহমর্মিতা বোঝাতে উপহার দিন পিচ গোলাপ।

  • প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার ফেইসবুক ব্যবহারকারী মারা যাচ্ছে

    প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার ফেইসবুক ব্যবহারকারী মারা যাচ্ছে

    বর্তমান বিশ্বে যে সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে ফেইসবুক অন্যতম। এর ব্যবহারকারীর সংখ্যাও বেশি। তবে প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার ফেইসবুক ব্যবহারকারী মারা যাচ্ছে। এর ফলে বিশ্বের বৃহত্তম ভার্চুয়াল কবরস্থানে পরিণত হবে ফেসবুক।

    ধারণা করা হচ্ছে এই শতাব্দির পর ফেসবুকের জীবিত ব্যবহারকারীর চেয়ে মৃত মানুষের প্রোফাইল থাকবে বেশি। ফেসবুক ছাড়াও ১৫০ কোটি মানুষ হোয়াটসঅ্যাপ, ১০০ কোটি ইনস্টাগ্রাম, ৩৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষ টুইটার ব্যবহার করছেন।

    ডিজিটাল এসব প্ল্যাটফর্মে অনেক সময় ব্যয় করছেন ব্যবহারকারীরা। ব্যবহারকারী মারা গেলেও জীবিত থেকে যায় তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইলটি।

    তবে এখন প্রশ্ন হচ্ছে মৃত ব্যক্তির ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও এবং তার শেয়ার করা বিশেষ মুহূর্তের ছবিগুলো কিভাবে পরিবারের অন্য সদস্যের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়?

    এ ব্যাপারে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ পাভেন ডাগেল বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত ইমেইল আইডি, সামাজিক এ্যাকাউন্টস রেখে মারা যাবেন, তখন ওই মৃত ব্যক্তির অন্য কোনো উত্তরাধিকারী চাইলে তার ওই এ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারবেন।

    এদিকে ফেইসবুক তার ব্যবহারকারীদের যে কোনো একজন উত্তরাধিকারীকে পছন্দ করতে বলা হয়, যেন মৃত্যুর পর তার ওই অ্যাকাউন্টে পছন্দকারী ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারে।

  • না আসতে পারলেও মনটা বইমেলাতেই পড়ে থাকে: প্রধানমন্ত্রী

    না আসতে পারলেও মনটা বইমেলাতেই পড়ে থাকে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নিরাপত্তাজনিত কারণ ও দর্শনার্থীর অসুবিধার জন্য না আসতে পারলেও মনটা বইমেলাতেই পড়ে থাকে। অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০১৯ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

    মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে বাঙালি জাতিসত্তা ও বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষের প্রতীক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমির আয়োজনে শুক্রবার বিকেল ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রন্থমেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৬ বারের মতো বইমেলার উদ্বোধন করে রেকর্ড গড়েন তিনি।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

    অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা ভাষার প্রখ্যাত কবি শঙ্খ ঘোষ এবং মিশরের লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক মোহসেন আল-আরিশি। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

    প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ‘বইমেলা হচ্ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব। এ আয়োজন বাঙালি জাতিসত্তা দাঁড় করাতে বিশেষ সহায়ক হিসেবে কাজ করে। যখন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলাম না, তখন নিয়মিত বইমেলায় এসেছি। এখন মেলায় আসলে দর্শনার্থীদের সমস্যা হয়। নিরাপত্তার কারণে চলাচল বিঘ্ন হয়। এ কারণে আসতে পারি না। তবে মনটা বইমেলাতেই পড়ে থাকে।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাঙালি ভাষা-সংস্কৃতি এবং বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে। অনলাইনে বই পাওয়া যায়। অনেকে মোবাইলে এবং বিভিন্ন ডিভাইসে বই পড়েন। কিন্তু বইয়ের পাতা উল্টে উল্টে পড়ায় যে আনন্দ সে আনন্দ অনলাইনে কিংবা ডিভাইসে পাওয়া যায় না। তারপরও অনলাইনে বই রাখতে হবে। কারণ এ পদ্ধতিতে যেকোন লেখা দ্রুত বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। সারাবিশ্বে পৌঁছানো যায়।

    তিনি বলেন, ৫২ এর ভাষা আন্দেলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আমাদের স্বাধিকার আন্দোলন। এ মেলা এবং এ আন্দোলনের ইতিহাস আমাদের ধরে রাখতে হবে। তাহলে পরবর্তী প্রজন্ম প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবে।

    প্রধানমন্ত্রী ঠিক ৩টায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। এরপর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কাযর্ক্রম শুরু হয়। সূচনা সঙ্গীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ পরিবেশন করা হয়। পরে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

    এবারের বইমেলায় ৫২৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এছাড়া ১৮০টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এবার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৪টি প্রতিষ্ঠানের ১৫০টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৯৫টি প্রতিষ্ঠানের ৬২০টি ইউনিটসহ মোট ৪৯৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭০টি ইউনিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

    এছাড়া বাংলা একাডেমিসহ ২৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ২৪টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে ১৮০টি লিটলম্যাগকে ১৫৫টি স্টল দেয়া হয়েছে। ২৫টি স্টলে দুটি করে লিটল ম্যাগাজিনকে স্থান দেয়া হয়েছে। স্টল পেয়েছে অন্য ১৩০টি প্রতিষ্ঠান।

    প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত গ্রন্থমেলা উন্মুক্ত থাকবে। ছুটির দিনে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে মেলা। ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলবে গ্রন্থমেলা।

  • এক মাসে দু’বার বাড়ল স্বর্ণের দাম

    এক মাসে দু’বার বাড়ল স্বর্ণের দাম

    দেশের বাজারে মাসের ব্যবধানে আবারও বাড়ছে স্বর্ণের দাম। প্রতি ভরি স্বর্ণে সর্বোচ্চ এক হাজার ১৬৬ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

    সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) থেকে স্বর্ণের নতুন এ দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

    এর আগে গত ২ জানুয়ারি প্রতি ভরি স্বর্ণে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছিল বাজুস।

    আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারেও বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়াল।

    তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারেও সোনা রুপার দাম ওঠা-নামা করে। এ জন্য মঙ্গলবার থেকে বাড়তি দামে স্বর্ণ বিক্রি হবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ দাম বলবত থাকবে।’

    নতুন দাম অনুযায়ী ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতিভরিতে বেড়েছে ১ হাজার ৬৬৬ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ও রুপার দাম।

    বাজুস জানায়, নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার ১৫৫ টাকা। ২১ ক্যারেট ৪৭ হাজার ৮২২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪২ হাজার ৮০৭ টাকা। আর প্রতি ভরি সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ অপরিবর্তীত রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ হাজার ৫৮৫ টাকা। প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট রুপা (ক্যাডমিয়াম) দাম এক হাজার ৫০ টাকা।

    সারাদেশের স্বর্ণের দোকানগুলোতে সোমবার (২৮ জানুয়ারি) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৪৮ হাজার ৯৮৮ টাকায়, ২১ ক্যারেট ৪৬ হাজার ৬৫৬ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ৪১ হাজার ৬৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি ভরি সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২৭ হাজার ৫৮৫ টাকায়। এ ছাড়া প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট রুপা (ক্যাডমিয়াম) এক হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

  • ১৮৯৫ সালের সঙ্গে মিলে গেলো ২০১৯-এর ক্যালেন্ডার

    ১৮৯৫ সালের সঙ্গে মিলে গেলো ২০১৯-এর ক্যালেন্ডার

    ‘ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি’ কথাটি আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। এবার সত্যিকার অর্থেই সেটা দেখা গেলো। ২০১৯ সালের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে গেলো ১৮৯৫ সালের ক্যালেন্ডার। আর এতেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি কথাটি যেন আরও বাস্তব হয়ে ধরা দিলো।

    ইতোমধ্যে ক্যালেন্ডারের এই সাদৃশ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই দুটি ক্যালেন্ডারের ছবি একসঙ্গে দিয়ে নানা ধরনের ছবি পোস্ট করছেন।ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সেখানে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ১৮৯৫ সালের ক্যালেন্ডার ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে দেখা যায়, ২০১৯ সালের ক্যালেন্ডার এবং ১৮৯৫ সালের ক্যালেন্ডার সম্পূর্ণ একই রকম।

    আনন্দবাজারের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ১২৩ বছরে ১৩ বার বার্ষিক ক্যালেন্ডার আগের কোনও এক সালের সঙ্গে মিলে যেতে দেখা গেছে। নির্দিষ্ট একটি সময় পর পর এমনটি হয়।দুটি ক্যালেন্ডার বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ১৮৯৫ সাল এবং ২০১৯ সাল মঙ্গলবারে শুরু হয়।

    জানুয়ারি মাস শেষ হয় বৃহস্পতিবারে। একইভাবে দুটি বছরই শেষ হয় মঙ্গলবারে।

  • বাঁধাকপি খেলে কী হয়?

    বাঁধাকপি খেলে কী হয়?

    বাঁধাকপি শীতকালীন সবজি। যদিও বছরের অন্যান্য সময়েও এর দেখা পাওয়া যায়। বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল। তাই শুধু সবজি হিসেবে নয়, সালাদ হিসেবে প্রচুর পরিমাণে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

    কাঁচা বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। তাই বাঁধাকপির পাতা কুচি করে কেটে সালাদ হিসেবে খেতে পারেন। কিন্তু বেশি সেদ্ধ হলে বেশিরভাগ উপাদান নষ্ট হয়ে যায়।

    বাঁধাকপির সবুজ পাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই ও পটাশিয়াম রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, ফাইবার, ফোলেট এবং থিয়ামিন।

    এন্স মিথাইলমিথিওনিন নামের এক ধরনের কেমিক্যাল বিদ্যমান থাকায় আলসারের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

    বাঁধাকপি হরমোনজনিত ক্যান্সার বিশেষ করে মেয়েদের ওভারিতে ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

    এছাড়া বাজারে লাল বাঁধাকপি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এটি অবশ্য সবুজ বাঁধাকপির মতো নরম হয় না। তবে সালাদ হিসেবে খেতে পারেন।

    Badhakopi

    বাজারে লাল বাঁধাকপিও প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এ লাল বাঁধাকপিতে ফাইবার বেশি থাকে। এছাড়া ভিটামিন সিও যথেষ্ট পরিমাণে বিদ্যমান রয়েছে।

    বাঁধাকপি কেটে বেশিক্ষণ ফেলে রাখবেন না। পেপার ব্যাগ বা প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে ফ্রিজে রাখুন।

    ব্রেস্ট ক্যান্সার এবং কোলন ক্যান্সারের জন্য বাঁধাকপি কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

    সবুজ বাঁধাকপির চেয়ে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রনের পরিমাণ লাল বাঁধাকপিতে বেশি থাকে।

    বাঁধাকপির ভেতরের অংশে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি বহন করে। তাই ফেলে না দিয়ে বাঁধাকপির পুরো অংশটাই সালাদ বা রান্নায় ব্যবহার করুন।

  • রাজধানীতে তিন দিনব্যাপী ফুল মেলা

    রাজধানীতে তিন দিনব্যাপী ফুল মেলা

    রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার থেকে তিন দিনব্যাপী ফুল মেলা শুরু হয়েছে। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এ মেলার আয়োজন করেছে। ছবি: সংগ্রহ

    ফুল চাষে সবচেয়ে সফল নারীরা। যশোর থেকে এসে মেলায় অংশ নিয়েছেন তাঁরা। ছবি:সংগ্রহ

    বিয়ের সাজে রয়েছে বর-বধূ। ছবি:সংগ্রহ

    বন্ধুর মাথায় ফুলের রিং সাজিয় দিচ্ছেন। ছবি: সংগ্রহ

    মেলায় ফুলের সঙ্গে মেয়ের ছবি তুলছেন বাবা।

    ফুল মেলায় এসে ফুলের সঙ্গে ছবি না তুললেই নয়।
    দেশি রজনীগন্ধায় বসেছে মৌমাছি। ছবি: সংগ্রহ

    ঝুড়িভর্তি হলুদ গাঁদা ফুল। পছন্দমতো কিনছেন অনেকেই।
  • যে ফলগুলো কখনোই ফ্রিজে রাখবেন না

    যে ফলগুলো কখনোই ফ্রিজে রাখবেন না

    সংরক্ষণের জন্য কিংবা ঠান্ডা ঠান্ডা খাওয়ার জন্য নানারকম ফল ফ্রিজে রাখার অভ্যাস আমাদের। কিন্তু এমনকিছু ফল রয়েছে যা ফ্রিজে রাখলে পুষ্টিগুণ তো মিলবেই না, বরং যেকোনো সময় বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে তা। তাতে খাদ্যে বিষক্রিয়া ঘটে জটিল শারীরিক সমস্যা এমনকি, মৃত্যু পর্যন্তও ঘটতে পারে।

    Fol-2

    পুষ্টিবিদদের মতে, এসব ফল চালের ড্রামে রাখুন। চাইলে পরিষ্কার ঝুড়িতে বা নরম কাপড়ে মুড়ে শুকনো জায়গাতেও রাখতে পারেন। চলুন জেনে নেই কোন ফলগুলো ফ্রিজে রাখা উচিৎ নয়-

    Fol-3

    ফ্রিজে রাখলে শশা শুকিয়ে তো যায়ই, এর পুষ্টিগুণও নষ্ট হয়। কম আলো ও কম ঠান্ডা এমন জায়গায় রাখুন শশা।

    ফ্রিজে রাখলে আপেলের খোসা দ্রুত শুকিয়ে যায়। আপেলের মধ্যে উপস্থিত ট্রিটারপেনয়েড ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। কিন্তু ফ্রিজের তাপমাত্রায় নষ্ট হয় ও আপেলের কোষের পচন ধরায়। তাই তা খেলে বিষক্রিয়া ঘটতে পারে।

    Fol-4

    যেকোনো লেবুতে অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি থাকে। ফ্রিজের তাপমাত্রা অত্যন্ত কম থাকায় লেবুর অ্যাসিডিক গুণ নষ্ট হয়। ফ্রিজের কৃত্রিম ঠান্ডায় কমলালেবুর খোসা ও লেবুর শাঁস শুকিয়ে যায়। অতিরিক্ত ঠান্ডায় সেগুলো খারাপ হয়ে বিষাক্ত হয়ে পড়তে পারে। তাই লেবু কখনো ফ্রিজে রাখবেন না।

    Fol-5

    কলা গরম তাপমাত্রায় ফল হওয়ায় গরমেই এটি ভালো থাকে। ফ্রিজে কলা রাখলে কলার কোষের গঠন নষ্ট হয়ে তা বিষাক্ত হতে পারে।

    Fol-6

    ফ্রিজে রাখলে নাশপাতি নরম হয়ে যায়। পচন ধরেও তাড়াতাড়ি। পুষ্টিগুণ কমে যাওয়ার সঙ্গে এই ধরনের নাশপাতিতে বিষক্রিয়াও হতে পারে।

  • সহজেই তৈরি করুন ভাপা পিঠা

    সহজেই তৈরি করুন ভাপা পিঠা

    শামীম ইসলাম:

    শীতের পিঠা মানেই ভাপা। ধোঁয়া ওঠা গরম গরম ভাপা পিঠা ছাড়া শীত যেন রংহীন। কিন্তু পথের পাশের ভাপা পিঠা তেমন স্বাস্থ্যকর নয়। তাই ঘরেই তৈরি করুন ভাপা পিঠা। রইলো রেসিপি-

    উপকরণ: সেদ্ধ চালের গুঁড়া ২ কাপ, ভেঙে নেওয়া খেজুরের গুড় ১ কাপ, কোরানো নারিকেল ১ কাপ, লবণ প্রয়োজন মতো।

    প্রণালি: চালের গুঁড়ায় লবণ ও হালকা পানি ছিটিয়ে মেখে নিতে হবে। যেন দলা না বাঁধে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এবার চালনিতে ভেজা চালের গুঁড়া চেলে নিন। এতে চালের গুঁড়া ঝুরঝুরে হবে। একটি বড় হাঁড়িতে গরম পানি বসিয়ে মুখ ছিদ্র ঢাকনা বসিয়ে আটা দিয়ে আটকে দিন। যাতে বাষ্প বের হতে না পারে।

    চেলে রাখা চালের গুঁড়া একটি বাটিতে এর অর্ধেক পরিমাণ নিয়ে উপরে গুড় ও নারিকেল দিন। পুনরায় চালের গুঁড়া দিয়ে ঢেকে দিন। এক টুকরা পাতলা সুতির কাপড় দিয়ে বাটিটি ঢেকে দিন। এবার বাটিটি উল্টে চুলায় চাপানো হাঁড়ির ওপর পিঠা রেখে সাবধানে বাটি তুলে ফেলুন। পিঠা কাপড় দিয়ে ঢেকে ঢাকনা দিন। ১০-১৫ মিনিট পর নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

  • তুলতুলে নরম চিতই পিঠা তৈরির রেসিপি

    তুলতুলে নরম চিতই পিঠা তৈরির রেসিপি

    শামীম ইসলাম:

    শহরের অলিগলিতে চিতইপিঠার দোকান দেখতে পাওয়া যায়। সেখানে বেচাকেনাও হয় দেদার। কিন্তু পথের পাশের খাবারে অনাগ্রহ রয়েছে অনেকেরই। চিতই পিঠা তৈরি যত সহজই মনে হোক না কেন, পারফেক্ট রেসিপি জানা না থাকলে পিঠা ঠিকঠাকভাবে হবে না। তাই চলুন জেনে নেই তুলতুলে নরম চিতই পিঠা তৈরির রেসিপি-

    প্রণালি: সব উপকরণ একসাথে ব্লেন্ড করে গোলা বানিয়ে নিন। গোদলা বেশি ঘন অথবা পাতলা হবেনা। ১ঘন্টা রেখে দিন। এরপর মাটির খোলা অথবা লোহার কড়াই চুলায় গরম নিন। কড়াই ভালোভাবে গরম হলে গোল চামচ দিয়ে ১ চামচ গোলা নিয়ে গরম কড়াইতে দিয়ে ঢেকে দিন।