Category: লাইফস্টাইল

  • চিকেন মোমো তৈরির রেসিপি

    চিকেন মোমো তৈরির রেসিপি

    ঝটপট স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরি করতে চাইলে বেছে নিতে পারেন মোমো। মোমো বিদেশি খাবার হলেও আমাদের দেশে এর জনপ্রিয়তা প্রচুর। এই মোমো তৈরি করা যায় বিভিন্ন উপাদান দিয়ে। আজ চলুন জেনে নেয়া যাক চিকেন মোমো তৈরির রেসিপি-

    উপকরণ:
    চিকেন কিমা- ১কাপ
    ময়দা- ১কাপ
    আদা বাটা- ১/৪ চা চামচ
    রসুন বাটা- ১/৪ চা চামচ
    গোল মরিচ গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ
    সয়া সস- ১ চা চামচ
    পেঁয়াজ বাটা- ১/২ চা চামচ
    পানি- ১/৪ কাপ
    তেল- ১ টেবিল চামচ
    লবণ- সাদ মতো

    Momo

    প্রণালি:
    প্রথমে ময়দা তেল আর লবণ দিয়ে ভালো করে মাখতে হবে, ময়ান যত ভালো হবে মোমো তত নরম হবে। এবার প্যানে তেল দিয়ে একটু গরম করে তাতে কিমা আর বাকি সব কিছু একে একে দিয়ে একটু নেড়ে নামাতে হবে। একটি বাটিতে কিমা ঢেলে ঠান্ডা করতে হবে।

    এবার ময়দা মাখাটা দিয়ে লুচির মতো ছোট ছোট লেচি কেটে বেলতে হবে আর তার ভিতর একটু করে কিমার পুর দিয়ে মুখ বন্ধ করতে হবে। এরপর চুলায় স্টিমারে পানি দিয়ে ফুটতে দিতে হবে, পানি ফুটে উঠলে তাতে মোমোগুলো সাজিয়ে ঢাকনা দিয়ে ১০/১২ মিনিট ভাপ দিতে হবে। ভাপ হয়ে গেলে প্লেটে সাজিয়ে গরম গরম সস বা চাটনি দিয়ে পরিবেশন করুন চিকেন মোমো।

  • পেশির ব্যথা নিরাময়ে চার ঘরোয়া উপায়

    পেশির ব্যথা নিরাময়ে চার ঘরোয়া উপায়

    যদি আপনি জিমে কঠোর ব্যায়ামের রুটিন পালন করেন তবে পেশির ব্যথা একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। পেশির ব্যথা মানেই আপনি নিজেকে খুব কঠিন করে তুলছেন অথবা আপনি এমন কিছু করছেন যা এর আগে করেননি।

    ব্যায়াম কিংবা কঠোর খেলাধুলার পর এটি সাধারণত হয়েই থাকে। কিন্তু যদি এটি আপনার প্রতিদিনই হয়ে থাকে তবে এ নিয়ে চিন্তিত হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

    পেশির ব্যথা প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু- উভয়ের ক্ষেত্রে হতে পারে। কয়েক দিন পরই সাধারণত এ ধরনের সমস্যা দূর হয়ে যায়। যদি তা না হয় তবে আপনি কিছু সহজ ঘরোয়া প্রতিকারের চেষ্টা করতে পারেন :

    ইপসম সল্ট
    ইপসোম লবণ ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সমৃদ্ধ এবং পেশির ব্যথা নিরাময়ে একটি প্রাকৃতিক উপাদান। ম্যাগনেসিয়াম টিস্যু থেকে ব্যথা সৃষ্টিকারী তরল বের করে দেয়। এক কাপ ইপসোম লবণ এক গামলা উষ্ণ পানিতে মেশান। এরপর ওই পানিতে ব্যথাযুক্ত পেশি ডুবিয়ে রাখতে হবে যতক্ষণ না পানি ঠাণ্ডা হয়। এটি আপনি সপ্তাহে তিনবার করতে পারেন। পেশির ব্যথায় এটি জাদুর মতো কাজ করবে।

    হৃদরোগের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস রোগীদের এই চেষ্টা করার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।

    আপেল সিডার ভিনেগার
    অ্যাপল সাইডার ভিনেগারও পেশির ব্যথা নিরাময়ে কার্যকরী। কিছুটা স্বাভাবিক পানিতে এক চা চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার মেশান। এটি আপনি পান করতে পারেন আবার আক্রান্ত স্থানে লাগানেও পারেন। প্রদাহবিরোধী এবং অ্যালকালিশিং উপাদান থাকার কারণে আপেল সাইডার ভিনেগার পেশির ব্যথা হ্রাস করতে সাহায্য করে।

    এসেনশিয়াল অয়েল
    কিছু এসেনশিয়াল অয়েলও পেশির ব্যথায় উপকারী। এ জন্য আপনি লেমনগ্রাস, পিপারমিন্ট, মারজোরাম এসেনশিয়াল অয়েল চেষ্টা করতে পারেন। টেনশনের জন্যও মারজোরাম, পিপারমিন্ট, ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল অত্যন্ত উপকারী। দুই-এক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েলের সঙ্গে এক চা চামচ নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে ম্যাসেজ করলে উপকার পাবেন।

    চেরি রস
    চেরি ফলের রসে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা পেশির ব্যথা হ্রাস করতে সাহায্য করে। কঠোর পরিশ্রমের পর এটি আপনি স্মুদিতেও মিশিয়ে নিতে পারেন।

  • সহজেই তৈরি করুন প্যান কেক

    সহজেই তৈরি করুন প্যান কেক

    বিকেলের নাস্তায় একটি মজাদার ও স্বাস্থ্যকর খাবার হতে পারে প্যান কেক। এটি খেতে যতটা সুস্বাদু, তৈরি করতে সময় লাগে ঠিক ততটাই কম। অল্পকিছু উপাদান দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করা যায় এই প্যান কেক। রেসিপি জেনে নিন-

    Pancake

    উপকরণ: ডিম ২টি, ময়দা ১ কাপ, চিনি আধাকাপ, বেকিং পাউডার সামান্য, এলাচ গুঁড়া সামান্য, দুধ আধাকাপ তেল ভাজার জন্য।

    প্রণালি: ডিম ও চিনি ভালো করে ফেটে নিতে হবে। তারপর ময়দা, বেকিং পাউডার, এলাচ গুঁড়া ও দুধ দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। মিশ্রণ বেশি পাতলা বা ঘন কোনোটা যেন না হয়। ফ্রাইপ্যানে সামান্য তেল দিয়ে ১ হাতা করে মিশ্রণ দিয়ে ১ মিনিট ঢেকে দিতে হবে। প্যান কেক একটু উল্টে দিয়ে নাস্তার জন্য পরিবেশন করা যায়।

  • যে কারণে পেঁপের বীজ খাবেন

    যে কারণে পেঁপের বীজ খাবেন

    কাঁচা বা পাকা যেভাবেই খান না কেন, পেঁপে সব সময়ই উপকারী। এটি আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে ও লিভারের গুণাগুণ বাড়াতে সাহায্য করে। পেঁপেতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। তাই প্রতিদিন ডায়েটে পেঁপে রাখলে তা শরীর গঠনের নানা কাজে লাগে।

    পেঁপে খেয়ে পেঁপের বীজ ফেলে দেওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু পেঁপের বীজের উপকারিতা সম্পর্কে জানলে আর ফেলবেন না। পেঁপের বীজে রয়েছে নানা ভিটামিন ও ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়ামের মতো জরুরি কিছু মিনারেল। এটি ফ্ল্যাবনয়েডের অন্যতম উৎস, যা হজমশক্তি বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। জেনে নিন পেঁপের বীজের কিছু গুণ-

    পেঁপের বীজের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে পরিপাক প্রক্রিয়া ভালো থাকে। হজমের সমস্যা থাকলে এই ঘরোয়া উপায়ে তা দূর করতেই পারেন।

    Pepe

    লিভারের সমস্যা, বিশেষ করেফ্যাটি লিভার বা লিভার সিরোসিসে যারা ভুগছেন, তাদের জন্য পাকা পেঁপের দানা খুব উপকারী। শরীরের টক্সিন দূর করতে রোজ এক চামচ করে গুঁড়ো করা পেঁপে বীজ খান।

    উচ্চ রক্তচাপ কমাতেও পেঁপের বীজ অত্যন্ত উপকারী।

    ফসফরাস থাকায় দৃষ্টিশক্তি বাড়াতেও কাজে আসে পেঁপের বীজ।

    পেঁপের বীজ প্রাকৃতিক গর্ভনিরোধক। তাই পরিবার পরিকল্পনা থাকলে একটানা পেঁপের বীজ খাওয়া ঠিক নয়।

  • শিশুকে যেসব খাবার দেবেন না

    শিশুকে যেসব খাবার দেবেন না

    শিশুদের খাবারের তালিকা বড়দের খাবারের তালিকা থেকে অনেকটাই ভিন্ন হয়ে থাকে। কারণ শিশু বয়সটা একজন মানুষের সবদিক থেকে গড়ে ওঠার সময়। শিশুর শরীরে সঠিক পরিমাণ পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। অনেকসময় শিশুর আবদারের কারণে বাইরের খাবার কিনে দেওয়া হয়। যা একেবারেই ঠিক নয়। কিছু খাবার রয়েছে যা কখনোই শিশুকে খেতে দেওয়া উচিত নয়।

    শিশু খাবার কেমন হবে:

    রুটি এবং সবজি, ডাল ভাত, খিচুড়ির মতো খাবারে শরীরের সমস্ত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা সম্ভব। আমাদের সন্তানদের ক্রমবর্ধমান শারীরিক বিকাশ এবং মস্তিষ্কের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে এই খাবারগুলো। এই খাবার খেলে ঘুমও ভালো হয়। অনেকেই সপ্তাহের বেশিরভাগ রাতেই একই ধরণের খাবার দিয়ে থাকেন, শিশুদের কাছে তা একঘেয়ে মনে হয়। তাই শিশুর খাবার তালিকায় বৈচিত্র আনুন। এছাড়া মাঝে মাঝে রান্নায় স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যেমন ঘি, যোগ করতে ভুলবেন না।

    Shishu-2

    যা খেতে দেবেন না:

    প্রতিদিন আপনার শিশুকে নানা রকমের খাবার দেবেন না। বরং একেকদিন একেক রকম খাবার দিন।

    শিশুদের জন্য বাড়িতে রান্না করা পুষ্টিকর খাবারই সবচেয়ে ভালো। আপনার সন্তানদের বাইরের খাবারে অভ্যস্ত করবেন না। এসব খাবারে শিশুর বিকাশের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নেই এবং বাচ্চাদের ঘুমের সমস্যাও হতে পারে।

    নুডলস, পাস্তা এবং হিমায়িত খাবার শিশুদের দেওয়া বন্ধ করুন। এই জাতীয় খাবারে কোনো পুষ্টি হয় না, বরং এসব খাবার অস্বাস্থ্যকর। এসব খাবারে চিনি এবং অন্যান্য সংরক্ষণ জাতীয় উপাদান রয়েছে যা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

    সপ্তাহে একবার আপনার সন্তানের জন্য রাতের খাবারে অন্যরকম কিছু তৈরি করুন। ছুটির দিনে খাবার মেন্যু অন্যরকম হতে পারে।

    মাসে দুইবারের বেশি বাবা মায়েরা শিশুদের বাইরে হোটেলে খেতে নিয়ে যাবেন না। বাইরের খাবারে শিশুদের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয় না।

  • কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে আমলকী ও আমলকীর উপকারীতা

    কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে আমলকী ও আমলকীর উপকারীতা

    আমলকী মানুষ রুচি বৃদ্ধি থেকে শুরু করে নানা কাজে লাগিয়ে থাকে। রূপচর্চা থেকে নানাবিধ কাজে এর ব্যবহার রয়েছে। নিচে আমলকীর কয়েকটি উপকারিতা বা ব্যবহারিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হলো কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস আমলকীর রস কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং পাইলস রোগ থেকে মুক্তি দেয়।

    স্কার্ভি দূরীকরণে : সাধারণত ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি নামক রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধে। এর ফলে দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে, মাড়িতে ঘা হয়, শরীর দুর্বল হয়ে যায়, চামড়ার নিচে রক্তক্ষরণ হয়, চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে যায় এবং হাড়ের মধ্যে পরিবর্তন দেখা দেয়। অথচ প্রতিদিন মাত্র ১-২টি আমলকী খেলে এসব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

  • মায়ের পা ধুয়ে ব্যাতীক্রম ভাবে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস পালন

    মায়ের পা ধুয়ে ব্যাতীক্রম ভাবে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস পালন

    অনলাইন ডেস্ক:

    আজ ‘সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে’ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বিশ্বজড়ে পালিত হচ্ছে এ দিবসটি। এ ভালোবাসা যেমন মা-বাবার প্রতি সন্তানের,তেমনি মানুষে-মানুষে ভালোবাসাবাসির দিনও এটি। শুধু তরুণ-তরুণী শুধু নয়, আজ সব বয়সের মানুষের ভালোবাসা প্রকাশের আনুষ্ঠানিক দিন।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে এ দিবসটি। দিবসটি উপলক্ষে মুঠোফোনের মেসেজ, ই-মেইল, ফেসবুকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনেকে।

    আবার কেউবা চকোলেট, পারফিউম, গ্রিটিংস কার্ড, উপহার, বই ইত্যাদি শৌখিন উপঢৌকন প্রিয়জনকে উপহার দিয়েছেন। টাঙ্গাইলে ভিন্ন আঙ্গিকে পালিত হলো বিশ্ব ভালবাসা দিবস। সবাই মায়েদের পা ধুয়ে পালন করল বিশ্ব ভালোবাসা দিবস।

    আজ সকালে স্থানীয় একটি স্কুলের উদ্যোগে এসপি পার্ককে শতাধিক মায়ের পা ধুয়ে দেন তাদের সন্তানেরা।পরে মায়ের জন্য ভালোবাসা স্লোগান দিয়ে মায়েদের গলায় মেডেল পরিয়ে দেন শিশুরা।

    হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারি স্কুলের চেয়ারম্যান সাংবাদিক নওশাদ রানা সানভীর সঞ্চালনা ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম।

    এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম আহমদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহাদুজ্জামান মিয়া, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম, জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা কাজী গোলাম আহাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশালে বসন্ত বরণ নানা আয়োজনে

    বরিশালে বসন্ত বরণ নানা আয়োজনে

    অনলাইন ডেস্ক:

    পহেলা বসন্ত। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। প্রকৃতি সেঁজেছে অপরূপ সাঁজে। এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বসন্ত বরণ উৎসবের আয়োজন করেছে বরিশালের ঐহিত্যবাহী সরকারী মহিলা কলেজ। বাসন্তি সাঁজে সেঁজে নাচ, গান, আবৃত্তি, র‌্যাম্প মডেলিং ও রম্য সংবাদ পাঠ সহ নানা আয়োজনে বসন্ত বরণ করেছে বরিশাল সরকারী মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

    বুধবার সকাল সাড়ে টায় সরকারী মহিলা কলেজের বকুল আলোকায়ন মঞ্চে বসন্ত উৎসবের উদ্ধোধন করেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল মোতালেব হাওলাদার।

    বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্বজনদের উপস্থিতিতে মঞ্চ মাতিয়ে রাখেন শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে আগতরা বসন্তের রঙে মনটাকে রাঙিয়ে আগামী দিনে পথ চলতে চায়। তারা বাসন্তি রঙে জীবনটাকে রঙ্গিন করতে চায়।

    সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল মোতালেব হাওলাদার জানান, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে করতে এক ঘেয়ে হয়ে যায়। তাদের বিনোদনের জন্য সরকারী মহিলা কলেজে বসন্ত উৎসব আয়োজন একটি ঐহিত্য। মূলত এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মনটাকে রাঙিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। তারা আগামী দিনে পড়াশোনায় আরও মনযোগী হওয়ার পাশাপাশি সু-মানুষ হিসেবে গড়ে উঠেতে পারে সেজন্যই এই আয়োজন করার কথা জানান কলেজ অধ্যক্ষ।

    সরকারী মহিলা কলেজ ছাড়াও বিএম কলেজে ব্যাপক উৎসাহে বসন্ত বরণ অনুষ্ঠিত হয়।

    এছাড়া বিকেলে নগরীর কালীবাড়ি রোডের সারস্বত স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে উদীচী ও বরিশাল নাটক এবং বঙ্গবন্ধু উদ্যানে জেলা শিল্পকলা একাডেমী পৃথক বসন্ত বরণ উৎসবের আয়োজন করে।

  • বরিশালে বই ও বসন্ত মেলার উদ্বোধণ

    বরিশালে বই ও বসন্ত মেলার উদ্বোধণ

    স্টাফ রিপোর্টার//

    ব্যাপক আয়োজনের মধ্যদিয়ে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের উদ্যোগে এবারই সর্বপ্রথম বই ও বসন্তমেলা বুধবার সকালে উদ্বোধণ করা হয়েছে।

    উপজেলা পরিষদ চত্বরে জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধণ করেন।

    সকাল ১০টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে শহীদ সুকান্ত বাবু মিলনায়তনে আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার খালেদা নাছরিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান ফরহাদ মুন্সী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সাহিদা আক্তার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মিজানুর রহমান, গৌরনদী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মাহাবুবুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির হোসেন মিয়া প্রমুখ।

    শেষে অতিথিরা মেলার বিভিন্ন ষ্টল ও ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক পদ্ধতি পরিদর্শণ করেন। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

  • ইলিশের মাথা ভর্তার রেসিপি

    ইলিশের মাথা ভর্তার রেসিপি

    গলায় কাঁটা বিঁধে যাওয়ার ভয়ে ইলিশ মাছের মাথা ও লেজ খেতে চান না অনেকেই। কিন্তু সুস্বাদু এই মাছের কোনো অংশই ফেলনা নয়। ইলিশের মাথা দিয়েই তৈরি করা যায় সুস্বাদু ভর্তা। কী ভাবছেন, কাঁটার ভয়? একদমই নেই! চলুন তবে রেসিপি জেনে নেই-

    উপকরণ:

    রান্না করা ইলিশের মাথা- ১টি,
    পেঁয়াজ কুচি- বড় ১টি,
    শুকনা মরিচ টালা- ৬-৭টি,
    সরিষার তেল- প্রয়োজনমতো,
    লবণ- স্বাদমতো।

    প্রণালি:

    রান্না করা ইলিশের তরকারি থেকে মাথাটা তুলে নিন। চাইলে লেজ অংশটিও নিতে পারেন। এবার ইলিশের মাথা ও লেজের অংশটি প্রেশারকুকারে রেখে এমনভাবে পানি দেবেন যেনো মাথাটির ওপরে এক ইঞ্চি পানি থাকে। পানি কম হলে মাছ পুড়ে যেতে পারে।

    Vorta-2

    এইবার প্রেশার কুকারের ঢাকনাটি লাগিয়ে চুলায় ফুল আঁচে জ্বাল দিন। প্রেশারকুকারের একটি সিটি বাজলেই আঁচ মৃদু থেকে মাঝারি করে আধা ঘন্টা থেকে চল্লিশ মিনিট জ্বাল দিন। চল্লিশ মিনিট পর আঁচ নিভিয়ে দিন। প্রেশারকুকারের ঢাকনা যখন নিজ থেকেই খুলে আসবে,তখন আবার চুলায় বসান ঢাকনা ছাড়াই।

    যদি পানি থাকে, তাহলে পানি শুকিয়ে ফেলুন। পানি একদম শুকিয়ে গেলে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন। মাথা পুরোপুরি ঠান্ডা হলে পেঁয়াজ, শুকনা মরিচ ও সরিষার তেল দিয়ে ভালো করে চটকে ভর্তা করে নিন।

    গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন দারুণ মজার কাঁটা ছাড়া ইলিশের মাথার ভর্তা।