Category: লাইফস্টাইল

  • বরিশালে বিডি ক্লিন এর প্রধান সমন্বয়ক, আরও একবার সচেতন করে গেলেন বরিশাল বাসীকে।

    বরিশালে বিডি ক্লিন এর প্রধান সমন্বয়ক, আরও একবার সচেতন করে গেলেন বরিশাল বাসীকে।

    কাজী সাইফুল:

    বিডি ক্লিন- বরিশাল এর আজকের পরিচ্ছন্নতার ইভেন্ট পরিচালিত হয় ত্রিশ গোডাউন এলাকার বদ্ধভুমিতে।

    আজকের ইভেন্টে যোগদান করতে ঢাকা থেকে ছুটে এসেছিলেন বিডি ক্লিন এর প্রধান সমন্বয়ক ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা জনাব ফরিদ উদ্দিন। তিনি বরিশালের অন্যতম কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিডি ক্লিন, বরিশালের স্বেচ্ছাসেবীদের সাথে নিয়ে ত্রিশ গোডাউন এলাকার বদ্ধভুমিতে ইভেন্ট পরিচালনা করেন।

    তাঁর নেতৃত্বে উক্ত স্থানে পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি ভ্রাম্যমান দোকানি ও ভ্রমন পিপাসু জনগনদের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করা হয়। যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা না ফেলে ডাস্টবিন কিংবা ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়।

    “পরিচ্ছন্নতা শুরু হোক আমার থেকে” এই স্লোগানকে সামনে রেখে আপনিও আসুন বিডি ক্লিন এর সাথে। গড়ে তুলুন পরিচ্ছন্ন বরিশাল। গড়ে তুলুন সোনার বাংলাদেশ। উল্লেখ্য, বিডি ক্লিন, বরিশাল সহ বাংলাদেশের ৪৭ টি জেলায় প্রতি শুক্রবার নিয়মিতভাবে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে জনগণকে সচেতন করে চলেছেন বিডি ক্লিনের একঝাঁক নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক স্বেচ্ছাসেবী যুবকরা।

  • বিশ্বের সবচেয়ে বড় শাপলার বিল বরিশালের সাতলা থেকে ঘুরে আসুন।

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় শাপলার বিল বরিশালের সাতলা থেকে ঘুরে আসুন।

    কাজী সাইফুল:
    লাল আর সবুজের মাখামাখি দূর থেকেই চোখে পড়বে। কাছে গেলে ধীরে ধীরে সবুজের পটভূমিতে লালের অস্তিত্ব আরো গাঢ় হয়ে ধরা দেবে। চোখ জুড়িয়ে দেবে জাতীয় ফুল শাপলার বাহারি সৌন্দর্য। আগাছা আর লতাগুল্মে ভরা বিলের পানিতে ফুটে আছে হাজার হাজার লাল শাপলা।
    সূর্যের সোনালি আভা শাপলা পাতার ফাঁকে ফাঁকে পানিতে প্রতিফলিত হয়ে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে বিলের সৌন্দর্য। নৌকা কিংবা হাঁটুপানি মাড়িয়ে বিলের ভেতর ঢুকলে মনে হবে বাতাসের তালে তালে এপাশ-ওপাশ দুলতে দুলতে হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানাচ্ছে শাপলারা। সে হাসিতে বিলজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে আনন্দধারা। বরিশাল সদর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের উত্তর সাতলা গ্রাম। গ্রামের নামেই বিলের নাম—সাতলা বিল।
    তবে শাপলার রাজত্বের কারণে সেটি এখন শাপলা বিল নামেই বেশি পরিচিত। ইতিমধ্যে বরিশালের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিলের কথা ছড়িয়ে পড়েছে অন্যান্য স্থানে, বিশেষ করে শহরে ইট- পাথরে বন্দি জীবন কাটানো মানুষ প্রশান্তির আশায় ছুটে আসে এ বিলে। শীত মৌসুমে পর্যটকের ভিড় বাড়ে। পর্যটকদের প্রশান্তি বিলানো ছাড়াও এই বিল ও তার শাপলা স্থানীয়দের অন্নেরও জোগান দেয়।
  • ঘরে বসে এক মিনিটেই বানিয়ে ফেলুন পারফিউম!

    ঘরে বসে এক মিনিটেই বানিয়ে ফেলুন পারফিউম!

    নারী কিংবা পুরুষ— পছন্দের প্রসাধনীর তালিকায় সবারই পারফিউম থাকে। বাজারে নানা ঘ্রাণের, নানা ব্র্যান্ডের সুগন্ধি বা পারফিউম পাওয়া যায়। তবে সব সুগন্ধি নিজের পছন্দমতো হয় না। আবার সব স্থানে সব ঘ্রাণের সুগন্ধি ব্যবহার করাও বেমানান। অফিসে যেমন কড়া পারফিউম ব্যবহার করা যায় না তেমনি জমকালো অনুষ্ঠানে হালকা ঘ্রাণের পারফিউম বেমানান। নানা ব্র্যান্ডের পারফিউম তো ব্যবহার করেছেন। কেমন হবে যদি ঘরে নিজেই পারফিউম বানিয়ে ফেলতে পারেন।

    হ্যাঁ! মাত্র তিনটি উপাদানেই ঘরে পারফিউম তৈরি করা সম্ভব। তাও আবার কেবল মাত্র এক মিনিট সময়ে! চলুন তবে ঘরোয়া উপায়ে পারফিউম তৈরি প্রস্তুত প্রণালি জেনে নেওয়া যাক- যা যা প্রয়োজন- একটি খালি স্প্রে বোতল চিনিমুক্ত ভ্যানিলা এসেন্স এসেন্সিয়াল অয়েল (ল্যাভেন্ডার/রোজমেরী/জেসমিন)। যেভাবে তৈরি করবেন- স্প্রে বোতলটি ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। পুরোনো কোনো সুগন্ধির বোতল ব্যবহার না করাই ভালো। কেননা এতে সুগন্ধির ঘ্রাণ থেকে যায়। এবার খালি স্প্রে বোতলে ভ্যানিলা এসেন্স ঢালুন। সাথে যোগ করুন পছন্দমতো এসেন্সিয়াল অয়েল।

    ল্যাভেন্ডার, রোজমেরী, জেসমিন, গোলাপ— যেকোনো একটি এসেন্সিয়াল অয়েল ব্যবহার করবেন। মেশানো হলে ভালো করে ঝাঁকিয়ে মিশিয়ে নিন। ব্যস! পারফিউম তৈরি। হাতের পিঠে স্প্রে করেই দেখুন কী দারুণ ঘ্রাণের সুগন্ধি তৈরি হয়ে গেছে! সূত্র : লুক অ্যাট মি

  • হাটাচলা না করায় বিশ্বের এক চতুর্থাংশ লোক অকাল মৃত্যুর ঝুঁকিতে

    হাটাচলা না করায় বিশ্বের এক চতুর্থাংশ লোক অকাল মৃত্যুর ঝুঁকিতে

    শামীম ইসলাম:
    আপনি কি আজ অন্তত কিছুটা পথ হেঁটেছেন? অফিসে কাজ কি চেয়ারে বসে করতে হয়, নাকি হাতে-কলমে করতে হয়? আজ কোন খেলাধুলা করেছেন কি? যদি এর উত্তর ‘না’ হয়ে থাকে – তাহলে কিন্তু আপনার হূদরোগ, ডায়াবেটিস বা ক্যান্সারের মত রোগের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। বেড়ে যাচ্ছে অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি। এক জরিপের পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, শারীরিকভাবে যথেষ্ট সক্রিয় না হবার কারণে পৃথিবীর এক-চতুর্থাংশেরও বেশি লোকই নানা গুরুতর রোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
    তাই পৃথিবীর প্রায় দেড়শ’ কোটি লোকই এখন হয়তো অকালে অর্থাত্ স্বাভাবিক বয়সের আগেই মারা যেতে পারেন, এমন সম্ভাবনা আছে। জরিপের রিপোর্ট বলা হচ্ছে, যারা শারীরিকভাবে সক্রিয় নয় বা ব্যায়াম করে না তাদের বয়সের কোনো এক পর্যায়ে এসব রোগ হবার ঝুঁকি বেশি। ল্যানসেট গ্লোবাল হেল্থ জার্নালে প্রকাশিত এই জরিপটিতে ২০ লাখ অংশগ্রহণকারীর উপাত্তের বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
  • ওজন নিয়ন্ত্রণে মরিচ!

    ওজন নিয়ন্ত্রণে মরিচ!

    মরিচ ঝাল হয় এর মধ্যে থাকা ক্যাপসিসিন নামক উপাদানের কারণে। আর এই একই উপাদান শরীরের মেটাবলিজমের গতি বাড়িয়ে সহজে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

    বাল্টিমোরে বায়োফিজিক্যাল সোসাইটির ৫৯তম বার্ষিক সম্মেলনে প্রকাশিত এক গবেষণা রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে।

    এই গবেষণায় ইঁদুরের ওপর প্রয়োগ করে দেখা গেছে, অতিরিক্ত মাত্রায় চর্বিজাতীয় খাবার-দাবার খাওয়ানোর পরেও পরীক্ষাগারের নির্দিষ্ট ইঁদুরকে ক্যাপসিসিন খাওয়ানোর ফলে তাদের ওজন তেমন বাড়ে না। এ তথ্য ওবিস বা অতিরিক্ত ওজনবিশিষ্ট মানুষদের জন্য সুখবর হয়ে হতে পারে।

    ইয়াওমিং ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, মোটাসোটা মানুষের মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রনে আনতে ক্যাপসিসিন খুবই কার্যকর হতে পারে। এ ছাড়াও ক্যাপসিসিনের প্রভাবে শরীরের শক্তি (ক্যালোরি) ক্ষয় হয় এবং তাপ উত্পন্ন হয়। এর ফলে সাদা চর্বি রূপান্তরিত হয় বাদামি চর্বিতে। শরীরে সাদা চর্বি শক্তি সঞ্চয় করে রাখে আর বাদামি চর্বি তাপ সৃষ্টি করে। খুব বেশি ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়া এবং শারীরিকভাবে সক্রিয় না থাকার ফলে মেটাবলিজমের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায় এবং ওবেসিটি দেখা দেয়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন ক্যাপসিসিন-এর এই গুণ।

    এ পরিস্থিতিতে মরিচ বা ঝাল খাওয়াটা উপকারী হলেও এ বিষয়ে খুব সাবধান থাকতে হবে। যদি ভেবে থাকেন একটা টোস্ট বা ডিমের সঙ্গে অনেকগুলো মরিচ খেয়ে নিলেই কাজ হয়ে যাবে, তা কিন্তু নয়। এরও একটা নির্দিষ্ট মাপ রয়েছে। এই জন্যই গবেষকেরা ক্যাপসিসিন থেকে প্রাকৃতিক ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট তৈরি করার বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করছেন যা শুধু ওজন নিয়ন্ত্রণই নয়, স্বাস্থ্যের আরও নানা সমস্যার প্রতিকারে কাজে লাগে।

  • কুকুর হঠাৎ তেড়ে আসলে কী করবেন?

    কুকুর হঠাৎ তেড়ে আসলে কী করবেন?

    রাস্তাঘাটে কুকুরের তাড়া খাননি এমন মানুষ খুব কমই রয়েছেন। হঠাৎ কুকুর তাড়া করলে কী করা উচিত সে বিষয়ে অনেকেরই কিছু জানা নেই। এমন অবস্থায় পড়লে মাথা ঠান্ডা রেখে নিচের কাজগুলো করলে কিছুটা সমাধান হতে পারে।

    ১। কোন অবস্থাতেই দৌড়ানো যাবে না। মনে রাখবে এতে কুকুরটি আরও ক্ষেপে উঠবে। গতিশীল বস্তু দেখলে কুকুরের আক্রমণের প্রবণতা বাড়ে।

    ২। হাঁটার গতি কমিয়ে দিন। দরকারে একদম থেমে যান। কুকুরটি শান্ত হলে আবার ধীরে এগোতে হবে।

    ৩। নির্বিকার থাকা অসম্ভব হলেও এমন পরিস্থিতিতে ভয় পেলেই হেরে যাবেন আপনি। অযথা আতঙ্কিত হবেন না। মানুষের ভয়-ভীতি কুকুর কিন্তু টের পায়।

    ৪। কুকুরটির সঙ্গে সরাসরি চোখাচোখি করবেন না। আড়চোখে দেখুন। নইলে কুকুরটি আরও হিংস্র হয়ে উঠতে পারে।

    ৫। কোন অবস্থাতেই মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়াবেন না। প্রাণীটি এতে আপনাকে বড় কোন সমস্যা ভাববে। পাশাপশি দাঁড়ালে তাদের দৃষ্টিতে আপনাকে হালকা লাগবে।

    ৬। যদি হাতে কিছু থাকে তবে তা দূরে ছুড়ে দিন। এতে কুকুরটির মনোযোগ আপনার দিক থেকে সরবে। সে অন্যদিকে দৌড় দিবে। যদি কিছু না পান হাতের কাছে তবে মিথ্যামিথ্যি কিছু একটা ছোঁড়ার ভঙ্গি করতে পারেন।

  • অপরিচিত মেয়েকে প্রেমে রাজি করানোর জন্য যে কাজগুলো করবেন!

    অপরিচিত মেয়েকে প্রেমে রাজি করানোর জন্য যে কাজগুলো করবেন!

    দৈহিক সৌন্দর্যের বিষয়ে সচেতন হোন: একজোড়া মানবমানবী সর্বপ্রথম আকৃষ্ট হয় দৈহিক সৌন্দর্যে। দৈহিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েই প্রেমিকের হৃদয়ে প্রেমের বীজ অঙ্কুরিত হয়। অতএব প্রেমে সাফল্য চাইলে কিংবা বর্তমান প্রেম কে ধরে রাখতে চাইলে চেহারা সুরতের দিকে একটু নজর দেয়া লাগবে।

    পোশাক আশাকে বৈচিএ্য বজায় রাখুন:

    প্রেম করতে চাইলে টাকা পয়সা তো একটু করচ করাই লাগবে। এখানে শর্টকাট কোনো রাস্তা নেই। কম দামে ফুটপাত থেকে কাপড় কিনে প্রেমিকার চোখ ধাঁধাঁ লাগাবেন? সে আশা বৃথা। আপনি কোনদিন কোন শার্ট টি পরেছেন বা কোন রং এর শার্ট পরেছেন এটা আপনার চেয়ে আপনার প্রেমিকা ভালো বোলতে পারবে আসলে পোশাক আশাক দ্বারা একগজন পুরুষের রোমান্টিকতা প্রকাশ পাই জা বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করে

    গোপনিয়তা বজায় রাখুন:

    আপনাদের সম্পর্কের কথা গোপন রাখুন। এতে আপনাদেরি মঙ্গল আসবে। দুই নৌকায় পা দিবেন না: প্রেম প্রেম খেলা করার মানসিকতা অনেক তরুণ তরুণীর থাকে। এছাড়া অনেকে একাধিক সঙ্গির সাথে সম্পর্ক বগায় রাখার চেষ্টা করে। ফলে এদের মধ্যে প্রকৃত ভালোবাসার সুখ খুব কম থাকে। একধিক প্রেম চালিয়ে যাওয়াকে অনেকে খুব বাহাদুরী কাজ বলে মনে করে থাকে। কিন্তু তাদের মনে রাখা উচিত আসলে তারা বোকার স্বর্গে বসবাস করটেছে। কারণ সত্য বেশিদিন গোপন থাকেনা।

    প্রশংসা করুন: মানুসের মন আর্কষণ করার জন্য তা প্রশংসা করার গুরুত্ব আপরিসীম। এর মাধ্যমে মৌমাছির মতো আপনার চারপাশের মানুসকে আপনার দিকে আকৃষ্ট করতে পারেন।

  • ডিম ফ্রিজে রাখলে যে ক্ষতি হয়

    ডিম ফ্রিজে রাখলে যে ক্ষতি হয়

    ডিম রাখার জন্য সব ফ্রিজেই আলাদা তাক থাকে। বেশিদিন বাইরে রাখলে ডিম নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে বলে ফ্রিজেই রাখা হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা মোটেই সমর্থন করছেন না এই অভ্যাস। বরং, ফ্রিজের ভেতর ডিম রাখলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলেই মতপ্রকাশ করছেন তারা।

    ফ্রিজের তাপমাত্রা শূন্যরও অনেক নিচে থাকে বলে খাবার রাখা নিরাপদ। কিন্তু ডিমের বেলায় তা একটু আলাদা। ফ্রিজে ডিম রাখলে তার মধ্যে এক ধরনের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়।

    dim-2

    যেহেতু ফ্রিজ থেকে ডিম বের করে অনেকক্ষণ বাইরের তাপমাত্রায় রেখে তা রান্না করা আমাদের স্বভাব নয়, বরং ফ্রিজ থেকে বার করেই আমরা রান্না করে ফেলি, তাই সেসব ব্যাকটিরিয়া জীবিত অবস্থায় থাকে। সেখান থেকে খাদ্যে বিষক্রিয়া ও নানা রকম সংক্রমণ ঘটতে পারে। হতে পারে পেটের সমস্যাও।

    আবার বেশিদিন বাইরে রাখলেও ডিম নষ্ট হয়ে যায়! সমাধান বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। উপায় খুব সহজ। ডিম সংগ্রহ করুন অল্প সংখ্যায়। যাতে দু-এক দিনেই তা রান্না করে ফেলা যায়। তাহলে বাইরে বেশিদিন রাখতে হবে না আর নষ্ট হওয়ার ভয়ও থাকবে না।

  • শরীরের যে পরিবর্তনগুলো অবহেলা করা উচিৎ নয়

    শরীরের যে পরিবর্তনগুলো অবহেলা করা উচিৎ নয়

    অনেক সময় আমরা শরীরের নানা নীরব লক্ষণ এড়িয়ে যাই কিংবা অবহেলা করি। যা পরবর্তীতে বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে। তাই যদি কখনও অনুভূত হয় যে শরীরের আকস্মিক পরিবর্তন ঘটছে, তা মোটেই অবহেলা করা উচিত নয়।

    যেসব পরিবর্তন অবহেলা করবেন না-

    ১. শরীরের কোনো স্থান হতে অনভিপ্রেত রক্তক্ষরণ
    ২. বার বার মলত্যাগ
    ৩.আকস্মিক ওজন হ্রাস
    ৪. হঠাৎ রেগে যাওয়া
    ৫. শারীরিক ক্ষমতা হ্রাস
    ৬. স্কিন র‌্যাশ যা থেকে চুলকানো হয়
    ৭. নাক ডাকা
    ৮. দীর্ঘস্থায়ী খুশখুশে কাশি
    ৯. দাঁতের সমস্যা হওয়া
    ১০. প্রিয়জনের নাম মনে রাখতে না পারা

    এ সমস্যাগুলো এক বা একাধিক এক সঙ্গে থাকতে পারে। যেমন- আকস্মিক ওজন হ্রাস, পাকস্থলী, গলনালী, প্যানক্রিয়াস অথবা ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ। এ ব্যাপারে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির প্রধান ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা ড. রিসার্ড ওয়েন্ডারের মতে কোনো ধরনের ডায়েটিং অথবা এক্সারসাইজ ছাড়া শরীরের ওজন ১০ কেজি কমে গেলে অবশ্যই ক্যান্সারের বিষয়টি মাথায় আনতে হবে।

    উল্লেখ্য, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এসব সমস্যা চিহ্নিত করা যায়। তাই তাদের মতে, শরীরের যে কোনো ধরনের রোগের লক্ষণ কোনো ভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়।

  • গর্ভে ৮ মাসের সন্তান নিয়েও খদ্দেরের বিছানায় রেশমা!

    গর্ভে ৮ মাসের সন্তান নিয়েও খদ্দেরের বিছানায় রেশমা!

    যৌনকর্মী। সমাজের মানুষের চোখে নিকৃষ্ট একটি পেশা কিন্তু এই পেশায় আসা মানুষগুলোরও পেছনে থাকে অজানা অনেক কথা। থাকে দুঃখ, কষ্ট। কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে আসে না এই পেশায়। স্বামীর নির্যাতন, যৌতুক, প্রতারণা আবার অনেকটা বাধ্য হয়েই অনেক আসেন এই পেশায়। তেমনই রাজধানীর ভাসমান যৌনকর্মী রেশমা (ছদ্মনাম)। তার পেশা পতিতাবৃত্তি।

    বিজয় স্মরণী এলাকায় প্রায় প্রতিরাতে খদ্দেরের অপেক্ষায় থাকে মেয়েটি। খদ্দের পেলেই তার পেটে খাবার পড়বে, দিতে পাড়বে তার মাথার উপর থাকা ছাদের ভাড়া। সে এ অনিশ্চিত জীবন আর টেনে নিতে পাড়ছে না, এবার মুক্তি চায়, সমাজে ভালো একটা পরিচয় নিয়ে বাঁচতে চায়। রেশমার ভাষ্য, ‘গর্ভে সন্তান নিয়েও গভীর রাতে এখানে এসেছি। আটমাসের সন্তান গর্ভে থাকার পর খদ্দেরের বিছানায় শুয়েছি। গর্ভবতী হওয়ার পর দুই-তিন মাস বাসায়-ই ছিলাম, কিন্তু আর চলছিলো না। পেটের ক্ষুদায় বাধ্য হয়ে গর্ভবতী অবস্থায়-ই এ কাজ করেছি। কিন্তু সে সন্তানকেই কাছে রাখতে পারলাম না।’

    রোজার দুই সপ্তাহ আগে তৃতীয় সন্তান জন্ম দিয়েছিল রেশমা। জন্ম দেয়ার পর একবার সন্তানের চোখে চোখ রাখার সুযোগ পেয়েছিল। এরপর আর খবর জানে না। আগে থেকেই দালাল ঠিক করা ছিল। বুকের দুধও আর খাওয়ানোর সুযোগ হয়নি। ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে জন্মের পর মুহূর্তেই। এ টাকাতেই রেশমার হিসেব শেষ। এরপর দালাল কার কাছে, কত টাকায় বিক্রি করেছে তাও জানে না রেশমা। কেন বিক্রি করতে হলো সন্তানকে, এসব জানতে চাইলে গলা ধরে আসছিল ওর।

    সিগারেটে ফুঁক দিয়ে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে বলে, পেটের জ্বালায় বিক্রি করেছি। ওরে গর্ভে নিয়ে শেষের দুই মাস আর কাজ করতে পারছিলাম না। বাড়ি ভাড়া বাকি ছিল। দোকানেও বাকি ছিল। ২০ হাজার টাকা ঋণ হওয়ায় চোখে সরষে ফুল দেখছিলাম। উপায় না পেয়েই বিক্রি করেছি। বিক্রিই যদি করতে হয় তাহলে এত কষ্ট করে গর্ভধারণের দরকার কি? এমনটি জানতে চাইলে রেশমা বলেন, ইচ্ছা ছিল দেশে যাওয়ার। নেশাখোর স্বামীরে ভালো করে ময়মনসিংহ চলে যাব। অন্য কিছু করব। তা আর হয়নি। স্বামীর কারণেই হয়নি। সে চায় আমি রোজ রোজ সকালে গিয়ে তার হাতে টাকা দিই। শেষে বুঝলাম, এ কাজই করতে হবে। কোলে মাইয়া নিয়া তো রাস্তায় খাড়াতে পারমু না। খদ্দের পামু না। তাই বেচে দিলাম।

    মেয়েকে দেখতে মন চায় না? জানতে চাইতেই চোখ ছলছল করে উঠল রেশমার। ওড়নায় চোখ মুছতে মুছতে বলেন, ‘ওরে গর্ভে নিয়ে সাড়ে সাত মাস রাস্তায় কাজ করেছি। শীতের রাতের কষ্টের কথা মুখে বলা যায় না। স্বপ্ন ছিল অনেক কষ্ট হলেও আদর-যত্ন করে বড় করব। বড় মেয়ে মিমের সঙ্গে মিলিয়ে নামও রেখেছিলাম। জানিনা ওর নাম কি রাখা হয়েছে। শুনেছি পঙ্গু হাসপাতালের এক ডাক্তার কিনে নিয়েছে। কিন্তু তার ঠিকানা জানি না।’