Category: সিলেট

  • সিলেটে মাধ্যমিকের বই বিক্রির সময় আটক ২

    সিলেটে মাধ্যমিকের বই বিক্রির সময় আটক ২

    নিউজ ডেস্কঃ সিলেটে মাধ্যমিকের বিভিন্ন শ্রেণির সরকারী পাঠ্যবইসহ একটি পিকআপ জব্দ করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এ সময় বই বিক্রির সাথে জড়িত একজন ও পিকআপ চালককে আটক করা হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর কাজিরাবাজার এলাকা থেকে বইভর্তি পিকআপটি আটক করা হয়।

    বই বিক্রির সঙ্গে জড়িত আটক ব্যক্তির নাম আনোয়ার হোসেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ।

    তিনি জানান, মাধ্যমিকের বিভিন্ন শ্রেণির পিকআপ ভর্তি বেশ কিছু বই গোয়াইনঘাট থেকে চুরি করে নিয়ে এসে কাজিরবাজারে ভাঙাড়ির দোকানে বিক্রি হচ্ছে- এমন খবর পেয়ে আমরা অভিযান চালানো হয়। অভিযান করে সরকারি বইগুলো জব্দ এবং আনোয়ার হোসেন নামক একব্যক্তি ও পিকআপ চালককে আটক করা হয়। বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    এদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে, গোয়াইনঘাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ের নৈশপ্রহরী শাহাব উদ্দিন গোডাউন থেকে বইগুলো বিক্রি করে দিয়েছিলেন।

    শনিবার সকালে বইগুলোর খোঁজ পড়লে নৈশপ্রহরী শাহাব উদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রথমে সে অস্বীকার করলেও পরে সে জানায়, বন্যায় ভিজে যাওয়ায় সে কিছু বই বিক্রি করে দিয়েছে।
    এ ঘটনায় জেলা শিক্ষা কার্যালয় থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

  • সিলেটে ৫ যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার, ২ জনের মৃত্যু

    সিলেটে ৫ যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার, ২ জনের মৃত্যু

    অনলাইন ডেস্কঃ সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় একটি বাড়ি থেকে অচেতন অবস্থায় ৫ যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজনকে হাসপাতালে নেয়ার সময় মৃত্যু হয়েছে। বাকি ৩ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর বাজারের মঙ্গলচন্ডি রোডের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

    মৃতরা হলেন রফিকুল ইসলাম (৫০) ও তার ছেলে মাহিকুল ইসলাম (১৬)। আর অসুস্থ অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম (৪৫), তার ছেলে সাদিকুল ইসলাম (২৫) ও মেয়ে সামিরা ইসলাম (২০)।

    সিলেট জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ তারিখ ওই পাঁচজনের পরিবার যুক্তরাজ্য থেকে দেশে আসেন।

    ৬ দিন ঢাকায় অবস্থানের পর ১৮ জুলাই তারা তাজপুরের ওই বাসা ভাড়া নেন।
    এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন। তিনি জানান, খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত কারণে তাদের মৃত্যু হতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • বিমানের ময়লার ব্যাগ থেকে কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ

    বিমানের ময়লার ব্যাগ থেকে কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ

    নিউজ ডেস্কঃ কাতারের দোহা থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটের ময়লা ফেলার পলিব্যাগের ভেতর থেকে কোটি টাকা মূল্যের ১০টি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সকাল আটটায় সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রাজস্ব ও কাস্টমস কর্মকর্তারা ময়লার ব্যাগটি স্ক্যান করে কৌশলে লুকিয়ে রাখা পরিত্যক্ত অবস্থায় ১ কেজি ১৬ গ্রাম ওজনের ওই স্বর্ণের বার জব্দ করেন।

    বিমানবন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. নাজ্জাসী পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের কাছে গোপন তথ্য ছিল, কাতারের দোহা থেকে আসা বিজি ২২৬ নম্বর ফ্লাইটে বিমানের ভেতরে ব্যবহৃত ময়লা-আবর্জনা ফেলার পলিব্যাগে করে স্বর্ণ চোরাচালান হবে। তাই আমরা প্রতিদিনের মতো ময়লার ব্যাগটি স্ক্যান করি। এসময় ময়লাগুলোর মধ্যে পেপার জাতীয় একটি বিশেষ বস্তু দেখা যায়। পরে কাস্টমসসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তা খুলে ১০টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। যার ওজন এক কেজি ১৬ গ্রাম। এর বাজার মূল্য এক কোটি টাকা।

    এর আগে চলতি বছরের ২ জুন সকালে আবুধাবি থেকে ছেড়ে আসা বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে এক কেজি ১৬০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণ জব্দ করা হয়। ওই সময় বিমানের যাত্রী মঈনুল ইসলাম শাকিল (২২) নামে এক তরুণ আটক করেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। তিনি নিজের লাগেজ ট্রলিতে রডের যে ফ্রেম থাকে লাগেজ মজবুত রাখার জন্য, সেই রড খুলে সেখানে স্বর্ণ দিয়ে রডের মতো বানিয়ে বহন করছিলেন।

    এছাড়া গত ২৭ মে সকাল সাতটায় দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটের যাত্রীর কাছে এক কেজি ১৬০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণ জব্দ করা হয়। মো. আলী আহমদ নামে ওই যাত্রী একটি নেবুলাইজার মেশিনের ভেতরে কৌশলে স্বর্ণের ১১টি পাত বহন করছিলেন। সেই পাতগুলো রুপালি রঙের প্রলেপ দেওয়া ছিল। এ নিয়ে চলতি বছরের মে, জুন ও জুলাই এই তিন মাসে এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি স্বর্ণের চোরাচালান জব্দ করা হলো।

  • গলা কেটে হত্যার পর বাড়িতে আগুন, আটক ১২

    গলা কেটে হত্যার পর বাড়িতে আগুন, আটক ১২

    সিলেটের গোয়ানইঘাটে পূর্বশত্রুতার জেরে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার পর তার বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার (১৬ জুলাই) পুলিশ ১২ জনকে আটক করেছে।

    এর আগে শুক্রবার (১৫ জুলাই) রাত ৮টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।

    তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় জড়িত ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বাকিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

    নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের শিকার আব্দুল কাদির (২৮) গোয়াইনঘাট উপজেলা সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ লাবু গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে। তিনি ওই এলাকায় চার বছর আগে সংঘটিত একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।

    জানা গেছে, শুক্রবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতে আগের হত্যাকাণ্ডের জের ধরে লাবু গ্রামের লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে কাদিরকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এরপর তার বসতঘরে অগ্নিসংযোগ করেন হত্যাকারীরা। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত লুৎফুর রহমানসহ ১২ জনকে পুলিশ শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করেছে। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দাসহ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।

    আটকরা হলেন, উপজেলার লাবু গ্রামের বাসিন্দা লুৎফুর রহমান, আলী হোসেন, আলম হোসেন, বেলায়েত হোসেন, কাজী কামাল, আব্দুন নুর, জসীম উদ্দীন, হাবিবুল্লাহ, মিসবাহ উদ্দিন ও অলিউল্লাহ।

    গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম নজরুল ইসলাম জানান, নিহত কাদিরের ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার বিকেল ৩টার দিকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে ওসি বলেন, ঘটনায় জড়িত অন্যদের আটকে পুলিশের একাধিক দল মাঠে রয়েছে।

  • বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ১১২

    বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ১১২

    দেশে বন্যায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১২ জনে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে।

    বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, বন্যাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৫৫৯ জনে। বন্যার শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ১৬২ জন। এতে মৃত্যু হয়েছে একজনের। আরটিআই (চোখের রোগ) রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৬১৯ জন। তবে এতে কারও মৃত্যুর খবর নেই।

    এছাড়া বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। সাপের দংশনের শিকার হয়েছেন ১৭ জন। তাদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ৮৫ জনের।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৭ মে থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত বন্যায় রংপুর বিভাগে ১২, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪০ ও সিলেট বিভাগে ৫৯ এবং ঢাকা বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়।

    জেলাভিত্তিক মৃত্যুর সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে সুনামগঞ্জ। ১৭ মে থেকে ৪ জুলাইয়ের মধ্যে এখানে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে

    সিলেট জেলায় মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। হবিগঞ্জে ৫ ও মৌলভীবাজারে ৮ জন মারা গেছেন। নেত্রকোনায় ১৮ জন ও জামালপুরে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। ময়মনসিংহে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    এছাড়া শেরপুরে ৭, কুড়িগ্রামে ৫ ও লালমনিরহাটে ৭ জন মারা গেছেন। টাঙ্গাইলে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

  • বন্যায় আরও তিন মৃত্যু, মোট ১১০

    বন্যায় আরও তিন মৃত্যু, মোট ১১০

    বন্যায় সারাদেশে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১০ জন। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে। ১৭ মে থেকে বুধবার (৬ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত মৃত্যুর এই সংখ্যা দাঁড়ালো।বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার পর্যন্ত বন্যাজনিত বিভিন্ন রোগে ১৩ হাজার ১৯৮ জন আক্রান্ত থাকলেও বুধবার তা বেড়ে ১৩ হাজার ৮৯২ জনে দাঁড়িয়েছে।বন্যার শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন আট হাজার ৭৯৪ জন। এতে মৃত্যু হয়েছে একজনের। আরটিআই (চোখের রোগ) রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৮৫ জন। এক্ষেত্রে কারও মৃত্যুর খবর নেই।এছাড়া বজ্রপাতে আহত ১৫ জনের সবার মৃত্যু হয়েছে। সাপের দংশনের শিকার হয়েছেন ১৫ জন। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে দুজনের। আর পানিতে ডুবে ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বন্যায় রংপুর বিভাগে ১২, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪০, সিলেট বিভাগে ৫৭ ও ঢাকা বিভাগে একজনসহ মোট ১১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।জেলাভিত্তিক মৃত্যুর সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে সুনামগঞ্জ। ১৭ মে থেকে ৪ জুলাইয়ের মধ্যে এখানে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।আর সিলেট জেলায় মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। হবিগঞ্জ জেলায় পাঁচ ও মৌলভীবাজারে মারা গেছেন ছয়জন। নেত্রকোনায় ১৮ ও জামালপুরে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। ময়মনসিংহে মৃত্যু হয়েছে ছয়জনের।এছাড়া শেরপুরে সাত, কুড়িগ্রামে পাঁচ ও লালমনিরহাটে সাতজন মারা গেছেন। টাঙ্গাইলে মারা গেছেন একজন।

  • সিলেটে এখনো নামেনি বন্যার পানি, আশ্রয়কেন্দ্রে ২৫ হাজার মানুষ

    সিলেটে এখনো নামেনি বন্যার পানি, আশ্রয়কেন্দ্রে ২৫ হাজার মানুষ

    দ্বিতীয় দফার বন্যার ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো সিলেটে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর তিনটি পয়েন্টের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে সিলেটের সাতটি উপজেলার অনেক জায়গা থেকে এখনো নামেনি বন্যার পানি। তাই আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়তে পারেননি ২৫ সহস্রাধিক বন্যাদুর্গত মানুষ।

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের তথ্য মতে, সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে এবং কুশিয়ারা নদীর জকিগঞ্জের অমসীদ ও বিয়ানীবাজারের শেওলা পয়েন্টে এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে সিলেটের বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ, ওসমানীনগর ও বালাগঞ্জ উপজেলার বেশিরভাগ এলাকা এখনো পানির নিচে রয়েছে।

    এ অবস্থায় সিলেটে দুদিন ধরে প্রচণ্ড গরম পড়ছে। ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। এরই সঙ্গে বাড়ছে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগবালাইও।

    দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কারণে মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে। বাড়ছে অভাব। পানি না নামায় কর্মসংস্থানেও সংকট দেখা দিয়েছে।

    সিলেটে এখনো নামেনি বন্যার পানি, আশ্রয়কেন্দ্রে ২৫ হাজার মানুষ

    আবহাওয়া অফিস বলছে, আরও কয়েক দিন এমন আবহাওয়া অব্যাহত থাকার পর বৃষ্টি নামতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস সিলেটের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বলেন, মঙ্গলবার সিলেটে সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পড়েছে। আর সর্বনিম্ন ছিল ২৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবার রাতে বৃষ্টি হয়েছে। গত সোমবার দিবাগত রাতেও বেশ বৃষ্টি হয়েছে।

    নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সকালে মানুষ কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও দুপুরের প্রখর রোদে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন। একটু প্রশান্তির আশায় মানুষকে গাছের ছায়ায় কিংবা শীতল কোনো স্থানে বসে থাকতে দেখা গেছে।

    এদিকে গরমের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বেড়েছে ডাব, তরমুজ, শসার। এছাড়া কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমে জ্বর, ঠান্ডা, ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত রোগীও বেড়েছে হাসপাতালগুলোতে।

    দক্ষিণ সুরমার গোপশহরের বাসিন্দা মুন্না মিয়া বলেন, ‘আমার ঘরে এখনো পানি, আর সড়কে তো হাঁটুপানি। বন্যা আসার ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও দুর্ভোগ লাগব হচ্ছে না। আর এখন প্রচন্ড গরমের সঙ্গে আছে লোডশেডিংও।’

    সিলেটে এখনো নামেনি বন্যার পানি, আশ্রয়কেন্দ্রে ২৫ হাজার মানুষ

    নগরের রিকশাচালক মুজিবুর রহমান (৩০) বলেন, সকাল থেকে প্রচন্ড গরম পড়ছে। রিকশা চালাতে খুব কষ্ট হয়। মাঝে মধ্যে গাছের নিচে একটু বিশ্রাম নিয়ে আবার চালাই। সামনে ঈদ। অনেক খরচ, তাই বসেও থাকতে পারি না।

    সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের মুখপাত্র আহসানুল আলম বলেন, সিলেটে এখনো বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ২৫ হাজার ৫৭৯ জন আশ্রিত আছেন। তাদের বাড়িঘর থেকে এখনো পানি নামেনি। জেলায় মোট ৩১৭টি আশ্রয়কেন্দ্র মঙ্গলবার পর্যন্ত চালু আছে।

    সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, বন্যায় সিলেট জেলায় এ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৩৮৩টি। ক্ষতিগ্রস্ত লোক প্রায় ৩০ লাখ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি ৪০ হাজার ৯১টি। এ পর্যন্ত জেলায় ১ হাজার ৬১২ মেট্রিক টন চাল, ২০ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার এবং নগদ প্রায় ৩ কোটি টাকা বন্যার্তদের বিতরণ করা হয়েছে। ত্রাণ বিতরণ ও ভ্রম্যমাণ চিকিৎসা অব্যাহত আছে।

    এদিকে সিলেটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ৫ হাজার পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে অনুদানের নগদ টাকা বিতরণ শুরু হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় সিলেট সদর উপজেলার দলদলি চা বাগানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের নগদ ১০ হাজার টাকা করে দেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান।

  • সহযোগী অধ্যাপক নেবে শাবিপ্রবি

    সহযোগী অধ্যাপক নেবে শাবিপ্রবি

    সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) একটি বিভাগে ‘সহযোগী অধ্যাপক’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

    প্রতিষ্ঠানের নাম: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
    বিভাগের নাম: নৃবিজ্ঞান বিভাগ

    পদের নাম: সহযোগী অধ্যাপক
    পদসংখ্যা: ০১ জন
    বেতন: ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা

    চাকরির ধরন: স্থায়ী
    প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
    কর্মস্থল: সিলেট

    আবেদনপত্র সংগ্রহ: বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.sust.edu অথবা রেজিস্ট্রার অফিস থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।

    আবেদন ফি: আবেদনপত্রের সঙ্গে ৭০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডার পাঠাতে হবে।

    আবেদনের ঠিকানা: রেজিস্ট্রার, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।

    আবেদনের শেষ সময়: ২৫ এপ্রিল ২০২২

    সূত্র: ইত্তেফাক, ১১ মার্চ ২০২২

  • সিলেটের গর্বিত সন্তান কাশিম উদ্দিন মাসুম

    সিলেটের গর্বিত সন্তান কাশিম উদ্দিন মাসুম

    রবিউল ইসলাম //
    সিলেটের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে কাশিম উদ্দিন মাসুম। বেড়ে ওঠা সিলেটের এমন একটি গ্রামে যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক ছিলো না বললেই চলে। এমন একটি সময় তিনি পার করেছেন যখন স্বপ্ন দেখতেন কাগজের কম্পিউটার নিয়ে আর এখন লাখ টাকার কম্পিউটার তিনি ব্যবহার করেন। যেখানে শুধু মাসিক ইন্টারনেট বিলই ১৫ হাজার টাকা।

    বাংলাদেশের জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম “সফল ফ্রিল্যান্সার” এর প্রতিষ্ঠাতা
    কাশিম উদ্দিন মাছুমের কথাই বলছি, যিনি একসময় কাগজের কম্পিউটার নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন। এখন হাজারো তরুণ/তরুণীদের পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর বাস্তব কারিগর।
    মাসুম বলেন,সপ্তম শ্রেণীতে থাকাকালীন টেকটিউনস সম্পর্কে জানতে পারি, সেখান থেকেই ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে ধারণা পাই। আমাকে দিকনির্দেশনা দেবে আশেপাশে এমন কাউকেই পাইনি তবে নিজের মতো করে আমার গবেষণা চালিয়ে যাই, প্রথম ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানার পর থেকে আমি এটার প্রতি খুবই আগ্রহপ্রবণ হই এবং টানা দুই বছর ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে গবেষণা করি। গবেষণায় সফলতা পাই আমি যখন ৯ম শ্রেণীতে পড়ি এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের জগতে তখন থেকেই কাজ শুরু করি। ২০১৩ সাল থেকে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করি, ১৬ সালে এসে ৬ ডিজিটে প্রবেশ করি এবং ১৭ সালে কাতার চলে যাই, ১৮/১৯ সালে প্ল্যান করি আর ২০ সালে এসে আমার কাছে ৩ টি অপশন ছিলো
    ১ঃ নিজে নিজের ফ্রিল্যান্সিং কাজ গুলোতে সময় দেওয়া যেটা করলে কেবল একাই আমি সফল হতাম!
    ২ঃ নিজের চাকরির পাশাপাশি পার্টটাইম কিছু করা
    ৩ঃ একটি কমিউনিটি তৈরি করা

    জন্মের পর থেকে মানুষ এর খুশিতে অংশ নেওয়া আমার অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়, তাই বেছে নিয়েছিলাম অপশন ৩! অর্থাৎ তৈরি করলাম সফল ফ্রিল্যান্সার – Sofol Freelancer কমিউনিটি, যেখানে মানুষের সফলতায় পাশে থাকাই লক্ষ্য ছিলো! জানিনা এই চ্যালেঞ্জে কতটা সফল তবে আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া কেননা মাত্র ৯ মাসেই ১ লাখ এর অধিক মানুষ এর কাছে পৌছাইতে পেরেছি।
    সফল ফ্রিল্যান্সার একটি ব্রান্ড এখন, এখন ব্র‍্যান্ডটা তৈরি করা সহজ ছিলো না! আমাকে ২/৩ মাস রাতে মাত্র ৩/৪ ঘন্টা ঘুমিয়ে কাজ করতে হয়েছে।

    তিনি আরো জানান, এই সফল ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটি থেকে ফ্রি কোর্স দেয়া হয়। কারণ অনেকের স্বপ্ন /ইচ্ছে শক্তি থাকা সত্ত্বেও টাকার অভাবে পারে নাহ, তিনি চান নাহ টাকার জন্য কোন তরুণ এর স্বপ্ন নষ্ট হোক।
    মাসুম আরো জানান, এই পর্যন্ত সফল ফ্রিল্যান্সার পরিবারের সাথে যুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষ।
    অনেকের আস্থার জায়গা, ভালবাসার জায়গা হয়ে উঠেছে এখন সফল ফ্রিল্যান্সার। ভালো করতে হলে ফ্রিল্যান্সারদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট অর্থাৎ শিখার কোনো বিকল্প নেই। শেখার প্রতি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে, কাজ ভালো জানলে এবং দক্ষতা রাখেন মার্কেট প্লেসে কাজ পাওয়া কঠিন নয়! এবং সেই কাজের পারিশ্রমিকও ভালো। ফ্রিল্যান্সিং জগতে নতুন যারা আসে কাজ শেখার দিকে অর্থাৎ স্কিল ডেভেলপমেন্ট এর দিকে নজর দেয় কম, তাদের কাজ শেখার প্রতি আরও মনযোগ দেওয়ার পরার্মশ এই সফল ফ্রিল্যান্সারের। ২০১৯ সালের পরিকল্পনা করে এই বছরের মধ্যে মানুষকে বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিংয়ের দিকনির্দেশনা দিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং উপর ৩হাজারের বেশী মানুষকে সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে তৈরি করেছেন বলে জানান ‘সফল ফ্রিল্যান্সারের প্রতিষ্ঠাতা কাশিম উদ্দিন মাসুম’। সিলেটের এই বাসিন্দা বর্তমানে কাতারের একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে কর্মরত আছেন, এর পাশাপাশি সফল ফ্রিল্যান্সার তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছেন নিয়মিত, এছাড়াও যুক্ত রয়েছেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাথে।
    তিনি বলেন, যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে সকল বাধা অতিক্রম করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। কর্মে বাধা বিপত্তি আসবেই, তাই বলে হতাশ হয়ে সঠিক পথ কখনো ত্যাগ করা উচিৎ নয়। কর্মস্থলে কে কী বললো না বললো তা নিয়ে না ভেবে নিজের কাজে মননিবেশ করুন।

  • নির্যাতনে মৃত্যু : সিলেটে পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও

    নির্যাতনে মৃত্যু : সিলেটে পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও

    সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) বন্দরবাজার ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান উদ্দিনের (৩৫) মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও করা হয়েছে। পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সিলেটের সাধারণ ছাত্র জনতা।

    মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ‘সিলেটের সাধারণ ছাত্র জনতা’ নামের একটি সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতারা আন্দোলনে নামেন। প্রথমে তারা সিলেট নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন।

    পরে বিক্ষোভ মিছিল সহকারে তারা সিলেটের বন্দর আজার পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও করে অবস্থান নেন। প্রায় আধাঘণ্টাব্যাপী ফাঁড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন তারা।

    ফাঁড়িতেই রায়হানকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ করেছেন তারা। একই অভিযোগে রোববার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে এসএমপির কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি।

    বিক্ষোভকারীরা রায়হান হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানান। বক্তারা বলেন, রায়হান হত্যায় যাদের নাম এসেছে; তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার করা হোক।

    বেশ কয়েকটি দাবি জানিয়ে তারা বলেন, হত্যার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না। কেন তাদের মামলার আসামি করা হচ্ছে না। অভিযুক্তরা বাইরে এভাবে ঘোরাঘুরি করতে থাকলে মামলার তদন্তকাজ ব্যাহত হবে। তাই অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হেব।

    এদিকে, দুপুর ১২টায় সিলেট জেলা পরিষদের সামনে নগরের নেহারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা রায়হানকে পুলিশের হেফাজতে অমানবিক নির্যাতনে হত্যায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের শাস্তির দাবিতে ‘প্রিন্সিপাল হাবীবুর রহমান প্রজন্ম’ নামের একটি সংগঠন মানববন্ধন করেছেন।

    এতে সভাপতির বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের আহ্বায়ক ও জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজির বাজার সিলেটের প্রিন্সিপাল মাওলানা সামীউর রহমান মুসা।

    মাওলানা ফাহাদ আমানের পরিচালনায় এই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- জামেয়া মাদানিয়ার সাবেক ছাত্র পরিষদের সভাপতি হাফিজ মাওলানা সৈয়দ শামীম আহমদ, প্রজন্মের সদস্য সচিব ও জামেয়ার মুহাদ্দিস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ, মাওলানা তাজুল ইসলাম হাসান, জামেয়া তালিমুল কোরানের প্রিন্সিপাল মাওলানা ইমদাদুল হক নোমানী, জামেয়া মাদানিয়ার সহকারী শিক্ষা সচিব মাওলানা মুশফিকুর রহমান মামুন ও হাফেজ আব্দুল কাইয়ুম প্রমুখ।

    মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন, জনগণের নিরাপত্তায় যারা নিয়োজিত তাদের হাতে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নেই। ৩৬০ আউলিয়ার স্মৃতিবিজড়িত শান্তির শহর সিলেটে খুনি প্রদীপের প্রেতাত্মাদের স্থান হবে না। ঘুষ ও প্রতারণাকে বাণিজ্য করে এক শ্রেণির বিপথগামী পুলিশ যেমন আইনশৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটাচ্ছে, সেই সঙ্গে পুলিশের সুনাম ক্ষুণ্ন করে আসছে। এসব বিপথগামী পুলিশ সিলেটের পরিবেশের সঙ্গে বেমানান।

    বক্তারা আরও বলেন, সিলেট তার ইতিহাসে কখনও কোনো অপরাধীদের প্রশ্রয় দেয়নি; এবারও দেবে না। সিলেটের মানুষ আন্দোলনের ভাষা বোঝে আর সিলেটের আন্দোলনের ভাষা সারা দেশের মানুষও বোঝে। প্রশাসন যদি রায়হান হত্যায় জড়িতদের শাস্তি নিয়ে কোনো টালবাহানা করে তাহলে সিলেটবাসী বৃহৎ আন্দোলনের ডাক দেবে।