Category: আইটি টেক

  • নগ্ন ছবি লেনদেন আটকে দেবে গুগলের নতুন ফিচার

    নগ্ন ছবি লেনদেন আটকে দেবে গুগলের নতুন ফিচার

    সাইবার নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিতে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি নতুন ফিচার আনছে গুগল। যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফিচারটি হলো নগ্ন ছবি আদান-প্রদান সীমিত করার লক্ষ্যে আনা ফিচারটি।

    গুগলের এই ফিচারটি কারো ছবিতে নগ্নতা থাকলে সে ছবি পাঠানোর বিষয়ে ব্যবহারকারীরা সচেতন কিনা সে বিষয়টি নিশ্চিত করবে। এছাড়া এমন সব নগ্ন ছবি ঝাপসা করে দেবে।

    ফিচারটিতে ব্যবহার হয়েছে এমন টুল, যা ব্যবহারকারীর ফোনে থাকা এ ধরনের ছবি শনাক্ত করতে সক্ষম। এর ফলে মানুষের প্রাইভেসি সুরক্ষিত থাকবে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্ট।

    গুগল বলছে, ব্যবহারকারীর প্রাইভেসি রক্ষায় এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড মেসেজ কনটেন্ট কেবল আদান-প্রদানকারীর কাছে ব্যক্তিগত বা গোপন রাখতে ব্যবহার হয় ডিভাইসে।

    তারা বলছে, সংবেদনশীল কনটেন্টের সতর্কীকরণ বার্তাটি ব্যবহারকারীর ছবির বিভিন্ন কনটেন্টে প্রবেশাধিকার দেয় না গুগলকে। এমনকি গুগল এও জানে না, গোপন কোনো ছবি শনাক্ত হয়েছে কি না।

    এ নতুন ফিচারটি চালু হলে তা নগ্ন ছবি থাকতে পারে এমনসব ছবিকে দেখার আগেই চিহ্নিত করবে এবং কেউ এমন ছবি দেখতে চায় কি না তা যাচাইয়ের জন্য যোগ করবে একটি ‘স্পিড বাম্প’ও।

    এছাড়া কেউ এ ধরনের ছবি শেয়ার করতে বা ফরোয়ার্ড করতে চাইছেন সে ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটবে। এরপর এসব ছবির বিভিন্ন লিংক ও উৎস অন্তর্ভুক্ত হবে স্পিড বাম্প-এ এবং নগ্ন ছবি পাঠানোর ঝুঁকি ও আকস্মিক শেয়ার ঠেকানোর কথা ব্যবহারকারীদের মনে করিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করবে ফিচারটি।

    প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অপশনাল থাকলেও ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফিচারটি বাধ্যতামূলক করেছে গুগল। সামনের মাসগুলোতে অ্যান্ড্রয়েড ৯ বা এরপরের সংস্করণ ও গুগল মেসেজেস অ্যাপে চলে এমনসব ডিভাইসে ফিচারটি আনবে টেক জায়ান্টটি।

  • অন্য কেউ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছে কি না কীভাবে বুঝব?

    অন্য কেউ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছে কি না কীভাবে বুঝব?

    হোয়াটসঅ্যাপে লিঙ্কড ডিভাইস ফিচারের সাহায্যে ব্যবহারকারীরা দেখতে পারবেন তাদের অ্যাকাউন্টে কত জায়গায় লগ ইন করা আছে। এটি চেক করতে আপনাকে কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হবে। এজন্য প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপ খুলুন, তারপর সেটিংসে যান। এরপর লিঙ্কড ডিভাইসে যান। এখানে আপনি একটি তালিকা দেখতে পাবেন, যেখানে আপনার অ্যাকাউন্ট লগ ইন করা হয়েছে। এখানে লগ ইন করার সঙ্গে সঙ্গে আপনি লগ ইন করার সময়ও দেখতে পাবেন। আপনি যদি দেখেন, এখানে একটি ডিভাইস লিঙ্ক রয়েছে, যা আপনি ব্যবহার করছেন না, তাহলে অবিলম্বে এটি লগ আউট করে ফেলুন।

  • সারাদিন ল্যাপটপে কাজ, চোখের চাপ কমাতে যা করা উচিত

    সারাদিন ল্যাপটপে কাজ, চোখের চাপ কমাতে যা করা উচিত

    বর্তমান সময়ে কম-বেশি সবই কম্পিউটারের সামনে বসে অনেকক্ষণ ধরে কাজ করেন। কিংবা কেউ সারাদিন ল্যাপটপে কাজ করছেন। এতে দেখা আপনি ৮-৯ ঘণ্টা কাজ করছে। যে কারণে আপনার চোখের বারোটা বেজে যাচ্ছে। এতে আপনার অনেক সময় চোখ শুকিয়ে যায়। ক্লান্ত লাগে। আবার অনেকের চোখে প্রচুর চাপ সৃষ্টি হয়। চোখ ব্যথা করে, জ্বালাপোড়া করে।

    তাই আপনার চোখের বারোটা বাজার আগেই চোখের চাপ কমিয়ে ফেলুন। আপনি যদি চোখের চাপ কমাতে চান তা হলে সারাদিন কখনই ফোন ব্যবহার করবেন না কিংবা সারাদিন কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না।

    এখন কী করে বুঝবেন আপনার চোখে চাপের সৃষ্টি হচ্ছে। লক্ষণ যখন দেখবেন আপনার চোখ শুকিয়ে যাচ্ছে বা জ্বালাপোড়া করছে কিংবা চোখ ক্লান্ত লাগছে, ব্যথা করছে তাকাতে কষ্ট হতে পারে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে চোখ ঝাপসা হয়ে যায়। মাথাব্যথা হয়, আবার প্রচণ্ড পরিমাণে চোখ চুলকায়। কীভাবে মিলবে রেহাই। দূরের দিকে তাকান যদি আপনি চোখের এই চাপ কমাতে চান, তাহলে অন্তত কুড়ি সেকেন্ড দূরের দিকে তাকিয়ে থাকবেন। কাজ করতে করতে দূরের দিকে যদি তাকিয়ে থাকেন, তাহলে মানসিক চাপ কমার সঙ্গে সঙ্গে চোখের চাপও কমে আসবে।

    চোখের ব্যায়াম করুন চোখের বিশ্রাম দিন। চোখ বন্ধ করে থাকুন। চোখের ব্যায়াম করুন। এতে কিন্তু চোখের চাপ কিছুটা হলেও কমবে।

    আলো কমিয়ে কাজ করুন কম্পিউটার বা ফোনের। এতে আলো চোখে যেহেতু সমস্যা করে, তাই এই কম্পিউটার বা ফোনের আলো একটু কমিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন। মাঝে মধ্যে কাজ ছেড়ে উঠে বারবার চোখে পানি দিন। আলোর সামনে কাজ করুন যখন কম্পিউটার ব্যবহার করবেন তখন, কিন্তু দেখবেন আপনার কম্পিউটারের সামনে যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো থাকে। তাহলে কিন্তু চোখের চাপ একদমই হবে না।

    যদি আপনি নিত্যদিন আট-নয় ঘণ্ট কাজ করেন, তাহলে অবশ্যই সকালবেলা উঠে চোখের ব্যায়াম করুন। যদি পারেন সবুজ ঘাসের দিকে তাকিয়ে থাকুন। এতে আপনার চোখ ব্যথা থাকলে তাও কমবে। সেই সঙ্গে চোখের চাপ অনেকটাই কমবে। সঠিক লেন্স বা চশমা পরুন। এতে চোখের চাপ কমবে, সেই সঙ্গে বাড়বে দৃষ্টিশক্তিও। এমনকি মাথাব্যথার সমস্যা থাকলে তাও কমবে।

  • হোয়াটসঅ্যাপের ক্যামেরায় নতুন ফিচার

    হোয়াটসঅ্যাপের ক্যামেরায় নতুন ফিচার

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপ বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। বার্তা বিনিময়ের পাশাপাশি অডিও ও ভিডিও কল করার সুযোগ থাকায় ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজে অনেকেই হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। ফলে ব্যবহারকারীদের কথা ভেবে প্রায়ই নতুন নতুন ফিচার আনছে জনপ্রিয় এ অ্যাপটি।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এর প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে হোয়াটসঅ্যাপের ক্যামেরায় ছবি ও ভিডিও ধারণের সময় ব্যাকগ্রাউন্ড ও ইফেক্ট ব্যবহার করতে পারবেন। ফলে ব্যবহারকারীদের আর কোনো থার্ড পার্টির অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে না। নতুন এ ফিচার গুগল প্লে স্টোরের বিটা প্রোগ্রামের মাধ্যমে চালু করা হবে। হোয়াটসঅ্যাপের অ্যান্ড্রয়েডের (২.২৪. ২০.২০) সংস্করণের এসব ফিচার দেখা গেছে।

    নতুন ফিচারে ক্যামেরায় ফিলটার হিসেবে রয়েছে- ওয়ার্ম, কুল ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট, লাইট লিক, ড্রিমি, প্রিজম লাইট, ফিসআই, ভিনটেজ টিভি, ফ্রস্টেড গ্লাস এবং ডুও টোন। আর ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে রয়েছে, ব্লার, লিভিং রুম, অফিস, ক্যাফে, পেবেলস, ফুডি, স্মশ, বিচ, সানসেট, সেলিব্রেশস ও ফরেস্ট। ফিলটার ও ব্যাকগ্রাউন্ড আলাদাভাবে বা একইসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে। নতুন কম আলোতে ভালো ছবি তোলার জন্য হোয়াটসঅ্যাপে ‘লো লাইট মোড’ যুক্ত করা হয়েছে।

  • যেসব ভুলে হ্যাক হতে পারে স্মার্টফোন

    যেসব ভুলে হ্যাক হতে পারে স্মার্টফোন

    আপনি স্মার্টফোন ব্যবহার করলে আরও অনেক বেশি সতর্ক হতে হবে। স্মার্টফোন ব্যবহার করার সময় কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন তা জেনে নিতে পারেন। কারণ একটি ভুলের কারণে আপনার ফোন চিরতরে হ্যাক হয়ে যেতে পারে। এই জন্য আপনাকে প্রযুক্তির সঙ্গে অনেক কিছুর যত্ন নিতে হবে। আসুন এই বিষয় সব কিছু জেনে নেওয়া যাক।

    বর্তমানে মোবাইলফোনে কথা বলার সময়ও অনেক কিছু মাথায় রাখতে হয়। ফোনে কথা বলার সময় যদি আপনি এই বিষয়গুলি উপেক্ষা করেন, তাহলে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টও খালি হয়ে যেতে পারে।

    এই কারণেই এই সময়ে মানুষ খুব সতর্ক থাকে। আপনাকে সব থেকে বেশি সতর্ক থাকতে হবে যেন, ফোনে থাকা অবস্থায় কোনও অ্যাপ ইনস্টল না করা হয়। এই অ্যাপের মাধ্যমে হ্যাকাররা মোবাইল হ্যাক করে নেয়।

    তাই ভুল করেও কোনও অ্যাপ ইন্সটল করা উচিত নয়। তার মানে যদি কেউ আপনাকে আপনার ফোনে কোনও অ্যাপ ইনস্টল করতে বলে, আপনার তা করা উচিত নয়।

    সাম্প্রতিক সময় দেশে ভিপিএন-এর ব্যবহার অনেক বেশি হারে বেড়েছে। বর্তমানে ভিপিএন অ্যাপের সাহায্যে ইউজারদের ফোন হ্যাক করা হচ্ছে। আপনি যখনই কোনও অ্যাপ ইন্সটল করবেন তখন অনেক বিষয় মাথায় রাখবেন।

    সাধারণত আপনি যখনই একটি অ্যাপ ইনস্টল করেন এটি অ্যাক্সেসের জন্য জিজ্ঞাসা করে। আপনার এটা দেওয়া উচিত নয়। এটিকে অনুমতি দেওয়ার অর্থ হলো অ্যাপটি আপনার সম্পর্কে সমস্ত কিছুর তথ্য পেতে পারে৷

    অর্থাৎ আপনি কোনও অ্যাপ ব্যবহার করেন এবং এটি কীভাবে কাজ করে তা সবই ওই নতুন অ্যাপ আপনার ফোন থেকে জেনে নিতে সক্ষম হবে। এছাড়াও, কোন অ্যাপে আপনি দিনে সব থেকে বেশি সময় ব্যয় করেন তাও ওই সদ্য ইনস্টল হওয়া অ্যাপটি জানতে পারবে। অতএব আপনার এই অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।

  • ফোনের চার্জার সবসময়ই কেন সাদা বা কালো রংয়ের হয়?

    ফোনের চার্জার সবসময়ই কেন সাদা বা কালো রংয়ের হয়?

    ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন বা অন্য যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসে চার্জার খুই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। আমরা যেমন খাবার খেয়ে সুস্থ থাকি যা আমাদের গতিশীলতা এবং জীবনীশক্তি দেয়, ঠিক একইরকমভাবে ডিভাইসগুলোর জন্যও একই কাজ করে চার্জার। চার্জার ছাড়া যেকোনো ডিভাইসই বোঝা ছাড়া আর কিছু নয় – এটি অকেজো।

    তবে চার্জারের রং নিয়ে অনেকের মনে কৌতহল আছে। কেননা, খেয়াল করলে দেখবেন স্মার্টফোনের চার্জার বা অ্যাডাপ্টরের রঙ সাদা কিংবা কালো রঙের হয়। আপনি যদি মনে করেন, স্মার্টফোনের চার্জারের রঙের পেছনে কোন কারণ নেই তাহলে আপনার ধারণা ভুল।

    একটি নির্দিষ্ট কারণেই স্মার্টফোনের চার্জার শুধু কালো বা সাদা রঙের হয়ে থাকে। অনেকে মনে করেন যে কোম্পানিগুলোর টাকা বাঁচানোর জন্য এটা করে থাকে, কিন্তু আসল কারণটা অন্য কিছু।

    এখন অনেকেই লাল ওয়ানপ্লাস চার্জার নিয়ে কথা বলতে পারেন। তবে সেটার কেবল তারটি লাল এবং চার্জারটি কিন্তু সাদা। তাই প্রশ্ন থেকে যায়। সাদা এবং কালো ছাড়া অন্য রঙে চার্জার আসে না কেন?

    আসলে প্রতিটি রঙের ভিন্ন ভিন্ন তাপ পরিবাহী ক্ষমতা রয়েছে। অর্থাৎ, একেকটি রঙ একেক মাত্রায় তাপ শোষণ করে। এর মধ্যে সব থেকে বেশি তাপ শোষণ করতে পারে কালো রঙ। সেই জন্যই চার্জার মূলত কালো রঙের হয়। ওর মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ যায়, ফলে তা সহজেই গরম হয়ে ওঠে। বেশি গরম হয়ে গেলে তার পুড়ে যাবে, ডিভাইসেরও ক্ষতি হবে। কালো রঙে সে ভয় নেই, তাই চার্জার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কালো রঙের হয়। অন্য রঙ সহজেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    প্রকৃতপক্ষে, প্রতিটি রঙের একটি ভিন্ন তাপ পরিবাহিতা আছে। এর মানে হলো যে, প্রতিটি রঙ বিভিন্ন পরিমাণে তাপ শোষণ করে। এর মধ্যে কালো রঙ সবচেয়ে বেশি তাপ শোষণ করতে পারে। এই কারণে, চার্জার বেশিরভাগ কালো হয়। এর মধ্য বিদ্যুৎ দিয়ে যায়, তাই এটি সামান্য গরম হয়। যদি এটি খুব গরম হয়ে যায়, তাহলে এটি পুড়ে যেতে পারে এবং ডিভাইসের ক্ষতি হতে পারে। কালো রঙের চার্জারে ভয় নেই, তাই চার্জারটি প্রধানত কালো হয়। অন্যান্য রঙ সহজেই উত্তপ্ত হয়।

    এখানে আর্থিক দিকও আছে। কালো চার্জারগুলোর কাঁচামালের খরচ অন্যান্য রঙের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ফলে এটি কোম্পানিগুলোর জন্য খুবই সাশ্রয়ী।

    অবশ্য এই দুটি বৈশিষ্ট্য সাদা রঙের চার্জারেও পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। এ কারণেই আপনি সম্ভবত লক্ষ্য করেছেন যে, বেশিরভাগ গ্যাজেট নির্মাতারা আজকাল তাদের ডিভাইসের জন্য সাদা রঙের চার্জার অফার করে। কারণ সাদা রঙ কালো রঙ থেকে কম উত্তপ্ত হয়।

    ভিভো, অপো, ওয়ানপ্লাস, রেডমি ও রিয়েলমি-র মতো কোম্পানিগুলো বর্তমানে সাদা রঙের চার্জার অফার করছে। আর যখন অ্যাপলের কথা ওঠে আসে, তারা সবসময় সাদা চার্জার অফার করে এবং এখনও প্রযুক্তির বিশ্বে সেরার তকমা তাদেরই হাতে!

  • স্মার্টফোনে ব্যাক কভার লাগানো ভাল না ক্ষতিকর?

    স্মার্টফোনে ব্যাক কভার লাগানো ভাল না ক্ষতিকর?

    স্মার্টফোনকে ধুলা-ময়লার হাত থেকে রক্ষা ও আঘাতজনিত সমস্যা থেকে নিরাপদ রাখতে অনেকেই ব্যাক কভার ব্যবহার করে থাকেন। অনেকেই আবার ফোনকে সুন্দর দেখাতে পছন্দমতো ডিজাইন করিয়ে ব্যাক কভার ব্যবহার করেন।

    তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, ব্যাক কভার ব্যবহারে এসব সুবিধার বাইরে অনেক অসুবিধাও রয়েছে। ব্যাক কভার ব্যবহারের আগে জেনে নিন সে সব অসুবিধার কথা।

    ফোন গরম হয়ে যায়: ধাতব বা প্লাস্টিকের ব্যাক কভার লাগালে ফোন গরম হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে ব্যাটারিতে। চার্জ উঠতে সময় লাগে। তাছাড়া বারবার গরম হয়ে গেলে ফোন খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। কমে যায় আয়ুও।

    ডিজাইন এবং ফিনিশ: প্রত্যেক মডেলের নিজস্ব ডিজাইন রয়েছে। সেটাই ফোনকে অন্যের থেকে আলাদা করে তোলে। ব্যাক কভার লাগালে ডিজাইন চাপা পড়ে যায়। এতে ফোনের লুক নষ্ট হতে পারে।

    ওজন বৃদ্ধি: কিছু কিছু ব্যাক কভার মোটা এবং বেশ ভারি হয়। ফলে ফোনের ওজনও এক ধাক্কায় বেড়ে যায় অনেকটা। ফোন ব্যবহার করাও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

    ক্যামেরার গুণমান: অনেক সময় ব্যাক কভারের কারণে ক্যামেরার লেন্স ঢাকা পড়ে যায়। এর ফলে ফটো বা ভিডিওর গুণমানে প্রভাব পড়ে।

    সিগন্যালের সমস্যা: ধাতব ব্যাক কভারের কারণে নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সাধারণ ব্যাপার। যেখানে সিগন্যাল এমনিতেই কম, সেখানে সমস্যা আরও বেড়ে যায়।

    সব ব্যাক কভারই কি খারাপ: এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, সব ব্যাক কভারই কী খারাপ? না, তা নয়। বাজারে হালকা এবং পাতলা ব্যাক কভারও পাওয়া যায়। এগুলো ফোনে লাগালে কোনও ক্ষতি হয় না। বরং ফোনকে সুরক্ষা যোগায়। মাথায় রাখতে হবে, ভাল মানের ব্যাক কভার ফোনে কোনও খারাপ প্রভাব ফেলে না। দেখতেও সুন্দর লাগে।

    ব্যাক কভার লাগানো কি উচিত: যদি কেউ ফোনকে ধুলা, ময়লা এবং স্ক্র্যাচ থেকে রক্ষা করতে চায়, তা হলে হালকা ও পাতলা ব্যাক কভার বেছে নিতে পারেন। এতে কোনও ক্ষতি হবে না। তবে যদি কেউ ফোনের ডিজাইনকে অক্ষত রাখতে চান, তা হলে ব্যাক কভার ছাড়াই ফোন ব্যবহার করা উচিত।

  • কম বয়সি ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে ইনস্টাগ্রাম

    কম বয়সি ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে ইনস্টাগ্রাম

    সামাজিক মাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা ও তরুণ ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার নিশ্চিত করার জন্য একটি যুগান্তকারী উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে ইনস্টাগ্রাম। প্ল্যাটফর্মটিতে ১৮ বছরের কম বয়সি ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টগুলোকে ‘টিন অ্যাকাউন্ট’ সেটিংস যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে লাখ লাখ কিশোর-কিশোরীর অ্যাকাউন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রাইভেট করা হবে এবং অ্যাপটিতে তারা কোন ধরনের কনটেন্ট দেখতে পারবে তা সীমিত করা হবে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

    কিশোর–কিশোরীদের অ্যাপের মাধ্যমে অভিভাবকদের তত্ত্বাবধানে আসতে উৎসাহিত করার জন্যও নতুন বিধিনিষেধগুলো তৈরি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১৮ বছরের নিচের সব ব্যবহারকারীর জন্য নতুন ‘টিন অ্যাকাউন্ট’ সেটিংস প্রয়োগ করবে ইনস্টাগ্রাম। নতুন আপডেটের পরে ১৬–১৭ বছর বয়সী ব্যবহারকারীরা অ্যাপটিতে সেটিংস নিজেদের পছন্দমতো সাজাতে পারবে। কিন্তু ১৩–১৫ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য এ ধরনের পরিবর্তনের জন্য অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক হবে।

    গত কয়েক বছরে চালু করা ৩০টির বেশি স্বাস্থ্য বিষয়ক ও ‘প্যারেন্টাল ওভারসাইট’ টুলসের ওপর ভিত্তি করে নতুন ‘টিন অ্যাকাউন্ট’ সেটিংস তৈরি করেছে মেটা। এর আগের আপডেটগুলোর পরেও কোম্পানিটি সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। কারণ তারা নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত দায়িত্ব অভিভাবকদের এবং কিছু ক্ষেত্রে কিশোর–কিশোরীদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, প্যারেন্টাল সুপারভিশন টুলগুলো কিশোর–কিশোরীদের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এর মাধ্যমে তারা অ্যাপে রয়েছে তা অভিভাবকদের জানানো হয়।

    গত নভেম্বরে সিনেট সাবকমিটির শুনানিতে আর্টুরো বেজার নামের নতুন এক ফেসবুক কর্মী মেটার বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় কিশোরদের সুরক্ষায় কোম্পানিটির আরও বেশি পদক্ষেপ নেওয়ার চাপ আবারও বেড়ে যায়। তিনি অভিযোগ করেন, সিইও মার্ক জাকারবার্গসহ মেটার উচ্চ পর্যায়ের নির্বাহীরা বছরের পর বছর ধরে কিশোর–কিশোরীদের প্ল্যাটফর্মগুলোর কীভাবে ক্ষতি করছে সে বিষয়ে সতর্কতা উপেক্ষা করেছেন।

    ‘টিন অ্যাকাউন্ট’ আপডেটের ফলে ১৮ বছরের নিচে নতুন এবং বিদ্যমান ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রাইভেট করা হবে এবং সবচেয়ে কঠোর ম্যাসেজিং সেটিংসে রাখা হবে। এই সংশোধনের মাধ্যমে কিশোর–কিশোরীরা কেবল ফলো করা অ্যাকাউন্টের কাছ থেকে মেসেজ পাবেন। আরা কেবল সেই সব ব্যক্তিরা কিশোর–কিশোরীদের ছবিতে বা মন্তব্যে ট্যাগ করতে পারবে যাদের কিশোর–কিশোরীরা ফলো করে।

    এসব পরিবর্তন আগামী সপ্তাহ থেকে কিশোর–কিশোরীদের জানাতে শুরু করবে ইনস্টাগ্রাম। এছাড়া কিশোর–কিশোরীদের ইনস্টাগ্রাম সবচেয়ে কঠোর কনটেন্ট কন্ট্রোল সেটিংসে রাখা হবে। এই পরিবর্তনের ফলে তাদের এক্সপ্লোর পেজ ও রিলসে ‘সংবেদনশীল’ কনটেন্ট কম দেখাবে। যেমন–প্লাস্টিক সার্জারির প্রচারমূলক পোস্ট।

    এই ধরনের কৌশল সীমিত আকারে বছর শুরুর দিকে বাস্তবায়ন শুরু করেছিল ইনস্টাগ্রাম। কিশোর–কিশোরীরা প্রতিদিন অ্যাপে ১ ঘণ্টা কাটানোর পর বের হওয়ার জন্য একটি নোটিফিকেশন পাবে। এছাড়া অ্যাপটি রাত ১০টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত ‘স্লিপ মোড’ থাকবে। মোডটি যা নোটিফিকেশন বন্ধ করে এবং ডাইরেক্ট মেসেজে স্বয়ংক্রিয় বার্তা পাঠাবে। অর্থাৎ এই সময়ে অন্য কারও মেসেজ অ্যাপে আসবে না। মেসেজগুলো এই সময়সীমার পরে দেখাবে।

    আগামী সপ্তাহ থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ নির্বাচিত দেশগুলোতে সব কিশোর অ্যাকাউন্টের জন্য পরিবর্তনগুলো প্রয়োগ করার পরিকল্পনা করছে ইনস্টাগ্রাম।

    অ্যাপটিতে নতুন প্যারেন্টাল সুপারভিশন টুল ফিচারও যোগ করা হবে। এর মাধ্যমে সন্তানেরা সম্প্রতি কী কী অ্যাকাউন্টে মেসেজ পাঠিয়েছে তা অভিভাবকেরা দেখতে পারবেন। এ ছাড়া ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের জন্য মোট দৈনিক সময়সীমা নির্ধারণ করতে পারবেন, রাতে বা নির্দিষ্ট সময়ে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার থেকে সন্তানদের ব্লক করতে পারবেন এবং কিশোর–কিশোরী যেসব ধরনের কনটেন্ট দেখতে চায় সেগুলো সম্পর্কে তথ্য পাবেন অভিভাবকেরা।

    আগামী ৬০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার সব কিশোর–কিশোরীদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পরিবর্তনগুলো কার্যকর হবে। পরবর্তীতে অন্যান্য দেশেও তা কার্যকর করা হবে।

    মেটা দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। সমালোচকেরা দাবি করেন, নিরাপত্তা সীমাবদ্ধতা এড়ানোর জন্য কিশোর–কিশোরীরা নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরির সময় বয়স সম্পর্কে মিথ্যা বলার বিরুদ্ধে যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

    কোম্পানিটি বলেছে, তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি প্রয়োগ করছে যা ভুল জন্মতারিখ উল্লেখ করা কিশোর–কিশোরীদের অ্যাকাউন্ট শনাক্তে সাহায্য করবে।

    নতুন ফিচারগুলো তাদের সেফটি অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলের সঙ্গে পরামর্শ করে তৈরি করা হয়েছে। এই কাউন্সিলে স্বাধীন অনলাইন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং সংগঠন, যুব পরামর্শদাতা গোষ্ঠী, এবং অন্যান্য কিশোর, অভিভাবক ও সরকারি কর্মকর্তা রয়েছে।

  • বড়সড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে গুগল প্লে স্টোরে

    বড়সড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে গুগল প্লে স্টোরে

    বড়সড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে গুগল প্লে স্টোরে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্লে স্টোর থেকে হাজার হাজার অ্যাপ ডিলিট করা হতে পারে। মূলত ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা এবং গুগল প্লে স্টোরকে আরও নিরাপদ করার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে বিশ্বের কোটি কোটি অ্যান্ড্রয়েড ইউজারদের ওপর। 
    গুগল প্লে স্টোরে নতুন পরিবর্তন ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যদিও এই পরিবর্তনের ফলে কিছু ব্যবহারকারী অসুবিধায় পড়তে পারেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি ব্যবহারকারীদের জন্যই উপকারী হবে। 

    গত কয়েক বছরে অনেক ব্যবহারকারী ম্যালওয়্যার ধারণকারী অ্যাপের শিকার হয়েছেন, যার ফলে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হয়েছে। এমনকি এক নারী একটি ক্রিপ্টো অ্যাপের শিকার হয়েছিলেন, যার ফলে তিনি বিপুল অর্থ হারিয়েছিলেন। এই ধরনের ঘটনাগুলো গুগলকে প্লে স্টোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করতে বাধ্য করেছে।

    গুগল প্লে স্টোরের নিরাপত্তা নিয়ে আগেও প্রশ্ন উঠে ছিল। মেটা সুইজারল্যান্ডের ইপিএফএল এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলো অ্যান্ড্রয়েডের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সময়ে সময়ে প্লে স্টোর থেকে অনেক বিপজ্জনক অ্যাপ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। হ্যাকাররা প্লে স্টোরের অ্যাপগুলোর মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ডাটা চুরি ও প্রতারণা করেছে।

    গুগলের নতুন নীতি অনুযায়ী, তৃতীয় পক্ষ অ্যাপ স্টোর থেকে এপিকে আপলোড করা নিষিদ্ধ হবে। এর ফলে ব্যবহারকারীরা আর প্লে স্টোরের বাইরে থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে পারবেন না। এই নতুন নিয়মের ফলে ম্যালওয়্যার ধারণকারী অ্যাপগুলো প্লে স্টোরে প্রবেশ করার সম্ভাবনা কমবে এবং ব্যবহারকারীরা আরও নিরাপদ থাকবে।

  • ইন্টারনেট ছাড়া ইউটিউব দেখার উপায়

    ইন্টারনেট ছাড়া ইউটিউব দেখার উপায়

    ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবের জনপ্রিয়তা এখন সারাবিশ্বেই। প্রতিদিন বিশ্বব্যাপী কয়েকশো কোটি গ্রাহক এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন। শুধু বিনোদনের জন্যই নয় কন্টেন্ট তৈরি করে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করা যায় ইউটিউব থেকে।

    ইউটিউব দেখতে আপনার স্মার্টফোনে ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে, একথা সবারই জানা। তবে সব সময় হয়তো ইন্টারনেট থাকে না। অনেক সময় স্লো ইন্টারনেট কানেকশনের কারণে ভিডিও স্ট্রিমিং বন্ধ করে দিতে হয়। এবার আপনি ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই ইউটিউবে ভিডিও দেখতে পারবেন।

    এজন্য অতিরিক্ত কোনো অ্যাপও ডাউনলোড করতে হবে না। আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড উভয় গ্রাহকরা অফিশিয়াল ইউটিউব অ্যাপ থেকেই অফলাইনে প্রায় সব ভিডিও দেখার সুযোগ পাবেন। চলুন দেখে নেওয়া যাক কীভাবে ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই অফলাইনে ইউটিউবে ভিডিও দেখবেন-

    প্রথমে নিজের ফোনের ইউটিউব অ্যাপ ওপেন করুন।
    হোম পেজে ডান দিকে উপরে সার্চ আইকনে ট্যাপ করুন।
    এবার যে ভিডিও অফলাইনে দেখতে চান সেই ভিডিওটি সার্চ করুন।
    ভিডিও স্ট্রিমিং শুরু হলে নিচে ডাউনলোড আইকনে ট্যাপ করুন।
    এরপরে ডাউনলোডের কোয়ালিটি বেছে নিন।
    এবার অফলাইনে ইউটিউবের হোম পেজ থেকে ডাউনলোড অপশনে গিয়ে ভিডিও দেখতে পারবেন।