Category: আইটি টেক

  • ইনস্টাগ্রাম থেকে মেসেঞ্জারে চ্যাটিংয়ের সুযোগ

    ইনস্টাগ্রাম থেকে মেসেঞ্জারে চ্যাটিংয়ের সুযোগ

    ইনস্টাগ্রাম থেকে মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের সঙ্গে চ্যাটিংয়ের সুযোগ দেয়ার আপডেট শুরু করেছে অ্যাপ দুটির মালিকানাধীন কোম্পানি ফেইসবুক।

    প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় অনেক আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ব্যবহারকারী তাদের ইনস্টাগ্রাম মোবাইল অ্যাপে নোটিফিকেশন পান। সেখানে লেখা ছিল, ‘ইনস্টাগ্রামে বার্তা পাঠানোর নতুন উপায় এসেছে।’

    সেখানে অনেক নতুন ইমোজি দেখা যায়। সঙ্গে লেখা, ‘ফেইসবুক ব্যবহারকারী বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট করুন।’

    আপডেটে টাচ করার পর ইনস্টাগ্রামের উপরের ডান কোনার ডিএম আইকন ফেইসবুক মেসেঞ্জার লোগোতে প্রতিস্থাপন হয়।

    ভার্জ জানিয়েছে, আপডেট আসা শুরু করলেও ঠিক এই মুহূর্তে ফেইসবুক ব্যবহারকারীরা ইনস্টাগ্রাম থেকে চ্যাটিং করতে পারছেন না। কবে নাগাদ এভাবে চ্যাট করা যাবে, সেটি এখনো স্পষ্ট করেনি প্রতিষ্ঠানটি।

    ফেইসবুক তাদের মালিকানাধীন আরেক অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের সঙ্গেও মেসেঞ্জার মার্জ করার কথা আগে জানিয়ে রেখেছে।

    গত বছর ফেইসবুক জানায়, যাদের একটি অ্যাপ আছে তারা অন্য অ্যাপ ব্যবহারকারীদের সঙ্গেও যাতে কথা বলত পারেন, তার ফিচার যুক্ত করা হচ্ছে।

    ১ বিলিয়ন ডলার দিয়ে ২০১২ সালে ইনস্টাগ্রাম অধিগ্রহণ করে ফেইসবুক। দুই বছর বাদে ১৯ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে নিয়ে নেয় হোয়াটসঅ্যাপ।

  • হ্যাকারদের ফাঁদে পা দিচ্ছেন না তো!

    হ্যাকারদের ফাঁদে পা দিচ্ছেন না তো!

    আপনার ব্যবহৃত ল্যাপটপ বা মুঠোফোনের হোয়াটসঅ্যাপে ‘কিউআর কোড’ স্ক্যানে ফাঁস হচ্ছে ব্যক্তিগত তথ্য। আপনি কি জানেন, আপনার মুঠোফোনের হোয়াটসঅ্যাপ তৃতীয় কোনো ব্যক্তি দেখছেন? হ্যাঁ, আপনি একটি ভুল পদক্ষেপ করলেন আপনার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ‘হ্যাক’ হতে পারে! ভাবছেন কি করে?

    এই হ্যাকিং হয়ে থাকে ‘কিউআর হাইজ্যাক’ কোডের মাধ্যমে। সাধারণত আমরা ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে কিংবা মুঠোফোনে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চালু করি হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েবের মাধ্যমে। সেটা তো সুরক্ষিত।

    কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, অফার সংক্রান্ত প্রতিদিন কোনো না কোনো ইমেইল আসে। যেখানে অফার নিতে হলে কিউআর কোড দেওয়া হয়। সেটা আপনাকে আপনার হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে স্ক্যান করতে বলা হয়। সেটি স্ক্যান করলেই আপনার অ্যাকাউন্টের সব তথ্য চলে যাবে হ্যাকারের কাছে, অনেক সময় বিভিন্ন পার্টির কাছে কিউআর কোড থাকে। যেটা স্ক্যান করে নাম নথিভুক্ত করতে বলা হয়। তাহলে পাওয়া যায় লোভনীয় ছাড়।

    আসলে অনেক ক্ষেত্রে হ্যাকাররা হোয়াটসঅ্যাপের মধ্যে একটি কৃত্রিম কিউআর কোড তৈরি করে। যেটা আসলে ‘কিউআর হাইজ্যাক’ কোড।

    ইতিমধ্যে দেখা যায়, হ্যাকারের ফাঁদে পরেছেন বেশ কয়েকজন। এই ধরন একদম নতুন। কোনো ব্যক্তির যাবতীয় তথ্য হ্যাকার পেয়ে যাচ্ছে। ইচ্ছা মতো ব্যবহার করতে পারে। করতে পারে ব্ল্যাকমেলও!

    হ্যাক হলে যা করবেন

    আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে প্রথমেই হোয়াটসঅ্যাপটি আনইনস্টল করতে হবে। পুনরায় নতুন করে ইনস্টল করতে হবে। এর ফলে আপনার সিকিউরিটি কোড বদলে যাবে। অথবা অন্য ডিভাইস লগ অন থাকলে সেটা লগ আউট করে দিন। সেটা না করলে হ্যাকার তার ইচ্ছা মতো যতদিন খুশি আড়ি পাততে পারে।

  • ফটোল্যাব ব্যবহারকারীর তথ্য যাচ্ছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থায়

    ফটোল্যাব ব্যবহারকারীর তথ্য যাচ্ছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থায়

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ ইন্টারনেট দুনিয়ার নতুন ট্রেন্ড ‘ফটোল্যাব’। স্মার্টোফোনভিত্তিক অ্যাপটিতে ছবি আপলোড করলেই সেটিকে আরও আকর্ষণীয়, ঝকঝকে-চকচকে করে ব্যবহারকারীকে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এটা কী শোভনীয়? সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন ছবি পাওয়ার বিনিময়ে যে তথ্য অ্যাপটির সঙ্গে গ্রাহকরা শেয়ার করছেন, আশঙ্কা রয়েছে সেগুলো চলে যাচ্ছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের লিনারক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের মালিকানাধীন ফটোল্যাবের সঙ্গে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যকার সম্পর্ক বুঝতে হলে যেতে হবে একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর কাছে মানুষের মুখমণ্ডল চিনতে পারা (ফেস রিকগনিশন) এবং বিশ্লেষণী সফটওয়্যার বিক্রি করতো টেক জায়ান্ট আইবিএম। কিন্তু সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে এসব প্রযুক্তি আর বিক্রি করবে না বলে মার্কিন কংগ্রেসকে এক চিঠিতে সাফ জানিয়ে দেয় আইবিএমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অরভিন্দ কৃষ্ণা। আর ঠিক এখানেই জন্ম নেয় ফটোল্যাব ট্রেন্ড।

    প্রযুক্তিভিত্তিক মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ভার্জ বলছে, ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় লিনারক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। এবং তাদের মালিকানায় ১৪টি অ্যাপ আছে বর্তমানে। এগুলোর বেশির ভাগই ছবি সংক্রান্ত এবং ফটোল্যাব অ্যাপটিও ২০১০ সালেই তৈরি হয়। এত বছর অ্যাপটি আলোচনায় না এলেও আইবিএম ফেস রিকগনিশন বন্ধ করার কিছুদিনের মধ্যেই দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় অ্যাপটি। আর প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের সন্দেহ ঠিক এখানেই।

    সাইবার-৭১ এর পরিচালক আব্দুল্লাহ আল জাবের হৃদয় বলেন, আইবিএম ফেস রিকগনিশন বন্ধ করার পরপরই বহুদিন আগে প্রতিষ্ঠিত ফটোল্যাব। কিন্তু আলোচনায় না থাকা একটি অ্যাপের হঠাৎ এমন ভাইরাল হয়ে যাওয়াটা সন্দেহজনক। এছাড়াও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, আপলোডের সময় ফটোল্যাবকে যে ছবি দিচ্ছেন, সেটি হাই রেজ্যুলেশনে তাদের কাছেই থেকে যাচ্ছে। ফেসবুক, গুগলের কাছেও ছবি থাকে, কিন্তু সেগুলো হাই রেজ্যুলেশনে থাকে না। যে কারণে হাই রেজ্যুলেশনে ছবি আপলোডের জন্য ফেসবুক একটি আলাদা প্ল্যাটফর্ম খুলেছে ব্যবহারকারীদের জন্য, যেটি ইনস্টাগ্রাম। আসলে ফটোল্যাব যেটা করছে, তা হচ্ছে হাই রেজ্যুলেশনে থাকা ছবিগুলোকে ‘ডাটা’ হিসেবে সংরক্ষণ করছে; সেগুলোতে ফেস রিকগনিশন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এসব ব্যবহার করে তারা সেগুলো থেকে আরও তথ্য পাচ্ছে। আর এসব তথ্যই বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহার করা হয়।

    জাবের আরও বলেন, প্রযুক্তি জগতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভূমিকা যদি দেখেন, তাহলে দেখা যাবে, আগে থেকেই অস্তিত্ব আছে এমন একটি প্ল্যাটফর্মকে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করেছে তারা। প্রতিষ্ঠার পর তেমন পরিচিতি না পেলেও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অন্তর্ভুক্তিতে রাতারাতি আলোড়ন তৈরি করে প্ল্যাটফর্মগুলো। একই কাজ ফটোল্যাবের সঙ্গে করা হয়েছে। খেয়াল করলে দেখবেন অনেকদিন পর গেল ১৫ জুন অ্যাপটিকে হালনাগাদ করা হয়েছে। এটাকে ‘ট্রেন্ড’ হিসেবে বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে নতুন নতুন ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে যে বিপুল পরিমাণ তথ্য তাদের সার্ভারে জমা হচ্ছে, সেগুলো ওদের কাছে ‘গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ’। এগুলো বিশ্লেষণ করে যে তথ্য বের হবে, সেগুলো আরও গুরুত্বপূর্ণ হবে। এমনকি আমরাও জানি সাইবার ওয়ার্ল্ডের এই যুগে তথ্যই সম্পদ।

    আরেক সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক তানভীর হাসান জোহা বলেন, আপনার ডিভাইসে অ্যাপটি কাজ করতে যেসব বিষয়ের ওপর কর্তৃত্ব (এক্সেস) চায়, সেদিকে একটু খেয়াল করুন। দেখবেন অ্যাপটি আপনার ডিভাইসের স্টোরেজের এক্সেস চায়। আপনার স্টোরেজ থেকে যেকোনো ফাইল সে রিড করতে পারবে, চাইলে মুছেও দিতে পারে। এমনকি আপনার ফোনে থাকা সব কনট্যাক্টস অর্থাৎ যেসব মানুষের নাম, নম্বর এবং ই-মেইল এড্রেস সংরক্ষণ করে রেখেছেন, সেগুলোও তারা এক্সেস নিয়ে পড়তে বা মুছে ফেলতে পারবে। এছাড়া আরও অনেক বিষয়ে তারা এক্সেস নেয়। তারপর অ্যাপটি ব্যবহার করা যাবে। আর এসব এক্সেস থেকে তারা যে তথ্যগুলো পাবে, সেগুলো তারা সংরক্ষণ করে রাখবে। এটা একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে তো বটেই এমনকি তার পরিচিত সবার গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তার জন্যও চরম ঝুকিপূর্ণ।

    জোহা বলেন, একটা উদাহরণ দিই। অনেকেই আছেন যারা ব্যাংকের একাউন্ট নম্বর, এটিএম কার্ড নম্বর এমনকি পিন কোড সহজে মনে রাখার জন্য মোবাইলে সেভ করে রাখেন। এখন এসব তথ্য অন্য কারও হাতে গেলে কী হতে পারে একবার ভাবুন। বিভিন্ন সময়ে আমরা এ ধরনের স্ক্যামের খবর পাই। সেগুলো কীভাবে সম্ভব হয়? এগুলোও অন্যতম কারণ।

    সূত্র: বাংলানিউজ

  • মেসেঞ্জারে ঢুকতে পাসওয়ার্ড লাগবে

    মেসেঞ্জারে ঢুকতে পাসওয়ার্ড লাগবে

    করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ফেসবুকের মেসেঞ্জারের ব্যবহার বেড়েছে। মেসেঞ্জারে বার্তা আদান–প্রদানের সুবিধাটিকে আরও ব্যক্তিগত রাখার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ফিচার যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। মেসেঞ্জারে যুক্ত হচ্ছে ফেস আইডি, টাচ আইডি বা পাসকোড ব্যবস্থা। এতে ব্যবহারকারী মেসেঞ্জার ‘লক’ করে রাখতে পারবেন, যাতে অন্য কেউ ব্যক্তিগত বার্তা দেখতে না পারেন।

    প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট এনগ্যাজেট এক প্রতিবেদনে বলেছে, ফেসবুক বর্তমানে মেসেঞ্জারের নিরাপত্তা ফিচারগুলো নিয়ে পরীক্ষা করছে। এসব ফিচার চালু হলে ব্যবহারকারীকে তাঁর মেসেঞ্জারের ইনবক্সে ঢুকতে হলে পাসওয়ার্ড বা আইডি দিয়ে ঢুকতে হবে। ফোন আনলক করা থাকলেও মেসেঞ্জারে আইডি দিয়ে ঢুকতে হবে। অ্যাপ ছেড়ে যাওয়ার কতক্ষণ পর তা লক হবে, সে সময়ও ঠিক করে দেওয়ার সুবিধা থাকবে।

    এনগ্যাজেটকে ফেসবুকের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা ব্যবহারকারীদের কাছে তাঁদের আরও বেশি পছন্দের ও নিয়ন্ত্রণের সুবিধা তুলে দিতে চাই, যাতে তাঁরা ব্যক্তিগত বার্তা সুরক্ষিত রাখতে পারেন। সম্প্রতি আমরা এ রকম ফিচার পরীক্ষা শুরু করেছি যাতে ডিভাইস সেটিংস ব্যবহার করে মেসেঞ্জার অ্যাপ খুলতে হবে। কেউ যাতে হুট করে বার্তা পড়ে ফেলতে না পারে, সে জন্যই প্রাইভেসির বাড়তি স্তর যুক্ত করা হচ্ছে।’

    গত মাসেই ফেসবুক তাদের ভিডিও কনফারেন্সিং টুল ‘মেসেঞ্জার রুমস’ চালু করেছে। এতে ৫০ জন একসঙ্গে যুক্ত হতে পারেন এবং ফেসবুক অ্যাকাউন্ট না থাকলেও এতে যুক্ত হওয়া যায়। মেসেঞ্জার রুমস সৃষ্টির ফিচারটি আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ ও ম্যাকওএস অপারেটিং সিস্টেমে চালু হয়েছে।

  • ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে ফেরত পাবেন যেভাবে

    ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে ফেরত পাবেন যেভাবে

    অসাবধানতাবশত অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিংয়ে আর্থিক লেনদেনের টাকা ভুল নাম্বারে চলে যায়। বেশির ভাগ ভুক্তভোগীরা ফেরত পান না সে টাকা। এ সমস্যায় কী কী করণীয় তার একটি নির্দেশনা দিয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিসের বিকাশ, রকেট ও নগদ।

    তিন কর্তৃপক্ষ প্রথমেই যে পরামর্শ দিচ্ছে তা হলো, টাকা ভুল নম্বরে গেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রাপককে ফোন দেবেন না। কারণ ভুলবশত অন্য নম্বরে টাকা চলে গেলে, তা ফেরত দেয়ার মানসিকতা খুব কম লোকই রাখে। তাই তিনি টাকা উঠিয়ে ফেললে ভুক্তভোগীর করার কিছুই থাকবে না।

    ভুলবশত কোনো নম্বরে টাকা গেলে প্রথমে কাছের থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। সেখানে ট্রানজেকশন নম্বর নিয়ে জিডি করে যত দ্রুত সম্ভব সেই জিডি কপি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিসের অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    যোগাযোগের পর কর্মকর্তারা জিডি কপি ও মেসেজ খতিয়ে দেখেন। এরপর ভুলে টাকা চলে গেলে ওই ব্যক্তির বিকাশ রকেট বা নগদ অ্যাকাউন্ট টেম্পোরারি লক করে দেয়া হয়। যাতে তিনি কোনো টাকা তুলতে না পারেন।

    পরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন বিকাশ কর্মকর্তারা। প্রাপক ফোন ধরে যদি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওই টাকা নিজের নয় বলে জানান, তখন অফিস থেকেই ওই টাকা নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে স্থানান্তর করে কোম্পানিগুলো।

    আর যদি ওই ব্যক্তি নিজের টাকা বলে দাবি করেন, তবে সাত কর্ম দিবসের মধ্যে তাকে প্রমাণসহ অফিসে এসে অ্যাকাউন্ট ঠিক করে নিতে নির্দেশ দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    সেই নির্দেশনা না মেনে পরবর্তী ৬ মাসে ব্যক্তি না এলে ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যাবে। এর পরবর্তী ৬ মাসেও না এলে অ্যাকাউন্টটি স্থায়ীভাবে অটো ডিজেবল হয়ে যাবে।

  • ফেসবুক ‘রুম’ চালু করে দিল

    ফেসবুক ‘রুম’ চালু করে দিল

    করোনা পরিস্থিতিতে গ্রুপ ভিডিও কলের চাহিদা বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে ‘জুম’ অ্যাপটিকে টক্কর দিতে ‘রুম’ ফিচার উন্মুক্ত করল ফেসবুক। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে বিশ্বব্যাপী ফেসবুক ব্যবহারকারীদের রুম ফিচারটি ব্যবহারের সুযোগ চালু করার কথা জানিয়েছে ফেসবুক।

    তিন সপ্তাহ আগে রুম ফিচারটি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিল ফেসবুক। জুম ব্যবহারকারীদের টেনে আনতে রুমে বেশ কিছু সহজ সুবিধা যুক্ত করার কথা বলেছে ফেসবুক। রুমে একসঙ্গে ৫০ জনের সঙ্গে গ্রুপ ভিডিও কল করা যাবে। ফেসবুক ও মেসেঞ্জার থেকে লিংক শেয়ার করে ফেসবুকের বাইরের মানুষকেও রুমে আমন্ত্রণ জানানো যাবে।

    মেসেঞ্জারের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্ট্যান চেরনোভস্কি এক ব্লগ পোস্টে বলেন, ফেসবুক নিউজ ফিড, গ্রুপ ও ইভেন্টসে রুম শেয়ার ও শুরু করা যাবে। এতে যেকোনো জায়গা থেকে সহজে আমন্ত্রণ জানানো যাবে। কারা কারা যুক্ত হতে পারবেন, তা ঠিক করতে পারবেন রুম ব্যবহারকারী।

    ফেসবুকের ব্লগ পোস্টে বলা হয়, বৈশ্বিক ব্যবহারকারীরা মেসেঞ্জার থেকে রুম চালু আর উত্তর আমেরিকার ব্যবহারকারীরা ফেসবুক থেকে তা করতে পারবেন। এ জন্য ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের হালনাগাদ অ্যাপ থাকতে হবে। উইন্ডোজে মেসেঞ্জার ডেস্কটপ অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে হবে। ম্যাক ব্যবহারকারীরাও ম্যাক অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারবেন।

    ফেসবুক সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপে মেসেঞ্জার রুম সেবাটি পরীক্ষা করছে বলেও জানা গেছে। অ্যান্ড্রয়েডে হোয়াটসঅ্যাপের বিটা সংস্করণে এ সুবিধাটি দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, শিগগির হয়তো হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রামেও এটি যুক্ত করতে পারে ফেসবুক।

  • ইন্টারনেট গ্রাহক ৩ মাসে বেড়েছে ৪০ লাখ

    ইন্টারনেট গ্রাহক ৩ মাসে বেড়েছে ৪০ লাখ

    দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে। জানুয়ারি মাস শেষে দেশে মুঠোফোন, ব্রডব্যান্ড ও অন্যান্য মাধ্যমভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ৯ কোটি ৯২ লাখ ৪৬ হাজার। এই সংখ্যা মার্চের শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৩২ লাখ ৫৩ হাজারে। অর্থাৎ তিন মাসে ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে ৪০ লাখ।

    বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) হিসাবে, ইন্টারনেট গ্রাহক বেশি বেড়েছে মার্চ মাসে। ফেব্রুয়ারি শেষে ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল ১০ কোটির কিছু কম। মার্চে তা ৩২ লাখ বেড়েছে।

    সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, করোনাভাইরাস ঠেকাতে দেওয়া সাধারণ ছুটির মধ্যে মানুষ ইন্টারনেট বেশি ব্যবহার করছে। আবার এই সময়ে অনেক নতুন গ্রাহকও তৈরি হয়েছে। মানুষ ফোনে কল করে কথা বলা কমিয়ে বিভিন্ন ধরনের ওভার দ্য টপ (ওটিটি) ভিত্তিক মাধ্যম ব্যবহার করে কথা বলছে। এর মধ্যে রয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার, ইমো ইত্যাদি।

    জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার প্রথম আলোকে বলেন, এখন ইন্টারনেট মানুষের নিত্যদিনের প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এই বৃদ্ধি অস্বাভাবিক নয়। তিনি আরও বলেন, এখন জীবনযাপনের লাইফলাইন ইন্টারনেট। অফিস করতে হচ্ছে ইন্টারনেটে। ব্যবসা ইন্টারনেটে। বিচারকাজও ইন্টারনেটে শুরু হয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইন্টারনেটের প্রয়োজনীয়তার মধ্যেই বসবাস করছিলাম। এখন করোনার কারণে ঘাড়ের ওপর এসে পড়েছে। করোনা শেষেও ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়বে।’
    আলোচ্য সময়ে মুঠোফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৭ লাখ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ৫২ লাখে। অন্যদিকে ব্রডব্যান্ড ও অন্যান্য মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে ২৩ লাখ। এসব মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে ৮০ লাখ ছাড়িয়েছে।
    মোবাইল অপারেটরগুলো মানুষের বাড়তি ইন্টারনেট ব্যবহার করার প্রবণতার কথা জানিয়েছে।দেশে কেউ ৯০ দিনের মধ্যে একবার ব্যবহার করলেই তাঁকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।

    এদিকে মুঠোফোন গ্রাহকের সংখ্যা সার্বিকভাবে কমেছে। মার্চ শেষে মুঠোফোন ব্যবহারকারী সক্রিয় গ্রাহকের সংখ্যা কমে হয়েছে ১৬ কোটি ৫৩ লাখের কিছু বেশি। যেটা জানুয়ারির তুলনায় ৩ লাখের মতো কম। জানুয়ারি শেষে মুঠোফোন গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৫৬ লাখ।

    মার্চ শেষে গ্রামীণফোনের গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৫৩ লাখ, যা জানুয়ারি শেষে ছিল ৭ কোটি ৬৪ লাখ ৬৯ হাজার। এর মানে হলো, গ্রামীণফোনের গ্রাহকসংখ্যা বেশ কমেছে। এর অবশ্য একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে কোম্পানিটি। তারা বলছে, তাদের কাছে বিক্রি করার মতো নম্বর ছিল না। আর নিয়মিত কিছু পুরোনো নম্বর নিষ্ক্রিয় হয়েছে।

    মার্চ শেষে রবি আজিয়াটার গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৯৭ লাখের কিছু বেশি। তিন মাসে রবির গ্রাহক ৪ লাখ বেড়েছে। একই সময়ে বাংলালিংকের গ্রাহক দাঁড়ায় ৩ কোটি ৫৪ লাখের মতো। তাদের গ্রাহকও ৪ লাখের বেশি বেড়েছে। টেলিটকের গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ৪৯ লাখের কিছু বেশি, যা জানুয়ারির তুলনায় কিছুটা বাড়তি।

  • ফেসবুক যেন নির্বাচনের ময়দান, A , B কমেন্টে দিশেহারা মানুষ

    ফেসবুক যেন নির্বাচনের ময়দান, A , B কমেন্টে দিশেহারা মানুষ

    তানজিম হোসাইন রাকিব:এ যেন রাজনৈতিক নির্বাচন | ইনবক্স এর টোনটা শুধু বলে ভোট দিন, ভোট দিন | বেশ কিছু দিন ধরে ফেসবুকের নিউজফিডে ঢুকলেই সবচেয়ে বেশী যে চিত্রটি লক্ষ করা যায় তা হল দুই জন মানুষের ছবি পাশাপাশি বসিয়ে একজনকে সম্বোদ্ধন করা হয় A অন্যজনকে সম্বোদ্ধন করা হয় B তার উপরে ক্যাপশন থাকে ভোট দিন | কমেন্টে যার সমর্থক বেশি থাকে তাকে বিজয়ী বলে গন্য করা হয় | ব্যাপারটা কি শুধু নিউজফিড পর্যন্ত? উত্তরটা হবে না | সবার ইনবক্সে লিংক দিয়ে বলা হয় A প্রতিকে ভোট দিন , B প্রতিকে ভোট দিন | এ যেন রাজনৈতিক নির্বাচন | করোনার প্রভাবে ঘরে বসে সময়ের প্রহর যেন কাটছে না সাধারন জনগনের | তাই এ ভার্চুয়াল নির্বাচনের দ্বারা সময় কাটানোর চেষ্টা | কে যানে কবে এই প্রহর কেটে আবার কর্মব্যাস্তময় নগরীতে ফিরবে পৃথিবী | জীবন্ত হয়ে উঠবে সূর্যের আলো | সুস্থ হয়ে উঠবে শহরটা |

  • ফেসবুকের কাছে ১২৩ জনের তথ্য চেয়েছে সরকার

    ফেসবুকের কাছে ১২৩ জনের তথ্য চেয়েছে সরকার

    ফেসবুকের কাছে ব্যবহারকারীদের তথ্য চেয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারের করা আবেদন অতীতের তুলনায় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জায়ান্ট এই প্রতিষ্ঠান বলছে, গত বছরের শেষ ছয় মাসের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সরকারিভাবে তথ্য চাওয়ার আবেদন বেড়েছে প্রায় ১৬ গুণ।

    শুক্রবার বিশ্বের শীর্ষ এই মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তাদের এক ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার ফেসবুকের কাছে ১২৩ জন ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়ে অনুরোধ করেছে। মোট ৯৫ বার অনুরোধ জানিয়ে এসব অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আইনি প্রক্রিয়ার অনুরোধ রয়েছে ১৫টি; জরুরি অনুরোধ ৮০টি। বাংলাদেশ সরকারের এসব অনুরোধের ৪৭ শতাংশের সাড়া দিয়েছে ফেসবুক।

    এর মধ্যে জরুরি অনুরোধের ৪৮ শতাংশ এবং আইনি প্রক্রিয়ার অনুরোধের ২০ শতাংশের তথ্য বাংলাদেশকে সরকারকে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

    অন্যদিকে, গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ফেসবুকের কাছে অন্তত ১৯৫ জন ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়ে অনুরোধ জানিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। মোট ১৪৯ বার ফেসবুকের কাছে অনুরোধ জানিয়ে এসব অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়। ফেসবুক বলছে, গত বছরের শেষার্ধে বাংলাদেশ সরকার ১৯ বার আইনি প্রক্রিয়ার এবং ১৩০ বার জরুরি অনুরোধ জানিয়ে এসব অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়েছিল।

    তবে চলতি বছর ফেসবুকের কাছে তথ্য চাওয়ার রেকর্ড গড়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি এ বছরের প্রথম ছয় মাসে ফেসবুকের কাছে ৫০ হাজার ৭১৪ জন ব্যবহারীর তথ্য চেয়েছে। একই সঙ্গে এই তথ্য চাওয়ার বিষয়টি যাতে ব্যবহারকারীকে না জানানো হয় সে ব্যাপারে নির্দেশও দেয়া হয়।

    ফেসবুকের কাছে তথ্য চাওয়ার এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। চলতি বছরের প্রথমার্ধে ২২ হাজার ৬৮৪ জনের তথ্য চেয়ে অনুরোধ জানিয়েছে দেশটির সরকার। গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ২০ হাজার ৮০৫ জন ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়েছিল ভারত।

  • জি-মেইলের যে ইতিহাস অনেকেরই অজানা

    জি-মেইলের যে ইতিহাস অনেকেরই অজানা

    শুরুর দিকে জি-মেইলের ই-মেইল সেবাটি শুধু গুগলের কর্মীদের ব্যবহারের জন্য ছিল। পরবর্তী সময়ে গুগল ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল সবার মাঝে জি-মেইল চালুর ঘোষণা দেয়। গুগল যখন জি-মেইল উন্মোচন করে তখন গ্রাহক এটিকে আসলে কৌতুক হিসেবেই নিয়েছিল। এর পেছনে কারণও ছিল। এপ্রিলের ১ তারিখ তথা ফুল’স ডে-তে উন্মোচন করার কারণে গ্রাহক মনে করেছিল, গুগল তাদের বোকা বানানোর চেষ্টা করছে। গ্রাহক যখন বুঝতে পারেন, গুগল আসলেই সেবাটি উন্মোচন করেছে তখন বিনামূল্যের ই-মেইল সেবাগুলোর তালিকায় গ্রাহকের পছন্দের তালিকায় আসতে শুরু করে জি-মেইলও।

    মূলত ১৯৯৯ সালে জি-মেইলে নিয়ে কাজ শুরু করে গুগল। সে সময় গুগলের ২৩তম কর্মী পল বুখেইট তখন প্রতিষ্ঠানের অনলাইন ই-মেইল সেবা নিয়ে লড়েছেন। কিন্তু অনেক কর্মকর্তাই এটা নিয়ে নাখোশ ছিলেন এমনকি আস্থা রাখতে পারছিলেন না গুগলের ই-মেইল সেবার ওপর। সার্চ ইঞ্জিন প্রতিষ্ঠান ই-মেইল সেবা থেকে লাভবান হতে পারে এটা কোনোভাবেই তারা বুঝতে পারছিলেন না। সে সময় অনেক নির্বাহী কর্মকর্তাই এ প্রকল্প থেকে সরে এসেছেন বলে বেশ কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ডোমেইন নামের ইতিহাস গুগলের জি-মেইল ডটকম (www.gmail.com) ডোমেইন নামটি আগে ছিল বিনামূল্যে ই-মেইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ঘারফিল্ড ডট কমের (www.garfield.com)। পরবর্তী সময়ে ডোমেইনটি গুগল নিয়ে নেয়। শুরুর দিকে জি-মেইলের ইউআরএল ছিল http://gmail.google.com/gmail যা ২০০৫ সালের ২২ জুন রিডাইরেক্ট করে http://mail.google.com/mail করা হয়।

    স্পেস

    শুরুতে ব্যবহারকারীদের জন্য জি-মেইল বিনামূল্যে ১ গিগাবাইট স্পেস দেয়। পরবর্তী সময়ে তা ২ গিগা থেকে ৪ গিগাবাইট করা হয়। বর্তমানে বিনামূল্যে ব্যবহারের জন্য জি-মেইল ব্যবহারকারীদের ১৫ গিগাবাইট স্পেস দিচ্ছে যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। এর পাশাপাশি ইচ্ছা করলে জায়গা বাড়ানোর সুযোগও দিয়েছে। এক্ষেত্রে ২৫ গিগাবাইটের জন্য মাসিক ২.৪৯ ডলার, ১৬ টেরাবাইট স্পেসের জন্য মাসিক ৭৯৯.৯৯ ইউএস ডলার দিতে হবে। ২০১১ অক্টোবর পর্যন্ত জি-মেইলের ব্যবহারকারী ২৬০ মিলিয়ন। ২০০৫ সালের ১ এপ্রিল জি-মেইলে প্রথম জন্মদিনে গুগল জি- মেইলে স্পেস ১ গিগাবাইট করে।

    জি-মেইল সার্চ

    জি-মেইলে শুরু থেকে সার্চ অপশন ছিল যা ব্যবহার করে ই-মেইল খোঁজার কাজটি সহজ হয়েছে। ২১ মে ২০১২ থেকে জি-মেইলে আরও উন্নত সার্চ ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়। এতে ব্যবহারকারীরা যে কোনো শব্দ লিখলে তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবহারকারী কিংবা ব্যবহারকারী ই-মেইল সাজেশন দেখায়।

    জি-মেইল মোবাইল

    জি-মেইল মোবাইল গুগলের জি-মেইলের ই-মেইল সেবা। ২০০৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর জি-মেইল মোবাইল সেবা চালু হয় এবং বর্তমানে প্রায় ৪০টি ভাষায় জি-মেইল মোবাইল সংস্করণ রয়েছে। এতে সহজে গুগলের নানা সেবার মতো জি-মেইলও মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা যায়। এটি বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায় স্মার্টফোন কিংবা মোবাইল ফোনে। জি-মেইলের মোবাইলের জন্য বিশেষ অ্যাপসটি বেশ ছোট এবং মোবাইলের স্ক্রিনের সাইজ অনুযায়ী তৈরি করা। এতে ব্যবহারকারীরা মোবাইলে ফোনেই ই-মেইল কম্পোজ, পড়া, আর্কাইভ করা, মেইলের রিপ্লাই করা, ফরওয়ার্ড করা, না পড়া মেইলগুলোকে আনরিড করা, স্টার আইকন অ্যাড করা, কাস্টম লেভেল অ্যাড করা, মেইল মুছে ফেলার কাজ করতে পারেন।

    অফলাইনে জি-মেইল

    ২০১১ সালের ৩১ আগস্ট জি-মেইল ব্লগ অফিসিয়ালি অফলাইন গুগল মেইল চালু করে ক্রোম ওয়েব অ্যাপস হিসেবে যা গুগল ক্রোম ওয়েব স্টোরে পাওয়া যেত। এইচটিএমএল-৫ সমর্থিত এ অ্যাপসটি ট্যাবলয়েডও ব্যবহার উপযোগী। ২০১১ সালের ১১ এপ্রিল গুগলের কর্মীদের জন্য অফলাইন গুগল ডক এবং গুগল ক্যালেন্ডার চালু করা হয়।

    এত কিছুর পরও ২০১২ সাল পর্যন্ত অন্যান্য প্রতিযোগীদের চেয়ে খুব বেশি ভালো করতে পারেনি জি-মেইল। তবুও ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে নিজেদের নিত্যনতুন উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হতে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। ভোক্তা এবং এন্টারপ্রাইজ দু’ধরনের গ্রাহকের জন্য নতুন নতুন ফিচার এনে বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে গুগলের জি-মেইল।