Category: খেলাধুলা

  • ২৩৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ, মুমিনুলের একার ১০৭

    ২৩৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ, মুমিনুলের একার ১০৭

    কানপুরে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৩৩ রানে অলআউট হল বাংলাদেশ। মুমিনুল হকের একার অপরাজিত ১০৭ রানের পরও চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারলো না সফরকারীরা।

    বৃষ্টি, মেঘাচ্ছন্ন আকাশ এবং আলোক স্বল্পতার কারণে প্রথম দিনে ৩৫ ওভার পর বন্ধ হয়ে যায় খেলা। এরপর ভেজা আউটফিল্ডের কারণে টানা দুদিন পরিত্যক্ত হয়। আজ চতুর্থ দিন অবশেষে ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগ পায় বাংলাদেশ। ৩ উইকেটে ১০৭ রান নিয়ে আজ ব্যাট করতে নেমে টাইগাররা গুটিয়ে গেছে ২৩৩ রানে। দিনের প্রথম সেশনে বাংলাদেশ হারায় মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস এবং সাকিব আল হাসানের উইকেট।

    সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের ভিড়ে একাই লড়েছেন মুমিনুল হক। লাঞ্চ বিরতির ঠিক আগে ১৭৬ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৩ তম সেঞ্চুরি। দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ হারায় একে একে মেহেদি হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদের উইকেট। ৭৪.২ ওভারে শেষ ব্যাটার হিসেবে রবীন্দ্র জাদেজার বলে আউট হন খালেদ আহমেদ। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি জাদেজার ৩০০ তম উইকেট।

    স্রােতের বিপরীতে একপ্রান্তে আগলে থাকা শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন মুমিনুল। ১৯৪ বলে ১৭ চার এবং ১ ছক্কায় এই বাঁহাতি ব্যাটারের ব্যাট থেকে আসে ১০৭ রান । ১৯৮৪ সালের পর কানপুরে এটি সফরকারী কোনো ব্যাটারের দ্বিতীয় কোনো সেঞ্চুরি। এর আগে ২০০৪ সালে এই ভেন্যুতে সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যান্ড্রু হল। আর ভারতের মাটিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেছেন মুমিনুল। তার আগে ২০১৭ সালে ভারতের মাটিতে সেঞ্চুরি করেছিলেন মুশফিকুর রহিম।

    বাংলাদেশ ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১ রান আসে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে। ৩০ এর গন্ডি পেরোতে পারেননি আর কেউ।

    বোলিংয়ে ৩ উইকেট নিয়ে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল জশপ্রীত বুমরাহ। এছাড়া ২টি করে উইকেট নিয়েছেন আকাশ দীপ, রবিচন্দ্রন অশ্বিন এবং মোহাম্মদ সিরাজ।

  • দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিনিধিদলের প্রতিক্রিয়া নিয়ে যা জানাল বিসিবি

    দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিনিধিদলের প্রতিক্রিয়া নিয়ে যা জানাল বিসিবি

    অক্টোবরে বাংলাদেশ সফর করার কথা দক্ষিণ আফ্রিকার। তবে বাংলাদেশে সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সিরিজটি নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তাই নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশে এসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটের একটি প্রতিনিধিদল।

    গত দুইদিনে তারা চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিসিবিতে সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে গেছেন।

    এ বিষয়ে সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফিস বলেছেন, ‘তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলে যতটুকু বুঝতে পেরেছি, তারা খুবই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। বারবার বিসিবিসহ নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এতো অল্প সময়ের মধ্যে এতো আয়োজন আমরা করতে পেরেছি। তারা (প্রতিনিধি দল) দেশে গিয়ে তাদের বোর্ডের কাছে রিপোর্ট পেশ করবেন, এই সময়ের মধ্যে আমরা আমাদের অভ্যন্তরীণ কাজগুলোও সেরে ফেলতে পারবো। আশা করি ইতিবাচক কিছুই হবে।’

    জানা গেছে, গত শনিবার রাতে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের চার সদস্যের একটি পর্যবেক্ষক দল ঢাকায় এসে পৌঁছান। এরপর তারা ঢাকা এবং চট্টগ্রামের দুই স্টেডিয়াম, হোটেল, অ্যাকাডেমি মাঠ, প্রেস কনফারেন্স রুম, মিডিয়া সেন্টারসহ প্রেসবক্সও ঘুরে ঘুরে দেখেছেন।

    প্রতিনিধিদলকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আশ্বস্ত করতে মিরপুরের মাঠে সেনাবাহিনীর সদস্যরা বিশেষ মহড়াতেও অংশ নেন।

    প্রসঙ্গত, আগামী ১৬ অক্টোবর বাংলাদেশ সফরে আসার কথা দক্ষিণ আফ্রিকার। এক দিনের বিশ্রাম শেষে প্রোটিয়ারা অনুশীলন করবে ১৮, ১৯ ও ২০ অক্টোবর। মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু ২১ অক্টোবর। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট চট্টগ্রামে ২৯ অক্টোবর।

  • হৃার্দিককে ভুলতে পারছেন না নাতাশা

    হৃার্দিককে ভুলতে পারছেন না নাতাশা

    ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে নাতাশা স্ট্যানকোভিচের। বিচ্ছেদের পর নিজের দেশ সার্বিয়ায় চলে যান নাতাশা।

    মাসখানেক সার্বিয়ায় থেকে মুম্বাইয়ে ফিরেছেন নাতাশা। ভারতে তার এই ফেরা নিয়ে অনেক গুঞ্জন রটেছে। অনেকে বলছেন হয়তো পান্ডিয়াকে ভুলতে পারছেন না নাতাশা।

    এই তারকা জুটির বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে কৌতূহল প্রকাশ করেছিলেন অনুরাগীরা। শোনা যায়, হার্দিক নাকি মানুষ হিসেবে খুবই আত্মকেন্দ্রিক। নিজের কথা ছাড়া তিনি নাকি আর কিছুই ভাবতে পারেন না।

    বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ দিন যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে গিয়েছেন নাতাশা। হার্দিকের সঙ্গে সব কিছু মিটিয়ে নেওয়ারও চেষ্টাও করেছেন নাতাশা। বারবার চেষ্টা করেও সফল হতে পারেননি।

    ২০২০ সালের মে মাসে বিয়ে করেন নাতাশা ও হার্দিক। তাদের ঘরে আসে পুত্রসন্তান অগস্ত্য। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তারা বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন।

    এই মুহূর্তে ছেলেকে নিয়ে মুম্বাইয়ে রয়েছেন নাতাশা। হার্দিকের বাড়িতে ছেলের যাতায়াত রয়েছে। এবার দেশে ফিরতে কখনো শরীরচর্চা কেন্দ্রের বাইরে কখনো রূপটান কেন্দ্রের বাইরে দেখা গিয়েছে নাতাশাকে।

    এবার তিনি একটি নাচের ভিডিও দেন। যার কথা খানিকটা এমন- ‘এবার মেয়েটাকে মুক্ত করো।’ হার্দিকের সঙ্গে তার বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নানা ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে এসেছেন নাতাশা। বিচ্ছেদের পরও সেই ধারাই বজায় রাখলেন প্রাক্তন তারকাপত্নী!

  • বাংলাদেশের ফিল্ডিং সাজিয়ে দেওয়া নিয়ে মুখ খুললেন পান্ত

    বাংলাদেশের ফিল্ডিং সাজিয়ে দেওয়া নিয়ে মুখ খুললেন পান্ত

    চেন্নাই টেস্টে বাংলাদেশের ফিল্ডিং সাজিয়ে দিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটার রিশাভ পান্ত। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করার সময় তার ‘পরামর্শে’ ফিল্ডিংয়ে পরিবর্তন আনেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

    পরে এই ঘটনা নেটিজেনদের মধ্যে বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। অবশেষে ফিল্ডিং সাজানোর ঘটনায় মুখ খুলেছেন চেন্নাই টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান পান্ত।

    ম্যাচ শেষে পান্ত বলেছেন, ‘আমি মাঠের বাইরে অজয় জাদেজার (ভারতের সাবেক ব্যাটার) সঙ্গে কথা বলি। তিনি একবার বলছিলেন, তুমি যেখানেই খেলো এবং যার বিরুদ্ধেই খেলো না কেন; ক্রিকেটের মান উন্নত হওয়া উচিত। আমি দেখছিলাম (বাংলাদেশের) মিড-উইকেটে কোনো ফিল্ডার নেই। একই জায়গায় দু’জন ফিল্ডারকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি, তাই আমি তাদের একজন ফিল্ডারকে সেদিকে যেতে বলেছিলাম।’

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরার পর চেন্নাই টেস্ট দিয়েই সাদা পোশাকে মাঠে ফেরেন পান্ত। ফিরেই বাংলাদেশের বিপক্ষে তুলে নেন সেঞ্চুরি। দ্বিতীয় ইনিংসে তার ১০৯ রানের ইনিংসে বড় লিডের পথে এগিয়ে যায় ভারত।

    সঙ্গত কারণেই সেঞ্চুরিটি তার জন্য বিশেষ, ‘চেন্নাইয়ের এই সেঞ্চুরি আমার কাছে খুব স্পেশাল। দুর্ঘটনার পর আমি ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই খেলতে চাইছিলাম, এটা আমার সেই দুর্ঘটনার পর প্রথম টেস্ট ম্যাচ। আশা করি আগামী দিনে আরও ভালো খেলতে পারব।’

  • চেন্নাইয়ে টাইগার সমর্থককে চরম অপমান

    চেন্নাইয়ে টাইগার সমর্থককে চরম অপমান

    দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে ভারত সফরে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সফরে দুটি টেস্ট আর তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। ইতোমধ্যে চেন্নাই টেস্ট শেষ হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর কানপুরে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।

    সদ্য শেষ হওয়া চেন্নাই টেস্টে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে ৫১৫ রানের টার্গেট তাড়ায় ২৮০ রানে হেরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

    ভারত সিরিজে বাংলাদেশ দলকে সমর্থন করতে গিয়ে ভারতীয়দের তোপের মুখে পড়েছেন রবি নাকে এক টাইগার সমর্থক। দেশের একটি অনলাইন পোর্টালকে দেওয়া ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, চেন্নাই টেস্ট চলাকালীন খেলা দেখতে আসা ভারতীয়রা নাকি তার মা-বাপ তুলে গালিগালাজ করেছেন।

    পুরো শরীরে টাইগারের ছবি এঁকে স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশ দলের হয়ে সমর্থন করে যাওয়া রবি জানিয়েছেন, ‘রাস্তায় আমি হাঁটতে গেলে আমাকে মওকা মওকা বলে গালি দিচ্ছে ভারতীয়রা। আমি হিন্দি ভাষা কিছুটা বুঝি, কিন্তু চেন্নাইয়ে তামিল ভাষায় গালি দিচ্ছে সেটা কিছুই বুঝি না। একজন বাঙালি ছিল তিনিই আমাকে বুঝিয়ে বলেছেন আপনাকে ভীষণ খারাপ ভাষায় গালি দিচ্ছে।’

    রবি আরও জানান, ‘আমাকে পতাকা ওড়াতে দিচ্ছে না। আমি ওদের দেখিয়েছি যে আমি টিকিট নিয়ে এসে মাঠে ঢুকেছি। আমিও আইসিসি ফ্যামিলি মেম্বার। তারপরও আমি টিকিট দিয়ে ঢুকেছি। মুশফিকুর রহিম আমাকে টিকিট দিয়েছেন। বাংলাদেশ কিংবা অন্য যে কোনো দেশে আমার ও শোয়েবের টিকিট লাগে না। তারপরও আমি আইনকে সম্মান করি। টিকিট দিয়ে ঢোকার পরও সেই সম্মান পাইনি।’

    রবি বলেন, ‘ভারত কোনোদিন বাংলাদেশের ভালো চায় না। প্রয়োজনে আফগানিস্তানকে সাপোর্ট করেন সেটা অনেক ভালো, কিন্তু ভারতকে করবেন না। আমি নিরাপত্তারক্ষীর কাছে সাহায্য চেয়েছিলাম কিন্তু পাইনি। ওরা বাংলাদেশে গেলে আমরা অনেক সাহায্য করি, ভারতীয় ক্রিকেট দলের সর্মথক সুধীরকেও করি। ভারতীয়রা আমার মা-বোন তুলে গালাগালি করেছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি লাল-সবুজের পতাকা উড়াবই, তাতে যদি আমার বুকে গুলিও চালায়। আমি সহ্য করতে না পেরে একটা সময় বলেছি, আমি আমার মায়ের দোয়া নিয়ে এসেছি, আপনারা গুলি চালান, গুলি চালান, তবুও আমার পতাকা উড়ানো থামবে না। যদি ওরা গুলি চালায় মাঠে আমি পতাকা উড়াবই। যে কোনো কিছুর বিনিময়ে।’

  • স্ট্র্যাপ কামড়ে ধরে সাকিবের ব্যাটিং, কালো জাদু বলছেন ভক্তরা

    স্ট্র্যাপ কামড়ে ধরে সাকিবের ব্যাটিং, কালো জাদু বলছেন ভক্তরা

    নিজের ইচ্ছে মতো সব কিছু ঘটবে, কিংবা ভাগ্য সুপ্রসন্ন হবে; এমন আশায় ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালো জাদুর আশ্রয় নিয়ে থাকেন অনেকে। চেন্নাই টেস্টে সাকিব আল হাসানও তেমনটি করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করছেন ভক্তরা। বিষয়টি মজার ছলে হলেও ভক্তদের এমন মন্তব্যের কারণ- ব্যাট করার সময় বারবার হেলমেটের স্ট্র্যাপ কামড়ে ধরতে দেখা গেছে সাকিবকে। স্বাভাবিকভাবেই তাই প্রশ্ন উঠছে হঠাৎ ব্যাটিংয়ের সময় এমনটা কেন করছেন সাকিব।

    চেন্নাইয়ে দুই ইনিংসেই সাকিবকে দেখা গেছে হেলমেটের স্ট্র্যাপ কামড়ে ধরতে। এমনটি নিয়ে ধারাভাষ্য কক্ষেও কথা হয়েছে দীনেশ কার্তিক এবং তামিম ইকবালের। সাকিবের এমনটি করা নিয়ে কার্তিকের ব্যাখ্যা, শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতেই এমন কাজ করছেন সাকিব। ব্যাট করার সময় মাথা লেগ সাইডের দিকে ঝুঁকে থাকায় বল দেখতে তার অসুবিধা হতে পারে। সেটি এড়ানোর জন্যই তিনি এ কাজ করছেন।

    কার্তিকের এমন মন্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন তামিম। সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক বলেন, ব্যাট করার সময় সাকিবের মাথা একদিকে হেলে থাকত। তা ঠেকানোর জন্যই সাকিব স্ট্র্যাপ কামড়ে ধরে রেখেছেন।

    সাকিবের স্ট্র্যাপ কামড়ে ধরার বেশ কিছু ছবি ঘুরে বেড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনেকেই সাকিবের এমন স্ট্র্যাপ কামড়ে ধরার কারণ জানতে চেয়েছেন। যেখানে আসছে বেশ মজার মজার উত্তর। যার মধ্যে অনেকেই বলছেন, কালো জাদু করছেন সাকিব। ব্যাট হাতে ফর্মে ফেরার জন্যই এমনটি করছেন তিনি। কেননা, সম্প্রতি ব্যাট হাতে রান খরায় ভুগতে হচ্ছে বাংলাদেশের তারকা এই অলরাউন্ডারকে।

    ‘কালো জাদু’র ব্যাপারটা রসিকতা হলেও এর কারণ হিসেবে জানা গেছে, বিসিবির মেডিকেল বিভাগ থেকেই মাথার অবস্থান ঠিক আছে কি না, তা বুঝতে সাকিবকে এই রবারের স্ট্র্যাপ ব্যবহার করতে বলা হয়। এর আগে কানাডায় গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগে তাকে জার্সি কামড়ে ধরে ব্যাটিং করতে দেখা গিয়েছিল।

    সাকিবের স্ট্র্যাপ কামড়ে ব্যাটিং করার আরেকটা কারণ তার চোখের সমস্যা। কেননা, সবশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সময় থেকেই রেটিনার সমস্যায় ভুগছেন তিনি। ভারত ও লন্ডনে চোখের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকও দেখিয়েছেন। সে সময় বিশেষজ্ঞরা মতামত দিয়েছেন, অতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকলে সাকিবের চোখের রেটিনার নিচে একধরনের তরল পদার্থ জমে, যেটা ঝাপসা করে দেয় দৃষ্টি। সেই মানসিক চাপ কাটাতেই ব্যাটিংয়ের সময় এমনটা করে থাকতে পারেন সাকিব।

    স্ট্র্যাপ কামড়ে ধরেও অবশ্য ব্যাট হাতে সফল হননি সাকিব। প্রথম ইনিংসে ৩২ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২৫ রান করেছেন সাকিব। বল হাতে দেখা পাননি উইকেটের। ফিল্ডিংয়ে ক্যাচ ছেড়েছেন তিনি। সাকিবের এমন ম্যাচে ব্যর্থ দল। বাংলাদেশ ম্যাচ হেরেছে ২৮০ রানে।

  • বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান এখন মুশফিকের

    বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান এখন মুশফিকের

    চেন্নাই টেস্ট শুরুর আগে তামিম ইকবালের চেয়ে ৮ রান পিছিয়ে ছিলেন মুশফিকুর রহিম। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে দেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ রানের মালিক হতে হলে আর ৯ রানের প্রয়োজন ছিল। তবে প্রথম ইনিংসে ৮ রানে আউট হলে তামিমের পাশে বসার সুযোগ পান তামিম। তাকে ছাড়িয়ে যেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে দ্বিতীয় ইনিংস পর্যন্ত।

    এ যাত্রায় মুশফিক আউট হয়েছেন ১৩ রানে। দুই ইনিংসে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে তামিমের দেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ ১৫, ১৯২ রানের মাইলফলক ছাপিয়ে শীর্ষে আরোহণ করেছেন মুশফিক।

    দেশের অভিজ্ঞ এই ব্যাটার এখন পর্যন্ত ৯১ টেস্টে করেছেন ৫ হাজার ৯১৩ রান। ২৭১ ওয়ানডে ম্যাচ খেলে করেছেন ৭ হাজার ৭৯২ রান। আর টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের আগে ১০২ ম্যাচে করেছিলেন ১ হাজার ৫০০ রান। সবমিলিয়ে মুশফিকের রান ১৫ হাজার ২০৫। দুইয়ে থাকা তামিম ইকবালের রান ১৫ হাজার ১৯২।

    বাংলাদেশের হয়ে রানের হিসাবে ১৫ হাজারি ক্লাবে নাম উঠেছে শুধু মুশফিক এবং তামিমের। তিনে থাকা সাকিব আল হাসানের রান ১৪ হাজার ৬৯৬। ৪র্থ স্থানে থাকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের রান ১০ হাজার ৬৯৪। ১০ হাজার রান আর কেউ করতে পারেননি।

    চার সিনিয়রের পর এই তালিকায় আছেন লিটন দাস। দেশের হয়ে ২৪৪ ম্যাচ খেলে ফেলা লিটনের রান ৭ হাজার ১৮৩।

  • ভারত সিরিজে সাকিবের কাছে শান্তর চাওয়া

    ভারত সিরিজে সাকিবের কাছে শান্তর চাওয়া

    পাকিস্তান সিরিজে খেলা অবস্থাতেই বড় দুঃসংবাদ পেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালে এক গার্মেন্টসকর্মীকে হত্যার দায়ে রাজধানীর আদাবর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। সে সময় সাকিবকে দল থেকে বাদ দিয়ে দেশে ফেরানোরও জোর দাবি উঠেছিল।

    তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অভিযোগ প্রমাণের আগ পর্যন্ত সাকিবের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিতে অস্বীকৃতি জানায়। যার ফলে খেলা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান সাকিব। পাকিস্তান সিরিজে বলে-ব্যাটে একেবারে মন্দ পারফর্ম করেননি তিনি। বিশেষ করে মিরাজের সঙ্গে তার স্পিন জুটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের পথ সুগম করেছে।

    কানাডায় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে খেলে সরাসরি পাকিস্তানে গিয়ে সিরিজে খেলেছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব। মামলার খড়গ মাথার ওপরে থাকায় ভারত সিরিজের আগেও দেশে ফেরা হয়নি তার। দুই সিরিজের মাঝের সময়ে খেলেছেন ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে। সেখানে সারের জার্সিতে বল হাতে আলো ছড়িয়ে একমাত্র ম্যাচে নিয়েছেন ৯ উইকেট।

    এবার দুয়ারে ভারত মিশন। শোনা যাচ্ছে, দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের জন্য চেন্নাইতে স্পিন সহায়ক উইকেট তৈরি করছে ভারত। এমনটা হলে ‘বোলার’ সাকিবের গুরুত্ব বেড়ে যাবে অনেক।

  • সিংহের ডেরায় বাঘিনীদের গর্জন, সিরিজ বাংলাদেশের

    সিংহের ডেরায় বাঘিনীদের গর্জন, সিরিজ বাংলাদেশের

    শ্রীলংকায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক জয় তুলেছে বাংলাদেশ নারী এ দল। তাতে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এখন ৩-০তে এগিয়ে বাংলাদেশ। অর্থাৎ ২ ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে বাঘিনীরা।

    রোববার সিরিজ নিশ্চিত করার ম্যাচে ১০ রানের জয় পেয়েছে রাবেয়া খানরা। তার আগে প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেট ও দ্বিতীয়টিতে ১০৪ রানের জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এমন দাপুটে সিরিজ জয়ে আসন্ন নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিটা নিয়ে রাখল বাংলাদেশ।

    বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হওয়ায় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের কথা বলা হলেও মূলত, এটিই বিশ্বকাপের ছায়া দল। যেই দলে জাতীয় দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ছাড়াও আছেন অভিজ্ঞ জাহানারা ও শামীমা সুলতানারাও।

    সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ৯৭ রানের স্বল্প পুঁজি গড়েছিল বাংলাদেশ। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে ৮৭ রানের বেশি করতে পারেনি স্বাগতিক মেয়েরা। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২১ বলে ২৬ রানের ইনিংস খেলেছেন দিলারা আক্তার।

  • ‘ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেখার করার জন্য মুখিয়ে ছিলাম’

    ‘ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেখার করার জন্য মুখিয়ে ছিলাম’

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করেছেন পাকিস্তান সিরিজ জয়ী বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে যান নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এ সময় যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি ফারুক আহমেদ ছাড়াও পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম ও প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজনও ছিলেন।

    ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের কীর্তি নিয়ে ডা. ইউনূস বলেছেন, ‘আমি সিরিজ জয়ের পরপরই অধিনায়কের সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু ওদের সবার সঙ্গে দেখা করে (পুরো) জাতির পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানোর জন্য আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছিলাম।’

    প্রধান উপদেষ্টার সংবর্ধনা আর অভিনন্দন পেয়ে খুশি বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, ‘এখানে আসতে পেরে প্রত্যেক খেলোয়াড়ই খুশি। সত্যিই এটা আমাদের অনুপ্রাণিত করবে।’

    পাকিস্তানের মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জিতে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। জয়ের পরপরই জাতীয় দলকে সংবর্ধনার ঘোষণা দিয়েছিল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

    সেই সিরিজ শেষে দেশে পৌঁছার পর ব্যস্ত সময় কাটছে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের। চলতি মাসেই ভারত সফর করতে হবে তাদের। সেই মিশনকে সামনে রেখে চলছে অনুশীলন।

    গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ব্যস্ত সময় কাটছে ড. ইউনূসেরও। তবে শত ব্যস্ততার মধ্যে বৃহস্পতিবার জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধান উপদেষ্টা।

    প্রসঙ্গত, আগস্ট-সেপ্টেম্বরে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ দুই টেস্ট খেলতে পাকিস্তান সফর করে বাংলাদেশ। এ সফরে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ও টেস্ট সিরিজ জয়ের গৌরব অর্জন করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটের বড় জয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টেও ৬ উইকেটে জয় তুলে নেয় তারা।

    সিরিজ জয়ের পর ড. ইউনূস জাতীয় দলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছিলেন, ‘সরকার এবং আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন। তোমাদের নিয়ে পুরো জাতি গর্বিত।’