Category: দূর্ঘটনা

  • বাসচাপায় একই ক্লাসের ফার্স্ট-সেকেন্ড বয় নিহত

    বাসচাপায় একই ক্লাসের ফার্স্ট-সেকেন্ড বয় নিহত

    যশোরের মনিরামপুরে হানিফ পরিবহনের একটি বাসচাপায় স্থানীয় ধলিগাতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ফার্স্ট ও সেকেন্ড বয় নিহত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সকালে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কে উপজেলার খইতলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলো- উপজেলার ধলিগাতি গ্রামের খাইরুল বাশারের ছেলে আশিকুর রহমান ও জামলা গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে আল-আমিন।

    স্কুলের প্রধান শিক্ষক দিলীপ কুমার পাল বলেন, নিহত দুইজনই প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্র ছিল। ক্লাসে আশিকুরের রোল নম্বর ছিল ১ ও আল আমিনের রোল নম্বর ছিল ২।

    নিহত আশিকুর রহমানের চাচা নজরুল ইসলাম জানান, আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আশিক ও আল-আমিন কোচিং শেষে বাইসাইকেলে চড়ে বাড়ি ফিরছিল। পথে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস দুইজনকেই চাপা দেয়। এসময় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশিকুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আল-আমিনকে যশোর আড়াইশ’ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

    Jessore-2

    মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আশরাফুর রহমান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই আশিকুরের মৃত্যু হয়েছে। আহত আল-আমিনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে যশোর সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সদর হাসপাতালে পৌঁছানো মাত্রই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এদিকে তাদের মৃত্যুর খবর শুনে সহপাঠীরা কান্নায় ভেঙে পড়ে। এক পর্যায় বিক্ষুব্ধ সহপাঠীসহ এলাকাবাসী দোষী চালককে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সুন্দলপুর বাজারে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের ওপর কাঠের গুড়ি ফেলে ঘণ্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে কথা বলে চালকসহ জড়িতদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিলে অবরোধ উঠিয়ে নেয়া হয়।

    মনিরামপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, সড়ক অবরোধে যানবাহন চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। এসময় চালকসহ জড়িতদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাসে বিক্ষুব্ধরা অবরোধ তুলে নেয়।

  • ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকের চালক-সহকারী নিহত, আহত ১৫

    ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকের চালক-সহকারী নিহত, আহত ১৫

    মাদারীপুরের কালকিনিতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রাকচালক ও তার সহকারী নিহত হয়েছেন। এসময় বাসের কমপক্ষে ১৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।

    বুধবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে উপজেলার ডাসার থানার ইসেবেলা পেট্রল পাম্পের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন- ট্রাকচালক আবু বকর (৪০) ও তার সহকারী মাসুম হাওলাদার (৪২)। তাদের দুইজনেরই বাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলায়। তারা দুইজনই মাদারীপুর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য।

    আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরিশালগামী বিআরটিসির একটি বাস ও বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রাকটি সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেলে চালক ও তার সহকারী ঘটনাস্থলেই মারা যান।

    এসময় বাসের কমপক্ষে ১৫ যাত্রী আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতাল ও নিকটস্থ ক্লিনিকে ভর্তি করে।

    ডাসার থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই। তবে দুইজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। এছাড়া আরও একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • সুন্দরবন-১০ লঞ্চে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন কয়েকশ যাত্রী

    সুন্দরবন-১০ লঞ্চে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন কয়েকশ যাত্রী

    নিউজ ডেস্ক:

    বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন-১০ লঞ্চে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে লঞ্চের তিনতলায় পেছনের দিকে সোফার অংশে আগুন লাগে।

    এতে বড় ধরনের কোনো ক্ষতি না হলেও যাত্রীরা আতিঙ্কত হয়ে পড়েন। প্রাণে বেঁচে যান কয়েকশ যাত্রী।

    লঞ্চটি বরিশাল থেকে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ছেড়ে যায়। রাত দেড়টার দিকে এটি চাঁদপুরের কাছাকাছি পৌঁছালে এ ঘটনা ঘটে।

    লঞ্চের যাত্রী বরিশালের বাবুগঞ্জের বাসিন্দা মৌসুমি আক্তার বলেন, রাত দেড়টার দিকে লঞ্চটিতে ধোঁয়া নির্গমনকারী পাইপে হঠাৎ আগুন লাগে। খবর পেয়ে চাঁদপুরের ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    এতে আতিঙ্কত হয়ে লঞ্চের কয়েকজন যাত্রী নদীতে ঝাঁপ দেয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলেন জিয়াউল নামে এক যাত্রী ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন।

    লঞ্চের সহকারী সুপারভাইজার মো. দুলাল জানান, ধোঁয়া নির্গমনকারী পাইপ গরম হয়ে আগুন ধরে যায়। তবে কিছুক্ষণের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

  • বরিশালে নারকেল গাছে ঝুলছে বৃদ্ধের লাশ

    বরিশালে নারকেল গাছে ঝুলছে বৃদ্ধের লাশ

    বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় নারকেল গাছের পাতা কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মজিবল দেওয়ান (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিদ্যুতায়িত হয়ে নারকেল গাছের ঝুলতে থাকে তার মরদেহ। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মজিবল দেওয়ানের মরদেহ উদ্ধার করে। উপজেলার উলানিয়া ইউনিয়নের পূর্ব সলদি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মজিবল দেওয়ান উলানিয়া ইউনিয়নের নোয়াখালী গ্রামের মৃত রুমু দেওয়ানের ছেলে।

    মজিবল দেওয়ানের স্বজনরা জানান, পূর্ব সলদি গ্রামের মিজি বাড়ির লিয়াকত মাস্টারের নারকেল গাছে অধিক ফলনের লক্ষ্যে অতিরিক্ত পাতা কাটতে ওঠেন মজিবল দেওয়ান। এ সময় পাশ দিয়ে যাওয়া পল্লী বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যান মজিবল দেওয়ান। এতে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর নারকেল গাছে ঝুলতে ছিল তার মরদেহ। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মজিবল দেওয়ানের মরদেহ উদ্ধার করে।

    মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবিদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।’

  • কাঁঠালিয়ায় স্কুলের পলেস্তাঁরা ধসে শিক্ষক আহত

    কাঁঠালিয়ায় স্কুলের পলেস্তাঁরা ধসে শিক্ষক আহত

    ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় জরাজীর্ণ বিদ্যালয়ের ভবনের পলেস্তারা ধ্বসে এক শিক্ষক আহত হয়েছেন। আজ সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলার আমুয়া ইউনিয়নের ৮২নং পূর্ব বাঁশবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রী আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। ১৯৮২ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এ ভবনটি নির্মাণ কাজ করে।

    আহত শিক্ষক রেজাউল হক জানান, আমি ও অন্যান্য শিক্ষকরা অফিস কক্ষে বসা ছিলাম এমন সময় জরাজীর্ণ বিদ্যালয়ের ভবনের ছাদের পলেস্তারা ধ্বসে আমার মাথার উপর পরে। এতে আমার মাথা ও হাতে জখম হয়। সহকর্মী শিক্ষকরা আমাকে উদ্ধার করে হসপিটালে নিয়ে যায়।

    একাধিক শিক্ষার্থীরা জানান, স্কুলের ছাদের বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা ভেঙে পরে লোহার রড বের হয়ে গেছে এবং প্রায় সময়ই ধ্বসে পড়ছে। আমরা সব সময় ভয়ের মধ্যে থাকি কখন যেন মাথার উপর ভেঙ্গে পড়ে। তাই ক্লাসে মনোযোগ দিতে পারি না।

    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয় ভবনটি অনেক পুরানো এটি ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। ভবনটি পূর্ণ নির্মাণের জন্য একাধিকবার প্রস্থাব পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

  • মরে ভেসে উঠছে ডিসি লেকের বিশাল সাইজের মাছ

    মরে ভেসে উঠছে ডিসি লেকের বিশাল সাইজের মাছ

    বরিশাল নগরীর ডিসি (জেলা প্রশাসক) লেক’র তীরে গেলেই পাওয়া যাচ্ছে বড় বড় রুই, কাতল ও সিলভারসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। গত দুই দিন ধরে পথচারী ও স্থানীয়রা ডিসি লেকের পানিতে অর্ধমৃত অবস্থায় ভেসে উঠা এসব মাছ ধরে নিচ্ছে। রক্ষনাবেক্ষণের অভাবে লেকের পানি নষ্ট হয়ে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হওয়ার কারনেই মাছগুলো মরে যাচ্ছে। সেই সাথে পানি ও পচা মাছের দুর্গন্ধে লেক ও পাশর্^বর্তী বঙ্গবন্ধু উদ্যানে মানুষের পথচলা এখন কষ্টদায়ন হয়ে দাড়িয়েছে।

    সরেজমিনে দেখাগেছে, বিভাগ ও জেলা প্রশাসন এবং বিচার বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বাসভবন এলাকা রাজাবাহাদুর সড়ক ও বঙ্গবন্ধু উদ্যানের মাঝে অবস্থিত এ লেকটি। লেকের পশ্চিম তীরে জেলা প্রশাসক’র বাসভবনের সামনে একটি সুদৃশ্য ঘাটলাও রয়েছে। জেলা প্রশাসকের মালিকানাধীন ও তত্ত্বাবধানে থাকায় এ লেকটি ডিসি লেক হিসেবে পরিচিত।

    দৃষ্টিনন্দন এই ডিসি লেকের পাশে শতবর্ষি রেইন্ট্রি তলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দর্শনার্থীদের ভির থাকে। লেকের দু’পাশ ধরে জমে ওঠে গল্প-গুজব আর আড্ডা। কিন্তু গত দু’মাস ধরে পানি পচে দুর্গন্ধের কারনে লেকের পাশ দিয়ে হাটাও এখন দুস্কর হয়ে দাড়িয়েছে। তার মধ্যে গত দু’দিন ধরে লেকে চাষ করা বিশাল সাইজের মাছগুলো মরে ভেসে উঠছে।

    বরিশাল জেলার নাজির হাবিবুর রহমান জানান, লেকের পানি নষ্ট হয়েছে মাস দুই আগেই। তবে এর কোন সঠিক কারন আমাদের জানা নেই। গত দেড় মাস পুর্বে মৎস্য বিভাগের পরামর্শে পানি শোধনের জন্য ১০ মন চুনা ফেলা হয়েছিল। এতেও পানি শোধন না হয়ে তা আরো বিষাক্ত হয়ে গেছে। ফলে পানি থেকে দুর্গন্ধ ও মাছ মরে ভেসে উঠছে। এর মধ্যে কয়েক হাজার টাকার মাছ ভেসে উঠলে তা স্থানীয়রা ধরে নিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন তিনি।

    বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (হিলসা) বিমল চন্দ্র দাস বলেন, আমি নিজেই পুকুরের পানি পরিক্ষা করেছি। অতিরিক্ত গরম ও বৃষ্টির পরিমান কম হওয়াতে পানি নষ্ট হয়ে মাছ মারা যাচ্ছে। তবে পানি শোধনের জন্য রোববার ১০ হাজার টাকা মূল্যের ২শ কেজি জিওলাইক নামক ওষুধ দিয়েছি। এটি পানির সাথে মিশে গেলে মাছ মরা বন্ধ হবে। তবে বৃষ্টি না হলে ওই ওষুধ কাজে কাজবে বলে মনে হচ্ছে না। তাই লেকে পাম্পের মাধ্যমে নতুন পানি দেয়া জরুরী বলে জানান তিনি।

    এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আরেফিন বাদল বলেন, ডিসি লেকের পানি নষ্ট হওয়ার বিষয়ে আমাদের জানা নেই। তাছাড়া এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন থেকে আমাদের অবহিতও করা হয়নি। আজ আমাদের একটি টিম ওই স্থানে পাঠিয়ে পানি নষ্ট হওয়ার বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

  • সড়ক দূর্ঘটনায় বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম গুরুত্বর আহত, ঢাকায় প্রেরণ

    সড়ক দূর্ঘটনায় বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম গুরুত্বর আহত, ঢাকায় প্রেরণ

    বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ঝালকাঠির সাংগঠনিক সফরে যোগ দিতে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন রওয়না দিলে পথিমধ্যে মটরসাইকেল নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত হয়।

    রোববার রাত ১১টার দিকে বরিশাল-ঝালকাঠি সড়কের আমিরাবাদের নামক স্থানে এ সড়ক দূর্ঘটনার ঘটনা ঘটে।

    আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হলে জসিম উদ্দিন এর অবস্থার গুরুত্বর দেখে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় প্রেরণ করেছে বলে জানান তার সাথে থাকা ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল হাসান ইয়াদ।

    এদিকে তার পরিবারের লোকজন শারিরিক অবস্থার অবনতি দেখে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানান।

  • বিহারে তীব্র দাবদাহে ৪০ জনের মৃত্যু

    বিহারে তীব্র দাবদাহে ৪০ জনের মৃত্যু

    ভারতের বিহারে তীব্র দাবদাহে ৪০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। শনিবারই বিহারের আওরঙ্গবাদ, গয়া ও নাওয়াডা জেলায় অধিকাংশ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র আওরঙ্গবাদেই ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    চলতি মাসে বিহারের মুজাফফরপুর জেলায় ইনসেফালিটিস সিন্ড্রমের প্রাদুর্ভাবে ৭৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যেই তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

    আওরঙ্গবাদের সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ড. সুরেন্দ্র প্রসাদ সিং জানিয়েছেন, তীব্র দাবদাহে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

    জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বহু মানুষ। এএনআইকে ড. সুরেন্দ্র প্রসাদ সিং বলেন, যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের বেশিরভাগই তীব্র জ্বরে ভুগছিলেন।

    তীব্র দাবদাহে গয়ায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. হর্ষ বর্ধন গয়া এতজনের মৃত্যুর ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেছেন।

    তিনি বলেন, এটা সত্যিই খুব দুর্ভাগ্যজনক যে তীব্র গরমে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তিনি এই গরমে লোকজনকে বাড়ির মধ্যেই থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে গরম কমলে ঘর থেকে বের হওয়া যাবে। তিনি বলেন, তীব্র গরম আমাদের মস্তিষ্কে নানা ধরনের প্রভাব ফেলে এবং বিভিন্ন ধরনের রোগের সূত্রপাত ঘটায়।

    চলতি বছর ভারতকে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা সহ্য করতে হচ্ছে। আগের সব বছরের তুলনায় অনেক বেশি গরম পড়েছে এবার। দেশটির চার শহরে তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে। দিল্লি, রাজস্থানের চুরু ও বানদা এবং উত্তর প্রদেশের আল্লাহাবাদে ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার চেয়েও বেশি গরম পড়েছে।

  • সীমান্তে বজ্রপাতে বিজিবি সদস্যের মৃত্যু

    সীমান্তে বজ্রপাতে বিজিবি সদস্যের মৃত্যু

    নীলফামারীতে সীমান্তে টহলরত অবস্থায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও এক সদস্য। শুক্রবার রাতে ঠাকুর সীমান্তে পশ্চিম ছাতনাই ডাঙ্গাপাড়া নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতের নাম কামরুল ইসলাম (৩৫)। আহত ইয়াসিনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    কামরুল ইসলাম ৫১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের বালাপাড়া কোম্পানি কমান্ডারের আওতায় ঠাকুরগঞ্জ বিজিবি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার কুলাউড়া উপজেলার চর পাহাড়ি গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে।

    ৫১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে ঝড়বৃষ্টির মধ্যে ঠাকুর সীমান্তে পশ্চিম ছাতনাই ডাঙ্গাপাড়া নামক স্থানে নায়েক কামরুল ইসলাম (৬৬৭১৪) ও সৈনিক ইয়াছিন সীমান্তে টহল দিচ্ছিলেন।

    রাত সাড়ে ১০টার দিকে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই কামরুলের মৃত্যু হয়। এসময় আহত হন ইয়াছিন।

    কামরুলের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।

  • এবার সড়ক দুর্ঘটনা কমেছে ১৯.৩৯ শতাংশ

    এবার সড়ক দুর্ঘটনা কমেছে ১৯.৩৯ শতাংশ

    এবারের ঈদযাত্রায় বিগত বছরের তুলনায় সড়ক দুর্ঘটনা কমেছে ১৯.৩৯ শতাংশ। এ ছাড়া নিহতের হার ২৪.১৭ ও আহত ৪৮.৯৯ শতাংশ কমেছে। এবার মোট ২৩২টি সড়ক দুর্ঘটনার ৭৬টি ঘটেছে মোটরসাইকেলের সঙ্গে অন্যান্য যানবাহনের সংঘর্ষে, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩ শতাংশ। যেখানে মোট নিহত ৩০ শতাংশ এবং মোট আহত ১০ শতাংশ।

    রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে শনিবার (১৫ জুন) সংবাদ সম্মেলনে ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন-২০১৯ প্রকাশকালে এসব তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

    ঈদযাত্রায় দেশের সড়ক-মহাসড়কে ২৩২টি দুর্ঘটনায় ২৭৩ জন নিহত ও ৮৪৯ জন আহত হয়েছেন। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সম্মিলিতভাবে ২৫৬টি দুর্ঘটনায় ২৯৮ জন নিহত ও ৮৬০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

    লিখিত বক্তব্যে মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘বিগত ঈদের চেয়ে এবার রাস্তাঘাটের পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো। নৌ-পথে বেশ কয়েকটি নতুন লঞ্চ যুক্ত হয়েছে। রেলপথেও বেশ কয়েক জোড়া নতুন রেল ও বগি সংযুক্ত হয়েছে। এবারের ঈদের লম্বা ছুটি থাকায় জনসাধারণ আগেভাগে বাড়ি পাঠানোর সুযোগ কাজে লাগানোয় ঈদযাত্রা খানিকটা স্বস্তিদায়ক হয়েছে। রাস্তাঘাটের পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতিসহ সার্বিক পরিকল্পনা এবং বিগত ২০১৬ সাল থেকে ঈদযাত্রায় যাত্রী কল্যাণ সমিতির ধারাবাহিক সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদনসমূহ গণমাধ্যম ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দেয়ার কারণে এবারের ঈদে বিগত বছরের তুলনায় সড়ক দুর্ঘটনা ১৯.৩৯ শতাংশ, নিহত ২৪.১৭ শতাংশ ও আহত ৪৮.৯৯ শতাংশ কমেছে।’

    তিনি বলেন, ‘মোটরসাইকেলের সঙ্গে অন্যান্য যানবাহনের সংঘর্ষ ছাড়াও পথচারীকে গাড়ি চাপা দেয়ার ঘটনা প্রায় ৪৫ শতাংশ ঘটেছে। আগামী ঈদে এ দুটি ঘটনা এড়ানো সম্ভব হলে দুর্ঘটনা প্রায় ৮০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।’

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ঈদযাত্রা শুরুর দিন ৩০ মে থেকে ঈদ শেষে বাড়ি থেকে কর্মস্থলে ফেরা ১১ জুন পর্যন্ত বিগত ১৩ দিনে ২৩২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭৩ জন নিহত ও ৮৪৯ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন ৪০ জন চালক, ২০ শ্রমিক, ৬৮ নারী, ৩৩ শিশু, ২৪ ছাত্রছাত্রী, দু’জন চিকিৎসক, ১৯ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, তিনজন রাজনৈতিক নেতা ও ৯১২ পথচারী।

    উল্লেখিত সময়ে রেল পথে ট্রেনে কাটা পড়ে ৮, ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে দুই, ট্রেন যানবাহন সংঘর্ষে এক, ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার দুটি ঘটনায় মোট ১৩ জন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। একই সময় নৌ-পথে ১১টি ছোটখাট বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত, তিনজন নিখোঁজ ও ৮ জন আহত হয়েছেন।

    সংগঠিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৭.৪৩ শতাংশ বাস, ২৩.৮৯ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৩.৫৯ শতাংশ ট্রাক, পিকআপ, কাভার্ডভ্যান, লরি, ৮.২৫ শতাংশ কার-মাইক্রো, ৭.৬৬ শতাংশ অটোরিকশা, ৪.৪২ শতাংশ নছিমন-করিমন ও ৪.৭১ শতাংশ ব্যাটারি রিকশা ও ইজিবাইক এসব দুর্ঘটনায় পড়ে।

    সংগঠিত দুর্ঘটনার ২৯.৭৪ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৪৪.৮২ শতাংশ পথচারীকে গাড়ি চাপা দেয়ার ঘটনা, ১৯.৩৯ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনা এবং ৬.০৩ শতাংশ অন্যান্য অজ্ঞাত কারণে দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়।