Category: প্রচ্ছদ

  • ইংরেজি শিখলেই বাংলা ভুলে যেতে হবে, এমনটি নয়: ড. ইউনূস

    ইংরেজি শিখলেই বাংলা ভুলে যেতে হবে, এমনটি নয়: ড. ইউনূস

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পৃথিবীর অনেক দেশে একজন নাগরিক একাধিক ভাষায় কথা বলেন। এজন্য ইংরেজি শিখলেই বাংলা ভুলে যেতে হবে, বিষয়টি এমন নয়।

    শুক্রবার বিকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পদক হিসেবে একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও প্রাইজ মানি দেওয়া হয়।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাষ্ট্রভাষা বাংলা বাংলার মর্যাদা রক্ষার জন্য ১৯৫২ সালের আন্দোলন সূচিত হলেও এর মূল চেতনাটি ছিল স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা। এটি ছিল রাজনৈতিক অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির আন্দোলন।

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমরা দ্রুতগতিতে নতুন পৃথিবী সৃষ্টি করে চলেছি। এজন্য নিত্যনতুন প্রযুক্তি প্রধানত দায়ী। প্রযুক্তির প্রাধান্য সঙ্গেই ভাষার প্রাধান্য আসে।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যে দেশের প্রযুক্তি পৃথিবীতে প্রাধান্য অর্জন করতে থাকবে, তার সঙ্গেই প্রাধান্য অর্জন করতে থাকবে প্রযুক্তিদাতা দেশের ভাষা সারা পৃথিবী এই ভাষা শেখার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়বে। যে দেশ পৃথিবীতে নেতৃত্ব দেবে সে দেশের ভাষার জন্য সারা পৃথিবী ঝুঁকে পড়বে।

    সরকারপ্রধান বলেন, প্রযুক্তি ছাড়াও যেকোনো একটি দিক থেকে জাতি নেতৃত্ব দিতে পারলে, সে দেশের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়বেই।

  • সচিবালয়ে আগুনের ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন

    সচিবালয়ে আগুনের ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন

    রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে আগুনের ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠপ্রশাসন) মোহাম্মদ খালেদ রহীমকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে।

    এ কমিটির সদস্য-সচিব হবেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (যুগ্মসচিব পদমর্যাদার নিচে নয়)।

    সদস্য হিসেবে থাকবেন- জননিরাপত্তা বিভাগের প্রতিনিধি (যুগ্মসচিব পদমর্যাদার নিচে নয়), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (যুগ্মসচিব পদমর্যাদার নিচে নয়), স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধি (যুগ্মসচিব পদমর্যাদার নিচে নয়), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিনিধি এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের প্রতিনিধি।

    সাত সদস্যের ওই কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়, অগ্নিকাণ্ডের উৎস ও কারণ উদঘাটন, অগ্নি দুর্ঘটনার পেছনে কারো ব্যক্তিগত বা পেশাগত দায়দায়িত্ব আছে কি না তা উদ্‌ঘাটন, এ জাতীয় দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করতে সুপারিশ প্রেরণ। কমিটি প্রয়োজনে এক বা একাধিক সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

    বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১টা ৫২ মিনিটে সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে ভবনের ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম তলা পুড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের চেষ্টায় সাড়ে ৬ ঘণ্টা পর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

  • সারা দেশে ২৫টি ক্যাডারের কর্মকর্তাদের কর্মবিরতি

    সারা দেশে ২৫টি ক্যাডারের কর্মকর্তাদের কর্মবিরতি

    জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রস্তাবিত উপসচিব পুলে কোটা পদ্ধতি বহাল, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্যাডারকে সিভিল সার্ভিসের বহির্ভূত করার প্রতিবাদে এবং কৃত্য পেশাভিত্তিক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে এক ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন সিভিল সার্ভিসের ২৫টি ক্যাডারের কর্মকর্তারা।

    মঙ্গলবার ‘আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন পরিষদ’র আহ্বানে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়। প্রশাসন ক্যাডার বাদে বাকি ২৫ ক্যাডারের কর্মকর্তারা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

    কয়েকদিন আগে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন উপসচিব পুলে প্রশাসন ক্যাডারের জন্য ৫০ শতাংশ কোটা রেখে অন্যান্য ২৫টি ক্যাডারের জন্য ৫০ শতাংশ পরীক্ষার ভিত্তিতে নিয়োগ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্যাডারকে সিভিল সার্ভিস হতে আলাদা করার সুপারিশ করে। ‘আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন পরিষদ’ এর সঙ্গে কোনো রকম আলোচনা ছাড়া এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পরিষদ কলম বিরতি ছাড়াও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে তারা।

    এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ২৬ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সব অফিসে স্ব-স্ব কর্মস্থলের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি, ৪ জানুয়ারি (শনিবার) ঢাকায় সমাবেশ আয়োজন। সেখান থেকে বড় কর্মসূচি আসবে।

    ইতোমধ্যে পরিষদের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য প্রতিটি ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন থেকে সব সদস্যকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • জাহাজে ডাকাতিতে বাধা দেওয়ায় হত্যা করা হয় ৭ জনকে

    জাহাজে ডাকাতিতে বাধা দেওয়ায় হত্যা করা হয় ৭ জনকে

    চাঁদপুরের নদীবেষ্টিত হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় মেঘনা নদীতে থামানো অবস্থায় থাকা মেসার্স বৃষ্টি এন্টারপ্রাইজের আল বাখেরাহ নামক জাহাজ থেকে ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।

    সোমবার বিকালে ওই ইউনিয়নের মাঝেরচর নামক স্থান থেকে মরদেহ ও আহতদের উদ্ধার করে কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ। পুলিশের ধারণা জাহাজে ডাকাতিতে বাধা দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেন নৌপুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ মোশফিকুর রহমান।

    নিহতরা হলেন- জাহাজের মাস্টার কিবরিয়া, ইঞ্জিনচালক সালাউদ্দিন, সুকানি আমিনুল মুন্সি, গ্রিজার সজিবুল, আজিজুল ও মাজেদুল ইসলাম। নিহত একজনের নাম জানা যায়নি। আর আহত ব্যক্তি হলেন জুয়েল। আহত ও নিহত ব্যক্তিদের বাড়ি নড়াইল জেলায়।

    মেসার্স বৃষ্টি এন্টারপ্রাইজের অপর জাহাজ মুগনি-৩ এর মাস্টার বাচ্চু মিয়া ও গ্রিজার মো. মাসুদ জানান, সারবহনকারী আল বাখেরাহ রোববার সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসে। এরই মধ্যে কোম্পানির মালিক শিপন বাখেরাহ জাহাজে ফোন করে কাউকে পাননি। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় মুগনি জাহাজ থেকে যোগাযোগ করার জন্য বলে। ওই সময় মুগনি জাহাজটি মাওয়া থেকে ঘটনাস্থল দিয়ে অতিক্রম করার সময় বাখেরাহ জাহাজটি দেখতে পায়। ওই সময় তারা জাহাজের লোকদের রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে ৯৯৯ নাম্বারে কল দেন।

    এদিকে ৯৯৯ নাম্বারে কলের সূত্র ধরে চাঁদপুর থেকে কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। নৌপুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ মোশফিকুর রহমানের উপস্থিতে কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ জাহাজ থেকে প্রথমে ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ৩ জনকে আহত অবস্থায় চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

    চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আনিসুর রহমান বলেন, জুয়েল নামে আহত একজনের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গলা ও শ্বাসনালীও কাটা ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। আর উদ্ধার করে আনা সজিবুল ও মাজেদুলকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাদের মাথায় ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

    নৌপুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, জাহাজে ডাকাতি করতে বাধা দেওয়ায় তাদের হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটির তদন্ত চলছে।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন। তিনি বলেন, আহত একজন হাতের ইশারায় জানিয়েছে তারা ৮ জন ছিলেন। ঘটনাটি কিভাবে হয়েছে এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। ডাকাতি, কিংবা অন্য কোনো কারণে হতে পারে। তদন্ত করার পরে জানা যাবে। নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে নিরাপত্তা বিষয়ে কথা বলেছি। কারণ এই রুটে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করে। যাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়।

  • আগামীকাল শুরু হচ্ছে অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য সংগ্রহ

    আগামীকাল শুরু হচ্ছে অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য সংগ্রহ

    আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে দেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারির মূল তথ্য সংগ্রহ। ১৫ দিনব্যাপী এই শুমারির তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে আগামী ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সারা দেশে ৯৫ হাজার তথ্য সংগ্রহকারী এবারের শুমারিতে তথ্য সংগ্রহ করবেন।

    দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে প্রতি ১০ বছর পর এমন শুমারি করছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। ইতোমধ্যেই প্রচারসহ অন্যান্য প্রস্তুতিও শেষ করা হয়েছে। শুমারির সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে আজ সোমবার (৯ ডিসেম্বর) অর্থনৈতিক শুমারির ২০২৪ প্রকল্প নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সম্মে¥লন কক্ষে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। শুমরির বিস্তারিত তুলে ধরেন জনশুমারি প্রকল্পের ডিপুটি প্রকল্প পরিচালক মিজানুর রহমান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মহাপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, অর্থনৈতিক শুমারি প্রকল্পের প্রকল্প পচিালক এস এম শাকিল আখতার। উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. হামিদুল হক, যুগ্ম সচিব ড. দীপঙ্কর রায় প্রমুখ।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, অর্থনৈতিক শুমারিতে ৭০টি প্রশ্ন উঠে আসবে। এবারই প্রথম ট্যাবের মাধ্যমে ক্যাপি পদ্ধতিতে এই শুমারির তথ্য সংগ্রহ করা হবে। ইতোমধ্যেই লিস্টিংয়ের মাধ্যমে ১ কোটি ২২ লাখ ইউনিট চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখান থেকে এবং এর বাইরে থেকেও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এবার শুমারিই প্রথমবারের মতো দেশে কতজন বিদেশি কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন, তারা কোন ধরনের প্রতিষ্ঠানে কোন ধরনের পদে কর্মরত আছেন এবং নারী-পুরুষ কতজন সেসব তথ্য তুলে ধরা হবে।

    পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, শুমারির কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে শেষ করার জন্য জিওগ্রাফিক্স ইনফরমেশন সিস্টেম (জিআইএস) ও জিওকোড সমন্বয় করে ডিজিটাল ম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে ব্যবহৃত ট্যাবলেটগুলো মোবাইল ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট (এমডিএম) সফটওয়্যার ব্যবহার করে কেন্দ্রীয়ভাবে ডিভাইসগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মাঠ পর্যায় থেকে সংগৃহীত তথ্য সংরক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেডের (বিডিসিসিএল) সমৃদ্ধ ডেটা সেন্টার ব্যবহার করা হচ্ছে।

    মাঠ পর্যায় থেকে বিডিসিসিএল হয়ে বিবিএস সার্ভারে আসার আগ পর্যন্ত সংগৃহীত সকল তথ্য উপাত্ত গোপন অবস্থায় থাকবে। যার মাধ্যমে পরিসংখ্যান আইন ২০১৩ অনুযায়ী একদিকে তথ্য সংগ্রহে শুমারি কর্মীদের সহযোগিতা করা অপরদিকে এই আইন দ্বারা জনসাধারণের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত তথ্যর নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করা হবে।

    পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. দীপঙ্কর রায় বলেন, শুমারির তথ্য-উপাত্তের গুণগতমান নিশ্চিত করে কর্মকর্তা কর্মচারীদের ৩ ধাপে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে মাস্টার ট্রেইনারদের প্রশিক্ষণ, দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা শুমারি সমন্বয়কারী, জোনাল অফিসারগণ ও আইটি সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ এবং তৃতীয় ধাপে গণনাকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

    মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো ও প্রবণতা সম্পর্কে সঠিক ও আপডেটেড তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    তিনি বলেন, বিবিএসের কর্মকর্তারা প্রতিটি ধাপে যথাযথ প্রস্তুতি নিয়েছেন। এবারের অর্থনৈতিক শুমারি তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতিকে আরও উন্নত করার জন্য প্রচার-প্রচারণা এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম করা হচ্ছে।

  • যেকোনো চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান সেনাপ্রধানের

    যেকোনো চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান সেনাপ্রধানের

    সামরিক চেতনাবোধকে সমুন্নত রেখে যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ নিতে সব সময় প্রস্তুত থাকতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

    মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে ৮৭তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি ও ৫৯তম বিএমএ স্পেশাল কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি।

    সকালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছান সেনাপ্রধান। শুরুতেই তিনি নবীন ক্যাডেটদের অভিবাদন গ্রহণ করে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। এরপর পুরস্কার পাওয়া ক্যাডেটদের হাতে স্মারক তুলে দেন তিনি।

    এবার সব বিষয়ে শ্রেষ্ঠ কৃতিত্বের জন্য সোর্ড অব অনার অর্জন করেন ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার আব্দুল্লাহ আল আরাফাত।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান কমিশন পাওয়া কর্মকর্তাদের যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশপ্রেমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নিদের্শনা দেন। প্রত্যেক সেনাসদস্যের সাহসিকতার সঙ্গে সব পরিস্থিতি মোকাবিলা ও মাতৃভূমির স্বাধীনতা রক্ষাই প্রথম এবং প্রধান কাজ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা প্রধান চালিকাশক্তি উল্লেখ করে সেনাপ্রধান বলেন, নবীন কর্মকর্তাদের ওপর অর্পিত হবে সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। তাই তাদের যে কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নিজের বিবেকের দারস্থ হওয়ান আহ্বান জানান তিনি।

    দীর্ঘ তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে এই মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ৮৭তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সর্বমোট ২১৩ জন অফিসার ক্যাডেট এবং ৫৯তম বিএমএ স্পেশাল কোর্সের ১৪ অফিসার ক্যাডেট ও চার ট্রেইনি অফিসার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করলেন। কমিশন পাওয়া অফিসারদের মধ্যে ২০৭ পুরুষ ও ২৪ নারী কর্মকর্তা রয়েছেন।

    প্রধান অতিথি বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে পৌঁছালে তাকে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া এবং বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির কমান্ড্যান্ট অভ্যর্থনা জানান।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য অধ্যাপক ড শূচিতা শরমিনকে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১২টার মধ্যে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। যোগদানের দুইমাস পার হতে না হতেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পড়েছেন তিনি। বুধবার (২৭ নভেম্বর ) বিকেল চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্জে সাধারণ শিক্ষার্থীদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষার্থীরা।

    এ সময় শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে জানান, উপাচার্য নিয়োগের দুই মাস পার হলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করতে পারে নি। মেডিকেলে ওষুধ নেই। দাপ্তরিক কাজে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছে। পরীক্ষা আটকে আছে। স্থবির হয়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয়।

    আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীরা সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ পরিহার করার কথাও জানান ।

    তবে জুলাই বিপ্লবে শহীদের স্মরণে অনুষ্ঠিত প্রোগ্রামে উপাচার্যের উপস্থিতি মেনে নিবে না শিক্ষার্থীরা। এছাড়া ওই প্রোগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রাব্বানীকে সভাপতিত্বের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ও আলোচনা করেন তারা।

    ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মোশাররফ হোসেন বলেন, জুলাই বিপ্লবের যে স্পীট তা উপাচার্য ধারণ করেন না। দীর্ঘ দুইমাস দায়িত্ব পালনকালে আমরা সেটাই দেখেছি। তার দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি কোনোভাবেই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে থাকতে পারেন না। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি উপাচার্যের পদত্যাগের। আমাদের এক দফা এক দাবি।

    আলোচনা সভায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সুজয় শুভ বলেন, সকলের সমন্বিত সিদ্ধান্তই আমার সিদ্ধান্ত। আমার আলাদা কোনো সিদ্ধান্ত নেই। তবে এ বিষয়ে আমাদের সকলকেই কথা বলতে হবে।

    উল্লেখ্য, গত ২৬ নভেম্বর রাতে শিক্ষার্থীদের একাংশের বাধার মুখে ক্যাম্পাসে এসেও যোগদান করতে পারেননি নতুন নিয়োগ পাওয়া কোষাধ্যক্ষ কর্নেল (অব.) আবু হেনা মোস্তফা কামাল খান। এদিকে নতুন কোষাধ্যক্ষকে দায়িত্ব নিতে বাধা দেওয়ার ১৫ ঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাহাত হোসেন ফয়সাল পদত্যাগ করেন।

  • শাহজালাল বিমানবন্দরে ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ গ্রেফতার

    শাহজালাল বিমানবন্দরে ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ গ্রেফতার

    রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে সনাতন ধর্মবিশ্বাসী সংগঠন আন্তর্জাতিক শ্রীকৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমবার বিকালে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তাকে গ্রেফতার করে।

    জানা গেছে, ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস এদিন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার উদ্দেশে বিমানবন্দর আসেন। সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গত ৫ আগস্টের পর দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীর নামে কয়েক দফা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেসব সমাবেশ থেকে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস বর্তমান সরকারের উদ্দেশে নানা ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে বক্তব্য দেন। এর আগে থেকে তিনি আলোচনায় থাকলেও গত ২৫ অক্টোবর বিকালে চট্টগ্রাম নগরের লালদীঘি মাঠে ৮ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সমাবেশের বেশি আলোচনায় আসেন।

    ওই সমাবেশ করা হয় বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের নামে। সমাবেশে এই চিন্ময় কৃষ্ণ দাসই বাংলাদেশের হিন্দুদের মন্দিরে হামলা ও বাড়িঘরে লুটপাট, অগ্নিসংযোগসহ নানা অভিযোগ করেন। অথচ তার বিরুদ্ধেই দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময় তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে থাকেন।

    চিন্ময় কৃষ্ণ দাস আলোচিত হিন্দু সংগঠন ইসকনের অন্যতম সংগঠক। তিনি সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে তিনি চিন্ময় প্রভু নামে পরিচিত। চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ও পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ।

    উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর সনাতন ধর্মবিশ্বাসী সংগঠন আন্তর্জাতিক শ্রীকৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) আলোচিত সংগঠক চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে এ মামলা দায়ের হয়। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন- রাজেশ চৌধুরী ও হৃদয় দাশ। ফিরোজ খান নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে নগরীর কোতোয়ালী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

  • সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়াকে সম্মান জানানোয় গোটা জাতি আনন্দিত

    সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়াকে সম্মান জানানোয় গোটা জাতি আনন্দিত

    সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে যে সম্মান জানানো হয়েছে, তাতে গোটা জাতি আনন্দিত বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকালে সেনাকুঞ্জে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

    মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া এ দেশের জন্য তার জীবনের সবচেয়ে বড় সময়টা দিয়ে দিয়েছেন গণতন্ত্রের জন্য, স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্বের জন্য। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে সবচেয়ে দেশপ্রেমিক বাহিনী সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীকে তার থেকে দূরে করে রাখা হয়েছে। আমি আজকে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিশেষ করে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। বিশেষ করে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যে, তিনি আজকে ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) যে সম্মান দেখিয়েছেন, এতে আমরা যেমন কৃতজ্ঞ হয়েছি, একই সঙ্গে গোট জাতি আজকে আনন্দিত হয়েছে।

    এর আগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বেলা ৩টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে পৌঁছান।

    প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানিয়েছে, খালেদা জিয়া সেনাকুঞ্জে পৌঁছালে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন তাকে অভ্যর্থনা জানান।

    এর আগে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে খালেদা জিয়া গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান তার সঙ্গে ছিলেন।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, খালেদা জিয়া সেনাকুঞ্জে পৌঁছে তার আসনে বসার পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। আগেই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পৌঁছান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খালেদা জিয়াকে অনুষ্ঠানে দেখে তিনি কেঁদে ফেলেন।

    সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিএনপির নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আবদুল মঈন খানসহ দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে সেনাকুঞ্জে আমন্ত্রণপত্র জানানো হয়।

  • ধ্বংসাত্মক মানসিকতার কারণে সভ্যতা গুরুতর ঝুঁকির মুখে: ড. ইউনূস

    ধ্বংসাত্মক মানসিকতার কারণে সভ্যতা গুরুতর ঝুঁকির মুখে: ড. ইউনূস

    ক্রমশ তীব্রতর হচ্ছে, আমাদের ধ্বংসাত্মক মানসিকতার কারণে সভ্যতাকে গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছি। আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে নিজের ভাষণে এমন মন্তব্য করেছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    একইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি কমাতে বিলাসী জীবনাচরণ পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন অধ্যাপক ইউনূস। ভাষণে জীবাশ্ম জ্বালানি, কার্বন নিঃসরণ এবং অপচয়মুক্ত পৃথিবী গড়ার তাগিদ তুলে ধরেছেন তিনি।

    ভাষণে ড. ইউনূস বলেন, বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক এবং যুবশক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপন করতে হবে।

    এর আগে মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ড. ইউনূস বিশ্বের অন্তত ২০টি দেশের শীর্ষনেতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে দেখা করেছেন।

    যাদের মধ্যে রয়েছে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং তুর্কি ফার্স্ট লেডি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এবং নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল। আলাপকালে ড.ইউনূস দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের শীর্ষ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সার্কের পুনরুজ্জীবনের আহ্বান জানিয়েছেন।

    অন্য শীর্ষনেতাদের মধ্যে বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী, ঘানার প্রেসিডেন্ট, বসনিয়া হার্জেগোভিনার প্রধানমন্ত্রী, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট, আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী, মন্টিনিগ্রোর প্রেসিডেন্ট, বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী, ব্রাজিল ও ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট, ফিফা সভাপতি, আইওএমের মহাপরিচালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ড. ইউনূস।

    এছাড়া প্রধান উপদেষ্টা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। তিনি জুলাই অভ্যুত্থানে সংহতি প্রকাশ করা বন্দি ৫৭ বাংলাদেশী নাগরিককে মুক্তি দেওয়ার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান।