Category: ফুটবল

  • শতাব্দীর সেরা ফুটবল একাদশে জায়গা পেলেন যারা

    শতাব্দীর সেরা ফুটবল একাদশে জায়গা পেলেন যারা

    ফুটবল জগতে বর্তমানে চলছে বার্সা ও রিয়ালের শাসন আর তাই শতাব্দীর সেরা একাদশেও দেখা মিলল তাদের রাজত্বের।   সম্প্রতি এই শতাব্দীর সেরা একাদশ প্রকাশ করেছে ইউনিয়ন অব ইউরোপিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনস (উয়েফা)।

    ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার বাছাই করা শতাব্দীর সেরা একাদশে বার্সেলোনার জয়জয়কার। ছয়জনই বার্সার। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ থেকে জায়গা পেয়েছেন ৩ জন। বাকি দু’জন আলাদা ক্লাবের।

    ছয়জন আবার স্পেনের খেলোয়াড়। এরা হলেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, জাভি হার্নান্দেজ, কার্লোস পুয়োল, সার্জিও রামোস, জেরার্ড পিকে ও ইকার ক্যাসিয়াস। সবাই লা লিগায় খেলে নিজেদের অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। অর্থাৎ, স্প্যানিশ ফুটবলের অাধিপত্য স্পষ্ট। যেখানে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে এফসি বার্সেলোনা।

    একাদশে বার্সার বর্তমান ও সাবেক ছয় তারকা হলেন লিওনেল মেসি, থিয়েরি অঁরি, জাভি, ইনিয়েস্তা, পুয়োল ও পিকে। এর মধ্যে ক্লাব ফুটবল ক্যারিয়ারে আর্সেনাল ও বার্সার হয়ে ইউরোপ মাতিয়েছেন ফ্রেঞ্চ আইকন অঁরি।

    রিয়ালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে আছেন রামোস ও কিংবদন্তি গোলরক্ষক ক্যাসিয়াস। বায়ার্ন মিউনিখের বিশ্বকাপ জয়ী জার্মান আইকন ফিলিপ লাম ও লিভারপুলকে প্রতিনিধিত্ব করছেন ইংল্যান্ডের সাবেক আইকনিক মিডফিল্ডার স্টিভেন জেরার্ড।

    সবচেয়ে বেশি ১১ বার উয়েফার টিম অব দ্য ইয়ার’র অংশ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন রোনালদো। মেসি আটবার বর্ষসেরা টিমে নিজের অবস্থান নিশ্চিত করেছেন। ক্যাসিয়াস, পুয়োল, রামোস ও ইনিয়েস্তা ছয়বার করে। পাঁচবার করে লাম, পিকে, জাভি ও অঁরি। তিনবার নাম লিখিয়েছেন জেরার্ড।

    ৪-৩-৩ ফর্মেশনে উয়েফা মনোনীত শতাব্দীর সেরা একাদশ সাজানো হয়েছে। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ব্যতিব্যস্ত রাখবেন অঁরি, মেসি ও রোনালদো। মাঝমাঠ থেকে আক্রমণের কৌশল সাজাবেন ইনিয়েস্তা, জাভি ও জেরার্ড। গোলরক্ষককে সুরক্ষা দিতে ডিফেন্স (সেন্টারব্যাক) সামলাবেন পুয়োল ও পিকে। লেফটব্যাকে লাম ও ডান প্রান্ত থেকে ছুটবেন রামোস। গোলবার বিপদমুক্ত রাখতে থাকছে ক্যাসিয়াসের বিশ্বস্ত হাত।

    উয়েফার একাদশ নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় চলছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ভিন্নমত দেখিয়েছেন অনেকেই। ক্যাসিয়াসের জায়গায় জিয়ানলুইজি বুফন, পিকের পরিবর্তে কারো পছন্দ ইতালির বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ফ্যাবিও ক্যানাভারো।

    জিনেদিন জিদান, রোনালদো, রোনালদিনহো, দিদিয়ের দ্রগবা, পাওলো মালদিনিসহ সাবেক অনেক তারকার অনুপস্থিতি মানতে পারছেন না ফুটবলপ্রেমীরা। এদের রাখা উচিত ছিল বলে মত দিয়েছেই অনেকেই।

  • মেসির চোখে রাশিয়া বিশ্বকাপে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন যারা

    মেসির চোখে রাশিয়া বিশ্বকাপে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন যারা

    আগামী বছরের জুনে রাশিয়ায় পর্দা উঠবে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর বিশ্বকাপের। এরই মধ্যে বিশ্বকাপের ৩২ দলের অংশগ্রহন নিশ্চিত হয়ে গেছে।

    বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে নিজেদের প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছে শিরোপা প্রত্যাশী দলগুলো।

    তবে এবারের বিশ্বকাপে সবার নজর থাকছে শিরোপার অন্যতম দাবিদার আর্জেন্টিনার দিকে। বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে বেশ ঘাম ঝড়াতে হয়েছে দলটিকে। প্রায় এক লিওনেল মেসির ওপরই ভর করে রাশিয়া বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে আলবেসেলিস্তারা। তবে বিশ্বকাপের মূল আসরে সবচেয়ে বড় বাধা কোন দেশগুলো সে ব্যাপারে মুখ খুলেছেন ফুটবল জাদুকর মেসি।

    বার্সেলোনা এই সুপারস্টার মনে করেন জার্মানি, ব্রাজিল, ফ্রান্স ও স্পেন আগামী বিশ্বকাপে খেতাব জয়ের বড় দাবিদার। মেসি সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবে যে ৪টি দেশের নাম করেছেন, তার সঙ্গে আর্জেন্টিনাকে যোগ করলে দেখা যাচ্ছে, ওই পাঁচটি দেশ মোট ১৩বার বিশ্বকাপ জিতেছে। সুতরাং ফেবারিট চিহ্নিত করতে মেসি কোনো ভুল করেননি।

    এদিকে, আর্জেন্টিনার জার্সিতে পাঁচবারের ফিফা বর্ষসেরা পুরস্কার পাওয়া মেসির সম্ভবত এটাই শেষ সুযোগ।

    কারণ ২০২২ সালে কাতারে আয়োজিত বিশ্বকাপের সময় মেসির বয়স ৩৪ বছর হবে। তাই মেসি দলসহ খেলোয়াড়দের সামনে স্লোগান তুলছেন, ‘নাও অর নেভার’।

  • বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ে ইতালির ফুটবলারদের অবসরের হিড়িক

    বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ে ইতালির ফুটবলারদের অবসরের হিড়িক

    ছয় দশক পর বিশ্বকাপ থেকে বাদ ইতালি। এই ধাক্কা যেন কোনোভাবেই সইতে পারছে না দেশটির ফুটবল। তাই বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার পর দলের ফুটবলারদের যেন অবসর নেয়ার হিড়িক পড়ে গেছে। ইতোমধ্যে দলের বেশ কয়েকজন সিনিয়র ফুটবলার অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন।
    অবসর নেয়া ফুটবলারদের মধ্যে জিয়ানলুইজি বুফনের বিষয়টা আগে থেকেই অনুমিত ছিল। কারণ বিশ্বকাপের পর অবসর নেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন গোলপোস্টের এই অতন্ত্র প্রহরী। যেহেতু দল চূড়ান্তপর্বে কোয়ালিফাই করতে পারেনি, তাই ৩৯ বছর বয়সী বুফনের অবসরে যাওয়ার ঘোষণাটা সেভাবে আকস্মিক ছিল না।
    তবে বুফন ছাড়াও এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইতি টানার ঘোষণা দিযেছেন ডিফেন্ডার আন্দ্রে বার্জাগলি, মিডফিল্ডার ড্যানিয়েলে ডি রোসি ও জর্জিও চিলিয়েনি। এর মধ্যে ৩৬ বছর বয়সী বার্জাগলি ৭৩ ম্যাচ খেলেছেন ইতালির জার্সি গায়ে। আর ৩৪ বছর বয়সী রোসি ইতালির হয়ে চতুর্থ সর্বোচ্চ ১১৭ ম্যাচ খেলে গোল করেছেন ২১টি। আর ৩৩ বছর বয়সী ডিফেন্ডার চিলিয়েনি ৯৬ ম্যাচে অংশ নিয়ে করেছেন ৮ গোল।
    এর আগে সোমবার রাতে সুইডেনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে বিশ্বকাপের বাছাই থেকেই বিদায় হয়ে যায় ইতালির। দুই লেগ মিলে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে ১৯৫৮ সালের পর প্রথম দলটি বিশ্বকাপের বাইরে ছিটকে পড়ে। এই সময়টাকে দেশের ফুটবলের অন্ধকার সময় উল্লেখ করে রোসি বলেন, ‘আমাদের ফুটবলে এটা অন্ধকার সময়| বিশেষ করে যারা বিগত দুই বছর দলের সঙ্গে আমরা ছিলাম তাদের জন্য আরও বেশি অন্ধকারাচ্ছন্ন।’
    অপরদিকে চিলিয়েনি আশা করেছেন তরুণদের হাত ধরে ফের ঘুরে দাঁড়াবে ইতালির ফুটবল। তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক তরুণ ছেলে আছে। আগামী কয়েক বছর তাদের জন্য একইভাবে ভালবাসা ও সমর্থন দিয়ে যেতে হবে।’
    বার্জগাল ইতালির এই ব্যর্থতাকে ‘একটা যুগের সমাপ্তি’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘ফুটবলে এটি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় হতাশার ঘটনা।’
  • আবারও বাবা হলেন রোনালদো

    আবারও বাবা হলেন রোনালদো

    অনলাইন ডেস্ক

    ফুটবল তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো চতুর্থ সন্তানের বাবা হয়েছেন। রবিবার মাদ্রিদের হাসপাতাল কুইরন ইউনিভার্সেলে রোনালদো ও জর্জিনা রদ্রিগেজের এই মেয়ে সন্তান জন্ম নেয়।

    রোনালদো নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে এ কথা নিশ্চিত করেছেন।

    ৩২ বছর বয়সী রিয়াল মাদ্রিদের স্ট্রাইকার রোনালদো একটি ছবি পোস্ট করেন। যেখানে তার সঙ্গে বান্ধবী রদ্রিগেজ, নতুন জন্ম নেওয়া আলানা মার্টিনা ও বড় ছেলে ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র ছিলো।

    ছবির ক্যাপশনে রোনালদো লিখেন, ‘এই মাত্র জন্ম নিল আলানা মার্টিনা! জিও ও আলানা দু’জনই ভালো আছে! আমরা সবাই খুব খুশি!’

    উল্লেখ্য, রোনালদোর আগের দুটি যমজ সন্তান সারোগেট পদ্ধতিতে হয়েছিলো। তাদের নাম রাখা হয়েছে ইভা (মেয়ে) ও মাতেও (ছেলে)। আর প্রথম সন্তান ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র সাত বছর বয়সী। ধারণা করা হয় সেও সারোগেট পদ্ধতিতে হয়েছিলো।

  • পিএসজি ছেড়ে রিয়ালের দিকে ঝুঁকছেন নেইমার

    পিএসজি ছেড়ে রিয়ালের দিকে ঝুঁকছেন নেইমার

    পিএসজিতে যাওয়ার মাত্র দু’‌মাসের মধ্যেই জানা গেল এমন খবর। নেইমার যে কোনও মুহূর্তে পিএসজি ছেড়ে দিতে পারেন।

    কেন না নতুন ক্লাবে খুব একটা খুশিতে নেই তিনি। কাভানির সঙ্গে মনোমালিন্যই এর কারণ। তাই তিনি স্পেনে ফিরতে চাইছেন।

    সূত্রের খবর, ইতোমধ্যে নেইমারের বাবা দেখা করেছেন রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট ‌ফিওরেন্তিনা পেরেজের সঙ্গে। তাও আবার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পরিবর্ত হিসেবে ছেলে নেইমারের খেলার বন্দোবস্ত করতে। নেইমারের বাবার এই সাক্ষাতের খবর সামনে আসতেই কানাঘুষো শুরু হয়ে গেছে। মনে করা হচ্ছে নেইমার আবার লা লিগায় ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

    স্প্যানিশ পত্রিকা ‘‌মুন্ডো ডিপোর্টিভো’‌-এর খবর নেইমার সিনিয়র আর পেরেজ ব্রাজিলীয় এই ফুটবলার তারকার ট্রান্সফারের ব্যাপারেই কথা বলেছেন। ২০১৩ সালে নেইমারকে সান্টোস থেকে ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিল রিয়েল।

    কিন্তু সেই সময় তা পূর্ণতা পায়নি। কিন্তু নেইমারকে নেওয়ার জন্য বের্নাব্যুর দরজা যে চিরকালই খোলা, তা এবারে নেইমার সিনিয়রের রিয়ালের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করাতেই প্রমাণ পাওয়া গেল। এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি তাতে ২০২১ সালে রোনালদোর চুক্তি শেষ হলে তবেই নেইমারকে নেওয়া সম্ভব।

    খবর যা রটে, তার কিছুটা তো বটে। তবে রোনালদো যদি রিয়াল ছাড়েনও, সেক্ষেত্রে কি রোনালদোর পরিবর্ত হিসেবে নেইমারকে পছন্দ হবে কিনা জিদানের, সেটিও অনে বড় প্রশ্ন হয়েই থাকবে। ‌ অনেক যদি, কিন্তু আছে। তবে নেইমার সিনিয়রের এই আচমকা রিয়াল প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করাটা স্রেফ জল্পনা বলে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ‌‌

  • রিয়ালের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছি না : রোনালদো

    রিয়ালের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছি না : রোনালদো

    চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি ও নেইমারের সঙ্গে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পারিশ্রমিকের ফারাক অনেক।   গুঞ্জন উঠেছে তিনি তার পারিশ্রমিক বাড়াতে চেষ্টা করছেন।

    তবে এসব সত্য নয় বলে দাবি করেছেন রিয়াল তারকা রোনালদো।   উল্টো জানিয়েছেন, তিনি ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ আর বাড়াচ্ছেন না।

    ক্রিশ্চিয়ানো বলেন, আমি রিয়াল মাদ্রিদে ভালোই আছি। এখানে আমি আরও চার বছর আছি। তবে চুক্তির মেয়াদ আর বাড়াতে চাই না। আমি ভালো আছি।

    গত দুই মৌসুম দুর্দান্ত কেটেছে রিয়ালের।  সে হিসেবে চ্যাম্পিয়ন লিগে তুলনামূলকভাবে বেশ পিছিয়েই আছে রিয়াল।   চ্যাম্পিয়ন লিগে হেরেই চলেছে রিয়াল।

    রোনালদোও খুব একটা গোল পাননি।  এ নিয়ে রোনালদো বলেন, ‘আমরা পরপর হারছি যেটা খুবই খারাপ। আমরা জিততে অভ্যস্ত।   আমাদের পারফর্মেন্স ভালো হচ্ছে না।

  • মালির ফুল ফোটানো ম্যাচে জিতলো ব্রাজিল

    মালির ফুল ফোটানো ম্যাচে জিতলো ব্রাজিল

    ম্যাচের পর মালির ফুটবলাররা যখন পরস্পরকে সান্ত্বনা দিতে দিতে মাঠ ছাড়ছিলেন তখন বিবেকানন্দ যুব ভারতি ক্রীড়াঙ্গনের ভরা গ্যালারিতে তুমুল করতালি। ড্রেসিং রুমের টানেলে প্রবেশের আগে দর্শকের ভালোবাসার জবাবও দিয়েছেন আফ্রিকার দেশটির যুব ফুটবলাররা। কিন্তু মুখে হাসি ছিল না তাদের। ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বাকাপের গত আসরের রানার্সআপ মালি দুর্দান্ত ফুটবল খেলেও হারের বেদনা নিয়ে দেশে ফিরতে হচ্ছে তাদের।

    স্পেন-ইংল্যান্ড ফাইনাল রাতে হলেও বিকেলেই ভরে যায় সল্ট লেকের যুব ভারতি স্টেডিয়ামের গ্যালারি। বেশিরভাগ দর্শকই ছিল ব্রাজিলের সমর্থক। হাতে ব্রাজিলের পতাকা, মাথায় ক্যাপ-বাদ্যযন্ত্র নিয়েও হাজির হয়েছিলেন পেলে-নেইমারদের উত্তরসূরিদের খেলা দেখতে; কিন্তু যাদের জন্য এত আয়োজন দর্শকের সেই ব্রাজিল মন ভরাতে পারলো না তাদের। সমর্থকদের জয়টা উপহার দিতে পারলেও ব্রাজিলীয় ফুটবলটা প্রদর্শন করতে পারেনি তারা।

    সল্ট লেকে বরং ফুটবলের ফুল ফোটালো মালি। গত আসরের রানার্সআপ আফ্রিকার দেশটির সামনে ব্রাজিলের যুবারা ছিলো অনুজ্জ্বল। ২-০ গোলে জিতেছে ব্রাজিল। কিন্তু ম্যাচের চিত্রের সঙ্গে স্কোরটা কোনোভাবেই যায় না। মালির দুর্দান্ত ফুটবলের ম্যাচটি ছোঁ মেরে নিয়ে গেলো ব্রাজিল।

    আগের দিন ব্রাজিল যুব দলের কোচ কার্লোস আমাদেউ বলেছিলেন, ২৪ দলের মধ্যে তৃতীয় হওয়াও কম কৃতিত্বের নয়। আমরা জয় দিয়েই বিশ্বকাপটা শেষ করতে চাই। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ব্রাজিল শুধু জয়টাই পেলো। তাতে কোচের তৃতীয় হওয়ার লক্ষ্যটা পূরণ হলেও দর্শকের ভালো ফুটবল দেখার স্বপ্ন থেকে গেলো স্বপ্নই।

    ব্রাজিলের কাছে হারের পর বেশি কপাল চাপড়াবেন মালির গোলরক্ষক ইউসুফ কইতা। ৫৫ মিনিটে ব্রাজিলের গোলটি যে হয়েছে তারই ব্যর্থতায়। বক্সের মাথা থেকে অ্যালান যে শটটি নিয়েছিলেন তাতে না ছিল ধার, না ছিল গতি। বলটি ছিল গোলরক্ষকের হাতের নাগালে। কিন্তু অ্যালানের সাধারণ শটটিই এগিয়ে দেয় ব্রাজিলকে। বল গোলরক্ষকের দুই পায়ের ফাঁক গলিয়ে চলে যায় জালে।

    কখনো ছোট, কখনো লম্বা খেলে মালি কোনঠাসা করে রাখে ব্রাজিলকে। কিন্তু ফুটবল গোলের খেলা, দুটি গোল করে ম্যাচ শেষে জয়ী দলের নাম ব্রাজিল। উপমহাদেশের প্রথম বিশ্বকাপের ট্রফি উড়িয়ে নেবে ব্রাজিল-এমন প্রত্যাশা ছিল অনেকের। বিশেষ করে কোলকাতাজুড়ে ছিল ব্রাজিলের গান। শেষ পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরছে তৃতীয় হয়ে। তাও শুধু গোল দিয়ে, সুন্দর ফুটবল খেলে নয়।

    পিছিয়ে পড়া মালি গোলের জন্য মরিয়া হয়েও সফল হয়নি। উল্টো শেষ বাঁশির মিনিট তিনেক আগে দ্বিতীয় গোল খেয়ে হারের ব্যবধান একটু বড় হয় তাদের। ব্রাজিলের ব্যবধান বাড়ানো গোলটি অবশ্য পরিকল্পিত এক আক্রমনের ফল। বক্সে বল পেয়ে অ্যালান ঠেলে দেন অনেকটা অরক্ষিত থাকা বদলি খেলোয়াড় ইউরি আলবার্তোকে। ৭৪ মিনিটে লিনকনের পরিবর্তে মাঠে নামা আলবার্তোর শট নিশ্চিত করে ব্রাজিলের জয়।

  • পাওলো দিবালার স্বপ্নপূরণ

    পাওলো দিবালার স্বপ্নপূরণ

    বছর দুয়েক আগে পালেরমো থেকে জুভেন্তাসে পাড়ি জমান পাওলো দিবালা। ইতালিয়ান জায়ান্ট ক্লাবটিতে নিজের অবস্থান বেশ শক্ত করে ফেলেছেন। দলটির আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা তিনি।

    এবার একটি স্বপ্নপূরণ হলো দিবালার। জুভেন্তাসের ‘১০ নম্বর’ জার্সি পেয়েছেন তিনি। দুর্দান্ত পারফর্ম করার ফলই পেয়েছেন এই আর্জেন্টাইন। আগের মৌসুমে ২১ নম্বর জার্সি পরে খেলেছিলেন দিবালা।

    জুভদের ১০ নম্বর জার্সি পরা একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন দিবালা। লিখেছেন, ‘১০ নম্বর জার্সিটা বিশেষ কিছু। এটা পরতে পারাটা সম্মানের ব্যাপার। অনেক বড় দায়িত্বও। জুভেন্তাসের মতো গ্রেট ক্লাবের ইতিহাস বয়ে বেড়ানো। জুভেন্তাসের অনেক চ্যাম্পিয়ন ফুটবলাররা এই জার্সি পরে খেলতেন। বিশেষ করে, আলেসান্দ্রো পিরলো, কার্লোস তেভেজ, রবার্তো বাজ্জিও, মিশেল প্লাতিনি, ওমর সিভোরি ও পল পগবারা এই জার্সি গায়ে জড়িয়েছিলেন।’

    ‘আজ দশ নম্বর জার্সি পাওয়ায় আমার স্বপ্নপূরণ হলো। শুধু শৈশবের স্বপ্নই পূরণ হয়নি, পাশাপাশি প্রত্যেকটি ম্যাচ, প্রতিযোগিতা ও শিরোপা জয়ের দায়বদ্ধতাও বেড়ে গেল।’- যোগ করেন দিবালা।

  • ‘মেসি-রোনালদোর পর্যায়ে যাবে নেইমার’

    ‘মেসি-রোনালদোর পর্যায়ে যাবে নেইমার’

    গত নয়টি বছর বর্ষসেরা ফুটবলারের লড়াইটা চলছে দুজনের মধ্যেই। লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। গ্রহের অন্যতম সেরা দুই ফুটবলারই ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন ব্যালন ডি’অর পুরস্কার।

    এই দ্বৈরথ আর কত চলবে? মেসি-রোনালদোর আধিপত্য খর্ব হবে কার ধরে? এমন প্রশ্নই বিরাজ করছে ফুটবল দুনিয়ায়। অনেকেই মনে করেন, এক্ষেত্রে নেইমারই যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী। ব্রাজিল কোচ তিতেও দিলেন সেই ইঙ্গিত।

    ব্রাজিলিয়ান এই কোচ জানালেন, ব্যালন ডি’অর জয়ের ক্ষেত্রে মেসি-রোনালদোর সঙ্গে লড়বেন নেইমার। মেসি-রোনালদোর পর্যায়ে যাবেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। নেইমার নিজেকে নিয়ে যাবেন অনন্য উচ্চতায়।

    ব্যালন ডি’অরের লড়াই নিয়ে তিতে বলেন, ‘এক্ষেত্রে (ব্যালন ডি’অর জয়ের লড়াইয়ে) লড়াইটা হবে তিনজনের : ক্রিশ্চিয়ানো, মেসি ও নেইমারের। ক্রিশ্চিয়ানো ও মেসি ভিন্ন প্রজন্মের। নেইমার তাদের পর্যায়ে যাবে। এটা অবশ্য তার পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করে। সে মেসির সঙ্গে খেলছে কিনা, সেটা কোনো বিষয় না!’

  • নেইমারের ট্রান্সফারের টাকায় স্টেডিয়াম নির্মাণ করবেন রুমেনিগে

    নেইমারের ট্রান্সফারের টাকায় স্টেডিয়াম নির্মাণ করবেন রুমেনিগে

    দুনিয়া কাঁপানো ট্রান্সফার ফিতে বার্সেলোনা ছেড়ে এখন নেইমার ডি সিলভা জুনিয়র ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) ফুটবলার। ২২২ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ২ হাজার ১১৯ কোটি টাকা) বাই আউট ক্লজ পরিশোধ করে তিনি পাড়ি জমিয়েছেন প্যারিসে। নেইমারের এই ট্রান্সফার নিয়ে এখনও চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। অনেকেই এত বড় ট্রান্সফারের বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না।

    এই মেনে নিতে না পারাদের দলে রয়েছেন জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের প্রেসিডেন্ট কার্ল হেইঞ্জ রুমেনিগে। তিনি আবার ইউরোপিয়ান ক্লাবস অ্যাসোসিয়েশনের (ইসিএ) প্রেসিডেন্ট। এত বড় মূল্যের ট্রান্সফারকে রুমেনিগে অভিহিত করলেন পুরোপুরি ‘অযৌক্তিক’ হিসেবে। একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দিলেন, জার্মান জায়ান্ট ক্লাবটি কখনোই এত বেশি পরিমাণ ইউরো কোনো ট্রান্সফারের পেছনে ব্যায় করবে না।

    কার্ল হেইঞ্জ রুমেনিগে জানান, এই বিশাল পরিমাণে অর্থ দিয়ে বরং তিনি একটি স্টেডিয়াম নির্মাণ করতে পারবেন। শুধু তাই নয়, বায়ার্ন মিউনিখ প্রেসিডেন্ট একই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, নেইমারের ট্রান্সফারের মূল্য তাদের (বায়ার্ন মিউনিখের) হোম ভেন্যু আলিয়াঞ্জ এরেনার মূল্যের চেয়েও বেশি। তিনি জানিয়ে দিলেন, এ ধরনের অযৌক্তিক ট্রান্সফারকে অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

    রুমেনিগে নাকি নেইমারের ট্রান্সফারের সময় নিজেকে নিজে প্রশ্ন করেছিলেন, নেইমার নাকি স্টেডিয়াম। তার মন নেইমারের চেয়েও বেশি সায় দিয়েছিল স্টেডিয়ামের পক্ষে।

    কার্ল হেইঞ্জ রুমেনিগে স্পোর্ট বিল্ড ম্যাগাজিনকে বলেন, ‘নেইমারের ট্রান্সফারের সময় আমি নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করেছিলাম, কোনটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ? নেইমার নাকি আলিয়াঞ্জ এরেনা?’

    নেইমারের চেয়েও তার কাছে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আলিয়াঞ্জ এরেনাই আমার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বায়ার্ন মিউনিখের অবশ্যই ভিন্ন কোনো দর্শন রয়েছে। তবে আমি এটা বলতে পারি, নেইমারের ট্রান্সফারের যে মূল্য তা আলিয়াঞ্জ এরেনার মূল্যের চেয়েও বেশি।’