Category: বরিশাল

  • বরিশালে শ্রমিক নেতা ও কাউন্সিলরের ধস্তাধস্তি, ভিডিও ভাইরাল

    বরিশালে শ্রমিক নেতা ও কাউন্সিলরের ধস্তাধস্তি, ভিডিও ভাইরাল

    আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে শ্রমিক নেতা ও কাউন্সিলরের ধস্তাধস্তি, ভিডিও ভাইরাল পুলিশ বলছে আগ্নেয়াস্ত্রের অনুকূলে প্রদর্শিত কাগজপত্র যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

    এর আগে রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বরিশাল সদর ভূমি কমিশনার কার্যালয়ের সামনে পোর্টরোড থেকে মর্তুজাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

    ৫৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বরিশাল নগরের দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ কে এম মর্তুজা আবেদীনের হাতে একটি পিস্তল রয়েছে। তিনি যে অটোরিকশার মধ্যে রয়েছেন, সেখানে বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রইজ আহমেদ মান্নাসহ আরও এক যুবক রয়েছেন। তারাসহ অটোরিকশার বাইরে থেকে মান্নার অনুসারী কয়েকজন মিলে পিস্তলটি ধরে টানা-হেঁচড়া করছেন।

    ওই ভিডিওর শুরুতে কেউ একজন বলেন ‘ভিডিও ভিডিও কর’। এরপর মান্নাকে কয়েকবার চিৎকার করে বলতো শোনা যায়, ‘আমাকে মারার জন্য অস্ত্র বের করছে দেখ’। আর এ সময় মর্তুজা কয়েকবার চিৎকার করেন ‘দেখ ও দেখ ছেমড়া’ বলতে শোনা যায়। শেষে মান্না ‘অস্ত্রটা নে’ বললে এক যুবক মর্তুজার হাত থেকে অস্ত্রটি ছাড়িয়ে নিয়ে যান। এ সময় মর্তুজা বলেন, ‘এ অস্ত্রটি আমার লাইসেন্স করা অস্ত্র’। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে থাকা ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা গিয়ে ওই যুবকের কাছ থেকে তাদের জিম্মায় আগ্নেয়াস্ত্রটি নিয়ে নেন।

    স্থানীয় ও প্রতক্ষদর্শীরা জানান, ভূমি অফিস কম্পাউন্ড বা তার মধ্যে কি হয়েছে সেটা বলতে পারবো না। ওই অটোরিকশা ঘিরে আকস্মিক চিৎকার শুনে যখন সবাই সেদিকে ছুটে যায় তখন গিয়ে দেখতে পাই একটি পিস্তল নিয়ে সবাই টানাটানি করছে। এতে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ দূরত্বে সরে গেলে পিস্তলটি ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা দ্রুত তাদের জিম্মায় নেয় এবং সেসঙ্গে অ্যাডভোকেট মর্তুজাকে হেফাজতে নেন।

    অ্যাডভোকেট মর্তুজা আবেদীন পিস্তলটি লাইসেন্স করা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি এসি ল্যান্ড অফিস থেকে বের হতে অবস্থায় মান্না এসে জিজ্ঞাস করে আমার বউকে মারছো কেন? কিন্তু এ ধরনের কোনো ঘটনাই আমার জীবনে নেই। এ কথা নিয়ে বাকবিতণ্ডার পর তারা কয়েকজনে মিলে আমাকে মারধর করে। একপর্যায়ে আমার কোমড়ে থাকা লাইসেন্স করা রিভলবার থাবা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন কোমর থেকে রিভলবার নিজের হাতে নেই যাতে ওরা নিয়ে যেতে না পারে। এরপর মারতে মারতে আমাকে একটি অটোরিকশার মধ্যে নিয়ে যায়। তখন এক ট্রাফিক পুলিশের সদস্য এলে তাকে পিস্তলটি নিতে বলি, সে নেওয়ার আগেই একটি ছেলে সেটি নিয়ে যায়। তারপর ওই পুলিশ সদস্য ওই ছেলের কাছ থেকে পিস্তলটি নিজের জিম্মায় নেন।

    এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রইজ আহমেদ মান্না বলেন, ‘আমার বাসার একটি জমি নিয়ে ঝামেলা ছিল, যার কারণে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের সঙ্গে কথা বলতে আজ সেখানে যাই। ভূমি অফিস থেকে বের হয়ে বাসায় যাবার জন্য রাস্তার পাশে গিয়ে দাঁড়াই। ওই মুহূর্তে পেছন থেকে মর্তুজা এসে আমার পেছনে দাঁড়ায় এবং আমাকে বলেন- ‘তুই এখনও বাইচ্চা আছো- তোর তো বাইচ্চা থাকার কথা না’। তখন আমি বলছি- ‘এ ব্যাডা ক্যা? আমি বাইচ্চা থাকমু না ক্যা-আল্লাহ না মারলে কেউ মারতে পারে’। এ কথায় সেখানে চিল্লাচিল্লি হইছে। এরপরও ওহ (মর্তুজা) একটু সামনের দিকে এগিয়ে গালাগালি করতে থাকেন, আমিও একটু সামনের দিকে আগাইছি। এরপর তিনি হঠাৎ পিস্তল বের করে। এ সময় সেখানে থাকা সাধারণ শ্রমিকরা তাকে আটক করছে। ’

    তিনি বলেন, পিস্তলটি তার কোমরে ছিল। বৈধ না অবৈধ সেটাও বলতে পারবো না। নিজের আত্মরক্ষার্থে সেটা আমি ও ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্যও ধরেছি, আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও এর প্রমাণ পাওয়া যাবে।

    এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, অ্যাডভোকেট মর্তুজা আবেদীনকে নগরের পোর্টরোডের স্বাগতম হোটেলের সামনে জনগণের কাছ থেকে পিস্তলসহ আমাদের হেফাজতে নিয়ে এসেছি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি, সেসঙ্গে পিস্তলটির কাগজপত্র কি রয়েছে তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সেসঙ্গে ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজও সংগ্রহ করা হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, বরিশাল সিটি করপোরেশনের দুই নম্বর ওয়ার্ডে ২৫ বছর ধরে জনপ্রতিনিধি অ্যাডভোকেট মর্তুজা আবেদীন। গত সিটি নির্বাচনে তার এ ওয়ার্ডে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন তৎকালীন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ও বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রইজ আহমেদ মান্না। কিন্তু প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় সেখানে নির্বাচনে মান্নার ভাই মুন্না হাওলাদার অংশগ্রহণ করেন। আর ওই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

  • বাউফলে চাচার হাতে প্রাণ গেলো ভাতিজার

    বাউফলে চাচার হাতে প্রাণ গেলো ভাতিজার

    পটুয়াখালীর বাউফলে জমি-জমা নিয়ে বিরোধের সূত্র ধরে চাচার বিরুদ্ধে ভাতিজা আল-আমিন মৃধাকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আল-আমিন বাউফল উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড দক্ষিন মাধবপুর গ্রামের শানু মৃধার ছেলে। শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে বাউফল উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের দক্ষিন মাধবপুর গ্রমের হাতেম মৃধার বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটেছে।

    জানা গেছে, শনিবার সন্ধার পর আল-আমিন মিলঘর বাজার থেকে বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে হাতেম মৃধার বাড়ীর সামনে পৌছালে কয়েকজন যুবক তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে আহত করে। তখন আল-আমিনের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

    এদিকে নিহত আল-আমিন পরিবারের দাবি, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আল-আমিনের চাচা মোতালেব মৃধা ও চাচাতো ভাই জাফরের নেতৃত্বে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

    এবিষয়ে অভিযুক্ত মোতালেব মৃধা পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

    বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম আরিচুল হক বলেন, ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • ঝালকাঠিতে মরদেহ নিয়ে শশ্মানে তোলপাড়

    ঝালকাঠিতে মরদেহ নিয়ে শশ্মানে তোলপাড়

    ঝালকাঠি শস্মান ঘাটে এক বৃদ্ধার মরদেহ দাহ করার পুর্বে জীবিত সন্দেহে পুরো শস্মানঘাট এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। মুহুর্তেই সেখানে গনমাধ্যমকর্মী এবং উৎসুক জনতা ভীর জমায়। সিভিল সার্জন ও হাসপাতারের আবাসিক চিকিৎসক ছুটে যায় সেখানে।

    ঝালকাঠি জুয়েলারী ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি পরাণ কর্মকার বলেন, ‘তাদের সমিতির সদস্য মেঘা জুয়েলার্সের মালিক শান্তি কর্মকারের মা সাধনা রানী রায় (৮৫) শনিবার সকাল ৭ টায় পোষ্ট অফিস রোডস্থ নিজ বাস ভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরন করেন। দুপুর ১টার দিকে তাকে দাহ করার জন্য পৌর শশ্মানে নেয়া হয়। শশ্মানের গেটে নেয়ার পর নিহত সাধনা রানীর নাতনী মেঘা কর্মকার উপস্থিত ম্বজনদের বলেন তার দাদুর শরীর গরম, সে হয়তো জীবিত আছে। তারপর নিহত বৃদ্ধাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেয়া হয়।

    হাসপাতাল সুত্রে জানাগেছে, ঐ বৃদ্ধার ইসিজি এবং পালস পরীক্ষা করেন। বৃদ্ধা সাধনা রানী অনেক আগেই মারা গেছে বলে স্বজনদের জানিয়ে দেয় হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ঐ সময়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক বৈশাখী বড়াল।

    নিহতের জামাতা বাবুল কর্মকার বলন, ‘হাসপাতার থেকে তার শাশুরিকে আবারো শশ্মানে নিয়া যায় স্বজনরা। কিন্তু মৃত ব্যক্তি জীবিত হযেছে এমন খবর শহরে ছড়িয়ে পরলে সাংবাদিকরা শশ্মানে ভীর জমায়।

    এদিকে সাধনা রানীর মৃত্যু নিশ্চিত হতে সিভিল সার্জন ডা. এইচ এম জহিরুল ইসলাম, সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যল অফিসার (আরএমও) ডা. মেহেদী হাসান সানি এবং কনসালট্যান ডা. আবুয়াল হাসান ছুটে যান শশ্মানঘাটে। সেখানে তারা সাধনা রানীর পালস এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করেন। তারাও উপস্থিত সকলকে সাধনা রানী মৃত বলে জানিয়ে দেয়।

    গনমাধ্যম কর্মীদের সিভিল সার্জন ডা. এইচ এম জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘মৃত্যুর পর ৩ থেকে ৫ ঘন্টা মহদেহ গরম থাকতে পারে, এটা স্বাভাবিক ঘটনা। তবে সাধনা রানী মৃত।

  • বরিশালে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো ৪ জনের, ভর্তি ৩৪৬

    গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে তিন বৃদ্ধসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই রোগে গোটা বিভাগে মোট ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    এছাড়া বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে একই সময়ে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত আরও ৩৪৬ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে ভর্তি হয়েছেন। আর এ নিয়ে গোটা বিভাগের ছয় জেলার সরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ৯১৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন।

    রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কালনা এলাকার আ. ছাত্তার (৮৫) ও মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার রমজানপুর এলাকার ব্রজেশ্বর মণ্ডল (৬৫) গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

    এছাড়া ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার হেলাল (২৫) বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজে ও পটুয়াখালীর ‍দুমকি উপজেলা দক্ষিণ মুরাদিয়া এলাকার মো. আজিজ (৬০) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৩৪৬ জন ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ৬৭ জন বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া ৩২ জন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ দুই হাসপাতালে বর্তমানে ২৮৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন।

    এছাড়া বরিশাল জেলার অন্যান্য হাসপাতালে ৪৭ জন, পটুয়াখালীতে ৪০ জন, ভোলায় ৩২ জন, পিরোজপুরে ৪৬, বরগুনায় ৭৫ ও ঝালকাঠিতে সাতজন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের হাসপাতালগুলোয় চৌদ্দ হাজার ৬০১ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ হাজার ৬৩৭ জন। এদিকে চলতি বছর গোটা বিভাগে ৪৫ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যারমধ্যে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৮ জন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন, বরিশাল জেলার অন্যান্য হাসপাতালে ২ জন, বরগুনায় চারজন, পিরোজপুরে তিনজন এবং ভোলায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ দাস বলেন, ডেঙ্গু রোধে সচেতনতাই জরুরি। মানুষ সচেতন না হলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কমানো যাবে না।

    তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের গুরুত্ব দিতে বরিশাল বিভাগের সব সরকারি হাসপাতালগুলোয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • মেহেন্দিগঞ্জে বিদ্যুতের খুঁটিতে ঝুলছিলো ইলেকট্রিশিয়ানের লাশ

    মেহেন্দিগঞ্জে বিদ্যুতের খুঁটিতে ঝুলছিলো ইলেকট্রিশিয়ানের লাশ

    বিদ্যুত পোষ্টে (খুঁটি) কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে আজিজুল হক হাওলাদার নামের এক ইলেকট্রিশয়ানের মৃত্যু হয়েছে। খুুঁটির ওপর তারের সাথে ঝুলছিলো আজিজুলের লাশ। খরব পেয়ে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তারের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় আজিজুলের লাশ উদ্ধার করেছেন। ঘটনটি ঘটেছে জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরলতা গ্রামে।

    তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে মেহেন্দিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য আজিজুলের লাশ বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।

    ওসি আরও বলেন, চরলতা গ্রামের ইউনুস হওলাদারের ছেলে আজিজুল স্থানীয় ভ্রাম্যমান ইলেক্টিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন। বুধবার বিকেলে নিজ এলাকার একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে কাজ করতে গিয়ে সে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা যায়। খুঁটির ওপরে তারের সাথেই ঝুলছিলো আজিজুলের লাশ। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সহায়তায় বিদ্যুতের খুঁটির ওপর তারের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় আজিজুলের লাশ উদ্ধার করা হয়।

  • বরিশালে কারেন্ট জাল সহ আটক ১১

    বরিশালে কারেন্ট জাল সহ আটক ১১

    বরিশাল নৌ-পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের পৃথক অভিযানে কারেন্ট জাল সহ নয় জনকে আটক করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩১ আগষ্ট) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বরিশালের কীর্তনখোলা ,কালা বদর,আড়িয়াল খাঁ,মেঘনা ও তেতুলিয়া সহ বিভিন্ন নদীত অভিযান পরিচালনা হয়।

    এসময় বরিশাল অঞ্চলে নৌ-পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট পৃথক অভিযান চালিয়ে নদীতে পাতানো পরিত্যক্ত অবস্থায় মোট ২১,১৫,০০০ মিটার কারেন্ট জাল সহ এগার জনকে আটক করেন।

    বরিশাল অঞ্চলের পুলিশ সুপার কফিল উদ্দিন এর নির্দেশনায় নৌ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    বরিশাল অঞ্চলের নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার কফিল উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার কীর্তনখোলা,কালা বদর, আড়িয়াল খাঁ, মেঘনা ও তেতুলিয়া সহ বিভিন্ন নদীতে নৌপুলিশ পৃথক অভিযান চালায়।এসময় মোট ২১,১৫,০০০ মিটার কারেন্ট জাল সহ মোট এগার জনকে আটক করা হয়।এছাড়া ২ টি বাল্কহেড ও ১ টি ড্রেজার এর বিরুদ্ধে ৩ টি প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়।

    পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ইউএনও এবং মৎস্য কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে অবৈধ কারেন্ট জাল গুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।তিনি আরো বলেন,গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

  • পটুয়াখালী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ ৭৫ শতাংশ সম্পন্ন

    পটুয়াখালী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ ৭৫ শতাংশ সম্পন্ন

    দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে পটুয়াখালী ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ কাজ। আগামী বছরের জুনে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা করছে কর্তৃপক্ষ। এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি অনেকটা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    পটুয়াখালী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট চীনের নোরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এবং বাংলাদেশের রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (আরএনপিএল) যৌথ বিনিয়োগে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু করে। জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দা গ্রামে ৫০০ একর জমির ওপরে এর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। এ কেন্দ্রটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭ হাজার কোটি টাকা। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের জুনে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির একটি ইউনিট (৬৬০ মেগাওয়াট) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করতে চায় কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত এ সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। কয়েক শিফটে প্রায় ৭ হাজার বাঙালি এবং চীনা শ্রমিক কাজ করছেন। ইতোমধ্যে টারবাইনের শতভাগ এবং চুল্লির ৭০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বয়লারের স্টিল স্টাকচারের কাজও শেষ। এছাড়া, কনস্ট্রাকশনের কাজও চলছে দ্রুত গতিতে। মোটকথা এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ৭৫ ভাগ নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

    পটুয়াখালী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ওসমান (মেকানিক্যাল) জানান, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে ব্যবহার করা হচ্ছে আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি। ২২০ মিটার উঁচু চিমনি দিয়ে কয়েক ধাপে ফিল্টারিং হয়ে বের হবে ধোঁয়া। তাই বাতাসের সাথে মিশে পরিবেশের ভারসম্য নষ্ট হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই। এছাড়া, সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে পরিবেশ সম্মতভাবে কয়লা খালাস এবং তা প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হবে।

    এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো: আশরাফ উদ্দিন বলেন, করোনাকালীন সময় আমাদের নির্মাণ কাজ বন্ধ ছিল। তারপরও নির্ধারিত সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ করতে আমাদের শ্রমিকরা দিন-রাত কাজ করছেন। ইতোমধ্যে ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আশা করছি, আগামী বছরের জুনে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে।

  • বন্দর সংলগ্ন সাগরে ইলিশ, নদীতে হাহাকার

    বন্দর সংলগ্ন সাগরে ইলিশ, নদীতে হাহাকার

    পানিতে ট্রলার ভাসাবেন সে টাকাও ছিল না। অবশেষে স্ত্রীর গয়না স্থানীয় মহাজনদের কাছে বন্ধক রেখে টাকা সংগ্রহ করেন লক্ষ্মীপুরের রামগতির জেলে আবুল খায়ের। এরপর নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার ও মাছ সংরক্ষণ করার জন্য পর্যাপ্ত বরফ নিয়ে সাগরে যাত্রা শুরু করে তার মালিকানাধীন ‘এফবি রিভারমেট’ নামের ফিশিং বোট। সাগরে গিয়ে একবার জাল টেনে ট্রলার বোঝাই করে মাছ নিয়ে পটুয়াখালীর মৎস্য বন্দর মহিপুরে ফিরে ট্রলারটি। সম্পূর্ণ মাছ উঠানো হয় ওই বন্দরের ‘মিঠুন ফিশ’ নামের মাছের আড়তে। পরিমাপ করে জানা গেল ১৭০ মন মাছ পেয়েছেন জেলে আবুল খায়ের। যার বাজার মূল্য পেয়েছেন ৫৪ লাখ ৫৪ হাজার ৫০০ টাকা। এই মহাজনই চলতি সিজনে ওই বন্দরে সবচেয়ে বেশি মাছ পেয়েছেন।

    শুধু আবুল খায়ের নন, এর আগে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন সাগরে জাল ফেলে এক টানেই ৪০ লাখ টাকার মাছ পেয়েছেন মিজান মাঝি। এভাবেই একেরপর এক কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা পাচ্ছে সাগরের জেলেরা।

    অপরদিকে নদীতে হাহাকার; ইলিশ শূন্য প্রায় নদী। নদীর জেলেরা আশানুরূপ মাছ না পেয়ে ঋণগ্রস্থ হচ্ছে। পরিবার পরিজন কষ্টে দিন পার করছে। আর মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘সাগর মোহনা ও নদীতে অসংখ্য ডুবোচর জেগে উঠায় ইলিশ মাছ প্রবেশ পথ হারিয়ে ফেলেছে।’

    জেলেদের মতো একই অবস্থায় রয়েছে নদীপাড়ের মৎস্য ব্যবসায়ীরা। নদীতে পর্যাপ্ত মাছ ধরা না পড়ায় মোকামের ঋণের টাকা পরিশোধ নিয়েও রয়েছে তাদের দুশ্চিন্তা।

    জানা গেছে, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর- এই তিন মাস নদ-নদী এবং সাগরে ইলিশ মাছ ধরার মৌসুম। টানা ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে ৭-১০ দিনের রসদ নিয়ে ২৩ জুলাই সাগরে মাছ শিকারে যাত্রা করে উপকূলের জেলেরা। কিন্তু মৌসুমের প্রথম দিকে আশানুরূপ ইলিশ না পাওয়ায় জেলেরা লোকসানের মুখে পড়ে। তার ওপরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে সাগরে ইলিশের দেখা মিলেছে। জেলের জালে ধরা পরছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। বড় সাইজের এসব ইলিশ বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে লাভবান হয়েছেন অনেকে। তবে পায়রা বন্দর এলাকার নদীগুলো এখন ইলিশ শূন্য প্রায়। এখানকার জেলেদের তেলের খরচ পরিমাণ মাছ আহরণ করাই কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে দিন দিন ঋণের বোঝা বেড়েই চলছে।

    জেলেরা অভিমান নিয়ে বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে পেশা বদলে বাধ্য হবেন তারা।

    আর ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবার মৌসুমের শুরু থেকে ইলিশ সঙ্কট ছিল প্রকট। তবে মৌসুমের শেষাংশে হলেও নদীতে ইলিশের দেখা মিলবে। এতে করে প্রাণ ফিরে পাবে জেলেপল্লী।

    জেলা মৎস্য বিভাগ জানায়, জেলায় নিবন্ধিত ৭৩ হাজার ৩৭১ জন জেলে রয়েছে, যারা সরকারি সকল সুবিধাভোগী।

    কোড়ালিয়া মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জহির হাওলাদার জানান, মৌসুমের শুরুতে নদী ও সাগরে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মেলেনি। তবে এখন সাগরে প্রচুর ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। নদীতে ইলিশ শূন্য প্রায়। মাছ না থাকায় জেলেরা হয়েছে ঋণগ্রস্ত। আর ব্যবসায়ীক ক্ষতিরমুখে পড়েছে মৎস্য ঘাট সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। আশা করছি, শিগগিরই নদীতে ইলিশ পাওয়া যাবে। যার ফলে মৎস্য ঘাটে কিছুটা হলেও প্রাণ ফিরবে।

    শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ, একোয়াকালচার ও মেরিন সায়েন্স অনুষদের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘এখন ইলিশের মৌসুম। সাগরের জেলেরা মাছ পাচ্ছে। আমরাও আশা করছি, নদীর অন্যান্য জেলেদের জালেও শিগগিরই কাঙ্ক্ষিত ইলিশ ধরা পড়বে। হাসি ফুটবে তাদের মুখেও।’

    জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: কামরুল ইসলাম বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইলিশের ডিমের পরিপক্কতা আসে নাই। ডিমে পরিপক্কতা না আসলে ইলিশ কখনোই সাগর থেকে নদীতে আসবে না। ইলিশ নদীতে আসবেই প্রজননের জন্য। অর্থাৎ প্রজনন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার জন্য ইলিশের সক্ষমতা এখনো হয়নি। যার কারণে সাগর থেকে নদীর দিকে ইলিশ আসে নাই। শিগগিরই ডিমে পরিপক্কতা আসলে দ্রুত নদীতে আসা শুরু করবে। এখন সাগরে ইলিশ পাওয়ার কারণ সবেমাত্র গভীরতমস্থর থেকে উপরিস্থরে ইলিশ কেবল আসা শুরু করছে।’

  • নলছিটিতে ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেফতার

    নলছিটিতে ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেফতার

    ঝালকাঠির নলছিটিতে ধর্ষণ মামলায় পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি সাবেক ইউপি সদস্য হেমায়েত হোসেন হাওলাদারকে (৬০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    হেমায়েত হোসেন উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মৃত লোহার উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। তিনি নাচনমহল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় , ধর্ষণের অভিযোগে ২০১১ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯ (১)/৩০ ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় মামলাটি করেন।

    নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আতাউর রহমান বলেন, ধর্ষণ মামলায় পলাতক আসামি হেমায়েত হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।

  • উজিরপুরে নিখোঁজের ২ দিন পরে যুবকের লাশ উদ্ধার

    উজিরপুরে নিখোঁজের ২ দিন পরে যুবকের লাশ উদ্ধার

    নিখোঁজের ২ দিন পর বাড়ী পাশে বাগানের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় মেহেদী হাসান নামক এক দিনমজুর যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ।নিহত মেহেদী হাসান উজিরপুর উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের মশাং গ্রামের কাশেম বেপারী পুত্র পেশায় একজন দিনমজুর সে গত ২৮ আগষ্ট থেকে নিখোঁজ ছিলেন এ ঘটনায় তার পিতা কাশেম বেপারী উজিরপুর মডেল থানায় একটি সাধারন ডাইরী জিডি করেন।

    ৩০ আগষ্ট বুধবার সকাল ৮টা দিকে উপজেলা ওটরা ইউনিয়নের মশাং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে বাগানের মধ্যে অন্ডকোষ ফাটানো মুখমন্ডল রক্তাত্ব অবস্থায় তার লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে দিনমজুর মেহেদী হাসান হত্যাকান্ডের সিকার হয়েছেন।

    উজিরপুর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) তৌহিদুজ্জামান বলেন, লাশটি উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে তার দেহে আঘাতের দাগ রয়েছে রিপোট এলেই বুঝা যাবে হত্যাকান্ড কিনা।