Category: বরিশাল

  • মোগো ভালোবাসে সাদিক ভাই,নির্বাচনে হেই জিতবো।

    মোগো ভালোবাসে সাদিক ভাই,নির্বাচনে হেই জিতবো।

    শেখ সুমন:

    আর কিছুদিন পরে নির্বাচনের হাওয়া আসবে বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের জনসাধারণের মাঝে।নির্বাচনে মনোনয়ন পেতে দল এবং সাধারণ মানুষের মাঝে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করছেন রাজনৈতিক ব্যাক্তিগন।তারা বিভিন্ন দলের হাইকমান্ডের সাথে যেমন যোগাযোগ রাখছেন,তেমনে কাজ করছেন জনগণের সাথে। কিন্তু জনগণ এবার তাকেই নগর পিতার আসনে বসাতে চাইছেন,যে প্রকৃতপক্ষে জনসাধারণের সাথে কাজ করবে।ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষ তাদের ভবিষ্যত্ নগর পিতা নির্বাচনের চিন্তা ভাবনা করছে।

    বরিশাল সরকারী জিলা স্কুলের মসজিদ গেটের সামনে তিনজন রিক্সাচালক কথা বলছেন নির্বাচন নিয়ে।তিনজনি বলছেন যে এবার তারা সাদিক ভাইকে ভোটে দিবেন ।

    এই প্রতিবেদক তাদের কাছে জানতে চাইলেন যে, কেনও তারা সাদিক কে ভোট দিবেন ?

    ষ্টিডিয়াম কলোনী নিবাসী মো: ইউনুস বলেন, সাদিক ভাই আমার মেয়ের চিকিৎসায় টাকা দিছে। আমার মেয়ে সেই টাকা না পেলে বাচতোনা ( চোখে পানি নিয়ে কথা বলছে )।আমি তাকে ভোট দিবোনা তো কাকে দিবো।

    পলাশপুর নিবাসী রফিক বলেন, আমার একটি সমস্যার সমাধান সঠিক ভাবে  করছে। সে গরীবদের খুব ভালোবাসে। আমি ও তাকে ভোট দিবো। প্রধানমন্ত্রী যেন তাকে নমিনেশন দেয়। আমরা রিক্সা চালিয়ে সবাইরে বলবো তাকে ভোট দিতে।

    জানা জায়যে,সাদিক সবার কথা শোনেন, সাধ্যমতো সহযোগিতা করেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন কিছুতেই বাদ পড়ছেন না সাদিকের। তাকে ছাড়া যেন নগরবাসীর কোনো অনুষ্ঠানই পূর্ণতা পায় না। সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ড শেষে মধ্যরাতে যখন সাদিক ফেরেন তখনো মানুষের আনাগোনা থাকে নগরীর কালীবাড়িস্থ বাসায়।

    বর্তমানে বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ লড়ছেন বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে। কবিতার দুটি লাইনের সাথে এই রাজনীতিবিদের যৌবনকালের অদ্ভূতরকম মিল আছে। “এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়”। ঠিক এই লাইনটির মতোই সাদিক নিজের যৌবনকালকে প্রথাগত চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য করে নিরাপত্তার চাদরে মোড়া ঘরসংসার করার জীবন বেছে নেননি। তিনি বেছে নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর দৃপ্ত শপথ। লড়াইয়ে রক্তেভেজা রাজপথ, কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠের অনিশ্চিত এক জীবন।

    বরিশালের রাজনীতিবিদরা মনে করেন যাদের জীবন শুধু সংগ্রামের, ত্যাগের; যারা দিতে জানে বিনিময়ে কিছু নিতে জানে না প্রকৃত অর্থে তারাই মানুষ। যাদের অনুসরণ করলে প্রকৃত মানুষ হওয় যায়। সে রকম একজন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশালের বর্তমানে খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ। নানা ঝড়ঝাপ্টার মাঝেও দলীয় আদর্শে তিনি অবিচল থাকেন। তাইতো দলীয় নেতা কর্মীদের নিকট হয়ে উঠেন বড় অবলম্বন। নগরভবন ঠিকানা না হলেও বর্তমানে মহানগরীর মানুষ এখন তাকে ‘ভবিষৎ মেয়র’ বলেই সম্বোধন করে। সুখে-দুঃখে, আপদে-বিপদে ছুটে যায় তার কাছে। সাদিকও নিরাশ করেন না বিপদে পড়া তার প্রিয় নগরবাসীকে।

    সাদিক মনে করেন, আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমার দাদা, বাবা সবাই বরিশালের মাটিতে রাজনীতি করেছে। আমিও তাদের বাইরে নই। আমি কোন কুট রাজনীতি বুঝি না। ওই রাজনীতি করতেও চাই না। দেশ ও বরিশালের উন্নয়নের জন্য কোন কাজই আমি ভয় পাই না। আমি জনগনের মাঝেই থাকতে চাই। জনগনের শ্রদ্ধা-ভালোবাসা নিয়েই রাজনীতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। মানুষের ভালোবাসাকে জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মেনে নিয়ে বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে চাই মানুষের কল্যাণে, দলের কল্যাণে।

     

     

     

     

  • স্কুলের লাইব্রেরিতে শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করল ছাত্রলীগ নেতা

    স্কুলের লাইব্রেরিতে শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করল ছাত্রলীগ নেতা

    ভোলার মনপুরা উপজেলায় স্কুল চলাকালীন স্কুলের লাইব্রেরিতে আটকে এক শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করেছে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এনাম আহমেদ।

    এ ঘটনায় ওই স্কুল শিক্ষিকা বিচার পেতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

    একইসঙ্গে ধর্ষকের বিচারের দাবিতে সোমবার মনপুরা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষক নেতারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান।

    এদিকে, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে উঠেপড়ে লেগেছেন সাবেক ইউপি সদস্য ও অভিযুক্ত ধর্ষক এনাম আহমেদের বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন। নির্যাতিত শিক্ষিকা দাবি করেছেন, ঘটনার বিষয়টি জানাজানি হলে এনাম আত্মগোপনে চলে যায়। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে হুমকি দিচ্ছে।

    গত ৩১ মার্চ সকাল সোয়া ৯টার দিকে ওই স্কুলের লাইব্রেরিতে এ ঘটনা ঘটে। ৪ নং দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের হারিছ-রোকেয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই সহকারী শিক্ষিকা জানান, অন্যান্য দিনের মত ৩১ মার্চ সকাল ৯টার দিকে তিনি স্কুলে প্রবেশ করে শিক্ষকদের বসার নির্ধারিত কক্ষ (লাইব্রেরি) খুলে বসেন।

    ওই সময় এনাম কক্ষে প্রবেশ করে হঠাৎ দরজা আটকে দেয় এবং তাকে ধর্ষণ করে। প্রথমাবস্থায় ডাক চিৎকার দিলে কেউ শুনতে পায়নি। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তি করে বের হয়ে বাইরে এসে চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। ততক্ষণে ছাত্রলীগ নেতা এনাম ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

    স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. সফিউদ্দিন বলেন, ঘটনার দিন আমি স্কুলে ছিলাম না। তখন আমি মার্কার স্কিল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিংয়ে ছিলাম। ওই শিক্ষিকার বরাত দিয়ে সফিউদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, স্কুলের সিঁড়ির রুম দখল করে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাস করে আসছিল এনাম। তিনি ছাত্রলীগ নেতা হওয়ায় আমরা তার ক্ষমতার সামনে জিম্মি।

    এ বিষয়ে ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহীম চৌধুরী পাপন বলেন, এনাম ছাত্রলীগের সহ-সভপতি। তবে তার বিরুদ্ধে ধর্ষেণের এমন অভিযোগ আমার জানা নেই।

    নির্যাতিত স্কুল শিক্ষকা বলেন, ঘটনার পরপরই শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনওকে অবহিত করেছি। তারা লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছেন। আমি তা দিয়েছি। এখন তারা যে সিদ্ধান্ত নেয় আমি সেটাই মেনে নেব। তবে আমি এমন ঘটনার সঠিক বিচার চাই।

    উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে সবাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি এ ঘটনায় মামলা করা হবে। এখন মামলার প্রস্তুতি চলছে।

  • বাবুগঞ্জে ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা আটক

    বাবুগঞ্জে ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা আটক

    প্রিন্স মুন্সী:

    বরিশাল-বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ। ৩০ মার্চ দুপুরে উপজেলার রাকুদিয়া গ্রাম থেকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
    আটককৃত হলেন, রহমতপুর গ্রামরে মাছ ব্যবসায়ী নূর হোসেনের ছেলে মো. সজল (২৫)। জানা যায় বাবুগঞ্জ উপজেলার ছাত্রদলের নেতা সজল দীর্ঘ দিন মাদক ব্যবসার সাথে জরীত।
    বাবুগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে এসআই মোঃ তাজেল ইসলাম, এএসআই মোঃ রাজু আহম্মেদ, এএসআই শ্রী পলাশ ও এএসআই মোঃ কামাল হোসেন অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলার দায়েল করে শনিবার কোডে চালান দেয়া হয়েছে।

  • দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে শক্ত স্তম্ভ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে শক্ত স্তম্ভ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    শেখ সুমন:

    বরিশাল নগরীর ২০নং ওয়ার্ড আয়োজিত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব আবদুল মালেক বলেছেন, বরিশাল সহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়নর ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ একটি শক্ত স্থম্ভ। দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের ব্যাপারে আবুল হাসানত আবদুল্লাহ কাউকে সাট দেননা। যার ফলশ্র“তিতে বরিশাল সহ গোটা দক্ষিনাঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। এই ধারা অবহ্যত রাখতে কাজ করছেন তারা।

    তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নের জন্য তৃণ মূল পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। যা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছেন সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীরা। বরিশালে এ উন্নয়নের ধারা অবহ্যত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৩০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২০নং ওয়ার্ডে সমহারে উন্নয়নের পাশাপাশি প্রায় ৩ কোটি টাকার উন্নয়ন মূলক কাজ হয়েছে এছাড়াও ২০নং ওয়ার্ড উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে গোটা এলাকায় গতকাল এলিডি বাল্ব জ্বালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। গতকাল এলিডি বাল্ব উদ্বোধন করেন তথ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব (সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রনায়লয়ের সচিব) আবদুল মালেক। ২০নং ওযার্ডে স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র, কমিউনিটি সেন্টার,বিএম কলেজ এলাকায় ড্রেনেস ব্যবস্থার উন্নয়ন সহ নানান উন্নয়নে সহযোগীতার আশ্বাস দেন তিনি।

    গতকাল প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান কালে স্থানীয় জনপ্রিয় কাউন্সিলর এস.এম জাকির হোসেনের প্রচেষ্টায় ২০নং ওয়ার্ডে প্রায় ৩ কোটি টাকার বারতি উন্নয়ন হওয়ায় কাউন্সিলর এস.এম জাকির হোসেনের প্রসংশা করেন তিনি। কলেজ-রো জাহানারা ইসরাইল স্কুলে আয়োজিত এ সভায় ২০নং ওয়ার্ডের সকল শ্রেনী ও পেশার বিপুল সংখ্যক সুভান্যধায়ীরা ও এলাকাবাসী উপস্থিত হওয়ায় এস.এম জাকির হোসেন সহ এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তথ্য সচিব আবদুল মালেক। একই সাথে আগামী ১ বছরে গ্রাম পর্যায়ে সকল বাড়ীতে সরকারের প্রদেয় বিদ্যুৎ পৌছে দেয়ার সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

    ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস. এম জাকির হোসেন তার বক্তব্যে প্রধান অতিথি সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ এবং এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিগত সাড়ে ৪ বছরের ২০নং ওয়ার্ডের ব্যাপক উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন। এলাকাবাসীকে নিয়ে এই উন্নয়নের ধারা অবহ্যত রাখতে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।

    সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আহসান হাবিব কামাল, বাউফল পৌর মেয়র জিয়া উল হক জুয়েলসহ অতিথিবৃন্দ। সভার শুরুতে তথ্য মন্ত্রনায়ের সচিব আবদুল মালেককে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ২০নং ওয়ার্ডের এলাকাবাসী, জাহানারা ইসরাইল স্কুল কর্তৃপক্ষ, বিএম কলেজ সাবেক অধ্যক্ষ বরিশালস্থ বাউফল সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন আপন করে নিল বাংলাদেশ

    ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন আপন করে নিল বাংলাদেশ

    রিাকিব সিকদার :

    বাংলাদেশকে ভালোবেসে যুগের পর যুগ মানুষের সেবায় নিয়োজিত ব্রিটিশ লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে।শনিবার বিকালে লুসি হল্টের হাতে বাংলাদেশের নাগরিকত্বের সনদটি তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এসময় জাতির জনকের ছোট মেয়ে শেখ রেহানা এবং শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।৮৭ বছর বয়সী লুসি জীবনের ৫৭ বছর কাটিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশে; এদেশের মাটি ও মানুষকে ভালবেসে ভুলে থেকেছেন পরিবারকে। মৃত্যুর আগে তার একটাই চাওয়া ছিল ‘দ্বৈত নাগরিকত্ব’; শনিবার তিনি তা পেলেন।১৯৩০ সালের ১৬ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের সেন্ট হ্যালেন্সে জন্ম লুসি হল্টের। বাবা জন হল্ট ও মা ফ্রান্সিস হল্ট।

    মানুষের সেবা করার জন্য ১৯৬০ সালে বরিশালের অক্সফোর্ড মিশনে যোগ দেন লুসি। এদেশে এসে অক্সফোর্ড মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের পড়ানো শুরু করেন।একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন যশোর ক্যাথলিক চার্চে শিশুদের ইংরেজি পড়াতেন তিনি। যুদ্ধের কারণে চার্চ বন্ধ করে সবাই নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেলেও যাননি লুসি হল্ট। যুদ্ধাহত মানুষদের সেবা দিয়েছেন তিনি।মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭৩ সালে শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের কাছে চিঠি ও উপহার পাঠান লুসি হল্ট। মা’র হয়ে লুসিকে চিঠির জবাবও দিয়েছিলেন শেখ রেহানা। ২০০৪ সালে অবসরে যাওয়ার আগে খুলনা, নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, গোপালগঞ্জ ও ঢাকায় কাজ করেছেন লুসি হল্ট। অবসর জীবনে তিনি বরিশাল অক্সফোর্ড মিশনের শিশুদের মানসিক বিকাশ ও ইংরেজি শিক্ষা দিচ্ছেন।অবসরের পর সবাই দেশে ফিরে গেলেও তিনি যাননি।

    বাংলাদেশে ও বরিশালের সঙ্গে তার আত্মার সম্পর্ক।বাকি জীবনটা বরিশালেই কাটিয়ে দিতে চান লুসি। তার শেষ ইচ্ছা, মৃত্যুর পরে তাকে যেন বাংলাদেশের মাটিতেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।অবসরকালীন ভাতা সাড়ে সাত হাজার টাকা দিয়ে জীবন চালিয়ে নিচ্ছেলেন লুসি। কিন্তু প্রতিবছর ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য ৩৮ হাজার টাকা দেওয়া তার জন্য কষ্টকর হচ্ছিল। চলতি বছরের ৮ ফেব্র“য়ারি লুসি হল্টকে ১৫ বছরের মাল্টিপল ভিসা দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য তার ভিসা ফি মওকুফও করা হয়ে ছিল। এখন আর সেসবের প্রয়োজন হবে না।প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করায় লুসি হল্টকে ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা।

    এক সময় শেখ ফজিলাতুন্নেসার সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা ছিল জানিয়ে লুসি বলেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে পেরে তিনি আনন্দিত। অনুষ্ঠানে শেখ রেহানার সঙ্গেও কথা বলেন লুসি হল্ট।গণভবনে এই অনুষ্ঠানে মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

  • সাদিক আব্দুল্লাহকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে বরিশাল নগরবাসী

    সাদিক আব্দুল্লাহকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে বরিশাল নগরবাসী

    শেখ সুমন:

    বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বরিশাল মহানগরীর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা, পার্বত্য শান্তি চুক্তির রূপকার,মাননীয় মন্ত্রী জনাব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর সন্তান সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    ছিলেন বরিশাল নগরীর একটি ছোট্ট মহল্লায়। খেলাধুলা ও সংগীত চর্চায় শৈশবে নিজেকে জড়িয়ে রাখলেও নগরবাসীর অনেকেই তখন জানতো না সাদিক আব্দুল্লাহর নাম। অবশ্য ইতোমধ্যে নামটির খ্যাতি বরিশাল’র পাড়া-মহল্লা, নগর ছাড়িয়ে এখন দেশও সমধিক উচ্চারিত। ২০১৪ সালে শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পর বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে উত্থান ঘটে দক্ষিণবঙ্গের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র বড় ছেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। এর পর ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক। বর্তমানে বরিশালের রাজনীতিতে ইতিহাস। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে আওয়ামীলীগের মননীত প্রভাবশালী মেয়র মনোনয়ন পার্থী তিনি।

    আর প্রভাবশালী মেয়র প্রার্থী দাবীদার হবেন না কেনো?

    মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর এখন সকাল-সন্ধ্যা কাটে সাধারণ মানুষকে নিয়ে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বাসার নিচতলার ড্রইংরুমে দেখতে পান অপেক্ষমাণ মানুষের জটলা। কেউ এসেছেন সমস্যা নিয়ে, আবার কেউ বিচারপ্রার্থী হতে। সাদিক সবার কথা শোনেন, সাধ্যমতো সহযোগিতা করেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন কিছুতেই বাদ পড়ছেন না সাদিকের। তাকে ছাড়া যেন নগরবাসীর কোনো অনুষ্ঠানই পূর্ণতা পায় না। সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ড শেষে মধ্যরাতে যখন সাদিক ফেরেন তখনো মানুষের আনাগোনা থাকে নগরীর কালীবাড়িস্থ বাসায়।

    “এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়”। ঠিক এই লাইনটির মতোই সাদিক নিজের যৌবনকালকে প্রথাগত চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য করে নিরাপত্তার চাদরে মোড়া ঘরসংসার করার জীবন বেছে নেননি। তিনি বেছে নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর দৃপ্ত শপথ। লড়াইয়ে রক্তেভেজা রাজপথ, কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠের অনিশ্চিত এক জীবন।

    যাদের জীবন শুধু সংগ্রামের, ত্যাগের; যারা দিতে জানে বিনিময়ে কিছু নিতে জানে না প্রকৃত অর্থে তারাই মানুষ। যাদের অনুসরণ করলে প্রকৃত মানুষ হওয় যায়। সে রকম একজন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশালের বর্তমানে খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ। নানা ঝড়ঝাপ্টার মাঝেও দলীয় আদর্শে তিনি অবিচল থাকেন। তাইতো দলীয় নেতা কর্মীদের নিকট হয়ে উঠেন বড় অবলম্বন।

    নগরভবন ঠিকানা না হলেও বর্তমানে মহানগরীর মানুষ এখন তাকে ‘ভবিষৎ মেয়র’ বলেই সম্বোধন করে। সুখে-দুঃখে, আপদে-বিপদে ছুটে যায় তার কাছে। সাদিকও নিরাশ করেন না বিপদে পড়া তার প্রিয় নগরবাসীকে। ২০১৩ সালের সিটি নির্বাচনে মরহুম শওকত হোসেন হিরনের পরাজয়কে সাদিক আব্দুল্লাহ একটি অভিজ্ঞতা হিসেবেই নিয়েছেন।

    আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিকল্প খুজে পাচ্ছে না আওয়ামী লীগ। বেশ কয়েকজন প্রার্থী মনোনয়ন নেয়ার চেষ্টা করলেও তারা বিএনপির প্রার্থীর সমতুল্য নন বলে মনে করছেন তৃণমুল ও জেলা-মহানগর নেতৃবন্দ। বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে দল থেকে রেজুলেশন করে সাদিকের মনোনয়ন দাবি করায় নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র। গোপন জরিপ চালিয়ে সাদিক আবদুল্লাহর ব্যাপক জনপ্রিয়তার বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অনুধাবন করতে পেরেছে বলে জানা গেছে।

    জুন-জুলাইতে অনুষ্ঠিত ৫টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে এবার আওয়ামী লীগ চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছে। ২০১৩ সালের নির্বাচনে এ সিটিগুলোতে আওয়ামীলীগ পরাজিত হওয়ায় পরবর্তীতে সরকার পরিচালনা করতেও সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাই এবার সংসদীয় নির্বাচনের আগে সিটি নির্বাচনকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে নানা দিক দিয়ে বিবেচনা করে। বিএনপি থেকে মজিবর রহমান সরোয়ার প্রার্থী হবার গুঞ্জন শোনা গেলেও একাধিক সুত্র জানায় সাদিক আবদুল্লাহ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হলে তিনি প্রার্থী হবেন না। অর্থাৎ সাদিক ছাড়া যে কোন প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরোয়ার লড়াই করতে প্রস্তুত। আর এ দিকটিই সাদিককে এগিয়ে রেখেছে।

    বেশ কয়েক বছর ধরে টালমাটাল বরিশাল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যের বাধনে গেঁথেছেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। গুটি কয়েক যে কয়জন বিদ্রোহী রয়েছেন তারা এখন ঘরমুখো হওয়ায় সাদিক আবদুল্লাহর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামীলীগ যে কোন সময়ের চেয়ে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী। শওকত হোসেন হিরনের উন্নয়নের জোয়ারের পরও তার পরাজয়ের অন্যতম কারণ হিসাবে এখনও দলীয় কোন্দলকেই চিহ্নিত করা হয়। সে দিক দিয়ে সাদিক আবদুল্লাহ দলকে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়েছেন বলে দাবি কর্মীদের। সাদিকের ঘোর বিরোধী বলে পরিচিত জেবুন্নেছা আফরোজ এমপি স্বয়ং বিসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে সাদিকের মনোনয়ন দাবি করে ঐক্যের প্রমান দিয়েছেন। তবে কেন্দ্রে তার বিরুদ্ধে একটি দুর্বল অথচ পিছনে সক্রিয় একটি চক্র বিসিসি নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়ে ধু¤্রজাল সৃষ্টি করছে বলে জানা গেছে। তবে কেন্দ্র থেকে সম্প্রতি একাধিক গোপন জরিপ চালানো হয়। ঐ জরিপে বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করতে হলে সাদিক আবদুল্লাহর বিকল্প তারা খুজে পাননি বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে।

    মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলেন বর্তমান সময়ে মহানগর আওয়ামী লীগ যে কোন সময়ের চেয়ে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী। এর কারন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অক্লান্ত পরিশ্রম আর মেধা। মহানগর আওয়ামীলীগ একারণেই সাদিক আবদুল্লাহর মনোনয়ন দাবি করে রেজ্যুলেশন করে কেন্দ্রে পাঠিয়েছে। মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল বলেন, জনপ্রিয়তার কারণেই সাদিক আবদুল্লাহর বিপক্ষে কোন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করারই সাহস পাচ্ছে না। এ অবস্থায় দল অবশ্যই সাদিক আবদুল্লাহকে সিটি কর্পোরেশনে মেয়র পদে মনোনয়ন দেবে বলে আমরা শতভাগ আশাবাদী।

  • বঙ্গবন্ধু এদেশ উপহার দিয়েছে, শেখ হাসিনা সোনার বাংলা উপহার দেবে: শিল্পমন্ত্রী আমু

    বঙ্গবন্ধু এদেশ উপহার দিয়েছে, শেখ হাসিনা সোনার বাংলা উপহার দেবে: শিল্পমন্ত্রী আমু

    সেই দিন সাড়ে সাত কোটি মানুষ বঙ্গবন্ধুর পিছনে ঐক্যবদ্ধ ছিল বলেই বঙ্গবন্ধু এদেশ উপহার দিয়েছে। আর আজকে শেখ হাসিনার পিছনে শোল কোটি মানুষকে যদি ঐক্যবদ্ধ করা যায় তাহলে তিনি যেটা বলছেন আমি সোনার বাংলা উপহার দেবে। তার দ্বারাই সেটা সম্ভব আর এটাই বাস্তব। তাই শেখ হাসিনার উন্নায়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে এবং সোনার বাংলার লক্ষ্যে আগামি নির্বাচনে নৌকা র্মাকায় ভোট দিয়ে তার হাতকে আরো শক্তিশালি করতে হবে।
    শনিবার বিকাল ৫টায় সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহি গাবখান-ধানসিড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ইউনিয়ন আ’লীগ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথীর বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি এসব কথা বলেন। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ইউপি সদস্য মো: গিয়াস উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মিসহ ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
    তিনি আরো বলেন, যারা এই দেশে মুক্তিযোদ্ধা বিরোধি শক্তি পাক হানাদার বাহিনির দোসর হিসেবে যারা লক্ষ্য মানুষের সম্মান নষ্ট করেছিল, নিজের হাতে মানুষ হত্যা করেছিল, মায়ের কোল থেকে মাসুম বাচ্চা কেড়ে নিয়ে লাইট পোস্টের সাথে মাথা ঠুকে হত্যা করছিল, সেই জল্লাদদের নিয়ে যারা মন্ত্রীসভা গঠন করে জোট গঠন করে তাদের হাতে এই দেশের ক্ষমতা দেয়া যেতে পারেনা। তিনি স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সেই লক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
    এর পূর্বে শিল্পমন্ত্রী আমু ইউনিয়নের বিশখালি বিধৌত চর ভাটারা কান্দা এলাকায় নবনির্মিত সাইক্লোন সেন্টার’র শুভ উদ্বেধন করেন।

  • পরিবর্তন হচ্ছে ৫ জেলার ইংরেজি নামের বানান

    পরিবর্তন হচ্ছে ৫ জেলার ইংরেজি নামের বানান

    চট্টগ্রাম, বরিশাল, কুমিল্লা, বগুড়া ও যশোর জেলার নামের ইংরেজি বানান পরিবর্তন করা হচ্ছে। বাংলা নামের সঙ্গে মিল করতে এ পরিবর্তন আনছে সরকার।

    প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় আগামী সোমবার এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করবেন।

    বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, পাঁচটি জেলার নামের ইংরেজি বানানে কিছুটা অসঙ্গতি আছে। এটা দূর করতে নিকার সভায় একটি প্রস্তাব উঠছে। সভাটি হবে সোমবার।

    উল্লেখ্য, নতুন বিভাগ, জেলা, উপজেলা, থানাসহ প্রশাসনিক ইউনিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে থাকে নিকার সভায়। প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন এ কমিটির আহ্বায়ক।

    বর্তমানে চট্টগ্রামের ইংরেজি বানান Chittagong, কুমিল্লার বানান Comilla, বরিশাল বানান Barisal, যশোরের বানান Jessore ও বগুড়ার বানান Bogra।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে, Chittagong এর পরিবর্তে বানান Chattagram, Comilla এর পরিবর্তে Kumilla, Barisal এর পরিবর্তে Barishal, Jessore এর পরিবর্তে Jashore এবং Bogra এর পরিবর্তে Bogura করার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য নিকার সভায় উঠছে।

  • সাকেপের ভাইস চেয়ারম্যান হলেন উপমন্ত্রী জ্যাকব

    সাকেপের ভাইস চেয়ারম্যান হলেন উপমন্ত্রী জ্যাকব

    রাকিব সিকদার নয়ন:

    পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোতে অনুষ্ঠিত ‘দক্ষিণ এশিয়া পরিবেশ সহযোগী কর্মসূচী বিষয়ক সম্মেলন ‘ – বাংলাদেশের পক্ষে ভাইস চেয়ারম্যন নির্বাচিত হয়েছেন।

    বুধবার সাকেপের ১৪ তম গভর্নিং বডির সভায় আফগানিস্তানের শাহ- জামান মাইওয়ানদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সম্মেলনে এই উপমন্ত্রী তার বক্তাব্যে বলেন, দক্ষিন এশিয়ার অন্যান্য ভৌগলিক ও সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র রয়েছে। আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ অধিকার ও সংরক্ষন করার জন্য আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে।

    আমি বিশ্বাস করি জীববৈচিত্র ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সদস্য দেশের মধ্যে ব্যপক অংশগ্রহন-তথ্য আদান প্রদানের আন্ঞ্চলিক ক্লিয়ারিং হাউস ম্যকানিজম প্রতিষ্ঠা করা গুরুত্বপূর্ণ। উপমন্ত্রী বলেন, পবিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের অধিনে পরিবেশ অধিদপ্তর বাংলাদেশ ক্লিয়ারিং হাউস ম্যাকনিজমের জন্য ইতিমধ্যে একটি ওয়েবভিত্তিক প্লাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে, শিঘ্রই এটা উদ্ভোধন করা হবে।

  • জাতীয় গণসঙ্গীত প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে শিল্পী কমল ঘোষ

    জাতীয় গণসঙ্গীত প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে শিল্পী কমল ঘোষ

    হুজাইফা রহমানঃ

    বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী আয়োজিত সত্যেন সেন জাতীয় গণসঙ্গীত প্রতিযোগিতায় বরিশালের বিশিষ্ট তরুণ সঙ্গীত শিল্পী কমল ঘোষ বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

    গত ২৮ শে মার্চ ঢাকা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয় এই চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা। এবং ২৯ শে মার্চ ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সঙ্গীত শিল্পী কমল ঘোষকে পুরষ্কার তুলে দেন স্বাধীন বাংলা বেতারের বিশিষ্ট শিল্পীবর্গ। এর আগে ৯ ই মার্চ বরিশালে অনুষ্ঠিত জেলা গণসঙ্গীত প্রতিযোগিতায় বড়দের (গ) বিভাগ থেকে প্রথম স্থান অর্জন করেন। এরপর ১৬ ই মার্চ বরিশালে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় গণসঙ্গীত প্রতিযোগিতায় বড়দের (গ) বিভাগ থেকে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে প্রথম হওয়া প্রতিযোগীদের মধ্যে আবারো প্রথম স্থান অর্জন করেন।

    তরুণ এই মেধাবী সঙ্গীত শিল্পী কমল ঘোষ একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। তিনি একাধারে সঙ্গীত শিল্পী, সুরকার, নাট্যশিল্পী ও সংগঠক। তার পিতা বরিশালের সর্বজন শ্রদ্ধেয় বিশিষ্ট সাংবাদিক, সংগঠক ও নাট্যজন কাজল ঘোষ। মাতা রেবা ঘোষ নাট্যশিল্পী ও সঙ্গীত শিল্পী এবং তার দাদা সর্বজন শ্রদ্ধেয় বিশিষ্ট নজরুল সঙ্গীত শিল্পী উস্তাদ পঞ্চানন ঘোষ মাস্টার মশাই বরিশালের বিশিষ্ট শিক্ষক ছিলেন।