Category: বরিশাল

  • বরিশালে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় প্রধান শিক্ষক আটক

    বরিশালে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় প্রধান শিক্ষক আটক

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় প্রধান শিক্ষক শ্যাম প্রসাদ ঢালীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ওই ছাত্রীর মা শ্যাম প্রসাদকে একমাত্র আসামি করে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। শ্যাম ওই উপজেলা সদরের নগরবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত।

    আগৈলঝাড়া থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা জানান, নগরবাড়ি গ্রামের দিন মজুরের শিশু মেয়ে ওই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীসহ অন্যান্যদের প্রধান শিক্ষক শ্যাম প্রসাদ তার বাসায় প্রাইভেট পড়াতো। গত ৮ মার্চ শিক্ষকের বাসায় অন্য কোন লোক না থাকার সুযোগে প্রাইভেট পড়া শেষে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে অতিরিক্ত পড়ানোর কথা বলে শ্যাম প্রসাদ ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ওই ঘটনার পর যৌন হয়রানীর শিকার ছাত্রী স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। মামলা দায়েরের পর পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গাজী মো. নজরুল ইসলাম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খানের বাড়ি সংলগ্ন বাগান থেকে প্রধান শিক্ষক শ্যাম প্রসাদ ঢালীকে গ্রেফতার করেন।

    মামলার বাদী অভিযোগ করেন, তিনি ঘটনা শুনে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির একাধিক সদস্যকে জানিয়ে বিচার চেয়েছিলেন। তাদের কাছে কোন বিচার না পেয়ে সম্প্রতি কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খানের কাছে বিচার দাবি করেন। এদিকে ঘটনা ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে ওঠে শ্যাম প্রসাদসহ তার লোকজন। কোন বিচার না পেয়ে অবশেষে মামলা করেন তিনি।

  • শেবাচিম হাসপাতালে ইন্টার্নদের কর্মবিরতি

    শেবাচিম হাসপাতালে ইন্টার্নদের কর্মবিরতি

    বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে।

    চিকিৎসকদের ওপর হামলার বিচার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবীতে বৃহষ্পতিবার (২২ মার্চ) রাত সাড়ে ১১ টা থেকে  কর্মবিরতিতে যায় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে ইন্টার্ন ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডাঃ রাজু আহমেদ জানান, বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় খাদিজা আক্তার নামে এক প্রসুতি রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনদের হামলায় ৩ ইন্টার্ন চিকিৎসক আহত হয়েছেন।

    তিনি বলেন, চিকিৎসকরা কখনোই চান না কোন রোগী মারা যায়, কিন্তু ওই রোগীর অবস্থা আগে থেকেই সংকটাপন্ন ছিলো। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েও তাকে বাঁচাতে পারেনি। তারপরও রোগীর স্বজনরা ইন্টার্নদের মারধর করেছে এবং ওটিতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে।

    তিনি বলেন, এ রকম ঘটনা প্রায়ই ঘটছে, তাই কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর হামলার বিচার দাবীতে রাত সাড়ে ১১ টা কর্মবিরতির ডাক দেয় সাধারণ ইন্টার্নরা। যেখানে একাত্মতা প্রকাশ করেছে ইন্টার্ন ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশন।

    দাবী না মানা পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে জানিয়ে তিনি বলেন, বৃহষ্পতিবারের হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে পাশাপাশি খাদিজা আক্তারের দাফন হলে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবী জানানো হয়েছে।

    এদিকে ইন্টার্ন ডক্টরর্স এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা: নাহিদ হাসান জানান, শনিবার ইন্টার্নরা তাদের দাবী নিয়ে হাসপাতাল প্রশাসনের সাথে কথা বলবেন। প্রয়োজনে দাবী আদায়ে পরিচালক কার্যালয় ঘেরাউ কর্মসূচী পালন করতে পারে সাধারণ ইন্টার্নরা।

    এরআগে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সাধারণ ইন্টার্নরা জরুরী বিভাগের গেটে তালা দিয়ে দেয়। পরে ইন্টার্ন ডক্টরর্স এ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের হস্তক্ষেপে তাৎক্ষনিক তালা খুলে দেয়া হয়।

    উল্লেখ্য বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খাদিজা আক্তার (২৩) নামে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় তার গর্ভে থাকা শিশুসন্তানটিও মারা যায়। মৃত্যুর খবরে ক্ষুব্ধ হয়ে রোগীর স্বজনরা অপারেশন থিয়েটারের দরজা ভাংচুর করেন। পাশাপাশি এ সময় রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকের মাঝে মারামারির ঘটনা।

  • পিরোজপুরে ২৭ কোটি টাকার কষ্টিপাথরসহ গ্রেফতার ৩

    পিরোজপুরে ২৭ কোটি টাকার কষ্টিপাথরসহ গ্রেফতার ৩

    পিরোজপুরের নাজিরপুর থেকে ২৭ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৬) সদস্যরা।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ভিমকাঠী গ্রামের ভিমকাঠী বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৬ এর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এএমএম জাহিদুল কবীর।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নাজিরপুর থানার পূর্ব ভিমকাঠি গ্রামের মৃত সোবহান শেখের ছেলে আব্দুর রহমান (৫৫), একই থানার কাটাকানিয়া গ্রামের আজাহার আলী শেখের ছেলে কিবরিয়া শেখ (৪২) ও মধ্য জয়পুর কালীবাড়ী গ্রামের মৃত নির্মল বড়ালের ছেলে নিশিত বড়াল।

    নাজিরপুর থানা পুলিশের ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৬ এর ডিএডি মো. জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে র‌্যাব সদস্যরা নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের ভিমকাঠী গ্রামে অভিযান চালিয়ে ২৭ কেজি ওজনের একটি কষ্টিপাথরসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে।

    জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকেলে নাজিরপুর থানায় তাদের সোপর্দ করে এবং এই ঘটনায় নাজিরপুর থানায় একটি মামলা করা হয়ছে বলে জানান ওসি মো. হাবিবুর রহমান।

  • বরিশালে ট্রাক্টর উল্টে বাবা-ছেলের মৃত্যু

    বরিশালে ট্রাক্টর উল্টে বাবা-ছেলের মৃত্যু

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশায় ট্রাক্টর উল্টে বাবা-ছেলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৩ মার্চ) বিকেল ৪ টার দিকে মাধবপাশা ইউনিয়নের যাত্রাঘাটা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহতরা হলো, মাধবপাশার জমিদার বাড়ি সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা হানিফ ফকির (৩৫) ও তার ছেলে মাধবপাশা হাইস্কুলের ৬ ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র সাব্বির (১০)।

    নিহত দ্বয়ের স্বজন আরিফুর রহমান রাজিব জানান, ট্রাক্টরে চরে বাবা ছেলে বাড়ির দিকে আসছিলো। পথিমধ্যে যাত্রাঘাটা নামক এলাকায় ট্রাক্টরটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে উল্টে যায়। এতে চাঁপা পরে ঘটনাস্থলেই হানিফ ফকিরের মৃত্যু হয়। তার ছেলে ছাব্বিরকে মুমর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক বিকেল ৫ টার দিকে মৃত ঘোষনা করেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন।

  • চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু, অপারেশন থিয়েটার ভাঙচুর

    চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু, অপারেশন থিয়েটার ভাঙচুর

    শেখ সুমন :

    বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় খাদিজা আক্তার নামে নয় মাসের অন্তঃসত্বা এক নারীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে তার গর্ভে থাকা সন্তানটিরও মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হাসপাতালের পঞ্চম তলার গাইনি ওটিতে ওই রোগীর মৃত্যু হয়। এসময় রোগীর ক্ষুব্ধ স্বজনরা ওটির প্রবেশদ্বার ভাঙচুর করলে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্নি চিকিৎসকের সাথে মারামারি হয়।

    মৃত খাদিজা আক্তারের স্বামী পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ শাকিল বলেন, ‘আগামী ২৬ মার্চ আমার স্ত্রীর ডেলিভারির তারিখ ছিল। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকদের কাছে একটি ইনজেকশন না থাকায় খাদিজাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুপুর ১২টার দিকে ভর্তি করা হয়। ওই সময় থেকেই খাদিজা গুরুতর অসুস্থ থাকায় আমি একাধিকবার চিকিৎসকদের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানাই। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী রক্ত ও প্রয়োজনীয় ওষুধ জোগাড় করে রাখি। বিকাল ৩টায় থেকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়ার কথা বললেও তা নেয়া হয়নি।’

    তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যা ৬টার দিকে খাদিজাকে অপারেশন থিয়েটারে নিতে বলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু সেখানে গিয়েও কোনো চিকিৎসকের দেখা মিলেনি। অবস্থা বেগতিক হলে সেখানে থাকা সেবিকাদের বলা হলে তারা চিকিৎসকের কাছে যেতে বলেন। তৃতীয় তলায় গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে উপরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলে তারা সিনিয়র চিকিৎসক ছাড়া যেতে পারবেন না বলে জানান। একপর্যায়ে চিকিৎসককে ধরে টান দিলে অন্য চিকিৎসকরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারধর শুরু করেন। পা ধরে অনুরোধ করার পরও তারা আমাকে অনবরত মারধর করতে থাকেন। একপর্যায়ে আমার স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পাই। এসময় আমার শ্যালক রিয়াজ উদ্দিন ক্ষুব্ধ হয়ে অপারেশন থিয়েটারের সামনের একটি দরজার গ্লাস ভেঙে ফেলে। তারপর শত অনুরোধেও শিশু সন্তানটিকেও বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি চিকিৎসকরা।’

    তিনি আরো বলেন, ‘অপারেশন থিয়েটারে নেয়ার পর থিয়েটারের মধ্যে কয়েকজন সেবিকার দেখা পাওয়া যায়। তাদেরকেও বলা হয় বিষয়টি। তবে তারা ব্যস্ত ছিলেন লুডু খেলায়।’

    তবে এসব বিষয় অস্বীকার করেছেন ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. নাহিদ হাসান। বলেন, রোগীটি মূমুর্ষ অবস্থায় এখানে ভর্তি হয়। তার প্রেশার বেড়ে যাওয়ায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে প্রেশার নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। কিন্তু রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকলে জরুরিভিত্তিতে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। আর অপারেশন টেবিলে ওঠানোর আগেই তার মৃত্যু হয়। ফলে বাচ্চাটিকেও বাঁচানো যায়নি। কিন্তু এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে রোগীর স্বজনরা অপারেশন থিয়েটার ভাঙচুর ও ইন্টার্নি চিকিৎসকদের মারধর করে।

    এই বিষয়ে শেবাচিম হাসাপাতালের গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. ফরিদা ইয়াসমিন জানান, খাদিজা এ্যাটলামসিয়ার রোগী। তার প্রেশার অত্যাধিক বেশি ছিল। এই ধরনের রোগীর অবস্থা একটু ক্রিটিক্যাল হয়। চিকিৎসকদের কোনো গাফিলতি ছিল না।

  • শেবাচিমের নতুন ভবন থেকে পড়ে আহত ১,নিহত ১

    শেবাচিমের নতুন ভবন থেকে পড়ে আহত ১,নিহত ১

    তানজীল শুভ:

    শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মানাধীন হাসপাতাল ভবনের পঞ্চমতলা থেকে পড়ে গিয়ে দুই শ্রমিক গুরুতর হয়েছে। তাদেরকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ডাক্তার সুমন (২৫) কে মৃত ঘোষণা করে।

    বুধবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। আহত এবং মৃত শ্রমিকদয় হলো- চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা কবির (৩০) ও সুমন (২৫)। অভিযোগ উঠেছে গনপূর্ত বিভাগ ও ঠিকাদারের অব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পিত নির্মান কাজের কারনেই ওই দুই শ্রমিক পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী শেবাচিম হাসপাতালের নির্মানাধীন মর্ডানাইজেশন এন্ড এক্সটেনশন ভবনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা প্রহরী মাঈনুল জানান, ভবনের উত্তর পাশে পঞ্চম তলায় বহিরাংশে নির্মান কাজ চলছিলো। এসময় হঠাৎ করেই চিকিৎসার এবং শব্দ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ওই শ্রমিককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

    তখন সাইড কন্ট্রাকটার এর দায়িত্বে থাকা মাঈনুল সহ অন্যান্যরা এসে ওই দু’জনকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। ভবনের শ্রমিকরা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে বর্ধিত ভবনের নির্মান কাজ বন্ধ ছিলো। সম্প্রতি ওই ভবনে নতুন করে নির্মান কাজ শুরু হয়েছে। বাজার রোড এলাকার ব্যবসায়ী ফরহাদ এর মালিকানাধীন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কহিনুর এন্টারপ্রাইজ এর নামে কাজ করছে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরীর ছেলে।

    কিন্তু নির্মান কাজের শুরু থেকেই বিভিন্ন অনিয়মের আশয় নিচ্ছে। বিল্ডিং ডিজাইন কোর্ট এবং শ্রমিক আইন উপেক্ষা করেই চলঝে ঝুকিপূর্ন ইমরাত নির্মান। কিন্তু বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে না নগপূর্ব বিভাগ। এ কারনেই দুই শ্রমিক এক মৃত্যুর মুখে বলে অভিযোগ সাধারণ শ্রমিকদের। তারা জানান, ভবনের বহিরাংশে পলেস্তরা কিংবা অন্য কোন কাজের ক্ষেত্রে অবশ্যই শ্রমিকদের জন্য নিরাপত্তা প্রটেকশনের ব্যবস্থা করার বিধান রয়েছে। কিন্তু তা করা হয়নি। বরং পুরানো বাঁশ বেধে তার উপর বাঁশের চেড়া দিয়ে চালি বিছিয়ে দেয়া হয়েছে। তার উপরে দাড়িয়েই কাজ করতে হচ্ছে শ্রমিকদের। হঠাৎ করেই সেই বাঁশের নিচ থেকে ভেঙ্গে গেলে সেখানে দাড়িয়ে কাজ করা দুই শ্রমিক নিচে পড়ে যায়। এতে নিচ তলায় একাংশে বেরিয়ে থাকা লোহার রডে সমস্ত শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে দুই শ্রমিকের।

    এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থলে থাকা গনপূর্ত বিভাগের সাইড ইঞ্জিনিয়ার হুমায়ুন কবির বলেন, ইমারত নির্মানের ক্ষেত্রে অবশ্যই শ্রমিকের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে। তবে আমি মঙ্গলবার এই সাইডে যোগ দিয়েছি। তাই বিষয়টি সম্পর্কে কিছু বলা সম্ভব নয়। পূর্বে থেকেই এমনি ভাবে নির্মান কাজ চলে আসছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

  • বরিশাল নগরীতে ১৫’শ পিস ইয়াবাসহ ৫ ব্যবসায়ী আটক

    বরিশাল নগরীতে ১৫’শ পিস ইয়াবাসহ ৫ ব্যবসায়ী আটক

    বরিশাল শহরের নতুন বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫’শ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ মার্চ) রাত ১১টার দিকে তাদের ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) গোলাম কবিরের নেতৃত্বে এই অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়।

    আটকদের মধ্যে রয়েছেন- ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা সজল ও জনি। বাকি ৩ জনের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের মুখপাত্র সহকারি কমিশনার (এসি) নাসির উদ্দিন মলি­ক বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন- আটকদের নিয়ে আসা হচ্ছে।

    পরবর্তীতে বিষয়টি ইমেল বার্তায় সাংবাদিকদের অবহিত করা হবে।’’

  • পিয়াসের মরদেহের অপেক্ষায় পরিবার

    পিয়াসের মরদেহের অপেক্ষায় পরিবার

    কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণকালে ইউএস-বাংলা এয়ালাইন্সের একটি প্লেন দুর্ঘটনায় নিহত পিয়াস রায়ের মরদেহের অপেক্ষায় রয়েছেন তার পরিবার।

    পিয়াসের মরদেহ শনাক্ত করতে না পেরে এরই মধ্যে তার বাবা সুখেন্দু বিকাশ রায় বাড়িতে ফিরে এসেছেন খালি হাতে।

    বুধবার (২১ মার্চ) কথা হয় নিহত পিয়াসের বোন জামাই হিমাদ্রি সরকার শুসময়ে সঙ্গে।

    তিনি বলেন, গত ১৬ মার্চ দুপুরে ইউএস-বাংলা এয়ালাইন্সের তত্ত্বাবধায়নে একটি ফ্লাইটে পিয়াসের বাবা সুখেন্দু বিকাশ রায়কে নেপালের কাঠমুন্ডতে পৌঁছায়। সেখানে থেকে পিয়াসের মরদেহ শনাক্ত করার চেষ্টা করেন তিনি। তবে পিয়াস এমনভাবে দগ্ধ হয়েছে তাই মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

    ‘পরবর্তীতে বাবা (শশুর) সোমবার (১৯ মার্চ) দেশে ফিরে আসেন। পাশাপাশি ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে মরদেহ শনাক্তের প্রাথমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। পুরো প্রক্রিয়ায় আরও সময় লাগবে বলে চিকিৎসক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানালে মঙ্গলবার (২০ মার্চ) রাতে তিনি বরিশালে চলে আসেন।’

    তবে পরবর্তীতে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবার ঢাকায় যাওয়ার জন্য তিনি প্রস্তুত রয়েছেন বলেও জানান নিহতের ভগ্নিপতি শুসময়।

    এদিকে আব্দুল গফুর সড়কের বাসায় নিস্তব্দতা বিরাজ করছে। শোকে পাথর হয়ে গেছেন পিয়াসের মা ও বোন।

    পিয়াসের বোন শুভ্রা রানী বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর শুনে প্রথম বুঝেছি এই বুঝি ভাই ফোন দিয়ে বলবে আমি ঠিক আছি। সে অপেক্ষা শেষে জানলাম ভাই আর নেই। ভেবেছিলাম সোমবার (১৯ মার্চ) ভাইয়ের মরদেহ হয়তো বাকি মরদেহর সঙ্গে দেশ আসবে। কিন্তু তাও আসলো না।’

    ‘এখন সবাই মরদেহ অপেক্ষায় আছি। আর মা কেমন যেন ভেঙে পরেছেন। কারো সঙ্গে কথা বলছে না। এমনকি কান্নাও করছে না।’—বললেন প্লেট দুর্ঘটনায় নিহত পিয়াসের বোন শুভ্রা রানী।

    গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণকালে বিধ্বস্ত হয় ইউএস-বাংলার ফ্লাইট বিএস২১১। এতে নিহত হন ৪৯ জন। তাদের মধ্যে ২৬ জনই বাংলাদেশি। এদের মধ্যে শনাক্ত করে ঢাকায় আনা হয়েছে এই ২৩ জনের মরদেহ।

  • হোটেল কক্ষে ছাত্রের মরদেহ ও অচেতন তরুণী

    হোটেল কক্ষে ছাত্রের মরদেহ ও অচেতন তরুণী

    পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে এক কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টায় আবাসিক হোটেল ‘পায়রায়’ এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কক্ষ থেকে অচেতন অবস্থায় এক তরুণীকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

    হোটেলের রেজিস্ট্রার অনুযায়ী, নিহত জাহিদুল (৩০) খুলনার সোনাডাঙ্গা গ্রামের হাফিজুরের ছেলে। তিনি খুলনা বিএল কলেজের ছাত্র। আর মেয়েটির নাম তিনা (২৫)। তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে সোমবার বিকেলে আবাসিক হোটেল পায়রার ৩০১ নম্বর কক্ষে ওঠেন।

    মঙ্গলবার রাতে হোটেল কক্ষের দরজা ভেঙে ওই ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তিনাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    এ বিষয়ে মহিপুর থানার (এসআই) মো. সাইদুর রহমান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয়ার হুমকি

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয়ার হুমকি

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) গণিত বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার রাতে বিমানবন্দর থানায় সাাধার ডায়েরি করা হয়েছে। ওই ছাত্রীর বড় বোন উত্তর জেলা মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফাতেমা তুজ জোহরা মিতু বলেন, আমাদের পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ছোট বোন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল নেত্রী। ছাত্রদলের রাজনীতি করার কারণে কয়েক দিন ধরে তার ফোনে কল দিয়ে হুমকি দিয়ে আসছিল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা।

    গত ১৫ মার্চ রাত ১টা ৫ মিনিটে গ্রামীণ ফোনের একটি নম্বর দিয়ে কল দিয়ে জানানো হয়, ‘ছাত্রদল কর, ধর্ষণের পর হত্যা করে ব্রিজের ওপর থেকে নদীতে ফেলে দেব।’ এ ঘটনায় শনিবার রাতে বিমানবন্দর থানায় সাাধার ডায়েরি করা হয়েছে।

    বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, হুমকির বিষয়টি তদন্ত করে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।