Category: বরিশাল

  • বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

    বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

    বরিশাল মেট্রো পলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) কর্তৃক সাংবাদিক হত্যা চেষ্টার অভিযোগে ৮ পুলিশ সদস্যকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসাথে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন কমিশনার এস.এম রুহুল আমিন।

    ডিবির নির্যাতনে গুরুত্বর আহত সুমন শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নির্যাতিত সুমন বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসি’র বরিশাল অফিসের ক্যামেরাপারর্সন।

    সুমন জানিয়েছেন, নির্যাতনের সময়ে তার গোপনাঙ্গে মারাত্মক আঘাত করেছেন ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার।

    ঘটনার বর্ননায় বলেন, সুমনের ভাগ্নেকে আটক করা হয়েছে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল বিউটি সিনেমার গলিতে বিষয়টি জানতে যান ডিবিসি নিউজরে ক্যামেরাপার্সন সুমন। তখন সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে হঠাৎ ক্ষেপে যান এসআই আবুল বাশার। তিনি সুমনের ভাগ্নেকে আটকে রেখে মারধর করতে শুরু করেন সুমনকে। এসময়ে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে সন্ত্রাসী স্টাইলে পিটাতে থাকে বলেও দাবী সমুনের।

    সুমন জানায়, ডিবিসি চ্যানেলের কার্ড দেখালে মারধরের পরিমান আরও বেড়ে যায়।

    তিনি বলেন, আমার গোপনাঙ্গে বারবার আঘাত করছিল আর বাশার বলছিল ‌তোরে আজ স্পট ডেট কইরা ফালামু। ঘটনাস্থলে স্থানীয়রা ভিড় করলে দ্রুত সুমনকে গাড়িতে তুলে নেয় এসআই বাশার ও তার সঙ্গীয় ফোর্স। গাড়িতে তুলেও পিটাতে পিটাতে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে।ডিবি অফিসে নিয়েও তার হাত-পা বেধে পেটায়।

    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন সাংবাদিক জানিয়েছেন, চিকিৎসার জন্য সুমনকে নিয়ে আসার সময়ে ওই ডিবি টিম কর্তৃক লাঞ্ছনার শিকার হন আরও কয়েকজন সাংবাদিক।

    এ ঘটনায় এসআই আবুল বাশারসহ ৮ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবি পুলিশের সহকারি কমিশনার (এসি) মো. শাখায়াত হোসেন।

  • বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতনের বিষয়ে যা বললেন পুলিশ কমিশনার

    বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতনের বিষয়ে যা বললেন পুলিশ কমিশনার

    বরিশালে বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসি নিউজের ক্যামেরাপার্সন সুমন হাসানকে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কতিপয় সদস্য কর্তৃক অমানবিক নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে কথা বললেন পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমিন।

    তিনি বলেন,  সুমন হাসানকে নির্যাতনের ঘটনায় বুধবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এডিসি রুনা লায়লাকে প্রধান করে এই কমিটিকে বৃহ্ষ্পতিবারের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বুধবার দুপুরে একটি হত্যাকান্ডের ঘটনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে সুমনের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন এবং তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানান।

    এসময় তিনি বলেন, তদন্তে কার কতটুকু দোষ এটা দেখে অপরাধ অনুযায়ী বিভাগীয় শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিশাল পুলিশ বাহিনীর মধ্যে কিছু খারাপ থাকতে পারে। আমরা চাইবো তারা সংশোধন হবে তারা থাকবে নয়তো চলে যাবে। তিনি বলেন, আমি সাধারণ মানুষের অপরাধ যে চোঁখে দেখি, পুলিশ সদস্যদের অপরাধও একই দৃষ্টিতে দেখি। কেউ অপরাধ করলে তার শাস্তি হবে। ভালো খারাপ সব জায়গাতেই রয়েছে।

    এদিকে নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাব ও বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি। আলাদা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনদুটির নেতৃবৃন্দ সুমনের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে তদন্ত পূর্বক দোষী পুলিশ সদস্যদের বিচারের দাবী জানিয়েছেন।

    অপরদিকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ক্যামেরাপার্সন সুমান হাসান নির্যাতনের বিষয়ে বলেন, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বিউটি রোডের অভিযান শেষে হঠাৎ করেই ডিবি পুলিশের এসআই আবুল বাশারসহ তার টিমের সদস্যরা আমার ওপর চড়াও হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা (ডিবি পুলিশ) আমাকে বেধড়ক মারধর শুরু করে এবং গায়ের জামা-কাপর ছিড়ে ফেলে। একপর্যায়ে জোর করে লাঠি দিয়ে মারধর করে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে টানতে টানতে খালি শরীরেই ওই গাড়িতে তোলা হয় আমাকে। পরে আমাকে গাড়ির ভেতরে তুলে আমার প্যান্টের বেল্ট দিয়ে গলা পেছনের দিকে টেনে ধরা হয় এবং স্পর্শকাতর স্থান চেপে ধরে। তারপর ডিবি অফিসে নিয়েও আমার বুকের ওপর লাথি দেয়াসহ বিভিন্ন ভাবে মারধর করে।

  • সাংবাদিক সুমনকে নির্যাতনকারী পুলিশ সদস্যদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধ

    সাংবাদিক সুমনকে নির্যাতনকারী পুলিশ সদস্যদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধ

    বরিশালে কর্মরত বেসরকারী ইলেক্টনিক্স মিডিয়া ডিবিসি চ্যানেলের ক্যামেরাপার্সন সুমন হাসানকে কোন প্রকার মামলা মোকদ্দমা ছাড়াই নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে মারতে মারতে ডিবি অফিস কার্যালয়ে নিয়ে পুনরায় অমানুষিক নির্যাতন করার প্রতিবাদে ও অভিযুক্ত ইয়াবা সেবনকারী ডিবি পুলিশ কনেষ্টবল মাসুদ,এস আই আবুল বাসার সহ পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা ডিবির ৮ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করা সহ চিরস্থায়ীভাবে চাকুরীচ্যুত দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবীতে মানববন্ধন প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে সাংবাদিক সমাজ।

    আজ সকাল ১১টায় নগরীর সদররোডে বরিশাল ফটো সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
    ফটো সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি দিপু তালুকদারের সভাপতিত্বে অভিযুক্ত ডিবি পুলিশের বিচারের দাবী জানিয়ে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বরিশাল প্রেস ক্লাব কার্যকরী পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্বা নুরুল আলম ফরিদ,সাংবাদিক মুরাদ আহমেদ,বরিশাল টেলিভিশন মিডিয়া এ্যাসোসিয়েশন সভাপতি হুমাউন কবীর,বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি সভাপতি নজরুল বিশ্বাস,বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি সহ- সভাপতি বিধান সরকার,বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব সভাপতি আবুল কালাম আজাদ,সম্পাদক কাজী আল- মামুন,নিউজ চ্যানেল (২৪) ও বাংলাদেশ প্রতিদিন এর প্রতিনিধি রাহাত খান, সাংবাদিক মিথুন সাহা,সাংবাদিক সৈয়দ মেহেদী হাসান,এন টিভি ক্যামেরাপার্সন গবিন্দ সাহা,এম জহির।

    মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কালে জাতীয় ও ইলেক্টনিক্স মিডিয়া সহ স্থানীয় প্রিন্ট মিডিয়া ও বরিশাল ফটো সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি এম সালাউদ্দিন ও সাধারন সম্পাদক শাকিউজ্জামান মিলন সংহতি প্রকাশ করে অংশগ্রহন করে।

    এসময় তারা বলেন, অভিযুক্ত ডিবি পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টন্তমূলক বিচার করা না হলে সাংবাদিক সকল সংগঠনের পক্ষ থেকে কঠোর আন্দোলন করতে বাধ্য হবে।

  • স্বরূপকাঠিতে ন্যাশনাল সার্ভিসের বেতন নিয়ে উৎকন্ঠায় কর্মিরা

    স্বরূপকাঠিতে ন্যাশনাল সার্ভিসের বেতন নিয়ে উৎকন্ঠায় কর্মিরা

    একে তো বেকার, তার উপড়ে তিন মাস সাত দিন ধরে ধারকার্য করে ন্যাশনাল সার্ভিসের তিন মাস মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে বেতন না পেয়ে দেনায় জর্জরিত স্বরূপকাঠির প্রথম ধাপের এক হাজার কর্মী। তার উপড়ে উপজেলা কর্মকর্তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী কর্ম ক্ষেত্র বেধে দেওয়া ও ললনাদের দিকে আকর্ষন সব মিলিয়ে দূর্বিসহ জীবন কাটাচ্ছেন তারা।

    সরকারের মহতি উদ্যোগে গত জানুয়ারী মাসের তিন তারিখে স্বরূপকাঠীর দুই হাজার তিন শত ঊননব্বই জন বেকারের মধ্যে তিন ধাপে ভাগ করে প্রথম ধাপের এক হাজার বাছাইকৃত বেকারের তিন মাস মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। কিন্তু ফেব্রুয়ারী মাসে তাদের প্রাপ্য হাজিরা প্রতি এক শত টাকা উপজেলার সংশ্লিস্ট দপ্তরে আসলেও আজ পর্যন্ত এক কাটা দেয়া হয়নি তাদের। উপজেলা সহকারী- প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা(এটিও) শাহাদাৎ হোসাইনের মাধ্যমে উক্ত সার্ভিসে প্রশিক্ষণরত দশ ললনাকে বেছে নিয়ে অনেকটা জোর করা হয় ইউএনও অফিসে কাজ করানোর জন্য। কিন্তু এক জন ব্যাতিত প্রয়োজনে চাকরি করবেনা কিন্তু সেখানে(ইউএনও অফিসে) কাজ করবেনা এমন পরিস্থিতি তৈরী হলে বাকি নয় জনকে শিক্ষাসহ বিভিন্ন দপ্তরে কাজের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়। উপরের কথাগুলো বলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ন্যাশনাল নার্ভিস কর্মসূচির ৬ষ্ঠ পর্ব অনুযায়ী স্বরূপকাঠি উপজেলায় প্রথম ধাপে মেীলিক প্রশিক্ষণ গ্রহন করা কর্মীরা।

    অভিযোগ উঠেছে দশ টাকার রেপ কাগজে কর্মীদের ক্রমিক নং, কর্মীর নাম, মোট কার্য দিবস ৭৩ দিন(প্রতি ঘরে), কর্মীর উপস্থিতি(ফাকা), হাজিরা প্রতি টাকা(এক শত প্রতি ঘরে), মোট প্রাপ্য টাকা(ফাকা), একাউন্ট নম্বর প্রতি ঘরে, দশ টাকার রেভিনিউ স্টম্পের সাথে মিল করে কর্মীর প্রতি সই নেয়া হয়েছে যা মোবাইল ফোনে স্থির ছবি ধারণ করে তারা(কর্মীরা) তথ্য সংবাদকর্মীদের কে দেয়। এব্যাপারে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ জাহিদ হোসেন শামীম বলেন, তাদের ভাতার জন্য বরাদ্দ এসেছে। দশ টাকার স্টাম্প সম্বলিত রেপ কাগজে মোট হাজিরা ও প্রাপ্য টাকার ঘর ফাঁকা রেখে সই নেয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এক হাজার লোকের হাজিরা ও টাকা বসাতে অনেকটা সময়ের ব্যাপার তাই ঘর দুটো ফাঁকা রেখে তাদের সই নেয়া হয়েছে এবং তারা ইতোমধ্যে বিভিন্ন দপ্তরে যোগদান করেছে তাই তাদের একত্রিত করতে ঝামেলা হতে পারে ভেবেই আগে সই নেয়া হয়েছে।

    বিল দেয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণকালীন তাদের হাজিরা সিট করা হয়েছিল তাই উপস্থিতি দেখে ওই রেপ কাগজে বসিয়ে দেয়া হবে এবং যে যতদিন উপস্থিত হয়েছে তাকে ততদিনের টাকা দেয়া হবে, যে যতদিন অনুপস্থিত থাকবে সেটা কর্তন করা হবে। হাজিরায় বন্ধ দেয়া প্রশিক্ষণার্থীদের টাকা কি করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার উপড় বিশ^াষ রাখেন এখান থেকে এক টাকাও নড়চর হবেনা।

    ন্যাশনাল সার্ভিসের প্রথম ধাপের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে আলোচিত বাছাইকৃত দের  কাজের জন্য জোর করার ব্যাপারে এটিও শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ইউএনও স্যারের নির্দেশে আমরা দশ জনকে সেখানে কাজের জন্য বাছাই করি কিন্তু নিঝুম নামের এক কর্মী ব্যাতিত অন্য নয় জনার কেউই সেখানে কাজ করতে না চাওয়ায় তাদের শিক্ষাসহ অন্যান্য দপ্তরে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এব্যাপারে স্বরূপকাঠি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ মোবাইলে কথা বলতে নারাজী প্রকাশ করেন।

  • বরিশাল ছাত্রদলের শুভেচ্ছায় শিক্ত সাবেক ছাত্রদল নেতা আসাদুজ্জামান চুন্নু

    বরিশাল ছাত্রদলের শুভেচ্ছায় শিক্ত সাবেক ছাত্রদল নেতা আসাদুজ্জামান চুন্নু

    শেখ সুমন :

    সদ্য কারাভোগ করা ছাত্রদল ডুয়েট শাখার সাবেক সভাপতি, এ্যাব এর যুগ্ম মহাসচিব ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের যুগ্ম মহাসচিব, আসাদুজ্জামান চুন্নুকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

    শুক্রবার তিনি বরিশালে আসলে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লঞ্চ ঘাট এলাকায় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সুজন।

    এসময় তার সাথে জেলা, উপজেলা ও বিভিন্ন কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
    উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাজিরা সময়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন আসাদুজ্জামান চুন্নু। দীর্ঘ দিন কারাভোগের পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

  • সকল মুসলমানের শান্তি কামনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো চরমোনাইর বার্ষিক মাহফিল

    সকল মুসলমানের শান্তি কামনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো চরমোনাইর বার্ষিক মাহফিল

    শেখ সুমন :

    বিশ্বের সকল মুসলমানের মানবতার কল্যাণ ও শান্তি কামনায় মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো বরিশালের ঐতিহ্যবাহী চরমোনাইর ফালগুনের বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল।

    আজ শনিবার কীর্তনখোলা নদীর তীরে লাখো ভক্ত-মুরিদান এই মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। দোয়া মানাজাত পরিচালনা করেন চরমোনাই পীর সাহেব আলহাজ্ব মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

    এর আগে আজ শনিবার ফজরের নামাজের পীর সাহেব চরমোনাই মাহফিলে অংশগ্রহণকারী মুসলি¬দের উদ্দেশ্যে হেদায়েতি বয়ান পেশ করেন।

    বয়ানে পরকালের চিরস্থায়ী জীবনের প্রস্তুতির নসিহত করে বলেন, এ দুনিয়া থাকার জায়গা নয়। তাই কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তি দুনিয়ার মোহে পড়তে থাকতে পারে না।

    তিনি আরো বলেন, দুনিয়া হলো আখেরাতের কামাইয়ের জায়গা। এখান থেকে পরকালের জীবনকে সাজাতে যারা চেষ্টা যত বেশি হবে, পেরকালে সে ততই সফলতা লাভ করবে। আপনারা বহু দূর থেকে অনেক কষ্ট স্বীকার করে এসেছেন, খেয়ে না খেয়ে চরমোনাইর এ ময়দানে অবস্থান করেছেন। আপনাদের আশা এবং কষ্ট তখনই সফলকাম হবে যখন আপনার দৈনন্দিন জীবনের আমলগুলো সুন্দরভাবে পালন হবে।

    পরে মোনাজাতে মহান আল্লাহর কাছে সকল পাপ ও অন্যায় থেকে মুক্তির জন্য আকুতি জানান মুসলি¬রা। দেশ-জাতি ও মানবতার কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তির প্রার্থণা করা হয়। দোয়া করা হয় মায়ানমারের নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য।

    দোয়া মোনাজাত চলাকালে আমিন আমিন ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো চরমোনাই ময়দান।

  • চোখের সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করতে দেখেছি

    চোখের সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করতে দেখেছি

    “গলায় রাম দা ধইরা মোর চোখের সামনে বসে নৃশংসভাবে ওই সন্ত্রাসীরা মোর বৃদ্ধ স্বামীরে কোপাইয়া মারছে। হেই সন্ত্রাসীরাই এ্যাহন মামলা উঠানোর জন্য মোগো মারার হুমকি দিতেছে। মুই মোর স্বামীর খুনিগো ফাঁসি দেইখা মরতে চাই। এইজন্য মোরা প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চাই”। আবেগ আপ্লুত হয়ে কান্নাজড়িত কন্ঠে কথাগুলো বলছিলেন, জেলার মুলাদী উপজেলার প্রত্যন্ত বাটামারা ইউনিয়নের টুমচর গ্রামের বিধবা সিরিয়া বেগম (৫০)।
    সূত্রমতে, আধিপত্য বিস্তারের জন্য ওই এলাকার বিএনপির প্রভাবশালী এক নেতা ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন থেকে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। সন্ত্রাসীদের একের পর এক হামলা, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, লুটপাট, পরিকল্পিত হত্যাকান্ড, অপহরণসহ মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানীর কারণে ওই এলাকার যুবক ও কিশোররা গ্রাম ছেড়ে দেশের বিভিন্নস্থানে আশ্রয় নিয়েছে। সন্ত্রাসীদের হাতে ইজ্জত হারানোর ভয়ে গ্রামের যুবতীরাও অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। প্রায় প্রতিদিন রাতে সন্ত্রাসীরা ওই এলাকায় ব্যাপক বোমার বিস্ফোরন ঘটিয়ে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করেছে। এরপূর্বে গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ত্রাসীরা ৬৫ বছরের বৃদ্ধ আকবর হাওলাদারকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় পুরো জেলাজুড়ে বিএনপি নেতাসহ অন্যান্য খুনীদের ছবিসহ ফাঁসির দাবিতে ব্যাপক পোস্টারিং করা হলেও টনক নড়েনি পুলিশ প্রশাসনের।
    সূত্রে আরও জানা গেছে, হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত প্রধান আসামিদের গ্রেফতার না করে উল্টো রহস্যজনক কারণে আসামিদের পক্ষালম্বন করে থানা পুলিশ স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ একাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে। পরবর্তীতে হত্যা মামলার আসামিদের দিয়ে পুলিশ একাধিক মিথ্যে মামলা দায়ের করিয়ে ওইসব মামলায় আটককৃতদের এজাহারভূক্ত আসামি দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে। সেইসব মিথ্যে মামলায় এখনও কারাভোগ করছেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিসহ একাধিক নিরিহ গ্রামবাসী।
    সরেজমিনে টুমচর গ্রামের বাসিন্দা হাজ্বী দুলাল মাতুব্বর, মনির বেপারী, মোকসেদ তালুকদার, আলী হোসেনসহ একাধিক বক্তিরা জানান, একই গ্রামের বাসিন্দা বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির প্রভাবশালী নেতা মজিবুর রহমান দুলাল ও তার ভাতিজা তারিকুল হাসান পলাশ দীর্ঘদিন থেকে সন্ত্রাসী বাহিনী গঠনের মাধ্যমে এলাকার একক আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। তাদের সহযোগী সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে সবধরনের অপকর্ম করে আসলেও মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে দেয়ার ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায়না। তারা থানা পুলিশের সাথে আতাত করে নিরবে নিরিহ গ্রামবাসীর কাছ থেকে চাঁদাবাজি, প্রকাশ্যে বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে গবাদি পশুসহ মূল্যবান মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে।
    স্থানীয় আব্বাস বেপারী জানান, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য তারা ৭/৮জন যুবক ঢাকা থেকে গত ৩১ ডিসেম্বর বাড়িতে আসেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসীরা থানা পুলিশের মাধ্যমে তাকে (আব্বাস বেপারী)সহ স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর হাওলাদার, মনির বেপারী ও হাজী দুলাল মাতুব্বরকে কোন মামলা ছাড়াই আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ওইদিন গভীর রাতে পরিকল্পিতভাবে এলাকায় আতংক সৃষ্টির জন্য সন্ত্রাসীরা ৬৫ বছরের বৃদ্ধ আকবর হাওলাদারের বাড়িতে একাধিক বোমার বিস্ফোরন ঘটিয়ে তার বসত ঘর ভেঙ্গে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্রদিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে তাকে (আকবর হাওলাদার) নৃশংসভাবে হত্যা করে।
    একইদিন রাতে সন্ত্রাসীরা মনির বেপারী, দুলাল মাতুব্বর, সালাম মাতুব্বর, মোকসেদ তালুকদার, আলমগীর হাওলাদার, রাজ্জাক হাওলাদার, আলী হোসেন হাওলাদারের বসত ঘর ও একটি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে ব্যাপক লুটপাট করে। আব্বাস বেপারী আরও জানান, পরেরদিন (১ জানুয়ারি) প্রভাবশালী সন্ত্রাসীদের এক সহযোগীর দায়ের করা একটি সাজানো মিথ্যে মামলায় তাদের (আটককৃত) চারজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।
    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহত আকবর হাওলাদারের স্ত্রী সিরিয়া বেগম ও মেয়ে সুমা বেগম নৃশংস হত্যাকান্ডের বর্ণনা করতে গিয়ে বার বার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। বিলাপ করে বলেন, দুলাল উকিলের ভাতিজা তারিকুল হাসান পলাশের নেতৃত্বে ৩০/৩৫জন সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আমাদের চোখের সামনে বসেই কুপিয়ে (আকবর হাওলাদারকে) হত্যা করেছে। নিহতের স্ত্রী সিরিয়া বেগম অভিযোগ করেন, স্থানীয় গ্রামপুলিশ মন্টু চৌকিদার নিহত আকবর হাওলাদারের লাশ গুম করার জন্য একাধিকবার চেষ্ঠা চালিয়েছে। কিন্তু তিনি (সিরিয়া) তার মৃত স্বামীর পায়ের সাথে নিজের পরিহিত কাপরের একাংশ দিয়ে বেঁধে রাখার কারণে লাশ গুম করতে পারেনি।
    নিহতের পুত্র ও মামলার বাদি দিদার হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে তিনি ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরে গত ৩ জানুয়ারি বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান দুলাল, তারিকুল হাসান পলাশসহ ২১জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১০/১২জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়েরের জন্য এজাহার দাখিল করেন। রহস্যজনক কারণে থানা পুলিশ একটি সাদা কাগজে তার স্বাক্ষর নিয়ে মামলার প্রধান সাত আসামির নাম বাদ দিয়ে এজাহারভূক্ত করেন।
    তিনি আরও জানান, থানা পুলিশ মামলার প্রধান আসামিদের নাম বাদ দেয়ায় তিনি পূর্ণরায় ওইসব আসামিদের নাম অর্ন্তভূক্ত করে আদালতে মামলা দায়েরের জন্য আবেদন করেছেন। তিনি (দিদার) অভিযোগ করেন, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হত্যা মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য আসামি ও তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা তাকেসহ পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি অব্যাহত রেখেছে। সন্ত্রাসীদের অব্যাহত হুমকির মুখে তারা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ভূগছেন।
    ভূক্তভোগী এলাকাবাসী সঠিক তদন্তের মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর আকবর হাওলাদারের প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেফতারপূর্বক ফাঁসির দাবি ও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • দক্ষিণাঞ্চলের জন্য স্বর্ণযুগের সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী : বরিশালে শিল্পমন্ত্রী

    দক্ষিণাঞ্চলের জন্য স্বর্ণযুগের সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী : বরিশালে শিল্পমন্ত্রী

    শেখ সুমন :

    শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণাঞ্চলের জন্য স্বর্ণযুগের সৃষ্টি করেছেন। মেঘ না চাইতেই জল। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ কল্পনাও করতে পারেনি পায়রায় সমুদ্রবন্দর হবে। আজকে পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং মাওয়ায় পদ্মা সেতুর কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। পায়রাবন্দর আর পদ্মা সেতুর কাজ সমাপ্ত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল হবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এই বাণিজ্যিক কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে এই দেশের মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাবে বলে আশা প্রবীণ রাজনীতিবিদ শিল্পমন্ত্রী আমুর।

    শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আঞ্চলিক এসএমই পন্য মেলার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিল্পমন্ত্রী। জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস এমপি, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও চেম্বারের সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কেএম হাবিব উল্লাহ।

    এর আগে শিল্পমন্ত্রী ফিতা কেটে এবং বেলুন উড়িয়ে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আঞ্চলিক এসএমই পন্য মেলার উদ্ধোধন করেন।

    বঙ্গবন্ধু উদ্যানে ৭ দিনব্যাপী আঞ্চলিক এসএমই পন্য মেলা উপলক্ষ্যে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সার্কিট হাউজ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।

    আঞ্চলিক এসএমই পন্য মেলায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের মোট ৫০টি স্টল স্থান পেয়েছে। আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।

  • চরমোনাই মাহফিলগামী ট্রলারডুবির দু’দিন পর কীর্তনখোলায় ৬ মরদেহ

    চরমোনাই মাহফিলগামী ট্রলারডুবির দু’দিন পর কীর্তনখোলায় ৬ মরদেহ

    বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর চরমোনাই লঞ্চঘাট এলাকায় মুসল্লিবাহী ট্রলারডুবির দুই দিন পর সেখান থেকে ছয় জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    শুক্রবার (৯ মার্চ) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চরমোনাই ইউনিয়ন সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে এ ছয় মরদেহ পাওয়া যায়।

    এরা হলেন- মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ি উপজেলার পাচনখোলা এলাকার মৃত খায়েরুদ্দিন ঢালীর ছেলে বাদশা ঢালী (৬৫), গাজীপু‌র সদরের আবদুল মা‌লে‌কের ছে‌লে ইফ‌তেখার (৯),  আমানউল্লাহ দেওয়া‌নের ছে‌লে শাহ আলী (২৮), একই জেলার ভবানীপু‌রের জা‌কির‌ হো‌সেন দিলদার (৩০), ময়মন‌সিং‌হের মকবুল হো‌সে‌নের ছে‌লে দে‌লোয়ার হো‌সেন (২৮) ও লক্ষীপু‌রের হেদা‌য়েত হো‌সেন ছে‌লে আবদুল কুদ্দুস (২৪)।

    বরিশাল সদর নৌ-থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহাগ ফকির জানান, গত বুধবার (৭ মার্চ) যেখানে ট্রলার ডুবেছিলো, তার পাশ থেকেই ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    বরিশাল নৌ-থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেল্লাল হোসেন জানান, বুধবার দুপুরে ট্রলারটি বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়ার প্রান্ত থেকে কীতর্নখোলা পাড়ি দিয়ে চরমোনাই লঞ্চঘাট যায়। ঘাটে থাকা কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের পেছনে নোঙ্গর করে চরমোনাই মাহফিলগামী মুসল্লিদের নামাতে গেলে ট্রলারটি কাত হয়ে যায়। এসময় পেছনে থেকে অন্য একটি ট্রলার ধাক্কা দিলে সেটি ডুবেই যায়।

    খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশের সদস্যরা নদীতে বিভিন্নভাবে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নদীর তলদেশে ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া গেলেও নিখোঁজদের কোনো হদিস মেলেনি।

    থানা পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত খোঁজাখুঁজির পর আর কোনো মরদেহ না পাওয়ায় সন্ধ্যা নামতেই শুক্রবারের মতো উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়।

  • সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে মন্ত্রীর মর্যাদা

    সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে মন্ত্রীর মর্যাদা

    শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন  প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ পদমর্যাদা দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

    এতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জাতীয় কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি (শান্তিচুক্তি) বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণের জন্য গঠিত চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত এ পদে থাকাকালীন মন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

    শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

    গত ১৮ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত কমিটি পুনর্গঠন করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল হাসানাতকে প্রধান করা হয়।

    এর আগে ২০০৯ সালে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে মন্ত্রীর মর্যাদায় আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ কমিটি করা হয়।