Category: বরিশাল

  • শিক্ষায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে শ্রেষ্ঠ অফিসার বাউফলের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।

    শিক্ষায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে শ্রেষ্ঠ অফিসার বাউফলের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।

    রাকিব সিকদার :

    সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষায় নকল বা যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে উপজেলার কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার ব্যাবহার করে দারুন প্রশংসিত হয়েছেন জনাব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।

    পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার নির্বাহী অফিসার জনাব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামানকে শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। শিক্ষায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে সফলতা পাওয়ায় পটুয়াখালীর মাননীয় জেলা প্রশাসক ড. মাছুমুর রহমান ইউএনও আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামানকে শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে ঘোষনা করেন।

    জেলা প্রশাসকের ঘোষনার পরই খবর ছড়িয়ে পড়লে বাউফলবাসীর মধ্যে আনন্দ, উৎসাহ বিরাজ করছে। ভালো কাজে ভালো ফল বাস্তবতার কথা এখন উপজেলার সব শ্রেনি পেশার মানুষের মুখে মুখে। ভবিষ্যতে ইউএনও মহোদয় আরো নতুন নতুন চমকপ্রদ কাজের দ্বারা উচ্চ আসনলাভ করবেন বলে সকলেই প্রত্যাশা করছেন ।

  • শেবাচিমের অচল অবস্থায় পরে আছে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি

    শেবাচিমের অচল অবস্থায় পরে আছে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি

    তানজীল শুভ :

    দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় হাসপাতাল শেরে ই বাংলা মেডিকেল হাসপাতাল। যেখানে চিকিৎসা সেবা নিতে আসে হাজার ও অসহায় রোগী।কিন্তু প্রকৃত সেবা তারা পাচ্ছেনা বলে জানান এই হাসপাতাল এ ভর্তি হওয়া রোগীরা। কিন্তু কেন?

    যেখানে জনগণের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌছেঁ দেওয়ার জন্য সরকারের আন্তরিকতার অভাব নেই। এই লক্ষ্যে রয়েছে বিশাল অবকাঠামো এবং পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ। এখন দেশের প্রান্তীয় এলাকায়ও সরকারের উদ্যোগে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। তবুও মাঝেমধ্যে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুলোয় ব্যবস্থাপনাগত ক্রটির কথা শোনা যায়।

    বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে রোগীদের রোগ নির্ণয়ের অধিকাংশ যন্ত্রপাতি অচল হয়ে আছে। ফলে হাসপাতালে ভর্তি থাকা এবং বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীকে রোগ নির্ণয়ে সব ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য যেতে হয় বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোয়।যার কারণে তারা প্রতিনিয়ত প্রতারণার স্বীকার হচ্ছেন।

    আরও বলা হয়, কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বরাবরই যন্ত্রাংশ সচল করার আশ্বাস দিলেও রোগী ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যন্ত্রপাতিগুলো সচল রাখার চেষ্টা ঢিমেতালে চলছে। জনস্বাস্থ্যের প্রেক্ষাপটে দেশের অন্যতম সেরা একটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের পরিস্থিতি কিছুতেই প্রত্যাশিত হতে পারে না।

    জানা যায়, শেবাচিম হাসপাতালে রেডিওলজি বিভাগের সিটিস্ক্যান মেশিন দুটি অচল রয়েছে গেল বছরের ২৪ নভেম্বর থেকে। ২০১৬ সালের নভেম্বর থেকে অচল রয়েছে এমআরআই মেশিন দুটি। হাসপাতালে এক্সরে মেশিন রয়েছে আটটি। তার মধ্যে শুধু অর্থোপেডিক্স বিভাগের মেশিনটি সচল রয়েছে। আলট্রাসনোগ্রাম করানোর পাঁচটি মেশিনের সবক’টি অচল গেল বছরের নভেম্বর থেকে। এক বছর ধরে অচল রয়েছে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত কোবাল্ট-৬০ মেশিনটি। এ অবস্থা নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর এবং রোগীদের জন্য বিড়ম্বনার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব যন্ত্রপাতি অচল থাকার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠান যন্ত্রপাতিগুলো সরবরাহ করেছে মেরামতের জন্য, তাদের অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি যেসব যন্ত্রপাতির গ্যারান্টি মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেগুলো নতুন করে কেনার কথা ভাবা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এর জন্য এত সময়ক্ষেপণ কেন?

    অথচ সময়মতো তদারকি করলে মেরামত কিংবা চাহিদা মতো ক্রয় করার বিষয়টি সহজেই সম্পন্ন করা যেত। তাহলে এ ধরনের বিড়ম্বনাকর পরিস্থিতির উদ্ভব হতো না। উল্লেখ্য, শেবাচিম হাসপাতাল দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের প্রধান চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। এই হাসপাতাল ঘিরে তৈরি হচ্ছে আগামী দিনের মেধাবী চিকিৎসক। সেখানে যখন যন্ত্রপাতির অচলজনিত কারণে চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়, তা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। এ অবস্থায় সরকারের অন্য চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোর সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

    সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত সত্বর শেবাচিম হাসপাতালের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পাশাপাশি দেশের অন্য হাসপাতালগুলোর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের কর্তৃপক্ষেরও যথেষ্ট দায়িত্ব রয়েছে। উন্নত ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি তদারকি ও নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।

  • কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় আজ সোমবার বিকেলে নগর ভবনের সম্মেলণ কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেয়র আহসান হাবিব কামাল।

    এসময় তিনি বলেছেন, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কোনো ক্রমেই আন্দোলন করা যায় না। তবে তারা নিয়ম ভেঙ্গে আন্দোলনে নেমেছে। যারা নগরবাসীর সমস্যা করছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারি। তবে ব্যবস্থা নিলেই আবার নতুন করে ঝামেলার উৎপাত হবে।

    তিনি আরো বলেন, সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন মাসের বেতন বকেয়া রেখেই চেয়ার ছাড়েন। এরপর আমি মেয়র থাকাকালীণ সময় দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। কর্পোরেশনের যে আয় রয়েছে তাতে আমরা কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন নিয়মিত ভাবে পরিশোধ করতে পারব। তবে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে স্টাফ রয়েছে প্রায় ২২’শ। যাদের বেতন পরিশোধ করা খুবই কষ্টকর। তবুও আমরা বলেছি জুন মাসের মধ্যে তাদের সকল বকেয়া পরিশোধ করে দেয়া হবে কিন্তু তারা সেই সকল বকেয়া ১ মাসের মধ্যেই দিতে বলছে। এটা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের পক্ষে সম্ভব নয়। এর আগে যে তারা আন্দোলনে নেমেছিল সেই সময় আলোচনায় যে কথা তারা মেনে নিয়েছিল এখন সেই কথাই তারা না মেনে অহেতুক আন্দোলনে নেমেছে।

    মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, আমরা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বকেয়া বেতন দিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গুটি কয়েক আন্দোলনরত নেতা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বেতন নিতে দেয়নি। কর্পোরেশনের উন্নয়নের জন্য ৩০জন কাউন্সিলর এবং আমি মেয়রও ১ বছর যাবৎ সম্মানী ভাতা নেয়নি। সেখানে অদৃশ্য হাতের জোড়ে কর্পোরেশন অচল করে দেওয়া নগরবাসীকে ভোগান্তিতে ফেলা ছাড়া আর কিছুই নয়। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন যাতে ভালো ভাবে চলে সেই লক্ষ্যে উন্নয়ন খাত থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা দিয়ে বেতনাদী দেয়া হয়েছে। এখন তারা টের পেয়েছে কর্পোরেশনের একাউন্টে ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা এসেছে। এখন সেখান থেকে তাদের বেতনাদী পরিশোধের দাবী জানানো হচ্ছে। তবে যে টাকা এসেছে সেটা এসেছে ১৫ই আগস্ট ঘাতকের গুলিতে নিহত স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর শিশু সন্তান সুকান্ত বাবু’র নামে শিশু পার্ক করার জন্য। তারা এটা জানার পরও ওই খাত থেকে টাকা চাচ্ছে। এই আন্দোলনে নগরবাসীর ক্ষতি হচ্ছে বলে আন্দোলনকারীদের বলা হলেও তারা আমাদের বলেছে ক্ষতি করার জন্য আন্দোলন করা হচ্ছে।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, বিগত দিনের সাবেক মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার, শওকত হোসেন হিরণ অস্থায়ী বা স্থায়ী অনেক লোকের প্রবেশ ঘটিয়েছে কর্পোরেশনে। শুধু মেয়র হিরণই প্রায় সাড়ে ৮’শ স্টাফ ঢুকিয়েছেন কর্পোরেশনের মধ্যে। অতিরিক্ত লোকবলই বিসিসির সমস্যা। এখন ১২ কোটি টাকা হলেই এই সমস্যা নিরসন করা সম্ভব।

    সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল মেয়র এ কে এম শহীদুল্লাহ জানান, সিটিতে আমাদের ১২ কোটি ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে। যা এই কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই উত্তলোন করতে পারছেন না। এই ট্যাক্স উত্তোলণ করতে পারলে বেতন বকেয়া পরিশোধ করা সম্ভব হবে। এছাড়া আমরা স্থায়ীভাবে কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ জনকে চেয়েছি। সেটা মন্ত্রনালয় থেকে পাশ হয়ে আসলে বাকিদের ছাটাই করলেই সমস্যার সমাধাণ হবে। সংবাদ সম্মেলনে কর্পোরেশনের বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন।

  • কর্মচারীদের আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    কর্মচারীদের আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় আজ সোমবার বিকেলে নগর ভবনের সম্মেলণ কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেয়র আহসান হাবিব কামাল।

    এসময় তিনি বলেছেন, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কোনো ক্রমেই আন্দোলন করা যায় না। তবে তারা নিয়ম ভেঙ্গে আন্দোলনে নেমেছে। যারা নগরবাসীর সমস্যা করছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারি। তবে ব্যবস্থা নিলেই আবার নতুন করে ঝামেলার উৎপাত হবে।

    তিনি আরো বলেন, সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন মাসের বেতন বকেয়া রেখেই চেয়ার ছাড়েন। এরপর আমি মেয়র থাকাকালীণ সময় দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। কর্পোরেশনের যে আয় রয়েছে তাতে আমরা কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন নিয়মিত ভাবে পরিশোধ করতে পারব। তবে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে স্টাফ রয়েছে প্রায় ২২’শ। যাদের বেতন পরিশোধ করা খুবই কষ্টকর। তবুও আমরা বলেছি জুন মাসের মধ্যে তাদের সকল বকেয়া পরিশোধ করে দেয়া হবে কিন্তু তারা সেই সকল বকেয়া ১ মাসের মধ্যেই দিতে বলছে। এটা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের পক্ষে সম্ভব নয়। এর আগে যে তারা আন্দোলনে নেমেছিল সেই সময় আলোচনায় যে কথা তারা মেনে নিয়েছিল এখন সেই কথাই তারা না মেনে অহেতুক আন্দোলনে নেমেছে।

    মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, আমরা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বকেয়া বেতন দিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গুটি কয়েক আন্দোলনরত নেতা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বেতন নিতে দেয়নি। কর্পোরেশনের উন্নয়নের জন্য ৩০জন কাউন্সিলর এবং আমি মেয়রও ১ বছর যাবৎ সম্মানী ভাতা নেয়নি। সেখানে অদৃশ্য হাতের জোড়ে কর্পোরেশন অচল করে দেওয়া নগরবাসীকে ভোগান্তিতে ফেলা ছাড়া আর কিছুই নয়। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন যাতে ভালো ভাবে চলে সেই লক্ষ্যে উন্নয়ন খাত থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা দিয়ে বেতনাদী দেয়া হয়েছে। এখন তারা টের পেয়েছে কর্পোরেশনের একাউন্টে ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা এসেছে। এখন সেখান থেকে তাদের বেতনাদী পরিশোধের দাবী জানানো হচ্ছে। তবে যে টাকা এসেছে সেটা এসেছে ১৫ই আগস্ট ঘাতকের গুলিতে নিহত স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর শিশু সন্তান সুকান্ত বাবু’র নামে শিশু পার্ক করার জন্য। তারা এটা জানার পরও ওই খাত থেকে টাকা চাচ্ছে। এই আন্দোলনে নগরবাসীর ক্ষতি হচ্ছে বলে আন্দোলনকারীদের বলা হলেও তারা আমাদের বলেছে ক্ষতি করার জন্য আন্দোলন করা হচ্ছে।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, বিগত দিনের সাবেক মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার, শওকত হোসেন হিরণ অস্থায়ী বা স্থায়ী অনেক লোকের প্রবেশ ঘটিয়েছে কর্পোরেশনে। শুধু মেয়র হিরণই প্রায় সাড়ে ৮’শ স্টাফ ঢুকিয়েছেন কর্পোরেশনের মধ্যে। অতিরিক্ত লোকবলই বিসিসির সমস্যা। এখন ১২ কোটি টাকা হলেই এই সমস্যা নিরসন করা সম্ভব।

    সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল মেয়র এ কে এম শহীদুল্লাহ জানান, সিটিতে আমাদের ১২ কোটি ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে। যা এই কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই উত্তলোন করতে পারছেন না। এই ট্যাক্স উত্তোলণ করতে পারলে বেতন বকেয়া পরিশোধ করা সম্ভব হবে। এছাড়া আমরা স্থায়ীভাবে কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ জনকে চেয়েছি। সেটা মন্ত্রনালয় থেকে পাশ হয়ে আসলে বাকিদের ছাটাই করলেই সমস্যার সমাধাণ হবে। সংবাদ সম্মেলনে কর্পোরেশনের বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন।

  • ভেতরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- বাইরে আ.লীগের সংঘর্ষ

    ভেতরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- বাইরে আ.লীগের সংঘর্ষ

    সুধী সমাবেশে স্লোগান দেওয়া নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার পটুয়াখালীর বাউফল থানা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। এতে দুই পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। ওই সময় থানা ভবনের মধ্যে অবস্থান করছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
    সমাবেশের শুরুতে এক পক্ষ স্লোগান দেয় চিফ হুইপ ও স্থানীয় সাংসদ আ স ম ফিরোজের পক্ষে এবং আরেক পক্ষ স্লোগান দেয় বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জিয়াউল হক জুয়েলের পক্ষে। এ নিয়ে ওই দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়।

    সংঘর্ষের সময় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে এর আগেই ছাত্রীরা আতঙ্কে ওই স্থান ছেড়ে চলে যায়। বাউফল থানার নতুন চারতলা ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সকাল নয়টা থেকেই স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত হতে থাকেন। বেলা পৌনে ১১টার দিকে থানার অদূরে হেলিকপ্টারে করে বাউফল সরকারি পাবলিক মাঠে নামেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    পরে ১১টার দিকে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও বিশেষ অতিথি চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ যৌথভাবে ভবনের উদ্বোধন করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষ তাঁদের নেতাদের পক্ষে প্রধান অতিথিকে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। প্রধান অতিথি নতুন থানা ভবনের মধ্যে ঢুকলে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও চেয়ার দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটানোতে অংশ নেয় দুই পক্ষই। প্রায় ১৫-২০ মিনিটের মতো চলে ওই সংঘর্ষ। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মো. জহিরুল (৩০), মো. কামাল হোসেন (২৫), আলতাফ উদ্দিন (৬৫), মিজানুর (৪৫), মো. খোকনকে (৩৫) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসার পর দুপুর ১২টার দিকে সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মইনুল হাসানের সভাপতিত্বে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় বক্তৃতা করেন চিফ হুইপ ও স্থানীয় সাংসদ আ স ম ফিরোজ, বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন, বরিশাল বিভাগের পুলিশের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আজাদ মিয়া, জেলা প্রশাসক মাছুমুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান, বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জিয়াউল হক প্রমুখ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৭৮ টি দেশের মধ্যে আমেরিকার একটি সংস্থা সমীক্ষা চালিয়েছে, কারা দুর্নীতিমুক্ত দেশ প্রধান এবং কারা দেশের নেতৃত্বে সফল। সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃতীয় স্থানে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী না হয়ে যদি তিনি অন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী হতেন, তাহলে তিনিই প্রথম হতেন। আর এটাই বাস্তবতা। তাঁর হাতে বাংলাদেশ। সে জন্যই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের মহাসড়কে উঠেছে। এটা সবাইকে ধরে রাখতে হবে। আগামী নির্বাচনে নৌকার বিকল্প নেই।

  • মজিবর রহমান সরোয়ারের মায়ের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত

    মজিবর রহমান সরোয়ারের মায়ের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত

    বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব এ্যাড.মজিবর রহমান সরোয়ার’র মাতা সৈয়দা মজিদুন্নেসার চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার পশ্চিম কাউনিয়া মজিবর রহমান সরোয়ারের মরহুম পিতা ও মরহুমা সৈয়দা মজিদুন্নেসার নিজ বাড়ি প্রাঙ্গনে আছরবাদ দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য মেজবা উদ্দিন ফরহাদ, বরিশাল বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুল হক নান্নু, মহানগর বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার জিয়া, জেলা দক্ষিন বিএনপি সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম শাহিন, বিসিসি প্যানেল মেয়র আলহাজ কে এম শহিদুল্লা, কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, কাউন্সিলর হারুন অর রসিদ, কাউন্সিলর মীর জাহিদ, সৈয়দ আকবর হোসেন, মোঃ ইউনুস, মহানগর বিএনপি সাবেক সহ-সভাপতি এ্যাড. মহসিন মন্টু, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এ্যাড. আলি আহম্মেদ মিয়া,আইনজীবী সমিতি সাবেক সভাপতি এ্যাড. শহিদ হোসেন, এ্যাড. নাজিম উদ্দিন আহমেদ পান্না, কোতয়ালী বিএনপি সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন লাবু, কোতয়ালী বিএনপি নেতা আলহাজ্ব নুরুল আমিন, কোতয়ালী বিএনপি দপ্তর সম্পাদক আলহাজ্ব মন্টু খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদ ‘র যুগ্ম আহবায়ক মাহাবুবুর রহমান পিন্টু, আমিনুল ইসলাম লিপনসহ জেলা ও মহানগর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, মহিলাদল ও অঙ্গ সহযোগী সংঠনের নেতা কর্মীরা।

    দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারপারর্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুসাস্থ কামনা করাসহ মজিবর রহমান সরোয়ার.র মাতা-পিতা সহ সর্বস্থরের কবর বাসীর জন্য দোয়া-মোনাজাত করা হয়। অপরদিকে কাউনিয়া বিসিক রোডের বাসায় জেলা যুবদল সাধারন সম্পাদক মাসুদ হাসানের পিতার রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

  • বই পড়া কার্যক্রমে কৃতিত্বের জন্য বরিশালে পুরস্কার পেল ১৮১২ শিক্ষার্থী

    বই পড়া কার্যক্রমে কৃতিত্বের জন্য বরিশালে পুরস্কার পেল ১৮১২ শিক্ষার্থী

    শেখ  সুমন :

    বই পড়া কার্যক্রমে কৃতিত্বের জন্য বরিশাল নগরীর ৩৩টি স্কুলের এক হাজার ৮১২ জন স্কুল শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করেছে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র।

    শুক্রবার সকালে নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আলোকিত মানুষ গড়ার লক্ষ্যে গত ৪০ বছর ধরে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র সারাদেশে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য বই পড়া কর্মসূচি চালিয়ে আসছে। বর্তমানে দেশের ১৪ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৪ লাখ শিক্ষার্থী এই কর্মসূচির সদস্য।

    পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অভিনেতা ও লেখক খায়রুল আলম সবুজ, এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিত, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের পরিচালক শরিফ মো. মাসুদ, গ্রামীণ ফোন বরিশাল সার্কেলের হেড অব মার্কেটিং দ্বীপেশ কুমার দাশ এবং বরিশাল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন। এছারাও আরো  উপস্থিত ছিলেন ড. বাহউদ্দিন গোলাপ।

    ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত বই পড়া কর্মসূচিতে এই শিক্ষার্থীরা মূল্যায়ন পরীক্ষায় কৃতিত্বের পরিচয় দেয়ায় তাদের বই উপহার দিয়ে পুরস্কৃত করে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র। ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

    অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবকের দ্বায়িত্ব পালন করেন  বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্রের বরিশাল মহানগরের ১০ জন সদস্য ।

  • পটুয়াখালীতে স্ত্রীকে হত্যা করে সন্তান নিয়ে স্বামী লাপাত্তা

    পটুয়াখালীতে স্ত্রীকে হত্যা করে সন্তান নিয়ে স্বামী লাপাত্তা

    বরিশালের পটুয়াখালীর দুমকীতে স্ত্রীকে নির্যাতনের পর মুখে বিষ দিয়ে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে পাষন্ড এক স্বামীর বিরুদ্ধে।

    ঘাতক স্বামীর নাম আল আমিন খান (২৩)। সে পটুয়াখালীর দুমকী থানার মুরাদীয়া ইউনিয়নের জাফর খানের পুত্র। আর নিহত গৃহবধু বাকেরগঞ্জ থানার ৭নং কবাই ইউনিয়নের পেয়ারপুরের অব্দুল মোতালেব শিকদারের ১ মাত্র কন্যা নিপা আক্তার (১৯)। গত ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার এ হত্যার ঘটনা ঘটে। স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ ঘরের মধ্যে ফেলেরেখে ১ বছর বয়সি পুত্র সন্তান ওসমানকে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে অভিযুক্ত স্বামী আল আমিন।

    এসময় প্রতিবেশিরা ঘটনার আলমত আজ করতে পেরে তাদের ঘরের মধ্যে ঢুকে গৃহবধু নিপাকে মৃত্যু অবস্থায় দেখতে পায়। এসময় তারা বিষয়টি গৃহবধুর স্বজনদের মোবাইল ফোনে জানালে তারা এসে পটুয়াখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এসময় হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক জানিয়ে দিয়েছেন নিপাকে হাসপাতালে আনার অনেক আগেই তার মৃত হয়।

    সূত্রে জানা গেছে, গত ২ বছর আগে পটুয়াখালীর দুমকী থানার মুরাদীয়া ইউনিয়নের জাফর খানের পুত্র আল আমিনের সাথে বাকেরগঞ্জ থানার ৭নং কবাই ইউনিয়নের পেয়ারপুরের অব্দুল মোতালেব শিকদারের ১মাত্র কন্যা নিপা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় বর আল আমিনকে নগদ ২ লাখ টাকা যৌতুক হিসাবে প্রদান করা হয়। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই ফের আল আমিন যৌতুকের দাবী করে। কিন্তু সে আর পিতার কাছ থেকে যৌতুক এনে দিতে পারবে না বলে স্বামীকে সাফ জানিয়ে দিলে যৌতুকলোভী স্বামী আল আমিন প্রাইয় স্ত্রীকে নির্যাতন করতো।

    এরই মধ্যে নিপা ওসমান নামের একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তান জন্ম দেয়। ব্যবসার জন্য টাকা লাগবে জানিয়ে স্বামী আল আমিন যৌতুকের দাবীতে নিপার উপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। যৌতুকের দাবী অব্যহত রেখে স্বামী আল আমিন আপন মামাতো বোনের সাথে পরোকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি স্ত্রী নিপার নজরে আসলে গত ১৭ ফেব্র“য়ারি স্বামীকে পরকিয়া প্রেম থেকে বিরোত থাকতে অনুরোধ জানায় এবং স্বামীর পরকিয়া প্রেমিকাকে ফোন দিয়ে তার স্বামীকে আর ফোন না দিতে শাসিয়ে দেয়। বিষয়টি স্বামী আল আমিন জানতে পেরে স্ত্রী নিপাকে বেধরক মারধর করে মুখে বিষ ঢেলে হত্যা করে আত্যহত্যার চেস্টা করেছে বলে অপপ্রচার চালায়।

    এসময় প্রতিবেশিরা গৃহবধুর স্বজনদের খবর দিলে নিপার দুর সম্পকের ভাই রুমান তাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কিন্তু হাসপাতালে নেয়ার আগেই গৃহবধুর নিপার মৃত্যু হয়েছে বলে দায়িত্বরত চিকিৎসক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এসময় স্ত্রীর মৃত্যুর খবর শুনে পাষন্ড স্বামী আল আমিন তাদের ১ বছর বয়সি পূত্র ওসমানকে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে। এমনকি তাদের ঘর তালাবদ্ধ করে স্ব-পরিবারে গা ঢাকা দিয়েছে। আজ সকাল ১১টার দিয়ে ঘাতক আল আমিনের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের কোন সদ্যসকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

    এদিকে গৃহবধুর নিপার পরিবারের সকল সদস্য রাজধানীতে অবস্থায় করায় খবর পেয়ে তাদের আসতে আসতে প্রায় একদিন লাগায় নিপার লাশ পটুয়াখালী হাসপাতালের মর্গে পড়ে রয়েছিল। তবুও ঘাতক স্বামী আল আমিন ও তার পরিবারের কোন সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে খোঁজ খবর নেয়নি। উল্টো স্ব-পরিবারে লাপাত্তা হয়ে গিয়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পটুয়াখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসক জানায়, নিপাকে অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। তাকে হাসপাতালে আনার পর থেকেই তার- গোটা শরীর ফুলে ফেপে উঠেছিল। তারই সাথে সাথে নাক, মুক,কান ও যৌনাঙ্গ দিয়ে রক্ত ঝড়ছিল প্রতিনিয়ত। এসময় উক্ত চিকিৎসক আরও জানায়, তার শরীলের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুমকী থানা পুলিশকে খবর দিলে দুমকী থানার এসআই মোঃ মানিক হাসপাতালে গিয়ে নিপার মরদেহ দেখে আসেন।

    লাশ পোস মের্টাম করে গৃহবধুর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এবিষয়ে নিহত গৃহবধুর পিতা অব্দুল মোতালেব শিকদার কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আল আমিন আমার কন্যাকে নির্যাতন করে মুখে বিষঢেলে হত্যা করেছে। আর তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায়। আর যে কোন পিতা তার কন্যাকে আর না হারায়।

    এবিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান নিহতের স্বজনরা। পটুয়াখালী থানার এসআই মোঃ মানিক জানান, পোসমের্টাম রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর নিপার মৃত্যুর সঠিক কারন জানাযাবে। এর আগে আমি কোন মন্তব্য করতে পারবোনা। তবে নির্যাতনের পর মুখে বিষ ঢেলে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হয়েছে।

  • বকেয়া বেতনের দাবিতে বিসিসিতে অব্যাহত আন্দোলন : পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

    বকেয়া বেতনের দাবিতে বিসিসিতে অব্যাহত আন্দোলন : পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

    প্রিন্স মুন্সী :

    বকেয়া বেতনের দাবিতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (বিসিসি) অব্যাহত রয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলন।

    তারা গত রোববার থেকে সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১ টা পর্যন্ত প্রতিদিন কর্মবিরতি পালন করে আসছে।  আর নগর ভবনের দ্বিতীয় তলায় মেয়রের কক্ষের সামনে বসে স্লোগান, সমাবেশ করে যাচ্ছেন।

    চলমান আন্দোলনের পঞ্চম দিনে বৃহষ্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১ টার দিকে আন্দোলনরতদের সাথে মেয়রের বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও আন্দোলনকারীরা এতে কোন সারা দেয়নি।

    এ বিষয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের হাবিবুর রহমান টিপু বলেন, বকেয়া বেতনের দাবীতে আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে আলোচনায় বসার জন্য আমরা বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর তাদের কাছে গিয়েছিলাম। কিন্তু তাদের মধ্যে কেউ বসতে চাচ্ছে আবার কেউ চাচ্ছে না। আর না বসলে এর সমাধান কিভাবে হবে তাও বোঝা যাচ্ছে না।

    মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করেত। পাশাপাশি প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকাও পরিশোধ করে আসছি। তারপরও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলনেগেছে, এখন আলোচনায় বসতে চাইলে বসছে না। এই নগরের মানুষের সেবার বিনিময়েই কর্পোরেশন আয় করে থাকে, সেটা তাদের মাথায় থাকতে হবে। আবার কি আয় হচ্ছে কি ব্যয় হচ্ছে তা তো কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সবই জানেন। তাই আয় বাড়াতে হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আমাকে সহায়তা করতে হবে।

    তিনি বলেন, নিয়মানুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন স্কেল বাড়লেও বাড়ছে না সিটি কর্পোরেশনের আয়। আয় বাড়াতে এরই মধ্যে বেশ কিছু উদ্যোগ হাতে নেয়া হয়েছে। যারমধ্যে নগরের বহুতল নতুন ভবনগুলোর কর আদায়, ফ্লাট বাড়িগুলোর ফ্লাট অনুযায়ী হোল্ডিং নাম্বার নির্ধারন, শাখা সড়কগুলোসহ নগরের সকল দোকানপাটের সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্সের আওতাভুক্ত করা।

    আবার নগরবাসীকে দূর্নিতীমুক্ত দ্রুত সেবা দিতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু করা হবে । কিছু মানুষের দূর্ণীতির কারনে কর্পোরেশনের কাঙ্খিত আয় এরআগে বাধাগ্রস্থ হয়েছে। তাই সেখানেও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নানান অনিয়মের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় কর শাখার মুশফিক আহসান আজমসহ অনেককেই আমি বদলি করেছি।

    মেয়র বলেন, চলমান আন্দোলনের কারনে প্রায় ৬ টির মতো নতুন প্রকল্পের কাজ বিলম্বিত হওয়াসহ নগরবাসী নানান ভোগান্তিতে পড়েছে।

    এদিকে বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের নগর ভবন শাখার সম্পাদক দীপক লাল মৃধা বলেন, গতবছর এপ্রিল মাসে বকেয়া বেতনের নামে আন্দোলনে নামার পরে মেয়র জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সুশীল সমাজ, সাংবাদিকসহ সবাইকে নিয়ে বৈঠকে বসেন। সে বৈঠকের সিদ্বান্তগুলো বাস্তবায়নের কথা ছিলো দ্রুত কিন্তু হয়নি।

    তিনি বলেন, বিগত বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হোক আর কর্মকর্তা-কর্মচারদের বকেয়া বেতন দিয়ে দেয়া হোক তাহলে নতুন করে বৈঠকের প্রয়োজন কি। আর যদি বৈঠক করতে হয় তবে আন্দোলনকারীদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গতবারের বৈঠকে উপস্থিত
    সকলকে ডাকা হোক।

    তিনি বলেন, দূর্ণিতী আন্দোলনকারীরা করে না। যারা কর্তৃপক্ষের ঘনিষ্টজন তারাই দূর্নীতি করছে। কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোতালেব সাহেবের সনদ জাল বলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কয়েকমাস পূর্বে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলো। কিন্তু সে অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা তো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। মেয়রের যারা কাছের লোক তাদের তো বদলীও করা হয়না। আবার কর্তৃপক্ষ শুধু ঠিকাদারের বিলই পরিশোধ করেন, আমাদের কথা ভাবেন না। আর ভাববেনও বা কিভাবে সিটি কর্পোরেশনের ৩০ ওয়ার্ডের মধ্যে হাতেগোনা ২/১ কাউন্সিলর  ছাড়া সবাই তো ঠিকাদার।

    আন্দোলনকারীরা জানান, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের যে আয় রয়েছে, তা দিয়ে ভালোভাবেই সকল স্টাফদের প্রতিনিয়িত বেতন প্রদান সম্ভব। কিন্তু বর্তমান মেয়র ক্ষমতায় বসার পর প্রায় ৩ শত জনকে নানানভাবে নিয়োগ দিয়েছে, যারা এখন বাড়তি বোঝা। আন্দোলনকারীরা জানান,৬ মাস ধরে ৫ শতাধিক নিয়মিতো কর্মকর্তা-কর্মাচারী এবং ৪ মাস ধরে প্রায় এক হাজার ৪শত দৈনিক মজুরী ভিত্তিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা দেয়া বন্ধ রয়েছে।  পাশাপাশি ২২ টির মতো প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকায় আটকে রয়েছে ।

  • বরিশালে দিনব্যাপী বিপি দিবস ২০১৮ উদযাপিত

    বরিশালে দিনব্যাপী বিপি দিবস ২০১৮ উদযাপিত

    সানজিদ আলম সিফাত:

    স্কাউট আন্দোলনের প্রবর্তক রর্বাট স্টিফেনশন স্মিথ স্যার লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল অব গিলওয়েলের ১৬০ তম জন্মবার্ষিকী ও স্কাউট দিবস পালিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বরিশাল জেলা রোভার স্কাউটসের আয়োজনে সারাদিন বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে তাকে স্মরণ করে জেলার স্কাউটরা। এর মধ্যে সকাল ৯.৩০ এ নগরীর অমৃত লাল দে কলেজ থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে বরিশাল পলিটেকনিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গনে সমাপ্তি হয়।

    তারপর বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সমাবেশ,আলোচনা সভা,স্কাউট সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা এবং দিনশেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে এসব কর্মসূচি শেষ হয়। এ সময় অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বাংলাদেশ স্কাউটস্, বরিশাল জেলা রোভার এর চেয়ারম্যান জনাব মোঃ তাইজুল ইসলাম বলেন”ব্রিটিশদের এ সামরিক কর্মকর্তা ১৮৫৭ সালের এইদিনে জন্ম নেন। শিশু কিশোরদের মানসিক শক্তি ও আত্নবিশ্বাস বৃদ্ধির মাধ্যমে জীবনে শৃঙ্খলা আনা এবং সেবার মানসিকতা গঠনে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে স্কাউট আন্দোলন শুরু করেন ব্যাডেল পাওয়েল। তার জন্মের এ দিনটিকে স্কাউটরা বিপি দিবস হিসেবে জানে।”