Category: বরিশাল

  • জামিন না পাওয়ায় বরিশাল আদালতে পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে ভাংচুর

    জামিন না পাওয়ায় বরিশাল আদালতে পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে ভাংচুর

    জামিন না পাওয়ায় বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এজলাসের জানালার কাঁচ ভাংচুর করেছে ডাকাতি মামলার আসামী নয়ন হাওলাদার নামে এক যুবক।

    বুধবার দুপুরে আদালতের কার্যক্রম চলা অবস্থায় এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় নয়ন হাওলাদারের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছেন ওই আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর গিয়াস উদ্দিন কাবুল। তিনি জানান, বাকেরগঞ্জের বাসিন্দা নয়ন হাওলাদারের বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি ও নারী নির্যাতনসহ ১৪ টি মামলা রয়েছে এবং সে একটি অস্ত্র মামলায় ২০১৭ সালের ২৬ জুন থেকে হাজতেই রয়েছেন।

    বুধবার তাকে আদালতে নেয়া হলে তিনি অস্ত্র মামলায় জামিনের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু আদালতের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন তার আবেদন না মঞ্জুর করলে সে উত্তেজিত হয়ে আদালত থেকে বের হওয়ার সময় পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে জানালার কাঁচ ভাংচুর করে। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে এটিএসআই মাইনুল হোসেন বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে সরকারী কাজে বাঁধা প্রদান, সরকারী মালামাল ভাংচুর ও আইনভঙ্গ করায় দুটি ধারায় মামলা দায়ের করা হবে বলে আদালত সূত্রে জানা যায়।

  • নাগরিকত্ব পাচ্ছেন বরিশালের লুসি হল্ট- আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত

    নাগরিকত্ব পাচ্ছেন বরিশালের লুসি হল্ট- আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত

    বিট্রিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজ সোমবার আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান। তিনি জানান, লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টকে বাংলাদেশ নাগরিকত্ব দেয়ার সিদ্ধান্তের কারনে খুব দ্রুতই বাংলাদেশের নাগরিকত্বের কাগজপত্র হাতে পেতে যাচ্ছেন তিনি।

    এরআগে গত ৮ ফ্রেব্রুয়ারি বরিশালের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে ১৫ বছরের জন্য ভিসা ফি মুক্ত পাসপোর্ট নিলেন বিট্রিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্ট। এসময় তাকে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়া যায় কিনা সে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের চারদিনের মাথায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রনালয়ের সভায় লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। ৫৭ বছর আগে অক্সফোর্ড মিশনের একজন কর্মী হিসেবে ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্ট বাংলাদেশে এসেছিলেন। সেবার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মানুষের প্রতি। মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাহতদের সেবা করেছেন জীবনের মায়াত্যাগ করে।

    দেশ স্বাধীনের পরও তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে যাননি। তিনি ভালোবেসেছেন এখানকার মানুষকে। তাইতো মৃত্যুর পরও যেন তাকে বরিশালের মাটিতে সমাধিস্থ করা হয়, সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লুসি। প্রতিবছর ভিসা নবায়ন ফি দিতে সমস্যা হওয়ার ফলে ভিসা নবায়ন ফি মওকুফ সহ বাংলাদেশী নাগরিকত্বের জন্য দাবী জানিয়েছিলেন তিনি।

    ইতিপূর্বে জেলা প্রশাসন থেকে তার লুসির এ আবেদন পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছিলো।তবে এটা তাদের আওতাভুক্ত না হওয়ায় কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি। বর্তমান জেলাপ্রশাসক আসার পরপরই নতুন করে আবেদন তৈরি করেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ে তা পাঠান। যার কয়েকসপ্তাহের মধ্যেই লুসি হল্টের ভিসা ফি মওকুফ করে ১৫ বছরের অগ্রিম ভিসা প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, ১৯৩০ সালের ১৬ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের সেন্ট হ্যালেন্সে জন্মগ্রহণ করা লুসির বাবা জন হল্ট ও মা ফ্রান্সিস হল্ট।

    ১৯৪৮ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করা লুসির বড় বোন রুট অ্যান রেভা ফেলটন স্বামী ও তিন ছেলে নিয়ে ব্রিটেনেই বসবাস করেন। লুসি ১৯৬০ সালে প্রথম বাংলাদেশে আসেন এবং যোগ দেন বরিশাল অক্সফোর্ড মিশনে। কর্মজীবন থেকে ২০০৪ সালে অবসরে যাওয়া লুসিএখনও দুঃস্থ শিশুদের মানসিক বিকাশ ও ইংরেজি শিক্ষা দেয়ার পাশাপাশি শিশুদের জন্য তহবিলও সংগ্রহ করছেন।

  • এসএসসির ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো বরিশাল বোর্ড

    এসএসসির ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো বরিশাল বোর্ড

    সিফাত :

    ২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিভিন্ন ধরনের ভুলত্রুটি করায় ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বরিশাল মাধ্যমকি ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এসব ভুলত্রুটি হওয়ায় বিষয়টি প্রধান পরীক্ষকের প্রতিবেদন এবং উত্তরপত্র পুননিরীক্ষণের সময় প্রমাণিত হয়েছে।

    ব্যবস্থাগ্রহণকারীদের মধ্যে ‘ঘ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ সালের (১ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যারমধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৪ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৪২ জন শিক্ষক রয়েছেন।

    অপরদিকে ‘ঙ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ ও ২০১৯ সালের (২ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৮ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।

    ভুলত্রুটি সংগঠিত হওয়া উত্তরপত্র মূল্যায়নের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে অবহেলার সামিল, তাই এসব পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ারুল আজিম।

  • বরিশাল বিএম কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ- আহত

    বরিশাল বিএম কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ- আহত

    বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে রিফাত নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল রোববার বিএম কলেজের জিরো পয়েন্টে এই ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে এক গ্রুপ বহিরাগত।

    কলেজ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ চলছিল কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র রিফাত এবং বহিরাগত ছাত্রলীগ নেতা সাউথের মধ্যে। এই নিয়ে রোববার সকালে বিএম কলেজের অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের আবাসিক ছাত্র ছাত্রলীগ কর্মী রিফাত তার প্রতিপক্ষ সাউথের অনুসারী তাজিন ও সিহাবকে বেধড়ক মারধর করে।

    এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সাউথ ধারালো অস্ত্র নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে শোডাউন দেয়। এতে মূহুর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে ক্যাম্পাসে। একপর্যায়ে কলেজের মসজিদ গেটের সামনে বসে রিফাতকে কুপিয়ে জখম করে সাউথ ও তার অনুসারীরা।

    এই ঘটনার পরপরই রিফাতের ও সাউথের অনুসারীদের মধ্যে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। কিছুক্ষণ পর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে এবং ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজনকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    এদিকে রিফাতকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রিফাতের অনুসারীরা কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করে এবং কলেজের সামনের সড়কে অবরোধ ও টায়ারে অগ্নিসংযোগ করে। এরপরে পুনরায় পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

    বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ জানায়, থানায় কয়েকজনকে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে নিশ্চিত না হয়ে কাউকে আটক বলা যাচ্ছে না। এছাড়া ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং অতিরিক্ত পুলিশও মোতায়েন করা রয়েছে।

  • সরকারি বরিশাল কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

    সরকারি বরিশাল কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

    সরকারি বরিশাল কলেজে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।  এ ঘটনায় উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম টিপু ও তার সমর্থকদের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ছাত্রদলের কর্মীরা হৃদয় নামে ছাত্রলীগের এক কর্মীকে মারধর করেন। এরপরপরই দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

    কিছু সময় বাদে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাস থেকে সটকে পড়লে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কলেজে থাকা ছাত্রদলের সব ব্যানার-পোস্টার খুলে ও ছিঁড়ে ফেলেন। এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম টিপুর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি আটক করে।

    বরিশাল কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান মাসুম জানান, ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে আমরা সকাল থেকে অবস্থান করছিলাম। এমন সময় কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক দাবিদার রফিকুল ইসলাম টিপু তার সহযোগীদের নিয়ে আমাদের একটি ছেলেকে মারধর করেন। এনিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে।

    এ বিষয়ে ছাত্রদল কর্মী শাহাদাৎ জানান, আগে থেকেই হামলার প্রস্তুতি নিয়ে থাকা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের লোকজনকে মারধর করেছেন। কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. মামুন হাওলাদার জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি একটি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে।

  • ভুল প্রশ্নে ৮১ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা দেওয়ার অভিযোগ

    বরিশালের আগৈলঝাড়ার শ্রীমতি মাতৃমঙ্গল বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২০১৬ সালের এমসিকিউ’র প্রশ্নপত্রে ৮১ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই কেন্দ্রের সচিব ও হল সুপারের দায়িত্বে অবহেলায় আজ বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন গণিত পরীক্ষায় এই ঘটনা ঘটে। সৃজনশীল পরীক্ষার প্রশ্ন সংকটের কারণে ফটোকপি প্রশ্ন সরবরাহ করায় ৩ ঘন্টার স্থলে ৪ ঘন্টা পরীক্ষা নেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

    ওই কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী অপূর্ব বাড়ৈ, অমিও অধিকারী এবং অরিন্দমসহ একাধিক পরীক্ষার্থী জানান, যথা সময়ে তাদের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে অন্তত ত্রিশ মিনিট পর তারা বুঝতে পারেন, ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিচ্ছেন তারা। সাথে সাথে বিষয়টি হল সুপার ও কেন্দ্র সচিবকে অবহিত করেন তারা। কেন্দ্র সচিব শ্রীমতি মাতৃমঙ্গল বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ ও হল সুপার কাঠিরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিল চন্দ্র কর পরীক্ষার্থীদের কথায় ভ্রুক্ষেপ না করে সরবরাহকৃত প্রশ্নেই উত্তর লেখার নির্দেশ দেন। সেই মোতাবেক ভুল প্রশ্নে পরীক্ষায় অংশ নিতে বাধ্য হয় ওই কেন্দ্রের ৮১ পরীক্ষার্থী।

    এমসিকিউ পরীক্ষার পর সরবরাহকৃত সৃজনশীল প্রশ্ন বিতরণকালে প্রশ্নপত্রে সংকট ধরা পরে। এ সময় পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা বন্ধ করে পার্শ্ববর্তী পরীক্ষা কেন্দ্র ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমী ও গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে প্রশ্ন ফটোকপি করে সেগুলো পরীক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়। ফটোকপি প্রশ্নপত্র সরবরাহে বিলম্ব হওয়ায় তিন ঘন্টার স্থলে চার ঘন্টা পরীক্ষা দিয়েছে ওই কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীরা।

    আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল জানান, ওই কেন্দ্রে মোট ৩৮৩ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ৮১ জনকে ভুল প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। তবে তাদের ভুল প্রশ্নপত্র সরবরাহের খবর কেন্দ্র সচিব বা হল সুপার তাকে জানায় নি। সৃজনশীল প্রশ্নপত্র সরবরাহ করার পর পরীক্ষার্থীদের কাছে ভুলের বিষয়টি ধরা পরে। তবে বিষয়টি তাৎক্ষণিক বরিশাল শিক্ষা বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে।

    বোর্ডের বরাত দিয়ে ইউএনও আরো জানান, বোর্ড তাকে মৌখিকভাবে অবিহিত করেছে উত্তরপত্র দেখার সময় ওই ভাবেই মূল্যায়ন করা হবে।
    চার ঘন্টা পরীক্ষা নেয়ার সত্যতা স্বীকার করে ইউএনও বলেন, প্রশ্নপত্র দেরিতে দেয়ায় তাদের পরীক্ষার সময় বাড়ানো হয়। দায়িত্বে অবহেলার কারণে কেন্দ্র সচিব, হল সুপারসহ অন্যন্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের কাছে সুপারিশ করবেন বলে জানান ইউএনও।

  • ‘আপোস করিনি বলেই জেলে থাকতে হচ্ছে’- সরোয়ার

    ‘আপোস করিনি বলেই জেলে থাকতে হচ্ছে’- সরোয়ার

    খালেদা জিয়া আজ যদি গণতন্ত্র রক্ষা আর নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা না বলতেন তবে তাকে জেলে যেতে হতো না। মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে সরকার জেলে পাঠিয়েছে। তাই এখন আমাদের লক্ষ্য খালেদা জিয়ার মুক্তি আর গণতন্ত্র রক্ষায় সহায়ক সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের।

    দলীয় প্রধানকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরের সদর রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও নগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার এসব কথা বলেন।

    যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আমরা আপোস করিনি বলে আজ আমাদের জেলে থাকতে হচ্ছে। কিন্তু এখন যারা ক্ষমতায় রয়েছেন তাদের মামলাগুলোর হদিস নেই। শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সাড়ে সাত হাজার মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। অথচ খালেদা জিয়াকে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

    তিনি সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, মামলা-হামলা করে বিএনপি নেতাকর্মীদের আন্দোলন থেকে দূরে রাখা যাবে না। এসময় নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনে রাজপথে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    বরিশাল মহানগর বিএনপি আয়োজিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন-বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল হোসেন খান, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামন ফারুক, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদারসহ অন্যরা।

  • বরিশালে মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ- আ.লীগ ও ছাত্রলীগের অবস্থান

    বরিশালে মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ- আ.লীগ ও ছাত্রলীগের অবস্থান

    কাজী সাইফুল :

    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় দেয়ার প্রতিবাদে ও রায় বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ করেছে মহানগর বিএনপি। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বরিশাল জেলা ও মহানগর দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, বিএনপি নেতা মহসিন মন্টু, মহানগর যুবদলের সভাপতি আক্তারুজ্জামান শামীম, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন প্রমূখ।

    এদিকে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেল মহড়া শেষে অবস্থান নেয় বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তবে বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়ন থাকায় কোন ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।

  • প্রধানমন্ত্রীর জনসভা কে জনসমূদ্রে পরিনত করার পিছনে সাদিক আবদুল্লাহর অবদান বেশি

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভা কে জনসমূদ্রে পরিনত করার পিছনে সাদিক আবদুল্লাহর অবদান বেশি

    শেখ সুমন :

    বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা জনসমূদ্রে পরিনত হওয়ার পেছনে প্রভাবশালী এ নেতার অবদান রয়েছে। জনসভায় সবচেয়ে বেশি উপস্থিত ছিলেন সাদিক ভক্তগন।অধিকাংশ জনগনের শরীরে ছিল সাদিক আব্দুল্লাহর ছবি সংবলিত টি শার্ট। আগত সকলের দাবি ছিল আসন্ন বি.সি.সি. নির্বাচনে যেন দল থেকে  সাদিক আবদুল্লাহকে মনোনয়ন দেয়া হয়।

    বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানএ আয়োজিত ৮ ফেব্রুয়ারী জনসভা মঞ্চে সাদিক আব্দুল্লহকে দেখা যায় ফুফু প্রধানমন্ত্রীর সাথে কুশল বিনিময় করতে। ফুফু শেখ হাসিনার সাথে সাদিক আবদুল্লাহর কুশল বিনিময় করতে দেখে নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। বরিশালে সাদিক ভক্তরা অনেকটা উৎফুল্ল হয়ে ওেঠে। অনেকেই মনে করেন সাদিক প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার গুড লিস্টে রয়েছেন।

    পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা দেশকে সুস্থ ও শান্তিপূর্ণভাবে গড়ে তুলতে চাই। এই বরিশাল বিভাগ সব সময় অবহেলিত ছিলো। ভোলায় গ্যাস পাওয়া গেছে, সেই গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে বরিশালে দেব। যাতে কলকারখানা গড়ে ওঠে। ভোলার গ্যাস খামাখা নিবো না, ভোলাকেও কিছু দিচ্ছি। সেখানে পাওয়ার প্ল্যান্ট করে দেবো। আর বরিশাল থেকে ভোলায় যাতে যাওয়া যায়, সে জন্য আমরা সেখানে নদীর উপর সেতুও নির্মাণ করে দেবো। তিনি বলেন- উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
    বরিশালবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি আপনাদের জন্য উপহার নিয়ে এসেছি। ৩৯টি প্রকল্প উদ্বোধন করেছি, বিভিন্ন উপজেলায় ৩৩টি প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছি। আওয়ামী লীগের উন্নয়ন, জনগণের কল্যাণ। আওয়ামী লীগ মানে দেশ এগিয়ে যাওয়া।

    তিনি বলেন, আমি আপনাদেরকে আহ্বান জানাই, আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন, আমরা উন্নয়ন করেছি। এ বছরের ডিসেম্বরে আবার নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে আপনাদের কাছে আমার আকুল আবেদন থাকবে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদেরকে জয়যুক্ত করবেন। উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখবেন।

    তিনি বলেন, আমরা দেশের উন্নয়নে বিশ্বাস করি, মানুষের কল্যাণে বিশ্বাস করি। এ সময় বরিশালবাসীর সব দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

    জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, চীফ হুইফ আ স ম ফিরোজ, কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, বাহাউদ্দিন নাসিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, তালুকদার মোঃ ইউনুস এমপি, পঙ্কজ নাথ এমপি, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, বরিশাল জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি সাহান আরা বেগম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, ধীরেন্দ্র নাথ শম্ভু এমপি, জেবুন্নেছা আফরোজ এমপিসহ বরিশালের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যবৃন্দ। জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন-, নুরুনবী চৌধুরী শাওন, আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, বিএইচ হারুন এমপি, বরিশাল মহানগর আ.লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সাধারন সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর,  যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহসহ নেতৃবৃন্দ।

  • বরিশালে জনসভায় যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বরিশালে জনসভায় যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি দুর্নীতি করেছে। এতিমের টাকা চুরি করেছে। দেশের সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে, দুর্নীতি করে তাদের বিচার এভাবেই হয়। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়া এতিমখানার নামে কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে বিএনপি। আজ তাদের সাজা হয়েছে। লজ্জা থাকলে ভবিষ্যতে আর দুর্নীতি করবে না খালেদা জিয়া।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে জেলা ও নগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে জনসভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    দেশের চলমান উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, আজ দেশের সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের সুবাতাস বইছে। সেই উন্নয়নের ছোঁড়া বরিশাল ও দক্ষিণাঞ্চলের সর্বত্র লেগেছে। বরিশালে অনেক ব্রিজ-কালভার্ট ও সড়ক নির্মাণ করেছি আমরা। ভোলার গ্যাস পাইপ লাইনের মাধ্যমে বরিশালে নেয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের শতভাগ চাহিদা পূরণ করতে কাজ করছে সরকার। ২০২১ সালের মধ্যে দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাবে। প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া হবে। ভোলা থেকে উৎপাদিত গ্যাস বরিশালে নেয়া হবে।

    বিকেলে বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা থেকে ৭২টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। যার মধ্যে ৩৯টি উন্নয়ন কাজ ও ৩৩টি ভিত্তিপ্রস্তের উদ্বোধন করেন। এর আগে সকালে পটুয়াখালীর লেবুখালী থেকে শেখ হাসিনা সেনানিবাস ছাড়াও ১৬টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে তিনি। যেখানে ১৪টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ১টি ভিত্তিপ্রস্ত স্থাপন করেন। সকাল সোয়া ১১টার সময় প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে সেনানিবাসের বরিশাল অংশের বাকেরগঞ্জ পৌঁছান শেখ হাসিনা। পরে পটুয়াখালীর লেবুখালী অংশে যান। লেবুখালী অংশে কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে বরিশাল শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়ামে (জেলা স্টেডিয়াম) আসেন।

    পরে সেখান থেকে গাড়ি বহরে বঙ্গবন্ধু উদ্যানের বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে জনসভা স্থলে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে জনসভা চলছে। সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। দুপুর পৌনে ২টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে জনসভার কাজ শুরু হয়। তবে দুপুরের আগে থেকে জনসভাস্থলে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ঢল নামে। সড়ক, নৌপথে বরিশালের বিভিন্ন এলাকার ছাড়াও আশপাশের জেলার নেতা-কর্মীরা জনসভায় যোগ দিয়েছে।

    বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানের জনসভা থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর একাডেমিক ভবন, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল একাডেমিক ভবন, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, বঙ্গবন্ধু হল, শেখ হাসিনা হল, শেরে বাংলা হল, সরকারি শিশু পরিবার বালিকা (দক্ষিণ), নব নির্মিত ডরমেটরি ভবন, কল কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর আধুনিকায়ন ও শক্তিশালীকরণ শীর্ষক ভবন, বরিশাল বিভাগীয় ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, বাবুগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন (বি-টাইপ), মেহেন্দীগঞ্জ থানা কমপ্লেক্স ভবন, আগৈলঝাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, গৌরনদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, গৌরনদী উপজেলা পরিষদের ভবন, উজিরপুর উপজেলার হারত-বানারীপাড়া বর্ডার রাস্তায় ২৮০ মিটার প্রিস্ট্রেস গার্ডার সেতু, বাকেরগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, হিজলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, মুলাদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন,, বানারীপাড়া উপজেলার চৌমোহনা জিসি-বানারীপাড়া হেড কোয়ার্টার ভায়া বিশারকান্দি, ওমারের পাড় রাস্তায় নান্দুহার নদীর উপর ২০৯ মিটার আরসিসি গার্ডার সেতু, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, উলানীয়া-কালীগঞ্জ সেতু, দেশরত্ন শেখ হাসিনা মহাবিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, ৩০০০ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণাগার, ২০০০ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন আলু বীজ হিমাগার, ১৬ এমএলভি শোধন ক্ষমতা সম্পন্ন সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, ৩১ শয্যা বিশিষ্ট মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, শহীদ আরজু মনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সপ্তম তলা একাডেমিক ভবন, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সপ্তম তলা একাডেমিক ভবন, বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, হিজলা ডিগ্রি কলেজের ৪র্থ তলা একাডেমিক ভবন, সংহতি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উলানিয়া মোজাফফর খান ডিগ্রি কলেজের ৪র্থ তলা একাডেমিক ভবন, বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়াম ভবন, কড়াপুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা হতে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ, ৪নং মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, মুলাদী ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী বরিশাল পুলিশ সুপার কার্যালয়, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স, মহিলা কারারক্ষীদের বাসভবন, বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতর ভবন, শহীদ আবদুর রব সিরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি), ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, মুলাদী থানা ভবন, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন নার্সিং হোস্টেল, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত অডিটোরিয়াম ভবন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, উজিরপুর উপজেলার সাতলা চৌমোহনী রাস্তায় কঁচা নদীর উপর ৪০৫ মিটার পিসি গার্ডার সেতু, বরিশাল সদর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার সায়েস্তাবাদ জিসি হিজলা উপজেলা হেডকোয়ার্টার ভায়া গাজীর হাট, কাজীর হাট জিসি, মিয়ারহাট এবং একতার হাট সড়কে ৪৪০ মিটার পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ, হিজলা উপজেলার কাউরিয়া বাজার থেকে মেমানিয়া টেকেরহাট ভায়া মৌলভীরহাট রাস্তার উন্নয়নসহ গার্ডার সেতু নির্মাণ, ফরিদপুর-ভাঙ্গা-বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা

    জাতীয় মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, বরিশাল (দিনারেরপুল)-লক্ষ্মীপাশা-দুমকী জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙ্গামাটি নদীর উপর গোমা সেতু নির্মাণ, জেলা সমাজ সেবা কমপ্লেক্স ভবন, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন, বরিশাল জেলায় আইটি পার্ক স্থাপন, শহীদ স্মরণিকা ডিগ্রি কলেজের ৪র্থ তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ, মেহেন্দীগঞ্জ মহিলা কলেজের ৪র্থ তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ, শহীদ সুকান্তবাবু শিশুপার্ক, মিয়ারচর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, বাহাদুরপুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, বরিশাল জেলার সদগর উপজেলার কীর্তনখোলা নদীর ভাঙন থেকে চরবাড়ীয়া এলাকা রক্ষা প্রকল্প, বরিশাল জেলা সদরের সঙ্গে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা সদরের যোগাযোগ ও ভূমি পুনরুদ্ধারের জন্য মাসকাটা নদীর উপর ক্রসড্যাম নির্মাণ, বরিশাল জেলার সাতলা-বাগধা প্রকল্পের পোল্ডার পুনর্বাসন প্রকল্প, হিজলা উপজেলার মেমানিয়া হিজলা-গৌরনদী, হরিনাথপুর ও ধুলখোলা ইউনিয়নে সাবমেরিন ক্যাবল ও ৩৫০ কিলোমিটার বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন নির্মাণ করে বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম, দুধল ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, ফরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের কমপ্লেক্স ভবন ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী পটুয়াখালীর লেবুখালী থেকে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ডায়াবেটিক হাসপাতাল, মির্জাগঞ্জ উপজেলাধীন দেউলী ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র, বাউফল উপজেলার সাবুপুরা ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র, পটুয়াখালীর সরকারি শিশু পরিবারের (বালিকা) নব নির্মিত হোস্টেল ভবন, কাজী আবুল কাশেম স্টেডিয়াম, দশমিনা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, কলাপাড়া উপজেলার পশ্চিম চাকামইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম সাইক্লোন সেন্টার, কলাপাড়া উপজেলার পূর্ব ডালবুগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম সাইক্লোন সেন্টার, বাউফল উপজেলার হোগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম সাইক্লোন সেন্টার, বাউফল উপজেলার ধানদি মডেল হাইস্কুল-কাম সাইক্লোন সেন্টার, কলাপাড়ার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, গলাচিপা মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কমপ্লেক্স, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ডিজিটাল পাবলিসিটি স্ক্রিন, শহীদ শেখ কামাল স্মৃতি কমপ্লেক্সের (অডিটোরিয়াম) উদ্বোধন এবং গলাচিপা উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবন সম্প্রসারণ ও হল রুমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।