Category: বরিশাল

  • বরিশালে লুসি হল্টের হাতে ভিসা ফি-মুক্ত পাসপোর্ট তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী

    বরিশালে লুসি হল্টের হাতে ভিসা ফি-মুক্ত পাসপোর্ট তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে ১৫ বছরের জন্য ভিসা ফি-মুক্ত পাসপোর্ট নিলেন ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্ট। এ সময় তাকে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া যায় কিনা সে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ব‌রিশা‌লের জেলা প্রশাসক মো. হা‌বিবুর রহমান জানান, জনসভায় ভাষণ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাবেশস্থলে থাকা বিভিন্ন প্রকল্পের ফলক উম্মোচন করেন। এরপরই সম্মাননা স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী লুসি হল্টের হাতে ১৫ বছরের জন্য ভিসা ফি-মুক্ত পাসপোর্ট তুলে দেন।

    অবশেষে ৫৭ বছর ধরে বাংলাদেশকে ভালোবেসে কাজ করা ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টের ভিসা ফি মওকুফ ক‌রে ১৫ বছরের জন্য ভিসা (এম ক্যাটাগ‌রি‌তে) ব‌র্ধিত করা হ‌য়ে‌ছে। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের জৈষ্ঠ্য সহকারী সচিব (বহিরাগমন-২)মনিরা হকের স্বাক্ষরিত এক নো‌টি‌শে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। ৫৭ বছর আগে অক্সফোর্ড মিশনের একজন কর্মী হিসেবে ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্ট বাংলাদেশে এসেছিলেন। সেবার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মানুষের প্রতি। মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাহতদের সেবা করেছেন জীবনের মায়া ত্যাগ করে। দেশ স্বাধীনের পরও তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে যাননি। তিনি ভালোবেসেছেন এখানকার মানুষকে। তাই তো মৃত্যুর পরও যেন তাকে বরিশালের মাটিতে সমাধিস্থ করা হয়, সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লুসি।

    প্রতিবছর ভিসা নবায়ন ফি দিতে সমস্যা হওয়ার ফলে ভিসা নবায়ন ফি মওকুফসহ বাংলাদেশি নাগরিকত্বের জন্য দাবি জানিয়েছিলেন তিনি। ইতোপূর্বে জেলা প্রশাসন থেকে তার লুসির এ আবেদন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিলো। তবে এটা তাদের আওতাভুক্ত না হওয়ায় কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি। বর্তমান জেলা প্রশাসক আসার পরপরই নতুন করে আবেদন তৈরি করেন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তা পাঠান। যার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই লুসি হল্টের ভিসা ফি মওকুফ করে ১৫ বছরের অগ্রিম ভিসা দেওয়া হয়।

    ১৯৩০ সালের ১৬ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের সেন্ট হ্যালেন্সে জন্মগ্রহণ করেন লুসি। লুসির বাবা জন হল্ট ও মা ফ্রান্সিস হল্ট। ১৯৪৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করা লুসির বড় বোন রুট অ্যান রেভা ফেলটন স্বামী ও তিন ছেলে নিয়ে ব্রিটেনেই বসবাস করেন। লুসি ১৯৬০ সালে প্রথম বাংলাদেশে আসেন এবং যোগ দেন বরিশাল অক্সফোর্ড মিশনে। কর্মজীবন থেকে ২০০৪ সালে অবসরে যাওয়া লুসি এখনও দুঃস্থ শিশুদের মানসিক বিকাশ ও ইংরেজি শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি শিশুদের জন্য তহবিলও সংগ্রহ করছেন।

  • লজ্জা থাকলে খালেদা আর দুর্নীতি করবে না- বরিশালে প্রধানমন্ত্রী

    লজ্জা থাকলে খালেদা আর দুর্নীতি করবে না- বরিশালে প্রধানমন্ত্রী

    শেখ সুমন :

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি দুর্নীতি করেছে। এতিমের টাকা চুরি করেছে। দেশের সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে, দুর্নীতি করে তাদের বিচার এভাবেই হয়।

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়া এতিমখানার নামে কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে বিএনপি। আজ তাদের সাজা হয়েছে। লজ্জা থাকলে ভবিষ্যতে আর দুর্নীতি করবে না খালেদা জিয়া।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে জনসভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    উপস্থিত ছিলেন জেবুন্নেসা আফরোজ(এম.পি),এ.কেেএম আউয়াল (এম.পি ),এ্যাড.ধিরেন্দ্র দেবনাথ ( এম.পি ),যুব মহিলালীগ সভাপতি অধ্যাপক নাজমা আক্তার, পংকজ দেবনাথ (এম.পি ),তালুকদার মো: ইউনুস ( এম.পি ),  আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তজাতিক সম্পাদক ড. শাম্মি আহম্মেদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক স.ম রেজাউল করীম, ত্রান ও পূনরবাসন সম্পাদক সুজিত রায়, আ.স.ম. বাহাউদ্দিন নাসিম ( এম.পি. ), আ.রহমান ( এম.পি ) , জাহাঙ্গীর কবির নানক (এম.পি ),মাহাবুবুল উলুম হানিফ ( এম.পি ),কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেনন  আমু, আওয়ামী লীগ এর সাধারন সম্বপাদক ওবায়দুল কাদের ( এম.পি ) সহ অন্য়ান্ন।

    দেশের চলমান উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, আজ দেশের সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের সুবাতাস বইছে। সেই উন্নয়নের ছোঁয়া বরিশাল ও দক্ষিণাঞ্চলের সর্বত্র লেগেছে। বরিশালে

    অনেক ব্রিজ-কালভার্ট ও সড়ক নির্মাণ করেছি আমরা। ভোলার গ্যাস পাইপ লাইনের মাধ্যমে বরিশালে নেয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের শতভাগ চাহিদা পূরণ করতে কাজ করছে সরকার। ২০২১ সালের মধ্যে দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাবে। প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া হবে। ভোলা থেকে উৎপাদিত গ্যাস বরিশালে নেয়া হবে।

    এর আগে বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা থেকে ৩৯ টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ৩৩টি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। সকালে পটুয়াখালীর লেবুখালী থেকে শেখ হাসিনা সেনানিবাস ছাড়াও ১৫টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। যেখানে ১৪টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ১টি ভিত্তিপ্রস্ত স্থাপন করেন তিনি।

  • মানুষ উন্নয়নের সুফল উপভোগ করছে

    মানুষ উন্নয়নের সুফল উপভোগ করছে

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের সরকার জনগণের সরকার। আমাদের লক্ষ্যই হল দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণ। ৯ বছরে আর্থ-সামাজিক প্রতিটি খাতে আমরা যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছি। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। মানুষ এখন উন্নয়নের সুফল উপভোগ করছে। দেশের অর্থনীতিকে আমরা শক্তিশালি করেছি। উন্নয়নের ৯০ ভাগ কাজই নিজস্ব অর্থায়নে করেছি। আজ বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালীতে পায়রা নদীর তীরে ‘শেখ হাসিনা সেনানিবাস’ উদ্বোধন ও ৭ পদাতিক ডিভিশন সদর দপ্তর এবং দুইটি বিগ্রেড সদর দপ্তরসহ ১১টি ইউনিটের বর্ণিল পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী এমপি গেইটে ফলক উম্মোচনের মাধ্যমে ‘শেখ হাসিনা সেনানিবাস’ পটুয়াখালীর ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং সেনাবাহিনীর ১৫টি ও পটুয়াখালীর ১টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর ফলক স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠান স্থলে পৌঁছালে তাকে রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করেন সেনাবাহিনীর একটি দল। পরে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সাথে কনফারেন্সে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    অনুষ্ঠানে মন্ত্রীপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, ৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. সাইফুল আলম, নৌ বাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল আবু এসরার ও সংসদ সদস্যবর্গ, সাবেক সেনাবাহিনী প্রধানগণ কুটনীতিকগণ এবং উচ্চ পর্যায়ের সামরিক ও বেসামরিক ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরো বলেন, বর্তমানে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হার ৭.২৮ শতাংশ। দারিদ্রের হার ২০০৫ সালের ৪১ শতাংশ থেকে কমে ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। মাথাপিছু আয় ২০০৫ সালের ৫৪৩ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৬১০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। একই সময়ে রপ্তানি আয় ও বিদেশ থেকে প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ তিনগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৯ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত পৌছেছে। চলতি অর্থ বছরে বৈদেশিক বিনিয়ােগে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। বিদ্যুত উৎপাদন সক্ষমতা এখন ১৬ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট। ৯০ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে। পারমানুবিক কেন্দ্র স্থাপন করছি।

    শেখ হাসিনা বলেন, স্বাস্থ সেবা আজ মানুষের দোর গোড়ায়। মানুষের গড় আয়ু বেড়ে হয়েছে ৭২ বছর। মেট্রোরেল, পায়রা বন্দর, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল এবং এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। খুব শিগগিরই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করা হবে।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করছি। ইতোমধ্যে পদ্মা সেতুর ৫০ ভাগ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এ সকল প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হবে। জনগণের জীবন-মান উন্নত হবে।
    শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের আগেই উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করব, ইনশাআল্লাহ।
    তিনি আরো বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই ডিভিশনের প্রত্যেক সদস্যের পেশাগত দক্ষতা ও কর্মচাঞ্চল্যে ৭ পদাতিক ডিভিশন একটি অনুকরণীয় ডিভিশনে পরিণত হবে। এই সেনানিবাস হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর এবং কার্যকর একটি সেনানিবাস।

    অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত অতিথিবৃন্দের সাথে প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • ঝালকাঠিতে প্রধানমন্ত্রীর পোস্টার ছিড়ে ফেলার নির্দেশ দিলেন ইউএনও- মারধর

    ঝালকাঠিতে প্রধানমন্ত্রীর পোস্টার ছিড়ে ফেলার নির্দেশ দিলেন ইউএনও- মারধর

    প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল আগমনের প্রচারণার পোস্টার লাগাতে গিয়ে ইউএনওর নিদের্শে মারধরের শিকার হয়েছেন এক স্কুল ছাত্র বলে জানা গেছে। ৫ ফেব্রুয়ারী রাত সাড়ে আটটার দিকে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে।

    নলছিটি মার্শ্চেন্টস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র সাব্বির হোসেন ইমনের বর্ননা মতে, সে ও তার বন্ধু আসিব শুভ মিলে প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল আগমনের পোস্টার লাগাতে উপজেলা পরিষদের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ভবনের কাছে যান। তখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফুল ইসলাম অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে ব্যাটমিন্টন খেলছিলেন।

    পোস্টার লাগাতে দেখে আশ্রাফুল ইসলাম তার অফিসের নাজিরকে ডেকে পোস্টার লাগাতে আসা ছেলেদের ধরতে বলেন। নির্দেশ পেয়ে নাজির নাজিম ইমন ও শুভকে ধরে লাথি ও থাপ্পর মেরে পোস্টারগুলো ছিনিয়ে নেয়।

    প্রতক্ষ্যদর্শীরা দাবী করেছে, এক পর্যায়ে ইমন ভয়ে কান্না জড়িত কন্ঠে জানায় সে প্রধানমন্ত্রীর পোস্টার লাগাতে এসেছিল। তখনো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফুল ইসলাম দেয়ালে কোন পোস্টারই লাগানো যাবে না বলে ধমকান।

    ওদিকে নাজির সেই পোস্টার নিয়ে ছিড়ে ফেলে সিঁড়ির নীচে ময়লার মধ্যে ফেলে রেখে দেয়।

    ঘটনার পর কাঁদতে কাঁদতে ইমন উপজেলা শ্রমিকলীগের অফিসে গিয়ে বিষয়টি অবহিত করে। তাৎক্ষণিক উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি পারভেজ হোসেন হান্নান, পৌর কাউন্সিলর তোফায়েল চন্দন ও শ্রমিক নেতা ফরিদ হোসেন এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে গিয়ে জানতে চান।

    তখন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তার কার্যালয়ের দেয়ালে ‘যে কারও’ পোস্টার লাগানো সম্পূর্ণ নিষেধ বলে সাফ জানিয়ে দেন বলে জানান শ্রমিকলীগের নেতারা। শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রচারণার পোস্টার ফেরত চাইলে নাজির নাজিম উদ্দিন সিঁড়ির নিচ থেকে ছিড়ে ফেলা পোস্টার এনে ফেরত দেন।

    বিষয়টি নিয়ে নলছিটিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হলে পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ীমী লীগের সভাপতি তছলিম উদ্দীন চৌধুরীর নেতৃত্বে রাত ১০টার দিকে পৌরসভায় জরুরী বৈঠকে সমঝোতা হয়। বৈঠকে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নাজিরের আচরণ দুঃখজনক হওয়ায় তাকে নলছিটি থেকে বদলী করা হবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    এ বিষয়ে উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি পারভেজ হোসেন হান্নান বলেন, পোস্টারটি কার ছিল তা না দেখায় এমন পরিস্তিতির সৃষ্টি হয়। পরে উপজেলা আ’লীগের সভাপতির মধ্যস্ততায় ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটেছে।

    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি আসলে ওভাবে না।

    তিনি দাবী করেন, দেয়ালে অনেকেই ওরসের পোস্টার লাগায়। আমরা ভেবেছিলাম সেসব পোস্টার। সেজন্য ছেলেটাকে পিঠে হাত রেখে বলে দেওয়া হয়েছে তোমরা চলে যাও। এখানে পোস্টার লাগানো যাবে না। আসলে আমরা কেউ জানতাম না ওটা প্রধানমন্ত্রীর জনসভার পোস্টার।

    আশ্রাফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি মেয়র মহোদয়ের উপস্থিতিতে সমাধান করা হয়েছে। এটা ভুলবোঝাবুঝি ছিল।

    শেষ পর্যন্ত কি প্রধানমন্ত্রীর জনসভার পোস্টার লাগাতে দেওয়া হয়েছিল_এমন প্রশ্নের জবাবে ইউএনও কোন জবাব দেননি। তিনি উল্টো অনুরোধ করেন, এমন ঘটনা বস্তুত সংবাদের বিষয় না। সংবাদ না প্রকাশের জন্য অনুরোধ করেন এই সরকারি কর্মকর্তা।

  • ঝালকাঠিতে একুশে টিভির জেলা প্রতিনিধি গ্রেফতার

    ঝালকাঠিতে একুশে টিভির জেলা প্রতিনিধি গ্রেফতার

    ঝালকাঠিতে একুশে টিভির জেলা প্রতিনিধি আজমির হোসেন তালুকদারকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঝালকাঠি থেকে প্রকাশিত দৈনিক শতকণ্ঠ সম্পাদককে নিয়ে ফেসবুকে মানহানিকর মন্তব্য করায় সম্পাদক জাহাঙ্গির হোসেন মন্জু বাদী হয়ে গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর এ মামলা করেন। এ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা মূলে ঝালকাঠি থানা পুলিশ মঙ্গলবার বিকেলে শহরের স্টেশন রোডস্থ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বছরের ২৫ আগস্ট একুশে টিভির জেলা প্রতিনিধি আজমির হোসেন তালুকদার তার ফেসবুকে বিজ্ঞপ্তি চাপা দিতে দেড় লাখ টাকা নিলেন এক সম্পাদক, ঝালকাঠি জেলা পরিষদের তিন কোটি টাকার ৫৩ গ্রুপ টেন্ডার গুছিয়ে নিতে তৎপর টেন্ডারবাজি সিন্ডিকেট’ শিরোনাম দিয়ে একটি লেখা পোস্ট করেন। লেখাটিতে তিনি বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদের মহাসচিব ও দৈনিক শতকণ্ঠ সম্পাদককে জড়িয়ে মানহানিকর মন্তব্য করেন।

    এ ঘটনায় দৈনিক শতকণ্ঠ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন মনজু বাদী হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় অভিযোগ এনে আজমির হোসেন তালুকদারের বিরুদ্ধে গত ৮ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠি থানায় একটি অভিযোগ দেন।
    অভিযোগটি পুলিশ ১০ দিনেও এজাহারভুক্ত না করায় ১৮ সেপ্টেম্বর জাহাঙ্গীর হোসেন মনজু বাদী হয়ে ঝালকাঠির সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আদালতে নালিশি অভিযোগ দায়ের করেন। বিচারক অভিযোগটি ঝালকাঠি থানার ওসিকে এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দিলে মামলাটি রেকর্ড করা হয়।

    মামলা দায়েরের পর উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন আজমির। আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আদালত তার নামে ওয়ারেন্ট জারি করেন।

    সদর থানা পুলিশের ওসি তাজুল ইসলাম জানান, আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) এর মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

  • বরিশালের ইতিহাসে বানারীপাড়া ডিগ্রী কলেজে প্রথম নারী অধ্যক্ষ আফরোজা বেগম

    বরিশালের ইতিহাসে বানারীপাড়া ডিগ্রী কলেজে প্রথম নারী অধ্যক্ষ আফরোজা বেগম

    বেগম রোকেয়া ও সুফিয়া কামালের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশজুড়ে নারী জাগরণের ধারাবাহিকতায় এবার বানারীপাড়া ডিগ্রী কলেজে নারী অধ্যক্ষ হিসেবে মোসাম্মৎ আফরোজা বেগম যোগদান করেছেন।

    রোববার তিনি শুধু বানারীপাড়ায় নয় গোটা বরিশালের ইতিহাসে ডিগ্রী কলেজে একমাত্র ও প্রথম নারী অধ্যক্ষ হিসেবে বানারীপাড়া ডিগ্রী কলেজে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগদান করেছেন।তার যোগদান উপলক্ষে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের প্রতিনিধি শিক্ষানুরাগী সদস্য বানারীপাড়া পৌরসভার মেয়র ও বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল সহ কলেজ গর্ভনিং বডির সদস্য ও শিক্ষক-কর্মচারী]বৃন্দ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেছেন।

    এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবু জাহের,শাহে আলম হাওলাদার,বিনোদ বিহারী হালদার ও বিউটি মজুমদার,প্রভাষক ও পৌর কাউন্সিলর এমাম হোসেন,প্রভাষক কামরুল হাসান ও গোলাম সরোয়ার,গর্ভনিং বডির শিক্ষানুরাগী সদস্য জাহিদ হোসেন জুয়েল,অভিভাবক সদস্য আলতাফ হোসেন,দিলীপ কুমার দাস শিবু ও আ. সালাম,পৌর আওয়ামীলীগের ক্রীড়া সম্পাদক রিপন বনিক,উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সুমম রায় সুমন,সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেবনাথ,স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক সুলতান হোসেন সিকদার,সৃজন বন্ধু সংঘের সভাপতি ডা. সাগর চন্দ্র শীল প্রমূখ।

    প্রসঙ্গত কলেজ গর্ভনিং বডির সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস এমপি, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য ওয়াহিদুজ্জামান চান,উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ গোলাম ফারুক,পৌরসভার মেয়র এ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা সম্পাদক এ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানার উপস্থিতিতে অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে ১২ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে মেধাবী মোসাম্মৎ আফরোজা বেগম অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

  • বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা- আসছে এসএসএফ

    বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা- আসছে এসএসএফ

    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হবে। মামলার রায়কে কেন্দ্র করে ৮ ফেব্রুয়ারি রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের শরিক দল। ওই দিনই বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুরো সফর-সূচি সাজানো হচ্ছে নিরাপত্তার ছক ধরে। সংশ্লিষ্ট ভেন্যুগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী ছাড়াও থাকছে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল। আশপাশে থাকবে প্রয়োজনীয় সংখ্যক র‌্যাব ও পুলিশ। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে দফায় দফায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বৈঠক।

    এদিকে রোববার প্রধানমন্ত্রীর আসার আগেই তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসএসএফ’র একটি দল বরিশালে এসে পৌঁছেছে। রোববার বেলা ১১টার দিকে নগরীর বান্দ রোড পুলিশ অফিসার্স মেসের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয়ে প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহানগর পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস এমপি, আওয়ামী লীগ নেতা মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. আবুল ফজল, সিভিল সার্জন ডা. মো. মনোয়ার হোসেন, গোয়েন্দা সংস্থার (ডিজিএফআই) সিইও কর্নেল শরিফুজ্জামান, বরিশাল র‌্যাব-৮ এর সিইও উইং কমান্ডার হাসান ইমন আল রাজিব প্রমুখ।

    মহানগর পুলিশের মুখপাত্র সহকারী কমিশনার মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, জনসভাস্থলসহ বরিশাল নগরীজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিপুল-সংখ্যক পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন থাকবে। যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধে নগরীর প্রত্যেকটি ছাত্রাবাস, মেস ও আবাসিক হোটেলগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    মহানগর পুলিশের মুখপাত্র সহকারী কমিশনার মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসএসএফ’র একটি দল রোববার বরিশালে এসে পৌঁছেছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে। সবকিছু মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বরিশালে।

    জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, হেলিকপ্টারযোগে ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পায়রা নদীর তীরে লেবুখালী এলাকায় অবতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে শেখ হাসিনা সেনানিবাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। সেখান থেকে হেলিকপ্টারযোগে বরিশাল স্টেডিয়ামে অবতরণ করবেন। এরপর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন।

    জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। নিরাপত্তার চাদরে মুড়িয়ে ফেলা হবে গোটা জেলা।

  • বরিশালে ৪২ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী- যোগ দেবেন আ.লীগের জনসভায়

    বরিশালে ৪২ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী- যোগ দেবেন আ.লীগের জনসভায়

    আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ( বৃহস্পতিবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরিশাল সফরকে ঘিরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সফরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এছাড়াও তিনি যোগ দেবেন আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায়।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরে উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তরে অপেক্ষমান অর্ধশতাধিক প্রকল্পের তালিকা বরিশাল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। এরমধ্যে এ পর্যন্ত ৪২টি উদ্বোধনযোগ্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও ৩৩টি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনযোগ্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প রয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আবুল কালাম আজাদ।

    তিনি জানান, সর্বোশেষ ৭৫টি প্রকল্পের তালিকা আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়েছি। যারমধ্যে উদ্বোধনযোগ্য ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনযোগ্য প্রকল্প রয়েছে। তবে যেকোনো সময় এগুলো পরিবর্তন হতে পারে। না হলে এগুলোই চূড়ান্ত। উদ্বোধনযোগ্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর একাডেমিক ভবন, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল একাডেমিক ভবন, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, বঙ্গবন্ধু হল, শেখ হাসিনা হল, শেরে বাংলা হল।

    বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের আওতাধীন সরকারি শিশু পরিবার বালিকা (দক্ষিণ) বরিশালের নিবাসীদের নব নির্মিত ডরমিটরি ভবন, বরিশাল সদরে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের আধুনিকায়ন ও শক্তিশালীকরণ শীর্ষক ভবন নির্মাণ প্রকল্প, বরিশাল বিভাগীয় ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি নির্মাণ প্রকল্প, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, বাবুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন (বি-টাইপ), মেহেন্দিগঞ্জ থানা কমপ্লেক্স ভবন।

    স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের আওতায় আগৈলঝাড়া, গৌরনদী, বাকেরগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, গৌরনদী উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, উজিরপুর উপজেলার হারতা-বানারীপাড়া বর্ডার রাস্তায় ২৮০ মিটার প্রি-স্ট্রেস গার্ডার ব্রিজ, বানারীপাড়া উপজেলাধীন চৌমোহনা জিসি-বানারীপাড়া হেড কোয়ার্টার ভায়া বিশারকান্দি, ওমারের পাড় রাস্তায় নান্দুগার নদীর ওপর ২৯০ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ, মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া-কালীগঞ্জ ব্রিজ।

    জেলা পরিষদের আওতাধীন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার দেশ রত্ন শেখ হাসিনা মহাবিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের আওতায় বরিশালে সদরে অবস্থিত ৩ হাজার মেট্রিক টন ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণাগার, ২ হাজার মেট্রিক টন ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন আলু বীজ হিমাগার। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের

    আওতাধীন বরিশাল নগরের রুপাতলী এলাকায় ১৬ এমএলডি শোধন ক্ষমতাসম্পন্ন সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, ৩১ শয্যা বিশিষ্ট মেহেন্দিগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস।

    শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের আওতাধীন শহীদ আরজু মনি ও শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পৃথক সাত তলা দু’টি একাডেমিক ভবন, বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, হিজলা ডিগ্রি কলেজের ৪ তলা একাডেমিক ভবন, হিজলার সংহতি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া মোজাফ্ফর খান ডিগ্রি কলেজের চারতলা একাডেমিক ভবন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আওতায় বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়াম ভবন। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের আওতায় বরিশাল সদরের কড়াপুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের উদ্ভোধন করা হবে। এর বাহিরে পাঁচটি প্রকল্পের নাম এখনো জানা যায়নি।

    অপরদিকে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনযোগ্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের আওতাধীন বরিশাল পুলিশ সুপার (এসপি) অফিস নির্মাণ, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স নির্মাণ, নারী কারারক্ষীদের বাসভবন নির্মাণ, বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় নির্মাণ, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতর ভবন, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট নির্মাণ, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) নির্মাণ, মুলাদী থানা ভবন নির্মাণ, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন নার্সিং হোস্টেল নির্মাণ প্রকল্প।

  • ৩২ ধারা বাতিলের দাবীতে বরিশালে বাসদের মানববন্ধন

    ৩২ ধারা বাতিলের দাবীতে বরিশালে বাসদের মানববন্ধন

    স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল:

    ডিজিটাল আইনের নামে বাক স্বাধীনতা হরনে ৫৭ ধারার আদলে প্রনীত ৩২ ধারা বাতিলের দাবীতে বরিশালে মানববন্ধন করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ। সংগঠনের বরিশাল জেলা শাখার উদ্যোগে রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনের সড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    জেলা বাসদের আহ্বায়ক ইমরান হাবিব রুমনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা বাসদের সদস্য সচিব ডা. মনিষা চক্রবর্তী, বদরুদ্দোজা সৈকত, জেলা ছাত্রফ্রন্টের সদস্য সচিব সন্তু মিত্র, জেলা মহিলা ফোরামের সভাপতি জহুরা প্রমুখ। বক্তারা ৫৭ ধারার আদলে প্রনীত ৩২ ধারা বাতিল করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

  • বরিশালে অগ্নিকান্ডে দু’টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভস্মিভুত

    বরিশালে অগ্নিকান্ডে দু’টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভস্মিভুত

    স্টাফ রিপোর্টার:

    বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার দক্ষিণ মোল্লাপাড়া এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দুটি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভস্মিভুত হয়েছে। এতে প্রায় ছয় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    জানা গেছে, দক্ষিণ মোল্লাপাড়া এলাকার এনজিও ব্রেভ অফিসের সামনে স্থানীয় কামাল হাওলাদার মুদি ব্যবসা ও হাবিবুর রহমান হাওলাদারের কম্পিউটার এবং লাইব্রেরীর দোকানে শনিবার গভীর রাতে রহস্যজনকভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহুর্তের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দুটি সম্পূর্ণ ভস্মিভুত হয়। খবর পেয়ে রবিবার ভোরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।