Category: বরিশাল

  • বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাবের ৭ম বর্ষপূর্তি শোভাযাত্রা ও রক্ত ক্রয় বিক্রয় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

    বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাবের ৭ম বর্ষপূর্তি শোভাযাত্রা ও রক্ত ক্রয় বিক্রয় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

    তানজীল শুভ:

    ‘যা কিছু ভালো বিবিডিসি’ এ শ্লোগানে ২০১২ ইং সনের ৩১ জানুয়ারি বরিশালে প্রতিষ্ঠালাভ করে ‘বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাব’। বিনামূল্যে এবং সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে এক ঝাঁক তরুনের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে উঠা এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অধ্যাবদি প্রায় ২৫,০০০ ( পঁচিশ হাজার) ব্যাগ রক্তদান করেছেন বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঢাকা ও কলাপাড়ার বিভিন্ন হসপিটাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন মানুষদের।

    ৭ বছরের এ যাত্রায় ‘বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাব’ গড়েছে প্রায় পঁচিশ হাজার স্বেচ্ছা রক্তদাতার সুসংগঠিত ডোনার পুল। যাদের মধ্যে অর্ধেকই নিয়মিত রক্তদাতা এবং অঙ্গীকার করেছেন আজীবন রক্তদানে। আজ বুধবার বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে । সকাল ১০:০০ টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যান থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মহাত্বা অশ্বিনী কুমার টাউন হলে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিবিডিসির সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক, বিভিন্ন সংগঠনের শুভাকাঙ্খীসহ গনমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেয়।

    শোভাযাত্রা শেষে মহাত্বা অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে কেক কেটে বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাবের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। পরবর্তীতে রক্ত ক্রয় বিক্রয় বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বরিশালের স্বেচ্ছাসেবী। রক্তদানের পাশাপাশি, বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপ ক্যাম্পেইন, বন্যাদুর্গতের জন্য সাহায্য উত্তোলন, শীতার্থদের শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরন, ঈদে অসহায়দের নতুন জামা প্রদান, দুস্থ ও অসহায়দের জন্য নগদ টাকা বিতরনসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক ও মানবিক কাজ করে অত্র সংগঠন বরিশাল বিভাগ ব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি লাভসহ বরিশালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা মুমূর্ষু রোগীদের ভরসার প্রতীক হিসেবে নিজেদের দাড় করিয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সংগঠনের সভাপতি আওলাদ খান প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে জানান, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ নির্নয় ও নতুন রক্ত দাতা সৃষ্টিতে বিভিন্ন ব্যক্তিকে উদ্বুদ্ধ করণের জন্য ‘বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাব’ কাজ করে যাচ্ছে। একজন সুস্থ মানুষকে প্রতি তিন মাস অন্তর রক্ত দানে উৎসাহ প্রদানের জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে সচেতনা সৃষ্টি করা হয়ে থাকে। প্রয়োজনের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের রক্তদাতারা স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে রক্ত সরবরাহ করেন। এই রক্তের সূত্রে মানুষে-মানুষে আত্মিক বন্ধন গড়ে তোলাতেই ‘বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাব’ এর সার্থকতা।

  • বরিশালে বিদ্যালয়ে শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বিষয়ক প্রতিবেদন দিলো ওয়াল্ড ভিশন

    বরিশালে বিদ্যালয়ে শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বিষয়ক প্রতিবেদন দিলো ওয়াল্ড ভিশন

    বরিশালে বিদ্যালয়ে শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বিষয়ক প্রতিবেদন দিলো ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশ বরিশাল এপিসি।বুধবার সকাল ১১টার সময় বরিশাল জেলা প্রশাশক সম্মেলন কক্ষে েএই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল জেলার জেলা প্রশাসক মো:হাবিবুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল সেন্ট্রাল চাইল্ড ফোরামের সম্পাদক ও বরিশাল সেন্ট্রাল চাইল্ড ফোরামের সভাপতি মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো:আরিফ বিল্লাহ, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা পঙ্কজ রায় চৌধুরী এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নারী বিষয়ক কর্মকর্তা,সরকারি উর্ধতর কর্মকর্তা বৃন্দ,সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর মাকসুদা আক্তার মিতু,প্লান ইন্টারন্যাশনাল এর প্রতিনিধি,বিভিন্ন এনজিও এর প্রতিনিধি,ধর্মীয় প্রতিনিধি,শিক্ষক প্রতিনিধি,বরিশাল উপজেলার ইএনও,ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশের কর্মকর্তা,ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশের বরিশাল, কোটালিপাড়া,মোরলগঞ্জ,আসাশুনি,ভান্ডারিয়া ও পিরোজপুর এপি এর কর্মকর্তা ও শিশু প্রতিনিধি।

  • সরকারি বরিশাল মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজের ১১তম বার্ষিক ক্রীয়া প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরন অনুষ্ঠান উৎযাপিত

    সরকারি বরিশাল মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজের ১১তম বার্ষিক ক্রীয়া প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরন অনুষ্ঠান উৎযাপিত

    কলেজ প্রতিবেদকঃ

    বরিশাল মাহানগরের অন্যতম বিদ্যাপীঠ বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ। আজ এই প্রতিষ্ঠানে উৎসাহ,উচ্ছাস ও উদ্দীপনার সাথে পালিত হয়ে গেল ১১তম বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার(অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোঃ শহিদুজ্জামান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান। উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মেজর ড. সিরাজুল ইসলাম উকিল অধ্যক্ষ, সরকারি বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ।

    সকাল ১০টা ৫মিঃ এ পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত ও গীতা থেকে পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। পরবর্তীতে জাতীয় সংগীত পরিবেশ এবং ক্রীয়াবিদদের মার্চপাস্ট হয়। তারপর সভাপতি স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং তিনি সকলকে লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রিয়া ও সহ-শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বলেন। তারপর সকাল ১০.৪০মি এ বেলুন উড্ডয়ন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উরিয়ে ক্রীয়া অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন। তারপর মনজ্ঞ ডিসপ্লে এবং গ্রুপভিত্তিক উল্লখযোগ্য ক্রীয়া নৈপুন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রদর্শন করে। পরবর্তীতে পুরুষ্কার বিতরনী ও সভাপথির সমাপনী বক্তব্যের দ্বারা অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোসনা করা হয়।

  • বরিশালে ইয়াবাসহ ৪ তরুণী আটক

    বরিশালে ইয়াবাসহ ৪ তরুণী আটক

    বরিশাল নগরীর হাসপাতাল রোড সংলগ্ন এলাকা থেকে ইয়াবাসহ ৪ তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ওই এলাকার মায়া কানন নামে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

    আটকদের মধ্যে একজন স্কুলছাত্রী। বাকি তিনজন স্থানীয় বাসিন্দা।

    বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরাফাত হাসান জানান, আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে।

  • বরিশালে খুন ও গুমের ১১ বছর পর মা-মেয়েকে চরমোনাই থেকে উদ্ধার

    বরিশালে খুন ও গুমের ১১ বছর পর মা-মেয়েকে চরমোনাই থেকে উদ্ধার

    খুন ও গুমের অভিযোগে দায়ের করা মামলার ১১ বছর পরে মা-মেয়েকে উদ্ধার করেছে সর্বোচ্চ তদন্ত সংস্থা সিআইডি।

    মঙ্গলবার বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ইছাগুড়া গ্রাম থেকে ১১ বছর ধরে নিখোঁজ জোৎসনা বেগম ও তার মেয়ে জিবাকে উদ্ধার করা হয়। মামলা সূত্রে জানা যায়, যৌতুকের দাবীতে জোৎসনা বেগমকে বিভিন্ন সময় মারধর করত তার স্বামী বরিশাল সদর উপজেলার ৪নং শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের আ: রশীদ মুন্সীর ছেলে মো: আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সী। সর্বশেষ ২০০৭ সালের ৯ই জুলাই জোৎসনা বেগমকে পুনরায় যৌতুকের দাবীতে পুনরায় মারধর করে তাকে বেহুশ করে ফেলা হয়। সেই থেকেই জোৎসনা বেগম ও তার মেয়ে জিবার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় জোৎসনা বেগমের ভাই সরোয়ার খান বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় ২০০৭ সালের ৩১ জুলাই জোৎসনা বেগমের স্বামী আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সীসহ ৬ জনকে নামধারী আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

    মামলাটি এতদিন বরিশাল আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীণ ছিল। মামলার অন্যান্য আসামীরা হল, শহীদ মুন্সী, ইউনুছ মুন্সী, সালেমা বেগম, আসমা বেগম ও জাহেদা বেগম। যাদের সবার ঠিকানা কোতয়ালী মডেল থানাধীণ শায়েস্তাবাদের চরআইচায়। মামলা সূত্রে জানা যায়, মামলা দায়েরের প্রায় ৯ বছর পূর্বে আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সীর সাথে কোতয়ালী মডেল থানাধীন এলাকার মৃত ওয়াজেদ আলী খানের মেয়ে জোৎসনা বেগমের বিবাহ হয়। তখন জোৎসনা বেগমের স্বামী শায়েস্তাবাদ হায়াৎসর মসজিদে ইমামতি করতেন। এরই মধ্যে জোৎসনার স্বামী তার ভাইকে মালেশিয়া পাঠানোর জন্য জোৎসনার কাছে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে। তখন সে তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে এবং তার মেয়েকে মারধর করে পিত্রালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে মীমাংসার মধ্যে দিয়ে জোৎসনা ও তার মেয়েকে পুনরায় ফিরিয়ে নেয় আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সী। সর্বশেষ ২০০৭ সালের ৯ই জুলাই সন্ধ্যা ৮টার দিকে মামলার বিবাদীরা পুনরায় ১ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য তার মুখ বেঁধে বেধরক মারধর করে। এতে জোৎসনা বেহুশ হয়ে পড়লে তার মেয়ে জিবার ডাকচিৎকারে বিষয়টি সকলেই টের পায়।

    পরেরদিন জোৎসনার ভাই সরোয়ার খান বোনের শ্বশুড় বাড়ি গিয়ে ১ থেকে ৬নং বিবাদীদের উপস্থিত পেয়ে তার বোন এবং ভাগ্নির কথা জিজ্ঞাসা করলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এছাড়া দায়ের করা মামলায় জোৎসনা বেগম ও তার মেয়ে জিবাকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলার অভিযোগ আনেন জোৎসনা বেগমের ভাই সরোয়ার খান। মামলাটির প্রথম পর্যায়ে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের এসআই মাহাবুবুর রহমানকে। তিনি আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সী ও তার ভাই শহীদ মুন্সীকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলাটি বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য এলে মামলার মূল উপাদান বা ভিকটিম না পাওয়ায় আদালতের বিচারকের কাছ থেকে মামলাটি চলতি বছরের ৩ই জানুয়ারী অধিক তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে নির্দেশ আসে। বিষয়টি তদন্তের পর সিআইডি বরিশালের পুলিশ পরিদর্শক মো: ফরিদুজ্জামান মূল ভিকটিম জোৎসনা বেগম ও বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষার্থী তার মেয়ে জিবাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

  • খালেদা জিয়ার সাজা নিশ্চিত- পটুয়াখালীতে নৌমন্ত্রী

    খালেদা জিয়ার সাজা নিশ্চিত- পটুয়াখালীতে নৌমন্ত্রী

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় প্রসঙ্গে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, বিএনপির অভিজ্ঞ আইনজীবীরা মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে জেনে গেছেন খালেদা জিয়ার সাজা নিশ্চিত। কেয়ারটেকার সরকারের আমলে করা মামলায় আদালত রায় দেবে। এখানে সরকারের কিছু নেই।

    রোববার পটুয়াখালীতে পায়রা সমুদ্র বন্দরের সার্ভিস জেটি নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ওয়ার হাউসের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    নৌমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলার মানুষ বুঝে গেছে দুর্নীতি মামলার রায়ে খালেদা জিয়ার সাজা হবে। এ কারণে বিএনপি বলছে সরকার মামলার রায় আগে থেকে নির্ধারণ করে রেখেছে। তবে বিএনপির এ কথার কোনো ভিত্তি নেই। এর আগে বন্দর সংশ্লিষ্ঠদের সঙ্গে নিয়ে ২১ কোটি ৩৮ লাখ ৮৫ হাজার ২৬৯ টাকা ব্যয়ে ৮০ মিটার দীর্ঘ একটি সার্ভিস জেটি নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর এবং ২০ কোটি ৯৭ লাখ ৮৯ হাজার ৭৩২ টাকা ব্যয়ে ১ লাখ বর্গফুট আয়তনের ওয়ার হাউসের শুভ উদ্বোধন করেন নৌমন্ত্রী।

    এছাড়াও প্রশাসনিক ভবন, শেখ হাসিনা ফোর লেন সড়কসহ পায়রা বন্দরের চলমান বিভিন্ন নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলমসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন- সভাপতি শাজাহান সম্পাদক নুরুন্নবী

    ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন- সভাপতি শাজাহান সম্পাদক নুরুন্নবী

    ঐতিহ্যবাহী ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের ওবায়েদুর রহমান শাজাহান। আর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলে নুরুল আলম নুরুন্নবী।

    সভাপতিসহ ৫টি পদে বিএনপি প্যানেল থেকে ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৮টি পদে আওয়ামী লীগ প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়েছে। সহ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্যানেলের মো. শাজাহান, তার সঙ্গে নির্বাচিত হয়েছেন একই প্যানেলের মোহাম্মদ লিয়াকত। কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের মোহাম্মদ মসিউর রহমান মুরাদ, যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলে আলাউদ্দিন টিটু এবং বিএনপি সমর্থিত প্যানেলে মোহাম্মদ কাওছার। ধর্ম ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক পদে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের মহিউদ্দিন। পাঠাগার সম্পাদক দুটি পদেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলের মেজবাহুল আলম এবং মুশফিকুর রহমান বাবু নির্বাচিত হন।

    নির্বাহী সম্পাদক পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলে আবুল কাশেম, কার্তিক চন্দ্র সাহা এবং বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের মাহাবুবুল ইসলাম। শনিবার ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির দক্ষিণ ভবনে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন প্রথম যুগ্ম জেলা জজ হাবিবা মণ্ডল ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার ছিলেন সহকারি জজ সাদিক আহমেদ। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. এনামুল করিম। ফলাফল ঘোষণাকালে সিনিয়র সহকারি জজ কামাল হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. শহিদুল্লাহ এবং সহকারি নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কৃষ্ণ পদ দে ও মো. ইউসুফ।

  • প্রধানমন্ত্রী বরিশালে আগমন উপলক্ষে যুবলীগের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

    প্রধানমন্ত্রী বরিশালে আগমন উপলক্ষে যুবলীগের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরিশাল সফর সফল করার লক্ষ্যে বরিশালে বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা করেছে যুবলীগ।  রবিবার বিকেল ৪টায় নগরীর বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়কের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তারা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারী প্রধানমন্ত্রীর জনসভা স্থল বরিশালের বঙ্গবন্ধু উদ্দ্যান জন সমুদ্রে পরিণত করার আহবান জানান। একই সাথে শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে যুবলীগের সকল নেতাকমীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা যুবলীগের সভাপতি জাকির হোসেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। এসময় অন্নান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগ এর সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ প্রমুখ। বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল ইসলাম নিজাম সহ প্রতিনিধি সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা মাহাবুব উদ্দিন বীরবিক্রম, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুচ এমপি, সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ প্রমূখ। এছাড়াও বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার যুবলীগের নেতাকর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশালে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

    বরিশাল নগরী এবং উজিরপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২জন নিহত হয়েছে। শুক্রবার সকালে নগরীর নতুন বাজার এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয় প্রবীণ শিক্ষক বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (৬৫) এবং গত বৃহস্পতিবার রাতে উজিরপুরে নিহত হয় স্কুল ছাত্রী ফাতেমা আক্তার (১১)।

    বিশ্বনাথ নগরীর অমৃত লাল দে সড়কের ঝাউতলা প্রথম গলি এলাকার বাসিন্দা। সে কোন স্কুলের শিক্ষক না হলেও প্রাইভেট পড়িয়ে নগরীতে সুনাম কুড়িয়েছেন।

    বিশ্বনাথের পারিবারিক সূত্র থেকে জানায়, শুক্রবার সকালে নতুনবাজার সংলগ্ন সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সার ধাক্কায় বিশ্বনাথ গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    শেরেবাংলা মেডিকেলের জরুরী বিভাগের ডা. দাস রনবীর তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে পঞ্চমতলার সার্জারি ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাতে উজিরপুরের মূলপাইন এলাকায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক উল্টে নিহত ফাতেমা স্থানীয় শের-ই বাংলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ও উজিরপুর পৌর এলাকার বাসিন্দা রহমান সেরনিয়াবাতের মেয়ে।

    স্থানীয়রা জানায়, উজিরপুরের বড়কোঠায় কুলখানীর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে নিজেদের ইজিবাইকে বাড়িতে ফিরছিলেন বাবা ও মেয়ে। দুর্ঘটনাকবলিত স্থান অতিক্রমকালে যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেলে ফাতেমা গুরুতর আহত হয়। তাকে বরিশাল মেডিকেলে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফাতেমা মারা যায়।

  • মেয়র নির্বাচনের দলীয় প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই সাদিক আবদুল্লাহকে : নগরবাসীর মুখে একটাই কথা

    মেয়র নির্বাচনের দলীয় প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই সাদিক আবদুল্লাহকে : নগরবাসীর মুখে একটাই কথা

    শেখ সুমন :

    বরিশাল মেয়র নির্বাচনের বেশি দিন বাকি না থাকলেও তবে কাকে নগর পিতা বানাবে এনিয়ে ভাবতে বাধানেই কারো। একের পর এক মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বরিশাল জেলা আ’লীগ সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র -এমপি’র ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ।

    মেয়র নির্বাচন আসতে না আসতেই নগরীতে সবার মুখে মুখেই শোনা যায় আগামীর নগর পিতা সাদিক আবদুল্লাহ। বয়সে তরুণ হলেও রাজনীতিতে যেন মহা নায়ক। যেমন রাজনীতির কৌশল তেমন জনগণের ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্যতার কৌশল ঠিক যেন এক বরিশালের উন্নয়নের আরেক নক্ষত্র তিনি। অল্প দিনেই রাজনৈতিক যোগ্যতা অনুযায়ী গতবছরে নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয় সাদিক আবদুল্লাহ।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ যে একজন যোগ্য বা দক্ষ নেতা তা নেতৃত্বের মাধ্যমে ইতোমধ্যে প্রমাণ দিয়েছেন।মহানগর আওয়ামীলীগ এর সহযোগী সকল সংগঠন এর তৃনমুল নেতাকর্মীরা সাদিক আবদুল্লাহ,র নেতৃত্বে এখন শক্তিশালী অবস্থান এ ।মাসব্যাপী ৩০টি ওয়ার্ড এর সকল তৃনমুল নেতাকর্মীর সাথে পর্যায়ক্রমে কর্মিসভা এবং সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম সম্পাদন করে নেতাকর্মীর মাঝে নিজের অবস্থান দৃঢ় করেছেন ।

    ফলে বরিশাল আওয়ামীলীগ যে আগের থেকে এখন অনেক শক্তিশালি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যে বিষয়টি খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অবগত রয়েছেন। এই বিশেষ কারণে সাদিকের তুখোর নেতৃত্বের বিষয়টি নিয়ে হাইকমান্ডে প্রায়শই আলোচনা শোনা যায়।

    ইতিমধ্যে বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ ও ৩০টি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক বৃন্দ সকলের সর্বসম্মতিক্রমে রেজুলেশন এর মাধ্যমে সাদিক আবদুল্লাহ কে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন এর জন্য কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ এর বরাবর আবেদন পাঠিয়েছেন ।

    তার রাজনৈতিক দক্ষতা আর ভালবাসা দেখে নগরবাসীর মুখে একটাই কথা আগামী মেয়র নির্বাচনের দলীয় প্রার্থী হিসেব দেখতে চাই সাদিক আবদুল্লাহকে।