Category: বরিশাল

  • “হিজলা উপজেলায় গণসংহতি আন্দোলনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত”

    “হিজলা উপজেলায় গণসংহতি আন্দোলনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত”

    হুজাইফা রহমান:

    আজ ১ লা ডিসেম্বর ২০১৭, শুক্রবার বিকাল ০৪ টায় উপজেলার মধ্য বায়ৈশিয়া মাদ্রাসা মাঠে গণসংহতি আন্দোলন হিজলা উপজেলা শাখার আহবায়ক জননেতা হান্নান হোসেনের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলা শাখার সংগ্রামী আহবায়ক জননেতা দেওয়ান আঃ রশিদ নীলু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা শাখার সদস্য সচিব জননেতা হারুনুর রশীদ মাহমুদ, কুমিল্লা জেলার সংগ্রামী আহবায়ক জননেতা ইমরাদ জুলকারনাইন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেওয়ান আঃ রশিদ নীলু বলেন, “মুক্তিযুদ্ধে জনগণের আকাঙ্খার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষে জোট-মহাজোটের বাহিরে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলতে হবে।” বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন বরিশাল জেলা শাখার আহবায়ক ছাত্রনেতা নবীন আহমেদের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা জেলার সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান লিটন, যুবায়ের জোবেন, হিজলা উপজেলার যুগ্ম আহবায়ক আকতার হোসেন, আঃ কুদ্দুস রাঢ়ীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতাকর্মীরা গণসংহতি আন্দোলন এর সাংগঠনিক মাসের আহবানে পরিবর্তনের শপথ নিয়ে জনগণের দল হিসেবে গণসংহতি আন্দোলনকে আরো শক্তিশালী করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • সচেতনতামূলক কাজ করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “সোসাল কেয়ার এ্যান্ড কেরিয়ার ফাউন্ডেশন” ( এসসিসিএফ)

    সচেতনতামূলক কাজ করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “সোসাল কেয়ার এ্যান্ড কেরিয়ার ফাউন্ডেশন” ( এসসিসিএফ)

    জাওয়াদুর রহমান সৃজন ॥ 

    শিক্ষার হার বৃদ্ধি, বাল্যবিবাহ ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসসহ বর্তমান সরকারের নানামুখী কর্মকান্ডকে আরো বেগবান করতে কাজ করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “সোসাল কেয়ার এ্যান্ড কেরিয়ার ফাউন্ডেশন” ( এসসিসিএফ)।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কিছু মেধাবী তরুনদের সমন্বয়ে গঠন করা এই সংগঠনটি ইতিমধ্যে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল গুলোতে কাজ করা শুরু করেছে। তারা বিভিন্ন স্কুল কলেজে  ”এডু টক্স” এবং গ্রাম গুলোতে  ”আমাদের কথা” নামে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে গ্রামীন মানুষদের তথ্য ও সচেতনতা মূলক বার্তা পৌছে দিচ্ছে।

    আর এই সকল কর্মকান্ডের  ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বিকেলে জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার মধ্য ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামের ফকির বাড়িতে শিশু, নারী-পুরুষদের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত হয়  ”আমাদের কথা” শিরোনামে একটি প্রানবন্ত উঠান বৈঠক ।


    উঠান বৈঠকটি পরিচালনা করেন সংগঠনটির সহ-সাধারন সম্পাদক নিয়াজ হাসান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফজলে রাব্বি রকি, গোলাম রাব্বানী, রুমি প্রমুখ।

    উঠান বৈঠকে শিক্ষা, স্বাস্থ ও পুষ্টি, নারি ও শিশু অধিকার, বাল্যবিবাহ প্রতিকার সহ বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া বৈঠকে আলোচ্য বিষয়ের উপর অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। পরে প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদেরকে পুরষ্কৃত করা হয়।

    এদিকে সংগঠনটির কার্যক্রম সম্পর্কে সংগঠনটির সহ-সাধারন সম্পাদক নিয়াজ হাসান জানান, প্রতি সপ্তাহেই আমরা এই ধরনের উঠান বৈঠক এবং সেমিনারের আয়োজন করে থাকি। যার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে গ্রামীণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পাশাপাশি একটি সুন্দর শিক্ষিত ও আদর্শিক সমাজ গড়ে তোলা।”

    সংগঠনটির বর্তমান সভাপতি ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান মো: ইব্রাহিম মোল্লা বলেন,  সমাজের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমাদের এই প্রয়াস। মানুষকে অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে আলোতে নিয়ে আশাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য আর একে সামনে রেখেই আমরা এগিয়ে যেতে চাই।

  • বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি,বরিশাল কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্

    বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি,বরিশাল কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্

    শেখ সুমন

    ১লা ডিসেম্বর ২০১৭,বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি,বরিশাল কমিটির ত্রিবার্ষিক সাধারন সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচন এর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এডঃএকেএমজাহাঙ্গীর দায়িত্ত্ব পালন কলেন। উক্ত নির্বাচনে  সভাপতি পদে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাইদুল ইসলাম,ভাইস চেয়ারম্যান পদে যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্, সাধারন সম্পাদক পদে এ্যাডঃহেমায়েত উদ্দিন আহম্মেদ ,ও সদস্য পদে মোসা: নিমু  বেগম , ফোরকান হোসেন ইকবাল,  এ্যাডঃরফিকুল ইসলাম খোকন, আলমগীর কবির আলো, মিনু রহমান নিবৃাচিত হন।

    প্রথম সেশন এ সাধারন সভা মধ্যান্য ভোজ,তার পর ২য় সেশন এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সকল সদস্য ,স্বেচ্ছাসেবক ও সুশিল সমাজ এবং সাংবাদিক বৃন্দ এর উপস্থিতিতেই নির্বাচন এর মাধ্যমে নতুন কমিটি ঘোষনা করেন।
  • বরিশালে যুবদল-ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ- পুলিশের বাধা

    বরিশালে যুবদল-ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ- পুলিশের বাধা

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালতে দু’টি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবদল-ছাত্রদল পৃথক পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা ও মহানগর যুবদল-ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয় থেকে নগরে মিছিল করতে চাইলে পুলিশের বাধায় তা পণ্ড হয়ে যায়। পরে নগরের সিঅ্যান্ডবি রোডে জেলা ছাত্রদলের ব্যানারে ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। শুক্রবার (০১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় বরিশাল নগরের সদররোডস্থ বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুর রহমান মুন্না, মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন, যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম রনি, আরিফুল ইসলাম জনি প্রমুখ।  সমাবশে শেষে দলীয় কার্যালয় থেকে নেতা-কর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে সদররোডে যেতে চাইলে অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে পুলিশ তা আটকে দেয়। পরে নেতা-কর্মীরা বাধার মুখে দলীয় কার্যালয়ে ফিরে যায়। এরআগে শুক্রবার সকাল ১১টায় বরিশাল নগরের সদররোডস্থ বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৃথক কর্মসূচি পালন করে জেলা ও মহানগর যুবদল বিক্ষোভ সমাবেশ করে। মহানগর যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট আক্তারুজ্জামান শামীমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি কামরুল হাসান রতন, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন প্রমুখ। সমাবশে শেষে দলীয় কার্যালয় থেকে নেতা-কর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে সদররোডে যেতে চাইলে অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে পুলিশ তা আটকে দেয়। এদিকে একইস্থানে জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট পারভেজ আকন বিপ্লবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এএইচএম তসলিমউদ্দিন সহ অন্যান্যরা। সমাবেশ শেষে জেলা যুবদলও মিছিল বের করতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ নিয়ে বাদানুবাদ হলেও পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করতে পারেনি নেতা-কর্মীরা। এদিকে যুবদলের কর্মসূচিকে কেন্দ্রে করে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিএনপি অফিসের আশপাশে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে বেলা ১২টার দিকে জেলা ছাত্রদল নেতা সোহেল রাঢ়ী’র নেতৃত্বে নগরের ফরাজী ওয়াকশপ সংলগ্ন সিঅ্যান্ডবি রোডে ঝটিকা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

  • ২রা ডিসেম্বরের পোগ্রাম ৩রা ডিসেম্বর

    ২রা ডিসেম্বরের পোগ্রাম ৩রা ডিসেম্বর

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের  এক আলোচনায় সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যে আগামী ২রা ডিসেম্বর পারবত্য শান্তিচুক্তি  উপলখ্যে যে অনুষ্ঠান ও র‌্যালীর আয়োযন করার  কথা ছিল তা পরিবর্তন করা হয়েছে । কারন ২তারিখ ১২ই রবিউল আউয়াল ।এই দিন মুসলিমদের কাছে একটি স্বরনয়ি দিন।এই  জন্য তারিখপরির্তন করা হয়েছে। একই সভায় বরিশাল আওয়ামীলীগ এর যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ বরেন ওই রেলিটি ২তারিক না হয়ে ৩রা ডিসেম্বর তারিখে করা হবে।

  • বরিশালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অক্টোবর বিপ্লব বার্ষিকী উদযাপন

    বরিশালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অক্টোবর বিপ্লব বার্ষিকী উদযাপন

    হুজাইফা রহমান:

    বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরিশালে উদযাপন করা হলো মহান অক্টোবর বিপ্লবের শতবর্ষ। বুধবার (২৯ নভেম্বর) বিকেল তিনটা থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই কর্মসূচির মধ্যে ছিলো লাল পতাকা মিছিল, সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সমাবেশে বরিশাল ছাড়াও বাম রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।

    অক্টোবর বিপ্লব শতবর্ষ উদযাপন কমিটি বরিশাল জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কমিটির বরিশালের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ কে আজাদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য কমরেড অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক কমরেড রুহিন হোসেন প্রিন্স, সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ, সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় কার্য পরিচালনা কমিটির সদস্য কমরেড সাইফুজ্জামান সাকন, গণসংহতি আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

    এর আগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী বরিশাল জেলা সংসদ ও চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’র শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এরপর শহরের টাউন হল চত্বর থেকে একটি লাল পতাকা মিছিল বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে।

  • বরিশাল জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা এবং আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান

    বরিশাল জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা এবং আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান

    নুরই মাহাবুব

    যে হাতে আজ ধরেছি ফুলের তোড়া, ঐ হাতে রাখবনা আর মাদক আমরা”এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আজ ২৯ নভেম্বর ১৭ খ্রিঃ তারিখ, বরিশাল জেলা পুলিশের উদ্যোগে জেলা পু্লিশ লাইন্স মাঠে কমিউনিটি পুলিশিং, বিট পুলিশিং ও মাদক বিরোধী আলোচনা এবং আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বরিশাল জেলার ১০ টি থানা এলাকার ১২৮ জন মাদক সেবনকারী এবং মাদক ব্যবসায়ী গন আজকের অনুষ্ঠানে আত্মসমার্পন করেন। শপথ গ্রহনের মাধ্যমে তারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আর কোনদিন মাদক সেবন এবং ব্যবসা করবেন না। সুস্থ্য স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অঙ্গিকারে জেলা পুলিশের অর্থায়নে তাদেরকে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়। যেন তারা কর্মের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে তাদের অবহেলিত জীবনকে। জনাব সাইফুল ইসলাম-বিপিএম, পু্লিশ সুপার বরিশাল জেলা এর সভাপতিত্বে আলোচনার সভার প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিপিএম, ডিআইজি, বরিশাল রেঞ্জ, গেস্ট অব অনার জনাব সৈয়দ এনায়েত হোসেন,সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, বরিশাল,বিশেষ অতিথি জনাব হাবিবুর রহমান, জেলা প্রসাশক, বরিশাল। আলোচনা সভায় অত্র জেলার সকল পৌর মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, সাংবাদিক, সর্বস্তরের জনগন সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহন করেন।

  • প্রতারকদের ফাদে পরে ছিনতাইয়ের স্বিকার

    প্রতারকদের ফাদে পরে ছিনতাইয়ের স্বিকার

    কাজী সাইফুল

    গত ২৬ নভেম্বর রবিবার দুপুর আনুমানিক ১ টার সময় বরিশাল নগরীর বাংলাবাজার এলাকা থেকে দুই প্রতারক রাবিনা আক্তার মীম নামের একজন গৃহবধূর নিকট থেকে তার ব্যবহৃত স্মার্ট ফোন, সোনার চেইন, কানের দুলসহ আনুমানিক দেড় ভরি স্বর্ণ ও কিছু নগদ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়।

    জানা গেছে, ওই গৃহবধূ সরকারি বি.এম. কলেজের অর্থনীতি বিভাগের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্রী। তিনি কলেজ থেকে ফেরার পথে এই দুই প্রতারক তার পিছু নেয়। পথে পথে তাকে বিভিন্ন রকমের কথার ফাঁদে ফেলে হুইল পাউডারের একটি প্যাকেট ধরিয়ে দিলে সংজ্ঞাহীন হয়ে সবকিছু নিজে থেকে খুলে দিয়ে দেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাসায় পৌছে দেন।

    ভিকটিমের বাংলাবাজারস্থ বাসার গলির মুখের এফ রহমান ইলেক্ট্রিক নামের একটি দোকানের গোপন ক্যামেরায় প্রতারকচক্রের আসা-যাওয়ার চিত্র ধরা পরে। তবে এখনও পর্যন্ত অপরাধিদেরকে সনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনার একদিন পরে  ২৭ নভেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়, যার নাম্বার ১৬০১।

  • আখেরি মুনাজাতে সম্পন্ন চরমোনাইয়ে অগ্রাহায়ণের বাৎসরিক মাহফিল

    আখেরি মুনাজাতে সম্পন্ন চরমোনাইয়ে অগ্রাহায়ণের বাৎসরিক মাহফিল

    মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি মুনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী চরমোনাইয়ে অগ্রহায়ণের বাৎসরিক মাহফিল শেষ হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে আমিরুল মুজাহিদীন আলহাজ হযরত মাওলানা মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)-এর পরিচালনায় আখেরি মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    মুনাজাতের আগে শেষ বয়ানে পীর সাহেব বলেন, আমরা সবাই কবর পথের যাত্রী। যার ভিতরে তাকাব্বরি থাকবে সে বেহেশতের ঘ্রাণও পাবে না। হিংসা, অহংকার, গিবত, মিথ্যা, সুদ, ঘুষসহ সব গুণাহের কাজ দূর করতে হবে। হারাম মালের দ্বারা যে রক্ত ও শরীর তৈরি হবে তার স্থান হবে জাহান্নাম। কবর আজাব ও জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত নামাজ আদায় করা ও তরিকার পাঁচ ওষুধ পালনসহ শরিয়তের যাবতীয় হুকুম আহকাম মেনে চলতে হবে। তিনি বলেন, পরিপূর্ণ ও সহি-শুদ্ধভাবে নামাজের জন্য কেরাত শিক্ষা করা ফরজ। যারা আত্মাকে পবিত্র করবে তারা বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।

    ইমানের ওপর পরিপূর্ণভাবে মজবুত থাকার নির্দেশনা দিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, আল্লাহ পাকের জিকির অধিক করলে কলবের ময়লা দূর হয়। কলব পরিষ্কার হওয়ার একমাত্র পথ জিকির। মুসুল্লিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা চরমোনাই এসেছেন তারা সবাই নির্দেশ মেনে চলবেন, অন্যথায় চরমোনাই আসার দরকার নাই। আমরা পীর-মুরিদির ব্যবসা করি না। আখেরি মুনাজাতে পীর সাহেব বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করেন। মোনাজাত শেষে আগত মুসুল্লিরা শত শত বাস, লঞ্চ ও ট্রলার যোগে নিজ গন্তব্যের উদ্দেশে রওয়ানা দেন।

    চলতি বছর চরমোনাই এলাকায় ২টি মাঠজুড়ে মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। নদীর বিস্তৃর্ণ এলাকা, মাঠের আশপাশের বাগান, ঘড়বাড়ির আঙিনাসহ সবখানে বিপুলসংখ্যক মুসল্লিদের উপস্থিতিতে তিল ধারণে ঠাঁই ছিল না। মাহফিলে আগত মুসুল্লিদের মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু হয়। জানাজা শেষে তাদের কফিন নিজ নিজ ঠিকানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করে মুজাহিদ কমিটি।

  • পটুয়াখালী জেলা পুলিশের কাছে ৭৭ জন মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণ

    পটুয়াখালী জেলা পুলিশের কাছে ৭৭ জন মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণ

    জাকারিয়া আলম দিপু.

    পটুয়াখালীতে ৭৭ জন মাদক‌সেবী ও ব্যবসায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ ক‌রে‌ছেন। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) বি‌কে‌লে কমিনিউটি পুলিশের উদ্যোগে বিশেষ অনুষ্ঠা‌নের আ‌য়োজন করা হয়। বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিপিএম উপস্হিতিতে পটুয়াখালী জেলা পুলিশের কাছে ৭৭ জন মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীরা আত্মসমর্পণ করে এবং মাদকবিরোধী সাইকেল র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়।

    পটুয়াখালী জেলায় পৌরশহরের শেখ রাসের শিশু পার্কে এক মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ৭৭ জন চিহ্নিত মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী  অাত্মসমর্পণ করে। অাত্মসমর্পণ করা ৭৭ জনের মধ্যে ১০ জনকে সেলাই মেশিন প্রদান ও পুনর্বাসিত করা হয়। এর আগে ডিআইজি নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য মাদকবিরোধী সাইকেল র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ড. মোঃ মাছুমুর রহমান জেলা প্রশাসক, সৈয়দ মোসফিকুর রহমান পুলিশ সুপার পটুয়াখালী,  পটুয়াখালী জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা টিটু, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তারিকুজ্জামান মনি, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী আলমগীর হোসেন, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারমান সুলতান আহমেদ মৃধা প্রমুখ, বিভিন্ন দপ্তরের অফিসারগন ,সাংবাদিকগন ও কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সদস্যগন।

    উল্লেখ্য যে ইতোপূর্বে ভোলা জেলায় ৫৫ জন মাদক সেবী ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে।
    পর্যায়ক্রমে রেঞ্জের অন্যান্য জেলাতেও এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।