Category: বরিশাল

  • বরিশালে ইন্দো বাংলা ফার্মায় র‌্যাবের স্বাশরুদ্ধকর অভিযান, চলবে আজও

    বরিশালে ইন্দো বাংলা ফার্মায় র‌্যাবের স্বাশরুদ্ধকর অভিযান, চলবে আজও

    বরিশাল ইন্দে-বাংলা ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান অনুমোদনহীন ও নিষিদ্ধ ঔষধ জব্দ করেছে র‌্যাব-৮। মঙ্গলবার দুপুর ২টায় থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে র‌্যাবের রুদ্ধদার অভিযান।

    র‌্যাব-৮ এর উপ-অধিনায়ক রাকিব উজ জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে বিক্রয় নিষিদ্ধ ঔষধ বিক্রি করছে ইন্দো বাংলা ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডে অভিযান চালানো হয়। মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে অভিযান। অভিযানে বিপুল পরিমান অনুমোদনহীন ও নিষিদ্ধ ঔষধ জব্দ করা হয়। তবে রাতের কারণে অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছে। আগামীকাল (আজ বুধবার) সকালে ফের অভিযান চালানো হবে।

    সারা রাত প্রতিষ্ঠানটি তাদের তত্ত্বাবদানে থাকবে বলে জানান তিনি। অভিযানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, ড্রাগ সুপার তানভীর আহম্মেদ সহ র‌্যাবের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। ড্রাগ সুপার তানভীর আহম্মেদ নিউজ বরিশালকে বলেন, ইন্দো বাংলা ফার্মাসিটিক্যালস এর অনেক পণ্য অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরপরেও তারা ঔষুধগুলো উৎপাদন ও বিক্রি করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের সহযোগীতায় প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান পরিচালিত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। সাংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইতি পূর্বে নিষিদ্ধ কোন ঔষধ তারা বিক্রি করে থাকে তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    জব্দকৃত ঔষধের মধ্যে মেট্রল, ইন্দোমল প্লাস, নিওর্স্টিন আর, ইন্দোপ্রোক্স মিক্স, রেনিটিডিন, রিবোফ্লাভিন সহ ৬ অনুমেদনহীন ও ২টি নিষিদ্ধ ঔষধ জব্দের তালিকায় রয়েছে। এদিকে দুপুর ২টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও কেন অভিযান সমাপ্ত হয়নি এমন প্রশ্ন জনমনে বিরাজ করছে। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, ঔষধ পরীক্ষক বা জেলা ড্রাগ সুপার ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় এ দেরী হয়েছে। পাশাপাশি ইন্দো বাংলা র্ফামাসিটিক্যালসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এএফএম আনোয়ারুল হক কাগজপত্র দেখানো নিয়ে টালবাহানা করে দীর্ঘ সময় ব্যায় করেছে বলে জানা গেছে। ইন্দো বাংলা র্ফামার এমডি আনোয়ারুল হক বলেন, যে সকল ঔষধ নিষিদ্ধ ও অনুমোদনহী রয়েছে তা মান যাচাইয়ের জন্য অনুমতির আবেদন জানানো হয়েছে।

  • বরিশালে আই এইচ টি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

    বরিশালে আই এইচ টি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

    স্বাস্থ্য মন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত মাইনরের অভিলম্বে বাস্ত বায়ন সহ মেডিকেল এডুকেশন বোড গঠন,সরকারী চাকুরীতে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ১০ম গ্রেড প্রদান,নতুন নতুন সৃজন ও বন্ধ নিয়োগ চালু করন,ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের প্রাইভেট প্র্যাকস্টিস রেজিঃ প্রদান সহ ১০ দফা দাবী আদায়ের লক্ষে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে আই এইচ টি ছাত্র/ছাত্রী শিক্ষার্থীরা।
    আজ সকাল ১০টায় নগরীর সদররোড অশ্বিনী কুমার টাউন হল সম্মুখে এই কমৃসূচি পালিত হয়।
    আই এইচ টি শিক্ষার্থী ও কর্মসূচির সমন্বয়ক শাহাদৎ হোসেনের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন শরিফুল ইসলাম,সজল রায়,ইকবাল হোসেন রকি,তানভির হাসান,শুব কুন্ড,নাসিম খন্দকার,রুবেল বসু,ডাঃ মনিষা চক্রবর্তী ও মোঃ গোলাম মাহমুদ সেলিম। মানববন্ধনে বক্তরা বলেন ২০১৪ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রী আই এচ টি শিক্ষার্থীদের দাবীর সাথে একাত্বতা ঘোসনা করে মাইনর প্রকাশ করেন। আজ ৩ বছর অতিক্রম করার পরও আজ পর্যন্ত আই এইচ টি শিক্ষার্থীদের কোন দাবী আদায় হয়নি।

    এর ফলে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট শিক্ষার্থী ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। যদি শিক্ষার্থীদের দাবী পুরন করা নাহলে কঠোর আন্দোলনে যাবার হুমকি প্রদান করেন। তাই অভিলম্বে স্বাস্থ মন্ত্রী দেয়া ঘোষিত মাইনর এর অভিলম্বে বাস্তবায়নের দাবী জনান। উল্লেখ্য ২০১৪ সালে ৩ই ডিসেম্বর বরিশাল আই এইচ টি ছাত্র/ছাত্রী শিক্ষার্থীরা ১০ দফা দাবী আদায়ের লক্ষে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের সামনে অবস্থান কর্মসুচি পালন কালে শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশ বিনা উসকানিতে বেধড়ক লাঠি চার্জ করে ৫জন শিক্ষার্থীকে গুরুতর আহত সহ প্রায় অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থী ছাত্র/ছাত্রীকে পিঠিয়ে আহত করে। পুলিশ এসময় ১৪জন শিক্ষার্থীকে গ্রেপতার করে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে তৎকালীন সময়ে স্বাস্থ্র মন্ত্রী এ ঘোষনা দিয়েছিলেন শিক্ষার্থীদের। এর পূর্বে আই এইচ টি শিক্ষার্থীরা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সদররোড এসে মানববন্ধ কর্মসূচি পালন করে।

  • বরিশালে রোহিঙ্গা সন্দেহে ৪ নারী প্রতারক আটক

    বরিশালে রোহিঙ্গা সন্দেহে ৪ নারী প্রতারক আটক

    প্রতারণার মাধ্যমে আলফা-মাহিন্দ্রার এক নারী যাত্রীর গলার চেইন চুরি করার ঘটনায় ৪ নারীকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।
    আটককৃতরা, হলো শিউলী বেগম, রিপন আক্তার, রোজিনা বেগম ও হামিদা বেগম।  আটককৃতরা মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বলে স্থানীয়রা দাবী করলেও পুলিশ বলছে প্রাথমিক সন্দেহ হচ্ছে তবে জিঙ্গাসাবাদ করে প্রকৃত তথ্য জানাযাবে।
    আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১২ টায় বরিশাল নগরীর রূপাতলীর হাউজিং স্ট্রেট এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। রূপাতলী হাউজিং স্ট্রেট কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন জানান, হাউজিং স্ট্রেট এলাকার বাসিন্দা মো. আবদুল রাজ্জাক স্ত্রী’র আজ বেলা ১২ টার দিকে নগরীর সদর রোডস্থ বিবির পুকুরপাড় থেকে একটি আলফা মাহিন্দ্রা যোগে রূপাতলীতে আসেন।
    পথি মধ্যে ওই চার নারী যাত্রী বেশে উঠেন। এক পর্যায় শিউলী বেগম নামের ওই নারী নিজেকে অসুস্থ্য বলে আবদুল রাজ্জাক স্ত্রী’র গায়ে ঢলে পড়েন। এসময় সে কৌশলে আবদুল রাজ্জাক স্ত্রী’র গলার সোনার চেইন চুরি করেন। এদিকে রূপাতলীতে মাহিন্দ্রাটি আসলে যাত্রীরা নেমে পড়লে আবদুল রাজ্জাক স্ত্রী তার গলায় সোনার চেইন দেখতে না পেয়ে ওই চার নারীর উপর সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয় জনতা ওই চার নারীকে ধরে ফেলেন ও ব্যাগ তল্লাশী চালিয়ে সোনার চেইন উদ্ধার করেন।
    এ সময় ওই চার নারীকে স্থানীয়রা জিঙ্গাসাবাদ করলে তারা তাদের পরিচয় দেয়া নিয়ে বিপত্তিতে পরেন। কখনো বি-বারিয়া আবার কখনো কক্সবাজার জেলার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। এমনকি জিঙ্গাসবাদে বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের তেমন কিছু জানা নেই বলে জানান মো. আবুল হোসেন। ঘটনাস্থানে থাকা বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী থানার এসআই মাহমুদ হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা যাচ্ছে আটক ওই চার নারী রোহিঙ্গা। তবে থানায় নিয়ে তাদের আরো জিঙ্গাসাবাদ করা হবে। এছাড়া এ ঘটনায় আবদুল রাজ্জাক মামলা করলে তার গ্রহন করা হবে।
  • ডিউটিতে অনুপস্থিত ডাক্তার,রোগীদের হট্টগোল

    ডিউটিতে অনুপস্থিত ডাক্তার,রোগীদের হট্টগোল

    বরিশালের শের ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর জরুরী বিভাগ এ  রোগীদের হট্টগোল।

    বেলা ১২থেকে দুপুর পর্যন্ত ইমার্জেন্সিতে মেডিকেল অফিসার (EMO)ডাঃরনবির দাস কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত।তার জায়গায় প্রক্সি দিচ্ছেন ব্রাদার ওয়ালিদ হোসেন।

    দুর্ঘটনায় আহত রোগীর আর্তচিৎকার এ মেডিকেল এর অন্যান্য রোগীরা আতংকিত হয়ে পড়ে।খোজ নিয়ে জানা যায়, প্রায়ই এই ধরনের ঘটনা ইমার্জেন্সি তে ঘটে থাকে।সদ্য যোগদানকৃত মেডিকেল ডাইরেক্টর ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান এর মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে, মুঠোফোন  বন্ধ পাওয়া যায়। রোগীদের অভিযোগ, প্রতিদিন েএই ঘটনা ঘটছে।

  • ধর্ষক শিক্ষকের বিচারের দাবিতে ছাত্রীর আত্মহত্যার হুমকি!

    ধর্ষক শিক্ষকের বিচারের দাবিতে ছাত্রীর আত্মহত্যার হুমকি!

    বরিশালের আগৈলঝাড়ার শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ফারুক ফকিরের বিরুদ্ধে একাধিক ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক ফারুকের লালসার শিকার এক ছাত্রী ধর্ষকের (ফারুক) বিচার না হলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছে।

    অভিযোগকারী ওই ছাত্রী জানান, তিনি বাকাল গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাধারণ পরিবারের মেয়ে। একই গ্রামের বাসিন্দা প্রভাষক ফারুকের কাছে পড়াশুনায় সহযোগীতা কামনা করেন তিনি। তার সরলতার সুযোগে শিক্ষক ফারুক বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

    ওই ছাত্রীর দাবি তার মতো অনেক ছাত্রী ফারুকের লালসার শিকার হলেও লোকলজ্জা আর মানসম্মানের ভয়ে কেউ মুখ খোলেনি। এর আগে ফারুকের লালসার শিকার হয়েছে একই গ্রামের সংখ্যালঘু অপর এক ছাত্রী। এছাড়াও সাবেক এক প্রকৌশলীর মেয়ের শ্লীলতাহানী ঘটায় এই ফারুক। বিষয়টি জানাজানি হলে ফারুক ওই ছাত্রীর পরিবারের কাছে মাফ চেয়ে নিস্তার পায়। খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের এক ছাত্রীর সর্বনাশ করায় ফারুকের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এ কারণে কলেজ থেকে বহিস্কারও করা হয়।

    বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করতে কলেজ গভর্নিং বডির কতিপয় সদস্যকে অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে ছাত্রীকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি দিয়ে মামলা তুলে নিতে বাধ্য করা হয়। অভিযুক্ত প্রভাষক ফারুকের বিচার না হলে ওই ছাত্রী আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছে।

    কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী হাওলাদার ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কমলা রানী মন্ডল অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, অভিযোগের মধ্যে অনেক ঘটনাই সত্য। অভিযোগ পেয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভায় নৈতিকতা ও শৃংখলা পরিপন্থী এজেন্ডায় ফারুককে সতর্ক করে তার অভিভাবককে বিয়ের জন্য এক মাসের সময় দেয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিয়ে না করলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    আগৈলঝাড়ার ইউএনও আশ্রাফ আহম্মেদ রাসেল বলেন, অভিযোগকারী তার কাছে লিখিত অভিযোগ করলে তিনি কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। তারপরও ওই শিক্ষককে নজরদারীতে রাখতে অধ্যক্ষকে পরামর্শ দেয় হয়েছে বলে ইউএনও জানান।

  • আইন শৃংখলা বাহিনী, গনমাধ্যম কর্মীসহ দলীয় নেতাকর্মীদের সাদিক আবদুল্লাহর ধন্যবাদ জ্ঞাপন

    আইন শৃংখলা বাহিনী, গনমাধ্যম কর্মীসহ দলীয় নেতাকর্মীদের সাদিক আবদুল্লাহর ধন্যবাদ জ্ঞাপন

    শেখ সুমন

    পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রবিবার নগরীর ফজলুল হক এভিনিউতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বরিশাল জেলা ও মহানগর এর আয়োজনে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ শান্তিপূর্ন এবং সুশৃংখল ভাবে সফল করায় সেরনিয়াবত সাদিক আবদুল্লাহ ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর পক্ষ থেকে আগত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছেন।

    বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানান, আইন-শৃংখলা বাহিনী, গনমাধ্যম কর্মী, দলীয় কর্মীসহ অনুষ্ঠানের সাথে জরিত সকলের প্রতি।

  • বরিশালে কলেজ ছাত্রীকে গনধর্ষনের পর হত্যা- মরদেহ গুম, আটক ১

    বরিশালে কলেজ ছাত্রীকে গনধর্ষনের পর হত্যা- মরদেহ গুম, আটক ১

    বরিশাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) কলেজের ছাত্রী সাদিয়া আক্তারকে (২১) গণধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গুম করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় সিরাজুল ইসলাম (২৫) নামের এক যুবককে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যার পর সাদিয়ার মরদেহ খালে ফেলে দেয় প্রেমিক ও তার সহযোগীরা। সাদিয়ার মরদেহ উদ্ধারে রোববার মঠবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকায় সিরাজুলকে নিয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে বিকেল পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীর মরদেহের সন্ধান মেলেনি।

    সাদিয়া বরিশাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি কলেজের প্যাথলজি বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রী এবং বরিশাল নগরীর ডেফুলিয়া খান বাড়ির আলমগীর হোসেন খানের মেয়ে। গ্রেফতার সিরাজুল মঠবাড়িয়ার খেজুরবাড়িয়া গ্রামের ইব্রাহীম হাওলাদারের ছেলে। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই আব্দুল ওহাব জানান, গত ২০ নভেম্বর সাদিয়া নগরীর বাসা থেকে কলেজের উদ্দেশে বের হয়ে নিখোঁজ হন।

    এ ঘটনায় সাদিয়ার বাবা ২২ নভেম্বর কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডির সূত্র ধরে এবং ওই ছাত্রীর মোবাইল নাম্বার ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে গত শনিবার মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ সিরাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।

    মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম জানান, জিজ্ঞাসাবাদে সিরাজ স্বীকার করেছেন ঘটনার ১৫ দিন আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের কথা বলে গত ২০ নভেম্বর ওই ছাত্রীকে বরিশাল থেকে মঠবাড়িয়ায় এনে সহযোগীদের নিয়ে একাধিকার ধর্ষণ করা হয়।

    পরে ধর্ষণের বিষয়টি ওই ছাত্রী ফাঁস করার হুমকি দেয়ায় তাকে হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে দেয়া হয়। এখন পর্যন্ত নিহত ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা যায়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে। তবে গ্রেফতার সিরাজ উল্টাপাল্টা তথ্য দিচ্ছে। একেক বার একেক কথা বলছে। আবার বলে মরদেহ কোথায় জানে না।

    বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই আব্দুল ওহাব জানান, রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সাদিয়ার মরদেহ উদ্ধারে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। তবে তার মরদেহ পাওয়া যায়নি। তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। তবে মরদেহ উদ্ধার কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে সিরাজুল পুলিশকে বিভ্রান্তকর তথ্য দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে।

  • বরিশালে যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নেতৃত্বে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২০ বছর পূর্তি উদযাপন

    বরিশালে যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নেতৃত্বে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২০ বছর পূর্তি উদযাপন

    হুজাইফা রহমান: বরিশালে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে সমাবেশ ও আনন্দ র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরীর ফজলুল হক এভিউনিতে রবিবার বেলা সাড়ে এগারোটায় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বরিশালের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে দলীয় ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের সাথে সাধারন জনতা এই সমাবেশ ও র্যালীতে অংশ নেয়।

    নগরীর ফজলুল হক এভিনিউ নগর ভবনের সামনে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশাল সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস এমপি এবং মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ-সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

    এরপর জাতীয় পতাকা হাতে হাজার হাজার নেতা কর্মী ও সাধারন জনতার উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার সামনে নেতৃত্ব দেন পার্বত্য শান্তি চুক্তির প্রনেতা, সাবেক চিফ হুইপ ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, এমপি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর বড় ছেলে যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সকল সংগঠন এর নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে এই র্যালীতে অংশগ্রহন করেন। বিবিরপুকুর পাড় থেকে শুরু করে নাজিরের পুল হয়ে বাজার রোড, চকবাজার, গির্জামহল্লা প্রদক্ষিণ করে র্যালীটি শেষ হয়।

    উল্লেখ্য, বর্ণিল সাজে সজ্জিত এই র্যালীটিতে হাতি, ঘোড়ার গাড়ি সহ বিভিন্ন প্লাকার্ড ও অসংখ্য নারী নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানায়। এছাড়া যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ, কৃষকলীগ, মহিলা লীগ এর হাজারো নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। এবং তাদের বিভিন্ন ভবন এর ছাদ থেকে ফুল ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানান অসংখ্য নারী ও শিশুরা।

  • বরিশালে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির মাসিক পত্রিকা সন্ধ্যা’র লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সম্মিলন ২০১৭ অনুষ্ঠিত

    বরিশালে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির মাসিক পত্রিকা সন্ধ্যা’র লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সম্মিলন ২০১৭ অনুষ্ঠিত

    হুজাইফা রহমান: ১ ডিসেম্বর বরিশালে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির মাসিক পত্রিকা সন্ধ্যা’র লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সম্মিলন ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটি বরিশালের জীবনানন্দ দাশ রোড ( বগুড়া রোডস্থ) কবি জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি মিলনায়তন ও পাঠাগারে বিকাল চারটায় শুরু হয়। প্রথমেই সন্ধ্যা পত্রিকা’র সম্পাদক ও প্রকাশক কবি কিং সউদ’র সম্পাদকীয় বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এসময় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক শাহানা সিরাজী অসুস্থতা জনিত কারণে উপস্থিত হতে পারেননি বলে দুঃখ প্রকাশ করেন ।

    এরপর বক্তব্য রাখেন প্রখ্যাত ছড়াকার কবি তপংকর চক্রবর্তী, কবি হুমায়ুন কবীর (অর্ণব আশিক), কবি মুস্তফা হাবীব, কবি সব্যসাচী সেনগুপ্ত, কবি পার্থ সারথি ও প্রবাসী কল্যান ব্যাংক’র ব্যবস্থাপক সৈয়দ মেহেদী হাসান।

    এরপর জীবনানন্দ দাশ রচিত কবিতা “বনলতা সেন” আবৃত্তি করেন হুজাইফা রহমান। বিশেষ করে এখানে বরিশালের নবীন এবং প্রবীন কবি, সাহিত্যিক, পাঠক ও সংস্কৃতিজনেরা অংশ নেন। এছাড়া বরিশালের প্রবীন সংস্কৃতিজন মুকুল দাস, কবি শফিক আমিন, কবি শাহীনা কাজল, কবি ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, কবি ইব্রাহিম খলিল, কবি আফরোজা রোজী, কবি অনিতা পাণ্ডে, কবি তুহিন ওসমান, কবি আব্দুর রহমান, কবি মাহমুদ অর্ক্য, কবি এস. কে লুনা, কবি সাইফুল ইসলাম সাইফ প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    উপস্থিত সকল লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীগণ সন্ধ্যা পত্রিকা’র ভবিষ্যত অগ্রগতি ও সাফল্য কামনা করেন।

  • বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের ৩৫ তম পাঠক আড্ডা সম্পন্ন

    বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের ৩৫ তম পাঠক আড্ডা সম্পন্ন

    হুজাইফা রহমান: গত ৩০-১১-১৭ ইং তারিখে শহিদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের আয়োজনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সুবিখ্যাত উপন্যাস “শেষের কবিতা”র উপর ৩৫ তম পাঠচক্র সম্পন্ন হয়েছে। পাঠচক্রের শুরুতেই মহান বিজয় দিবস এর কথা মাথায় রেখে পাঠচক্রের সমন্বয়কারী জনাব বাহাউদ্দিন গোলাপ মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। এরপর পাঠচক্রের নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হয়। আড্ডায় নিয়মিত পাঠকগণ কেউ অমিত কেউ বা লাবণ্য’র বেশে উপস্থিত হয়ে উপস্থাপন করেন তাদের বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা। নিয়মিত পাঠকদের মধ্যে বিশেষভাবে আলোচনা করেন শাকিল মাহমুদ, মুজাহিদুল ইসলাম, শশাঙ্ক বিশ্বাস, হাছনাঈন তুহিন, তৌফিক ওমর, তহসিন, জুদান, অদিতি সপ্তর্ষি, ও হুজাইফা রহমান, নজরুল ইসলাম, ফারজানা ও আরিফ।

    বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্র পাঠচক্রের স্বজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জনাব সাজ্জাদ্দুল হক, জনাব মিজানুল হাসান সজল এবং জনাব রিয়াজুল ইসলাম। পরে আড্ডায় উপস্থিত থেকে এবং বিশেষভাবে আলোচনা করে পাঠচক্রটিকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের সম্মানিত সমন্বয়কারী জনাব বাহাউদ্দীন গোলাপ। প্রশ্ন, পালটা প্রশ্ন, আবার প্রশ্ন এই ভাবে এক প্রাণোচ্ছল পরিবেশে পাঠকগণ যার যার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তাদের পাঠোপলব্ধি উপস্থাপন করেন।

    পুরো পাঠচক্রটির আড্ডা পরিচালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশাল এর সহ-সমন্বয়কারী জনাব ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।