Category: বরিশাল

  • inShareShare প্রকাশিতঃ নভেম্বর ১৫, ২০১৭ ৩:১৭ অপরাহ্ণ A-  A  A+  Print বরিশাল র‌্যাব-৮ এর সাথে বন্দুক যুদ্ধে আব্বাস বাহিনীর ২ সদস্য নিহত- অস্ত্র উদ্ধার

    inShareShare প্রকাশিতঃ নভেম্বর ১৫, ২০১৭ ৩:১৭ অপরাহ্ণ A- A A+ Print বরিশাল র‌্যাব-৮ এর সাথে বন্দুক যুদ্ধে আব্বাস বাহিনীর ২ সদস্য নিহত- অস্ত্র উদ্ধার

    র‌্যাব-৮ এর সাথে বন্দুক যুদ্ধে সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু আব্বাস বাহিনীর ২ সদস্য নিহত হয়েছে। নিহতরা হলো মোঃ ইউসুফ ফকির(৩৪) ও মোঃ রুহুল আমিন শেখ(৪৮)। অভিযানে বিপুল পরিমান আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭ টায় থেকে সাড়ে ৮ টা পর্যন্ত সুন্দরবনের কাতলার খাল এলাকায় এ বন্ধুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

    বেলা সাড়ে ১২ টায় র‌্যাব-৮’র বরিশালের রূপাতলীস্থ কার্যলয় থেকে প্রেরিত বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। র‌্যাব-৮’র তথ্য সূত্রে জানাগেছে, র‌্যাবের বিশেষ গোপনীয় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আব্বাস বাহিনী সুন্দরবনের কাতলার খাল এলাকায় একটি অস্থায়ী আস্তানা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া যায়। এরই প্রেক্ষিতে আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে র‌্যাবের আভিযানিক দল অভিযান চালায়। এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে জলদস্যূরা গুলি ছুড়তে শুরু করে দেয়। পরে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। প্রায় ৪০ মিনিট উভয়ের মাঝে গোলাগুলি চলে।

    পরবর্তিতে গুলি বর্ষন বন্ধ হলে আভিযানিক দল তলাশী শুরু করে। প্রায় এক ঘন্টার উপরে তল¬াশী করে আভিযানিক দলটি মোঃ ইউসুফ ফকির(৩৪) ও মোঃ রুহুল আমিন শেখ(৪৮)এর মৃতদেহ খুঁজে পায়। এসময় ঘটনাস্থান থেকে ১টি দোনালা বন্দুক, ২টি একনালা বন্দুক, ১টি কাটা রাইফেল, ১টি এয়ার রাইফেল, ২টি পাইপগানসহ ৭টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১২৪ রাউন্ড বন্দুকের কার্তুজসহ দেশীয় ধাড়ালো অস্ত্র উদ্ধার করে। এঘটনায় স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া চলছে।

  • বরিশাল র‌্যাব-৮ এর সাথে বন্দুক যুদ্ধে আব্বাস বাহিনীর ২ সদস্য নিহত- অস্ত্র উদ্ধার

    বরিশাল র‌্যাব-৮ এর সাথে বন্দুক যুদ্ধে আব্বাস বাহিনীর ২ সদস্য নিহত- অস্ত্র উদ্ধার

    র‌্যাব-৮ এর সাথে বন্দুক যুদ্ধে সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু আব্বাস বাহিনীর ২ সদস্য নিহত হয়েছে। নিহতরা হলো মোঃ ইউসুফ ফকির(৩৪) ও মোঃ রুহুল আমিন শেখ(৪৮)। অভিযানে বিপুল পরিমান আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭ টায় থেকে সাড়ে ৮ টা পর্যন্ত সুন্দরবনের কাতলার খাল এলাকায় এ বন্ধুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। বেলা সাড়ে ১২ টায় র‌্যাব-৮’র বরিশালের রূপাতলীস্থ কার্যলয় থেকে প্রেরিত বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    র‌্যাব-৮’র তথ্য সূত্রে জানাগেছে, র‌্যাবের বিশেষ গোপনীয় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আব্বাস বাহিনী সুন্দরবনের কাতলার খাল এলাকায় একটি অস্থায়ী আস্তানা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া যায়। এরই প্রেক্ষিতে আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে র‌্যাবের আভিযানিক দল অভিযান চালায়। এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে জলদস্যূরা গুলি ছুড়তে শুরু করে দেয়। পরে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে।

    প্রায় ৪০ মিনিট উভয়ের মাঝে গোলাগুলি চলে। পরবর্তিতে গুলি বর্ষন বন্ধ হলে আভিযানিক দল তলাশী শুরু করে। প্রায় এক ঘন্টার উপরে তল¬াশী করে আভিযানিক দলটি মোঃ ইউসুফ ফকির(৩৪) ও মোঃ রুহুল আমিন শেখ(৪৮)এর মৃতদেহ খুঁজে পায়। এসময় ঘটনাস্থান থেকে ১টি দোনালা বন্দুক, ২টি একনালা বন্দুক, ১টি কাটা রাইফেল, ১টি এয়ার রাইফেল, ২টি পাইপগানসহ ৭টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১২৪ রাউন্ড বন্দুকের কার্তুজসহ দেশীয় ধাড়ালো অস্ত্র উদ্ধার করে। এঘটনায় স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া চলছে।

  • স্বপ্ন ভেঙে যাচ্ছে নদীর সাথে,অসহায় মানুষের দৃষ্টি

    স্বপ্ন ভেঙে যাচ্ছে নদীর সাথে,অসহায় মানুষের দৃষ্টি

    মাহামুদ হাসান:

    বরিশালের চরবাড়িয়া-লামচরির শেষ প্রান্ত বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীভাঙনে।ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।কীর্তনখোলা নদী বয়ে গেছে বরিশালের মধ্যে দিয়ে ।আর বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সিমানার পাশেই অবস্থিত চরবাড়িয়া, লামচরি ইউনিয়ন ।আর এই অঞ্চলের শেষ অংশ নদীগর্ভে বিলীন হবার পথে।

    সরোজমিনে দেখা গেছে লামচরির অনেক অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ।অনেক অংশ ভেঙে যাবে যে কোনও মুহূর্তে ।নদী ভাঙন রক্ষা করার জন্য ইতিমধ্যেই ব্যাবস্থা গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড ।কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই নগন্য।অল্প সময়ের মধ্যে ব্যাবস্থা না নিলে বিলীন হয়ে যাবে স্থান টি।

    নদীর ভাঙনের সাথে ,সাথে ভেঙে যাচ্ছে শত,শত মানুষের স্বপ্ন ।তাদের থাকার যায়গা টুকুও বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীর বুকে।তাই আশ্রয় টুকু হারাতে চায়না সাধারণ মানুষ ।তাই অতি দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে সাধারণ স্বপ্ন নিয়ে বেচে থাকা সাধারণ মানুষ ।

  • প্রাণ বাঁচাতে থানায় জিডি করেছে দুই সাংবাদিক

    প্রাণ বাঁচাতে থানায় জিডি করেছে দুই সাংবাদিক

    সংবাদ প্রকাশের জের ধরে বরিশালে দুই সাংবাদিককে খুন-জখম এবং প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের দুই থানায় পৃথক অভিযোগ এবং সাধারণ ডায়েরী দায়ের হয়। হুমকির শিকার অনলাইন নিউজ পোর্টাল যুগ যুগান্তর ডটকম’র চেয়ারম্যান ও বার্তা নিয়ন্ত্রক এবং স্থানীয় দৈনিক বাংলার বনে পত্রিকার বার্তা সম্পাদক তারেক আহমেদ কোতয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী এবং দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার বরিশালের ফটো সাংবাদিক তানভীর আহমেদ অভি কাউনিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে জীবনের নিরাপত্তা চেয়েছেন।

    সাংবাদিক তারেক আহমেদের জিডি সূত্রে জানা গেছে, ১৩ নভেম্বর রাতে তার নিয়ন্ত্রিত অনলাইন নিউজ পোর্টার যুগ যুগান্তর ডটকম-এ ‘প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় নগরীর পলাশপুরে মাদকের হাট’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রচার করেন। ওই রাত ১১টা ১৪ মিনিটে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে ০১৯১২৪৪৯৮৮৮ নম্বর থেকে একটি কল আসে। কল রিসিভ করলে উক্ত সংবাদ প্রকাশের কথা উল্লেখ করে অকথ্য-অশ্রবন ভাষায় গালিগালাজ করে এবং তাকে পরদিন সকালের মধ্যে দেখিয়ে দেবে বলে হুমকি দেয়। এরপর রাত ১২টা ২৩ মিনিটে ০১৯৬৮৫৩৫৬৩৬ নম্বর থেকে কল দিয়ে ফের ওই সংবাদের কথা উল্লেখ করে সাংবাদিককে পরদিন সকালে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এসময় মহানগর আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ তাকে দেখে নেবে বলেও হুশিয়ার করা হয়। এসব বিষয় উল্লেখ করে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে গতকাল সাংবাদিক তারেক কোতয়ালি মডেল থানায় জিডি করেন। জিডি নং- ৮৭৭।

    অপরদিকে, অনলাইন নিউজ পোর্টালের ওই সংবাদের লিঙ্ক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করায় ১৩ নভেম্বর রাতে দৈনিক জনকণ্ঠের বরিশালের ফটোসাংবাদিক তানভীর আহমেদ অভির ভাটিখানা মোড়ের বাসায় ৩/৪টি মোটরসাইকেলযোগে যাওয়া দুর্বৃত্তরা হামলার চেষ্টা চালায়। এসময় তাকে না পেয়ে বাসার গেইট-দরজায় লাথি মেরে, পিটিয়ে তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসে তারা। এ ঘটনায় কাউনিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন অভি। লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তরা হচ্ছেন- ৫নং ওয়ার্ড পলাশপুরের বাসিন্দা সোনাই সিকদারের ছেলে মেয়াদোত্তীর্ন ওয়ার্ড ছাত্রলীগ কমিটির সভাপতি পরিচয়দানকারী সিরাজুল ইসলাম নয়ন, বাদশা খন্দকারের ছেলে আবির খন্দকার, মান্নান বেপারীর ছেলে হৃদয়, রিয়াদ ওরফে দাতু রিয়াদ, ইস্কানের ছেলে আসাদ সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জন।

    এ বিষয়ে দুই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ বলেন, সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  • কম্পিউটার নষ্ট হওয়ায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম ব্যহত

    কম্পিউটার নষ্ট হওয়ায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম ব্যহত

    চারটির মধ্যে তিনটি কম্পিউটার নষ্ট থাকায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) কর্তৃক জন্ম নিবন্ধনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে চরম আকারে। এরইমধ্যে প্রায় ২ হাজার জন্ম নিবন্ধন সনদের আবেদন আটকে পরেছে। কবে নাগাদ কম্পিউটারগুলো ঠিক করা হবে আর জন্মনিববন্ধন কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে সে বিষয়ে কিছুই জানা নেই দায়িত্বরতদের। সূত্রমতে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের জন্ম নিবন্ধনের মূল কার্যক্রম পরিচালিত হয় নগরের বিবির পুকুর পাড়ের এ্যানেক্স ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে। সেখান থেকেই নিবন্ধনের জন্য আবেদন ফরম নিতে হয়, আবার সেখানেই জমা দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে হয়। কিন্তু গত প্রায় ১ মাস ধরে নিবন্ধন শাখার ৪ টি কম্পিউটারের মধ্যে ৩ টিই নষ্ট থাকায় জন্ম নিবন্ধনের কার্যক্রম ব্যহত হয়ে চলছে। যারফলে এরই মধ্যে প্রায় ২ হাজারের মতো আবেদন জমা পরে রয়েছে। কম্পিউটারের দায়িত্বরতরা জানান, একটি কম্পিউটার দিয়ে প্রতিদিনের আবেদনের কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হয় না, তার পাশাপাশি ইন্টারনেটে ধীরগতি বিঘ্নতার সৃষ্টি করছে। নিবন্ধন শাখার আবেদন পত্র জমা নেয়ার দ্বায়িত্বে থাকা ইরানী বেগম জানান, বেশকিছুদিন ধরে হঠাৎ করেই জন্মনিবন্ধের চাপে একটু বেশি রয়েছে। তার ওপরে ৩ টি কম্পিউটার নষ্ট থাকায় প্রায় ১ হাজার ৬ শত আবেদন পত্র ঝুলে রয়েছে নিবন্ধন সনদের অপেক্ষায়। যার মধ্যে অধিকাংশই শিশুদের। বর্তমানে সেবাগ্রহিতাদের সঠিক সময়ে জন্ম নিববন্ধন সনদ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।  এদিকে আবুল কালাম আজাদ নামে একজন জানান, তিনি ২ সপ্তাহ আগে জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। বয়স হিসেবে নির্ধারিত ফিও দিয়েছেন কিন্তু এখনো নিবন্ধন সনদ পাননি। কিন্তু তার বাচ্চার উপবৃত্তির জন্য নিবন্ধনের ফটোকপির প্রয়োজনটা এ মুহুর্তে অনেক বেশি। তাই নিবন্ধন শাখায় এসে ধন্যা দিচ্ছেন। সবুজ নামের অপর এক সেবা গ্রহিতা জানান, কম্পিউটার সমস্যার কথা জানতে পেরে তারাতারি পাওয়ার উপায় জানতে চাইলে নিবন্ধন শাখা থেকে সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সুপারিশসহ সাক্ষর আনতে বলা হয়েছে। কিন্তু তিনি থাকেন নগর ভবনে আর নিবন্ধন হয় বিবির পুকুরের এ্যানেক্স ভবনে। তাই প্রায় ১ কিলোমিটার পথ ঘুরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাক্ষর আনতে হয়েছে তাকে। তবে কম্পিউটারের বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নিবার্হী কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান।

  • বরিশালের শেষ্ঠ চেয়ারম্যান পিকলু সন্ত্রাসী হামলায় আহত

    বরিশালের শেষ্ঠ চেয়ারম্যান পিকলু সন্ত্রাসী হামলায় আহত

    বরিশাল জেলার দুইবারের শ্রেষ্ঠ গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে আজ সোমবার সন্ধ্যায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতসূত্রে জানা গেছে, সোমবার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচী পালন শেষে অনুষ্ঠানের অতিথি পৌর মেয়র হারিছুর রহমান কে নিয়ে মাহিলাড়া এ এন মাধ্যমিক বিদ্যালয় লাইব্রেরীতে আপ্যায়ন শেষে মেয়রের সাথে কথা বলতে বলতে বের হয়ে মেয়রকে বিদায় জানান। এরইমধ্যে স্থানীয় সন্ত্রাসী রাসেল রাঢ়ী, রাজিব রাঢ়ী, মঙ্গল সরদার, আকাশ সরদার, শাহিন সরদারসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনের একটি সন্ত্রাসী দল অস্ত্রসহ পিছন থেকে চেয়ারম্যানের উপর হামলা চালায়। হামলায় ইউপি চেয়ারম্যান পিকলু আহত হন। এসময় তাৎক্ষনিক ভাবে মেয়র হারিছুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান পিকলুকে উদ্ধার করেন। সূত্রেমতে, সন্ত্রাসী রাসেল রাঢ়ী আগৈলঝাড়া ভূমি অফিসে পিয়ন হিসেবে চাকুরী করা সত্বেও একের পর এক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালিত করে আসলেও প্রশাসনিক ভাবে কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এছাড়াও বেশ কয়েকদিন যাবত মাহিলাড়া এলাকায় পরিকল্পিত ভাবে সংখ্যালগুদের আওয়ামীলীগ পরিবারের উপর অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে আসছে উল্লিখিত সন্ত্রাসীরা।

  • বরিশালে ভারপ্রাপ্ত কারা ডিআইজি সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

    বরিশালে ভারপ্রাপ্ত কারা ডিআইজি সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

    বরিশাল বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কারা ডিআইজি ও বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের সুপার আজিজুল হক সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ দায়ের হয়েছে । ১৩ নভেম্বর সোমবার এক মহিলা কারারক্ষী বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমণ ট্রাইব্যুনালে এ অভিযোগ দায়ের করেন। এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমনের মাধ্যমে কারারক্ষী সাম্মি আকতার অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে কারা সুপার আজিজুল হক সহ তার অপকর্মের সহযোগী কারারক্ষী নিজাম ও শেখ ফরিদকে অভিযুক্ত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগে সাম্মি বলেন, নিজামের বাড়ি বরিশাল হওয়ার পরেও সুপারের সহায়তায় তিনি বরিশাল কারাগারে চাকুরী করে। কারা সুপার আজিজুলের স্ত্রী ঢাকায় চাকুরী করায় আজিজুল বরিশালে বাসায় একা থাকে।সাম্মী ঢাকা থেকে বদলী হয়ে গত ১২ জানুয়ারি বরিশালে এসে সুপারের কাছে রিপোর্ট করে। আজিজুল ১৫ জানুয়ারি সাম্মিকে ঝালকাঠি জেলা কারাগারে পোষ্টিং দেয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি তাকে প্রেষণে বরিশাল কারাগারে এনে কারাভ্যন্তরে কোন দায়িত্ব না দিয়ে বন্দী সাক্ষাত স্লিপ কাটার দায়িত্ব দেয়। প্রায়ই আজিজুল তাকে অফিসে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে। এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে অন্যত্র বদলী ও চাকুরী হারাবার ভয় দেখিয়ে সরাসরি কুপ্রস্তাব দেয় এবং যৌন নিপীড়ন করে। লোকলজ্জা ও ইজ্জতের ভয়ে বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করলেও আজিজুল আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। গত ১৮ অক্টোবর রাত ৯ টায় অভিযুক্ত নিজাম ও শেখ ফরিদ তার বাসায় এসে বন্দী সাক্ষাৎ স্লিপের হিসেব দেয়ার জন্য সুপার বাসায় ডাকে বলে জানায়। বাসায় যেতে রাজী না হলে নিজাম ও ফরিদ জোরাজুরি করে চাকুরীর ক্ষতি করার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে সাম্মী অভিযুক্তদের সাথে কারাগারের পাশে আজিজুলের বাসায় যায়। নিজাম ও ফরিদ বাহিরে পাহারায় থাকে। আজিজুল তাকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ চেষ্টা করে। ডাক চিৎকার দিলে অন্য কারারক্ষীরা ছুটে আসলেও উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ হওয়ায় কেহ আজিজুলের বাসায় যেতে সাহস পায়নি। দুএকজন যাওয়ার চেষ্টা করলে নিজাম ও ফরিদের বাধা পেয়ে ফিরে যায়। সাম্মি ধস্তাধস্তি করে খাট থেকে নিচে পড়ে বুকে আঘাত পেয়েও দৌড়ে নিজের বাসায় চলে আসে। ২০ অক্টোবর শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয়। ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কারা সুপার সাম্মিকে অন্যত্র বদলী ও চাকুরী খেয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। একইসাথে জেলার বদরুদ্দোজাকে বাসভবন তালা মেরে রাখার নির্দেশ দেয়। জেলার সাম্মির বাসায় তালা মেরে রাখে। সাম্মি নিজ বাসায় যেতে পারছেনা। এভাবে অভিযোগ দাখিলের পর আদালত অভিযোগ শুনানীর জন্য রেখে দেন বলে আদালত সূত্র জানায়।

  • গৌরনদীতে সৎ মায়ের নির্যাতন

    গৌরনদীতে সৎ মায়ের নির্যাতন

    সৎ মায়ের অমানুষিক নির্যাতনে একটি কানের অর্ধেক ছিড়ে ঝুলে গেছে শিশু সাইমুনের (৮)। হৃদয় বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে জেলার গৌরনদী উপজেলার টরকী নবীনগর গ্রামে। জানা গেছে, ওই গ্রামের হালিম হাওলাদারের প্রথম স্ত্রী ছয়বছর পূর্বে মারা যায়। এরপর সাথী বেগমকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন হালিম। সৎ মা সাথীর জ্বালাতনে অতিষ্ঠ হয়ে হালিম তার প্রথম স্ত্রীর পুত্র সাইমুনকে কসবা শরীফবাড়ি নূরানী মাদ্রাসার ভর্তি করে সেখানকার বোর্ডিংয়ে রাখেন। দ্বিতীয় শ্রেনীর ছাত্র সাইমুন জানায়, শুক্রবার বিকেলে সে বাড়িতে এসে ওইদিন রাতে বাড়িতে থাকায় তার সৎ মা তাকে গালিগালাজের একপর্যায়ে অমানুষিক নির্যাতন করে। এতে তার একটি কানের অর্ধেক ছিড়ে ঝুলে যায়। এসময় সাইমুনের চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে। খবর পেয়ে শিশু সাইমুনের পিতা হালিম বাড়িতে পৌঁছে স্থানীয় এক চিকিৎসকের মাধ্যমে সাইমুনের চিকিৎসা করায়। সৎ মা কর্তৃক শিশুকে অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনায় ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

  • বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত

    বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত

    বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুর রহমানকে লাঞ্চিত করেছে তার (সরোয়ার) সহকর্মীরা। গতকাল শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে উপস্থিত ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুন এবং পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। তবে নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি বলেছেন, করমর্দন করা না করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে মাত্র।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছেন। সেখানে পৌঁছে উপস্থিত সবার সাথে করমর্দন করতে থাকেন তিনি। এক পর্যায়ে ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবর রহমানের দিকে করমর্দনের উদ্দেশ্যে হাত বাড়িয়ে দেন সরোয়ার। এ সময় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুল রহমান করমর্দন থেকে বিরত থাকলে সরোয়ার তাৎক্ষনিক অপ্রস্তুত হন এবং ওই লাউঞ্জে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন, সরকারী কর্মকর্তা সহ অন্যান্যদের সাথে পর্যায়ক্রমে করমর্দন করেন। পরে সরোয়ার ফের মজিবুল রহমানের পাশের সোফায় গিয়ে বসেন এবং করমর্দন না করার কারন জানতে চান। এ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হলে সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে লাঞ্চিত করেন। পরে সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন সহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। এরপর যথারীতি সরোয়ার এবং মজিবুল রহমান সহ পূর্ব নির্ধারিত যাত্রীরা দুপুর দেড়টার ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।
    বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান সরোয়ার ভিআইপি লাউঞ্জে বসে অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়েছেন দাবী করে এ ব্যপারে খন্দকার মজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭৯ সালের ২৭ জুন বরিশালের অশ্বিনী কুমার হলে সরোয়ারের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা হয়। সরোয়ার ওই সময় তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালান। এ কারনে তিনি সরোয়ারের সঙ্গে হাত মেলাতে চাননি। তিনি প্রতিবাদ করলে সরোয়ারের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে ভিআইপি লাউঞ্জে ঢুকে পড়ে। খন্দকার মজিবুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, সরোয়ার তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বরিশাল মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন শিকদার জিয়া বলেন, চেনা-অচেনা নিয়ে বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে একটু ভুল বোঝাবুঝির সৃস্টি হয়েছিলো। কিন্তু পরক্ষনে সমস্যা মিটে যায়। এটা তেমন কিছুনা। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে বিএনপি’র কোন নেতাকর্মী লাঞ্ছিত করেনি বলে দাবী করেন জিয়া। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে রিং দেয়া হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুনের ব্যক্তিগত সহকারী মজিবুল হক কামাল বলেন, সালাম বিনিময় নিয়ে দুই নেতার মধ্যে একটু তর্ক হয়েছিলো। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সময় তিনি বা পুলিশের সিনিয়র কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। খবর পেয়ে তারা সেখানে যাওয়ার আগেই পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাদ দিয়ে ওসি আনোয়ার বলেন, করমর্দন করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে। তবে এর বেশী তিনি কিছু জানেন না।

  • বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত!

    বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত!

    বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুর রহমানকে লাঞ্চিত করেছে তার (সরোয়ার) সহকর্মীরা। গতকাল শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে উপস্থিত ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুন এবং পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। তবে নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি বলেছেন, করমর্দন করা না করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে মাত্র।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছেন। সেখানে পৌঁছে উপস্থিত সবার সাথে করমর্দন করতে থাকেন তিনি। এক পর্যায়ে ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবর রহমানের দিকে করমর্দনের উদ্দেশ্যে হাত বাড়িয়ে দেন সরোয়ার। এ সময় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুল রহমান করমর্দন থেকে বিরত থাকলে সরোয়ার তাৎক্ষনিক অপ্রস্তুত হন এবং ওই লাউঞ্জে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন, সরকারী কর্মকর্তা সহ অন্যান্যদের সাথে পর্যায়ক্রমে করমর্দন করেন। পরে সরোয়ার ফের মজিবুল রহমানের পাশের সোফায় গিয়ে বসেন এবং করমর্দন না করার কারন জানতে চান। এ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হলে সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে লাঞ্চিত করেন। পরে সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন সহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। এরপর যথারীতি সরোয়ার এবং মজিবুল রহমান সহ পূর্ব নির্ধারিত যাত্রীরা দুপুর দেড়টার ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।
    বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান সরোয়ার ভিআইপি লাউঞ্জে বসে অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়েছেন দাবী করে এ ব্যপারে খন্দকার মজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭৯ সালের ২৭ জুন বরিশালের অশ্বিনী কুমার হলে সরোয়ারের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা হয়। সরোয়ার ওই সময় তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালান। এ কারনে তিনি সরোয়ারের সঙ্গে হাত মেলাতে চাননি। তিনি প্রতিবাদ করলে সরোয়ারের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে ভিআইপি লাউঞ্জে ঢুকে পড়ে। খন্দকার মজিবুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, সরোয়ার তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বরিশাল মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন শিকদার জিয়া বলেন, চেনা-অচেনা নিয়ে বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে একটু ভুল বোঝাবুঝির সৃস্টি হয়েছিলো। কিন্তু পরক্ষনে সমস্যা মিটে যায়। এটা তেমন কিছুনা। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে বিএনপি’র কোন নেতাকর্মী লাঞ্ছিত করেনি বলে দাবী করেন জিয়া। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে রিং দেয়া হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুনের ব্যক্তিগত সহকারী মজিবুল হক কামাল বলেন, সালাম বিনিময় নিয়ে দুই নেতার মধ্যে একটু তর্ক হয়েছিলো। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সময় তিনি বা পুলিশের সিনিয়র কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। খবর পেয়ে তারা সেখানে যাওয়ার আগেই পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাদ দিয়ে ওসি আনোয়ার বলেন, করমর্দন করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে। তবে এর বেশী তিনি কিছু জানেন না।

    Share this: