Category: বিপিএল

  • ঢাকাকে আন্ডারডগ ভাবছেন সুজন!

    ঢাকাকে আন্ডারডগ ভাবছেন সুজন!

    পয়েন্ট টেবিলে সবার ওপরে কুমিল্লা; কিন্তু সর্বাধিক তারকার দল ঢাকা ডায়নামাইটস। এক ঝাঁক নামি-দামি ক্রিকেটারের ছড়াছড়ি। কুমারা সাঙ্গাকারা, এভিন লুইস, শহিদ আফ্রিদি, সুনিল নারিন, কাইরন পোলার্ড, কেভিন কুপার, মোহাম্মদ আমির ও জো ড্যানলি- কত নাম।

    মাঠের পারফরমেন্সে এখন পর্যন্ত কুমিল্লা সেরা; কিন্তু কাগজে-কলমে ঢাকা এখনো এক নম্বর দল। তবে তারকাভর্তি দল ঢাকা ডায়নামাইটস কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন কোয়ালিফায়ারের লড়াইয়ে কুমিল্লাকেই এগিয়ে রাখতে চান। খালেদ মাহমুদের চোখে, শুক্রবারের ম্যাচে ফেবারিট কুমিল্লা। আর ঢাকা হলো আন্ডারডগ।

    ঢাকা সন্দেহাতীতভাবেই সর্বাধিক তারকায় ঠাসা দল; এতে কোনো সন্দেহ নেই। যে কোন দলের চেয়ে তাদের রিজার্ভ বেঞ্চ অনেক বেশি সমৃদ্ব। কুমারা সাঙ্গাকারা, শহিদ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আমির আর কেভিন কুপারের মত ক্রিকেটারও যে দলের হয়ে নিয়মিত খেলার সুযোগ পান না। যাদের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের মত টি টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট, বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। সেই দলকে কোয়ালিফায়ার পর্বে আন্ডারডগ ভাবা হবে না কেন?

    এ নিয়ে নিশ্চয়ই প্রশ্ন উঠছে। তার ব্যাখ্যাও অবশ্য দিয়েছেন ঢাকার কোচ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স তাদের দু’বার হারিয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে ভাল পারফরম্যান্স করেছে। তাই ঢাকা ডায়নামাইটস কোচের মন্তব্য, ‘প্রথম কথা হচ্ছে কাল আমরা আন্ডারডগ হিসেবে খেলব। কুমিল্লা আমাদের সাথে দুটি ম্যাচই জিতেছে। দারুণ খেলেছে তামিমের দল।’

    তবে কি ঢাকা ভাল খেলেনি? এ প্রশ্নের জবাবে খালেদ মাহমুদ সুজনের ব্যাখ্যা, ‘আমরাও ভাল খেলছি। তবে আমাদের ধারাবাহিকতার একটু অভাব ছিল। যদিও দুই ভেন্যুতে আমরা দুশো রানের উপরে করছি, আবার কিছু ম্যাচে দেড়শ রানের কমে থেমে গেছি। তো ওই জায়গায় একটু ধারাবাহিকতার অভাব ছিল।’

    ঢাকা কোচের মূল্যায়ন, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সঠিক সময় জ্বলে ওঠা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। শুক্রবার কুমিল্লার সাথে ম্যাচে তার দলের ক্রিকেটাররা ওই সময় মত জ্বলে উঠবেন- এমনটাই আশা খালেদ মাহমুদের।

    Dhaka-comilla

    তাই তো মুখে এমন কথা, ‘এই ফরম্যাটে যেটা হয় যে, রাইট টাইমে মোমেন্টাম পিক করা। আমার মনে হয় সেই হিসাবে আমরা কালকে একটা দারুণ ম্যাচ (রংপুরের বিপক্ষে) জিতছি অল্প রান করেও। আমাদের বোলিং অসাধারণ ছিল, সাকিব ক্যাপ্টেনের ভূমিকা দারুণভাবে পালন করেছে। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। আমাদের লোকাল স্টার যারা আছে তারাও ভাল টাইমে পিক করছে।’

    কোয়ালিফয়ার ম্যাচে খুব গুরুত্বপূর্ণ গেম অভিহিত করে ঢাকা কোচ বলেন, ‘খুব টাইট গেম হবে। মনে হয় দারুণ লড়াই হবে।’

    প্রতিপক্ষ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ফেবারিট মানলেও তাদের নিয়ে বেশি ভাবতে নারাজ ঢাকার কোচ। তার চিন্তা-ভাবনার বড় অংশ জুড়ে আছে নিজ দল। তার মূল্যায়ন, ‘প্রতিদ্ব›িদ্ব হচ্ছে প্রতিপক্ষ। যাকে আপনি নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন না। কেবল নিজেদেরটাই করতে পারবেন। যখন টপ অর্ডার পারফর্ম করে তখন বেশি কিছু লাগে না। মূল কথা হচ্ছে আমাদের টপ অর্ডার কেমন করছে সেটা। আমাদের টপ অর্ডারে দারুণ কিছু খেলোয়াড় আছে। যেমন লুইস, নারিন। এরা প্রমাণ করেছে তারা বড় ইনিংস খেলতে পারে। জো ড্যানলি শেষ ম্যাচ ছাড়া ভাল করেছে। টপ অর্ডারে রান পেলে আমার মনে হয় আমরা বড় স্কোর ছুঁড়ে দিতে পারব।’

    যেহেতু দুপুরে খেলা। তাই টসের তেমন কোন কার্যকর প্রভাব পড়বে না। খালেদ মাহমুৃদ সুজনেরও মনে হয় না টসের তেমন কোন গুরুত্ব আছে। তার কথা হলো, গেম প্ল্যান গুরুত্বপূর্ণ। আপনার প্রতিপক্ষকে, কতটা রিড করতে পারছেন সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আগে কিংবা পরে ব্যাটিং নয়, মোমেন্টামটা গুরুত্বপূর্ণ। শুরুটা ভাল না হলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়তে হয়। এ কারণে এখানে শুরুটা গুরুত্বপূর্ণ। গতকালকের শুরুটা আমাদের ভাল ছিল না; কিন্তু পরের দিকে সাকিব ও মারুফ ভাল জুটি করেছে- এটা একটা ভাল উদাহরণ। তাতে অন্তত একটা পুঁজি দিতে পেরেছিলাম যাতে লড়াই করা যায়। আমাদের বোলিং শক্তিশালী ছিল। তারা তাদের ভূমিকা পালন করছে বলে ইজি ছিল। শুরটা খুব দরকারি, প্রথম ছয় ওভার খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

    ঢাকা কোচের শেষ বক্তব্য, ‘আমি সব সময়ই বিশ্বাস করি, এই টুর্নামেন্ট জেতার যথেষ্ঠ সামর্থ আছে আমাদের।’ তাহলে সেই সামর্থ্যরে যথাযথ প্রয়োগ ঘটছে না কেন?

    এ প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে খালেদ মাহমুদ সুজন জাগো নিউজকে জানান, দলে উঁচু মানের বিদেশি ক্রিকেটার বেশি থাকাটা প্লাস পয়েন্টের পাশাপাশি ‘মধুর সমস্যা’ হয়েও দেখা দিয়েছে। কাকে রেখে কাকে খেলাবেন? চিন্তায় পড়ে গেছেন তিনি। তারচেয়ে বড় কথা, সঠিক কম্বিনেশন তৈরি করাটাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

    তারপরও বিদেশিদের কাছ থেকে দায়িত্বপূর্ণ পারফরম্যান্সের আশায় ঢাকা কোচ, ‘আমি চাই যে আমার বিদেশি খেলোয়াড়রা এমন দায়িত্ব নিয়ে খেলুক। আমি বলছি না যে আলাদা বাড়তি দায়িত্ব। আমি চাই তারা খেলা উপভোগ করুক। মাঠে রেজাল্ট কি হয় না হয় সেটা পরের ব্যাপার; কিন্তু উপভোগ করুক এটা চাই। লুইসের স্টাইল বদলাতে বলব না, পোলার্ডের স্টাইলও বদলাতে বলব না। চাইব তারা তাদের মতই খেলুক। দেখি কি হয়!’

  • উইকেট ভালো হলেই জমবে ফাইনালে ওঠার লড়াই

    উইকেট ভালো হলেই জমবে ফাইনালে ওঠার লড়াই

    সেরা চার দলের লড়াই; কিন্তু সেমিফাইনাল নয়। শুধু ক্রিকেটে নয়, যে কোন খেলায় সেমির যুদ্ধ মানেই কারো মতে নক আউট, নিশ্চিত বিদায়। আবার কারো মতে ‘সাডেন ডেথ’ বা নিশ্চিত মৃত্যু।

    কিন্তু বিপিএলে তেমনটা হবে না। আগামীকাল শুক্রবার শেরে বাংলায় যে চার দলের লড়াই হবে, সেটাকে তাই সেমিফাইনাল বলা হচ্ছে না। বলার সুযোগও নেই। সাধারনতঃ সেমিফাইনালের বিজয়ী দল সরাসরি ফাইনালে চলে যায়। আর পরাজিত দল ছিটকে পড়ে।

    কিন্তু বিপিএলে তা হবে না। এখানে সেরা চার দলের মধ্যে হবে তিনটি ম্যাচ। মানে একটি ম্যাচ বেশি হবে। তাই নামকরণ পাল্টে সেমিফাইনালের বদলে রাখা হয়েছে ‘কোয়ালিফায়ার’ ও ‘ইলিমিনেটর’। এর কোনটাই অঘোষিত সেমিফাইনাল নয়।

    তবে এর মধ্যে কোয়ালিফায়ার-১ ‘এ’ যারা খেলবে তাদের জন্য থাকছে ডাবল সুযোগ। জয়ী দল সোজা চলে যাবে ফাইনালে। আর পরাজিত দলের বিপিএল শেষ হয়ে যাবে না। তারা আরও একটি সুযোগ পাবে। সেই দল ১০ ডিসেম্বর খেলবে কাল ইলিমিনেটরে বিজয়ী দলের সাথে।

    শুক্রবার দুপুরে ইলিমিনেটর রাউন্ডের ম্যাচে মুখোমুখি হবে তৃতীয় স্থান পাওয়া খুলনা টাইটান্স এবং চার নম্বর দল হিসেবে সেরা চারে জায়গা করে নেয়া রংপুর রাইডার্স। এই খেলার বিজয়ী দল টিকে থাকবে। যদিও কোয়ালিফায়ার-১ বিজয়ীর মত সরাসরি ফাইনাল নিশ্চিত হবে না দলটির। তাদের খেলতে হবে কোয়ালিফায়ার-২। কোয়ালিফায়ার-১ এ পরাজিত দলের বিপক্ষে। আর ইলিমিনেটরে পরাজিত দল বিদায় নেবে।

    কাজেই আগামীকাল কোয়ালিফায়ার পর্বে মুখোমুখি হচ্ছে দুই বন্ধু সাকিব আল হাসান এবং তামিম ইকবাল। সাকিবের ঢাকা ডায়নামাইটস আর তামিমের কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। আর ইলিমিনেটর পর্বের প্রথম ম্যাচে লড়বে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের খুলনা টাইটান্স ও মাশরাফি বিন মর্তুজার রংপুর রাইডার্স। সাত দলের আসরে চিটাগং ভাইকিংস, রাজশাহী কিংস এবং সিলেট সিক্সার্স আগেই বিদায় নিয়েছে। এবার ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে চার দলের লড়াই।

    অনেক আসর বা টুর্নামেন্টেই কাগজে-কলমের হিসেবের সাথে মাঠের হিসাব-নিকাশ মেলে না। তবে এবারের বিপিএলে কাগজে কলমের সাথে মাঠের চালচিত্রর অনেকটাই মিলে গেছে। মাঠের লড়াই শেষে সেরা চার দলই সেরা চারে জায়গা করে নিয়েছে।

    সবচেয়ে বড় কথা দেশের চার সেরা ও শীর্ষ তারকা মাশরাফি, তামিম, সাকিব ও মাহমুদউল্লাহর দলই শেষ চারে। এছাড়া দেশের যে দুই সময়ের সেরা কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন ও মোহাম্মদ সালাউদ্দীনের দলও সেরা চারে। আর যে দুই বিদেশি প্রশিক্ষক মাহেলা জয়বর্ধনে আর টম মুডি- তাদের দলও সেরা চারে।

    বলার অপেক্ষা রাখে না, কোচ সালাউদ্দীনের প্রশিক্ষণে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ধারাবাহিকভাবে সবচেয়ে ভাল খেলেছে। এবং সর্বাধিক ৯ ম্যাচেও জয়ী হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিদেশি ক্রিকেটার দলে থাকা যেমন প্লাস পয়েন্ট, আবার বেশি বিদেশি তারকা দলে থাকার অসুবিধাটাও ভোগ করেছে ঢাকা ডায়নামাইটস। তারপরও খালেদ মাহমুদ সুজনের প্রশিক্ষণে সাকিব আল হাসানেনর দল ঢাকা ডায়নামাইটস বিড়ম্বনার শিকার হয়েছে।

    টি-টোয়েন্টির দুই বিশ্ব সেরা ব্যাটিং পারফরমার ক্রিস গেইল এবং ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দল রংপুর তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত নৈপুন্য পায়নি; কিন্তু মধ্য তিরিশে পা রাখা অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার গতিশীল ও উজ্জিবীত নেতৃত্বে রংপুর উঠল সেরা চারে।

    অন্যদিকে তেমন নামী ও দামি বিদেশি তারকা দলে না থাকলেও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর তরুণ আরিফুলের ব্যাটিং এবং পেসার শফিউলের কার্যকর নৈপুন্যে খুলনাও ফাইনালের সম্ভাবনা জিইয়ে রেখেছে।

    চার দলের শক্তির ফারাক খুব বেশি নয়। ঢাকা-কুমিল্লা আর খুলনা-রংপুর কাছাকাছি শক্তির দল। কাজেই সবার ধারণা, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে কোয়ালিফায়ার আর ইলিমিনেটর রাউন্ডে; কিন্তু তারপরও উইকেটের কারণে মাঠে যত ভাল ও আকর্ষণীয় ক্রিকেট হবার কথা ছিল তা কিন্তু হচ্ছে না

    এখন শেষ পর্বে খেলা জমবে কি না, বিগ স্কোরিং গেম হবে কি না- সেটা একটা বড় প্রশ্ন। এসই নির্ভর করছে উইকেটের ওপর। উইকেট নিয়ে নানা কথা। রাজ্যের সমালোচনা। বাংলাদেশের মাশরাফি-তামিম থেকে শুরু করে বিদেশি তারকা ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও সুনিল নারিনও উইকেটের সমালোচনা করেছেন। উইকেট সত্যি ভাল নয়। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট উপযোগি নয়। সবাই বলছেন- শেরে বাংলায় যে সব পিচে বিপিএল হচ্ছে সেগুলো ঠিক টি-টোয়েন্টির জন্য আদর্শ নয়।

    উইকেটের গতি ও বাউন্স ঠিক নয়। বল কখনো থেমে আসে। আবার কোন সময় ঠিক গতিতে ব্যাটে যাচ্ছে। তার চেয়েও বড় কথা, বেশিরভাগ সময় বল নিচে থাকছে। আবার কিছু কিছু ডেলিভারি লাফিয়ে উঠছে। এমনকি স্পিন ও স্লো মিডিয়াম পেসারদের বলও ব্যাটসম্যানের মাথার ওপর দিয়ে চলে গেছে। যে কারণে ব্যাটসম্যানদের স্বচ্ছন্দে খেলা কঠিন হচ্ছে। ব্যাটসম্যানরা হাত খুলতে খেলতে গিয়ে উল্টো বিপদে পড়ছেন।

    হয় প্রত্যাশার চেয়ে দেরিতে বল এসে মিসটাইমড হচ্ছে। না হয় স্বাভাবিকের চেয়ে নিচু কিংবা লাফিয়ে উঠে বিপদেও কারণ ঘটাচ্ছে। সে কারণেই ফ্রি স্ট্রোক প্লে বা চার ও ছক্কার ফুলঝুরিও ছিল তুলনামুলক কম। দর্শক বিনোদনের খোরাক গেছে কমে। বিগ স্কোরিং গেমও হচ্ছে না। দর্শক, সমর্থক ও ভক্ত সবার প্রত্যাশা- কোয়ালিফায়ার, ইলিমিনেটর ও ফাইনালে শেরে বাংলার উইকেটের চেহারা ও চরিত্র পাল্টাবে। না হয় মূল আয়োজনটাই ফিকে হয়ে যাবে।

  • আউট হওয়া ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে আনলেন তামিম

    আউট হওয়া ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে আনলেন তামিম

    রাকিব সিকদার

    কেভিন কুপার মাঠ থেকে বেরিয়েই যাচ্ছিলেন। কিন্তু তাঁকে ফিরিয়ে আনলেন তামিম ইকবাল। অনিন্দ্য সুন্দর এক দৃশ্য দেখা গেল জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। ১৮তম ওভারের দ্বিতীয় বলে রান নিতে গিয়ে বোলার ডিজে ব্রাভোর সঙ্গে কুপারের সংঘর্ষ! পিচের ওপর ছিটকে পড়লেন ব্রাভো! দৌড়ানোর চেষ্টা না করে নিজ থেকেই থেমে গেলেন কুপার।

    অন্য প্রান্তে রানআউট ঢাকা ডায়নামাইটসের টেল এন্ডের ব্যাটসম্যান! রানআউট ভেবে কুপার হাঁটা ধরেছিলেন ড্রেসিংরুমের দিকে। ইচ্ছাকৃত নয় তবুও অপ্রত্যাশিত সংঘর্ষ। তামিম ছুটে গিয়ে তাঁকে থামালেন। আম্পায়ার ও ঢাকা কোচ খালেদ মাহমুদের সঙ্গে কথা বলে আবারও কুপারকে উইকেটে ফিরিয়ে আনলেন। শূন্য রানে আউট হতে পারতেন। কিন্তু তামিমের ঔদার্যে সেই কুপার শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ৫ বলে ৯ রান করে।

    সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লা কোচ সালাউদ্দিন মনে করেন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তামিম, ‘অামরা চাইলে তাকে (কুপার) নাও ফেরাতে পারতাম। তামিম গ্রেট স্পোর্টসম্যানশিপ দেখিয়েছে। এটা তামিমের মহানুভবতা। ক্রিকেটে একটা উদাহরণ হয়ে থাকবে এটা।’ ম্যাচটা জেতা তখন কঠিন হলে অসম্ভব নিশ্চয়ই ছিল না। যদি কুপারই ম্যাচটা জিতিয়ে ফিরতেন! যদিও তা হয়নি। শেষ পর্যন্ত কুমিল্লারই জয় হয়েছে। শুধু কুমিল্লা কেন, তামিমের সৌজন্যে জিতেছে ক্রিকেটের চেতনা! এই ম্যাচ হারলেও অধিনায়ক তামিমকে বিজয়ী ঘোষণা করতেই হতো।

  • বিপিএলের শীর্ষ দশে দেশি বোলারদের দাপট

    বিপিএলের শীর্ষ দশে দেশি বোলারদের দাপট

    চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পঞ্চম আসরের ম্যাচগুলো। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৩০ টি ম্যাচ খেলা হয়েছে।

    আর বিপিএলে বোলিংয়ে দাপট চলছে দেশি বোলারদের।  শীর্ষ দশজনের মধ্যে বর্তমানে ৬ জনই দেশি।   ৪ জন বিদেশি ক্রিকেটার।

    উইকেট শিকারের দিক দিয়ে ৮ ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়ে সবার উপরে আছেন খুলনার আবু জায়েদ রাহি।  সেরা বোলিং ফিগার ৩৫ রানে ৪ উইকেট।

    দ্বিতীয় স্থানে আছেন ঢাকার আবু হায়দার রনি তার উইকেট সংখ্যা ১২টি।  তৃতীয় স্থানে চিটাগাংয়ের তাসকিন আহমেদ তার উইকেট সংখ্যা ১২।   আর সমান ১১ উইকেট নিয়ে যথাক্রমে চতুর্থ স্থানে বিদেশি ক্রিকেটার পাকিস্তানি আফ্রিদি, পঞ্চম স্থানে সাকিব আল হাসান ও ছয়ে শফিউল ইসলাম ,

    ১০ উইকেট শিকার করে সাতে জেমস ফ্রাঙ্কলিন।   আর সমান ৯ উইকেট নিয়ে যথাক্রমে আটে পাকিস্তানি বোলার মোহাম্মদ সামি, নয়ে সুনীল নারিন এবং দশে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

  • রুদ্ধশ্বাস জয়ে রংপুর রাইডার্সের রাজসিক প্রত্যাবর্তন

    রুদ্ধশ্বাস জয়ে রংপুর রাইডার্সের রাজসিক প্রত্যাবর্তন

    দুর্দান্ত জয়ে জয়ের ধারায় ফিরল টুর্নামেন্টের হট ফেবারিট রংপুর রাইডার্স। ব্যাট হাতে ঝলক দেখালেন গেইল-ম্যাককালাম।

    এরপর বোলিংয়ে নেমে সিলেট সিক্সার্স ব্যাটসম্যানদের চেপে ধরে রংপুরের বোলাররা। রংপুরের ১৬৯ রানের জবাবে ৪ উইকেটে ১৬২ রানেই থামল সিলেট। দুর্দান্ত টিম পারফর্মেন্সে টানা তিন ম্যাচ হারের পর ৭ রানে নাসির হোসেনের সিলেট সিক্সার্সকে হারিয়ে রাজসিক প্রত্যাবর্তন ঘটল মাশরাফি বাহিনীর।

    ১৭০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৫ রানেই প্রথম উইকেট হারায় সিলেট। সোহাগ গাজীর বলে বোল্ড হয়ে যান ৪ বলে ৮ রান করা গুনাথিলাকা। সিলেট শিবিরে দ্বিতীয় আঘাত হানেন রংপুর অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ম্যাশের বলে রবি বোপারার তালুবন্দি হন ২ রান করা বাবর আজম। এরপরেই দলের হাল ধরেই অধিনায়ক নাসির হোসেন এবং সাব্বির রহমান।

    দুজনের মধ্যে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন সাব্বির।

    চলতি বিপিএলে ফর্ম ফিরে পাওয়া জাতীয় দলের এই তরুণ ৪৯ বলে ৭ চার ২ ছক্কায় ৭০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে পেরেরার বলে ম্যককালামের তালুবন্দি হন। ভাঙে ১১৭ রানের বিশাল জুটি। তখন জয় থেকে মাত্র ২৮ রান দূরে সিলেট সিক্সার্স। এর মধ্যে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন নাসির। কিন্তু সেটা কোনো কাজে আসেনি। ৪৩ বলে ১ চার ১ ছক্কায় ৫০ রান করে মাঠ ছাড়েন নাসির।

    আজ সোমবার দিনের দ্বিতীয় খেলায় টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৬৯ রান তুলে রংপুর রাইডার্স। ওপেন করতে নেমেই সিলেট বোলারদের বেদম প্রহার শুরু করেন গেইল-ম্যাককালাম। ৮.৩ ওভারে দুজনে মিলে গড়েন ৮০ রানের ওপেনিং জুটি। শেষ পর্যন্ত নাসির হোসেনের বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে প্ল্যাংকেটের তালুবন্দি হন ২১ বলে ৩ চার ৩ ছক্কায় ৩৩ রান করা ম্যাককালাম। অপর প্রান্তে থাকা গেইল ঠিকই ৩৮ বলে তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি।

    আবুল হাসানের বলে বোল্ড হওয়ার আগে  তার সংগ্রহ ৩৯ বলে ২ চার ৫ ছক্কায় ৫০ রান। এই দুজনের বিদায়ের পরই খেই হারিয়ে ফেলে রংপুরের ব্যাটসম্যানরা। আবুল হাসানের দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে ৮ রান করেন শাহরিয়ার নাফীস। ২৫ রান করে প্ল্যাংকেটের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান মোহাম্মদ মিথুন। শেষদিকে রবি বোপারার দৃঢ়তায় রানের চাকা ঘুরতে থাকে। বোপারাও ১২ বলে ২৮ রান করে রান-আউট হয়ে যান।

  • হাসান আলীর তাণ্ডবে অসহায় ঢাকা ডাইনামাইটস

    হাসান আলীর তাণ্ডবে অসহায় ঢাকা ডাইনামাইটস

    ঢাকা ডাইনামাইটসের বিপক্ষে বল হাতে আগুন ঝরালেন হাসান আলী। একাই ধসিয়ে দিলেন ঢাকাকে।

    তার বোলিং তাণ্ডবে তারকাবহুল শক্তিশালী ঢাকা থেমে গেল ১২৮ রানে। হাসান আলি একাই তুলে নেন ৫ উইকেট।

    শুরুতেই ঢাকা ডাইনামাইটসের দুই ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের এই পাকিস্তানি পেসার। তার তৃতীয় শিকার মোসাদ্দেক হোসেন হন সরাসরি বোল্ড। এটি ইনিংসের ১৬তম ওভারের ঘটনা। ইনিংসের ১৮ তম ওভারে আবারও জোরা আঘাত হানেন হাসান আলি।

    বিপিএলে মাত্র দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামা হাসান আলির বোলিং ফিগার দেখলেই বোঝা যায় আসলেই তাণ্ডব চালিয়েছেন তিনি। ৩.৩ ওভার বল করে মাত্র ২০ রানের বিনিময়ে তুলে নিয়েছেন ৫ টি উইকেট।

  • শুভ জন্মদিন রুনা লায়লা

    শুভ জন্মদিন রুনা লায়লা

    উপমহাদেশের প্রখ্যাত গায়িকা রুনা লায়লার আজ ৬৫তম জন্মদিন। পাঁচ দশকের দীর্ঘ সঙ্গীত জীবনে ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন দমাদম মাস্ত কালান্দার খ্যাত এই গুণী তারকা শিল্পী। কুড়িয়েছেন উপমহাদেশের কোটি মানুষের ভালোবাসা।

    তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলী ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা আনিতা সেন ওরফে আমেনা লায়লা ছিলেন সঙ্গীত শিল্পী। তার মামা সুবীর সেন ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী।

    রুনা লায়লার যখন আড়াই বছর বয়স তার বাবা রাজশাহী থেকে বদলি হয়ে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের মুলতানে যান। সে সূত্রে তার শৈশব কাটে পাকিস্তানের লাহোরে।

    এবাবের জন্মদিন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন চ্যানেল আয়োজন করেছে বিশেষ অনুষ্ঠান। আজ সকালে থাকছে চ্যানেল আইতে ‘গানে গানে সকাল শুরু’ অনুষ্ঠান। সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে শুরু হতে যাওয়া সরাসরি প্রচার হওয়া এ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন ‘ক্ষুদে গানরাজ’ শিল্পীরা। এতে রুনা লায়লার গাওয়া গানগুলো গাইবেন তারা। এছাড়া সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে বিটিভির সরাসরি গানের অনুষ্ঠানে গাইবেন দিনাত জাহান মুন্নী।

    এদিকে রুনা লায়লা জানিয়েছেন, জন্মদিন উপলক্ষে বাইরের কোনো অনুষ্ঠান কিংবা আনুষ্ঠানিকতায় তিনি অংশ নিচ্ছেন না। তবে নিজ বাসায় পরিবার ও কাছের বন্ধুদের নিয়ে জন্মোৎসবের আয়োজন হবে এদিন সন্ধ্যায়।

    ১৯৭৪ সালের শুরুতে প্রয়াত সত্য সাহার সুরে ‘জীবন সাথী’ ছবিতে গান গাওয়ার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের ছবিতে প্রথম প্লেব্যাক করেন তিনি। গানের কথা ছিল ‘ও জীবন সাথী তুমি আমার’। এ গানে তার সঙ্গে কণ্ঠ দেন খন্দকার ফারুক আহমেদ। তবে পাকিস্তানের ‘যুগ্নু’ ছবিতে ছোটবেলায় রুনা লায়লা প্রথম প্লেব্যাক করেন। এরপর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অসংখ্য ছবিতে তিনি প্লেব্যাক করেছেন।

    সঙ্গীতে আকাশছোঁয়া সাফল্য অর্জন করা শিল্পী রুনা লায়লা নাচেও বেশ পারদর্শী। চার বছর বুলবুল একাডেমি করাচিতে ভরতনাট্যম, কত্থক, কত্থকলি শিখেছিলেন এ তারকা। নন্দিত এই শিল্পী অভিনয় করেছেন ‘শিল্পী’ নামক চলচ্চিত্রেও। পেয়েছেন নানা পুরস্কার।

    এসবের মধ্যে রয়েছে দেশ থেকে চারবার জাতীয় চলিচ্চত্র পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার। এছাড়া ভারত থেকে পেয়েছেন সায়গল পুরস্কার। পাকিস্তান থেকে অর্জন করেছেন নিগার, ক্রিটিক্স, গ্র্যাজুয়েটস পুরস্কারসহ জাতীয় সঙ্গীত পরিষদ স্বর্ণপদক।

    নব্বইয়ের দশকে গিনেস বুকে স্থান পাওয়া এই বাংলাদেশি সঙ্গীত শিল্পীকে জাগো নিউজের পক্ষে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

  • বিপিএলে ১০ ভারতীয়সহ ৭৭ জুয়াড়ি আটক

    বিপিএলে ১০ ভারতীয়সহ ৭৭ জুয়াড়ি আটক

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শুরু হওয়ার পর থেকেই সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে, এ টুর্নামেন্ট ঘিরে সারাদেশে চলছে জুয়ার হিড়িক। সেটাকে আরও ভারি করে তুলেছে আসরের শুরুর দিকে জুয়াকে কেন্দ্র করে রাজধানী বাড্ডায় এক তরুণের খুনের ঘটনা। বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি)। গ্যালারিতে বসে অনলাইনে জুয়া খেলার সময় ১০ ভারতীয়সহ মোট ৭৭ জুয়াড়িকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক।

    শুক্রবার সিলেট সিক্সার্স এবং রাজশাহী কিংসের ম্যাচের পর আনুষ্ঠানিক এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বিপিএল এবং বিসিবির এই কর্মকর্তা।

    জানা গেছে, বাড্ডায় জুয়া নিয়ে এক তরুণের খুনের ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসে বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা। তারা, খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, শুধুমাত্র মাঠের বাইরেই নয়, মাঠের মধ্যে গ্যালারিতে বসেই ক্রিকেট জুয়ায় মেতে উঠেছে একটি চক্র। তাদের ধরতেই মূলতঃ বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিট মাঠে নেমে পড়ে। প্রযুক্তির উৎকর্ষতার কারণে হয়তো তাদের ধরা কঠিন। তবে বিসিবি আড়ি পেতে হোক আর যে ভাবেই হোক, মাঠ থেকেই মোট ৭৭জন জুয়াড়িকে আটক করতে সক্ষম হয়।

    ইসমাইল হায়দার মল্লিক জানান, ৭৭ জন আটককৃত জুয়াড়ির মধ্যে বাংলাদেশি রয়েছেন মোট ৬৫ জন। এছাড়া বিদেশি রয়েছেন ১২ জন। বিদেশিদের মধ্যে ১০ জনই ভারতীয়।

    তিনি বলেন, ‘আমরা ৬৫ বাংলাদেশিকে মাঠে বসে অনলাইনে জুয়া খেলার সময় আটক করেছি। যেহেতু আমরা পুলিশ কেস করতে পারি না, তাই তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করেছি। ৬৫ বাংলাদেশি ছাড়াও বিদেশি ছিল ১২ জন। যার মধ্যে ভারতীয়ই ছিল ১০ জন।’

    বিপিএলের ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি বলের মাঝে যেটুকু সময় থাকে, তারই ফাঁকে অনলাইনে জুয়া খেলা হয় বলে জানান মল্লিক। তিনি বলেন, ‘মূলতঃ এরা অনলাইনে জুয়া খেলে। বিভিন্ন জুয়ার সাইটে মাঠে বসেই জুয়া খেলে। প্রতিটা বল করতে যে টুকু সময় লাগে তার মাঝেই এই কাজটা করে তারা। প্রযুক্তি অনেক এগিয়ে গেছে, তাই এদের ধরা বেশ কঠিন। তবুও আমরা এদের খুঁজে বের করছি যতটা সম্ভব।’

    জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে বিসিবি কোন আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলেও স্বীকার করেন এই বোর্ড পরিচালক। তার মতে, ‘যেহেতু আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার কোন সুযোগ নেই, তাই আমরা তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করে দেই। পরে পুলিশ তাদেরকে অল্প শাস্তি দেয় হয়তো। তবে আমরা মাঠের মধ্যে কেউ কিছু করলে তাদের আমরা আটক করতে পারি।’

    দেশে জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে কোন প্রচলিত কঠিন আইন নেই বলেও জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে মল্লিক বলেন, ‘সারাদেশে যে জুয়াটা হয়, তা নিয়ে আমাদের কোন ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ কিন্তু নেই। আর দেশে জুয়া নিয়ে প্রচলিত কোন কঠিন আইনও নেই। আপনাদের জানাচ্ছি, আমাদের স্টেডিয়ামের মধ্যে কিন্তু একটি দুর্নীতি বিরোধী ইউনিট আছে। স্টেডিয়ামের মধ্যে যদি কিছু হয় তাহলে তারা সাথে সাথে ব্যাবস্থা নেয়।’

    জুয়া থেকে তরুণদের সচেতন করতে বিসিবি মাঠে বিভিন্নভাবে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেও বলে জানান আইএইচ মল্লিক। তিনি বলেন, ‘বিষয়টা কি আসলে দেখেন, বিসিবি কিন্তু সচেতনতা তৈরি করা ছাড়া আর কিছু করতে পারে না। করার কোন সুযোগও নেই। আপনারা দেখবেন, আমরা অলরেডি বোর্ডে এবং স্কোরবোর্ডে জুয়া বিরোধী সচেতনাতামূলক বিভিন্ন লেখা দিচ্ছি।’

  • বিপিএল’র ঢাকা পর্বের সময় সূচিতে পরিবর্তন

    বিপিএল’র ঢাকা পর্বের সময় সূচিতে পরিবর্তন

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ক্রিকেটের পঞ্চম আসরের ঢাকা পর্বের ম্যাচের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বিসিবি। রবিবার সিলেটে গণমাধ্যমকে পরিবর্তিত সময়সূচির তথ্য জানান বিপিএল গভর্নিং বডির সদস্য সচিব ও বিসিবি পরিচালক ইসমাইল হায়দার মল্লিক।

    তিনি জানান, ঢাকা পর্বে দুপুর ২টার ম্যাচ আধা ঘণ্টা এগিয়ে দেড়টায় শুরু হবে। এক ম্যাচ পরে বিরতি এক ঘণ্টার জায়গায় হবে আধা ঘণ্টা এবং দিনের দ্বিতীয় ম্যাচটি সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে।

  • প্রয়োজনে কিডনি বিক্রির ঘোষণা বরিশাল বুলস্ ভক্তদের

    প্রয়োজনে কিডনি বিক্রির ঘোষণা বরিশাল বুলস্ ভক্তদের

    কিডনি লাগলে কিডনি নাও, বরিশালের টিম(বরিশাল বুলস্) ফিরিয়ে দাও” এই শ্লোগানকে সামনে বিক্ষোভ ও মানব-বন্ধন কর্মসূচি পালন করেন বাবুগঞ্জে’র রহমতপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট’র শিক্ষার্থীরা । পঞ্চম বিপিএল ক্রিকেট আসরে বরিশাল বুলস্ খেলছেন না এমন সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ বরিশালের বাবুগঞ্জের ক্রিকেট প্রেমীরা।

    রবিবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ক্রিকেট প্রেমীরা বলেন বরিশালের মত একটি বিভাগীয় বিপিএল এর শক্তিশালী টিম অর্থনৈতিক কারনে বাদ পরবে এটা মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে তাদের। শিক্ষার্থীরা বলেন প্রয়োজনে আমার কিডনি বিক্রি করে টিম স্পন্সরদের টাকা দেব।

    এ সময় তার বরিশালের শিল্প উদ্দ্যোক্তা, রাজনীতিবীদ, ব্যবসায়ীসহ ধনী ব্যক্তিদের বরিশাল বুলসের স্পন্সর হয়ে বরিশাল বুলস্ কে বিপিএল’র পঞ্চম আসরে ফিরিয়ে আনার জন্য অনুরোধ করেন। উল্লেখ্য আর্থিক শর্ত মানতে না পারায় এবারের পঞ্চম আসরে বরিশাল বুলস্ খেলছেন না। নির্ধারিত সময়ে ব্যাংক গ্যারান্টি ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি জমা দিতে না পারায় বিপিএল থেকে বাদ পড়ছে দলটি।

    ঘটনাটিতে বরিশালের কর্নধাররা ব্যপক সমালোচিত হচ্ছে।