Category: রাজণীতি

  • এসএসসি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ উপহার দিলো ছাত্রদল

    এসএসসি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ উপহার দিলো ছাত্রদল

    নিজস্ব প্রতিবেদক: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ এর সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক।
    মো:ইমদাদুল হক মিলন এর পক্ষ থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থীদেরকে, ফাইল,স্কেল, কলম,পেন্সিল,পেন্সিল শার্পনার,ইরেজারসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ দিয়েছেন।
    আজ বুধবার,০৯ এপ্রিল, ২০২৫ইং
    বাবুগঞ্জ উপজেলার। ১নং বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের
    সবুজ বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে এই শিক্ষা উপকরণ দেয়া হয়। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন,
    ১নং বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

  • সোলাইমান সেলিম-জ্যোতি তিনদিনের রিমান্ডে

    সোলাইমান সেলিম-জ্যোতি তিনদিনের রিমান্ডে

    রাজধানীর লালবাগ থানায় মাদ্রাসাছাত্র শাহেনুর রহমান হত্যা মামলায় ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোলায়মান সেলিম ও রামপুরা থানার মেডিকেল কর্মচারী তনিম আব্দুল্লাহ নাহিনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ছেলে শাফি মুদ্দাসির খান জ্যোতির তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

    এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের পাঁচদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শেখ হাসিনার পলায়নের একদিন পর গত বছরের ৬ আগস্ট ভোরে লালবাগ থানাধীন বেড়িবাঁধ এলাকায় বিজয় মিছিল বের করে ছাত্র-জনতা। ওই মিছিলে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা গুলি চালালে মাদরাসাছাত্র শাহেনুর রহমান (১৯) গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় গত ২৯ সেপ্টেম্বর নিহতের ভাই মো. মাজেদুল ইসলাম লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    হত্যাচেষ্টা মামলা সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই দুপুর আড়াইটার দিকে রামপুরা টিভি সেন্টারের সামনে আন্দোলনে অংশ নেন মেডিকেল কর্মচারী তনিম আব্দুল্লাহ নাহিন। এ সময় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হামলায় হাঁটুর নিচে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। এ ঘটনায় তার মা নাজনীন কবির গত ২৬ সেপ্টেম্বর রামপুরা থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

  • চাচা ডেকে সাবেক প্রতিমন্ত্রী এনামুরকে বিয়ে করেন ফরিদা

    চাচা ডেকে সাবেক প্রতিমন্ত্রী এনামুরকে বিয়ে করেন ফরিদা

    সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানের তৃতীয় স্ত্রী ডা. ফরিদা। আশুলিয়ার তালবাগের ফজলুল হকের মেয়ে ফরিদা। কলেজে পড়ার সময় ফরিদা প্রথম বিয়ে করেন। প্রথম স্বামী ফার্মাসিউটিক্যালসের সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ চপলের ঘরে তার একটি ছেলে রয়েছে। এরপর এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. এনামুর রহমানকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ফরিদা বিয়ে করেন। বিয়ের আগে ডা. এনামুরকে তিনি চাচা ডাকতেন।

    রানা প্লাজা ধ্বংসের পর আলোচনায় আসা ডা. এনামুর রহমানের চার স্ত্রী। তবে তৃতীয় স্ত্রী ফরিদার সঙ্গে তিনি তালবাগের বাসায় থাকতেন। রাজনৈতিক অথবা সামাজিক যে কোনো অনুষ্ঠানে ফরিদা বিশেষ অতিথির মর্যাদা পেতে থাকেন। এ কারণে তিনি রাতারাতি সাভারের ‘ফার্স্ট লেডি’ হয়ে ওঠেন। সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ, ঠিকাদারি কাজ, সরকারি চাকরিতে পদোন্নতি, বদলি এমনকি ঝুট ব্যবসার কমিশনের অংশীদার হয়ে ওঠেন ফরিদা। রাতারাতি তিনি অঢেল অর্থের মালিক বলে যান।

    সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এবং এনাম মেডিকেল কলেজে ভর্তিবাণিজ্য করে তিনি কোটি কোটি টাকা কামিয়েছেন। ব্যাংকে টাকা না রেখে তিনি স্বর্ণ ও জমিতে বিনিয়োগ শুরু করেন। পাশাপাশি এনাম মেডিকেল কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে তারা ৫ থেকে ৮ লাখ টাকা দিয়ে ভর্তি হয়েছেন।

    এ টাকা ফরিদার হাতে দিতে হয়েছে। গোহাইলবাড়ী এলাকার ডিগ্রি কলেজের এক সিনিয়র নারী শিক্ষক জানান, পদোন্নতির জন্য তার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা ঘুস নিয়েছেন ফরিদা। তবে তার পদোন্নতি হয়নি। দুই লাখ টাকা ফেরত দিলেও বাকি টাকা তিনি পাননি। টাকা চাইলে তাকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়।

    ৫ আগস্টের পর ডা. ফরিদার নানা অপকর্মের তথ্য বেরিয়ে আসছে।

    সাবেক দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুরের স্ত্রী পরিচয়ে ডা. ফরিদা আগে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে নিয়োগ-বদলি, পদোন্নতি, ঠিকাদারি এমনকি ঝুট বাণিজ্য থেকে নিয়মিত কমিশন নিতেন। বর্তমানে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন। স্বামী জেলে থাকায় মেজাজ খারাপ হলেই তিনি যাকেতাকে ধরে পেটান। কথায়-কথায় তিনি যার-তার গায়ে হাত তোলেন। এসব ঘটনার প্রতিবাদে হাসপাতালের ভেতর ও বাইরে বিক্ষোভ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

    ডা. ফরিদাকে ঘেরাও এবং তার চেম্বার ভাঙচুর করেছে ক্ষুব্ধরা। এরপরও তার দৌরাত্ম্য কমছে না। বরং দিন দিন তা আরও বাড়ছে।

    সর্বশেষ গত সপ্তাহে এনাম নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী অন্বেষাকে পিটিয়েছেন ডা. ফরিদা। এর প্রতিবাদে হাসপাতাল চত্বরে মানববন্ধন করা হয়েছে।

    অভিযোগ-ডিগ্রি না থাকলেও প্রসূতিবিদ্যা ও স্ত্রীরোগবিদ্যা (গাইনি ও অবস) বিভাগের আবাসিক সার্জনের পদ দখলে রেখেছেন ডা. ফরিদা। ডিপ্লোমা (ডিজিও) ডিগ্রি নিয়েই তিনি জটিল সব অস্ত্রোপচার করেন। তার হাতে অসংখ্য প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যু হলেও সবকিছু চাপা পড়ে গেছে। এরই মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে বিএসসি নার্সিং শিক্ষার্থী অন্বেষাকে বেদম পিটুনি দিয়েছেন ফরিদা। সপ্তাহখানেক আগে হাসপাতালের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগবিদ্যা বিভাগের আয়া সুফিয়া খাতুন আঁখিকে পিটুনি দেন ফরিদা। এ ঘটনায় শনিবার ক্ষুব্ধ কর্মচারীরা তাকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে। এক পর্যায়ে ২৪৫ নম্বর কক্ষ ভাঙচুর করা হয়।

    ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি কমিশনের ভাগবাঁটোয়ারা ও দ্বন্দ্বে নিজের বাসায় ডা. এনামুরের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) সাইদুর রহমান সুজনকে বেঁধে পেটান ডা. ফরিদা।

    আঁখি যুগান্তরকে জানান, কয়েকদিন আগে এক ওয়ার্ড বয়কেও ফরিদা ম্যাডাম মেরেছেন। বিনা কারণে আমাকেও তিনি মারধর করেছেন। আমি বিচার চাই।

    স্টাফদের মারধরের কথা সোমবার মোবাইল ফোনে স্বীকার করেন ডা. ফরিদা হক। তবে বিএসসি নার্সিং শিক্ষার্থী অন্বেষাকে মারধরের কথা তিনি চেপে যান।

    কলেজ শিক্ষিকার কাছ থেকে নিয়োগের কথা বলে তিন লাখ টাকা গ্রহণের বিষয়টি স্বীকার করে ফরিদা জানান, দুই লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। বাকি ১ লাখ টাকাও দেওয়া হবে। আর অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে ফরিদা ঘাঁটাঘাঁটি না করার পরামর্শ দেন।

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা গেছে, এনামের তৃতীয় স্ত্রী সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

  • কাদেরের কললিস্টে নায়িকা-নেত্রীদের তালিকা ভাইরাল

    কাদেরের কললিস্টে নায়িকা-নেত্রীদের তালিকা ভাইরাল

    গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মুখে পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। সেই সঙ্গে পালিয়ে গেছেন দলটির প্রধান ও সরকারপ্রধান শেখ হাসিনাসহ অধিকাংশ বড় নেতারা। হাসিনার পর পলাতকের তালিকায় অন্যতম হলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    ক্ষমতায় থাকাকালীন ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বিভিন্ন নায়িকা ও মডেলের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ছিল নিয়মিত ঘটনা। যাতে প্রকাশ পেত অনেক নায়িকার সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্কের রসায়ন। এসব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত আলোচনা-সমালোচনা হতো নেটিজেনদের মুখে। কিন্তু প্রকাশ্যে সেগুলো নিয়ে কেউ কথা বলতে সাহস করতো না।

    পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে কাদেরকে নিয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে।

    সর্বশেষ গেল ৫ আগস্টও ওবায়দুল কাদেরের ব্যক্তিগত ফোন নম্বরটি দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে ফোন ট্র্যাক লোকেশন ছিল মোহাম্মদপুর।

    এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত হলো তার একটি কললিস্ট।

    ওই কললিস্ট অনুযায়ী ৫ আগস্টের আগে-পরে দুই মাসে অসংখ্য নম্বরে কথা বলেছেন কাদের। যেখানে অনেক নায়িকা, মডেল, অভিনেত্রী ও নেত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়টি উঠে এসেছে।

    ওই কললিস্ট অনুযায়ী নায়িকা কেয়া, মিস বাংলাদেশ ফারজানা, অ্যানজেনা এলিনসহ মডেল নায়িকারা যেমন আছেন। তেমনি ফোন দিয়েছেন ময়মনসিংহের নেত্রী কবিতাকেও।

    আরেক বেসরকারি টেলিভিশনের তথ্যনুযায়ী জানা যায়, ৫ আগস্ট ওবায়দুল কাদের নায়িকা সোহানা সাবাসহ প্রয়াত নায়িকা মেঘলার সঙ্গেও একাধিকবার যোগাযোগ করেন।

    ওবায়দুল কাদেরের ৫ আগস্টসহ আগের এবং পরবর্তী সময়ের কললিস্টের সিডিআর কপির আংশিক প্রকাশ করে প্রবাসী সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর। এই সিডিআর কপি বের হওয়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ওবায়দুল কাদেরের কললিস্ট।

    এরআগে দেশের বিভিন্ন লোকেশনে ওবায়দুল কাদের আছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিকবার খবর ছড়িয়ে পড়ে।

    কোথাও কোথাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযানও চালিয়েছে। তবে কোথাও মেলেনি তার খোঁজ। গুঞ্জন আছে, অন্যান্য নেতাদের মতো দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন ওবায়দুল কাদেরও। তিনিও ভারতে আছেন।

    তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওবায়দুল কাদেরের ব্যবহৃত সিমের লোকেশন ও কললিস্ট ভাইরাল হয়েছে। তবে ওই কল লিস্টের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। ভাইরাল ওই তালিকায় দেখা যায়, সর্বশেষ ৫ আগস্টের দিন দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে তার ফোন ট্র্যাক লোকেশন ছিল মোহাম্মদপুর।

  • স্ত্রী-কন্যাসহ খায়রুজ্জামান লিটনের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

    স্ত্রী-কন্যাসহ খায়রুজ্জামান লিটনের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

    রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এ. এইচ. এম খায়রুজ্জামান লিটন, তার স্ত্রী মিসেস শাহীন আক্তার এবং দুই কন্যা আনিকা ফারিহা জামান এবং মায়সা সামিহা জামানের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।

    দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা কমিশনের উপপরিচালক আক্তারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, দুদকের উপপরিচালক মোজাম্মিল হক, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এ. এইচ. এম খায়রুজ্জামান লিটন, তার স্ত্রী ও দুই কন্যার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেছিলেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

    আবেদনে বলা হয়, খায়রুজ্জামান লিটন এবং ছয়টি সংসদীয় আসনের সাবেক আট সংসদ সদস্যের (এমপি) বিরুদ্ধে ৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ফেলে আত্মগোপনে যাওযার অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে।

    অনুসন্ধানকালে গোপন সূত্রে জানা যায়, খায়রুজ্জামান লিটন ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ রয়েছে।

    অভিযোগ সংশ্লিষ্ট খায়রুজ্জামান লিটন ও তার স্ত্রী মিসেস শাহীন আক্তার দেশ ছেড়ে পলায়ন করে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর করার চেষ্টা করছেন মর্মে অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়।

    তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কাজ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য তাদের বিদেশ গমণে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একান্ত প্রয়োজন।

  • আনিসুল শাজাহানসহ নতুন মামলায় গ্রেফতার ৯

    আনিসুল শাজাহানসহ নতুন মামলায় গ্রেফতার ৯

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকেন্দ্রিক রাজধানীর বিভিন্ন থানার হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী শাজাহান খানসহ নয়জনকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

    গ্রেফতার দেখানো অন্যরা হলেন—সাবেক পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোলায়মান সেলিম, সাংবাদিক দম্পতি ফারজানা রূপা ও শাকিল আহম্মেদ এবং যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হোসেন।

    এর মধ্যে আনিসুল হক, শাজাহান খান, আতিকুল ইসলামকে যাত্রাবাড়ী থানার একটি করে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। খিলগাঁও হত্যাচেষ্টা ও পল্টন থানার হত্যা মামলায় সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামকে, মিরপুর থানার হত্যা মামলায় কামাল আহমেদ মজুমদার ও লালবাগ থানার হত্যা মামলায় সাবেক এমপি সোলায়মান সেলিমকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

    এছাড়া সাংবাদিক দম্পতি ফারজানা রূপা ও শাকিল আহম্মেদকে যাত্রাবাড়ী থানার দুই হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন আদালত।

    এদিকে যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসানকে যাত্রাবাড়ী থানার পৃথক দুই হত্যা ও এক হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

  • সাংবাদিকরা ভুয়া নিউজ করে আমাদের ১২টা বাজিয়ে দিচ্ছে

    সাংবাদিকরা ভুয়া নিউজ করে আমাদের ১২টা বাজিয়ে দিচ্ছে

    অনেক সাংবাদিক ভুয়া নিউজ করে আমাদের ১২ টা বাজিয়ে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন, ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোলাইমান সেলিম।

    বুধবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীক লালবাগ থানার আরেকটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালতে তোলা হলে তিনি এ কথা বলেন।

    এদিন সকাল ১০ টা ৮ মিনিটের দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে সোলাইমান সেলিম ছাড়াও কয়েকজন এমপি-মন্ত্রীকে হাতে হাতকড়া, গায়ে বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও মাথায় হেলমেট পরিয়ে হাজির করা হয়। এরপর সবাইকে কাঠগড়ায় রাখা হয়। অন্যান্য দিনের মতো কাঠগড়ার পাশে পুলিশ সারি করে নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে দাঁড়ান। প্রত্যেক আসামির আইনজীবীরাও কাছে চলে আসেন। এসময় আসামিরা ওকালতনামায় স্বাক্ষরসহ তার আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন।

    সোলাইমান সেলিম এক আইনজীবীকে ডেকে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে থাকেন। কথা বলার সময় আইনজীবী সোলাইমান সেলিমের কাছে কারাগারে কেমন জীবন কাটাচ্ছেন জানতে চান। এসময় সোলাইমান সেলিম বলেন, ‘রোজা আছি। বই পড়ি। পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলা যায়। সেহরি ও ইফতারে খাবার নরমাল দেয়। দেখছেন না সবার মুখ কেমন শুকনো।’

    কিছুক্ষণ পরেই এজলাসে বিচারক আসেন। তবুও কর্ণপাত করেন না সোলাইমান সেলিম। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে সোলাইমান সেলিম বলতে থাকেন, ‘অনেক সাংবাদিক ভুয়া নিউজ করে। তারা লিখেছে শাহজাহান খানসহ অনেকে নাকি কারাগারে ভালো খাবার খাচ্ছে। এসব ভুয়া নিউজ করে আমাদের ১২ টা বাজিয়ে দিচ্ছে।’

    এসময় কাঠগড়ার পাশে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে বারণ করেন। তখন সোলাইমান সেলিম পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জবাই তো দেবেন। একটু সময় দেন।’

    এরপরই ক্ষোভ প্রকাশ করে সোলাইমান সেলিম আইনজীবীকে বলেন, যেকোনো সময় ফাঁসির আদেশ আসলেও এতে আমি অবাক হব না। বঙ্গবন্ধুর বাড়ির যেভাবে ভাঙা হয়েছে। বুঝা শেষ।’

    পরবর্তীতে শুনানি শেষে সোলাইমান সেলিমকে হাজতখানায় নেওয়া হচ্ছিল। এসময় তিনি তার আরেক আইনজীবীকে ডেকে বাবা হাজি সেলিমের খোঁজ নেন। তার বাবার শরীর খারাপ। কী অবস্থা খোঁজ খবর জানাতে বলেন। এরপর হাজতখানায় নিয়ে যাওয়ার সময় সোলাইমান সেলিমকে তার বক্তব্য ‘যেকোনো সময় ফাঁসির আদেশ’ এর বিষয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘তড়িঘড়ি করে বিচার হয় না।’

  • সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ৩৯ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

    সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ৩৯ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

    সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ৩৯ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব অ্যাকাউন্টে ৫ কোটি ২৬ লাখ ৮৩ হাজার ৮৫ টাকা রয়েছে।

    বুধবার (৫ মার্চ) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।

    দুদকের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। আজকে দুদক থেকে ৩৯টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদনে করে। পরে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

    দুদক বলছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য টিম গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে তিনি এসব অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর বা স্থানান্তর করতে পারে বলে জানা যায়।

    এর আগে গত ১৭ অক্টোবর সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার পরিবারের নামে থাকা দেশ-বিদেশের ৫৮০ বাড়ি/এপার্টমেন্ট/জমিসহ স্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে যুক্তরাজ্যে ৩৪৩টি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২২৮টি এবং যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে ৯টি। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি ব্যাংকের হিসাব ও বাংলাদেশের একটি ব্যাংকের হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে গত ৭ অক্টোবর সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্ত্রী রুকমীলা জামানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।

    এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্ত্রী রুকমিলা জামানের নামে থাকা সব ধরনের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। পরে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ২৩ (১) (গ) ধারা অনুযায়ী সাইফুজ্জামানের ভাই আনিসুজ্জামান চৌধুরী, আনিসুজ্জামান স্ত্রী ইমরানা জামান চৌধুরী ও মেয়ে আনিছা জামানের ব্যক্তিগত হিসাব ও তাদের ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত হিসাবের লেনদেন প্রথম দফায় ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    ২০১৩ উপ-নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এরপর ২০১৪ সালের ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-১৩ আসন থেকে আবার নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-১৩ আসন থেকে নির্বাচিত হন। পরে তিনি ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-১৩ আসন থেকে আবার নির্বাচিত হন।

  • অর্থপাচার মামলায় তারেক রহমান ও মামুনের আপিলের রায় ৬ মার্চ

    অর্থপাচার মামলায় তারেক রহমান ও মামুনের আপিলের রায় ৬ মার্চ

    সিঙ্গাপুরে অর্থপাচারের অভিযোগে মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের সাজার বিরুদ্ধে আপিলের রায়ের জন্য আগামী ৬ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

    মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই দিন ধার্য করেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ জাকির হোসেন ও অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন।

    গত বছরের ১০ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে অর্থপাচারের অভিযোগে মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৭ বছরের সাজা স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। মামলায় তারেক রহমানের বন্ধু ও ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের ৭ বছরের সাজাও স্থগিত করা হয়। একই সঙ্গে তাদের জরিমানাও স্থগিত করেন আপিল বিভাগ।

    সিঙ্গাপুরে অর্থপাচারের অভিযোগে ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর একটি মামলায় ঢাকার একটি বিশেষ জজ আদালত তারেক রহমানকে খালাস দেন। ওই মামলায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তারেক রহমানকে খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) হাইকোর্টে আপিল করেন। ওই আপিল শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০১৬ সালের ২১ জুলাই বিচারিক আদালতের খালাসের রায় বাতিল করে তারেক রহমানকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে ২০ কোটি টাকা জরিমানা করেন।

  • শিক্ষার্থীদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে কে কোন পদে

    শিক্ষার্থীদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে কে কোন পদে

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃ্ত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীদের নতুন রাজনৈতিক দলের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। দলটির নাম দেওয়া হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি।দলটির আহ্বায়ক হচ্ছেন নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব হিসেবে আখতার হোসেনকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এক বৈঠকে বেশ কয়েকটি পদের জন্য নাম চূড়ান্ত করেছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

    নতুন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক পদে হাসনাত আবদুল্লাহর নাম চূড়ান্ত হয়েছে। আর উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হিসেবে থাকছেন সারজিস আলম।

    তবে যুগ্ম আহ্বায়ক ও যুগ্ম সদস্য সচিব পদে অনেকগুলো নামের প্রস্তাব থাকায় কাউকে এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি বলে জানা গেছে। পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী, আগামীকাল (২৮ ফেব্রুয়ারি) নতুন এই রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে।

    নতুন কমিটি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত নেতৃত্ব দেবে বলে জানা গেছে। এজন্য দলের আহ্বায়ক কমিটির আকার বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কমিটির একটা খসড়া তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এতে জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সম্মুখযোদ্ধাদের স্থান দেওয়া হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে। এছাড়াও জুলাই আন্দোলনের আলোচিত নারী নেত্রীরা নতুন দলে জায়গা পাচ্ছেন বলে জানা গেছে।