Category: রাজণীতি

  • অর্থনৈতিক ও সামাজিক সব সূচক এখন সুদৃঢ়: স্পিকার

    অর্থনৈতিক ও সামাজিক সব সূচক এখন সুদৃঢ়: স্পিকার

    স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সকল সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এখন সুদৃঢ়।

    আজ রবিবার সংসদ ভবনে ১৩তম ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস অব চায়না’র (এনপিসি) স্টান্ডিং কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও চাইনিজ এসোসিয়েশন ফর ইন্টারন্যাশনাল আন্ডারস্ট্যান্ডিং-এর প্রেসিডেন্ট মি. জি বিংজুয়ানের নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, বিগত কয়েক বছর ধারাবাহিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রবৃদ্ধি বর্তমানে ৮ শতাংশ। সরকার তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়ন সেবা পৌঁছে দিচ্ছে।

    সাক্ষাৎকালে তাঁরা দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন, বাংলাদেশের অবকাঠামোগত ও আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, বাণিজ্য প্রসার, সিল্করোড কানেক্টিভিটি স্থাপন ও সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

    স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার চীন। তিনি বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ করে ১শ’টি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, হাই-টেক পার্ক ও তথ্য-প্রযুক্তি ক্ষেত্রে চীনকে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। জনবহুল বাংলাদেশের একটা বড় অংশই হচ্ছে তরুণ তাই বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতে বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দু’দেশের সংসদ সদস্যদের সফর বিনিময় এবং মৈত্রীগ্রুপ গঠনের মাধ্যমে বিদ্যমান সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    স্পিকার বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তন হচ্ছে। বর্তমান সরকারের অন্যতম এজেন্ডা দারিদ্রের হার কমিয়ে আনা। ইতোমধ্যে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় দারিদ্রের হার ৪০ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে নেমে এসেছে।

    এ সময় বাংলাদেশস্থ চীনের রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং ঝুও, প্রতিনিধিদলের সদস্যবৃন্দ এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রতিনিধিদল একাদশ জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

  • রাজনৈতিক সমালোচনায় ভব্যতা-ভদ্রতা বজায় রাখুন: তথ্যমন্ত্রী

    রাজনৈতিক সমালোচনায় ভব্যতা-ভদ্রতা বজায় রাখুন: তথ্যমন্ত্রী

    রাজনৈতিক সমালোচনায় ভব্যতা-ভদ্রতা বজায় রাখতে বিরোধী দলগুলোর রাজনীতিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

    রবিবার দুপুরে ঢাকায় সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না ‘ফোর-টুয়েন্টি বাজেট’ বলার বিষয়ে সাংবাদিকরা মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (মাহমুদুর রহমান মান্না) যে ভাষায় সমালোচনা করেছেন তা শুনে আমি প্রার্থনা করি যে, বারবার দলবদল করার কারণে তাকে যেন কেউ ‘ফোর-টুয়েন্টি রাজনীতিবিদ’ না ভাবেন।

    মন্ত্রী বলেন, ‘সমগ্র বিশ্ব বলছে, বিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে আর গত ১০ বছর ধরে সিপিডি ও বিএনপি একই বক্তব্য, গৎবাঁধা সমালোচনা করে আসছে। সিপিডি‘র গবেষণা কি বিশ্বব্যাংকের চেয়েও ভালো! গত বছর তো বিএনপি বাজেট দেবার আগেই প্রতিক্রিয়া দিয়ে দিয়েছিল, এবছর অবশ্য পরে দিয়েছে। এমন নিরর্থক সমালোচনা না করে আমি তাদের বলব, অর্থবহ সমালোচনা করে যুক্তি-তর্কের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে। আর রাজনৈতিক সমালোচনায় ভব্যতা-ভদ্রতা বজায় রাখতে।’

    প্রতি বাজেটের পর বিএনপি এবং সিপিডি গৎবাঁধা একই সমালোচনা করে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখবেন, তারা ঘুরেফিরে তিনটি কথা বলে। তারা বলে, বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয়, উচ্চাভিলাষী এবং গণমুখী নয়, এটি দরিদ্র মানুষের জন্য কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না- এসব কথাই তারা গত দশ বছর ধরে বলে আসছে।’

    ‘অথচ গত ১০ বছরে দেশে মাথাপিছু আয় ৬০০ ডলার থেকে ২০০০ ডলারে উন্নীত হয়েছে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে আড়াইগুণ। বাজেটে ভুল থাকলে মাথাপিছু আয় তিনগুণ কী করে হলো? কীভাবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হলো?’ প্রশ্ন রাখেন তথ্যমন্ত্রী।

    ড. হাছান মাহমুদ বিএনপি ও সিপিডি’র কাছে আরো প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, গত ১০ বছরে দেশটা কিভাবে এগোলো? দারিদ্র্যসীমা অর্ধেকে কিভাবে এলো ? মানুষের মাথাপিছু আয় সাড়ে ৩ গুণ কিভাবে বাড়লো? ক্রয়ক্ষমতা কিভাবে আড়াই গুণ বাড়লো? খাদ্যঘাটতির দেশ থেকে কিভাবে খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে রূপান্তরিত হলো? বাংলাদেশ সমগ্র পৃথিবীর কাছে কিভাবে উদাহরণ হলো?’

    ‘শুধু তাই নয়, গত দশ বছর ধরে শেখ হাসিনার সরকারের বাজেট বাস্তবায়নের হার ৯৫ শতাংশ। উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নের হারও ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ, যা বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের সক্ষমতার পরিচায়ক’, বলেন তথ্যমন্ত্রী।

    এবছরের বাজেট কেমন, তা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেট একটি চমৎকার বাজেট। এটি শিল্প ও ব্যবসা বান্ধব বাজেট, যাতে কর্ম সংস্থান ও করদাতার সংখ্যা বাড়বে।’

    এসময় ‘গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার পরিবর্তনের আন্দোলনে যাবে গণফোরাম’ এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি গণফোরাম সভাপতিকে বলব, তার নিজের দলের ঐক্যই আগে ধরে রাখার চেষ্টা করতে, কারণ অনেকেই সেখান থেকে চলে যাচ্ছে। তার দলই যদি ঠিক না থাকে, আন্দোলন করবেন কিভাবে!”

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, তথ্যসচিব আবদুল মালেক, ডিবিসি২৪ টিভি চ্যানেলের চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

  • সব জেলায় বিকেএসপির শাখা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা সরকারের

    সব জেলায় বিকেএসপির শাখা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা সরকারের

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, ‘সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় দেশের প্রতিটি জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) একটি শাখা প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

    জাতীয় সংসদে রোববার বিরোধী দলীয় এমপি মুজিবুল হক চুন্নুর তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

    এ সময় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমানে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলায় বিকেএসপির প্রধান কার্যালয়সহ খুলনা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগীয় সদরে বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। রংপুর বিভাগের বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি দিনাজপুর জেলা সদরে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। রাজশাহী বিভাগে বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও কক্সবাজার জেলার রামুতে বিকেএসপির একটি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার কাজ চলমান রয়েছে।

  • আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলেই দেশের উন্নয়ন হয় : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলেই দেশের উন্নয়ন হয় : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার ফলেই দেশের সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি নদী ভাঙ্গন রোধ এবং নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো কে পূর্নবাসন ও আর্থিক সহায়তা করে আসছে। তিনি আরো বলেন,দেশে প্রত্যেক নদী ভাঙ্গণের রূপ এক এক রকমের ।

    পর্যায়ক্রমে এসব নদীর ভাঙন রোধ,নদীর তীর সংরক্ষন,বাধ রক্ষা নির্মাণ সহ নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা রক্ষার বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়ন মূলক কাজ করছে সরকার। তিনি আজ রোববার (১৬ জুন) সকালে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া নদী ভাঙ্গন থেকে শ্রীপুর বাজার রক্ষা প্রকল্পের ড্রেজিং মেশিন দ্বারা নদী খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন,স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ,পানি উন্নয়ন বোর্ডের দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ জুলফিককার আলী,প্রধান প্রকৌশলী (ড্রেজার) মোঃ আব্দুল ওয়াহাব,তত্ত্বাবোধক প্রকৌশলী মোঃ শফি উদ্দিন ও নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাঈদসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সরকারের ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে শ্রীপুর বাজার রক্ষা প্রকল্পের আওতায় তেতুলিয়া নদীর ১ কিলোমিটার লম্বা ও ২০০ মিটার পাশে খনন কাজটি পানি উন্নয়ন বোর্ড বাস্তবায়ন করছে।

  • রাজধানীতে ৩৩৯৪ বস্তি : সংসদে মন্ত্রী

    রাজধানীতে ৩৩৯৪ বস্তি : সংসদে মন্ত্রী

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত বস্তি শুমারি ও ভাসমান লোকগণনা জরিপ-২০১৪ অনুযায়ী ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মোট বস্তির সংখ্যা ১ হাজার ৬৩৯টি। মোট খানা এক লাখ ৩৫ হাজার ৩৪০টি। উত্তর সিটির বস্তিতে মোট জনসংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার ১৯ জন।

    অপরদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মোট বস্তি ১ হাজার ৭৫৫টি। বস্তির খানার সংখ্যা ৪০ হাজার ৫৯১টি। জনসংখ্যা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৬ জন।

    জাতীয় সংসদে রোববার সরকার দলীয় এমপি হাজী মো. সেলিমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মন্ত্রী।

    তাজুল ইসলাম আরও জানান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আদাবর থানায় ৪৭২ বস্তি, বাড্ডায় ১২১, বনানীতে ১০, দারুস সালামে ৫৪, ভাসানটেকে ৮, গুলশানে ৮, কাফরুলে ১০৯, খিলক্ষেতে ৭১, মিরপুরে ১১৭, মোহাম্মদপুরে ২৮৪, পল্লবীতে ৭০, রামপুরায় ১৬৮, শাহআলীতে ১৫ ও শেরেবাংলা নগরে ১৩৮টি বস্তি রয়েছে।

    অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বংশাল থানায় ১৯ বস্তি, চকবাজারে ১৫০, ধানমন্ডিতে ১৭, গেন্ডারিয়ায় ৪৯, হাজারীবাগে ২৪৩, যাত্রাবাড়ীতে ১৬৫, কলাবাগানে ৫, কামরাঙ্গীরচরে ২৬৫, খিলগাঁওয়ে ৪২৬, কোতোয়ালিতে ৫, লালবাগে ২৭৮, মতিঝিলে ৪, নিউমার্কেট থানায় ৫, রমনায় ৮, শাহজাদপুরে ৭৯, শাহবাগে ৭, সূত্রাপুরে ৫ ও ওয়ারী থানায় ২৫টি বস্তি রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

  • নদী ভাঙনকবলিত এলাকা রক্ষায় বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ করছে সরকার : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    নদী ভাঙনকবলিত এলাকা রক্ষায় বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ করছে সরকার : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) জাহিদ ফারুক এমপি বলেছেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার কারণেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন হচ্ছে। পাশাপাশি, নদীভাঙন রোধ ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো পুর্নবাসন ও আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে।

    রোববার (১৬ জুন) বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ভাঙনকবলিত তেঁতুলিয়া থেকে শ্রীপুর বাজার রক্ষা প্রকল্পে খননকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে একেকটি নদীভাঙনের রূপ একেক ধরনের। পর্যায়ক্রমে এসব নদীর ভাঙন রোধ, নদীর তীর সংরক্ষণ, বাঁধ নির্মাণসহ নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা রক্ষার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ করছে সরকার।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. জুলফিককার আলী, প্রধান প্রকৌশলী (ড্রেজার) মো. আব্দুল ওয়াহাব, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শফি উদ্দিন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাঈদসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে শ্রীপুর বাজার রক্ষা প্রকল্পের আওতায় তেঁতুলিয়া নদীতে এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ২০০ মিটার প্রস্থের খননকাজ বাস্তবায়ন করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।’

  • বুখারায় রাষ্ট্রপতিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

    বুখারায় রাষ্ট্রপতিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

    রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ উজবেকিস্তানের রাজধানী বুখারায় পৌঁছেছেন। আজ রবিবার বিকেলে তিনি তাজিকিস্তানের থেকে উজবেকিস্তানের বুখারা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা জানানো হয়।

    উজবেক এয়ারফোর্সের একটি ভিভিআইপি বিশেষ বিমান রাষ্ট্রপতি ও তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে স্থানীয় সময় ১ টা ২৫ মিনিটে বুখারা বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

    রাষ্ট্রপতি মধ্য এশিয়ার দুই দেশ তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানে সাতদিনের সরকারি সফরে রয়েছেন। তাজিকিস্তানে তিনি পঞ্চম কনফারেন্স অন ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড কনফিডেন্স মেজার ইন এমিয়া (সিআইসিএ) এ যোগদান শেষে উজবেকিস্তান সফরে যান।

    বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা অভ্যর্থনা জানান। আবদুল হামিদ বুখারায় রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে যোগদান করবেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মুখপাত্র জানিয়েছে।

    এর আগে উজবেকিস্তানের উদ্দেশে স্থানীয় সময় বেলা পৌনে ১ টায় দুশানবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী রাশীদা খানম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে মোমেনসহ অন্যান্য সফরসঙ্গীরা তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

  • সেনাবাহিনীকে সব সময় জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    সেনাবাহিনীকে সব সময় জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেনাবাহিনীকে সবসময় জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এর নেতৃত্ব যোগ্য এবং দেশপ্রেমিক অফিসারদের হাতে ন্যস্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীকে সবসময় জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। এজন্য এর নেতৃত্ব যোগ্য, দক্ষ, কর্মক্ষম এবং দেশপ্রেমিক অফিসারদের হাতে ন্যস্ত করতে হবে।

    আজ রবিবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০১৯ এর সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি একথা বলেন। বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচনী পর্ষদ পদোন্নতির জন্য এমন সব সেনা কর্মকর্তাদের সুপারিশ করবে যাদের দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস, নেতৃত্বের যোগ্যতা, পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা এবং আনুগত্য রয়েছে।

    তিনি বলেন, জাতির পিতা উন্নত ও পেশাদার সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করে ১৯৭৪ সালেই প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করেন। সেই আলোকেই বর্তমান সরকার একটি শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার জন্য আর্ম ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করেছে।

    এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুই প্রথম ব্যক্তি যিনি এই মাটিতে জন্মগ্রহণ করেই এদেশ শাসন করেছেন। এর আগে যারা শাসন করেন তাদের কারোই জন্ম এদেশে নয়।

    প্রধানমন্ত্রী এবং জাতির পিতার বড় মেয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত সোনার বাংলা গড়ার জন্যই তার সরকার নিরন্তর সংগ্রাম করে যাচ্ছে। যেখানে কেউ আর ক্ষুধার্ত থাকবে না।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠান স্থলে পৌঁছলে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ তাকে স্বাগত জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রতিরক্ষা সচিব আখতার হুসেইন ভুইয়া এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

  • রাম দা দেখিয়ে জবর দখল, যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

    রাম দা দেখিয়ে জবর দখল, যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

    দেশীয় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে জমি জবর দখলের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ডোয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা কামাল হোসেন।

    রোববার সকালে জামালপুরের সরিষাবাড়ী থানায় শাকিলা জাহান চাঁন বাদী হয়ে ২১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করলে ওইদিনই থানা এলাকা থেকে যুবলীগ নেতা কামালকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, সরিষাবাড়ী উপজেলার মাজালিয়া বিলপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের নিকট থেকে ১৯৫৩ সালে হাসড়া মাজালিয়া মৌজার ৬১ শতাংশ জমি সাফ কওলা মূলে মনিরুদ্দিনের ছেলে মৃত মোজাফফর মৃত জন শেখ মালিকানায় ভোগ দখল কর আসছিল। যুবলীগ নেতা কামাল হোসেন প্রকৃত ভূমি মালিকদের লাগানো প্রায় অর্ধ শতাধিক ফলজ ও বনজ বৃক্ষ কেটে নিয়ে যায়।

    এছাড়াও বাড়ীর আঙ্গীনায় থাকা শতাধিক কলা গাছ ও সবজী বাগানের ক্ষতি সাধন এবং জমিতে একটি ছাপড়া ঘর উত্তোলনসহ জমি জবর দখলের চেষ্টা করে। এসময় প্রকৃত জমির মালিক আলতাব হোসেন ও তার লোকজন বাধা দিতে গেলে যুবলীগ নেতা কামাল সন্ত্রাসী কায়দায় তাদের উপর হামলা চালিয়ে মারপিট করে।

    এ সময় আলতাব হোসেন (৪৫) রুবেল (২৪) কাদের (৪৫) তোতা (৩৮), চানমিয়া (৫০), ঝর্ণা (৩২), রওশনারা (৩৮) অনিক (১২), তকির (১৪), রিপন (১৩) আহত হয়। গুরুতর আহতদের উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে বাকীদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    এ ব্যাপার সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মাজেদুর রহমান বলেন, অস্ত্রের মহগা দিয়ে জমি দখলের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। ১নং আসামী কামাল হোসেনকে মামলা সংক্রান্তে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • জুলাইয়ে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: গতি পাবে এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প

    জুলাইয়ে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: গতি পাবে এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প

    বিগত ২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঢাকা সফরের সময় দেশটির সঙ্গে ২৭ প্রকল্পে ২২ বিলিয়ন (২২০০ কোটি) ডলারের ঋণ সহায়তার সমঝোতা হয় বাংলাদেশের। এরমধ্যে গত তিন বছরে পদ্মাসেতু রেলসংযোগসহ ৫ প্রকল্পে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তি হয়েছে দেশটির সঙ্গে। শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে আগামী জুলাইয়ে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সফরে আরও বেশ কিছু প্রকল্প আশার আলো দেখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে ‘ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’সহ বেশ ক’টি প্রকল্প বিশেষ গুরুত্ব পাবে। এর মধ্যে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ছাড়াও আছে ‘এক্সপানশন অ্যান্ড স্ট্রেংদেনিং অব পাওয়ার সিস্টেম নেটওয়ার্ক’ প্রকল্প, ‘পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংদেনিং’ প্রকল্প, ‘জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী সেকশনে ডুয়েল গেজ রেললাইন’ প্রকল্প, ‘আখাউড়া-সিলেট রুটে ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ’ প্রকল্প ও আইপি টিভি বা ইন্টারনেট প্রোটোকল টিভি সেবা চালু প্রকল্প। তবে চীনা ঋণে বাস্তবায়ন হচ্ছে বা হবে এমন ২৭টি প্রকল্পেরই সবশেষ তথ্য তুলে ধরে দেশটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে চিঠি দেবে ঢাকা। চীনের ঋণে বাস্তবায়ন হবে এমন বেশ কিছু প্রকল্প ইতোমধ্যেই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়েছে।

    ইআরডি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের মূল্য উদ্দেশ্য ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী আশুলিয়া অংশের যানজট নিরসন করা। সফলভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার সঙ্গে ৩০টি জেলার সহজ সংযোগ স্থাপিত হবে। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাও হবে যানজটমুক্ত। পাশাপাশি যানজটমুক্ত হবে আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়া-বাইপাইল-চন্দ্রা এলাকা।

    এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে ১৬ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীনের এক্সিম ব্যাংক ঋণ দেবে ১০ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা। বাকি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে নেওয়া হবে। সমঝোতা হলেও প্রকল্পের ঋণ চুক্তি এখনো সই হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সফরে এই প্রকল্পের ঋণ চুক্তির বিষয়টি গতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সূত্র মতে, সমঝোতা অনুযায়ী এক্সপানশন অ্যান্ড স্ট্রেংদেনিং অব পাওয়ার সিস্টেম নেটওয়ার্ক প্রকল্পে ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে চীন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ১২০ কোটি টাকা (এক ডলার সমান ৮০ টাকা ধরে)। ইতোমধ্যেই সরকারি খাত থেকে এডিপিতে (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)। ঋণ চুক্তির জন্য প্রকল্পটি প্রস্তুতও করা হয়েছে।

    পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংদেনিং প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)। এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তি হতে পারে চীনা এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অংক প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। এজন্য ইতোমধ্যে এডিপিতে ৭১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    এছাড়া আখাউড়া-সিলেট রুটে ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় হবে ১৬ হাজার ১০৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। ২২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ রুটের বিদ্যমান মিটার গেজ রেললাইনকে ডুয়েল গেজে রূপ দেওয়ার প্রকল্পটিতে চীন সরকার জিটুজি পদ্ধতিতে দেবে ১০ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা ঋণ। অন্যদিকে জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী সেকশনে ডুয়েল গেজ রেললাইন প্রকল্পের আওতায় এক বিলিয়ন ডলার (৮ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা) ঋণ দেবে চীন সরকার।

    এর বাইরে দেশে ছয়টি আইপি টিভি বা ইন্টারনেট প্রোটোকল টিভি বা ইন্টারনেট টেলিভিশন আসছে। আম্বার আইটি লিমিটেড, বিডিকম অনলাইন লিমিটেড, লিংক থ্রি টেকনোলজি লিমিটেড, ডোজ (কার্নিভাল) ইন্টারনেট, চট্টগ্রাম অনলাইন এবং আইসিসি লিমিটেড নামের ছয়টি কোম্পানি এই আইপি টিভি এবং ভিওডি সেবা চালু করতে যাচ্ছে। এ খাতেও চীন দেবে ১২ দশমিক ৫ কোটি ডলার ঋণ। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ হাজার কোটি টাকা।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, একনেকে অনুমোদন পাওয়া বেশ ক’টি প্রকল্পের ঋণ চুক্তির বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে গতি পাবে। অন্য প্রকল্পের বিষয়ও প্রাধান্য পাবে, যেন কম সময়ে ঋণ চুক্তিতে দু’টি দেশ সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে।

    এ বিষয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বন্ধু রাষ্ট্র। চীনা ঋণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আরও নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে চীনা ঋণের ওপর নির্ভর করে। তাই প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফর সাম্প্রতিক জাপান সফরের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। এই সফরে কয়েকটি প্রকল্পের ঋণ চুক্তি হতে পারে। ঋণ চুক্তি না হলেও বেশ কিছু প্রকল্প গতি পাবে। কিছু প্রকল্প একেবারেই ফাইনাল স্টেজে আছে, যেমন ‘এক্সপানশন অ্যান্ড স্ট্রেংদেনিং অব পাওয়ার সিস্টেম নেটওয়ার্ক’ প্রকল্প। আর যেসব প্রকল্প এখনো ফাইনাল স্টেজে আসেনি সেসব প্রকল্পের অগ্রগতিও হবে যেমন ‘ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি’ ।