Category: অন্যান্য

  • বরিশালে ব্রিটিশ নারী বিপ্লবী মনোরমা বসু মাসিমা’র ১২০তম জন্মদিন অনুষ্ঠিত

    বরিশালে ব্রিটিশ নারী বিপ্লবী মনোরমা বসু মাসিমা’র ১২০তম জন্মদিন অনুষ্ঠিত

    হুজাইফা রহমান:

    অগ্নিযুগের বিপ্লবী, নারী মুক্তি সংগ্রামের অগ্রসেনানী বিশিষ্ট কমিউনিস্ট নেত্রী, মহীয়সী নারী মনোরমা বসু মাসিমা’র ১২০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বরিশালে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মনোরম বসু মাসিমা স্মৃতি ট্রাস্ট ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, বরিশাল জেলা শাখার যৌথ আয়োজনে বরিশালে মনোরমা বসু মাসিমা প্রতিষ্ঠিত মাতৃমন্দির স্কুল প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মনোরমা বসু মাসিমা’র সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত পাঠ করেন এ্যাড. বিশ্বনাথ দাস মুন্সী। এরপর বরিশালের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গরা সভায় বক্তব্য রাখেন। সেখানে মনোরমা বসু মাসিমা’র জীবন দর্শন ও তার সংক্ষিপ্ত জীবন কর্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    বক্তারা বলেন, মনোরমা বসু মাসিমা’র আদর্শ গ্রহণ না করার কারণে সমাজে এতো অবক্ষয় হচ্ছে। তাই মনোরমা বসু মাসিমা’র জীবনী ও আদর্শ সম্পর্কে সবাইকে জানাতে হবে। এবং তারা সকলের কাছে বরিশালে মনোরমা বসু মাসিমা’র পুরনো ঘরটি সংস্কার করার দাবী জানান। এছাড়া সঙ্গীত পরিবেশন করে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী বরিশাল জেলা সংসদ এর শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল মহিলা পরিষদের সভাপতি।

  • অনিয়ন্ত্রিত ভাবে ভরাট হচ্ছে পুকুর-জলাশয় : হুমকির মুখে পরিবে

    অনিয়ন্ত্রিত ভাবে ভরাট হচ্ছে পুকুর-জলাশয় : হুমকির মুখে পরিবে

    সানিজদ সিফাত

    ধান,নদী আর খাল এই তিনে বরিশাল। এক সময় খালের নগরী ছিল বরিশাল, কিন্তু শুধু খাল নয় নগরিতে খালের সসাথে সমানে ছিল পুকুর ও জলাভূমি। বরিশাল নগরীতে এক সময় অগনতিক পুকুর ছিল যার সংখ্যা দিনে দিনে কমে আসছে । কিন্তু বর্তমানে পুকুর হ্রাসের হার যেন আটকানোই যাচ্ছে না। আর এই ভরাট কাজে ব্যাবহৃত হচ্ছে অভিনব সব পদ্ধতি।

    নদী থেকে বালি উত্তোলন করে ড্রেজার মেশিনের মধ্যমে সল্প সময়ের মধ্যেই ভরাট হচ্ছে পুকুর,জলাভূমি। কখনো আবার বালি আনাহচ্ছে ট্রাকক বা অন্য কোনো মাধ্যমে। আর এই ভাবে পুকুর,জলাধার ভরাটের ফলে সৃষ্ট হচ্ছে জলবদ্ধতা,পানির স্তর নেমে যাওয়া, পরিবেশের ভারসম্য নষ্ট সহ নানা সমস্যা। এক সময়ে বাংলার শষ্য ভান্ডার ও বলাহত বরিশালকে। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে ধানী জমি বালু দিয়ে ভরাট করে প্লট আকারে বিক্রি করা হচ্ছে।

    আর এই ভাবে জমি বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে জমির পূর্বের মালিকরা যার ফলে বর্তমানে ফসলী জমি ভরাটও একটি সাধারন দৃশ্যে পরিনত হয়েছে।যার ফল স্বরুপ দিনে দিনে কমে ছে ফসলী জমির পরিমাপ। এক্ষেত্রে যদিও প্রশাসনের করনীয় তেমন কছু নেই, কারন যেসব পুকুর বা জলাধার ভরাট হচ্ছে তার অধিকাংশই ব্যাক্তি মালিকানাধীন। যার ফলে এই বিপর্যয় আটকানোর কোনো সহজ রাস্তাও খোলা নেই।

    যদি দিনে দিনে এইভাবে সকল জলাধার ভরাট হতে থাকে তাহলে ভবিষৎতে বড় ধরনের বিপর্যয়েরর সম্মুখীন হতে হবে বরিশাল নগরীকে। তাই অনেকে মনে করছেন এই সমস্যা দূরি করনের প্রধান হাতিয়ার হলো জনসচেতনতা। বেশি বেশি প্রচারনা করে সাধারন জনগনকে সচেতন করে তুলতে পারলেই এই বিপর্যয় থামানো সম্ভব।

  • আজ ব্রিটিশ বিপ্লবী শহীদ তিতুমীরের ১৮২তম মৃত্যুবার্ষিকী

    আজ ব্রিটিশ বিপ্লবী শহীদ তিতুমীরের ১৮২তম মৃত্যুবার্ষিকী

    হুজাইফা রহমান:

    তিতুমীর , যাঁর প্রকৃত নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী (জন্ম ২৭শে জানুয়ারি , ১৭৮২ , ১৪ই মাঘ, ১১৮২ বঙ্গাব্দ, মৃত্যু ১৯শে নভেম্বর , ১৮৩১ ) ছিলেন একজন ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী । তিনি ওয়াহাবী আন্দোলন এর সাথে যুক্ত ছিলেন । তিনি জমিদার ও ব্রিটিশদের বিরূদ্ধে সংগ্রাম ও তাঁর বিখ্যাত বাঁশের কেল্লার জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন । ব্রিটিশ সেনাদের সাথে যুদ্ধরত অবস্থায় এই বাঁশের কেল্লাতেই তাঁর মৃত্যু হয় । তিতুমীরের জন্ম হয় চব্বিশ পরগনার বসিরহাটের চাঁদপুর গ্রামে (বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে) । তাঁর পিতার নাম মীর হাসান আলী এবং মাতার নাম আবিদা রোকেয়া খাতুন ।

    তিতুমীরের প্রাথমিক শিক্ষা হয় তাঁর গ্রামের বিদ্যালয়ে । পরবর্তীকালে তিনি স্থানীয় একটি মাদ্রাসাতে লেখাপড়া করেন । ১৮ বছর বয়সে তিতুমীর কোরানে হাফেজ হন এবং হাদিস বিষয়ে পাণ্ডিত্য লাভ করেন । একই সাথে তিনি বাংলা , আরবি ও ফার্সি ভাষায় ব্যুৎপত্তি লাভ করেন । ১৮২২ সালে তিতুমীর মক্কায় হজ্জব্রত পালনের উদ্দেশ্যে যান । তিনি সেখানে স্বাধীনতার অন্যতম পথপ্রদর্শক সৈয়দ আহমেদ শহীদের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন ও ওয়াহাবী মতবাদে অনুপ্রাণিত হন । সেখান থেকে এসে (১৮২৭) তিতুমীর তাঁর গ্রামের দরিদ্র কৃষকদের সাথে নিয়ে জমিদার এবং ব্রিটিশ নীলকদের বিরুদ্ধে সংগঠিত হয়ে আন্দোলন শুরু করেন । তিনি এবং তাঁর অনুসারীরা তৎকালীন হিন্দু জমিদারদের অত্যাচারের প্রতিবাদে ধুতির বদলে ‘তাহ্বান্দ’ নামে এক ধরনের বস্ত্র পরিধান শুরু করেন । তিতুমীর হিন্দু জমিদার কৃষ্ণদেব রায় কর্তৃক মুসলমানদের উপর বৈষম্যমূলকভাবে আরোপিত ‘দাঁড়ির খাজনা’ এবং মসজিদের করের তীব্র বিরোধিতা করেন ।

    তিতুমীর ও তাঁর অনুসারীদের সাথে স্থানীয় জমিদার ও নীলকর সাহেবদের মধ্যে সংঘর্ষ তীব্রতর হতে থাকে । আগেই তিতুমীর পালোয়ান হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন এবং পূর্বে জমিদারের লাঠিয়াল হিসাবে কর্মরত ছিলেন । তিনি তাঁর অনুসারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে তোলেন । তিতুমীরের অনুসারীর সংখ্যা বেড়ে এক সময় ৫,০০০ গিয়ে পৌঁছায়। তারা সশস্ত্র সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়। ১৮৩১ সালের ২৩শে অক্টোবর বারাসতে র কাছে বাদুড়িয়ার ১০ কিলোমিটার দূরে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তাঁরা বাঁশের কেল্লা তৈরি করেন। বাঁশ এবং কাদা দিয়ে তারা দ্বি-স্তর বিশিষ্ট এই কেল্লা নির্মাণ করেন। তিতুমীর বর্তমান চব্বিশ পরগনা , নদীয়া এবং ফরিদপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের অধিকার নিয়ে সেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। স্থানীয় জমিদারদের নিজস্ব বাহিনী এবং ব্রিটিশ বাহিনী তিতুমীরের হাতে বেশ কয়েকবার পরাজয় বরণ করে। তন্মধ্যে বারাসতের বিদ্রোহ অন্যতম। উইলিয়াম হান্টার বলেন, ঐ বিদ্রোহে প্রায় ৮৩ হাজার কৃষকসেনা তিতুমীরের পক্ষে যুদ্ধ করেন।

    অবশেষে ১৮৩১ সালের ১৩ নভেম্বর ব্রিটিশ সৈন্যরা তাদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। তিতুমীর স্বাধীনতা ঘোষণা দিলেন, “ভাই সব, একটু পরেই ইংরেজ বাহিনী আমাদের কেল্লা আক্রমণ করবে। লড়াইতে হার-জিত আছেই, এতে আমাদের ভয় পেলে চলবে না। দেশের জন্য শহীদ হওয়ার মর্যদা অনেক। তবে এই লড়াই আমাদের শেষ লড়াই নয়। আমাদের কাছ থেকে প্রেরণা পেয়েই এ দেশের মানুষ একদিন দেশ উদ্ধার করবে । আমরা যে লড়াই শুরু করলাম, এই পথ ধরেই একদিন দেশ স্বাধীন হবে।” ১৪ নভেম্বর কর্নেল হার্ডিং-এর নেতৃত্বে ব্রিটিশ সৈন্যরা ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তিতুমীর ও তাঁর অনুসারীদের আক্রমণ করে। তাদের সাধারণ তলোয়ার ও হালকা অস্ত্র নিয়ে তিতুমীর ও তার সৈন্যরা ব্রিটিশ সৈন্যদের আধুনিক অস্ত্রের সামনে দাঁড়াতে পারে নি। ১৪শে নভেম্বর তিতুমীর ও তাঁর চল্লিশ জন সহচর শহীদ হন। তাঁর বাহিনীর প্রধান মাসুম খাঁ বা গোলাম মাসুমকে ফাঁসি দেওয়া হয়। বাশেঁর কেল্লা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

  • অবশেষে ভেদ হলো ধোনিকে অধিনায়ক করার সেই রহস্য!

    অবশেষে ভেদ হলো ধোনিকে অধিনায়ক করার সেই রহস্য!

    বর্তমানে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম প্রিয় ক্রিকেটার ধোনি। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ‘সর্বশ্রেষ্ঠ ফিনিশার’ তকমা তিনি অনেকদিন আগেই পেয়েছেন।

    বিশ্বের একমাত্র অধিনায়ক হিসেবে তার দখলে রয়েছে আলাদা ফরম্যাটের জোড়া বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।

    ভারতের উঠতি ক্রিকেটারদের কাছে তিনি সাক্ষাৎ অনুপ্রেরণা। তার নেতৃত্ব দেওয়ার ধরণ নতুন ক্রিকেট শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম শিক্ষা। এমনকী, নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার পরেও মাঠে বিরাট কোহলিকে পরামর্শ দেন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে।

    আদর্শ অধিনায়ক বলতেই যার কথা চলে আসে, সেই ধোনি কীভাবে নেতৃত্ব পেলেন ২০০৭ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে। সম্প্রতি ধোনি খোলসা করেছেন সেই কথা। তিনি জানিয়েছেন, তিনি যে জাতীয় দলের অধিনায়ক হতে পারেন, সেই বিষয়ে তার ঘুণাক্ষরেও কোনও ধারণা ছিল না।

    ধোনি নিজের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে বলেন, ‘‘যখন অধিনায়কত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল আমি সেই আলোচনার অংশ ছিলাম না। তবে মনে হয় ক্রিকেট খেলার প্রতি সৎ থাকা, খেলাকে বুঝতে পারার ক্ষমতার জন্য অধিনায়ক করা হয়েছিল।

    ’’

    পাশাপাশি ধোনির আরও সংযোজন, ‘‘খেলাকে বুঝতে পারাটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। যদিও সেই সময় স্কোয়াডের উঠতি ক্রিকেটারদের অন্যতম ছিলাম, তবু সেই সময় খেলার প্রতি আমার দৃষ্টিভঙ্গী একজন সিনিয়র ক্রিকেটারকে জানাতে দ্বিধাবোধ করিনি। তবে মাঝে মাঝে এটাও মনে হয়, দলের অন্য ক্রিকেটারদের সঙ্গেও আমার সম্পর্ক বেশ ভাল ছিল। ’’

  • হিজাব পরায় ভারতে চাকরি মিলল না মুসলিম নারীর!

    কাজের সন্ধানে ভারতের পাটনা থেকে দিল্লি এসেছিলেন নেডাল জোয়া (২৭)। একটি ভাল চাকরিও প্রায় জুটিয়ে ফেলেছিলেন।

    হিজাব পরার কারণেই শেষ পর্যন্ত চাকরিটি দেওয়া হল না জোয়াকে। গোটা বিশ্বের পাশাপাশি ভারতেও ইসলামোফোবিয়া যে কতটা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে এই ঘটনাই তার উদাহরণ।

    মুম্বাইয়ের টাটা ইন্সিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সেস (টিস) মাস্টার্স করেছেন জোয়া। গত অক্টোবরে আবেদন করেন দিল্লির কোটলা মুবারকপুরে অবস্থিত একটি নারী অরফানেজ হোমের সোশ্যাল ওয়ার্কার পদে। শর্ট লিস্টের পর ওই অরফানেজ হোমের সিইও হরিশ ভার্মা আবেদনকারী জোয়াকে অনলাইন টেস্টে বসার জন্য বলেন। তার একটি ছবি পাঠানোর কথাও বলা হয়। নিয়োগের একটি প্রাথমিক শর্ত হিসাবে জোয়াকে তার হিজাবটি খুলে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    তা করতে অস্বীকার করায় জোয়াকে একটি মেইল পাঠান সিইও হরিশ ভার্মা। সেখানেই ভার্মা জানান, আমি সত্যিই হতবাক যে জোয়া মানবিকতাকে অগ্রাধিকার না দিয়ে কট্টর ইসলামকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

    জোয়ার সমস্ত উচ্চশিক্ষাই নর্দমায় চলে গেছে। তার ওই অরফানেজের ভিতর কোনরকম ধর্মমূলক কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। ওই পদের জন্য অন্য একজন মুসলিম নারীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যিনি ‘আধুনিক এবং ধর্ম মুক্ত চিন্তাধারার’।

    এ ব্যাপারে ভার্মা জানান, আমরা একটি ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র, আমরা কখনওই ধর্মের ওপর ভিত্তি করে কোন ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার দিতে চাই না। সেই কারণেই আমি আমার অরফানেজটিকে ধর্ম-মুক্ত করতে চাই। আমার ধর্ম হল মানবিকতা এবং অবশ্যই আমার প্রতিষ্ঠানে কোন ধর্মকেই কোনরকম প্রাধান্য দেওয়া হবে না।

    জোয়া জানান,  আমার স্কার্ফ আমার সাহস ও আত্মবিশ্বাস যোগায় এবং আমার মাথায় আবরণ দেওয়াটা সম্পূর্ণভাবে আমার ব্যক্তিগত পছন্দ। ইমেইলে আমাকে বলা হয়, ‘এক কিলোমিটার দূর থেকেও আপনাকে একজন মুসলিম নারীর মতো দেখতে লাগে এবং সেটা আপনার বাহ্যিক পোশাকের কারণে। ‘

    এ ব্যাপারে দিল্লির শাসক দল আম আদমি পার্টি (আপ)’র স্থানীয় বিধায়ক সৌরভ ভরদ্বাজ জানান,  জোয়া যদি কোন অভিযোগ জানায় তবে সেক্ষেত্রে তার সরকার অভিযুক্ত ভার্মার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। ভারতীয় সংবিধান কখনই কারও বিশ্বাসের ভিত্তিতে বৈষম্য করার অনুমতি দেয়নি।

  • বাচ্চার জন্য মায়া থাকলে সঙ্গে কেন নিয়ে গেল না : শাকিব

    বাচ্চার জন্য মায়া থাকলে সঙ্গে কেন নিয়ে গেল না : শাকিব

    ছেলে আব্রাম খান জয়কে তালাবন্দী করে অপু বিশ্বাস চিকিৎসার জন্য বিদেশে চলে গেছেন। এটা তার স্বামী ঢালিউড অভিনেতা শাকিব খানের বক্তব্য।

    কিন্তু অপু বিশ্বাস তা মানতে রাজি নন। জানান, একটা চাবি তার কাছে আছে। কিন্তু তিনি তালা মেরে আসেননি। তালা ভেতর থেকেই লাগানো হয়েছে।

    ‘ছেলে জয়কে তালাবন্দী’ ইস্যুতে অপু-শাকিবের পারস্পরিক মতবিরোধ ফের প্রকাশ্যে এসেছে। এ নিয়ে কলকাতা থেকে দেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন অপু। এসব বক্তব্যে তিনি তার অবস্থান ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন। তালা দেখে শাকিব কেন ফোন দেননি এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অপু।

    কিন্তু শাকিব বিষয়টি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না।

    শাকিব বলেন, এমন কি অসুস্থ হলো যে তার বাংলাদেশে চিকিৎসা নেই?  কিছু হলে তো বাচ্চার কথা সবসময়ই বলে অপু। আমার কথা হচ্ছে, বাচ্চার জন্য মায়া থাকলে সঙ্গে কেন নিয়ে গেল না?

    থাইল্যান্ডে ‘মাস্ক’ ছবির শ্যুটিং থেকে বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন শাকিব। ছেলে তালাবন্দী শুনে ছুটি যান অপুর নিকেতনের বাসায়। কিন্তু তালা লাগিয়ে রাখার কারণে তিনি ছেলের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। এসময় শাকিবের সঙ্গে সাংবাদিক-পুলিশ ছিল। কিন্তু সাংবাদিক-পুলিশ নিয়ে শাকিবের ছেলে দেখতে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন আছে স্ত্রী অপুর। তার বক্তব্য, কোনো বাবা সাংবাদিক-পুলিশ নিয়ে ছেলে দেখতে যায় না।

  • যে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব জিতলেন ভারতীয় তরুণী

    যে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব জিতলেন ভারতীয় তরুণী

    ১৭ বছর পর আবার ভারতে ফিরল মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট। ২০০০ সালে মাকে নিজের আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করে মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট পেয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

    এবারও মাকে সম্মান জানিয়েই সেরার শিরোপা পেলেন ভারতীয় তরুণী মানুষী চিল্লার।

    শনিবার চীনের বেইজিংয়ে ২০১৭-র মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার ফাইনালিস্ট মানুষীকে প্রশ্ন করা হয়, কোন পেশার মানুষের সবচেয়ে বেশি বেতন হওয়া উচিত এবং কেন?

    মেডিক্যাল ছাত্রী মানুষী বলেন, সবচেয়ে বেশি সম্মান পাওয়া উচিত মায়ের। শুধু টাকা নয়, মাকে সবসময় ভালবাসা ও শ্রদ্ধা করা উচিত। আমার মা-ও আমার কাছে সবচেয়ে বড় আদর্শ। তাই মায়েরাই সবচেয়ে বেশি বেতন পাওয়ার যোগ্য।

    ২০০০ সালে মিস ওয়ার্ল্ডের খেতাব জিততে মা নিয়ে দেওয়া উত্তর সাহায্য করেছিল প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে। প্রশ্ন করা হয়, এখনকার কোন নারীকে আপনি সবচেয়ে সফল বলে মনে করেন এবং কেন?’ উত্তরে প্রিয়াঙ্কা বলেন, আমি অনেককে নিজের আদর্শ বলে মনে করি। কিন্তু সবচেয়ে শ্রদ্ধা করি মাদার তেরেসাকে।

  • যৌন নির্যাতন প্রতিটি বাড়িতেই হয়: রাধিকা আপ্তে

    যৌন নির্যাতন প্রতিটি বাড়িতেই হয়: রাধিকা আপ্তে

    যৌন নির্যাতন যে শুধুমাত্র সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে হয় এমন নয় এটি সবখানেই ঘটে থাকে। এমনকি প্রতিটি বাড়িতেই কমবেশি যৌন নির্যাতন হয়ে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে।

    সম্প্রতি স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাধিকা জানান, প্রতিটি বাড়িতে কমবেশি যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে থাকে। শুধুমাত্র ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এটি সীমাবদ্ধ নয়। পৃথিবীর সর্বত্র শিশুনিগ্রহ বা ওই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে থাকে। ভারতেও হয়। যৌন নির্যাতনের শিকার শুধুমাত্র নারীরা হয়ে থাকেন, তা মনে করেন না রাধিকা। তাঁর কথায়, পুরুষ মানুষও যৌন নিগ্রহের শিকার হয়। বাদ যায় না বাচ্চা ছেলেরাও। যেখানে যে ক্ষমতাবান সেখানে সে তার বলপ্রয়োগ করে থাকে।

    তিনি আরও বলেন, যৌন নিগ্রহের ঘটনা ইন্ডাস্ট্রিতে কারোর সঙ্গে ঘটলে চুপ করে থাকা উচিত নয়।

    দরকার প্রতিবাদ করার। সরব হওয়ার।   তাঁর মতে, পরিশ্রম আর নিজের প্রতিভার প্রতি আস্থা রেখে এগিয়ে যেতে হবে। মুখ খুললে নিজের ক্ষতি হবে বা ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে হবে, এসব ভাবলে চলবে না। তাহলেই এই ধরনের ঘটনা কম ঘটবে।

  • যুবরত্ন সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহর শুভ জন্মদিন আজ

    যুবরত্ন সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহর শুভ জন্মদিন আজ

    শেখ সুমন:

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বরিশাল বাসীর প্রানের মানুষ ,যুবরত্ন সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহর আজ জন্মদিন ।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের এই নবীন নেতা, পার্বত্য শান্তি চুক্তির রূপকার জনাব সেরনিয়াবাদ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পুত্র ।দাদা ও বাবার মত সাধারণ গণ মানুষের সেবা করার জন্য রাজনীতিতে আসেন সাদিক আব্দুল্লাহ।অতি অল্প সময়ে সাধারণ মানুষের প্রাণের মানুষ হয়ে যান সাদিক আব্দুল্লাহ।

    রাজনীতিতে এসে বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের হাল ধরেন এই তরুন রাজনীতিবিদ ।ইতিমধ্যেই বরিশাল মহানগরীর ত্রিশটি ওয়ার্ডের সকল মানুষের কাছে পরিচিত মুখ সাদিক আব্দুল্লাহ।যুব সমাজের জন্য কাজ করায় বরিশালবাসি তাকে যুবরত্ন হিসেবে উপাধি দিয়েছেন ।যানাগেছে আজকের এই দিনটি সাধারণ মানুষের সাথে কাটাবেন সাদিক আব্দুল্লাহ।

    আজকের এই দিনে বাংলার মুখ 24 .কম পত্রিকার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

  • জাতির মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    জাতির মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্বের অমূল্য দলিল হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে ইতিহাসকে কখনো মুছে ফেলা যায় না। ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করলেও তা মুছে ফেলা যায় না।

    মুছে ফেলতে পারে নাই কেউ। আজকে সেটাই প্রমাণিত হয়েছে। তিনি জাতির মর্যাদাকে সমুন্নত রাখতে সকলকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান।

    তিনি আজ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইউনেস্কো কতৃর্ক জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণকে ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি রেজিষ্টারে অন্তর্ভুক্ত করা উপলক্ষ্যে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।

    প্রায় ৪৬ বছর আগে এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দাঁড়িয়েই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সমগ্র বাঙালি জাতিকে বাঙালি জাতিস্বত্তার মূলমন্ত্রে আবদ্ধ করার এবং স্বাধীনতার আহ্বান হিসেবে স্বীকৃত তাঁর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রদান করেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি শুধু স্বীকৃতিই নয়, প্রতিশোধও বটে। ইতিহাসও প্রতিশোধ নেয়, ইতিহাসও সত্যকে তুলে ধরে। যতই তা মুছতে চেষ্টা করা হোক ইতিহাস তার সত্যিকারের অবস্থানটা অবশ্যই তুলে ধরবে। আজকে সেই স্বীকৃতিই বাংলাদেশ পেয়েছে।

    তিনি বলেন, এই স্বীকৃতির মধ্যদিয়ে শুধু এই ভাষণ নয়, সমগ্র বাংলাদেশ, বাঙালি জাতি, সকল শহীদ, সকল মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি সকলেই আজকে বিশ্বদরবারে সন্মানিত হয়েছে।

    সরকার প্রধান বলেন, আমার মাঝে মাঝে মনে হয় যারা একদিন এই ভাষণ বাজাতে বাধা প্রদান করেছে, যারা জাতির পিতার নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে, আজকে যখন ইউনেস্কো এই ভাষণকে তাঁর ঐতিহাসিক দলিলে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাদের কি এখন লজ্জা হয় না। তাদের কি এখন এতটুকুও দ্বিধা হয় না।

    ‘ওয়াল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ৭মার্চের মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কোর এই সন্মাননা প্রদান উপলক্ষ্যে আয়োজিত নাগরিক সন্মাণনায় দেশ বরেন্য ব্যাক্তিবর্গসহ লাখো জনতার উপস্থিতিতে এদিনের অনুষ্ঠানস্থল ও তাঁর চারপাশ পূর্ণ হয়ে ওঠে।

    উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭মার্চের ভাষণকে তাদের ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি রেজিষ্টারে অন্তভ’ক্ত করে।

    এমিরেটাস অধ্যাপক আসিনুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, বিজ্ঞানী ও লেখক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি ও প্রধান বিয়েট্রিস খলদুন।

    বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে জাসদ সভাপতি এবং তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তম, এবং ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা, বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এবং নের্তৃস্থানীয় শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ নাগরিক সমাবেশে অংশ নেন।

    বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে উপস্থিত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে সমাবেশের স্বতস্ফুর্ত জনসমুদ্রের দিকে ইঙ্গিত করে সূর্যালোকিত আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতদিন মেঘে ছেয়ে ছিল আজকে আবার সূর্য নতুনভাবে দেখা দিয়েছে, কাজে এই সূর্যই এগিয়ে নিয়ে যাবে বাংলাদেশকে।