যে কারণে বিমানবন্দরে আটক হয়েছিলেন রুনি

ইংলিশ তারকা ফুটবলার ওয়েন রুনিকে ১৬ ডিসেম্বর আটক করেছিল ওয়াশিংটন পুলিশ। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও এভারটনের সাবেক এই ফরোয়ার্ড ডুলস বিমান বন্দর থেকে আটক করা হয়েছিল।

যদিও অর্থের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। বিবিসি জানাচ্ছে, সৌদি আরবে একটি প্রোমোশনাল ট্রিপ সেরে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছিলেন রুনি। বিমান বন্দরে নামার পর তিনি নাকি মদ্যপ অবস্থায় বিমানবন্দরে থাকা যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। এর পর টাকার বিনিময়ে তাকে ছাড়া হয়। বর্তমানে তিনি মেজর সকার লিগের (এমএলএস) দল ডিসি ইউনাইটেডের হয়ে খেলছেন।

এর আগেও মদ্যপ অবস্থায় তিনি আটক হয়েছিলেন। যদিও সংবাদ মাধ্যমের কাছে রুনির মুখপাত্র দাবি করেছে, মদ্যপ ছিলেন না তিনি, ঘুমের ওষুধ খাওয়ায় এমন ঘটনা ঘটে।মুখপাত্র আরও বলেন, বিমানে ডাক্তারের দেয়া ঘুমের ওষুধ অ্যালকোহলের সঙ্গে খেয়েছিলেন রুনি। নামার পরও তার প্রভাব ছিল। আটক করার সময় পুলিশ তাকে সামান্য কিছু অভিযোগের কথাই বলেছিল।জরিমানা দিয়ে বিমান বন্দরেই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। বিষয়টি মিটে গিয়েছে।ওয়েন রুনিও পুলিশের ব্যবহারের প্রশংসা করেছেন ইউএস সংবাদ মাধ্যমে।

রুনির ক্লাব ডিসি ইউনাইটেডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আমরা বুঝতে পারছি সংবাদ মাধ্যমের আগ্রহের কারণ। কিন্তু এটা ওয়েনের ব্যাক্তিগত বিষয় এবং ক্লাব সেটা মিটিয়ে নেবে।২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ওয়েন রুনি। এর পর তাকে দুই বছরের জন্য নির্বাসিত করা হয় মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর উপর।গেল বছর জুলাইয়ে ডিসি ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছিলেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা। মেজর লিগ সকারে ভাল জায়গায় শেষ করতে পারেনি দল। ২০২০ পর্যন্ত ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে ইংল্যান্ডের সাবেক এই অধিনায়কের। এই মৌসুমের এমএলএস-এ রুনির দল প্রথম খেলতে নামবে আটলান্টা ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ৩ মার্চ।গেল নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে দীর্ঘ ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে ‘গুড বাই’ বলেন রুনি।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *