Category: আন্তর্জাতিক

  • দিল্লির ঘরে ঘরে জ্বর!

    দিল্লির ঘরে ঘরে জ্বর!

    ভারতের রাজধানী দিল্লিতে কোভিডের মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে অনেকেরই। গত সাত দিন ধরে দিল্লির ৫০ শতাংশের বেশি বাড়িতে ভাইরাল জ্বর, নিউমোনিয়া, ডায়েরিয়ার সমস্যা দেখা দিয়েছে।

    চিকিৎসকরা বলছেন, অনেকেরই উপসর্গ কোভিডের মতো বলেই জানা যাচ্ছে। প্রবীণ ও শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন এ ভাইরাসে।

    ভারতের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অনির্বাণ দলুইয়ের মতে, শীতের পর তাপমাত্রা বাড়ছে। কখনও ঠান্ডা, আবার কখনও গরম। এই পরিবর্তন এত ঘন ঘন হচ্ছে যে, জীবাণুরাও পরিবর্তিত আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছে। দ্রুত বংশবিস্তার করছে। অ্যাডিনোভাইরাস, রাইনো ভাইরাসের সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, কোভিড ছড়াচ্ছে কি না, তার নিশ্চিত প্রমাণ এখনও নেই। এ রাজ্যেও কোভিড ছড়ানোর আশঙ্কা এখনও তেমনভাবে নেই। তবে রাইনো ভাইরাসের সংক্রমণ হলে শ্বাসের সমস্যা হয়। পাঁচ বছরের নীচে শিশু ও বয়স্করাই বেশি আক্রান্ত হন।

    অ্যাডিনোভাইরাসে আক্রান্ত হলে গলা ও ঘাড়ের চার দিকের গ্ল্যান্ড ফুলে যেতে পারে। সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়।

    রোটাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটলে ঘন ঘন ডায়েরিয়া হতে পারে।

  • পাকিস্তানে ট্রেনে জিম্মি দেড় শতাধিক যাত্রী উদ্ধার, ২৭ সন্ত্রাসী নিহত

    পাকিস্তানে ট্রেনে জিম্মি দেড় শতাধিক যাত্রী উদ্ধার, ২৭ সন্ত্রাসী নিহত

    পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে ট্রেনে জঙ্গিদের হাতে জিম্মি দেড় শতাধিক যাত্রীকে উদ্ধার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। এ সময় অভিযানে নিহত জঙ্গিদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে।

    পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, সর্বশেষ জঙ্গিকে নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী।

    নিরাপত্তা বাহিনী বেলুচিস্তানের বোলান জেলায় হামলার শিকার জাফর এক্সপ্রেসে থাকা ১৫৫ জন জিম্মিকে সফলভাবে মুক্ত করেছে এবং ২৭ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। এ ছাড়া শেষ জঙ্গিকে পরাজিত না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    তবে ট্রেনটিতে ঠিক কতসংখ্যক সশস্ত্র জঙ্গি অবস্থান করছে তা এখনও অজানা। নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধারের জন্য নিরাপত্তা সদস্যরা অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।

    কোয়েটা থেকে পেশোয়ারগামী জাফর এক্সপ্রেস ট্রেনটি মঙ্গলবার বালুচিস্তানের বোলান এলাকায় পৌঁছানোর পর হামলার শিকার হয়।

    বিস্ফোরণ ঘটিয়ে রেললাইনের একটি অংশও উড়িয়ে দেওয়া হয়। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে বালুচ লিবারেশন আর্মি।

    হামলার সময় ট্রেনে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর শতাধিক সদস্যসহ কমপক্ষে চারশ’ যাত্রী ছিলেন যাদের বেশিরভাগই হামলাকারীদের হাতে জিম্মি হন।

    স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে যে, যাত্রীদের জিম্মি করে বালুচিস্তানের রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দাবি করেছে বালুচ লিবারেশন আর্মির সদস্যরা।

    ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মেনে না নেওয়া হলে জিম্মিদের হত্যা করারও হুমকি দিয়েছে তারা।

    পাকিস্তানের সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অভিযানে কোণঠাসা হয়ে পড়ায় বালুচ লিবারেশন আর্মির সদস্যরা এখন নারী ও শিশুদের ‘ঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করছে।

    তবে যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে খুব সাবধানতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এখন পর্যন্ত সশস্ত্র গোষ্ঠীর অন্তত ২৭ সদস্য নিহত হয়েছে।

    অন্যদিকে বেলুচিস্তানের রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবি না মেনে জিম্মি উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখলে সরকারকে ‘ভয়াবহ পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দিয়েছে বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)।

    উল্লেখ্য, বালুচিস্তান পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় প্রদেশ। প্রাকৃতিক সম্পদের দিক থেকেও প্রদেশটি সবচেয়ে সমৃদ্ধ। কিন্তু সেখানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

    সশস্ত্র সংগঠন বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) বালুচিস্তানকে স্বাধীন করার দাবিতে কয়েক দশক ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ স্টেশন, রেললাইন, মহাসড়কসহ সরকারি অসংখ্য স্থাপনায় তাদেরকে প্রায়ই হামলা চালাতে দেখা যায়।

    বালোচ লিবারেশন আর্মিকে (বিএলএ) নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান সরকার।

    এ ছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ আরও কয়েকটি পশ্চিমা দেশ বিএলএকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করেছে।

  • পাকিস্তানে যাত্রীবাহী ট্রেন হাইজ্যাক, জিম্মি শতাধিক

    পাকিস্তানে যাত্রীবাহী ট্রেন হাইজ্যাক, জিম্মি শতাধিক

    পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে গুলিবর্ষণের পর একটি যাত্রীবাহী ট্রেন হাইজ্যাক করা হয়েছে। এ সময় হামলায় ট্রেনচালকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এছাড়া নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যসহ অন্তত শতাধিক যাত্রীকে জিম্মি করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার বেলুচিস্তানের কোয়েটা থেকে খাইবার পাখতুনখোয়ার পেশোয়ারগামী ‘জাফর এক্সপ্রেস’ ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। ট্রেনটিতে সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি পুলিশ এবং আইএসআইয়ের সদস্যরাও ছিলেন। খবর ডনের।

    বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি এ হামলার দায় স্বীকার করে জানিয়েছে, তারা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ বেশ কয়েকজনকে জিম্মি করেছে।

  • আইসিইউ থেকে পালালেন ‘কোমা’য় থাকা রোগী, হাসপাতালের ভয়ঙ্কর জালিয়াতি ফাঁস

    আইসিইউ থেকে পালালেন ‘কোমা’য় থাকা রোগী, হাসপাতালের ভয়ঙ্কর জালিয়াতি ফাঁস

    নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) ‘কোমায় থাকা রোগী’ হেঁটে এসে ফাঁস করলেন হাসপাতালের জালিয়াতির কথা। মধ্যপ্রদেশের রতলামের এক বেসরকারি হাসপাতালের সামনের এমন একটি ঘটনা সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে বন্দি থাকা এক রোগী পালিয়ে রাস্তায় দৌঁড়ে বেরিয়ে কেলেঙ্কারির বিষয়টি প্রকাশ করে দিয়েছেন। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেই ঘটনার ভিডিও।

    ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে দেখা যায়, খালি গায়ে নাকে নল লাগানো অবস্থায় এক তরুণ হাসপাতালের বাইরে বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ জানিয়ে কিছু বলছেন। পাশে দাঁড়িয়ে স্ত্রী ও সন্তান। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ভিডিওতে দেখা যায় তরুণকে স্থানীয় গীতা দেবী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ, হাসপাতালের কর্মীরা টাকা নেওয়ার জন্য তরুণের স্ত্রীকে তার স্বামীর স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে ভুল তথ্য দেন। স্ত্রীকে বলা হয়, তার স্বামীর অবস্থা গুরুতর এবং চিকিৎসার জন্য তাকে অর্থের ব্যবস্থা করতে হবে। তরুণী প্রথমে ৫০ হাজার রুপি জোগাড় করে হাসপাতালে জমা দিয়ে দেন।

    পরে হাসপাতালের কর্মীরা বলেন, ওই তরুণের অবস্থার আরও অবনতি ঘটেছে ও তিনি কোমায় চলে গেছেন। আইসিইউতে চিকিৎসার জন্য আরও এক লাখ রুপির প্রয়োজন। স্ত্রী ১ লাখ রুপি নিয়ে হাসপাতালে ফিরে আসার পরই সেখানে তৈরি হয় এক নাটকীয় দৃশ্য। আইসিইউতে থাকা তরুণ কোনো ভাবে নিজেকে মুক্ত করে রাস্তায় বেরিয়ে এসে পুরো ঘটনাটি বর্ণনা করেন স্ত্রীকে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমাজিকমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। ভিডিওটি ‘ঘর কা কলেশ’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করা হয়েছে।

    তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • গাজা দখলের যে কোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে: তুরস্ক

    গাজা দখলের যে কোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে: তুরস্ক

    তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান শুক্রবার জোর দিয়ে বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি এবং তাদের ভূমি দখলের পরিকল্পনা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

    সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি) এর বিশেষ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সভায় ফিদান বলেন, যারা ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করে গাজা দখল করতে চায়, তাদের মনে রাখা উচিত—আজকের এই সংকটের মূল কারণই হলো ইসরাইলের দখলদারিত্ব।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের অবশ্যই পশ্চিম তীর সংযুক্ত করার জন্য ইসরাইলি চরমপন্থিদের প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে। একইভাবে, আমরা আল-হারাম আল-শরিফের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের কোনো প্রচেষ্টাকে মেনে নিতে পারি না। তুরস্কের পক্ষ থেকে, আমরা কায়রোতে গৃহীত পরিকল্পনাকে সমর্থন করি।

    ফিদান জোর দিয়ে বলেন, মুসলমানরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে এবং ফিলিস্তিনিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইতিহাস আমাদের কাজের ভিত্তিতে বিচার করবে। আমাদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের প্রতি আরও বেশি সহায়তা প্রদান করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনের ফিলিস্তিনি ও মুসলিম পরিচয় সংরক্ষণে কোনো বিকল্প নেই। আমাদের স্পষ্ট বার্তা দিতে হবে যে গাজা ফিলিস্তিনের ভূমি এবং সেটি চিরকাল ফিলিস্তিনেরই থাকবে।

    এছাড়াও, তিনি সিরিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং বলেন, সিরিয়ার জনগণের তাদের ভাগ্য নির্ধারণের সুযোগ এসেছে।

    ফিদান জোর দিয়ে বলেন, সিরিয়ায় স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন গুরুত্বপূর্ণ, যা কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এবং ভৌগোলিক অখণ্ডতার ভিত্তিতে হতে হবে। তিনি আরও বলেন, সিরিয়া যাতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার যথাযথ অবস্থান ফিরে পায়, সে জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালানো দরকার।

    তিনি সিরিয়াকে পুনরায় ওআইসি’র সদস্যপদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

    ওআইসি সদস্যরা ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ইসরাইলের আগ্রাসন এবং তাদের উচ্ছেদের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে বিশেষ বৈঠকে মিলিত হয়।

    ওআইসি সম্মেলনের ফাঁকে ফিদান মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাদর আবদেলাত্তি এবং কাজাখস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুরাত নুরতলেউর সঙ্গে বৈঠক করেন। এছাড়া, তিনি ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ মুস্তাফার সঙ্গেও বৈঠক করেন।

    এ ছাড়াও, ফিদান পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    ওআইসির এই জরুরি অধিবেশন ইসরাইলি সামরিক অভিযানের তীব্রতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সদস্যরা ঐক্যবদ্ধভাবে সংকট মোকাবেলার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

  • মালয়েশিয়ায় বিনোদন কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশিসহ আটক ৮০

    মালয়েশিয়ায় বিনোদন কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশিসহ আটক ৮০

    মালয়েশিয়ায় বিনোদন কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশিসহ ৮০ অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

    বুধবার (৫ মার্চ) রাতে সেলাঙ্গরের সেরি কেম্বাঙ্গানের একটি বিনোদন কেন্দ্র থেকে আটক করা হয় তাদের। সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন পরিচালক খাইরুল আমিনুস কামারুদ্দিন এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেছেন, আটকদের মধ্যে ৫ পুরুষ এবং ৭৫ নারী ছিলেন। যাদের বয়স ১৭ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এবং তারা বাংলাদেশ, লাওস, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের নাগরিক।

    খাইরুল বলেন, অভিবাসীরা বিনোদন কেন্দ্রে ওয়েটার হিসাবে কাজ করতো বলে মনে করা হচ্ছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময়, কেউ কেউ বিনোদন কেন্দ্রে স্থানীয় দর্শনার্থীদের কাছে বান্ধবী হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করেছিল।

    পরিচালক বলেন, এলাকায় অবৈধ অভিবাসীদের উপস্থিতি সম্পর্কে জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে দুই সপ্তাহে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের পর রাত সাড়ে ১০ টায় অভিযানটি পরিচালিত হয়।

    তিনি বলেন, ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৬(১) (সি) এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ এর রেগুলেশন ৩৯(বি) অনুসারে আরও তদন্তের জন্য সেমেনিহ ইমিগ্রেশন ডিপোতে আটকদের রাখা হয়েছে।

  • যক্ষ্মায় মহামারি আকারে মৃত্যু বাড়ার শঙ্কা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    যক্ষ্মায় মহামারি আকারে মৃত্যু বাড়ার শঙ্কা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    গত দুই দশকে যক্ষ্মা (TB) প্রতিরোধ, পরীক্ষা এবং চিকিৎসা সেবা ৭ কোটি ৯০ লাখের বেশি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে এবং শুধু গত বছরই প্রায় ৩৬ লাখ ৫০ হাজার মৃত্যু প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে একটি বিশাল অগ্রগতি।

    এই সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে আন্তর্জাতিক সহায়তা, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (USAID) থেকে দেওয়া তহবিল।

    তবে হঠাৎ করেই এই তহবিল কাটছাঁট করায় অর্জিত সাফল্যগুলো হুমকির মুখে পড়েছে, যা লক্ষ লক্ষ মানুষের বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবনকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (OECD) তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্রতি বছর প্রায় ২০০-২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সরাসরি বিভিন্ন দেশের যক্ষ্মা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা কার্যক্রমে প্রদান করত। এটি আন্তর্জাতিক দাতাদের মোট অনুদানের এক চতুর্থাংশ ছিল।

    ২০২৫ সালের তহবিল সংকোচনের ভয়াবহ প্রভাব: ২০২৫ সালে এই তহবিল কাটছাঁটের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো। কারণ যুক্তরাষ্ট্র এতদিন সবচেয়ে বড় দ্বিপাক্ষিক দাতা ছিল। ১৮টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ এই অনুদানের ৮৯ শতাংশ নির্ভরশীল ছিল, যা এখন হুমকির মুখে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে আফ্রিকা, এরপর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল টিবি প্রোগ্রামের পরিচালক ড. তেরেজা কাসায়েভা বলেন, ‘যক্ষ্মা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় যে কোনো ধরনের ব্যাঘাত—তা আর্থিক, রাজনৈতিক বা কাঠামোগত যাই হোক—মহামারি আকারে মৃত্যু বাড়িয়ে দিতে পারে।’

    তিনি উল্লেখ করেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারির সময় স্বাস্থ্য সেবায় ব্যাঘাত ঘটায় ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ৭ লাখেরও বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু হয়েছে। জরুরি ব্যবস্থা না নিলে যক্ষ্মা মোকাবিলায় অর্জিত অগ্রগতি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।’

    সংকটাপন্ন যক্ষ্মা প্রতিরোধ ব্যবস্থা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীর্ষ ৩০টি যক্ষ্মা-প্রবণ দেশে অর্থ সংকটের কারণে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়ছে।

    স্বাস্থ্যকর্মীদের সংকট: বহু স্বাস্থ্যকর্মী ছাঁটাইয়ের মুখে, টেকনিক্যাল সহায়তা স্থগিত হওয়ায় জাতীয় যক্ষ্মা কর্মসূচি দুর্বল হয়ে পড়ছে।

    ঔষধ সরবরাহ চেইনের ব্যাঘাত: কর্মী সংকট, তথ্য বিভ্রাট ও অর্থের অভাবে যক্ষ্মার ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে, ফলে চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে।

    পরীক্ষা ও শনাক্তকরণ সঙ্কট: ল্যাব পরিষেবা বিঘ্নিত হচ্ছে, নমুনা পরিবহন, সরঞ্জাম কেনা ও পরীক্ষার উপকরণ সংকটে রোগ নির্ণয় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

    তথ্য ও নজরদারি ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে: নিয়মিত রিপোর্টিং ও ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মার ওপর নজরদারিতে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।

    সম্প্রদায়ভিত্তিক সেবার বিপর্যয়: সক্রিয় রোগী সন্ধান, স্ক্রিনিং ও সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে।

    এছাড়া, USAID তার সমস্ত যক্ষ্মা গবেষণা কার্যক্রম স্থগিত করেছে, যার ফলে নতুন চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার উন্নয়ন থমকে গেছে।

  • সেনা মহড়ার ৮ বোমা গিয়ে পড়ল আবাসিকে, অতঃপর যা ঘটল

    সেনা মহড়ার ৮ বোমা গিয়ে পড়ল আবাসিকে, অতঃপর যা ঘটল

    দক্ষিণ কোরিয়ার বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামরিক মহড়ার সময় যুদ্ধবিমান থেকে আটটি বোমা আবাসিক এলাকায় গিয়ে পড়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এ ঘটনায় অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর।

    ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানবাহিনীর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, লাইভ ফায়ার মিলিটারি ড্রিলের সময় একটি সামরিক জেট বিমান থেকে আটটি বোমা বেসামরিক এলাকায় গিয়ে পড়ে। এটা দুর্ঘটনা।

    বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, আটটি এমকে ৮২ বোমা বিমানবাহিনীর কেএফ-১৬ যুদ্ধবিমান থেকে অস্বাভাবিকভাবে রিলিজ হয়ে যায়। এর ফলে সাধারণ মানুষ হতাহত হয়েছেন। এর জন্য বিমানবাহিনী গভীর শোক প্রকাশ করছে।

    সিউলের উত্তর-পূর্বে ৪০ কিলোমিটার দূরে পোচেনে এ ঘটনা ঘটেছে। এই জায়গাটি উত্তর কোরিয়ার সীমান্তের কাছে।

    ন্যাশনাল ফায়ার এজেন্সি জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ মহড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে। একটি গ্রামে গিয়ে বোমা পড়ে। সেখানে কয়েকটি বাড়ি ও একটি চার্চ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে লাইভ ফায়ার ড্রিল করবে। আগামী সপ্তাহে দুই দেশের বার্ষিক সেনা মহড়ার আগে এই মহড়া হবে।

    তবে বোমা নিয়ে মন্ত্রণালয় এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

  • জুলাইয়ে কিছু ক্ষেত্রে বিক্ষোভকারীদের খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়: জাতিসংঘ

    জুলাইয়ে কিছু ক্ষেত্রে বিক্ষোভকারীদের খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়: জাতিসংঘ

    জুলাই মাসে বিক্ষোভকালে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও আওয়ামী লীগের কর্মীরা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিল। এ সময় কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের খুব কাছে থেকে গুলি করে হত্যা করে।

    জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

    জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার (ওএইচসিএইচআর) কার্যালয়ের সাম্প্রতিক তথ্য-অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘…রোম সংবিধির ৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও আওয়ামী লীগের সমর্থকরা যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে- তা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।’

    এতে আরও বলা হয়, কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার উদ্দেশ্যেই খুব কাছে থেকে তাদের গুলি করে ।

    ওএইচসিএইচআর-এর অফিস গত ১২ ফেব্রুয়ারি জেনেভা কার্যালয় থেকে ‘২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টের বিক্ষোভের সাথে সম্পর্কিত মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতন’ শীর্ষক তথ্য অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

    জাতিসংঘের প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে যে, অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে, নিরাপত্তা বাহিনী সামরিক রাইফেল ও স্বয়ংক্রিয় পিস্তল থেকে জনতার ওপর প্রাণঘাতি গুলি চালিয়েছে। এ সময় বিক্ষোভকারীদের মাথা ও শরীর লক্ষ্য করে গুলি করা হয়।

    নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের শরীরের এ সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গা লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে শটগানের গুলি ছোঁড়ে। সাধারণত একাধিক বন্দুকধারী কয়েক রাউন্ড করে গুলি ছুঁড়ে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘যারা হামলা চালাতেন তারা ও তাদের কমান্ডাররা লক্ষ্যবস্তুতে থাকা জনতার কিছুসংখ্যক যেন মারা যায়, সে ব্যাপারে বিশেষ লক্ষ্য রাখতেন।’

    এতে আরও বলা হয়, ‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, এ ধরনের হত্যাকাণ্ড আত্মরক্ষা বা অন্যদের প্রতিরক্ষা হিসেবে দেখানোর কোনো যুক্তি নেই। কারণ হতাহতরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছিলেন। তারা সম্পত্তি ভাঙচুর করছিলেন না বা দাঙ্গাকারীও ছিলেন না। তারা কোন হুমকিও ছিলেন না।’

    ওএইচসিএইচআর জানায়, জুলাই মাসের বিক্ষোভের সময় বাংলাদেশে বিক্ষোভকারীদের ও অন্যান্য বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ব্যাপক ও পদ্ধতিগত আক্রমণের অংশ হিসেবে হত্যা, নির্যাতন, কারারুদ্ধতা ও অন্যান্য অমানবিক কর্মকাণ্ডের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে বিশ্বাস করার মতো যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম সংবিধির অনুচ্ছেদ ৭ (১) অনুযায়ী, একটি বেসামরিক জনসংখ্যার বিরুদ্ধে পরিচালিত ব্যাপক বা পদ্ধতিগত আক্রমণই মানবতাবিরোধী অপরাধ।

    এতে আরও বলা হয়, ‘যে কোনো বেসামরিক জনগণের ওপর পরিচালিত আক্রমণ’ বলতে এমন একটি আচরণের ধারা বোঝায়, যা একাধিক হত্যা, নির্যাতন বা অন্যান্য কর্মকাণ্ড যখন তা রাষ্ট্র বা সাংগঠনিক নীতি অনুসরণ করে এ ধরণের আক্রমণের জন্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় এবং এটি রোম সংবিধির ধারা ৭ এর আওতায় নিষিদ্ধ।

    ওএইচসিএইচআর জানায়, ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলনের সময় নির্দিষ্ট কিছু বেসামরিক নাগরিক, বিশেষ করে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে একের পর এক হত্যা, নির্যাতন, কারাদণ্ড ও অন্যান্য অমানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছিল যা রোম সংবিধির ধারা ৭ এর আওতায় পড়ে।

    এতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকালে নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সদস্যরা তাদের হেফাজতে বা নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যক্তিদের ওপরও নির্যাতন চালিয়েছে।

    ওএইচসিএইচআর দাবি করে বলেছে, বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ও পদ্ধতিগত আক্রমণটি একটি সরকারি নীতি অনুসরণ করে পরিচালিত হয়েছিল বলে তাদের বিশ্বাস করার যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে।

    রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বিক্ষোভকে সহিংস ও বেআইনিভাবে দমন করার এবং ক্ষমতায় থাকার উদ্দেশ্য আক্রমণটি সংগঠিত করেন ও নির্দেশনা দেন।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা পরিষেবা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বও সেই নীতি অনুসরণে সংঘটিত অপরাধ গোপন করার জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টা চালায়, ইচ্ছাকৃতভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়, অন্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে এবং মিডিয়া, ভুক্তভোগী, ভুক্তভোগীর পরিবার ও আইনজীবীদের ভয় দেখায়।’

  • মেক্সিকোতে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ৮

    মেক্সিকোতে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ৮

    মেক্সিকোর সবচেয়ে সহিংস রাজ্যে বন্দুকধারীদের হামলার ঘটনায় ৮ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর এএফপির।

    প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানিয়েছে, গুয়ানাজুয়াতা রাজ্যে স্থানীয় সময় শনিবার রাতে বন্দুকধারীরা ৮ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে। এদের মধ্যে পাঁচজন নারী এবং তিনজন পুরুষ। তবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

    গুয়ানাজুয়াতো একটি সমৃদ্ধ শিল্পকেন্দ্র এবং বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যের আবাসস্থল। তবে সরকারি হিসাব অনুসারে, মেক্সিকোর সবচেয়ে সহিংস রাজ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয় এ রাজ্যকে।

    এ ঘটনায় বন্দুকধারীদের কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। রাজ্যের কর্টাজার পৌরসভায় ওই হামলা চালানো হয়। এর আগে ২০২৩ সালেও সেখানে বন্দুকধারীরা হামলা চালিয়েছে। সে সময় একটি ওয়াটার পার্কে হামলার ঘটনায় এক শিশুসহ সাতজন নিহত হয়।

    ন্যাশনাল গার্ড রোববার গুয়ানাজুয়াতোতে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম তাকে সান্তা রোসা দে লিমা কার্টেলের হিটম্যানদের নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছে।

    সান্তা রোসা দে লিমা গ্যাং এবং জালিসকো নিউ জেনারেশন কার্টেলের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বের কারণে ওই রাজ্যে বার বার সহিংসতার খবর সামনে আসছে।

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০০৬ সালে সরকার পাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েন করার পর থেকে মেক্সিকোতে মাদক-সম্পর্কিত সহিংসতায় ৪ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।