পাকিস্তানি নারী সাংবাদিকের পায়ে ‘বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা’!

পাকিস্তানি নারী সাংবাদিকের পায়ে ‘বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা’!

বিশ্বকাপে ২২ গজে বাংলাদেশ-পাকিস্তান মহারণ শুরু হতে এখনো মাস খানেক বাকি। তবে তার আগেই শুরু হয়ে গেল দ্বৈরথ মাঠের বাইরে। পাকিস্তানি সাংবাদিক নাকি নিজের জুতায় বাংলাদেশের পতাকা ব্যবহার করেছেন। এমন অভিযোগে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। এই পাকিস্তানি সাংবাদিককে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারেরও দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশি সমর্থকরা।

আইসিসির টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে শুক্রবার সকালে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। সেখানে দেখা যায়, জনপ্রিয় পাকিস্তানি উপস্থাপিকা জয়নাব আব্বাস সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন পাকিস্তানের জাতীয় দলের কোচ মিকি আর্থারের।

বিপত্তি সেখানে নয়। যত কাণ্ড বাঁধিয়েছে জয়নাব আব্বাসের জুতা। দেখা যাচ্ছে, তিনি যে ‘স্পোর্টস শু’পরে রয়েছেন, তাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। অন্তত, বাংলাদেশি সমর্থকদের দাবি এমনটাই। এতেই ক্ষুব্ধ বাংলাদেশের সমর্থকরা বিশ্বকাপ থেকে তাঁর অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।

পাকিস্তানের ক্রীড়া দুনিয়ার পরিচিত মুখ জয়নাব আব্বাস। পাকিস্তানের সুপার লিগে (পিএসএল) উপস্থাপিকার ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে। জনপ্রিয় স্পোর্টস চ্যানেল ইএসপিএন কিংবা টেন স্পোর্টসেও তিনি অনেক শো হোস্ট করেছেন। পাকিস্তানের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডন’-এ প্রায়ই কলাম লেখেন তিনি। সেই জয়নাব আব্বাসকে নিয়েই বিতর্ক তুঙ্গে।

তাঁর জুতায় তিনি কি সত্যিই বাংলাদেশি পতাকা লাগিয়েছেন, সেই বিষয়ে তিনি এখনো মুখ খোলেননি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকের বক্তব্য, একজন দায়িত্বশীল স্পোর্টস অ্যাঙ্কর হিসেবে তিনি মোটেই এমন কাজ করবেন না।

তিনি আসলে জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড গুচ্চির সামগ্রী ব্যবহার করেন। আর গুচ্চির পোশাক, বেল্ট, জুতো ইত্যাদিতে যে ‘লোগো’, তাতে দুই পাশে সবুজ, মাঝে লাল রং ব্যবহার করা হয়। সেই চিহ্নই বাংলাদেশিদের কাছে ভুল বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে।

অবশ্য এর পাল্টা যুক্তিও রয়েছে। অনেকেই আবার বলছেন, গুচ্চি ব্র্যান্ডের চিহ্নটি তিনটি সরলরেখার মতো। যেখানে মাঝখানের রেখাটি লাল এবং বাকি দুটি সবুজ। তবে জয়নাবের জুতোর লাল অংশ বৃত্তের মতো। যার সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে বাংলাদেশের পতাকার। সব মিলিয়ে যুক্তি, পাল্টা যুক্তিতে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া।

banglarmukh official

banglarmukh official

এই সাইটের লেখক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *