স্টাফ রিপোর্টার//রাতুল হোসেন রায়হান:
কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে দেখা যাবে বেশ কিছু নতুন মুখ, যাদের মধ্যে এবার অধিক সংখ্যায় স্থান পাবেন নারীরা। নেতৃত্বে গতিশীলতা আনতে সাধারণ সম্পাদক পদেও আসতে পারে পরিবর্তন। ডিবিসি নিউজ ১০:০০
তবে সব সমীকরণই নির্ভর করছে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার ওপর বলে জানিয়েছেন দলের নেতারা।
বর্তমান কমিটিতে নবীন প্রবীণের যে সমারোহ দেখা যায়, তার ধারা অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন অনেকে। নতুন কমিটিতে ঠাঁই পেতে পারেন বেশ কয়েকজন সাবেক ছাত্রনেতা। চলছে তাদের ব্যাপারে খোঁজখবর। আলোচনায় রয়েছেন সহযোগী সংগঠনের নেতারাও।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, সহযোগী সংগঠনের ভেতর থেকেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আনা উচিৎ। আবার আওয়ামী লীগেও ধারণক্ষমতা কতোটুকু সেই ব্যাপারটাও বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, পূর্ববর্তী কমিটির মধ্যে যারা একটু নিষ্ক্রীয়, সেই সমস্ত কিছু বাদ পড়ে এবং কিছু অন্তভুক্তি হয়। যাদের বিরুদ্ধে অনৈতিকতার অভিযোগ নেই, এমন ক্লিন ইমেজের শিক্ষিত, যোগ্য, ভালো সংগঠক হিসেবে ব্যক্তিদেরকে প্রাধান্য দেয়া হয়। এবারও সে বিষয়টিকেই বিবেচনা করা উচিত। আমরা চেষ্টা করব যতো বেশি সংখ্যক নারী নেতৃত্বকে অন্তভুক্ত করা যায়।
সাধারণ সম্পাদক পদে নতুন মুখ আসবে কি না তা নির্ভর করছে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার ওপর, এমনটিই জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ফারুক খান।
তিনি বলেন, একটা হচ্ছে আমাদের কাউন্সিলাররা কাকে চায়। সেই সঙ্গে আমাদেরকে দেখতে হবে যে আমাদের দলের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক পদে কারা কারা আগ্রহী। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যেই ইচ্ছা, সেটাও আমাদের কাউন্সিলারদের মাধ্যমে প্রতিফলিত হবে বলে আমি মনে করি।
এবারের কাউন্সিলে দলের সভাপতিমণ্ডলীর ১৯টি পদেও ঘটবে সংযোজন-বিয়োজন।

Leave a Reply