নভেম্বরেই খুন করা হবে মোদিকে : দিল্লি পুলিশকে ই-মেইলে হুমকি

নভেম্বরেই খুন করা হবে মোদিকে : দিল্লি পুলিশকে ই-মেইলে হুমকি

আগামী নভেম্বর মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খুন করা হবে। এক লাইনের এই হুমকি ই-মেইলে পেয়েছেন নয়াদিল্লি পুলিশের কমিশনার অমূল্য পট্টনায়েক। তার সরকারি ই-মেইলে এই হুমকি দেয়া হয়।

হুমকি পাওয়ার পর নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। চলতি বছরের শেষের দিকে দেশটির পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

দেশটির গোয়েন্দারা বলছেন, নভেম্বরে দেশজুড়ে একাধিক জনসভা ও মিছিল করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেই কারণেই নভেম্বর মাসকে টার্গেট করছে জঙ্গিরা।

ই-মেইল পাওয়ার পর দেশজুড়ে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে। তবে ই-মেইলে কারা বা কে মোদিকে খুনের এই ষড়যন্ত্র করছে, তা এখনও জানা যায়নি।

তবে গোয়েন্দারা প্রাথমিক তদন্তের পর বলছেন, যে সার্ভার থেকে নয়াদিল্লি পুলিশ কমিশনারের ই-মেইলে হুমকি এসেছে সেটি উত্তর-পূর্ব ভারতের আসাম প্রদেশে অবস্থিত।

ভারতের এই প্রধানমন্ত্রীকে খুনের হুমকি অবশ্য এই প্রথম নয়। এর আগে, চলতি বছরের জুনে একটি গোপন চিঠি উদ্ধার করার কথা জানিয়েছিল পুণে পুলিশ। সেই চিঠিতে মোদিকে খুন করার ছক লেখা ছিল। সেই সময় সন্দেহের তির ছিল মাওবাদী বিদ্রোহীদের দিকে।

চিঠি পাওয়ার পর দেশটির নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধিকে যেভাবে খুন করা হয়েছিল; ঠিক একই কৌশলে মোদিকে সরানোর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের ভিমা কোরেগাঁও দাঙ্গার তদন্ত করতে গিয়ে এই চিঠিটি হাতে এসেছিল গোয়েন্দাদের।

২০১৭ সালের ১৮ এপ্রিল লেখা এই চিঠি পাওয়া গিয়েছিল রোনা উইলসন নামের এক সমাজকর্মীর দিল্লির বাড়ি থেকে। ভিমা কোরেগাঁও কাণ্ডে রোনা উইলসন-সহ আরও পাঁচ সমাজকর্মীকে জুনেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। তখনই মোদিকে হত্যার ষড়যন্ত্রের কথা প্রথম সামনে আসে।

সেই চিঠিটি লিখেছিল ‘আর’ নামের এক ব্যক্তি। তা লেখা হয়েছিল কমরেড প্রকাশ নামের কোনও একজনকে। চিঠিতে রোড শো চলাকালীন নরেন্দ্র মোদিকে রাজীব গান্ধি স্টাইলে হত্যা করার কথা বলা হয়েছিল। পুণে পুলিশ এই দাবি করলেও অনেকেই অবশ্য এ দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

banglarmukh official

banglarmukh official

এই সাইটের লেখক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *