বরিশালে চলছে অবৈধ কারেন্ট জালের রমরমা বাণিজ্য!

নিজস্ব প্রতিবেদক :: 

বরিশাল র্কীতনখোলা নদীর পূর্ব পার চরকাউয়া ইউনিয়নের উত্তর পার্শ্বে পামের হাটে চলছে জেলেদের কাছ থেকে নিয়ে আসা অবৈধ কারেন্ট জালের  রমরমা ব্যাবসা।

মা ইলিশ রক্ষার্তে বরিশালের বিভিন্ন নদীর পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করে এবং অভিযান শেষে জব্দকৃত জাল নিয়ে যাচ্ছে মাঝিরা।
এদের মধ্যে মোঃ মিঠুন, খোকন, সেলিম, সোহাগ, সৌরভ আলীসহ তাদের একটি সিন্ডিকেট তৈরী হয়েছে যারা অবৈধ কারেন্ট জালের রমরমা ব্যাবসা করছে চরকাউয়া ইউনিয়নের পামের হাট বাজারে।
সূত্র বলছে, অভিযানে জেলেদের কাছ থেকে নিয়ে আসা কারেন্ট জাল অবৈধ হওয়া সত্বেও হরহামেসা জাল বিক্রির রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে এই সিন্ডিকেট। অভিযানে জব্দকৃত অবৈধ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ থাকলেও পুরাতন ও ছিড়ে যাওয়া জাল গুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়। এবং সেখানকার মাঝিরা নতুন কারেন্ট  জাল গুলো নিয়ে যায় এবং পুনরায় জাল গুলি জেলেদের কাছে বিক্রি করেন এই সিন্ডিকেট চক্র।
বরিশাল ক্রাইম নিউজের অনুসন্ধান টিম সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, একটি ঘরের ভিতর ত্রিশ হাজার মিটার ও বাহিরে দশ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল আছে এবং কিছু দালালের মাধ্যমে জাল বিক্রি করছিল।(এ সংক্রান্ত প্রতিবেদকের কাছে একটি  ভিডিও ফুটেজ রয়েছে)
সর্বনিম্ন এক একটি জাল চার হাজার  থেকে  পাচ হাজার ও সর্বোচ্চ দশ হাজার টাকায়  বিক্রি করছিল। সরকারের কঠোর র্নিদেশ থাকা সত্বেও মাঝিদের  অবৈধ কারেন্ট জালের ব্যাবসা থেমে নেই। একপর্যায়ে মাঝিরা সাংবাদিক ম্যানেজ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে এক মাঝি বলেন, ডিউটি শেষে আমাদের কোন টাকা দেওয়া হয়না টাকার বিনিময়ে আমাদের জাল দিয়ে থাকেন।
এ বিষয়ে বরিশাল সদর নৌ থানার ওসি মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ সমস্ত মাঝিদেরকে আমি চিনি না।
বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বরিশাল জোনের কন্টিজেন্ট কমান্ডার মোঃ আলীম জানান, এ ধরনের কোন মাঝি আমাদের সাথে কাজ করেনা।
মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা মৎস অফিসার সঞ্জিব সন্যামতের সাথে যোগাযোগ করার জন্য একাধিক বার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি পাওয়া যায়নি।
বরিশাল মেট্রোপলিন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি আমি অবগত নই। তবুও তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *