Day: September 2, 2019

  • জুবায়ের শিখতে চান রশিদ খানের কাছ থেকে

    জুবায়ের শিখতে চান রশিদ খানের কাছ থেকে

    দুজনের উত্থান প্রায় একই সময়ে। জুবায়ের হোসেন ও রশিদ খান। বাংলাদেশের লেগ স্পিনার জুবায়ের নিজেকে বেশি দূর নিয়ে যেতে পারেননি, কিন্তু আফগানিস্তানের রশিদ খান এ মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা লেগ স্পিনার। চট্টগ্রামে আজ রশিদ খানের সান্নিধ্যে কিছু সময় কাটালেন জুবায়ের।

    বাংলাদেশের জুবায়ের হোসেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এসেছিলেন আফগানিস্তানের রশিদ খানের আগে। এই দুই লেগ স্পিনারের এক জায়গায় খুব ভালো মিল। ক্যারিয়ারের শুরুতে দুজনই তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন নিজেদের প্রতিভা দিয়ে। কিন্তু জুবায়ের ঝরে পড়েছেন, রশিদ খান সময়ের সঙ্গে হয়েছে বিশ্বের এক নম্বর বোলার।

    আজ এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে দুজনকেই এক সঙ্গে দেখা গেল। দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের শেষ ঘণ্টার খেলা হলো না বৃষ্টিতে। দুই দলের ক্রিকেটারদের হাতেই কিছু অবসর সময়। জুবায়ের সময়টা কাজে লাগালেন আফগান অধিনায়ক রশিদ খানের সঙ্গে, লেগ স্পিন নিয়ে আলাপ করে।

    প্রায় ১৫ মিনিটের মতো কথা বলতে দেখা গেল দুজনকে। সঙ্গে ছিলেন এনামুল হক। হাত-পা নেড়ে বেশ কিছু ড্রিল জুবায়েরকে দেখিয়ে দিলেন রশিদ। লেগ স্পিনে দক্ষতা বাড়ানোর জন্য কী কী করা উচিত, কী করে সাফল্য পেয়েছেন তিনি নিজে, হিন্দিতে এসব বলছিলেন আফগান অধিনায়ক। আর ভালো ছাত্রের মতো মনোযোগ দিয়ে শুনছিলেন জুবায়ের। চটগ্রাম টেস্ট শেষে ঢাকায় টি-টোয়েন্টি সিরিজের সময় বিশেষ সেশনের জন্য সময় চেয়ে নেন জুবায়ের। রশিদও আগ্রহী। রাজি হয়ে গেলেন সময় দিতে।

    নিজ দেশে রশিদ খান একটি অনুপ্রেরণার নাম। এখন দেশের বাইরেও লেগ স্পিনারদের অনুপ্রাণিত করছেন, তাদের সাহায্য করছেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে। মাঠ থেকে ফেরার পর প্রথম আলোর সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকারে জুবায়ের হোসেনের সঙ্গে নিজের আলাপচারিতার অংশটুকুও উঠে এল। চোখে-মুখে তৃপ্তি নিয়েই বললেন, ‘খুবই ভালো লাগে, এটা দেখে যে অনেকেই অনুপ্রাণিত হচ্ছে। সে যেই দেশেরই হোক, বাংলাদেশ হোক বা অন্য দেশের। আমার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান তাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। তরুণ লেগ স্পিনারদের সব সময় দেখতে ভালো লাগে। ওরা ব্যাটসম্যানদের কঠিন পরীক্ষা নিয়ে থাকে সব সময়। আর সবাই তো একজন আরেকজন থেকে আলাদা। ওর সঙ্গে আলাদা করে কথা হলো। আশা করছি ঢাকায় আলাদা করে কাজ করব।’

  • ডিএমপি’র নতুন কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম

    ডিএমপি’র নতুন কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ’র নতুন কমিশনার হচ্ছেন মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বিপিএম(বার)।

    আজ ২৮ আগস্ট, ২০১৯ রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ অধিশাখার উপসচিব স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বিপিএম(বার) কে ডিএমপি’র কমিশনার হিসেবে বদলী করে প্রজ্ঞাপন জারী করা হয়।

    ইতোপূর্বে জনাব শফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ পুলিশ’র অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এর অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    সুত্র-ডিএমপি নিউজ

  • ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কালামকে বদলি

    ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কালামকে বদলি

    কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালামকে বদলি করা হয়েছে। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে নিয়োগপূর্বক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    সোমবার (০২ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

    এতে বলা হয়, ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মোহাম্মদ আবুল কালামকে বদলিকৃত কর্স্থলে যোগদান করতে হবে। অন্যথায় ওইদিন অপরাহ্নে তাকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য হবে।

  • রত্নগর্ভা মা শেখ হা‌সিনার গর্ব সজীব ওয়া‌জেদ

    রত্নগর্ভা মা শেখ হা‌সিনার গর্ব সজীব ওয়া‌জেদ

    এক‌টি দে‌শের জা‌তির জন‌কের না‌তি, সেই দে‌শের প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র পুত্র যে এত কষ্ট ক‌রে , এত সাধারণ জীবনযাপনের মাধ্য‌মে পড়াশুনা কর‌ে মানু‌ষের মত মানুষ হ‌তে পা‌রে তা না জান‌লে বিশ্বাস করা ক‌ঠিন ছিল।
    ঘটনাটা কোন গল্প বা সি‌নেমার কা‌হিনী নয়, বাংলা‌দে‌শের স্বাধীনতার স্থপ‌তি, জা‌তির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মু‌জিবুর রহমা‌নের অ‌তি অাদ‌রের দৌ‌হিত্র, বিশ্বমানবতার জননী খেতা‌বে ভূ‌ষিত বাংলা‌দে‌শের প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার সু‌যোগ্য পুত্র, বিশ্বখ্যাত প্রযু‌ক্তি বি‌শেষজ্ঞ সজীব ওয়া‌জেদ জয়‌কে ছোট‌বেলা থে‌কে অ‌নেক কষ্ট ও সংগ্রাম ক‌রে অ‌তি সাধারণ মানু‌ষের মত জীবনযাপন ক‌রে পড়াশুনা কর‌তে হ‌য়ে‌ছে । বঙ্গবন্ধু‌কে স্বপ‌রিবা‌রে হত্যার পর সজীব ওয়া‌জেদ জয়‌কে নানান ধর‌নের বাধা ডি‌ঙ্গি‌য়ে বড় হ‌তে হ‌য়ে‌ছে । স্কু‌লে প‌রিক্ষীর খাতায় স‌ঠিক/ভাল লিখ‌লেও ষড়যন্ত্র ক‌রে কম নম্বর দেয়া হতো । বাবা মা অাত্মীয় স্বজন ছাড়াই সম্পুর্ণ একা একা মে‌সে বা হো‌স্টে‌লে সপ্তা‌হে ৬ দিন সবজী ভাত খে‌য়ে পড়াশুনা কর‌তে হ‌য়ে‌ছে । স্কুল ক‌লে‌জের ফি দি‌তে পা‌রে‌নি । তরুণ প্রজ‌ন্মের অহংকার সজীব ওয়া‌জেদ জয় সম্প‌র্কে তার রত্নগর্ভা মা শেখ হা‌সিনা ব‌লেন ঃ~~~~

    ভারতের ব্যাঙ্গালোর ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করার পর জয় কিছু দিন চাকরি করে এরপর আরও উচ্চ শিক্ষার জন্য এমআইটিতে (আমেরিকা) চান্স পেল। আমি তার শিক্ষার খরচ দিতে পারিনি। দুটো সেমিস্টার পড়ার পর নিজে কিছু দিল, আমাদের কিছু বন্ধুবান্ধব সহযোগিতা করল, যার জন্য যেতে পারল।

    আর আব্বার বন্ধু আমার ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার সব দায়িত্ব নিয়েছিলেন। উনি বলতেন, তুমি পলিটিক্স করো এটা আমার ওপর ছেড়ে দাও। তিনি না থাকলে আমি পড়াতে পারতাম না। এমনকি মিশনারি স্কুলে তারা পড়েছে। সাত দিনই সবজি বা ডালভাত খেতে হতো, একদিন শুধু মাংস খেতে পারত। এভাবে কৃচ্ছ সাধন করে এরা বড় হয়েছে।

    যখন এমআইটিতে দিতে পারলাম না। আমি প্রধানমন্ত্রী, আমার দ্বিধা হল, কাকে বলব টাকা দিতে বা কীভাবে আমি টাকা পাঠাবো, বুঝতে পারিনি। কার কাছে দেনা হব? আমার কারণে তার পড়া হল না। দুটো সেমিস্টার করে তাকে বিদায় নিতে হল। তারপর সে চাকরিতে ঢুকল।

    ২০০৭ সালে বউমা অসুস্থ হলে দেখতে গেলাম। তখন তাকে অনুরোধ করলাম। কারণ আমার ভেতরে এই জিনিসটা খুব কষ্ট লাগত যে, আমি প্রধানমন্ত্রী হলেও তার পড়ার খরচ দিতে পারিনি। তখন আমি বললাম, তুমি হার্ভার্ডে আবেদন কর। আমি অনুরোধ করার পর সত্যি সে আবেদন করল। চান্স পেয়ে গেল।

    আমি কথা দিয়েছিলাম, ফার্স্ট সেমিস্টারের টাকা আমি দেবো। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার আগে গ্রেফতার হয়ে গেলাম। তবে আমি চেয়েছিলাম, চান্স যখন পেয়েছে যেভাবে পারুক চালাক। পরে বাড়ি ছেড়ে দিয়ে তা ভাড়া দিয়ে সেই ভাড়ার টাকা দিয়ে, কলেজ থেকে দূরে বাসা নিল যাতে সস্তায় বাসা পায়, গাড়ি রেখে মটরসাইকেল চালিয়ে সে আসত।’

    -দেশরত্ন শেখ হাসিনা

    মোটকথা রত্ন থে‌কে রত্নই সৃ‌ষ্টি হ‌বে এটা যেমন সত্য তেম‌নি মেধা হ‌চ্ছে অা‌লোর মতই তা‌কে যেখা‌নেই রাখ‌বে জ্ব‌লে উঠ‌বে ।
    যত অন্ধকার হোন না কেন, যত অব‌হেলাই করুক না কেন মেধার বিকাশ ঘট‌বেই । অার মেধা হ‌চ্ছে অাল্লাহর দান, অাল্লাহ তা‌কেই মেধা দান ক‌রেন যার দ্বারা তার সৃ‌ষ্টির সেরা জীব মানু‌ষের কল্যাণ হ‌বে । বাংলা‌দে‌শের স্বাধীনতার জন্য অ‌নে‌কেই সংগ্রাম ক‌রে‌ছেন কিন্তু স্বাধীনতা অ‌র্জিত হ‌য়ে‌ছে বঙ্গবন্ধুর নেতু‌ত্বে অা‌ন্দোলন সংগ্রা‌মের মাধ্য‌মে । অ‌নেক ঘাতক শাসক বাংলা‌দেশ‌কে নেতৃত্ব দি‌য়ে‌ছেন কিন্তু উন্নয়ন ও মানু‌ষের কল্যাণ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হা‌সিনা ছাড়া অার কেউ কর‌তে পে‌রে‌ছে কি ? পা‌রে‌নি । শেখ হা‌সিনার মেধা ও স্মৃ‌তি মহান অাল্লাহর দান যা‌কে ১৯ বার হত্যা কর‌তে চেষ্টা ক‌রে‌ছে স্বাধীনতা বি‌রোধী শত্রুরা , ব্যার্থ হ‌য়ে‌ছে কেননা অাল্লাহই তা‌কে রক্ষা কর‌ছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হা‌সিনার গ‌র্ভ থে‌কে জন্ম নি‌য়ে‌ছেন সজীব ওয়া‌জেদ জয় যার মেধা, জ্ঞান, দুরদ‌র্শিতা শুধু রত্নগর্ভা মা শেখ হা‌সিনাকে বি‌স্মিত ক‌রে‌ছে তা নয় সমগ্র অনুন্নত বা দ্রুত উন্নয়নশীল রাষ্ট্রনেতারাও সজীব ওয়া‌জেদ‌কে অনুসরণ কর‌ছে, অনুকরণ কর‌ছে । সম্প্র‌তি জা‌তিসংঘ থে‌কে অাই‌সি‌টি ফর ডে‌ভেলপ‌মেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রা‌প্তি কোন সাধারণ ঘটনা নয়, জাদুকরী মেধারই মূল্যায়নের অংশ।  অাজ‌কের ডি‌জিটাল বাংলা‌দেশ, প্রযু‌ক্তির বি‌স্ফোরন, বঙ্গবন্ধু স্যা‌টেলাইট, 4G, 5G সবই সজীব ওয়া‌জেদ জ‌য়ের অবদান ।

    সজীব ওয়া‌জেদ জয় এখন শুধু বাংলা‌দে‌শের গর্ব নয় তি‌নি অনুন্নত বি‌শ্বের অা‌লো‌কিত প‌থের দিশারী ।

  • বরিশালে ইউএনও, ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সচিবদের অংশগ্রহণে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

    বরিশালে ইউএনও, ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সচিবদের অংশগ্রহণে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

    বরিশালে ইউএনও, ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সচিব গণের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল ১০ টায় বরিশাল জেলা প্রশাসন  এর আয়োজনে লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট-৩ (এলজিএসপি-৩) সহযোগিতায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপি লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট-৩ (এলজিএসপি-৩) বরিশাল জেলার ইউএনও, ইউপি চেয়ারম্যান, ও ইউপি সচিব গণের অংশগ্রহণে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক বরিশাল এস, এম, অজিয়র রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার বরিশাল, মোঃ শহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেন্দিগঞ্জ, দীপক কুমার রায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বাকেরগঞ্জ, মাধবী রায়। আরও উপস্থিত ছিলেন এক্সেকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বরিশাল, মনীষা আহমেদ, রুম্পা ঘোষ, মোঃ সাইফুল ইসলামসহ ৪টি উপজেলা (মেহেন্দিগঞ্জ, বাকেরগঞ্জ, বানারীপাড়া, মুলাদী) উপজেলার ইউএনও, ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সচিব গণ উপস্থিত ছিলেন। লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট-৩ (এলজিএসপি-৩) এ-র আওতায় প্রকল্প কর্মকান্ড বাস্তবায়ন পদ্ধতির উপর এ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

  • ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত হবে আবার অপরাধের জন্য তিরস্কারও গ্রহন করতে হবে : মেয়র সাদিক

    ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত হবে আবার অপরাধের জন্য তিরস্কারও গ্রহন করতে হবে : মেয়র সাদিক

    রাতুল হোসেন রায়হান:

    ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত হবে আবার অপরাধের জন্য তিরস্কারও গ্রহন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    মেয়র সাদিক আরো বলেন, পুলিশকে জনগনের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করতে হবে। যারা মাদক কারবারের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরো জোরদার করতে হবে।

    মেয়র বলেন, যারা অন্যায় করবে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে তবে যারা নিরাপরাধ তারা যেন কেউ অযথা হয়রানীর শিকার না হয়।

    সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় এ্যানেক্স ভবনে মেয়রের দপ্তরে বিএমপি পুলিশ সদস্যদের সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের উপ- পুলিশ কমিশনার (দক্ষিন) মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম ছাড়াও, এস আই সমীরন মন্ডল, এ এস আই শরিফ হোসেন, আসাদুজ্জামান, বিধান চন্দ্র গনপতি, সুমন হাওলাদার এবং কনস্টেবল আল আমিন ও কবির হোসেনের হাতে সম্মানানা স্মারক তুলে দিয়ে ফটো সেশনে অংশগ্রহন ও মধ্যাহ্ণ ভোজে মিলিত হন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    শুভেচ্ছা স্মারক গ্রহন করে পুলিশ সদস্যরা মেয়রের ভুয়ষী প্রশংসা করে বলেন, তাদের জানা মতে দেশের কোন মেয়র প্রথম বারের মতো তাদের এভাবে সন্মান জানালো। যা তাদের কাজের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরনা হয়ে কাজ করবে। তারাসহ বরিশালের পুলিশ সদস্যরা মেয়রের সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস প্রতান করেন।

  • বিএমপির সাহসী পুলিশদের সম্মাননা স্বারক দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বিএমপির সাহসী পুলিশদের সম্মাননা স্বারক দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:: 

    বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের আওতাধীন বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম পিপিএমসহ পুলিশের ৮ সদস্যকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    সম্প্রতি বরিশাল মেট্টো পলিটন পুলিশের সফল অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক করাবারী আটক হওয়ায় বিএমপির কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খানসহ অভিযানে অংশ নেয়া সকল পুলিশ সদস্যকে অভিনন্দন জানিয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলামসহ অভিযানে অংশ নেয়া চৌকস পুলিশ সদস্যদেরকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদানের ঘোষনা দেন।

    সে ঘোষনা অনুযায়ী ২ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুর ২টায় শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়। এ্যানেক্স ভবনে মেয়রের দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে শুভেচ্ছা স্মারক পাওয়া পুলিশ সদস্যদের পুনরায় অভিনন্দন জানিয়ে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, পুলিশকে জনগনের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করতে হবে। যারা মাদক কারবারের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরো জোরদার করতে হবে।

    মেয়র বলেন, যারা অন্যায় করবে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে তবে যারা নিরাপরাধ তারা যেন কেউ অযথা হয়রানীর শিকার না হয়। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ আরো বলেন, ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত হবে আবার অপরাধের জন্য তিরস্কারও গ্রহন করতে হবে।

    অনুষ্ঠানে বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের উপ- পুলিশ কমিশনার (দক্ষিন) মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম ছাড়াও, এস আই সমীরন মন্ডল, এ এস আই শরিফ হোসেন, আসাদুজ্জামান, বিধান চন্দ্র গনপতি, সুমন হাওলাদার এবং কনস্টেবল আল আমিন ও কবির হোসেনের হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দিয়ে ফটো সেশনে অংশগ্রহন ও মধ্যাহ্ণ ভোজে মিলিত হন সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    শুভেচ্ছা স্মারক গ্রহন করে পুলিশ সদস্যরা মেয়রের ভুয়ষী প্রশংসা করে বলেন, তাদের জানা মতে দেশের কোন মেয়র প্রথম বারের মতো তাদের এভাবে সন্মান জানালো। যা তাদের কাজের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরনা হয়ে কাজ করবে। তারাসহ বরিশালের পুলিশ সদস্যরা মেয়রের সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস প্রতান করেন।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর গোপন ভিডিও ফাঁস, ছাত্রীসহ গ্রেপ্তার ২

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর গোপন ভিডিও ফাঁস, ছাত্রীসহ গ্রেপ্তার ২

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) দুই শিক্ষার্থীর একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ফাঁস হয়ে গেছে। প্রেমিকের সাথে ছাত্রীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিওটি চুরি করে তাদের দুই সহপাঠী ফেসবুকে প্রকাশ করেছে। ভিডিও প্রকাশের অভিযোগে পুলিশ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞানের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সেলিম রেজা এবং সাবিকুন নাহার অমিকে গ্রেপ্তার করেছে।

    তাদের রোববার রাতে ববির হোস্টেল থেকে ধরে নিয়ে যায় বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) থানা পুলিশ।

    পুলিশ জানায়- বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞানের চতুর্থ বর্ষের দুই শিক্ষার্থী প্রেম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তাঁরা শারীরিক সম্পর্কেও জড়ান। সেই বিশেষ মুহূর্তের একটি চিত্র নিজেরাই মুঠোফোনে ধারণ শেষে তা ল্যাপটপে রেখে দেন। ওই ভিডিওটি সহপাঠী সাবিকুন নাহার অমি চুরি করে নিয়ে অপর শিক্ষার্থী সেলিম রেজাকে দেন। সাম্প্রতিকালে সেলিম রেজা ভিডিওটি ফেসবুকে ছেড়ে শুরু হয় তোলপাড়।

    বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) মো. ফয়সাল আহম্মেদ জানান, এই ঘটনায় রোববার বিকেলে প্রেমিক শিক্ষার্থী একটি লিখিত অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুই শিক্ষার্থীকে ধরে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা অপরাধ স্বীকার করেন। এই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে পর্নগ্রাফি আইনে একটি মামলা পরবর্তীতে তাদেরকে সোমবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির ৮ নেতার আত্মসমর্পণ

    মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির ৮ নেতার আত্মসমর্পণ

    সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য ও পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালতে আত্মমসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির শীর্ষ ৮ নেতা।

    সোমবার (২ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম শরাফুজ্জামান আনসারির আদালতে তাদের পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। পরে আদালত আবেদনের ওপরে দুপুর ১টা ১৫মিনিটে শুনানির সময় নির্ধারণ করেন।

    মির্জা ফখরুল ছাড়া বাকি সাত নেতা হলেন- ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।

    আদালতে বিএনপি নেতাদের পক্ষে জামিন আবেদন করেন ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ।

    পরে ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান জানান, হাতিরঝিলের মামলায় বিএনপির আট নেতার পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়েছে। এ মামলার আরও আট নেতারা লিগগিরই হাজির হবেন।

    গত ১৮ এপ্রিল এই মামলায় আপিল বিভাগের রায় প্রকাশের পর বিচারিক আদালতে পৌঁছানোর দুই সপ্তাহের মধ্যে ১৬ নেতাকে আত্নসমর্পণ করতে বলা হয়। তবে আত্মসমর্পণের পর এসব ব্যক্তিরা জামিনের আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট আদালত আইন ও তথ্য অনুসারে জামিনের জন্য তাদের প্রার্থনা বিবেচনা করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। ২১ আগস্ট আপিল বিভাগের রায়টি বিচারিক আদালতে পৌঁছায়। যার ধারাবাহিকতায় তারা বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

  • ভারত-পাকিস্তান সংলাপে আন্তর্জাতিক তৎপরতা

    ভারত-পাকিস্তান সংলাপে আন্তর্জাতিক তৎপরতা

    কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে দুই পারমাণবিক শক্তিধর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনা লাঘবে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে যুক্তরাষ্ট্রসহ শক্তিধর কিছু দেশ। এই দুটি দেশের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য কোনো পথ খুঁজে পেতে চেষ্টা করছে তারা। ভারত ও পাকিস্তান মারাত্মক এক যুদ্ধের পথে চলে যেতে পারে এমন এক ভয়ঙ্কর আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে প্রভাবশালী দেশগুলো জোরালো ওই উদ্যোগ নিয়েছে। চেষ্টা হচ্ছে কোনো চ্যানেল বের করে আলোচনার একটি পন্থা খুঁজে পেতে। তবে ভারতের সঙ্গে এমন আলোচনার আগেই সুনির্দিষ্ট কিছু পূর্বশর্ত দিয়েছে পাকিস্তান। এ খবর দিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমসের পাকিস্তানি সংস্করণ অনলাইন এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

    প্রভাবশালী দেশগুলোর পর্দার আড়ালে ওই প্রচেষ্টা সম্পর্কে জানেন এমন কূটনৈতিক সূত্রগুলো এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকে বলেছেন, উত্তেজনা প্রশমনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য শক্তিধর দেশগুলো যোগাযোগ রক্ষা করছে ইসলামাবাদ ও নয়া দিল্লির সঙ্গে। এক্ষেত্রে আগের মতো অবস্থানে নেই পাকিস্তান। তারা ভারতের সঙ্গে এমন আলোচনায় পূর্বশর্ত দিয়েছে।

    এর মধ্যে রয়েছে দখলীকৃত কাশ্মীর থেকে অবিলম্বে কারফিউ প্রত্যাহার করতে হবে এবং সেখানকার রাজনৈতিক সব নেতাকে মুক্তি দিতে হবে।

    সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত হয় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের একটি নিবন্ধ। তাতে তিনি ভারতের সঙ্গে আলোচনায় পাকিস্তানের আগ্রহের কথা জানান। তিনি তাতে জানিয়ে দেন, এমন আলোচনার আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কাশ্মীর ইস্যুতে গৃহীত পদক্ষেপ থেকে পিছু হটতে হবে। ইমরান খানের দৃষ্টিতে কাশ্মীরে ভারতের ‘দখলদারিত্ব সম্প্রসারণ অবৈধ’। রোববার এ বিষয়ে পাকিস্তানের মুলতানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি। তিনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে কখনোই দ্বিপক্ষীয় সংলাপ থেকে বিরত ছিল না পাকিস্তান। তবে বর্তমানে যে পরিস্থিতি বিরাজমান তা কোনো রকম সমঝোতার জন্য উপযুক্ত নয়। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রী ইমরানের অবস্থা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এখন ভারতকে যেকোন আলোচনার আগে অবশ্যই সুনির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে।

    পক্ষান্তরে সূত্র দাবি করছে, পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করার জন্য চ্যানেল খুঁজতে আগ্রহী ভারত। এতদিন শান্তির জন্য আলোচনায় বসার জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এসেছে। সূত্রমতে, আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পাকিস্তানের প্রতি কূটনৈতিক সম্পর্ক অবনমন ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থগিত করার বিষয় পর্যালোচনা করার আহ্বান জানাচ্ছে ভারত। সরকারের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, গত ৫ই আগস্ট কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করার সিদ্ধান্ত ভারত সরকার নেয়ার পর বর্তমানে যে অবস্থা বিরাজমান তাতে ভারতের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যাবে না পাকিস্তান। এমনকি কোনো সিদ্ধান্ত পর্যালোচনাও করবে না। সরকারের ওই কর্মকর্তা বলেন, এক্ষেত্রে নয়া দিল্লি পাকা খেলোয়াড়ের ভূমিকায় বলেই মনে হচ্ছে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে প্রস্তুব একথা আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের বলার মধ্য দিয়ে ভারত চাইছে আমরা এবং বাকি বিশ্ব কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নিই।

    ওই কর্মকর্তা ভারতের এমন উদ্দেশের বিরুদ্ধে বলেন, পাকিস্তান সরকার এখন একটি স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। তা হলো, ৫ই আগস্টের পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে না গেলে বা তার কাছাকাছি অবস্থায় ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে কোনো আলোচনা হতে পারে না। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীরা আলোচনার জন্যই শুধু চাপ দিচ্ছেন এমন না। একই সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে যেন আক্রমণ করে কথা বলা চন্ধ করেন এ জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে আস্থায় নেয়ারও চেষ্টা করছেন তারা। কিন্তু ইমরান খান পিছু হটতে রাজি হন নি। ইসলামাবাদ থেকে আশানুরূপ সাড়া না পেলেও তৎপরতা বন্ধ করেননি আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীরা। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এখনও উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত রাখতে উভয় পক্ষের ওপর চাপ দিচ্ছে তারা। তারা বলছেন, উন্নততর শুবুদ্ধির উদয় হোক। কিন্তু পাকিস্তান দৃশ্যত নিকট ভবিষ্যতে এ ইস্যু থেকে পিছ পা হবে বলে মনে হয় না। কমপক্ষে জাতিসংঘের বার্ষিক সাধারণ অধিবেশন পর্যন্ত তো তারা এ ইস্যুকে জিইয়ে রাখবে। কারণ, ভারতের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে উত্তাপ ছড়াতে চায় পাকিস্তান।

    এক্সপ্রেস ট্রিবিউন লিখেছে, ইসলামাবাদে তেমন সাড়া না পেলেও কাশ্মীরে মানবিক সঙ্কটের রিপোর্টে ভারতের ওপর ক্রমাগত চাপ বৃদ্ধি করছে বিশ্ব। পাকিস্তান সরকারের কর্মকর্তারা বলেন, ভারত সরকার দাবি করছে কাশ্মীরের সার্বিক অবস্থা ভাল। কিন্তু পক্ষান্তরে সেখানে ক্রমবর্ধমান হারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। সর্বশেষ এমন উত্তাপ ছড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্ষীয়ান ডেমোক্রেট নেতা বার্নি স্যান্ডার্স। তিনি এবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার দল থেকে প্রার্থী হতে চাইছেন। তিনি কাশ্মীরে ভারতের দখলদারিত্বকে অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন। উপরন্তু কাশ্মীর নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ জাতিসংঘের অধীনে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করার আহ্বান জানিয়েছেন।