Day: September 2, 2019

  • জেলে কেক কেটে খুনীর জন্মদিন পালন

    জেলে কেক কেটে খুনীর জন্মদিন পালন

    জন্মদিনের রাজকীয় আয়োজন জেলের ভিতর। তাও আবার কার?‌ পিন্টু তিওয়ারি নামে এক খুনীর। এমন ছবিই দেখা গেল ভারতের বিহারের সীতামারি জেলে। বেলুন দিয়ে জেল সাজিয়ে, মাংস রান্না করে এই খুনীর জন্মদিন পালন করেছে জেলের অন্যান্য কয়েদিরা। কেউ কেউ আবার পিন্টুর জন্য উপহার নিয়েও হাজির হয়েছিল।

    জানা গেছে, ২০১৫ সালে বিহারের দারভাঙা জেলায় দুই ইঞ্জিনিয়ারকে খুনের ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল পিন্টু তিওয়ারির। এই ঘটনার পরে আরও একবার বিহারের পুলিশ প্রশাসন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করল। ঘটনাটির একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, এই রাজকীয় আয়োজন দেখে বেশ খুশিতেই জন্মদিনের কেক কাটছে পিন্টু। অন্যান্য কয়েদিরা পিন্টুর জন্য শুভ জন্মদিনের গান গাইছে। কেক কাটার পর্ব শেষ হওয়ার পর দেখা গেল কয়েদি মাটিতে বসে ভাত আর মাংস খাচ্ছেন। শেষে সকল কয়েদির মধ্যে মিষ্টিও বিতরণ করা হয়েছে।
    জেলের ডিজিপি গুপ্তেশ্বর পান্ডে ঘটনাটি জানতে পেরেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘‌আমি জেলের আইজির সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি একটি তদন্তকারী দল গঠন করেছেন। ঘটনার দ্রুত তদন্ত হবে। অপরাধীরা শাস্তি পাবে।

  • সিঙ্গাপুরের আকাশে আগুনের রংধনু

    সিঙ্গাপুরের আকাশে আগুনের রংধনু

    সিঙ্গাপুরের আকাশে বহু রঙে রঙ্গিন ফায়ার রেইনবো বা আগুনের রংধনু ১৫ মিনিট ধরে দেখা গেছে। পুরো সিঙ্গাপুর দ্বীপ থেকে সেটি দেখা যায়। মেঘে সূর্যের আলোর মাঝেই দেখা যায় রংধনুটি। আর তা দেখে আনন্দে বিমোহিত হয়েছেন সিঙ্গাপুরবাসী। জনকণ্ঠ

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেঘে বরফের ক্রিস্টালের ভেতর দিয়ে সূর্যের আলো প্রতিসরিত হলে এই ধরনের রংধনু দেখা যায়। তবে অনেকে বলেছেন, সাবানের বুদবুদ, প্রজাপতির ডানা কিংবা জলের ফোঁটার মধ্যে যে ধরনের রংয়ের খেলা দেখা যায়। এটা সে ধরনের বিষয়ও হতে পারে। এই রংধনু দেখে এক দর্শক জানিয়েছেন, বিকেলের দিকে রংধনুর ছবিগুলো তিনি তুলেছেন। ছোট একটি কমলা রঙের বৃত্ত দিয়ে এর শুরু, এরপর এটি বড় হতে শুরু করে আর অন্যান্য রং ও স্পষ্ট হতে থাকে।

    এরপর আস্তে আস্তে সেটি মিলিয়ে যায়। যা দেখে মুগ্ধ সবাই। শুধু দেখাই নয়, বিরলতম এই ঘটনা দেখা মাত্র সবাই ক্যামেরাবন্দী করেও ফেলেন। শুধু তাই নয়, ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সঙ্গে সঙ্গে আপলোড হতে থাকে। মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরালও হয়ে যায়

  • পরকীয়ার জের: পিরোজপুরে ইউপি সদস্যকে কোপালেন গৃহবধূর স্বামী

    পরকীয়ার জের: পিরোজপুরে ইউপি সদস্যকে কোপালেন গৃহবধূর স্বামী

    পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে এক ইউপি সদস্যের সাথে গৃহবধূর পরকীয়ার জেরে স্বামী ও তার লোকজন কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে ওই ইউপি সদস্যকে। পরে তার স্বজনরা রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে আহত ইউপি সদস্যকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

    এ ঘটনায় গৃহবধুর স্বামী আলী আকবর খোকা শিকদার ও সিরাজুল ইসলামকে পুলিশ আটক করেছে।

    শনিবার (৩১ আগস্ট) রাতে উপজেলার চাড়াখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    জানা যায়, উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নাল মল্লিক (৬৮) পার্শ্ববর্তী আলী আকবর ওরফে খোকার স্ত্রী কাজল বেগম (৩৫) সাথে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ইউপি সদস্য জয়নাল মল্লিক শনিবার রাতে অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে গৃহবধূ কাজল বেগমের বাড়িতে যায়। কিন্তু পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা গৃহবধূর স্বামী খোকা শিকদার ও তার লোকজন তাকে ধরে ফেলে এবং কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। দেড় মাস আগে ওই গৃহবধূও ইউপি সদস্যের মোবাইলে কথোপকথনের রেকর্ড ফাঁস হয়ে ফেসবুকে ভাইরাল হলে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

    এ ব্যাপারে ইন্দুরকানী থানার ওসি মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, ইউপি সদস্য রাতে খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে গৃহবধূর বাড়িতে গেলে তার স্বামী ও তার লোকজন তাকে কুপিয়ে আহত করেছে। এঘটনায় গৃহবধূর স্বামী খোকা শিকদার ও সিরাজুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে।

  • সুদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে ভোলায় বৃদ্ধর আত্মহত্যা

    সুদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে ভোলায় বৃদ্ধর আত্মহত্যা

    ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় সুদের টাকা ও এনজিও’র ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে মো. নুরুন্নবী (৫৫) নামে এক মুদি ব্যবসায়ী আত্মহত্যা করেছে। নিহত নুরুন্নবী উপজেলার হাসান নগর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ফজলে রহমানের ছেলে ও ওই এলাকার কাজিরহাট বাজারের মুদি ব্যবসায়ী। সোমবার (২ সেপ্টম্বর) সকালে পুলিশ তার বাড়ি থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।

    পুলিশ ও নিহতের ছোট ভাই রুহুল আমিন জানান, নুরুন্নবী দীর্ঘদিন ধরে বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাজিরহাট বাজারে মুদি ব্যবসা করে আসছে। ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে স্থানীয়দের কাছে প্রায় ৫-৬ লাখ টাকা আটকে যায়। সে টাকা উঠাতে না পেরে ব্যবসা পরিচালনা করতে তার সমস্যা সৃষ্টি হয়। পরে বাধ্য হয়ে ব্যবসা চালাতে গিয়ে সে বিভিন্ন এনজিও ও স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে সুদে প্রায় ৮-১০ লাখ টাকা ধার নেয়। কিন্তু আবারও ক্রেতাদের কাছে অনেক টাকা বাকী পরে যায়। এতে এনজিও ও সুদের টাকা পরিশোধ করতে সমস্যা সৃষ্টি হয়।

    এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত কয়েক দিন ধরে এনজিও ও স্থানীয়দের কাছে সুদে টাকা নেওয়া ব্যক্তিরা টাকা পরিশোধের জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল।

    রুহুল আমিন আরও জানান, একদিকে দেনা পরিশোধের চাপ অন্যদিকে দোকানে মালামাল না থাকায় বেচা-কেনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। এছাড়াও বিক্রেতাদের কাছে থেকেও পাওনা টাকা না পেয়ে সে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। এসকল কারণেই সে সোমবার ভোরের দিকে তার দোকানের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

    বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. এনামুল হক জানান, সকালের দিকে নিহতের স্ত্রী স্বামীর ঝুলন্ত লাশ দেখে ডাকচিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসে। পরে পুলিশে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশি তদন্ত চলছে।

  • একাত্তরের পর বাংলাদেশ থেকে কেউ ভারতে যায়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    একাত্তরের পর বাংলাদেশ থেকে কেউ ভারতে যায়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    আসামের নাগরিক তালিকাকে (এনআরসি) ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, একাত্তরের পর বাংলাদেশ থেকে কেউ ভারতে যায়নি। সে দেশের সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটিনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেছেন, আসামের এনআরসির সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও সম্পর্ক নেই। নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া ১৪-১৫ লাখ বাসিন্দাকে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানানো হবে; আসামের অর্থমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় আসামের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা (এনআরসি) প্রকাশ করা হয়। তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন রাজ্যের প্রায় ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন মানুষ। ভারত দাবি করে আসছে তালিকা থেকে বাদ পড়ারা বাংলাদেশ থেকে ভারতে স্থায়ী হওয়া অবৈধ অভিবাসী। তবে বাংলাদেশ এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তালিকা প্রকাশের পর ভারতের ক্ষমতাসীন এনডিএ জোটের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকার সমন্বয়কারী ও আসামের অর্থমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘বাংলাদেশ ভারতের বন্ধু এবং তারা আমাদের সহায়তা করে আসছে। আমরা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে উপস্থাপন করলে তারা বরাবরই তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিচ্ছে। এই সংখ্যাটি বেশি বড় না, তবে এখন আমরা তাদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’

    হেমন্ত বিশ্ব শর্মার মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটিনকে বলেন, ‘এনআরসির সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও সম্পর্ক নেই। আমি আবারও বলছি, এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমি জানি না এই বিষয়ে কে কী বলেছে। ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানালে, আমরা জবাব দেব। সবমিলে আমি বলতে পারি, ১৯৭১ সালের পর কেউ বাংলাদেশ থেকে ভারতে যায়নি। হতে পারে ভারতের বিভিন্ন অংশ থেকে তারা (মূলত বাংলাভাষীরা) আসামে স্থায়ী হয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশ থেকে নয়।’

    বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকে ভারত আমাদের সঙ্গে আছে। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক চমৎকার। তারা আমাদের বন্ধু, কিন্তু এনআরসি নিয়ে উদ্বেগের ক্ষেত্রে আমি বলতে পারি, ১৯৭১ সালের পর কেউ বাংলাদেশ থেকে ভারতে যায়নি। আমি মনে করি না ভারত সরকার কাউকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেবে।’

    আসামের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিরা ১২০ দিনের মধ্যে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে আপিলের সুযোগ পাবেন। এনআরসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে আসামের বাসিন্দাদের ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে থেকে রাজ্যটিতে বসবাসের প্রমাণ উপস্থাপন করতে হচ্ছে। তালিকা প্রকাশের পর নিউজ ১৮কে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে হেমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ১৯৭১ সালের পর যারা শরণার্থী হিসেবে এসেছেন তারা সমস্যায় পড়বেন। তাদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি রয়েছে, কিন্তু অনেকেই এনআরসি প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি করেছেন, আর আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

  • পাঠাও চালক মিলন হত্যার মূল আসামি গ্রেপ্তার

    পাঠাও চালক মিলন হত্যার মূল আসামি গ্রেপ্তার

    রাজধানীতে পাঠাও মোটরসাইকেল চালক মিলনকে গলাকেটে হত্যা করে বাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল আসামি নুরুজ্জামান অপুকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আটক অপু যাত্রীবেশে বাইকে উঠে মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের শাহাজানপুর থানা অংশে গিয়ে পেছন থেকে গলায় ধারালো বস্তু দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছিল বলে জানিয়েছে ডিবি।

    রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে রাজধানীর গুলবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পূর্ব বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা তাঁকে আটকের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

    মিলন ছুরিকাহত হন গত ২৫ আগস্ট দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে। ফ্লাইওভারের মধ্যবর্তী স্থান (পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছে) থেকে মিলনকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।

  • ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ৬৩ জনের অবস্থান অজানা

    ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ৬৩ জনের অবস্থান অজানা

    ইন্টারপোলের রেড নোটিশে তালিকাভুক্ত ৬৫ বাংলাদেশি। আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর বিভিন্ন মামলার আসামিদের তালিকা বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছিল পুলিশের আন্তর্জাতিক সংগঠন ইন্টারপোলের সদরদপ্তর ফ্রান্সের লিয়নে। তাদের ছবি, মামলার নথি এবং কেন তাদের ইন্টারপোল নথিভুক্তি করবে তার সমস্ত প্রমাণাদি পাঠানো হয়েছিল সদর দপ্তরে। ওই তালিকায় রয়েছে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের নাম। এছাড়াও রয়েছে শীর্ষ সস্ত্রাসী, গডফাদার ও যুদ্ধাপরাধ মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। তবে এই ৬৫ জনের মধ্যে ২ জন ছাড়া ৬৩ জনের অবস্থান জানে না বাংলাদেশের পুলিশ। যে দু’জন ব্যক্তির অবস্থান জানা গেছে তারা হলো, বঙ্গবন্ধুর খুনি কানাডায় অবস্থানরত নূর চৌধুরী এবং আমেরিকায় অবস্থানরত চৌধুরী এএম রশিদ।

    খোঁজ পাওয়া সত্ত্বেও সেদেশের অভিবাসন আইনের ম্যারপ্যাঁচে তাদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া থমকে রয়েছে।

    বাকিদের অবস্থান জানার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে ইন্টারপোলকে প্রত্যেক সপ্তাহে তাদের অবস্থান জানানোর জন্য বার্তা পাঠানো হয়। কিন্তু, কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের কেউ কেউ বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন। এ তালিকায় একজন নারীও রয়েছে। ইন্টারপোলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংস্থাটি তাদের ওয়েবসাইটে তাদের নাম ও ছবি দিয়েছে। তাদের বিষয়ে ইন্টারপোলের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর সরকার ও পুলিশকে জানানো হয়েছে। ২০১৮ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বরের আগে পর্যন্ত ৬২ জনের নাম ছিল। গত ১১ মাসে তিনজনের নাম যুক্ত হয়েছে। তারা হলো, খান সাতাজ মুনাসি, খান পারিসা ও ওয়াসিম।

    এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এনসিবি (ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো) শাখার এআইজি মো. মহিউল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, ইন্টারপোলে ৬৫ বাংলাদেশির নাম রয়েছে। তার মধ্যে ২ জনের অবস্থান জানা গেছে। তারা দুজনই বঙ্গবন্ধুর খুনি। তিনি আরও জানান, যারা পলাতক রয়েছে তারা বাংলাদেশে বিভিন্ন মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বা অপরাধ করে আইনের মুখোমুখি না হয়ে পালিয়ে গেছেন। তাদের সবার নাম ও সকল অপরাধের প্রমাণাদি নথিসহকারে ইন্টারপোলে পাঠানো হয়েছে। আমরা প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছি প্রযুক্তির মাধ্যমে। আশা করি ওইসব দুর্বৃত্তের অবস্থান দ্রুত জানা যাবে এবং তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

    পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ ইন্টারপোলের সদস্য পদ লাভ করে। আন্তর্জাতিক এ সংস্থার রেড নোটিশ কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়। ইন্টারপোল আসামিকে গ্রেপ্তারে কোনো বাহিনী পাঠায় না বা কোনো দেশকে চাপও দিতে পারে না। তারা শুধু এ সংক্রান্ত তথ্য সদস্যভুক্ত ১৯০টি সদস্য দেশ ও সেদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন বিভাগকে অবগত করে।

    সূত্র জানায়, ইন্টারপোলের রেড নোটিশে থাকার পরও বিদেশে পলাতক আসামিদের দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া আটকে আছে নানা জটিলতায়। তবে সরকার তাদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে ইন্টারপোলের মাধ্যমে কয়েকজনকে ফিরিয়ে এনেছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জে ৭ খুনের মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন। যার বিরুদ্ধে আদালতের পক্ষ থেকে ফাঁসির আদেশ হয়েছে। নূর হোসেন এখন কারাগারে রয়েছে।

    সূত্র জানায়, যে ৬৩ জনের অবস্থান জানা যাচ্ছে না তার জন্য বাংলাদেশের পুলিশ ইন্টারপোলকে চাপ দিয়ে যাচ্ছে যাতে দ্রুত তাদের অবস্থান জানা যায়। তাদের অবস্থান জানা গেলে সরকারের পক্ষ থেকে ওই দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে। যদি সে দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তন চুক্তি না থাকে তাহলে তা করা হবে।

    ইন্টারপোলের রেড নোটিশে যাদের নাম রয়েছে তারা হলো, কানাডায় অবস্থানরত নূর চৌধুরী, আমেরিকায় অবস্থানরত চৌধুরী এএম রাশেদ। এছাড়াও বঙ্গবন্ধুর খুনি পলাতক খন্দকার আবদুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, আবদুল মাজেদ ও খান রিসালদার মোসলেহ উদ্দিন।

    এছাড়াও রয়েছে, জঙ্গি নেতা মাওলানা তাজউদ্দিন, যুদ্ধাপরাধ মামলার পলাতক আসামি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় পার্টির নেতা ইঞ্জিনিয়ার আবদুল জব্বার, জাহিদ হোসেন, গোপালগঞ্জের আশরাফুজ্জামান খান, ফেনীর মইনউদ্দিন চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাসান আলী ও সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেন। রয়েছেন আলোচিত ও সমালোচিত হারিছ চৌধুরী। এছাড়াও রয়েছে দেশের টপটেরর প্রকাশ কুমার বিশ্বাস, আমিনুর রসুল, হারিস আহমেদ, জাফর আহমেদ, নবী হোসাইন, জিসান, শাহাদাত হোসাইন, মোল্লা মাসুদ, সুব্রত বাইন, কালা জাহাঙ্গীর, খন্দকার তানভীর ইসলাম জয়। রয়েছে, রফিকুল ইসলাম, নবী হোসাইন, তৌফিক আলম, মিন্টু, আতাউর রহমান, নাসির উদ্দিন রতন, চান মিয়া, প্রশান্ত সরদার, সুলতান সাজিদ, হারুন শেখ, মনোতোষ বসাক, আমিনুর রহমান, আহমেদ বাবু, সৈয়দ মোহাম্মদ হোসাইন, জাহিদ হোসেন খোকন, সুরত আলম, সাজ্জাদ হোসেন খান, হাসেম কিসমত, মো. ইউসুফ, নাঈম খান, মকবুল হোসাইন ও সালাহউদ্দিন মিন্টু, আনজুম ফারজানা, খান মোহাম্মদ শহীদ উদ্দিন, অশোক কুমার দাস, চন্দন কুমার, সুজন শহীদ কামাল, আলী আকবর ভুট্টো, আমান উল্লাহ শফীক, সাজ্জাদ হোসাইন খান, হুসাইন মকবুল, মজনু আহমেদ, দিপু নুরুল, অভি গোলাম ফারুক ও শহীদ সুলতানের নাম।

  • বরগুনায় ধর্ষণের শিকার শিশুর কোলে আরেক শিশু

    বরগুনায় ধর্ষণের শিকার শিশুর কোলে আরেক শিশু

    বরগুনায় ধর্ষণের শিকার ১০ বছরের শিশুর কোলে আরেক শিশুর জন্ম হয়েছে। মাত্র চারদিন হয়েছে পৃথিবীর আলো দেখেছে শিশুটি। এখনো নাম রাখা হয়নি। বাবার পরিচয় এখনো নিশ্চিত হয়নি। জন্ম নেয়া সন্তানকে কোলে নিয়ে চোখের পানি ফেলছে দশ বছরের শিশুটি। সন্তানের পিতৃ পরিচয় পাওয়ার জন্য স্থানীয় সালিসদারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে শিশুটি ও তার পরিবার।

    বরগুনার বেতাগী উপজেলার দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর স্থানীয় সালিসদারদের কাছে বার বার গিয়েও ন্যায় বিচার পায়নি শিশুটি।

    মাঝে মাঝে শিশুসুলভ আচরণ করছে। কিছুক্ষণ পর পর অঝোরে কেঁদে ওঠে। এরপর সন্তানকে বিছানায় রেখে লজ্জায় বাইরে চলে যায় শিশুটি।

    নির্যাতনের শিকার শিশু ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, নয় মাস আগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করে বেতাগী উপজেলার দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামের কালাম ব্যাপারীর ছেলে আক্কাস ব্যাপারী (২৫)।

    ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হলে শিশুটিকে হত্যার হুমকি দেয় আক্কাস। প্রায় পাঁচ মাস আগে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানান, শিশুটি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তার বিষয়টি স্থানীয় সালিসদারদের জানায় পরিবার। তখন শিশুটিকে বিয়ের জন্য আক্কাসকে চাপ দেয়া হয়। কিন্তু আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার জন্য নির্যাতিত শিশুটির পরিবারকে প্রস্তাব দেয় স্থানীয় প্রভাবশালীরা। এ অবস্থায় অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে শিশুটির পরিবার।

    নির্যাতিত শিশুটিকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় আক্কাস। এরপর নিরূপায় হয়ে মামলা করে শিশুটির পরিবার। এরই মধ্যে গত বুধবার রাতে ছেলে সন্তানের জন্ম দেয় নির্যাতিত শিশুটি।

    নির্যাতিত শিশুর ভাই বলেন, আমার ছোট বোনের সর্বনাশ করেছে আক্কাস ব্যাপারী। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পারিবারিকভাবে আক্কাসের সঙ্গে আমার বোনের বিয়ে দিয়ে সমস্যার সমাধান করতে অনেক চেষ্টা করেছি আমরা। স্থানীয় সালিসদারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি। কিন্তু আক্কাস আমার বোনকে বিয়ে করতে রাজি না হয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

    আক্কাস ব্যাপারীর বাবা কালাম ব্যাপারী বলেন, তার সম্মান হানির জন্য এলাকার একটি কুচক্রী মহল এসব কথা রটিয়েছে। সেই সঙ্গে ওই মেয়েটির পরিবার তার ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। মামলার পর থেকে তার ছেলে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

    তবে হোসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান বলেছেন, শুরু থেকেই আমরা বিষয়টি জানি। বিষয়টি সমাধানের জন্য ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আক্কাস ব্যাপারীকে বলেছি। কিন্তু এতে আক্কাস রাজি হয়নি। পরে নির্যাতিত শিশুটির পরিবারটিকে আইনের আশ্রয় নেয়ার জন্য বলেছি এবং সহযোগিতা করে যাচ্ছি। এরই মধ্যে মামলা হওয়ার পর এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় আক্কাস।

  • বরিশাল নগরীর শারীরিক প্রতিবন্ধী বৈশাখী হার মানেনি শিক্ষার কাছে

    বরিশাল নগরীর শারীরিক প্রতিবন্ধী বৈশাখী হার মানেনি শিক্ষার কাছে

    বরিশাল নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শারীরিক প্রতিবন্ধী বৈশাখী রায় (১৬)। বাবা নরসুন্দর বিমল চন্দ্র রায়ের ছোট মেয়ে বৈশাখী ছোট বেলা থেকেই দারিদ্র্য ও শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে যুদ্ধ করে আসছে প্রিতিনয়ত। মানসিকভাবে বড় হলেও শারীরিকভাবে বেড়ে ওঠা হয়নি তার। তাই ১৬ বছর বয়েস তার উচ্চতা এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র আড়াই থেকে তিন ফুট।

    তবে উচ্চতার কাছে হার মানলেও বৈশাখী শিক্ষার কাছে হার মানেনি, সব প্রতিকূলতাকে নিত্যসঙ্গী করে প্রবল মনোবল নিয়ে এগিয়ে গেছে অনেকটা পথ।

    বৈশাখী আলহাজ্ব দলিল উদ্দিন গালস হাই স্কুল থেকে এসএসসিতে জিপিএ ৩.০৬ পেয়ে বর্তমানে এ করিম আইডিয়াল কলেজে পড়াশোনা করছে মানবিক বিভাগ নিয়ে।

    পারিবারিক সূত্র থেকে জানা যায়, দুই বোনের মধ্যে ছোট বৈশাখী। আর তার বড় বোন সরকারি মহিলা কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত। মা অনিতা রানী গৃহিণী আর বাবা বিমল চন্দ্র রায় নিজেও শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে এলাকার একটি সেলুনে নরসুন্দরের কাজ করে চারজনের সংসার চালান।

    অপরদিকে বাবা নিজে শিক্ষিত না হলেও মেয়েদের শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে চায়। কিছুদিন আগে জেলা প্রশাসকের কাছে একটি আবেদন করে আসে কম্পিউটার চেয়ে।

    বিষয়টি নজরে এলে জেলা প্রশাসক খোঁজ খবর নিয়ে বৈশাখীর শিক্ষা কার্যক্রমে বেগবান করার পাশাপাশি কম্পিউটারের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে তাকে কম্পিউটার কিনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

    রোববার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈশাখী ও তার মায়ের হাতে কম্পিউটার এবং কালার প্রিন্টার তুলে দেন জেলা প্রশাসক বরিশাল এস এম অজিয়র রহমান।

    জেলা প্রশাসকের তহবিল থেকে কিনে দেওয়া এ কম্পিউটার ও কালার প্রিন্টার পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন বৈশাখী রায়।

    এসময় জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা যদি এমন মানুষদের পাশে না দাঁড়াই তবে কে দাঁড়াবে। সে হয়তো মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ, কিন্তু তার ইচ্ছা শক্তি খুবই প্রখর। কম্পিউটারটি তার শিক্ষাকার্যক্রমে কাজে আসবে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব আহমেদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহমেদ, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসার আব্দুল লতিফ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রফেশন অফিসার সাজ্জাদ পারভেজ প্রমুখ।

  • মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, আশুরা ১০ সেপ্টেম্বর

    মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, আশুরা ১০ সেপ্টেম্বর

    দেশের আকাশে হিজরি ১৪৪১ সালের মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। তাই আগামী রোববার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে পবিত্র এ মাসের গণনা শুরু হবে। সে হিসেবে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা।

    শনিবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি শেখ মো. আব্দুল্লাহ।

    পরে এক ঘোষণাপত্রে জানানো হয়, সভায় ১৪৪১ হিজরি সালের মহররম মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে দেশের সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। এতে দেখা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় বরিশাল, গাইবান্ধা, ঝালকাঠি, কুমিল্লা, ঠাকুরগাঁও, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রংপুর, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও জয়পুরহাটসহ বিভিন্ন জেলায় মহররম মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ মিলেছে। তাই ১ সেপ্টেম্বর থেকে মহররম মাস গণনা শুরু এবং ১০ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) আশুরা উদযাপন হবে।

    সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।