শুরুতেই মেয়র সাদিকের চমক

শেখ সুমন:

নবনির্বাচিত সিটি মেয়র আওয়ামী লীগ নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বেশ কয়েকটি ইতিবাচক পদক্ষেপ নিলেন। জয়ী হয়েছেন কিন্তু তিনি আনন্দ মিছিল থেকে বিরত থেকেছেন। পাশাপাশি তিনি কোন ফুলের শুভেচ্ছাও গ্রহণ করছেন না। নির্বাচনের পর পর তার বাড়ির মুখে হাজার হাজার নেতাকর্মী ফুলের মালা নিয়ে হাজির হয়ে ফিরে যান। এই বিষয়টিকে নগরবাসী ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন। এমনকি সাদিকের ভুমিকা নগরবাসীর কাছে প্রসংশিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এক দিন পরেই শুরু হয় শোকের মাস। এই শোকের মাসে সাদিক আবদুল্লাহ অনন্দ উল্লাস থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেন। পাশাপাশি শোকাবহ আগস্টে নবনির্বাচিত কাউন্সিলর ও নেতাকর্মীদেও আনন্দ উল¬াস থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এই সংক্রান্ত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি শুক্রবার (০৩ আগস্ট) স্থানীয় পত্রিকার অফিসগুলোতে ইমেল বার্তায় প্রেরণ করেছেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

এক্ষেত্রে নবনির্বাচিত মেয়রের ভাষ্য হচ্ছে- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার দাদা শহিদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সহ পরিবারের অসংখ্য স্বজনদের হত্যা করা হয়েছিল। ফলে এই পুরো মাসটিকেই শোক হিসেবে গ্রহণ করেছে গোটা জাতি। যে কারণে ৩০ জুলাই নির্বাচিত হয়েও র‌্যালি বা আনন্দ মিছিল করেননি।

তবে আগস্টের প্রথম দিনেই নবনির্বাচিত কাউন্সিলরদের নিয়ে তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন। এদিকে শুরুতেই সাদিকের এই পথ চলাকে অনেকে কৌশল হিসেবে মনে করছেন। তবে দলীয় নেতাকর্মী বা নবনির্বাচিত কাউন্সিলররা এটিকে চমক হিসেবে দেখছেন। অবশ্য সাদিকের বিজয় আনার ক্ষেত্রে অগ্রভাগে থাকা বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালও এমন পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবেই মনে করছেন।

এক্ষেত্রে এই নেতার ভাষ্য হচ্ছে- নির্বাচন পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাদিক আবদুল্লাহ বরিশালবাসীর কাছে ঋণি। সার্বিক দিক বিবেচনা করেই এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ বলে অনুমান করেন তিনি।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *