Author: banglarmukh official

  • সুবর্ণ সুযোগ মিস করলেন মেসি!

    সুবর্ণ সুযোগ মিস করলেন মেসি!

    না, আগের মতোই ফ্রি কিকে দক্ষতা দেখাতে পারলেন না আর্জেন্টিনার ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি। পরপর দুটি সুযোগ হেলায় হারালেন তিনি! দারুণ সুযোগ এসেছিল পেনাল্টির। ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে মেসিকেই ডি বক্সের মধ্যে ফাউল করে বসেন আইসল্যান্ডের সিগরুডসন। পেনাল্টি শট নিতে আসেন জাদুকর। কিন্তু তার শট অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন আইসল্যান্ড গোলকিপার হ্যালডরসন।

    এর আগে রাশিয়া বিশ্বকাপে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সের্হিও আগুয়েরোর দুর্দান্ত গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা।ম্যাচ শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যেই আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠানোর খুব ভালো একটা সুযোগ পেয়েছিল আইসল্যান্ড। নবম মিনিটে ডি-বক্সে ফাঁকায় বল পেয়ে ফরোয়ার্ড আলফ্রেদ ফিনবোগাসনের নিচু শট একটুর জন্য লক্ষ্যে থাকেনি।

    ম্যাচের ১৯তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতরে ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকারকে খুঁজে পান মার্কোস রোহো। সঙ্গে লেগে খেলোয়াড়কে এড়িয়ে বুলেট গতির শটে বল জালে পাঠান আগুয়েরো। এর মাত্র ৫ মিনিট পর আর্জন্টিনার জালে বল পাঠিয়ে ম্যাচে ১-১ সমতা আনে আইসল্যান্ড।

    গোলকিপার উইলি কাবাইয়েরো একটি চেষ্টা ফিরিয়ে দিলে বল পেয়ে যান আইসল্যন্ড ফরোয়ার্ড আলফ্রেড ফিনবোগাসন। ২৪তম মিনিটে খুব কাছ থেকে বল জালে পাঠান এই ফরোয়ার্ড। প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা আইসল্যন্ড নিজেদের প্রথম ম্যাচেই গোলের দেখা পেয়ে গেল! সেটাও আবার আর্জেন্টিনার মতো তারকাবহুল দলের বিপক্ষে।

  • বিয়ে করে বিপাকে ইমন-মানতাসা!

    বিয়ে করে বিপাকে ইমন-মানতাসা!

    হুট করেই বিয়ে করে ফেলেছেন উথাল আর ইশাল। কেউই পরিবারের ভয়ে বাড়িতে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না! কাজী অফিস থেকে বন্ধুরা ওদেরকে একা ফেলে চলে গেছেন। রাস্তা আর পার্কই এখন তাদের শেষ ভরসা!

    কিন্তু রাত কাটবে কিভাবে? বাসর হবে না? বিয়ে করে বিপাকেই পড়ে গেলেন তারা। এমন অনেক প্রশ্নই ঘুরপাক করছে উথাল আর ইশালের মাথায়। এরমধ্যে রাতে তাদের সঙ্গে দেখা হয় ষাটোর্ধ এক দম্পতির। তারাও একসময় পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন। গল্পটা মিলে যায় অনেকটাই। কিন্তু তাতে সমাধান মেলে না। রাতে রাস্তায় ওদেরকে আটক করে পুলিশ। এরপর কী ঘটবে?

    জানতে হলে দেখতে হবে নাটক ‘টোনাটুনির প্রেম’। নূর সিদ্দিকীর রচনায় এটি পরিচালনা করেছেন তুহিন হোসেন।

    এতে ইশাল চরিত্রে অভিনয় করেছেন লাক্স সুপারস্টার-২০১৮ বিজয়ী মিম মানতাসা ও তার বর উথালের চরিত্রে মামনুন ইমন। এছাড়া এতে আরও রয়েছেন আজম বাবুসহ আরও অনেকে।

    লাক্স নিবেদিত ‘টোনাটুনির প্রেম’ ঈদের তৃতীয় দিন রাত ১০টায় আরটিভিতে প্রচার হবে।

  • ঈদ – উল ফিতর এর শুভেচ্ছা

    ঈদ – উল ফিতর এর শুভেচ্ছা

    জাতীয় অনলাইন দৈনিক বাংলার মুখ ২৪ ডটকম এর পক্ষ থেকে সকল পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পবিত্র ঈদ – উল ফিতর এর শুভেচ্ছা জানাই… ঈদ মোবারক

    শুভেচ্ছান্তেঃ

    মুহাঃ পলাশ চৌধুরী

    প্রকাশক ও সম্পাদক

  • প্রেমের চাদ

    প্রেমের চাদ

    আলআমীন:

    রাজশ্রী তুমি আমার মোনের আকাশে ঈদের এক ফালি চাদ ওয়ে উঠিও!

    আমি আন্দোলিত হবো শিশুদের চাদ দেখার ন্যায়..

    হৈ হুল্লোড় লাফালাফি চিৎকার আর মুহুর্মুহ আতোসবাজি,

    আর পটকা ফোটাবো সেখানে সেখানে।

    তুমি চাদ হয়ে এলেই হবে আমার রাজ্যে ঈদ!

    ফিরনি পায়েস আর কোরমা পোলাওয়ের আয়োজন হবে ঘরে ঘরে।

    নব সাজে সাজবে শিশু , আবাল, বৃদ্ধ , বনিতা

    বিনা দাওয়াতেই গুনী কবি সাহিত্যিক শিল্পীদের , পদচারণায় মুখরিত হবে পরিবেশ।

    তুমি চাদ হয়ে উঠে এমন একটা পরিবেশন সুচনা করোনা!

    রাজশ্রী তুমি আমার মোনের আকাশে এক ফালি চাদ ওয়ে ওঠোনা!

  • ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটায় ঘোরাঘুরি

    ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটায় ঘোরাঘুরি

    সাগরজলে লালচে রঙের আভা ছড়িয়ে সূর্যোদয় কিংবা সূর্যাস্ত, বালুতটে লাল কাঁকড়ার নৃত্য অথবা সাগরের ঢেউয়ের গর্জন করে তীরে আছড়ে পড়ার মতো মনোরম দৃশ্য দেখতে হলে যেতে হবে সাগরকন্যা কুয়াকাটায়।

    আর এই ঈদের ছুটিতে তাই যে কেউ ঘুরে আসতে পারেন কেওড়া, ছৈলা, বাবলা, নারিকেল গাছে ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ঘেরা ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায়।

    যদিও ভ্রমণ পিপাসুরা এরই মধ্যে ঈদের পরের দিন থেকে কুয়াকাটার বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে রুমের জন্য অগ্রিম বুকিং দিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

    কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মোতালেব শরিফ বলেন, ঈদের ছুটিতে সাগরকন্যা কুয়াকাটায় পর্যটকদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত কুয়াকাটা। বিশেষ করে কুয়াকাটার হোটেল মোটেলগুলো সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে আগতদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার জন্য। ঈদের ছুটিতে আসা পর্যটকদের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা থাকবে।সাগরকন্যা কুয়াকাটা।তিনি বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারেও রমজান মাসে কুয়াকাটায় তেমনভাবে কোনো পর্যটকের দেখা মেলেনি। তবে ঈদের পরের দিন থেকে এই পরিস্থিতি ঘুরে দাঁড়াবে বলে জানান তিনি।

    এদিকে সৈকত লাগোয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আবদুল মান্নান জানান, রোজায় পর্যটক কম থাকায় বেচা-বিক্রিও কম হচ্ছে। তবে ঈদের ছুটিকে ঘিরে পর্যটকদের জন্য সব ব্যবসায়ীরাই আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। নতুন নতুন পসরা সাজিয়েছেন নিজ নিজ বিক্রয়কেন্দ্রে।

    পাশাপাশি ঈদের ছুটিতে দেশ ও বিদেশের পর্যটকদের সাগরকন্যা কুয়াকাটায় ঘুরতে আসাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশের ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান।

    এদিকে পর্যটকদের জন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা সৈকত এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লা।

    তিনি বলেন, পর্যটকদের যাতে কুয়াকাটায় এসে কোনো ধরনের সমস্যা বা বিড়াম্বনায় পড়তে না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখা হচ্ছে।

    পটুয়াখালী জেলা শহর থেকে ৭২ কিলোমিটার দক্ষিণে কলাপাড়া উপজেলার অন্তর্গত লতাচাপালী ইউনিয়নে অসাধারণ ভ্রমণ স্বর্গ খ্যাত সমুদ্র সৈকতটির অবস্থান। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পূর্বদিকেই রয়েছে গঙ্গামতির বা গজমতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও আগুনমুখা নদীর মোহনা, পশ্চিমে ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল ও আন্ধারমানিক নদের মোহনা, উত্তরে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মাছের বাণিজ্যকেন্দ্র আলীপুর।

    কুয়াকাটায় বেড়াতে গেলে যেগুলো না দেখলেই নয়, তারমধ্যে রয়েছে, সৈকতের পূর্ব প্রান্তের চারগঙ্গামতী থেকে লাল কাঁকড়া ও সূর্যোদয় দেখা, পশ্চিম প্রান্তের লেম্বুরচর থেকে সূর্যাস্ত দেখা। ঘুরে দেখা যাবে নারিকেল বীথি, ফয়েজ মিয়ার বাগান, ইকোপার্কসহ কয়েকটি স্থান।

    আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ইঞ্জিনচালিত বোটে চরে ফাতরা, লালদিয়া, হরিণবাড়িয়া, সোনাকাটা ইকোপার্কসহ সংরক্ষিত বনাঞ্চলও ঘুরে দেখা যায় এখান থেকে।

    কুয়াকাটায় বিভিন্ন স্থানে দেখা যাবে রাখাইনদের ছোট ছোট পল্লিতে থাকা তাত শিল্প ও রাখাইন নারীদের সংগ্রামী জীবন। দেখা যাবে শুঁটকি ও জেলে পল্লির কর্মব্যস্ত জীবন।

    বেড়িবাঁধ ঘেষে কুয়াকাটার প্রাচীন কুয়াটির সামনেই রয়েছে সীমা বৌদ্ধ মন্দির। প্রাচীন এই মন্দিরে রয়েছে প্রায় সাঁইত্রিশ মন ওজনের ধাতুর তৈরি ধ্যানমগ্ন বুদ্ধের মূর্তি। পাশাপাশি কুয়াকাটার রাখাইন আদিবাসীদের আরেকটি বাসস্থল মিশ্রিপাড়ায় রয়েছে একটি বৌদ্ধ মন্দির। সেখান থেকে কিছু দূরে আমখোলা পাড়ায় রয়েছে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় রাখাইন বসতি।

    কুয়াকাটা থেকে প্রায় চার কিলোমিটার উত্তরে আলীপুর-মহিপুরে রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম মাছ বিক্রয়কেন্দ্র । যেখান থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রলার বঙ্গোপসাগরে যায় মাছ ধরতে। এসব জায়গায় ঘুরতে হলে ভাড়ায় মোটরসাইকেল কিংবা ব্যাটারিচালিত ভ্যানে চরে ঘুরতে পারেন যে কেউ।সাগরকন্যা কুয়াকাটা। এছাড়া ঘোড়ায় চরে সমুদ্রসৈকতে ভ্রমণ কিংবা সূর্যস্নান করে দিব্যি সময় কাটানো যায় এই সৈকতে। পাশাপাশি সমুদ্রস্নানের জন্য রয়েছে বয়া, লাইফজ্যাকেটসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা। কেনাকাটা করতে চাইলে সৈকতপারের মার্কেট, রাখাইন নারী মার্কেটসহ বেশ কিছু দোকান রয়েছে কুয়াকাটায়।

    নিয়মিত খাবারের জন্য বেশ কিছু হোটেল, রেস্টুরেন্ট থাকলেও তাজা সামুদ্রিক মাছ ও কাঁকড়া ভেজে কিংবা বারবিকিউ করে খেতে চাইলে সৈকত সংলগ্ন অস্থায়ী মার্কেটে রয়েছে তার ব্যবস্থা।

    নদী ও সড়ক দু’পথেই কুয়াকাটা যাওয়া যায়। তবে বিমানে করে বরিশাল হয়েও কুয়াকাটা যাওয়া যাবে। ঢাকার সদরঘাট থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় বরিশাল ও পটুয়াখালীর উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি বিলাসবহুল লঞ্চ ছেড়ে যায়। লঞ্চযোগে পটুয়াখালী নেমে পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসযোগে সরাসরি কুয়াকাটা যাওয়া যায়।

    এছাড়া লঞ্চযোগে কিংবা বিমানে করে বরিশাল নেমে নগরের রুপাতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসযোগে কুয়াকাটায় যাওয়া যাবে। আর সড়কপথে ঢাকা থেকে সরাসরি যেতে চাইলে ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ থেকে সরাসরি বাসে যাওয়া যাবে। সাদামাটা ছাড়াও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসও এই পথে চলাচল করে।

    কুয়াকাটায় গিয়ে রাত্রি যাপন করতে হলে সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলাস, গ্র্যান্ড হোটেলের মতো নামিদামি হোটেল ছাড়ায় রয়েছে স্বল্পখরচে থাকার সু-ব্যবস্থাসম্পন্ন বেশকিছু দেড়শতাধিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট। যেসব হোটেলে কক্ষের আকার ও আকৃতি ভেদে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • রেকর্ড গড়লেন মাচেরানো

    রেকর্ড গড়লেন মাচেরানো

    মস্কোর স্পার্তাক স্টেডিয়ামে ‘ডি’ গ্রুপের খেলায় আইসল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে আর্জেন্টিনা। আর এই ম্যাচের মাঠে নামার মধ্য দিয়ে দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়লেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার হাভিয়ের মাচেরানো।

    আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে এটি তার ১৪৪তম ম্যাচ। এর আগে রেকর্ডটি ছিল সাবেক মিডফিল্ডার হাভিয়ের জেনেতির। তিনি খেলেছেন ১৪৩ ম্যাচ।

    আর্জেন্টিনার জাতীয় দলে ৩৪ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডারের অভিষেক হয়েছিল ২০০৩ সালে। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে দলের রক্ষণভাগ সামলাচ্ছেন তিনি। ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার অধিনায়কত্বের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপে শততম ম্যাচের কোটা পার করেন।

  • আর্জেন্টিনা ১ – ১ আইসল্যান্ড

    আর্জেন্টিনা ১ – ১ আইসল্যান্ড

    রাশিয়া বিশ্বকাপের ডি গ্রুপের প্রথম ম্যাচে আজ মাঠে নেমেছে আর্জেন্টিনা ও আইসল্যান্ড। আর প্রথমার্ধের ২৩ মিনিটের মধ্যেই গোল পেয়েছে দুই দুল। ১৯ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন আগুয়েরা। কিন্তু মাত্র ৪ মিনিটের ব্যবধানে আইসল্যান্ডকে সমতায় ফেরান আলফ্রিও ফিনবোগাসন।

    আর্জেন্টিনা একাদশ:

    উইলি কাবাইয়েরো, এদুয়ার্দো সালভিও, নিকোলাস ওতামেন্দি, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, মার্কোস রোহো, হাভিয়ার মাসচেরানো, আনহেল ডি মারিয়া, লুকাস বিগলিয়া, মাক্সিমিলিয়ানো মেসা, লিওনেল মেসি, সের্জিও আগুয়েরো।

    আইসল্যান্ড একাদশ:
    হান্নেস থর হালডরসন, সায়েভারসন, রাগনার সিগুর্ডসন, গুডমুন্ডসন, বিয়ার্নাসন, গিলফি সিগুর্ডসন, ফিনবগাসন, আরনাসন, মাগনুসন, গুন্নারসন, হালফ্রেডসন।

  • ঈদ ধামাকায় “প্রেমের বাজার” নিয়ে নাভিলা

    ঈদ ধামাকায় “প্রেমের বাজার” নিয়ে নাভিলা

    স্টাফ রিপোর্ট :

    বরিশালের গর্বিত কন্যা নাভিলা রাহমান বর্তমান প্রজন্মের বেশ পরিচিত তরুণ কন্ঠ শিল্পী। দেশে বিদেশে শ্রুতি মধুর কণ্ঠ দিয়ে মঞ্চ কাঁপাতে দেখা যায় নাভিলাকে। সম্প্রতি বাজারে এসেছে নাভিলার নতুন একটি অ্যালবাম “প্রেমের বাজার” ইতিমধ্যে বেশ কিছু মৌলিক গান দিয়ে তিনি দর্শকের মন জয় করে নিয়েছে।

    দেশের প্রথম স্তরের অডিও কোম্পানি “সংগীতা” থেকে তার অ্যালবাম মুক্তি পেয়েছে। এর আগে নাভিলার “ডিজিটাল প্রেম” নামের একটি গান ইউটিউবে বেপক আলোড়ন সৃস্টি করেছে। প্রেমের বাজার গানটি নিয়ে নাভিলার সাথে কথা বলার সময় তিনি জানান আমি সব সময় আমার ভক্তদের চাহিদা অনুযায়ী তাদের গান উপহার দিয়ে থাকি। আমার ভক্তরা আমার থেকে একটু আনন্দমূলক গান আশা করে,তাই একটু ভিন্ন ধরণের গান আমি তাদের জন্য করে থাকি।

    নাভিলা আরো জানান ঈদের পর তার দুটি রোমান্টিক গান বাজারে আসবে। নাভিলা বর্তমানে ঢাকা বসবাস করেন তিনি বরিশালের একটি সনামধন্য পরিবারের কন্যা। বীর মুক্তিযোদ্ধা “শহীদ মজিবুর রহমান কাঞ্চন” এর নাতনী। তার দাদা কাঞ্চন ছিলেন বরিশালের একজন সনামধন্য ব্যক্তি বরিশালের মানুষ এর প্রাণ ছিলেন “কাঞ্চন মিয়ার মত নাভিলা তার আগামী দিনগুলো ঠিক এইভাবেই দর্শকের মন জয় করে চলতে চায়। তিনি তার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য বরিশাল বাসির কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

  • আমি যে সিঙ্গেল, সেটা কেউ বিশ্বাসই করতে চায় না: মিম

    আমি যে সিঙ্গেল, সেটা কেউ বিশ্বাসই করতে চায় না: মিম

    বিদ্যা সিনহা মিম যে এখনও সিঙ্গেল এটা কেউ বিশ্বাস করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী নিজেই। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার ওপার বাংলায় মুক্তি পেয়েছে বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত ছবি ‘সুলতান: দ্য সেভিয়র’। এতে মিমের বিপরীতে রয়েছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ। ছবিটি প্রসঙ্গে ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্যক্তিগত জীবনেরও নানা কথা বলেন নায়িকা।

    আপনি নাকি ছোটবেলা থেকেই অভিনেতা হতে চাইতেন? এমন প্রশ্নের জবাবে হেসে মিম বলেন, বড় হয়ে তারকা হওয়ার ইচ্ছেটা সব বাচ্চার মধ্যেই থাকে। আমারও ছিল! এই পেশায় আসার ব্যাপারে মা সব সময় আমার পাশে ছিলেন। মা আমাকে গানের স্কুলেও ভর্তি করিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু গান ব্যাপারটা আমাকে কখনোই টানেনি। ক্লাস এইট অবধি গান শিখেছি। জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছি। জানেন, মা আমাকে না জানিয়েই একটা বিউটি প্যাজেন্টে আমার ছবি পাঠিয়েছিলেন। প্রথমে ভেবেছিলাম, প্রথম রাউন্ডেই আউট হয়ে যাব। পরে দেখলাম, আমিই প্যাজেন্টটা জিতে গেলাম (হাসি)।

    যৌথ প্রযোজনা নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে মিম সাফ জানিয়ে দেন, আমরাও যৌথ প্রযোজনাকে সমর্থন করি। কিন্তু আমরা একটাই বিষয় চাই। যৌথ প্রযোজনায় পুরো বিষয়টা যেন সমান-সমান ভাগাভাগি হয়। কাজের সময় অনেক ক্ষেত্রেই সেই ভারসাম্যটা রাখা যায় না। সেই কারণেই হয়তো অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    সুন্দরী নায়িকা আপনি। ক্যারিয়ারগ্রাফও ঊর্ধ্বমুখী! তা-ও রিলেশনশিপ স্টেটাসটা সিঙ্গেল কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে হেসে আমার প্রাণের প্রিয়া ছবির নায়িকা বলেন, আমি যে সিঙ্গেল, সেটা কেউ বিশ্বাসই করতে চায় না। কী মুশকিল!

  • ঈদের নামাজের জামাত ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা র‌্যাবের

    ঈদের নামাজের জামাত ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা র‌্যাবের

    ঈদের জামাতের সুনির্দিষ্ট কোন নিরাপত্তা হুমকি নেই উল্লেখ করে র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ বলেছেন, আমাদের গোয়েন্দা তথ্য মতে ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট কোন নিরাপত্তা হুমকি নেই। তবুও নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি।জাতীয় ঈদগাহসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঈদের নামাজের জামাত ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নিয়েছে র‌্যাব।

    আজ শুক্রবার (১৫ মে) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা জানান।

    র‌্যাব ডিজি বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে মানুষ যাতে নিরাপদে থাকেন সেজন্য ১৩টি স্থানে অস্থায়ী ক্যাম্প করেছি। আর প্রতিবছরের মতো এবারও জাতীয় ঈদগাহ, দিনাজপুর ও শোলাকিয়ার বড় ঈদের নামাজের জামাতকে ঘিরে আমরা বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নিয়েছি। তিনি বলেন, ২০ রমজানের পর থেকে রাজধানীতে ব্যস্ততা বেড়েছে। তখন থেকেই নগরীজুড়ে নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করে র‌্যাব। রাজধানীর মার্কেট, শপিং মল, বাস, রেল ও লঞ্চ টার্মিনাল এবং হাইওয়ে এলাকাসহ সব স্থানেই নিরাপত্তায় র‌্যাব সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন।