Author: banglarmukh official

  • গর্ভে ৮ মাসের সন্তান নিয়েও খদ্দেরের বিছানায় রেশমা!

    গর্ভে ৮ মাসের সন্তান নিয়েও খদ্দেরের বিছানায় রেশমা!

    যৌনকর্মী। সমাজের মানুষের চোখে নিকৃষ্ট একটি পেশা কিন্তু এই পেশায় আসা মানুষগুলোরও পেছনে থাকে অজানা অনেক কথা। থাকে দুঃখ, কষ্ট। কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে আসে না এই পেশায়। স্বামীর নির্যাতন, যৌতুক, প্রতারণা আবার অনেকটা বাধ্য হয়েই অনেক আসেন এই পেশায়। তেমনই রাজধানীর ভাসমান যৌনকর্মী রেশমা (ছদ্মনাম)। তার পেশা পতিতাবৃত্তি।

    বিজয় স্মরণী এলাকায় প্রায় প্রতিরাতে খদ্দেরের অপেক্ষায় থাকে মেয়েটি। খদ্দের পেলেই তার পেটে খাবার পড়বে, দিতে পাড়বে তার মাথার উপর থাকা ছাদের ভাড়া। সে এ অনিশ্চিত জীবন আর টেনে নিতে পাড়ছে না, এবার মুক্তি চায়, সমাজে ভালো একটা পরিচয় নিয়ে বাঁচতে চায়। রেশমার ভাষ্য, ‘গর্ভে সন্তান নিয়েও গভীর রাতে এখানে এসেছি। আটমাসের সন্তান গর্ভে থাকার পর খদ্দেরের বিছানায় শুয়েছি। গর্ভবতী হওয়ার পর দুই-তিন মাস বাসায়-ই ছিলাম, কিন্তু আর চলছিলো না। পেটের ক্ষুদায় বাধ্য হয়ে গর্ভবতী অবস্থায়-ই এ কাজ করেছি। কিন্তু সে সন্তানকেই কাছে রাখতে পারলাম না।’

    রোজার দুই সপ্তাহ আগে তৃতীয় সন্তান জন্ম দিয়েছিল রেশমা। জন্ম দেয়ার পর একবার সন্তানের চোখে চোখ রাখার সুযোগ পেয়েছিল। এরপর আর খবর জানে না। আগে থেকেই দালাল ঠিক করা ছিল। বুকের দুধও আর খাওয়ানোর সুযোগ হয়নি। ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে জন্মের পর মুহূর্তেই। এ টাকাতেই রেশমার হিসেব শেষ। এরপর দালাল কার কাছে, কত টাকায় বিক্রি করেছে তাও জানে না রেশমা। কেন বিক্রি করতে হলো সন্তানকে, এসব জানতে চাইলে গলা ধরে আসছিল ওর।

    সিগারেটে ফুঁক দিয়ে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে বলে, পেটের জ্বালায় বিক্রি করেছি। ওরে গর্ভে নিয়ে শেষের দুই মাস আর কাজ করতে পারছিলাম না। বাড়ি ভাড়া বাকি ছিল। দোকানেও বাকি ছিল। ২০ হাজার টাকা ঋণ হওয়ায় চোখে সরষে ফুল দেখছিলাম। উপায় না পেয়েই বিক্রি করেছি। বিক্রিই যদি করতে হয় তাহলে এত কষ্ট করে গর্ভধারণের দরকার কি? এমনটি জানতে চাইলে রেশমা বলেন, ইচ্ছা ছিল দেশে যাওয়ার। নেশাখোর স্বামীরে ভালো করে ময়মনসিংহ চলে যাব। অন্য কিছু করব। তা আর হয়নি। স্বামীর কারণেই হয়নি। সে চায় আমি রোজ রোজ সকালে গিয়ে তার হাতে টাকা দিই। শেষে বুঝলাম, এ কাজই করতে হবে। কোলে মাইয়া নিয়া তো রাস্তায় খাড়াতে পারমু না। খদ্দের পামু না। তাই বেচে দিলাম।

    মেয়েকে দেখতে মন চায় না? জানতে চাইতেই চোখ ছলছল করে উঠল রেশমার। ওড়নায় চোখ মুছতে মুছতে বলেন, ‘ওরে গর্ভে নিয়ে সাড়ে সাত মাস রাস্তায় কাজ করেছি। শীতের রাতের কষ্টের কথা মুখে বলা যায় না। স্বপ্ন ছিল অনেক কষ্ট হলেও আদর-যত্ন করে বড় করব। বড় মেয়ে মিমের সঙ্গে মিলিয়ে নামও রেখেছিলাম। জানিনা ওর নাম কি রাখা হয়েছে। শুনেছি পঙ্গু হাসপাতালের এক ডাক্তার কিনে নিয়েছে। কিন্তু তার ঠিকানা জানি না।’

  • বঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন।

    বঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন।

    হুজাইফা রহমান:

    অসাধারণ বাংলার কান্ডারী ” অবাক ” সংগঠনের পক্ষ থেকে বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের পাঁচ ও ছয় নং ওয়ার্ডের কিছু বঞ্চিত এবং অসহায় শিশুদের মাঝে ঈদের উপহার সামগ্রী বিতরন করা হয়।

    হযরত আমানতশাহ (র:) জামে মসজিদে সকাল দশটার সময় উপহার সামগ্রি বিতরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের দোয়া পরিচালনা করেন হযরত আমানতশাহ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ আ: মান্নান।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অবাক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ, সংগঠনটির পরিচালনা কমিটির সদস্য মো: নকিব,প্রিন্স মুন্সি, সুমন হাওলাদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক শেখ সুমন।

  • বিব্রত এটিএম পরিবার

    বিব্রত এটিএম পরিবার

    চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন শক্তিমান অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের পরিবার। এই অভিনেতা নিজেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সোমবার রাতে আবারও গুজব রটানো হয় এই অভিনেতা মারা গেছেন।

    এমন মিথ্যা খবরে শোবিজ জগৎ এবং সবশ্রেণির মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে জানা গেছে, তিনি বাসায় সুস্থ আছেন। এই অভিনেতার সহধর্মিণী বলেন, একজন জলজ্যান্ত মানুষ সম্পর্কে বার বার এমন বানোয়াট খবর রটিয়ে কারা কি মজা পায় জানি না। এমন কাজ করা কতটা উচিত কিংবা কোনো সুস্থ মানসিকতার মানুষ করতে পারে কিনা তা বিচারের ভার দেশের মানুষের কাছে দিলাম। বার বার আমাদের এভাবে কেন বিব্রত করা হচ্ছে? যে মানুষটি সম্পর্কে এমন সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে তার বয়স হয়েছে।

    নিজের মৃত্যুর সংবাদে তার মনের অবস্থা কি হচ্ছে তা একবার যারা এমন মিথ্যা খবর রটাচ্ছে তাদের ভেবে দেখতে বলব। এদিকে এটিএম শামসুজ্জামান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বেঁচে থাকতে নিজের মৃত্যুর খবর শোনা কতটা কষ্টের তা কীভাবে বোঝাব। আমার পরিবারের সবাই কতটা উদ্বিগ্ন হয় এতে তা বলে বোঝাতে পারব না। সবার কাছে দোয়া চাই, যেন যতদিন বাঁচি সুস্থ থাকতে পারি।

  • রাস্তার যানজটের কারণে দেরিতে উড়লো বিমান!

    রাস্তার যানজটের কারণে দেরিতে উড়লো বিমান!

    বাংলাদেশ বিমানের জেদ্দাগামী ফ্লাইটটির ঢাকা ছাড়ার কথা ছিল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ টায়। কিন্তু ঢাকার রাস্তায় যানজটের কারণে ফ্লাইটটি তার শিডিউল ঠিক রাখতে পারল না। যানজটের জন্য দেড়ঘন্টা ধরে শাহজালালে অপেক্ষায় থাকে ফ্লাইটটি। যার ফলে চরম বিরম্বনার মধ্যে পড়তে হয় দুশতাধিক যাত্রিকে।

    জানা গেছে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-০১৩৫ ফ্লাইটের উড্ডয়নের কথা ছিল। এর পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টেন ইলিয়াস। কিন্তু ঢাকার রাস্তার যানজটে আটকা পড়েন তিনি। এর ফলে তিনি বিমানবন্দরে যথাসময়ে আসতে পারেননি। ফলে দুই শতাধিক যাত্রীকে দেড় ঘণ্টা অনবোর্ড করে রাখা হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টায় ফ্লাইটটি উড্ডয়ন করে। চট্টগ্রাম হয়ে রাতেই ফ্লাইটটির জেদ্দা যাবার কথা রয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ বলেন, ইফতারের আগ মুহূর্তে যানজট রাজধানীর পরিচিত রূপ। পাইলট বাসা থেকে সময়মতোই রওনা দিয়েছিলেন। বিমানবন্দরে ঠিক সময়ে হাজির হতে পারেননি। তাই দেড় ঘণ্টা বিলম্বে ফ্লাটটি রাত সাড়ে ৮টায় শাহজালাল থেকে উড্ডয়ন করে।

  • মানুষের মতো ডলফিনও একে অন্যকে নাম ধরে ডাকে

    মানুষের মতো ডলফিনও একে অন্যকে নাম ধরে ডাকে

    মানুষের মতো একে অন্যকে নাম ধরে সম্বোধন করে ডলফিনও। সম্প্রতি এক গবেষণা প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    গবেষকদের মতে, স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে মানুষের পর ডলফিনই একমাত্র প্রাণী যারা একে অন্যকে নাম ধরে ডাকে।

    গবেষক দলের প্রধান ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেফানি কিং বলেন, তারা বেশকিছু ডলফিনের ওপর গবেষণা করেছেন। জরিপে অংশ নেয়া ডলফিনগুলোর ভয়েস রেকর্ড করে পরে সেগুলো বাজিয়ে শোনা হয়। তাতে দেখা যায়, ডলফিনরা নিজের নাম শুনে উত্তর দিচ্ছে। কয়েকবার করে নড়াচড়ার মাধ্যমে তারা বুঝিয়ে দিচ্ছে যে এই শব্দ তাদের পরিচিত।

    গবেষকরা বলছেন, ডলফিনের দুটি দল যখন মুখোমুখি হয়, তখন তারা শিস দিয়ে থাকে। এ শিস ধ্বনির সাহায্যে তারা জানতে পারে কে উপস্থিত হল। বিভিন্ন সম্পর্ক নির্ণয় করতে বিশেষ করে কে শত্রু আর কে মিত্র তা যাচাই করতে পুরুষ ডলফিনকে সাহায্য করে এই নাম।

    গবেষক কিং আরও বলেন, একে অন্যের দিকে আহ্বান করার চেয়ে প্রত্যেকের আলাদা নাম থাকা সবচেয়ে বেশি কৌতূহলের বিষয়। প্রত্যেক ডলফিনের আলাদা আলাদা নাম থাকার কারণে তাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করা সহজ হয়।

  • কিমকে নিজের গাড়ি দেখালেন ট্রাম্প

    কিমকে নিজের গাড়ি দেখালেন ট্রাম্প

    প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আপাতত ইতি। হাতে হাত মিলিয়ে ফটোশুট। গোটা বিশ্বকে বার্তা। এর মাঝেই কিমকে টেনে নিয়ে গিয়ে নিজের গাড়ি বিস্ট দেখিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কম গেলেন না কিমও। ট্রাম্পকে দেখালেন নিজের মার্সেডিজ।

    সে নাকি অজর-অমর-অক্ষয়। সেনা হামলা, গুলি, বিস্ফোরণ বা রাসায়নিক হামলায় তার গায়ে আঁচড় পর্যন্ত পড়ে না। মার্কিন প্রেসিডেন্টের গাড়ি বিস্ট নিয়ে এমনই সব জনশ্রুতি। তা স্বচক্ষে দেখলেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। মঙ্গলবার, লাঞ্চের পর হাঁটতে শুরু করেন দুই রাষ্ট্রনেতা। তখনই নিজের গাড়ি কিমকে দেখান ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের গাড়ি ঠিক কেমন? কী কী ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে?

    – গাড়ির ড্যাশবোর্ডে কমিউনিশেন সিস্টেম ও জিপিএস

    – গাড়ির বুলেটপ্রুফ কাচ, তাতে পলিকার্বনেটের পাঁচটি স্তর

    – গাড়ির দরজা ৮ ইঞ্চি পুরু

    – মার্কিন গোয়েন্দাদের প্রশিক্ষিত গাড়িচালক

    – প্রেসিডেন্টের বাঁ হাতের নিচেই থাকে স্যাটেলাইট ফোন। তাতে পেন্টাগনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা যায়।

    -প্রেসিডেন্টের মাথার উপর রয়েছে প্যানিক বাটন। তাতে চাপ দিলে গাড়িতে অক্সিজেন সরবরাহ হবে।

    – গাড়িচালকের বাঁদিকে প্রেসিডেন্টের ব্যাগে থাকে পাম্প অ্যাকশন শটগান। এছাড়াও থাকে রক্ত। গাড়িতেই রক্ত দেওয়ার ব্যবস্থা আছে।

    গাড়ির দামে অবশ্য ট্রাম্পকে টেক্কা দিয়েছেন কিম। ট্রাম্পকে নিজের মার্সেডিজ বেঞ্চ এস সিক্স হানড্রেডও দেখিয়েছেন কিম। সেই গাড়িতে অন্যান্য ব্যবস্থার সঙ্গে রয়েছে টয়লেটও।

  • বিশ্বকাপে ইরানকে ‍বুট দেবে না নাইকি

    বিশ্বকাপে ইরানকে ‍বুট দেবে না নাইকি

    ফুটবল বিশ্বের সেরা তারকাদের লড়াইয়ের মঞ্চ প্রস্তুত। প্রস্তুত ৩২টি দেশের খেলোয়াড় ও ভক্ত-সমর্থকরা। প্রস্তুত রাশিয়ার মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামও। কারণ এই স্টেডিয়ামেই যে বৃহস্পতিবার (১৪ জুন) উদ্বোধন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পর্দা উঠবে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপের। তাই প্রতিটি দল যখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, সে সময় নতুন দুশ্চিন্তায় পড়েছে ইরান দল। মাত্র দু’দিন আগে ইরানের অফিসিয়াল কিটস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নাইকি জানিয়ে দিয়েছে, ইরান জাতীয় দলকে বুট (জুতো) দেবে না তারা।

    মূলত নাইকির এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রভাব। ফুটবল দুনিয়ায় মার্কিন প্রতিষ্ঠান নাইকির তৈরি বুটের দারুণ কদর। দীর্ঘদিন থেকে ইরানও তাদের থেকেই বুট সংগ্রহ করছে। এমনকি ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপেও ইরান নাইকির বুট পরেই মাঠে নেমেছে। রাশিয়া বিশ্বকাপের জন্যও সেখান থেকেই বুট আসার কথা ছিলো।

    কিন্তু বিশ্বকাপের মাত্র দু’দিন আগে নাইকি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অবরোধের কারণেই তারা বুট সরবরাহ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে করা পারমাণবিক চুক্তি সম্প্রতি বাতিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এ কারণেই নাইকির এমন সিদ্ধান্ত।

    তবে ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপের সময় অর্থনৈতিক অবরোধ থাকলেও নাইকি ঠিকই ইরানি দলকে ক্রীড়া সামগ্রী দিয়েছিল। শেষ মুহূর্তে বুট না পাওয়ায় ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়েছে ইরানি ফুটবল ফেডারেশন। এমনকি ফিফার সাথেও এ বিষয়ে কথা বলেছে ইরানি ফেডারেশন।

    ইরানের কোচ হতাশা ও বিরক্তি প্রকাশ করে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের খেলোয়াড়েরা যে সব সরঞ্জামে অভ্যস্ত, সেটা যদি মূল আসরের ৩/৪ দিন আগে পরিবর্তন করা হয়, সেটা অন্যায়। সেই পরিবর্তনটা ঠিক নয়।’

    শেষ মুহূর্তে নতুন বুট সংগ্রহ করাও সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন কোচ। আপাতত পুরোনো ও ধার করা বুট দিয়েই চলছে ইরানের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি। মূল লড়াইয়েও হয়তো পুরনো বুট পায়ে দিয়েই নামতে হবে তাদের।

    ১৫ জুন মরক্কো ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ইরান। ‘বি’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ স্পেন ও পর্তুগাল।

  • বিশ্বকাপে সবচেয়ে দামি দল ফ্রান্স, কম দামি পানামা

    বিশ্বকাপে সবচেয়ে দামি দল ফ্রান্স, কম দামি পানামা

    ফুটবল জ্বরে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। আর কয়েক ঘণ্টা পরই রাশিয়ায় পর্দা উঠছে ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’র ২১তম আসরে। শুধু আয়োজক রাশিয়া, কিংবা অংশগ্রহণকারী ৩২টি দেশেই নয়, সারাবিশ্বই এখন মেতে রয়েছে ফুটবলে।

    ফরাসি সৌরভ, ফরাসি ফ্যাশনের পর ফুটবলেও ফরাসি বিপ্লব! দিদিয়ের দেশম যে দলটা নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে আসছেন, তাতে তারকার ছড়াছড়ি, প্রতিভার গড়াগড়ি।

    এদিকে আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান বলেন, আমায় দেখো, ওপাশ থেকে হয়তো পল পগবা বলবেন আমিও আছি। ডানে তাকালে চোখ পড়বে কিলিয়ান এমবাপ্পের ওপর তো বাঁয়ে চোখ ফেরালেই উসমান দেম্বেলে!

    তাইতো এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে দামি দলের তকমা নিয়ে মাঠে নামছে ফ্রান্স। ক্লাব ফুটবলে খেলোয়াড়দের বাজারমূল্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে সুইজারল্যান্ডের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ফুটবল অবজারভেটরি অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব স্পোর্ট’ (সিআইইএস)।

    সংস্থাটির তথ্য মতে, ফরাসি স্কোয়াডের ২৩ সদস্যের মোট বাজারমূল্য ১,৪১০.৩ মিলিয়ন ইউরো। আর ৩২টি দলের সব খেলোয়াড়ের মোট বাজারমূল্য ১২.৬ বিলিয়ন ইউরো।

    ফ্রান্সের পরেই রয়েছে ইংল্যান্ড। হ্যারি কেইনদের বাজারমূল্য ১,৩৯০ মিলিয়ন ইউরো। দামি দলের তালিকায় ৩ নম্বরে আছে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ব্রাজিলিয়ান স্কোয়াডটির বাজারমূল্য ১,২৭০ মিলিয়ন ইউরো। চতুর্থ দামি দল নিয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ২০১০’র চ্যাম্পিয়ন স্পেন। দলটির বাজারমূল্য ৯৬৫ মিলিয়ন ইউরো।

    তালিকার ৫ নম্বরে রয়েছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসিদের মোট বাজারমূল্য ৯২৫ মিলিয়ন ইউরো। এ তালিকায় শেষের দিকে রয়েছে কোস্টারিকা, ইরান, সৌদি আরব ও পানামা।

    অন্যদিকে মধ্য আমেরিকার দলগুলোর খেলোয়াড়দের মোট বাজারমূল্য ১৫ মিলিয়ন ইউরো। গবেষণায় স্কোয়াডের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়ের তথ্যও উঠে এসেছে। ফরাসি দলের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় পিএসজির তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। ১৯ বছর বয়সী এই তারকার বাজার ১৮৭ মিলিয়ন ইউরো। যা দলের মোট মূল্যের ১৩ শতাংশ। ২৪ বছর বয়সী ইংলিশ অধিনায়ক তার দলের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়। তার বাজারমূল্য ২০১ মিলিয়ন ইউরো, যা দলের ১৫ শতাংশ। ব্রাজিল দলের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় নেইমার।

    বিশ্বের সবচেয়ে দামি এই ফুটবলারের বাজারমূল্য ১৯৬ মিলিয়ন ইউরো, যা দলের ১৫ শতাংশ। স্পেনের দামি খেলোয়াড় সুল নিগাজ। আটলেটিকো মাদ্রিদের এই তারকার বাজারমূল্য ১০১ মিলিয়ন ইউরো, যা দলের ১০ শতাংশ। আর্জেন্টিনার দামি খেলোয়াড় মেসি। তার বাজারমূল্য ১৮৪ মিলিয়া ইউরো, যা দলের ২০ শতাংশ।

    এদিকে ১০৩ মিলিয়ন ইউরোর বাজারমূল্য নিয়ে পর্তুগাল দলের দামি খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। যা দলের মোট মূল্যের ১০ শতাংশ। তবে দলের দামি খেলোয়াড়ের শীর্ষে রয়েছেন মিশরীয় সুপারস্টার মোহাম্মদ সালাহ। লিভারপুলের এই তারকার বাজারমূল্য ১৭১ মিলিয়ন ইউরো। যা মিশর স্কোয়াডের মোট বাজারমূল্যের ৭৪ শতাংশ।

    অন্যদিকে সবচেয়ে কম বাজারমূল্য পানামার। প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে আসা কনকাকাফ অঞ্চলের দলটার বাজারমূল্য মাত্র ৯.৪৩ মিলিয়ন ইউরো।

  • মুক্তির আগেই ফাটা শৌচাগারের দৃশ্য ফাঁস বিতর্কে ‘সঞ্জু

    মুক্তির আগেই ফাটা শৌচাগারের দৃশ্য ফাঁস বিতর্কে ‘সঞ্জু

    আইনের হাতে থেকে রেহায় পেল না সঞ্জয় দত্তের বায়োপিক ‘সঞ্জু’ ও। সিবিএফসি থেকে সব রকমের অনুমোদন পাওয়ার পরেও ছবিতে ব্যবহৃত একটি দৃশ্যের জন্য অভিযোগ উঠল ছবিটির বিরুদ্ধে।

    ছবির ট্রেলারে একটি টয়লেট লিকেজের দৃশ্য রয়েছে। দেখা যাচ্ছে- শৌচালয়ের পাইপ ফেটে বিষ্ঠা ও বর্জ্য পদার্থ জেলের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের এক একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, এই দৃশ্য ঘিরেই সমস্যা তৈরি হয়েছে।

    সমাজকর্মী পৃথ্বী মাসক এক চিঠিতে লেখেন, সরকার ও কর্তৃপক্ষ জেলগুলোর যথেষ্ট দেখভাল করে। আমরা এমন ঘটনা কোথাও শুনিনি। এর আগেও বহু ছবিতে জেল দেখানো হয়েছে কিন্তু এমন দৃশ্য দেখা যায়নি।

    তার দাবি, এই দৃশ্য ভারতের জেল কর্তৃপক্ষ সম্পর্কে খারাপ ধারণা তৈরি করবে। তিনি এ মর্মে সিবিএফসির কাছে ওই চিঠি পাঠিয়েছেন। সিবিএফসির এই দৃশ্যের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিলে কোর্টে গিয়ে ছবি স্থগিত রাখার আবেদন করবেন বলেও জানান পৃথ্বী।

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালে মুম্বাই বিস্ফোরণের সঙ্গে সঞ্জয় দত্তের যোগ থাকায় সেই সময়ে ১৮ মাস শ্রীঘরে ছিলেন সঞ্জুবাবা। সে ঘটনাই ছবিতে চিত্রায়িত করা হয়েছে।-এবেলা

  • ফের উত্তপ্ত কাশ্মীর, পাকিস্তানি সেনার গুলিতে ৪ বিএসএফ নিহত

    ফের উত্তপ্ত কাশ্মীর, পাকিস্তানি সেনার গুলিতে ৪ বিএসএফ নিহত

    আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারত-পাকিস্তানের জম্মু-কাশ্মীর সীমান্ত। এর মধ্যে বুধবার ভোররাতে সাম্বা জেলার চাম্বলিয়াল সেক্টরে পাকিস্তানি সেনার গুলিতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ৪ সদস্য নিহত হয়েছেন।

    বিএসএফ ইন্সপেক্টর জেনারেল রাম অওতারের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবর, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চাম্বলিয়াল সেক্টরে ভারি গুলিবর্ষণ শুরু হয়। পাকিস্তানি সেনার গুলির পাল্টা জবাবও দেয় বিএসএফ সদস্যরাও। ভোর সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলে এই লড়াই।এ ঘটনায় একজন অ্যাসিসট্যান্ট কম্যান্ডারসহ ৪ জন বিএসএফ সদস্য নিহত এবং গুরুতর জখম হয়েছেন আরও তিনজন।

    এদিকে, গোটা ঘটনার নিন্দা জানিয়ে নিহতদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ প্রধান এসপি বেদ।

    খবরে আরও বলা হয়, ২০০৩ সালে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ বিরতি নিয়ে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তা বারবারই লঙ্ঘন করে চলেছে পাকিস্তান। শুধুমাত্র চলতি বছরই এক হাজারেরও বেশি সময় সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে সীমান্তে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। রমজান মাসের শুরুতে সংঘর্ষবিরতি চেয়ে পাকিস্তানই বিএসএফের কাছে অনুরোধ করেছিল, কিন্তু তারপর নিজেরাই সেই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে বারবার। আর তাতে এবার প্রাণ গেল ৪ বিএসএফ সদস্যের।