Author: banglarmukh official

  • বৃদ্ধ বাবাকে আছড়ে হত্যার পর ছেলে পলাতক

    বৃদ্ধ বাবাকে আছড়ে হত্যার পর ছেলে পলাতক

    গাজীপুরে ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধ বাবাকে আছড়ে হত্যা করেছে ছেলে। মৃত সেই বৃদ্ধের নাম গিয়াস উদ্দিন। তার বয়স ৭০ বছর।

    বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানার ভাওয়াল এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। ঘাতক সেই ছেলের নাম  ছমির উদ্দিন (২৮)। ঘটনার পর থেকে ছমির উদ্দিন পলাতক রয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবন নির্মাণ নিয়ে গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে ছেলে ছমির উদ্দিনের ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ ছেলে বৃদ্ধ পিতাকে উচু করে ধরে আছাড় দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই গিয়াস উদ্দিনের মৃত্যু হয়।

    জয়দেবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বাছেদ মিয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

  • ৫০টি ধর্ষণ ও ১২টি খুনের পর যুক্তরাষ্ট্রের ‘গোল্ডেন স্টেট কিলার’ গ্রেফতার

    ৫০টি ধর্ষণ ও ১২টি খুনের পর যুক্তরাষ্ট্রের ‘গোল্ডেন স্টেট কিলার’ গ্রেফতার

    ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ক্যালিফোর্নিয়ার ‘গোল্ডেন স্টেট কিলার’কে খুঁজে হয়রান হয়েছে। ডিএনএর সূত্র ধরে সম্প্রতি তাকে খুঁজে বের করা হয়। কেন এত সময় লাগল কুখ্যাত ওই অপরাধীকে খুঁজে বের করতে তার ব্যাখ্যা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কারণ জোসেফ জেমস ডি অ্যাঞ্জেলো নামের সেই ব্যক্তি আগে পুলিশেরই সাবেক কর্মকর্তা ছিলেন! আর তিনি নিজের এলাকাতেই এসব জঘন্য অপরাধ করেছেন। এসব অপরাধের পর কোথাও যাননি। নির্বিকারভাবে পরিবার নিয়ে সেই এলাকাতে ছিলেন তিনি।

    এফবিআই তাকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কারও ঘোষণা করেছিল। কিন্তু কিছুতেই তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না। মোট ১২টি খুন, ৫০টি ধর্ষণ এবং কয়েক ডজন বাড়িতে লুটপাটের ঘটনায় জড়িত ছিলেন জোসেফ। বুধবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে ৭২ বছর বয়সী জোসেফকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে।

    ১৯৭৪ থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টি এলাকায় ত্রাস ছড়িয়েছিল জোসেফ। রাতের বেলা বাড়িতে ঢুকে আক্রমণ চালাত সে। পুরুষদের সামনেই মহিলাদের ধর্ষণ করত। কেউ বাধা দিতে গেলে খুন করত। ধর্ষণের পরে লুটপাট চালিয়ে পালাত। ১৩ বছরের কিশোরী থেকে ৪১ বছরের নারী, কাউকেই ছাড়ত না সে। পরপর কয়েক বছর খুন-ধর্ষণ চালাত, তার পর কয়েক বছর চুপ থাকত। এভাবে তিন দফায় তাণ্ডব চালায় জোসেফ। গোয়েন্দারা ভেবেছিলেন, এই সব তিন জন দুষ্কৃতীর কাজ।

    ১৯৮৬-র পরে এ ধরনের আর ঘটনা ঘটেনি। দুষ্কৃতীও অধরা থেকে যায়। গোয়েন্দাদের দাবি, নিজে পুলিশে চাকরি করতে বলেই এত দিন গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পেরেছিল জোসেফ। কয়েক সপ্তাহ আগে গোয়েন্দাদের হাতে কিছু ডিএনএ প্রমাণ আসে, যার সাহায্যে জোসেফকে শেষ পর্যন্ত শনাক্ত করা সম্ভব হয়। স্যাক্রামেন্টোর শহরতলিতে জোসেফের বাড়ি।

  • দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যে মারাত্মক ক্ষতি হয় জেনে নিন

    দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যে মারাত্মক ক্ষতি হয় জেনে নিন

    দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের কি কি ক্ষতি হয় জানলে জীবনেও এই কাজটি করবেন না! দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করাকে ক্ষতিকর বলা হচ্ছে বিজ্ঞানের ব্যাখ্যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব মারাত্মক ক্ষতি হয় আসুন তা জেনে নেই।পুরুষরা অনেকেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করে। তবে আপনি যদি স্বাস্থ্য সচেতন হন তাহলে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব না করাই ভালো।আমরা অনেকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করি বা এটা একটা স্টাইলও হয়ে গেছে। বড় বড় কর্পোরেট অফিসে তো প্রস্রাবখানা সেভাবেই তৈরি করা হয়। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে মূত্র ছিটকে এদিক সেদিক পড়ে।

    তাছাড়া আরও কিছু যৌক্তিক কারণ আছে যার জন্য দাঁড়িয়ে মূত্রত্যাগের অভ্যাস ত্যাগ করে বসে প্রস্রাব করা উচিত। ইসলাম ধর্মেও দাঁড়িয়ে প্রস্রাবের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব মারাত্মক ক্ষতি হয় তা জেনে নেই,

    i)দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো থলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলিতে চাপ লাগে ফলে সহজেই ওসব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়। ii)দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে কিডনিতে অতি সহজে পাথর সৃ্ষ্টি হয়। iii)দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ কমতে থাকে। iv)দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপর কোনে চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু বের হতে পারেনা। বরং তা উপর দিকে উঠে যায়। ফলে অস্থিরতা বাড়ে, রক্ত চাপ বাড়ে, হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে, খাদ্যনালী দিয়ে বার বার হিক্কা আসতে থাকে। v)দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে তার ছিটা দেহে ও কাপড়ে লাগে ফলে তা দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে।মূত্র ছড়িয়ে পড়া একটি অস্বাস্থ্যকর ব্যাপার। এতে দুর্গন্ধ ছড়ায়। vi)দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পরিবেশ দূষিত হয়। সেই দূষিত বায়ু আমাদের দেহে প্রবেশ করে বিভিন্ন জটিল রোগের সৃষ্টি করে। viii) যারা নিয়মিত দাড়িয়ে প্রস্রাব করেন তাদের অবশ্যই শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনী রোগ হবেই । বসে মূত্রত্যাগ করলে মূত্রনালিতে সংক্রমণের সম্ভাবনা কম থাকে এবং জননাঙ্গের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এর ফলে সুন্দর যৌন জীবন উপভোগ করতে সহায়তা করে।

    স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বলে উপরোক্ত দৈহিক সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের অতি অবশ্যই বসে প্রস্রাব করা উচিত।অথচ সর্বশ্রেষ্ঠ স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) চৌদ্দশত বছর আগেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন এবং বসে প্রস্রাব করার আদেশ দিয়েছেন।“ওমর (রা:) বলেন- নবী(স:) কোন একদিন আমাকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখে বললেন, হে ওমর তুমি কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করবে না। এরপর আমি আর কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করিনি”। (তিরমীযি হাদীস/১২)

  • ১০৪ দেশকে টি-টোয়েন্টি স্ট্যাটাস দেবে আইসিসি

    ১০৪ দেশকে টি-টোয়েন্টি স্ট্যাটাস দেবে আইসিসি

    ক্রিকেটের বিশ্বায়নের লক্ষ্যে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ১০৪টি দেশকে স্ট্যাটাস দেবে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এতোদিন ১২টি পূর্ণ সদস্য দেশ ছাড়া স্কটল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, হংকং, আরব আমিরাত, ওমান এবং নেপালের টি-টোয়েন্টি স্ট্যাটাস ছিল।
    এবার নতুনভাবে ১০৪টি দেশকে টি-টোয়েন্টি স্ট্যাটাস দিবে আইসিসি। বৃহস্পতিবার এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইসিসির চেয়ারম্যান ডেভিড রিচার্ডসন। আজ কলকাতায় আইসিসির সভা শেষে সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী রিচার্ডসন বলেন, ‘১ জুলাই থেকে সকল নারী টি-টোয়েন্টি ম্যাচ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে। এ ছাড়াও ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সব পুরুষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।’
    এছাড়া বিশ্বের সব দলকে নিয়ে র‌্যাঙ্কিং-এর পদ্ধতিও চালু করা হবে বলে জানান রিচার্ডসন, ‘টি-টোয়েন্টি স্ট্যাটাস ছাড়াও বিশ্বের সব দলকে র‌্যাঙ্কিংয়ের আওতায় আনতে নতুন পদ্ধতিও চালু হবে।’
  • নিহত চীনা পর্যটকদের বহন করা ট্রেনকে বিদায় জানালেন কিম

    নিহত চীনা পর্যটকদের বহন করা ট্রেনকে বিদায় জানালেন কিম

    উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন নিহত চীনা পর্যটকদের বহন করা ট্রেনকে বিদায় জানিয়েছেন। উত্তর কোরিয়ায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় তারা নিহত হন। এদিকে কিম এ মর্মান্তিক ঘটনার কারণে বেইজিংয়ের কাছে নতুন করে ক্ষমা চেয়েছেন। বৃহস্পতিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম একথা জানায়।
    চীনের কর্মকর্তারা জানান, বাসে করে ভ্রমণ করার সময় রবিবার রাতে পিয়ংইয়ংয়ের দক্ষিণে একটি সেতু থেকে বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ায় চীনের ৩২ পর্যটক ও উত্তর কোরিয়ার চার নাগরিক নিহত হয়। এতে চীনের অপর দুই নাগরিক আহত হয়।
    বেইজিং হচ্ছে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া উত্তর কোরিয়ার একমাত্র ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশ। দেশটি পিয়ংইয়ংকে অনেক অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রদান করে এবং আন্তর্জাতিক নিন্দার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ধাক্কা সামলিয়ে থাকে।
    উত্তর কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা কেসিএনএ’র খবরে বলা হয়, কিম ব্যক্তিগতভাবে এ ট্রেনের ব্যবস্থা করেন এবং প্রাণে বেঁচে যাওয়াদের প্রতি ‘সান্ত্বনা’ জানান। কেসিএনএ’র পৃথক এক খবরে বলা হয়, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে কিমের একটি ‘শোক বার্তা’ পাঠানো হয়েছে। কেসিএনএ।
  • বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকা আমাকে মুগ্ধ করেছে: জাতিসংঘ মহাসচিব

    বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকা আমাকে মুগ্ধ করেছে: জাতিসংঘ মহাসচিব

    জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, মানবাধিকার সুরক্ষার পাশাপাশি গোলযোগপূর্ণ অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের ভূমিকা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি যখনই কোনো মিশনে যাচ্ছি, তখনই উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশের কথা বলি। বাংলাদেশের নারী পুলিশের দল সোচ্চার রয়েছেন সামাজিক-সম্প্রীতি সুসংহত করতে। আমি সকলকে অভিবাদন জানাচ্ছি।
    স্থানীয় সময় বুধবার বিকালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের শীর্ষস্থানীয় সকল কর্মকর্তাসহ সদস্য রাষ্ট্রসমূহের কূটনীতিকরা যোগ দেন।
    অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বাহিনীর উচ্ছ্বাসিত প্রশংসা করে জাতিসংঘের চলতি ৭২তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি  মিরস্ল্যাভ লাজ্যাক বলেন, শান্তি বিনির্মাণে দাঙ্গাপূর্ণ অঞ্চলে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশি রক্ষীরা উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। গত ৩০ বছরে ১৪২ জন বাংলাদেশি প্রাণ দিয়েছেন শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। আহত হয়েছেন ২২৩ জন। আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সে সব প্রাণ উৎসর্গকারী বাংলাদেশিকে।
    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ৩০ বছরের ভূমিকার উচ্ছ্বাসিত প্রশংসা শুনে আমি অভিভূত।
    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক শান্তি আর সমৃদ্ধি ক্ষেত্রে অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিলেন। বিশ্ব শান্তি বিনির্মাণে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন।
    স্বাগত বক্তব্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন শান্তিরক্ষা মিশনের বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার কারণেই বাংলাদেশ প্রশংসিত হচ্ছে।
    বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের মিডিয়া বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৮ সালে ইরাকের দাঙ্গা মেটাতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বপ্রথম অংশ নেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা। সেই থেকে বিশ্বের ২৭টি মিশনের দায়িত্ব সম্পাদন করেছে। এখন তারা কাজ করছে ১১টি দেশে। বর্তমানে ৭ হাজার ৮০ জন রয়েছেন এসব মিশনে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য ৫ হাজার ৪৫৬, নৌবাহিনী ৩৪০, বিমান বাহিনী ৫০১ এবং পুলিশ বাহিনীর ৭৮৩ জন রয়েছেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় বৃহত্তম শান্তিরক্ষী সরবরাহকারী রাষ্ট্রের মর্যাদায় রয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে মহিলা সদস্যের সংখ্যা ১৫৭।
    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, সাইপ্রাস, কঙ্গো, হাইতি, লেবানন, লাইবেরিয়া, মালি, সাউথ সুদান এবং সুদানের মিশনে কাজ করছেন বাংলাদেশিরা। এরমধ্যে ফোর্স কমান্ডারসহ শীর্ষপদেও রয়েছেন কয়েকজন।
    ৩০ বছর পূর্তি উৎসবের স্লোগান ছিল উই আর কমিরেটড এ্যান্ড ইনভলব। এ উৎসবে জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দীপু মনি, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়কারী আবুল কালাম আজাদ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. এ কে আব্দুল মোমেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. শামীম আহসান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদসহ প্রবাসের বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
  • গাজীপুর ও খুলনা সিটিকে জাতীয় নির্বাচনের মতোই গুরুত্ব দিচ্ছে ইসি

    গাজীপুর ও খুলনা সিটিকে জাতীয় নির্বাচনের মতোই গুরুত্ব দিচ্ছে ইসি

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) খান মো. নূরুল হুদা বলেছেন, গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনকে জাতীয় নির্বাচনের মতোই সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচন সন্নিকটে। সেই সঙ্গে ঢাকার পাশের সিটি কর্পোরেশন গাজীপুর এবং খুলনায়ও নির্বাচন হবে। নির্বাচনগুলোকে কমিশন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
    রাজধানীর আগারাগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে দুই সিটির নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকের শুরুতে সিইসি এ সব কথা বলেন। এ সময় তিনি গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আসন্ন নির্বাচন সফল করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চান।
    সিইসির সভাপতিত্বে বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ হেলাললুদ্দীনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।
    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে সিইসি বলেন, ‘বিগত দিনে আপনাদের সহযোগিতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ অন্যান্য নির্বাচন সফল হয়েছে। আশা করি এই নির্বাচনও সফল হবে। এ জন্য আপনাদের পরামর্শ প্রত্যাশা করছি।’
    আগামী ১৫ মে খুলনা ও গাজীপুর সিটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ৫৭টি সাধারণ ও ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৪২৫ জন। অপরদিকে ৩১টি সাধারণ ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ভোটার সংখ্যা চার লাখ ৯৩ হাজার ৪৫৪ জন।
    গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে মেয়র পদে ৭ জন, ৫৭টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ২৫৬ জন ও ১৯টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৮৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ সিটিতে মেয়র প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের মো. জাহাঙ্গীর আলম, ২০ দলীয় জোট ও বিএনপি মনোনীত হাসান উদ্দিন সরকার, ইসলামী ঐক্যজোটের ফজলুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নাসির উদ্দিন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. জালাল উদ্দিন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাজী মো. রুহুল আমিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ আহমদ।
    খুলনা সিটিতে মেয়র এবং কাউন্সিলর, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিলিয়ে মোট ১৯১ জন প্রার্থী নির্বাচনের চূড়ান্ত লড়াইয়ে মাঠে রয়েছেন। মেয়র প্রার্থী ৫ জন, ১৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৪৮ জন কাউন্সিলর এবং চারটি সংরক্ষিত আসনে ৩৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ সিটিতে মেয়র পদে যে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তারা হলেন- আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক, বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জাতীয় পার্টির এসএম শফিকুর রহমান মুশফিক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অধ্যক্ষ মাওলানা মুজ্জাম্মিল হক এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির মিজানুর রহমান বাবু। বাসস
  • পাসপোর্ট সারেন্ডার মানেই নাগরিকত্ব অস্বীকার করেছেন: আইনমন্ত্রী

    পাসপোর্ট সারেন্ডার মানেই নাগরিকত্ব অস্বীকার করেছেন: আইনমন্ত্রী

    আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, তারেক রহমান একজন পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তিনি যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন। এর অর্থ হচ্ছে আপাতত তিনি বাংলাদেশের নাগরিক থাকতে চান না। অর্থাৎ বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অস্বীকার (ডিনাই) করেছেন।
    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, তারেক যদি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নাগরিক হতে চান, তাহলে তিনি তা পারবেন।
    আইনমন্ত্রী বলেন, তারেক বাংলাদেশ ভূখণ্ডে অপরাধ করেছেন। অপরাধ সংঘটনের সময় তিনি এদেশেরই নাগরিক ছিলেন। এটাই মূখ্য বিষয়। যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আমাদের বন্দি বিনিময় চুক্তি নেই। তবে এই চুক্তি করতে কোন বাধাও নেই। চুক্তি করার জন্য আলোচনা চলছে।
    তিনি বলেন, জাতিসংঘের যে সকল সদস্য দেশ আছে তাদের মধ্যে এই আইন থাকলে যে কোনো অপরাধী যদি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় চলে যায় তাকে যেন ধরে আনার সুবিধা থাকে। আজকাল অনেক ট্রান্স বর্ডার, ট্রান্স ন্যাশনাল ফৌজদারি অপরাধ ঘটে যাচ্ছে সেজন্য এই মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিটেন্স অ্যাক্টের আন্ডারে তারেক যদি বাংলাদেশের নাগরিক নাও থাকেন তাহলে তাকে আমরা ফিরিয়ে আনতে পারব।
    আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে যদি আপনি থাকেন এবং আপনার যদি পাসপোর্ট না থাকে তাহলে আপনার নাগরিকত্ব অ্যাফেকটেড হয় না। কারণ পাসপোর্ট হচ্ছে ট্রাভেল ডকুমেন্টের মত, আপনাকে বাইরে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট প্রয়োজন হয়। বাইরে গিয়ে আপনি যে বাংলাদেশের নাগরিক এই পাসপোর্টই কিন্তু সেটার আইডেনটিটি।
    তারেক রহমানের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে উচ্চ আদালতের আদেশ সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করা আদালত অবমাননা। গণমাধ্যমকে বলব হাইকোর্টের আদেশ প্রতিপালন করা সকল নাগরিকের কর্তব্য।
    বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী ফাহিম মাসরুরকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেয়া প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, এই অভিজ্ঞতা আমাদের সকলকে শেখায়। এই ঘটনা থেকে আমরা যা শিখেছি, সেটা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে পৌঁছে দেব।
    তিনি বলেন, কারো বিরুদ্ধে যদি এরকম কোনো অভিযোগ আসে সেটা সঠিক কিনা তা যাচাই-বাছাই ও অনুসন্ধান করে যেন পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হয়। কারণ ৫৭ ধারায় কেউ মামলা করলে সেজন্য পুলিশের সেল আছে। এরপরেও যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোন সদস্য এ ধরনের ভুল করেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ধরনের ভুল সরকারের কাম্য নয়।
  • বিদেশি শক্তি কাউকে ক্ষমতায় বসাতে পারে না : ওবায়দুল কাদের

    বিদেশি শক্তি কাউকে ক্ষমতায় বসাতে পারে না : ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ভারত সফরকালে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলকে দেশটির সরকার অনেক গুরুত্ব দিয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। প্রায় ৩২ মিনিট তার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে একাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। কিন্তু ডিনার পার্টিতে ভারতের অনেকেই বলেছেন, আওয়ামী লীগ আগামীতেও ক্ষমতায় আসবে।’
    বৃহস্পতিবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক শেষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশে নির্বাচন হবে, অনেক দলই নির্বাচনে অংশ নেবে। ভারত কি আমাদের ক্ষমতায় বসাবে? তারা কি কখনও ক্ষমতায় বসিয়েছে? ২০০১ সালে আমরা হেরে গেছি। ভারত কি আমাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে? ভারত এটা করে না। আমাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে দেশের জনগণ। কোনও বিদেশি শক্তি নয়।’
    বিএনপি পূর্ণ মিথ্যাবাদী
    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি কথা বলেছেন, আমাদের কথা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনেছেন। আমরা দেশের জন্য জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘এই সফরে শিক্ষা থেকে শুরু করে রোহিঙ্গা ইস্যু, কোনও কিছুই বাদ পড়েনি। দেশের জনগণের স্বার্থ তুলে ধরেছি। আমরা জানিয়েছি, তিস্তাচুক্তি হলে জনগণের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।’
    তারেক রহমানের পাসপোর্ট সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির একেক নেতা একেক কথা বলছেন। খাদের কিনারে এসে লাফালাফি করছেন। এখন বলছেন, তারেক রহমান রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছেন। এতদিন স্বীকার করেননি। ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দেরে। বিএনপিকে আগে বলেছি প্যাথোলজিক্যাল লায়ার, এখন বলছি পূর্ণ মিথ্যাবাদী।’
    খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক মন্তব্যের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘ফখরুল কি চিকিৎসক? চিকিৎসকরা বলুক। কিভাবে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনিত হয়েছে? কদিন আগে আমরা তাকে স্বাভাবিক দেখেছি। দৃশ্যত কোনও অবনতি দেখিনি। ভেতরে যদি কোনও সমস্যা হয়ে থাকে, তবে মেডিক্যাল বোর্ড দেখে বলুক। সরকার অবশ্যই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’
    গাজীপুর সিটি নির্বাচনে কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রচারণায় অংশ নেয়া প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যে এলাকার নির্বাচন, সে এলাকার যারা ঢাকায় রয়েছেন, কেবল তারাই নির্বাচনী এলাকায় যাবেন। অযথা ভিড় বাড়িয়ে লাভ নেই। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণকে বিরক্ত করবেন না।
    ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, আবদুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
  • পাঞ্জাবের বিপক্ষে একাদশে অনিশ্চিত সাকিব

    পাঞ্জাবের বিপক্ষে একাদশে অনিশ্চিত সাকিব

    আইপিএলে আজ কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মুখোমুখি হবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ম্যাচটি শুরু হবে রাত সাড়ে ৮টায়। এই ম্যাচে একাদশে পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো। বাংলাদেশি ক্রিকেট ভক্তদের জন্য যেটা দুঃখজনক। কারণ এই প্রথম তারা হায়দরাবাদের একাদশে সাকিব আল হাসানকে রাখেনি। তার জায়গায় রাখা হয়েছে আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবীকে।

    মঙ্গলবার মুম্বাইয়ের বিপক্ষে প্রথমবার ডাক পান নবী। সাকিবও ছিলেন এই ম্যাচে। ব্যাটিংয়ের সময় দলীয় অধিনায়কের ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে ২ রানে রান আউট হয়ে ফিরে যান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। সেখানে নবী ১০ বলে ১২ রান করেছিলেন। তবে বোলিংয়ে নবীর চেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন সাকিব। ১৬ রানে মূল্যবান রোহিত শর্মার উইকেট তুলে নেন সাকিব। সেখানে ইশান কিশানের উইকেট নিয়ে নবী দেন ২৩ রান। তারপরও ক্রিকইনফোর একাদশে রাখা হয়েছে নবীকে।

    সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সম্ভাব্য একাদশ:
    ১. শিখর ধাওয়ান
    ২. কেন উইলিয়ামসন(অধিনায়ক)
    ৩. হৃদ্ধিমান শাহা (উইকেটরক্ষক)
    ৪. মনিশ পাণ্ডে
    ৫. ইউসুফ পাঠান
    ৬. দিপক হুদা
    ৭. মোহাম্মদ নবী
    ৮. রশিদ খান
    ৯. ভুবনেশ্বর কুমার/সন্দীপ শর্মা
    ১০. সিদ্ধার্থ কৌল
    ১১. বসিল থাম্পাই