Author: banglarmukh official

  • বিশ্বের অন্যতম কঠোর নিরাপত্তার চাদরে কিম

    বিশ্বের অন্যতম কঠোর নিরাপত্তার চাদরে কিম

    বহুল আলোচিত সফরে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। তার এই সফরকে ঘিরে এরই মধ্যে কিমের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া কর্তৃপক্ষও নজিরবিহীনভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করে তুলেছে।

    এদিন প্রথমেই দেখা যায়, সুন্দর পরিচ্ছন্ন পোশাক, নীল ও সাদা ডোরা দাগের টাই পরা লোকজন কিমকে ঘিরে রেখেছেন। তিনি যখন সামরিক সীমারেখা পার হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করেন তখন তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক কঠোর। এছাড়া, কিম যখন দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত অতিক্রম করেন তখন তার চারপাশ ঘিরে ছিল সতর্ক সেনাদের বিশাল ব্যূহ। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুনের সঙ্গে কিমের মিলিত হওয়ার সময় তাদের কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখতে দেখা যায়।

    পরে দুই নেতা সকালের বৈঠক শেষ করলে স্ফীত পকেটের লেপাল ব্যাজ পরা একডজন লোক তাদের লাঞ্চের আগে কার্যক্রম শুরু করেন। কিমের অফিসিয়াল গাড়ির আশপাশে তারা জগিং করে এক ধরনের মানব ঢাল তৈরি রাখেন।

    এদিকে, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিমের নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে কঠোর অবস্থানে আছে দক্ষিণ কোরিয়াও। কিম যেখানে উপস্থিত থাকবেন, সেখানে কোনো বিদেশি অংশগ্রহণ করতে চাইলে তাকে কয়েক ঘণ্টার নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সব ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ও ফোন অবশ্যই সমর্পণ করে দিতে হবে।

    এ ব্যাপারে উত্তর কোরিয়ার সাবেক নেতা কিম জন ইলের নিরাপত্তাব্যবস্থায় কাজ করা রি ইয়ং গুক বলেন, বিদেশ ভ্রমণ, সামরিক ইউনিট ও খামার পরিদর্শনের সময় উত্তর কোরিয়ার নেতাকে ছয় স্তরের নিরাপত্তা দেয়া হয়। তিনি আরও বলেন, এটিকে পৃথিবীর অন্যতম এক কঠোর নিরাপত্তার চাদর বলা যায়। যার ভেতর দিয়ে একটি পিঁপড়াও প্রবেশ করতে পারে না।

    বহুল কাঙ্ক্ষিত ও ঐতিহাসিক দুই কোরিয়ার এই বৈঠক শুরু হয় শুক্রবার সকালে। এতে নেতৃত্ব দেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন। দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী বেসামরিকীকৃত এলাকা পানজুনজাম গ্রামের পিস হাউসে বৈঠকটি শুরু হয়।

  • নগ্ন হয়ে প্রচার শুরু কিম কারদাশিয়ানের

    নগ্ন হয়ে প্রচার শুরু কিম কারদাশিয়ানের

    নিজের পারফিউম ব্র্যান্ডের জন্য ক্যামেরার সামনে নগ্ন হলেন মার্কিন রিয়্যালিটি শো তারকা কিম কারদাশিয়ান। বেশ কিছুদিন ধরেই পারফিউম ব্যবসায় নিজের ব্র্যান্ড আনার চেষ্টা করছেন কিম। পণ্য তৈরি হয়ে গেছে, আগামী ৩০ এপ্রিল বাজারে আসছে।

    তাই জোরেশোরে প্রচারণা শুরু করেছেন। কারণে-অকারণে নগ্ন হওয়ার জন্য ‘সুখ্যাতি’ আছে কিমের। নিজ পণ্যের প্রচারণাও নগ্ন হয়েই শুরু করেছেন। ইনস্টাগ্রামে ২৬ এপ্রিল পোস্ট করা প্রথম ছবিতে নিজের উর্ধাঙ্গ প্রদর্শন করেছেন। পরের ছবিতে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়েছেন তিনি। আর সারা শরীর ঢেকেছেন সাদা রঙের আবরণে।

    ৩৭ বছর বয়সী কিমের শরীরের আদলেই গড়ে উঠতে চলেছে তার পারফিউমের বোতলটি। তাই এভাবেই শরীরের ধাঁচ নেওয়া হয়েছে। কিম জানান, অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর এই পারফিউম তৈরি হয়েছে। প্রোডাক্টের প্রতিটি খুঁটিনাটি তিনি নিজে নির্বাচন করেছেন। তারপর তা ব্যবহারও করেছেন।

    ফোনে দেয়া সাক্ষাৎকারে ‘ই! অনলাইন’কে কিম বলেন, এটি সত্যিই সেক্সি। এটি আমাকে গ্রীষ্মের কথা মনে করিয়ে দেয়। এটি আমার মধ্যে যৌন উদ্দীপনা বাড়িয়ে দেয়।

  • নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হতে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় ভিয়েতনাম

    নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হতে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় ভিয়েতনাম

    আগামী ২০২০-২০২১ মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) সদস্য পদে প্রার্থীতার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন প্রত্যাশা করেছে ভিয়েতনাম।

    আজ শুক্রবার ভিয়েতনামের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড্যাং থাই নাগক থিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার হোটেল কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। খবর-বাসস’র।

    বৈঠকের পরে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট ড্যান থাই নগক থিন- দু’জনেই ‘গ্লোবাল সামিট অব উইমেন’ সম্মেলনে যোগ দিতে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন।

    ভিয়েতনামের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্লোবাল উইমেন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০১৮তে ভূষিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং তার নেতৃত্বে নারী মুক্তি এবং নারীর ক্ষমতায়ন এবং একইসঙ্গে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন।

    ড্যান থাই নগক থিন বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তার দেশের কর্মকাণ্ড এবং ব্যবসা-বাণিজ্য উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এটি ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন।

    এ সময় তিনি ঢাকা এবং নমপেনের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনেও আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

    এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রী এইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. সাজ্জাদুল হাসান, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাই কমিশনার মো. সুফিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

  • মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে বরিশালে কর্মশালা

    মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে বরিশালে কর্মশালা

    শেখ সুমন :

    বরিশালে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে যোগাযোগ ও সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে নগরীর শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সচিব মো. সাবের হোসেন, বরিশালের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. নুরুল আলম, যুগ্ম সচিব বিজয় ভূষন পাল, জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান এবং সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান রিন্টু।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রাথমিক বিভাগের কর্মকর্তাসহ সকল শিক্ষকের প্রতি আহ্বান জানান।

    কর্মশালায় বরিশালের ৬ জেলা ও সকল উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা এবং প্রাথমিক শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • বিএম কলেজের ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে হল ছাড়ার নির্দেশ

    বিএম কলেজের ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে হল ছাড়ার নির্দেশ

    বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের ডা. বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসে আবাসিক বাসিন্দা ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শফিকুর রহমান সিকদার শুক্রবার সকালের মধ্যে ওই ছাত্রীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় অন্যান্য আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    ডা. বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসের আবাসিক বাসিন্দা কথিত ছাত্রলীগ নেতা ফারজানা আক্তার ঝুমুর। ছাত্রী নিবাস সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময় নানা অজুহাতে অন্যান্য আবাসিক শিক্ষার্থীদের উপর মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন করতো সে। অনেককে অনৈতিক কাজে প্রলোভন দেখানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় হয়ে সাধারণ আবাসিক শিক্ষার্থীরা গত ২১ এপ্রিল কলেজ অধ্যক্ষের কাছে ঝুমুরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করে। লিখিত অভিযোগ দেওয়ায় আরও ক্ষিপ্ত হয় ঝুমুর। এ ঘটনায় সব শেষ ২২ এপ্রিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের কাছে দ্বিতীয় দফায় ঝুমুরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেয় এবং তাকে হল থেকে বহিস্কারের দাবি জানায়। এ ঘটনা নিয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে দ্বন্ধে জড়িয়ে পড়ে ঝুমুর। এক পর্যায়ে অন্যান্য আবাসিক শিক্ষার্থীরা একজোট হয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় ঝুমুরকে বেদম মারধর করে এবং তার বিছানাপত্র পুড়িয়ে দেয়। ওই ঘটনার পর থেকে ঝুমুর হলের বাইরে রয়েছে।

    এ ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কমিটির কাজে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ওঠে দুই পক্ষের বিরুদ্ধে। এ কারণে কর্তৃপক্ষ ঝুমুরকে হলে ফিরতে নিষেধ করে। নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে কর্তৃপক্ষ প্রতিপক্ষের আবাসিক ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসি, রহিমা আফরোজ ইভা, ফাতিমা শিমু, শাকিলা আক্তার, তানজিলা আক্তার মিষ্টি ও শারমিন আক্তারকে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়।

    ফাতেমা শিমু জানান, তদন্তের স্বার্থে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের আদেশ মেনে নিয়েছেন।

    তানজিলা আক্তার মিষ্টি জানান, অধ্যক্ষ তদন্তের স্বার্থে তাদের ছয় জনকে কয়েক দিনের জন্য হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তারা সুষ্ঠু তদন্তের জন্য হল ছেড়ে দিয়েছেন।

    বিএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শফিকুর রহমান সিকদার জানান, শিক্ষক কাউন্সিলের সভায় ওই মারামারির ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে জড়িতদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মাঠে থাকবে বিএনপির তৃণমূল

    বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মাঠে থাকবে বিএনপির তৃণমূল

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সর্বাত্মক গুরুত্ব দিয়ে আসন্ন দুই সিটি নির্বাচনে মাঠে নামছে বিএনপি। জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায় দলটি। তবে ভোট কারচুুপির আশঙ্কাও আছে তাদের। এক্ষেত্রে দুটোতেই লাভ দেখছে বিএনপি। গাজীপুর ও খুলনায় বিজয়ী হলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন আরও ত্বরান্তিত হবে বলেও মনে করে দলের হাইকমান্ড। আবার ভোট ডাকাতি করে বিজয় ছিনিয়ে নিলেও তা নিয়ে আন্দোলন জোরদার করা হবে। পরবর্তীতে তা জাতীয় নির্বাচনের ইস্যু তৈরি করা হবে।

    তাই দুই সিটিকে বাঁচা-মরার লড়াই হিসেবে নিয়েছে বিএনপি। তৃণমূল নেতা-কর্মীদেরও সেভাবেই দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দুই সিটি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ও স্থানীয়ভাবে নির্বাচন পরিচালনা সমন্বয় কমিটিও করা হয়েছে। ২০-দলীয় জোটগতভাবেও পৃথক নির্বাচন পরিচালনা সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  বলেন, ‘মোটামুটিভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি দুটোতেই বিশাল ব্যবধানে জয়ী হবে। আমরা আশা করছি, সরকার দুই সিটিতে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করবে। ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। বিএনপির শীর্ষ নেতারা বলছেন, দুই সিটিতেই তৃণমূল নেতা-কর্মীরা এখন আগের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ। তা ছাড়া সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। জুলুম-নির্যাতন ও দমন-পীড়নের চিত্র জনগণের কাছে তুলে ধরা হবে। জাতীয় ইস্যুর সঙ্গে এবার নতুন করে যুক্ত হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি। বিএনপি চেয়ারপারসনের কারাবন্দীকেও সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নিচ্ছে না। সুতরাং এসব দাবিতে সাধারণ জনগণকে উদ্ধুদ্ধ করা সহজ হবে। বিএনপি নেতারা জানান, তারা দুই সিটি নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন।

    তারা মনে করেন, একটি মিথ্যা ও সাজানো মামলায় দণ্ডিত করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দী করে রাখা হয়েছে। গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে এর প্রভাব পড়বে। সাধারণ মানুষের সহানুভূতি পাওয়া যাবে। খালেদা জিয়ার কারাবন্দী অবস্থায় দুই সিটিতে জয়ী হয়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চান দলের নীতিনির্ধারকরা। এটা ধরেই একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পথে এগিয়ে যাবেন তারা। জানা যায়, গাজীপুরে এরই মধ্যে ৫৭ ওয়ার্ডের প্রতিটিতে একটি করে নির্বাচনী কমিটি করা হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডেই একজন করে কেন্দ্রীয় নেতা ওই কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

    কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সমন্বয়ক ও সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। ২০-দলীয় জোটগতভাবে গাজীপুরে জাতীয় পার্টি (জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দারকে সমন্বয়ক ও এলডিপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিমকে সদস্য সচিব করে পৃথক কমিটি করা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে দুই সিটি নির্বাচন সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অগ্নিপরীক্ষা। সুষ্ঠু ভোট হলে গাজীপুর ও খুলনায় গতবারের চেয়ে বেশি ভোটে জয়লাভ করবেন ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী। তবে ভোট সুষ্ঠু হবে কিনা সে শঙ্কা আমাদের রয়েছে।

    জাতীয় নির্বাচনের আগে এই ভোট নির্বাচন কমিশনের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ। যদি সুষ্ঠু ভোট করতে তারা ব্যর্থ হয় তাও দেশবাসী দেখবে।’ একইভাবে খুলনা সিটিতে ৩১টি ওয়ার্ডে সমসংখ্যক কমিটি করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয়ভাবে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে। এরই মধ্যে তিনি মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। স্থানীয়ভাবে খুলনা জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনাকে আহ্বায়ক ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনিকে সদস্য সচিব করে একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    জোটের পক্ষ থেকে এনপিপি সভাপতি ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে আহ্বায়ক ও এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ঈসাকে সদস্য সচিব করে পৃথক নির্বাচন পরিচালনা সমন্বয় কমিটি করা হয়েছে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট সবাই কাজ শুরু করে দিয়েছেন। ওয়ার্ড পর্যায়ের প্রতিটি কমিটিতেও বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় নেতাকে রাখা হয়েছে। দুই সিটিতে জোটের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা, যুগ্ম মহাসচিব থেকে শুরু করে ৫০২ সদস্যের নির্বাহী কমিটির সদস্যদের দুই সিটি নির্বাচনে কাজ করার দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনায় চরম ব্যর্থতা আর ফ্যাসিবাদী আচরণের বিরুদ্ধে গাজীপুর আর খুলনায় গণজোয়ার সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা জোটগতভাবে নির্বাচন করছি। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে জোটের প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী

  • বহুল আলোচিত দুই কোরিয়ার শীর্ষ বৈঠক শুরু

    বহুল আলোচিত দুই কোরিয়ার শীর্ষ বৈঠক শুরু

    সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শুরু হয়েছে দুই কোরিয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যকার বহুল আলোচিত বৈঠক। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বৈঠকে অংশ নিতে শুক্রবার সকালে দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তবর্তী পানমুনজম গ্রামে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান।

    প্রসঙ্গত, এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে দুই কোরিয়ার শীর্ষ নেতারা এই প্রথম বৈঠকে বসলেন।

    দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী বেসামরিক অঞ্চল পানমুনজমে দুই নেতাকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে পরস্পরের সঙ্গে করমর্দন করতে দেখা গেছে। এসময় দুই নেতা কোরিয়ার সীমান্ত হেঁটে অতিক্রম করার পর কিম জং বলেন, শান্তি ও সমৃদ্ধির একটি নতুন ইতিহাস এটি।

    শীর্ষ বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে তার পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পাশাপাশি রয়েছেন তার বোন কিম ইয়ো জং ও ৯০ বছর বয়সি হেড অব স্টেট কিম ইয়ং না।

    এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশের আগে কিম জং উন দক্ষিণের প্রেসিডেন্ট মুনকে উত্তর কোরিয়ায় প্রবেশ করার আহ্বান জানান। মুন সে আহ্বান রক্ষা করে সীমান্ত অতিক্রম করে কিম জং উনকে সঙ্গে করে আবার দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করেন।

    উল্লেখ্য,  ১৯৫৩ সালে দুই কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর দু’দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক করার স্থান হিসেবে দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী পানমুনজম গ্রামটিকে নির্ধারণ করা হয়। এটি দক্ষিণ কোরিয়ার সীমানার মধ্যে পড়েছে।

    সূত্র: বিবিসি

  • একে-৪৭’র গুলি আটকাতে সক্ষম এই জ্যাকেট

    একে-৪৭’র গুলি আটকাতে সক্ষম এই জ্যাকেট

    ভারতীয় সেনাবাহিনীতে এবার যুক্ত হচ্ছে উন্নতমানের বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট। এই জ্যাকেট একে-৪৭ এর গুলিকেও আটকাতে সক্ষম বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। ওজনে হালকা এই বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট তৈরি করেছে Bhabha Atomic Research Centre (BARC)।

    গবেষকদের মতে, এই জ্যাকেট অনেক বেশি হালকা এবং তা পরিধানও অনেক আরামদায়ক। এই জ্যাকেটের আর্মার প্যানেল তৈরিতে সেরামিক এবং পলিমার ব্যবহার করেছে বার্ক, যা এক-৪৭ এর বুলেটকে আটকাতে পারবে।

    নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরের ব্যবহৃত সেরামিক বোরোন কার্বাইড এবং কার্বন ন্যানো টিউব পলিমার এই কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে এই জ্যাকেট আরও হালকা এবং কার্যকরী হয়েছে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    বার্কে পাঁচ গবেষকের দলকে নেতৃত্ব প্রদানকারী কিংশুক দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, বর্তমানে যে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটগুলো রয়েছে, তাতে গার্ড হিসেবে সেরামিকের ব্যবহার হয়েছে, তবে, নতুন ধরণের এই জ্যাকেটটি একে-৪৭ এর মতো বুলেটকেও প্রতিহত করতে সক্ষম।

    নতুন এই জ্যাকেটের ওজন ৬.৬ কিলো। তিনি আরও জানান, প্রথম সেটের পাঁচটি জ্যাকেট তৈরি সফল না হলেও পরবর্তী ক্ষেত্রে সাফল্য আসে। এই জ্যাকেটের ৩০টি পরীক্ষা হয়েছে। তিন ধরণের জ্যাকেট তৈরি করা হয়েছে। এগুলোর ওজন যথাক্রমে, ৬.৬, ৪ এবং ৩.১ কিলো।

  • বিয়ে করেছেন ‘আয়নাবাজি’ তারকা নাবিলা

    বিয়ে করেছেন ‘আয়নাবাজি’ তারকা নাবিলা

    প্রেমিক জোবাইদুল হক রিমকে বিয়ে করেছেন ‘আয়নাবাজি’খ্যাত তারকা মাসুমা রহমান নাবিলা। রাজধানীর মহাখালীর একটি কনভেনশন সেন্টারে  বৃহস্পতিবার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

    এর আগে গত সোমবার রাজধানীর গুলশানের একটি কনভেনশন সেন্টারে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান করা হয়। আজ শুক্রবার নবদম্পতি উড়াল দেবেন যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে।

    তবে হানিমুনে নয়, বরং বর জোবাইদুল হকের প্রাতিষ্ঠানিক কাজে সঙ্গ দিতেই সেখানে যাচ্ছেন এই তারকা অভিনেত্রী।

    নাবিলা ১৫ বছর সৌদি আরবে ছিলেন। সেখানেই বড় হয়েছেন। পরে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। পড়ালেখার পাশাপাশি ২০০৬ সালে টেলিভিশনে অনুষ্ঠান উপস্থাপনা শুরু করেন। অমিতাভ রেজা পরিচালিত ‘আয়নাবাজি’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসিত হন।

  • বিমানে ক্রটি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন রাহুল গান্ধী

    বিমানে ক্রটি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন রাহুল গান্ধী

    অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ভারতের কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। আজ শুক্রবার তাকে বহনকারী বিমানে গুরুতর যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। তবে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনার কবল থেকে রক্ষ পেয়ে নির্বিঘ্নেই দিল্লি থেকে কর্নাটকের হুগলি বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন তিনি।

    কংগ্রেস সভাপতিকে বহনকারী জেট প্লেনে এমন গুরুতর যান্ত্রিক বিভ্রাটের খবর প্রকাশের পর ভারতজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিমানে এ ক্রটি পরিকল্পিত ছিল কিনা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। ঘটনার পরে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রী মোদী।

    জানা যায়, আজ শুক্রবার সকালে ছোট ফ্যালকন জেট বিমানটির অন্যতম যাত্রী ছিলেন রাহুল গান্ধী। শেষ পর্যন্ত নির্বিঘ্নেই দিল্লি থেকে কর্নাটকে পৌঁছেছেন তিনি। তিন বারের চেষ্টায় হুবলিতে নামে বিমানটি। তাতে ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি-সহ পাঁচজন।

    ডিজিসিএ জানিয়েছে, ‘অটো-পাইলট’ ব্যবস্থায় সমস্যা হওয়ায় ‘ম্যানুয়াল’ মোডে নিরাপদ অবতরণ করেছেন পাইলট। এই ধরনের ঘটনা ‘অস্বাভাবিক নয়’। কিন্তু সন্তুষ্ট নয় কংগ্রেস।

    দলের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা বলেন, ‘এসপিজি-র নিরাপত্তা পাওয়া কোনো ব্যক্তির উড়ানের আগে পাইলট এবং বিমান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়া হয় ডিজিসিএ এবং এসপিজি-র কাছে। তারা ছাড়পত্র দিলেই উড়ান পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়। আমাদের আশা, কর্নাটক পুলিশ এবং ডিজিসিএ-র ডিজিরা তদন্ত করে জানাবেন, এই ঘটনায় কোনো ব্যক্তির হাত ছিল কি না।’

    বিধানসভা ভোটের প্রচারে শুক্রবার সকাল ৯টা ২০টার দিকে হুবলি রওনা হন রাহুল। আবহাওয়া ভালই ছিল। পৌনে ১১টার দিকে বিমানে দেখা দেয় ক্রটি।

    সুরজেওয়ালা জানিয়েছেন, জোরালো একটা শব্দের পরে অটো পাইলট বিকল হয়ে ধাক্কা খেয়ে নীচে পড়তে থাকে বিমানটি। ২-৩ মিনিটের জন্য রেডার থেকেও মুছে যায় সেটা।

    কর্নাটকের ডিজি ও আইজির কাছে লিখিত অভিযোগে রাহুল গান্ধীর সহযোগী কৌশল বিদ্যার্থী বলেছেন, এমন কোনো প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে, যার ব্যাখ্যা মেলেনি।

    তিনি বলেন, ‘সকলের প্রাণ যেতে বসেছিল। কিন্তু রাহুল ধৈর্য রেখে পাইলটের পাশে ছিলেন, যাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়।’

    কংগ্রেসের এক নেতা জানান, ‘এর আগেও গান্ধী পরিবারে এভাবে প্রাণ গেছে। রাহুলের প্রাণনাশের কোনো চেষ্টা হয়েছিল কি না, তার যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত।’

    বিষয়টি রীতিমতো স্পর্শকাতর বলে কোনো মন্তব্য করেনি বিজেপি। কিন্তু বিজেপির কয়েকজনের বক্তব্য, বিষয়টিকে রাজনৈতিক রং দেওয়া হচ্ছে কি না, তা-ও ভাবা দরকার।

    রাহুল গান্ধী দলের ইস্তাহার প্রকাশের জন্য শনিবারও কর্নাটকেই থাকবেন বলে জানা গেছে।