Author: banglarmukh official

  • বিদায়ী পুলিশ কমিশনারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

    বিদায়ী পুলিশ কমিশনারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

    বরিশাল মেট্টোপলিটন এলাকায় ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, নারী নির্যাতন, অপহরন ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার সংক্রান্ত মামলাগুলোর অভিযোগপত্র দাখিলের শতকরা হার বেড়েছে। পাশাপাশি চুড়ান্ত রিপোর্ট দাখিলের হার ক্রমান্বয়ে কমেছে। এছাড়া যথাযথ তদন্তের কারণে মিথ্যা মামলা রুজুর প্রবনতা কমছে।

    রোববার বদলিজনিত কারণে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমিন এর বিদায় অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, তার দায়িত্বকালে বরিশালে একটি ডাকাতি হয়েছে। যা নিস্পত্তির পথে আছে। ১০টি দস্যুতার মামলা দায়ের হয়েছে। যার চার্জশীট দাখিল শতভাগ করা হয়েছে।

    বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের অফিসার্স কোয়াটারে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপ পুলিশ কমিশনার গোলাম রউফ মিয়া, মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঞা, উত্তম কুমার পাল, বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতি কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল, কাজী আবুল কালাম আজাদ, এটিএন বাংলার হুমায়ুন কবির, যুগান্তরের ব্যুরো প্রধান আকতার ফারুক শাহিন, কাজী আল মামুন, ফেরদৌস সোহাগ, রাহাত খান প্রমুখ।

  • ইউনিট কমিটি গঠন শুরু করলো বরিশাল মহানগর আ’লীগ

    ইউনিট কমিটি গঠন শুরু করলো বরিশাল মহানগর আ’লীগ

    শেখ সুমন :

    সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ইউনিট কমিটি গঠনের উদ্যোগে নিয়েছে মহানগর আওয়ামী লীগ। রোববার থেকে এ ইউনিট কমিটির যাত্রা শুরু করেছে। প্রথম দিন ১০ নং ওয়ার্ড ও ১৬ নং ওয়ার্ডে কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে এ ইউনিট কমিটি সদস্য সংগ্রহে তাদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে।

    ইউনিট কমিটি গঠনে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড: গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল,সাধারন সম্পাদক এ্যাড: জাহাঙ্গীর, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক যুবরত্ন সেরনীয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ সহ অন্নান্য নেতৃবৃন্দ।

    মহানগর আ’লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, ইউনিট কমিটি হবে তৃনমুল আ’লীগের প্রান শক্তি। তারা সব ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই কমিটিতে সব শ্রেনীর মানুষ থাকবে বলে তিনি আশা করেন।

    যুগ্ম সাধারন সম্পাদক যুবরত্ন সেরনীয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, ইউনিট কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাজ করে যাবে।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই কমিটিতে সব শ্রেনীর মানুষ থাকবে ।

    নগরীর ১৬ নং ওয়ার্ডে সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ আলম মিরাজ বলেন, বিকাল ৪ টায় ১০ নং ওয়ার্ডে এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করা হয়। সন্ধ্যা ৭ টায় ১৬ নং ওয়ার্ডে অনুরূপ কার্যক্রম পরিচালনা করে।এ কার্যক্রম শেষ হবে ১ম মে।

    তিনি বলেন, ইউনিট কমিটি ভোটারদের সাথে যোগাযোগ রাখবে। নির্বাচনে কেন্দ্রে কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে। মহানগর আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক হুমায়ন কবির বলেন, ইউনিট কমিটি পর্যায়ক্রমে নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডেই গঠন করা হবে। সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিই এ কমিটি গঠনের প্রধান উদ্দেশ্য। আগামী জাতীয় ও সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে এ ইউনিট কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    এব্যপারে মহানগর আ’লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, ইউনিট কমিটি হবে তৃনমুল আ’লীগের প্রান শক্তি। তারা সব ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই কমিটিতে সব শ্রেনীর মানুষ থাকবে বলে তিনি আশা করেন।

  • বাংলাদেশকে নিয়ে চীন-ভারত দ্বন্দ্ব: নেপথ্যে কী?

    বাংলাদেশকে নিয়ে চীন-ভারত দ্বন্দ্ব: নেপথ্যে কী?

    এশিয়ার সবচেয়ে বড় দুই শক্তি চীন এবং ভারত সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারে ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছে, বাংলাদেশের গত ৪৭ বছরের ইতিহাসে তার নজির সম্ভবত নেই। এই দ্বন্দ্ব সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এত তীব্র রূপ নিয়েছে যে, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতির গতি-প্রকৃতি নিয়ে যারা গবেষণা করেন, এ বিষয়ে তাদের মধ্যেও ক্রমবর্ধমান আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক দুটি প্রতিষ্ঠান এ এনিয়ে দুটি লেখা প্রকাশ করেছে।
    অস্ট্রেলিয়ার একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইস্ট এশিয়া ফোরাম’ এর প্রকাশিত নিবন্ধটির শিরোনাম, ‘চায়না অ্যান্ড ইন্ডিয়া’স জিওপলিটিক্যাল টাগ অব ওয়ার ফর বাংলাদেশ’। অর্থাৎ বাংলাদেশ নিয়ে চীন এবং ভারতের ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্বযুদ্ধ’।
    আর নিউইয়র্ক ভিত্তিক ‘ওয়ার্ল্ড পলিসি রিভিউ’ ঠিক এ বিষয়েই ‘উড্রো উইলসন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর স্কলারস’ এর একজন গবেষকের অভিমত ছেপেছে। তাদের লেখাটির শিরোনাম, হোয়াই ইন্ডিয়া অ্যান্ড চায়না আর কম্পিটিং ফর বেটার টাইস উইথ বাংলাদেশ। অর্থাৎ বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়তে কেন ভারত আর চীনের মধ্যে এত প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
    দুটি লেখাতেই বাংলাদেশের সঙ্গে চীন এবং ভারতের সম্পর্ক, ব্যবসা-বাণিজ্য, নিরাপত্তা সহযোগিতা, বাংলাদেশের রাজনীতি ও নির্বাচন এবং দেশটির ওপর প্রভাব বিস্তারের জন্য এই দুই বৃহৎ শক্তির দ্বন্দ্বের বিষয়ে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ এবং বিশ্লেষণ রয়েছে।
    কার অবস্থান কোথায়
    ভারত এবং চীন, দুটি দেশের সঙ্গেই বাংলাদেশের রয়েছে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক-বাণিজ্যিক এবং সামরিক সহযোগিতার সম্পর্ক। তবে এর মধ্যে ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কারণে ভারতের সঙ্গেই বাংলাদেশের সম্পর্কটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ইস্ট এশিয়া ফোরামে প্রকাশিত লেখায় ফরেস্ট কুকসন এবং টম ফেলিক্স জোয়েনক বলছেন, বাংলাদেশের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টায় দুটি দেশই মূলত বাণিজ্যকেই ব্যবহার করতে চাইছে। বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দুটি দেশই সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। দুটি দেশেরই বিপুল বাণিজ্য উদ্বৃত্ত আছে বাংলাদেশের সঙ্গে। দুই দেশের বাণিজ্যের একটি তুলনামূলক চিত্র তারা তুলে ধরেছেন তাদের লেখায়।
    অবকাঠামো খাতে প্রতিযোগিতা
    দুটি দেশই বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে ব্যাপক সাহায্যের প্রস্তাব দিচ্ছে। বাংলাদেশে বড় আকারে রেল প্রকল্পে আগ্রহী দুটি দেশই। গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপনেও ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে উভয় দেশের। কিন্তু এসব প্রকল্প খুব বেশি এগোচ্ছে না। ফরেস্ট কুকসন এবং টম ফেলিক্স জোয়েনক বলছেন, অবকাঠামো খাতে চীন-ভারতের এই প্রতিযোগিতা থেকে বাংলাদেশ খুব একটা লাভবান হয়নি।
    অন্যদিকে বাংলাদেশের ম্যানুফাকচারিং এবং জ্বালানি খাতে চীন বা ভারত, কেউই বড় কোন বিনিয়োগে যায়নি। যদিও তারা এধরণের বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। চীন বহু বছর ধরেই বাংলাদেশের সামরিক খাতে বড় সরবরাহকারী। ভারত এক্ষেত্রে পিছিয়ে ছিল, এখন তারা দ্রুত চীনকে ধরতে চাইছে। কিন্তু ভারতের সামরিক সরঞ্জামের মান নিয়ে প্রশ্ন আছে বাংলাদেশের।
    চীনের তুলনায় ভারত যেদিকে এগিয়ে আছে, তা হলো বাংলাদেশের ওপর তাদের সাংস্কৃতিক প্রভাব। ফরেস্ট কুকসন এবং টম ফেলিক্স জোয়েনক বলছেন, এই প্রভাব খুবই ব্যাপক। দু্‌ই দেশের রয়েছে অভিন্ন ভাষা (বাংলা) এবং সংস্কৃতি, এবং এর একটি বড় কেন্দ্র এখনো কলকাতা। বাংলাদেশের অন্তত এক লাখ ছাত্র-ছাত্রী ভারতের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। এর বিপরীতে চীনের সাংস্কৃতিক প্রভাব নগণ্য। ঢাকায় চীন একটি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছে। সেখানে চীনা ভাষা শেখানো হয়।
    আভ্যন্তরীণ রাজনীতি প্রশ্নে অবস্থান
    ফরেস্ট কুকসন এবং টম ফেলিক্স জোয়েনক বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপিকে বর্ণনা করছেন একটি ‘ইসলামপন্থী এবং পাকিস্তানপন্থী’ দল হিসেবে। তাদের মতে, ২০০১ সাল হতে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দলটি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন যা ঘটেছিল, সেটা ভারতের মনে আছে এবং তাদের বাংলাদেশ বিষয়ক নীতি এবং ভাবনার গঠন সেটার ভিত্তিতেই। শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কেউই বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসলে সেটা ভারতকে বিচলিত করবে।
    তাঁরা আরও বলছেন, এ বিষয়ে দিল্লির কৌশল একেবারেই স্বল্পমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা তাড়িত। তাদের কৌশলটা হচ্ছে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখা, সেই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান চীনা প্রভাব ঠেকিয়ে দেয়া।
    অন্যদিকে বাংলাদেশে চীন খেলছে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য সামনে রেখে। তারা এক দিকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক রাখছে। অন্যদিকে, ’ভারত বিরোধী এবং সেনাপন্থী’ বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে তারা একটা ভারসাম্য রাখছে।
    কুকসন এবং ফেলিক্স জোয়েনক বলেছেন, বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে এই ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ কোন নিষ্ক্রিয় ‘ভিক্টিম’ নয়, বরং নিজের কৌশলগত অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ এটি আরও উস্কে দিচ্ছে। রোহিঙ্গা সংকটও বাংলাদেশকে বুঝিয়ে দিয়েছে চীন এবং ভারত আসলে কেবল ‘সুদিনের বন্ধু’। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা পরিষদে যে কোন পদক্ষেপ চীন আটকে দিচ্ছে। এটাকে বাংলাদেশ বন্ধুত্বসুলভ কোন কাজ বলে মনে করে না।
    অন্যদিকে ভারতের অবস্থাও ভালো নয়। তারাও এই ইস্যুতে মিয়ানমারকে মদত দিয়ে যাচ্ছে। তারা মনে করেন, শেষ পর্যন্ত এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে দুই দেশের বাণিজ্য নীতি। দুটি দেশের কোনটিই বাংলাদেশকে রফতানির ক্ষেত্রে কোন ছাড় এখনো পর্যন্ত দিচ্ছে না। দুটি দেশই বাংলাদেশে রফতানির ক্ষেত্রে ব্যাপক ‘আন্ডার ইনভয়েসিং’ এর সুযোগ দিচ্ছে, যেটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম-নীতির লঙ্ঘন। যত অর্থ তারা বাংলাদেশকে ঋণ দেয়, তার চেয়ে আরও অনেক বেশি অর্থ তারা নিয়ে নেয় এভাবে। কিন্তু এক্ষেত্রে চীন আছে সুবিধেজনক অবস্থানে।-বিবিসি বাংলা।
  • রোহিঙ্গা দুর্দশা দেখতে আজ আসছে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধি দল

    রোহিঙ্গা দুর্দশা দেখতে আজ আসছে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধি দল

    রোহিঙ্গাদের দুর্দশা দেখতে আজ শনিবার বাংলাদেশে আসছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল। একটি বিশেষ বিমানে ঢাকায় আসার পর আজই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের জন্য কক্সবাজার যাবেন। সেখানে তারা নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বললেন।
    জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৫টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে স্থায়ী পাঁচটি হলো- চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র জানায়, সফরে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ দেশের মধ্যে জাতিসংঘে যুক্তরাজ্যের স্থায়ী প্রতিনিধি এই প্রতিনিধি দলে থাকছেন। বাকি চার স্থায়ী দেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধিরা থাকবেন। অন্যদিকে অস্থায়ী সদস্য ১০ দেশের স্থায়ী প্রতিনিধিরা এই সফরে থাকছেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন চলতি মাসের (এপ্রিল) জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি পেরুর স্থায়ী প্রতিনিধি গুস্তাভো মেজা-কুয়াদ্রা।
    শনিবার রাতে কক্সবাজারের একটি হোটেলে বিশ্রাম নিয়ে পরের দিন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে সরাসরি বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের শূন্য রেখায় চলে যাবেন তারা। স্বচক্ষে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো পরিদর্শনের পর আগামীকাল রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রতিনিধি দলটির। পরের দিন সোমবার ঢাকা থেকে মিয়ানমারের নেপিদো’তে যাবেন তারা। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিককালে সমস্যাসঙ্কুল অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধিদের এটাই এ ধরনের প্রথম সফর।
    সূত্র জানায়, প্রতিনিধি দলের সফরে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে রাখাইনে মিয়ানমারের সেনাদের চালানো সহিংসতার চিত্র এবং মানবিক সংকট মোকাবেলায় গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরবে বাংলাদেশ সরকার। একইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন এবং কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ কামনা করা হতে পারে।
    সফরে আসার আগে পেরুর রাষ্ট্রদূত গুস্তাভো মেজা-কুয়াদ্রা গণমাধ্যমকে বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের যেসব এলাকা থেকে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং নৃশংসতা চালানো হয়েছে, সেসব এলাকা পরিদর্শন করবেন তারা। মিয়ানমার সরকার তাদের অনুমতি দেবে।
    গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাদের চালানো জাতিগত নিধনযজ্ঞের মুখে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এসব রোহিঙ্গারা বর্তমানে ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশে থাকছে। তাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে চুক্তি হলেও এখন পর্যন্ত প্রত্যাবাসন শুরু হয়নি। সূত্র আরো জানায়, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের অনাগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে এ সফরকে খুবই তাত্পর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা পরিষদের কঠিন পদক্ষেপ ছাড়া রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো কঠিন বলে অনেকে মনে করেন। ফলে নিরাপত্তা পরিষদ এ ব্যাপারে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয় তা জানার জন্য পরিষদের সদস্যদের সফরের দিকে সবাই তাকিয়ে আছেন।
    প্রতিনিধিদের সফরকালে রোহিঙ্গারা তাদের ওপর রাখাইনে যে নিষ্ঠুরতা চালানো হয়েছে তার বর্ণনা দেবেন। পাশাপাশি নিরাপদে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার লক্ষ্যে নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ কামনা করতে পারেন বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তারাও মনে করেন, নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপই রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব।
  • ব‌রিশালে স্কুলছাত্র আবু সালেহ হত্যা মামলায় চার্জশিট

    ব‌রিশালে স্কুলছাত্র আবু সালেহ হত্যা মামলায় চার্জশিট

    মোবাইল ফোন নিয়ে বিরোধের জের ধরে নিহত স্কুলছাত্র আবু সালেহ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (২৬ এ‌প্রিল) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মহিউদ্দিন আহম্মেদ আদালতের জিআরও’র কাছে এই অভিযোগপত্র জমা দেন।

    তদন্ত কর্মকর্তা ৩ জনকে অভিযুক্ত ও একজনকে অব্যহতির আবেদন করে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশ রুপাতলী শেরেবাংলা সড়কের আতাউর রহমান সুজনের ছেলে আল ইমরান হৃদয়, দেলোয়ার হোসেন মৃধার স্ত্রী জেনুফা বেগম ও তা‌দের ছেলে আরমান মৃধাকে অভিযুক্ত করেছে। সেই সঙ্গে দেলোয়ার হোসেন মৃধাকে অব্যহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

    মামলার বিবরণীতে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের বন্ধু আবু সালেহর সঙ্গে মোবাইল ফোন নিয়ে বিরোধ তৈরি হয় হৃদয়ের। সালেহ ও তার পরিবার এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় বিভিন্ন সময় হত্যার হুমকি দেয় হৃদয়। এরপর ২০১৭ সালের ১০ ডিসেম্বর রাতে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার সময় সালেহকে অভিযুক্তদের সহযোগিতায় শাবল দিয়ে মাথায় আঘাত করে হৃদয়।

    খবর পেয়ে স্থানীয়রা সালেহকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার পরের দিন সালেহ’র মা রহিমা বেগম বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখসহ ৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ প্রধান আসামি হৃদয়কে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারী গ্রেফতার করলেও পলাতক রয়েছে দুই আসামি।

  • বরিশাল মহানগর আ.লীগের ৩০ টি ওয়ার্ডে ইউনিট কমিটি গঠন

    বরিশাল মহানগর আ.লীগের ৩০ টি ওয়ার্ডে ইউনিট কমিটি গঠন

    আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে ধারাবাহিকভাবে বরিশাল মহানগরের ৩০টি ওয়ার্ডে ইউনিট কমিটি গঠনের লক্ষ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে সভা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। প্রতিটি সভায় উপস্থিত থাকবেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। উক্ত সভায় প্রতিটি ইউনিটের সকল সদস্যদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

    প্রতিটি ইউনিট কমিটির সভার তারিখ ও সময় নিচে তুলে ধরা হল-

     

    ০১, ১। কাউনিয়া বিসিক অফিস সেন্টার ০৭-০৫-২০১৮ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। পৌর আদর্শ স:প্রা:বি: সেন্টার
    ৩। সৈয়দ মজিদুন্নেছা মা:বি: সেন্টার

    ০২, ১। কাউনিয়া নৈশ মা: বি: সেন্টার ১৩-০৫-২০১৫ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। কাউনিয়া বালিকা মা:বি: সেন্টার
    ৩। কাউনিয়া মানিক মিয়া মা:বি: সেন্টার
    ৪। কাউনিয়া এ.কাদের চৌ: প্রা:বি: সেন্টার

    ০৩, ১। মাতাসার স:প্রা:বি: সেন্টার ১৬-০৫-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। পুরাণপাড়া হাই স্কুল সেন্টার
    ৩। পুরাণপাড়া প্রাইমারী স্কুল সেন্টার
    ৪। আ: রব সেরনিয়াবাত কলেজ সেন্টার

    ০৪, ১। মহাবাজ মা:বি: সেন্টার ০৬-০৫-২০১৮ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। বীণাপাণি স: মডেল প্রা: বি: সেন্টার
    ৩। টাউন মা:বি: সেন্টার
    ৪। মাহমুদিয়া স:প্রা:বি: সেন্টার

    ০৫, ১। হযরত শাহজালাল মাদ্রাসা সেন্টার (পলাশপুর) ১২-০৫-২০১৮ সকাল ১১টা
    ২। বীণাপাণি স: মডেল প্রা: বি: সেন্টার
    ৩। টাউন মা:বি: সেন্টার
    ৪। মাহমুদিয়া স:প্রা:বি: সেন্টার

    ০৬, ১। এ.করিম আইডিয়াল কলেজ সেন্টার ১৪-০৫-২০১৮ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। বাণী মন্দির স:প্রা:বি: সেন্টার
    ৩। পাওয়ার হাউস অফিস সেন্টার
    ৪। এনায়েত উল্লাহ প্রা:বি: সেন্টার

    ০৭, ১। আছমত মাস্টার স:প্রা:বি: সেন্টার ০৯-০৫-২০১৮ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। আদর্শ মাতৃ মন্দির স:প্রা:বি: সেন্টার
    ৩। উত্তর কাউনিয়া স:প্রা:বি: সেন্টার

    ০৮, ১। টাউন মমতা মা: বালিকা বিদ্যালয় সেন্টার ০৮-০৫-২০১৮ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। খাজা মাইনুদ্দিন মাদ্রসা সেন্টার
    ৩।
    ৪।

    ০৯, ১। এ.কে স্কুল সেন্টার ১৫-০৫-২০১৮ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। টাউন হল সেন্টার

    ১০, ১। মডেল স্কুল এন্ড কলেজ সেন্টার ২৯-০৪-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। উদয়ন স্কুল সেন্টার

    ১১, ১। ব্যাপ্টিষ্টমিশন উচ্চ বালক বি: সেন্টার ৩০-০৪-২০১৮ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। ব্যাপ্টিষ্টমিশন উচ্চ বালিকা বি: সেন্টার

    ১২, ১। কিশোর মজলিস সেন্টার ০৩-০৫-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। নূরিয়া কিন্ডারগার্টেন সেন্টার

    ১৩, ১। নূরিয়া মা:বি: সেন্টার ০৩-০৫-২০১৮ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। সমাজসেবা কার্যালয় (এতিমখানা) সেন্টার

    ১৪, ১। মডেল স্কুল (খেলাঘর) সেন্টার ০৬-০৫-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। ফারিয়া কমিনিটি সেন্টার (লিটেল ফ্লাওয়ার স্কুল)

    ১৫, ১। নব আদর্শ স:প্রা:বি: সেন্টার ১০-০৫-২০১৮ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। পাবলিক ইনষ্টিটিউট সেন্টার

    ১৬, ১। জিলা স্কুল সেন্টার ২৯-০৪-২০১৮ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। হালিমা খাতুন বালিকা বিদ্যালয় সেন্টার

    ১৭, ১। সদর গালর্স স্কুল সেন্টার ১১-০৫-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। মহিলা কলেজ সেন্টার

    ১৮, ১। অক্সফোর্ডমিশন স্কুল সেন্টার ১১-০৫-২০১৮ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। চৈতন্য স্কুল সেন্টার

    ১৯, ১। মথুরানাথ পাবলিক স্কুল সেন্টার ০৪-০৫-২০১৮ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। বরিশাল কলেজ সেন্টার
    ৩। জগদীশ সারস্বত স্কুল এন্ড কলেজ সেন্টার

    ২০, ১। গোরস্তান স:প্রা:বিদ্যালয় সেন্টার ১২-০৫-২০১৮ সন্ধ্যা ৭টা
    ২। বি.এম. কলেজ সেন্টার

    ২১, ১। গোরস্তান মাদ্রাসা সেন্টার ১০-০৫-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ সেন্টার

    ২২, ১। শহীদ আ: রব সে: টেক্সটাইল ই:ই: সেন্টার ০৪-০৫-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। গবাদী পশুপালন কেন্দ্রে সেন্টার
    ৩। ছাবেরা খাতুন মা: বিদ্যালয় সেন্টার

    ২৩, ১। দরগাবাড়ী প্রা: বিদ্যালয় সেন্টার ০৮-০৫-২০১৮ ৪টা
    ২। সাগরদী ইউনিয়ন মা: বিদ্যালয় সেন্টার
    ৩। আর.এম স্কুল সেন্টার
    ৪। থানা কাউন্সিল সেন্টার
    ৫। উত্তর সাগরদী আদর্শ প্রা: বিদ্যালয় সেন্টার

    ২৪, ১। সাগরদী আলিয়া মাদ্রাসা সেন্টার ০৭-০৫-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। মোল্লাবাগী মাদ্রাসা (দক্ষিণ রূপাতলী) সেন্টার
    ৩। পূর্ব রূপাতলী স:প্রা:বি: (লালার দিঘী) সেন্টার

    ২৫, ১। এ, ওয়াহেদ মা: বিদ্যালয় সেন্টার ৩০-০৪-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। পশ্চিম রূপাতলী স:প্রা: বিদ্যালয় সেন্টার
    ৩। রূপাতলী মা: বিদ্যালয় সেন্টার

    ২৬, ১। ফুলিয়া বোর্ড অফিস সেন্টার ১২-০৫-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। দক্ষিণ জাগুয়া মা: বিদ্যালয় সেন্টার

    ২৭, ১। ইন্দ্রকাঠী স: প্রা: বিদ্যালয় সেন্টার ০৯-০৫-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। দিয়াপাড়া স: প্রা: বিদ্যালয় সেন্টার

    ২৮, ১। চৌহিদপুর মা: বিদ্যালয় সেন্টার ১৩-০৫-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। দারুস সালাম এতিমখানা সেন্টার
    ৩। নবজাগরণী স: প্রা: বিদ্যালয় সেন্টার

    ২৯, ১। কাশীপুর স্কুল এন্ড কলেজ সেন্টার ১৪-০৫-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। বাঘিয়া আলামিন কামিল মাদ্রাসা সেন্টার
    ৩। বি.এইচ.টি (খ্রিষ্টান কলোনী) সেন্টার

    ৩০, ১। চহঠা স: প্রা: বিদ্যালয় সেন্টার ১৫-০৫-২০১৮ বিকাল ৪টা
    ২। গণপাড়া বালিকা বিদ্যালয় সেন্টার
    ৩। তিলক কলাডেমা সেন্টার

  • ভোলায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, শতাধিক দোকান পুরে ছাই

    ভোলায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, শতাধিক দোকান পুরে ছাই

    ভোলায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে শতধিক দোকানঘর পুরে ছাই হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাঁত সারে ১২ টার সময় চকবাজারের একটি অংশ সহ খালপাড়, মনোহরী পট্রি, গুড় পট্রি, মুদি পট্রি সহ প্রায় শাতাধিক দোকানঘরে আগুন লাগে। এতে প্রায় শত কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতির সম্ভবনা রয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে।
    খবর পেয়ে ফায়র সার্ভিসের ৫ টি ইউনিট ঘটনা স্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করেন । অবশেষে দীর্ঘ ৫ ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রন করতে সক্ষম হয়। আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে ছুটে আসেন, ভোলার জেলা প্রশাসক মোঃ মাসুদ আলম সিদ্দিকী ও পুলিশ সুপার মোঃ মোকতার হোসেন।
    প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীরা জানান, রাঁত সারে ১২টার সময় একটি সুতার দোকান থেকে আগুন লাগার সুত্রপাত হয়। পাশের দোকান গুলোতে গ্যাস সিলিন্ডার, তৈল, দাহ্য পদার্থ , স্প্রীট ও রং’র দোকান থাকায় আগুন দ্রুত আশ-পাশের দোকান গুলোতে ছড়িয়ে পরে। তারা দাবী করছেন যে এই আগুন লাগার কারনে ব্যাবসায়ীদের প্রায় শত কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তারা এও বলছেন যদি খালে পানি থাকতো তাহলে আগুন আরো দ্রুত সময়ে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হত। তখন আর এত ক্ষয়-ক্ষতি হতোনা।
    ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিক ধারনা মতে মনে হচ্ছে বৈদ্যতিক সর্টসার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হতে পারে। আরো তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত বলা যাবে।
    ভোলার পুলিশ সুপার মোঃ মোকতার হোসেন বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা ফায়ার সার্ভিস’র টিম সহ ঘটনা স্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করে এক পর্যায়ে ৫ ঘনার ব্যবধানে আগুন নিয়ন্ত্রন করতে সক্ষম হই। আগুনের সুত্রপাত কি ভাবে হল তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে।

  • কথা সাহিত্যিক সফিক আমিন এর ধারাবাহিক উপন্যাস

    কথা সাহিত্যিক সফিক আমিন এর ধারাবাহিক উপন্যাস

    ভাঙ্গন (পর্ব – ৭)

    ঘুম ভাঙ্গছে হেই ধলপরো আর ঘুমাইনাই, বাড়ির চাইরো দিগে মাইনষের কান্দোন হুইন্না আমার গলাও হুগাইয়া যাইতে আছিল । বুহের মইদ্দে খালি মোচর মারে কিন্তু হগুলডির লাহান হাউমাউ কইরা কানতে পারি না । গ্যাদাডায়ও কান্দন বাজাইছে । অইদিগে রাইতকা যে বিছানা ভিজাইছে হেই চিন্তাও করি । কেমনে কি করুম ! যেই বিছানাত মোচ্ছে হেইয়ার চাদইর না অয় ধুইয়া দিলাম কিন্তু খ্যাঁতার নাহান মোডা মোডা জিনিসটার কি অইবো ? আবার পায়হানা কইরা দিতে পারে মোনে কইরা বিছার তোন নাইমা খারইয়া রইছি । এই সুম দেহি এ্যাক মাতারি ঘরের মইদ্দে হানছে । হেইতের আতে-গলাত সোনার গয়না । দেইক্কা মোনে অইছে এই বাড়ির বউই অইবো ।

    কিছু জিগানের সাওস নাই, হেই আমারে জিগাইলো – : তোমার শরিল অহন কেমন ? কহন উটছো ঘুমের তোন ? হেইয়ার দুইডা কতার কি উত্তর অইবো হেইয়া জানি মুই বুজিনাই । তয় খালি কইছি – : ভালো । হেয় যহন চাদইর আর খ্যাঁতা গোছান ধরছে । তহন আমি হের আতটা চাইপ্পা ধরছি । গেদাডারে জোর কইরা হের কোলে দিয়া কইলাম – : ভাবি আপনে খালি কন কোনহান দিয়া ধুইয়া আনমু । হেয় কইল – : তুমি থামো । বেশি কিছু ধোওন লাগবো না । খালি চাদইরডা ধুইলেই অইবো । লও তোমার গ্যাদা তুমি রাহো । আমি জোর কইরা চাদইর উডাইতেই দেহি চাদইরের তলে এ্যাকটা ত্যালতেইল্লা কি জিনিস দেউন্না ! হেইতেই রক্ষা, পেরছাব চাদইরের তলে হান্দেনায় । চাদইর লইয়া বাইড় অওনের সুম মাদবরের বউ এ্যাকটু খাড়াইতে কইল । হেয় আলমারি খুইল্লা এ্যাকটা কাফোর আর ছায়া বেলাউজ আতের মইদ্দে গুইজ্জা দিয়া কইল পুহোর তোন গোছল দিয়া আইতো । এইবার বাইরে নামছি মতনই দ্যাকলাম রোইদ উট্টা বাড়ি-ঘর ভইরা গেছে ।

    হেই পোরথম দেকলাম বাড়ির পিছোন দিগে এ্যাকটা পুহইরও আছে । ঘাডের কিনারে কেউই নাই, সবাই বাড়ির উডানোত বইয়া কতাবর্তা আর কান্দাকাডি করে । চাদইর ধুইয়া পানিত নামুম এ্যামোন সুম মোনে অইল এই পানিত আমাগো ব্যাক গেছে, এ্যাহোন কোন হানে যাইম, কোন হানে থাহুম ! আবার কিয়ের মোনের মইদ্দে ডরও করে, যদি পানির তোন আর না অডতে পারি ? তই গ্যাদাডার কি অইব ? আবার মোনের তোন সব চিন্তা উদাউ অইয়া যায় ! আসলে আমার যে কি অইছে হেইয়া আমি বুইজ্জা ওটতে পারিনাই । শ্যাষ-ম্যাষ গাও ধুইয়া কাফোর ধুইয়া ঘরো গিয়া জিগাইলাম – ভাবি এইগুন কুণ্ডে হুগা দিমু ? হেয় গ্যাদাডারে আমার কোলত দিয়া অতের তোন ব্যাক লইয়া বাইর অইয়া গেলো ।

    কতডুক পরে আইয়া কইল – লও, কিছু খাইয়া লইবা । খাওনের কতা হুইন্না মোনে অইল প্যাডের মইদ্দে এ্যাকটা হোউলমাছ ঘাউ মারছে ! ডাঙ্গোর এ্যাকটা মাডির চাকের নাহান খিদা আতুরীর মইদ্দে ঝুপপুত কইরা ভাইঙ্গা পরছে । হ্যাতে ম্যালা ঢেউ উট্টা কূলের মাডিতে মাতা টাহাইতে লাগজে, দ্যাকলে মোনে অইবে আজুব পিড়ের মুরিদরা লাফাইয়া-দাফাইয়া জিগির করে । (চলবে…)

  • বরিশাল নগরীর কাশীপুর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রীকে গণধর্ষণ

    বরিশাল নগরীর কাশীপুর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রীকে গণধর্ষণ

    কাজী সা্ইফুল:

    বরিশাল নগরীর কাশীপুর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে নগরীর কলেজ রোডের (ভাষা শহীদ অধ্যক্ষ আইউব আলী খান সড়ক) সিকদার ভিলার একটি মেসে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ওই মেস থেকে অচেতন অবস্থায় ধর্ষণের শিকার কলেজ ছাত্রীকে উদ্ধার করে শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করে।

    এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওই মেসের বাসিন্দা বি.এম. কলেজের মার্কেটিং বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র সাইফুল ইসলাম সজিবকে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনার মূল হোতা বিএম কলেজ এলাকার চিহ্নিত দুস্কৃতকারী বখাটে রাব্বী পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতার সহ মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহাকারী কমিশনার শাহানাজ পারভীন জানান, কাশীপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রী সালমা আক্তার(ছদ্দ নাম) (১৮) নোট আনতে শুক্রবার সকালে বিএম কলেজের সামনে তার বয়ফ্রেন্ড সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ইমতিয়াজের মেসে যায়। এ সময় স্থানীয় চিহ্নিত দুস্কৃতকারী বখাটে রাব্বী ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক সেখান থেকে কলেজ রোডের সিকাদার ভিলার একটি ছাত্র মেসে নিয়ে যায়।

    পরে ওই মেসের বাসিন্দা বিএম কলেজ ছাত্র সাইফুল ইসলাম সজিবের কক্ষে নিয়ে চেতনানাশক কিছু খাইয়ে ওই ছাত্রীকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে রাব্বী। পরবর্তীতে রাব্বী ওই ছাত্রীকে সজিবের জিন্মায় রেখে পালিয়ে যায়। এ সময় সজিবও ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় ওই ছাত্রী।

    এর আগেই সহপাঠী বান্ধবীকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার খবর পুলিশকে জানায় ইমতিয়াজ। পুলিশ কলেজ রোডের ওই বাসায় গিয়ে ওই ছাত্রীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে শেরে-ই বাংলা মেডিকেলের ওসিসি’তে ভর্তি করে। এ সময় সন্দেহভাজন দুই ধর্ষকের অন্যতম সজিবকে পুলিশ আটক করে। ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষণের কিছু আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। আটক সজিব বাকেরগঞ্জের পাদ্রিশিবপুর এলাকার জামান হাওলাদারের ছেলে।

  • পর্ন ভিডিও ব্রেনের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর!

    পর্ন ভিডিও ব্রেনের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর!

    কৌতূহল চেপে রাখতে না পেরে আজকাল অনেকে ফেসবুক বা অন্য কোন সোশ্যাল সাইট থেকে পর্ন সাইটে চলে যান।  তথ্য-প্রযুক্তির প্রসার ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে পুরো বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। স্মার্টফোন অথবা ল্যাপটপ থেকে একটি ক্লিকেই প্রবেশ করতে পারেন নেট দুনিয়ায়। আর নানা রকম চটকদার ছবি ও বিজ্ঞাপণের প্রভাবে সহজেই প্রবেশ করছেন নীল ছবির জগতে। কিন্তু এর মাধ্যমে আপনি নিজের সবচেয়ে ভয়ানক ক্ষতিটি নিজেই করছেন।

    বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ ও চিকিৎসকদের গবেষণায় দেখা গেছে, যে সব পুরুষ নিয়মিত পর্ন ভিডিও বা যৌন উত্তেজক ছবি দেখেন তাদের ব্রেনের আকার পরিবর্তিত হয়ে সাধারণ পুরুষের ব্রেনের চেয়ে ছোট হয়ে যায়। জার্মান সাইকিয়াট্রি জার্নালে এক স্টাডির রিপোর্টে এ তথ্য জানানো হয়।

    চিকিৎসকগণ তাদের গবেষণায় সাধারণ পুরুষদের ব্রেনের সাথে পর্ণ ছবি দেখতে অব্যস্থ পুরুষদের ব্রেনের তুলনা করে এমন রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন বলে জানানো হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ষ্ট্রিয়াটোম নামের একপ্রকারের সেনসিটিভ বিকল্প থিওরি যা
    পর্নগ্রাফিতে মানুষকে আসক্ত করে, সেইসকল পুরুষদের ব্রেইন আকারে পরিবর্তন এনে থাকে।

    বার্লিনের ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনিষ্টিটিউটের ডঃ সাইমন কোহন, যিনি এই পেপারের লেখক ও লিড গবেষক তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত গবেষণায় এ সম্পর্কে তাদের কাছে ব্রেইনের আকার ছোট হওয়ার কারণটি উঠে এসেছে। তবে তারা এ নিয়ে আরও গবেষণা করে যাচ্ছেন।

    ড. কোহন এবং তার অনুসারীরা জার্মানির চারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদল প্রায় ৬৪ জন সুস্থ সুঠাম দেহের পুরুষ যাদের বয়স ২১ থেকে ৪৫ এর মধ্যে, তাদের উপর গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে প্রাথমিক তথ্যে উপনীত হয়েছেন, তারা দেখতে পেয়েছেন, সুস্থ সুঠাম দেহের পুরুষদের ব্রেনের তুলনায় যারা পর্ণ ছবিতে আসক্ত, তাদের ব্রেনের আকার ছোট হয়ে আসে।

    স্মার্টফোনে পর্ন দেখলে সম্ভাব্য ৫টি বিপদ
    ১। বিভিন্ন ধরণের ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যার রয়েছে যা স্মার্টফোন লক করে দেয়। অনেক সময়েই টাকার বিনিময়ে লক খুলতে হয়। পর্ন-সাইটে ভেসে ওঠে কিছু পপ-আপ। আর তাতে ছোঁয়া লাগলেই মোবাইল লক হয়ে যেতে পারে। অনলাইনে টাকা দিলে তবেই খোলা যায়। অনেক সময়ে খোলাও যায় না।

    ২। এটা সকলেরই জানা যে, চাইল্ড-পর্ন দেখা আইনত অপরাধ। অনেক সময়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে চাইল্ড-পর্ন সাইট খুলে যেতে পারে। হ্যাকাররা যদি জানতে পারে কেউ স্মার্টফোনে চাইল্ড পর্ন দেখেছে তবে তাকে আইনি বিপদে ফেলতে পারে কিংবা সেই ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করতে পারে।

    ৩। মনে রাখবেন, হ্যাকাররা সব সময়ে ওৎ পেতে বসে রয়েছে। তাদের অন্যতম বড় ফাঁদ হল পর্ন-সাইট। যারা নিয়মিত পর্ন দেখতে অভ্যস্ত তাদের বিভিন্ন সাইটের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে সেখানে ঢুকতে প্রলুব্ধ করে হ্যাকাররা। একবার সেই সাইটে ঢুকলেই হ্যাকাররা সহজেই চুরি করে নিতে পারে কোন ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য।

    ৪। পর্ন-সাইটের মাধ্যমে আপনি জড়িয়ে পড়তে পারেন নানা রকম পেইড সার্ভিসে। অনিচ্ছাকৃতভাবে মোবাইলে অ্যাক্টিভেট হয়ে যায় এমন কিছু সার্ভিস, যা আপনি জানতেও পারেন না। কিন্তু ওই সার্ভিসের জন্য কেটে নেওয়া হয় টাকা।

    ৫। পর্ন-সাইটে ঢুকলে শুধু যে বিজ্ঞাপনই আপনাকে বোকা বানাবে তা নয়, দেখানো হয় নানা রকম অ্যাপ ডাউনলোড বা আপডেটের লোভ। হ্যাকারদের এই ফাঁদে পা দিলেই হাতছড়া হয়ে যাবে আপনার যাবতীয় তথ্য।