Author: banglarmukh official

  • সাদিক আব্দুল্লাহকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে বরিশাল নগরবাসী

    সাদিক আব্দুল্লাহকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে বরিশাল নগরবাসী

    শেখ সুমন:

    বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বরিশাল মহানগরীর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা, পার্বত্য শান্তি চুক্তির রূপকার,মাননীয় মন্ত্রী জনাব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর সন্তান সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    ছিলেন বরিশাল নগরীর একটি ছোট্ট মহল্লায়। খেলাধুলা ও সংগীত চর্চায় শৈশবে নিজেকে জড়িয়ে রাখলেও নগরবাসীর অনেকেই তখন জানতো না সাদিক আব্দুল্লাহর নাম। অবশ্য ইতোমধ্যে নামটির খ্যাতি বরিশাল’র পাড়া-মহল্লা, নগর ছাড়িয়ে এখন দেশও সমধিক উচ্চারিত। ২০১৪ সালে শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পর বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে উত্থান ঘটে দক্ষিণবঙ্গের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র বড় ছেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। এর পর ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক। বর্তমানে বরিশালের রাজনীতিতে ইতিহাস। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে আওয়ামীলীগের মননীত প্রভাবশালী মেয়র মনোনয়ন পার্থী তিনি।

    আর প্রভাবশালী মেয়র প্রার্থী দাবীদার হবেন না কেনো?

    মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর এখন সকাল-সন্ধ্যা কাটে সাধারণ মানুষকে নিয়ে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বাসার নিচতলার ড্রইংরুমে দেখতে পান অপেক্ষমাণ মানুষের জটলা। কেউ এসেছেন সমস্যা নিয়ে, আবার কেউ বিচারপ্রার্থী হতে। সাদিক সবার কথা শোনেন, সাধ্যমতো সহযোগিতা করেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন কিছুতেই বাদ পড়ছেন না সাদিকের। তাকে ছাড়া যেন নগরবাসীর কোনো অনুষ্ঠানই পূর্ণতা পায় না। সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ড শেষে মধ্যরাতে যখন সাদিক ফেরেন তখনো মানুষের আনাগোনা থাকে নগরীর কালীবাড়িস্থ বাসায়।

    “এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়”। ঠিক এই লাইনটির মতোই সাদিক নিজের যৌবনকালকে প্রথাগত চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য করে নিরাপত্তার চাদরে মোড়া ঘরসংসার করার জীবন বেছে নেননি। তিনি বেছে নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর দৃপ্ত শপথ। লড়াইয়ে রক্তেভেজা রাজপথ, কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠের অনিশ্চিত এক জীবন।

    যাদের জীবন শুধু সংগ্রামের, ত্যাগের; যারা দিতে জানে বিনিময়ে কিছু নিতে জানে না প্রকৃত অর্থে তারাই মানুষ। যাদের অনুসরণ করলে প্রকৃত মানুষ হওয় যায়। সে রকম একজন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশালের বর্তমানে খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ। নানা ঝড়ঝাপ্টার মাঝেও দলীয় আদর্শে তিনি অবিচল থাকেন। তাইতো দলীয় নেতা কর্মীদের নিকট হয়ে উঠেন বড় অবলম্বন।

    নগরভবন ঠিকানা না হলেও বর্তমানে মহানগরীর মানুষ এখন তাকে ‘ভবিষৎ মেয়র’ বলেই সম্বোধন করে। সুখে-দুঃখে, আপদে-বিপদে ছুটে যায় তার কাছে। সাদিকও নিরাশ করেন না বিপদে পড়া তার প্রিয় নগরবাসীকে। ২০১৩ সালের সিটি নির্বাচনে মরহুম শওকত হোসেন হিরনের পরাজয়কে সাদিক আব্দুল্লাহ একটি অভিজ্ঞতা হিসেবেই নিয়েছেন।

    আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিকল্প খুজে পাচ্ছে না আওয়ামী লীগ। বেশ কয়েকজন প্রার্থী মনোনয়ন নেয়ার চেষ্টা করলেও তারা বিএনপির প্রার্থীর সমতুল্য নন বলে মনে করছেন তৃণমুল ও জেলা-মহানগর নেতৃবন্দ। বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে দল থেকে রেজুলেশন করে সাদিকের মনোনয়ন দাবি করায় নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র। গোপন জরিপ চালিয়ে সাদিক আবদুল্লাহর ব্যাপক জনপ্রিয়তার বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অনুধাবন করতে পেরেছে বলে জানা গেছে।

    জুন-জুলাইতে অনুষ্ঠিত ৫টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে এবার আওয়ামী লীগ চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছে। ২০১৩ সালের নির্বাচনে এ সিটিগুলোতে আওয়ামীলীগ পরাজিত হওয়ায় পরবর্তীতে সরকার পরিচালনা করতেও সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাই এবার সংসদীয় নির্বাচনের আগে সিটি নির্বাচনকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে নানা দিক দিয়ে বিবেচনা করে। বিএনপি থেকে মজিবর রহমান সরোয়ার প্রার্থী হবার গুঞ্জন শোনা গেলেও একাধিক সুত্র জানায় সাদিক আবদুল্লাহ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হলে তিনি প্রার্থী হবেন না। অর্থাৎ সাদিক ছাড়া যে কোন প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরোয়ার লড়াই করতে প্রস্তুত। আর এ দিকটিই সাদিককে এগিয়ে রেখেছে।

    বেশ কয়েক বছর ধরে টালমাটাল বরিশাল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যের বাধনে গেঁথেছেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। গুটি কয়েক যে কয়জন বিদ্রোহী রয়েছেন তারা এখন ঘরমুখো হওয়ায় সাদিক আবদুল্লাহর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামীলীগ যে কোন সময়ের চেয়ে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী। শওকত হোসেন হিরনের উন্নয়নের জোয়ারের পরও তার পরাজয়ের অন্যতম কারণ হিসাবে এখনও দলীয় কোন্দলকেই চিহ্নিত করা হয়। সে দিক দিয়ে সাদিক আবদুল্লাহ দলকে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়েছেন বলে দাবি কর্মীদের। সাদিকের ঘোর বিরোধী বলে পরিচিত জেবুন্নেছা আফরোজ এমপি স্বয়ং বিসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে সাদিকের মনোনয়ন দাবি করে ঐক্যের প্রমান দিয়েছেন। তবে কেন্দ্রে তার বিরুদ্ধে একটি দুর্বল অথচ পিছনে সক্রিয় একটি চক্র বিসিসি নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়ে ধু¤্রজাল সৃষ্টি করছে বলে জানা গেছে। তবে কেন্দ্র থেকে সম্প্রতি একাধিক গোপন জরিপ চালানো হয়। ঐ জরিপে বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করতে হলে সাদিক আবদুল্লাহর বিকল্প তারা খুজে পাননি বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে।

    মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলেন বর্তমান সময়ে মহানগর আওয়ামী লীগ যে কোন সময়ের চেয়ে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী। এর কারন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অক্লান্ত পরিশ্রম আর মেধা। মহানগর আওয়ামীলীগ একারণেই সাদিক আবদুল্লাহর মনোনয়ন দাবি করে রেজ্যুলেশন করে কেন্দ্রে পাঠিয়েছে। মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল বলেন, জনপ্রিয়তার কারণেই সাদিক আবদুল্লাহর বিপক্ষে কোন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করারই সাহস পাচ্ছে না। এ অবস্থায় দল অবশ্যই সাদিক আবদুল্লাহকে সিটি কর্পোরেশনে মেয়র পদে মনোনয়ন দেবে বলে আমরা শতভাগ আশাবাদী।

  • বঙ্গবন্ধু এদেশ উপহার দিয়েছে, শেখ হাসিনা সোনার বাংলা উপহার দেবে: শিল্পমন্ত্রী আমু

    বঙ্গবন্ধু এদেশ উপহার দিয়েছে, শেখ হাসিনা সোনার বাংলা উপহার দেবে: শিল্পমন্ত্রী আমু

    সেই দিন সাড়ে সাত কোটি মানুষ বঙ্গবন্ধুর পিছনে ঐক্যবদ্ধ ছিল বলেই বঙ্গবন্ধু এদেশ উপহার দিয়েছে। আর আজকে শেখ হাসিনার পিছনে শোল কোটি মানুষকে যদি ঐক্যবদ্ধ করা যায় তাহলে তিনি যেটা বলছেন আমি সোনার বাংলা উপহার দেবে। তার দ্বারাই সেটা সম্ভব আর এটাই বাস্তব। তাই শেখ হাসিনার উন্নায়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে এবং সোনার বাংলার লক্ষ্যে আগামি নির্বাচনে নৌকা র্মাকায় ভোট দিয়ে তার হাতকে আরো শক্তিশালি করতে হবে।
    শনিবার বিকাল ৫টায় সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহি গাবখান-ধানসিড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ইউনিয়ন আ’লীগ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথীর বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি এসব কথা বলেন। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ইউপি সদস্য মো: গিয়াস উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মিসহ ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
    তিনি আরো বলেন, যারা এই দেশে মুক্তিযোদ্ধা বিরোধি শক্তি পাক হানাদার বাহিনির দোসর হিসেবে যারা লক্ষ্য মানুষের সম্মান নষ্ট করেছিল, নিজের হাতে মানুষ হত্যা করেছিল, মায়ের কোল থেকে মাসুম বাচ্চা কেড়ে নিয়ে লাইট পোস্টের সাথে মাথা ঠুকে হত্যা করছিল, সেই জল্লাদদের নিয়ে যারা মন্ত্রীসভা গঠন করে জোট গঠন করে তাদের হাতে এই দেশের ক্ষমতা দেয়া যেতে পারেনা। তিনি স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সেই লক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
    এর পূর্বে শিল্পমন্ত্রী আমু ইউনিয়নের বিশখালি বিধৌত চর ভাটারা কান্দা এলাকায় নবনির্মিত সাইক্লোন সেন্টার’র শুভ উদ্বেধন করেন।

  • গাজীপুর ও খুলনা সিটিতে ভোট ১৫ মে

    গাজীপুর ও খুলনা সিটিতে ভোট ১৫ মে

    গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে ১৫ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই সিটিতে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ১২ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৩ এপ্রিল। আর যাচাই বাছাই ১৫-১৮ এপ্রিল।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা শনিবার নির্বাচন কমিশন ভবনে এই তফসিল ঘোষণা করেন। এর আগে বেলা ১১টায় এ সংক্রান্ত বৈঠকে বসে কমিশন।

    সিইসি বলেন, গাজীপুরে ভোটার ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৪২৫ জন। আর খুলনায় ভোটার ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৪৫৪ জন।

    সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই গাজীপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট এই পাঁচ সিটিতে ভোটগ্রহণ করতে হবে। তাই আসছে রমজানের আগে গাজীপুর ও খুলনা সিটি ভোট শেষ করে ঈদের পর অন্য তিন সিটিতে ভোট করবে ইসি।

    ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর এবং বরিশালের ২৩ অক্টোবর। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী করপোরেশনের প্রথম বৈঠক থেকে ৫ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যেকোনো সময় নির্বাচন করতে হবে।

  • দাঙ্গায় নিহত ছেলে, তবুও শান্তি চান মসজিদের ইমাম বাবা

    দাঙ্গায় নিহত ছেলে, তবুও শান্তি চান মসজিদের ইমাম বাবা

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রামনবমীর শোভাযাত্রার নামে তাণ্ডবে নিহত হয়েছে ১৬ বছরের ছেলে। বাবা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যেরই আসানসোলের একটি মসজিদের ইমাম। ছেলের এই করুণ মৃত্যুর পরও শান্তির পথে অবিচল বাবা। প্রকাশ্য সমাবেশে মাওলানা ইমদাদুল রশিদি বলেছেন, যদি এ মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার কেউ চেষ্টা করে, তবে তিনি শহর ছেড়ে যাবেন।

    মসজিদের ইমাম মাওলানা ইমদাদুল রশিদির ১৬ বছরের ছেলে সিবতুল্লা রশিদি নিখোঁজ হয় গত মঙ্গলবার। আসানসোলের রেইলপাড় এলাকা থেকে সাম্প্রদায়িক গোলযোগের সময় রাস্তা থেকে এক দল মানুষ ওই কিশোরকে তুলে নিয়ে যায়। পরদিন বুধবার গভীর রাতে তার লাশ পাওয়া যায়। আর পরিবারের লোকেরা বৃহস্পতিবার তার লাশ শনাক্ত করে। কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    রশিদি বলেন, ‘ও (ছেলে) যখন বাড়ি থেকে বের হয়েছিল, তখন গোলযোগ চলছিল। একদল দুষ্কৃতকারী ওকে তুলে নিয়ে যায়। আমার বড় ছেলে পুলিশকে বিষয়টি জানায়। কিন্তু ওকে থানাতেই অপেক্ষা করতে হয়। পরে আমরা জানতে পারি, পুলিশ একটি লাশ উদ্ধার করেছে। সকালে ওকে আমরা শনাক্ত করি।’

    গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে আসানসোলের ঈদগাহ ময়দানে নিহত সিবতুল্লাহর কবর দেওয়া হয়। সেখানে জড়ো হওয়া মানুষদের উদ্দেশে মাওলানা রশিদি বলেন, ‘আমি শান্তি চাই। আমার ছেলেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমি চাই না কোনো পরিবার তাদের প্রিয়জনকে হারাক। আমি চাই না কারও বাড়ি পুড়ে যাক।’

    আসানসোলের নূরানি মসজিদের ইমাম রশিদি বলেন, প্রতিশোধ নেওয়ার কোনো চেষ্টা হলে আমি আসানসোল ছেড়ে যাব। আপনারা যদি আমাকে ভালোবাসেন, তবে একটি আঙুল ওঠাবেন না।’ ছেলের করুণ মৃত্যুতেও নিজের দায়িত্বের কথা ভোলেননি মাওলানা রশিদি। মানুষের প্রতি, শান্তির প্রতি তাঁর আস্থার কথা বলেছেন।

    মাওলানা রশিদি বলেন, ‘গত ৩০ বছর ধরে আমি ইমামের দায়িত্ব পালন করছি। আমার দায়িত্ব মানুষকে সঠিক বার্তা দেওয়া। শান্তির বার্তা দেওয়া। আমাকে ব্যক্তিগত ক্ষতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। আসানসোলের মানুষ এমন অন্যায় করতে পারে না। এটা একটি ষড়যন্ত্র।’

    আসানসোল পৌরসভার মেয়র জীতেন্দ্র তেওয়ারী বলেন, ‘ইমাম সাহেব উত্তেজিত যুবকদের শান্ত করেছেন। তিনি প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর জন্য আমরা গর্ব বোধ করি। সন্তান হারানোর মতো গভীর যন্ত্রণার পরও তিনি শান্তির আবেদন করেছেন।’

    আসানসোল পৌরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার মোহাম্মদ নাসিম আনসারী বলেন, সদ্য সন্তান হারানো বাবার কাছে এমন কথা সত্যিই অপ্রত্যাশিত। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, সারা ভারতের জন্য তিনি একটি উদাহরণ।’

  • বিস্ফোরণে ঝরে গেল কুয়েটের মেধাবী ৪ শিক্ষার্থীর তাজা প্রাণ

    বিস্ফোরণে ঝরে গেল কুয়েটের মেধাবী ৪ শিক্ষার্থীর তাজা প্রাণ

    ময়মনসিংহের ভালুকায় বিস্ফোরণে দগ্ধ খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীর বাঁচলো না কেউই। মাস্টারবাড়ি এলাকায় ৬ তলা ভবনে বিস্ফোরণে গুরুতর আহত দীপ্ত সকালে মারা যান। গত রাতে মারা যান শাহীন মিয়া। বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃত্যু হলো একই বিভাগের চার মেধাবী শিক্ষার্থীর। এদিকে, ভবন মালিকের অবহেলায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে অভিযোগ করে শোকাহত স্বজন ও সহপাঠীরা সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

    একে একে তিন সহপাঠীকে হারিয়ে কোন বুঝই যেন মনকে বোঝাতে পারছে না খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাইতো প্রায় ৭ দিন ধরে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মৃত্যু শয্যায় থাকা দীপ্তের আড়াল হতে চায়নি প্রিয় সহপাঠীরা।

    কিন্তু মৃত্যু যে বড়ই নিষ্ঠুর, বন্ধুদের কোনো মায়ায় যে আটকে রাখতে পারলোনা খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বস্ত্র প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী দীপ্ত সাহাকে। একে একে চার সহপাঠীকে হারিয়ে যেন শোকে পাথর তাদের বন্ধু, শিক্ষক ও স্বজনরা।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান। আর শুক্রবার সকালে মারা যান দীপ্ত সরকার। গত বুধবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে মারা যান শাহীন মিয়া। ঘটনাস্থলেই ২৫ মার্চ নিহত হন তাওহিদুল ইসলাম।

    চার শিক্ষার্থীই খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বস্ত্র প্রকৌশল বিভাগের মেধা তালিকায় এক থেকে সাতের মধ্যে ছিলেন। তারা পড়াশুনা শেষ করে ভালুকার একটি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ করছিলেন।

    চিকিৎসক বলেন, ‘সকল প্রকার চেষ্টা করেও রোগীগুলোকে আমরা বাঁচাতে পারলাম না। এটা আমাদের জন্যও অনেক দুঃখজনক।’

    দীপ্ত সরকার ও হাফিজুরের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে তাদের গ্রামের বাড়িতে সমাহিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। মেধাবী সহপাঠী আর শিক্ষার্থীদের হরিয়ে শোকাহত তাদে বন্ধু, শিক্ষক ও স্বজনরা। বিস্ফোরণের ঘটনার দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তারা।

    একজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘মোট চার বন্ধুকে আমরা হারিয়েছি। দুই বন্ধুর দাফন হয়েছে। কিন্তু বাকি দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিল, তাই ওদের দাফনে যাওয়া হল না।’

    পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। ভালুকার একটি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায় বাসা ভাড়া থাকতেন তারা। ২৪মার্চ রাতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ হন চারজনই।

  • লাঙ্গল মার্কাকেও আর ছাড় নয় : নাসিম

    লাঙ্গল মার্কাকেও আর ছাড় নয় : নাসিম

    ‘এরশাদ ক্ষমতায় থাকাকালে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুরস্কৃত করেছিলেন। আগামী নির্বাচনে রংপুরেও লাঙ্গল মার্কাকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। রংপুরে আওয়ামী লীগ নৌকা মার্কা প্রার্থী দেবে।’

    আজ শুক্রবার বিকেলে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে ১৪ দলের জনসভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, ষড়যন্ত্র এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলাসহ সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন নেতৃবৃন্দ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

    মোহাম্মদ নাসিম তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করছে তাদেরকে হত্যা করতে চায় ষড়যন্ত্রকারীরা। খালেদা জিয়ার বিএনপি ও জামায়াত শিবির দেশটাকে অস্থিতিশীল করে তুলতে আবারো ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশের ওপর যারা বার বার আঘাত করছে তাদের প্রতিহত করতে হবে।’

    মন্ত্রী বলেন, ‘যথা সময়ে নির্বাচন হবে। নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়া যায় না। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে বলেই যথাসময়ে নির্বাচন হবে।” তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ দেশে আর কোনো দিন আসবে না। এ জন্য সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। ২০১৪ সালে নির্বাচন না হলে এদেশে এখনো সামরিক শাসন থাকতো।’ তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া জ্বালাও পোড়াও করে ক্ষমতায় আসতে চান। খালেদা জিয়া ও জামায়াত শিবিরের সকল প্রকার চক্রান্ত নস্যাত করে দিতে হবে।’

    বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এদেশ থেকে মঙ্গা নামক শব্দটি চলে গেছে। বিদ্যুৎসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধান হয়েছে।’

    বিএনপির উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি আন্দোলনের ভয় দেখায়। আন্দোলন শিখতে হলে ১৪ দলের কাছে শিখতে হবে। আন্দোলন কাকে বলে ১৪ দল জানে। জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করার ক্ষমতা ১৪ দলের আছে।’ খালেদা জিয়ার অসুস্থতা সর্ম্পকে নাসিম বলেন, ‘খালেদা জিয়া যদি সত্যি অসুস্থ হন-তাহলে আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে বলছি, তাঁর চিকিৎসার সবকিছু আমি বহন করবো।’

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে যাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তিনি যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়েছিলেন। বিএনপি নতুনভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এ ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বির্নিমাণে এগিয়ে যেতে হবে।’

    বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি বলেন, ‘অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ  গড়তে ১৪ দলের সম্প্রীতিকে আরো মজবুত করতে হবে।’

    রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান এমপি, টিপু মুন্সি এমপি, গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শাহদাৎ হোসেন, জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার এমপি ও জাসদ একাংশের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম প্রধান, রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজুসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ।

  • প্রতিশোধ’ নিল ব্রাজিল

    প্রতিশোধ’ নিল ব্রাজিল

    বার্লিনে মঙ্গলবার রাতে বারবারই ফিরে আসছিল ২০১৪ সালের সেই স্মৃতি। বেলো হরিজন্তের মিনেইরো স্টেডিয়ামের সেই স্মৃতি ব্রাজিলের জন্য দুঃসহই। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে ৭-১ গোলে হেরে স্বপ্নের জলাঞ্জলি দেওয়ার স্মৃতি তো দুঃস্বপ্নের মতোই। এই ম্যাচে সেই দুঃস্বপ্নের একটা ছোট্ট ‘পাল্টা’ ঠিকই নিয়েছে ব্রাজিল। হোক না প্রীতি ম্যাচ। কিন্তু সাত গোলে হারার পর এই প্রথম জার্মানির মুখোমুখি হয়ে তাদেরই মাঠে জয় সেই ক্ষতে প্রলেপ তো বটেই। খেলার সঙ্গে ‘প্রতিশোধ’ শব্দটা বাজে শোনালেও ১-০ গোলে আজকের ম্যাচটা জেতার পর শব্দটি অন্তত ব্রাজিল–সমর্থকেরা উপভোগই করছেন। ২২ ম্যাচ পর সেই ব্রাজিলের কাছেই হারল জার্মানি।হারের স্বাদ নিল জোয়াকিম লোর শিষ্যরা।

    ম্যাচটি ২০১৪ সালের মতো একপেশে হয়নি। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে সেটি উপভোগ্যই হয়ে উঠেছিল। প্রথমার্ধে বল দখলের লড়াইয়ে দুই দলই সমানে সমান ছিল। ম্যাচের ৩৭ মিনিটে উইলিয়ানের ক্রস থেকে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের হেডে গোলখরা কাটে। ব্রাজিল এগিয়ে যায় ১-০ গোল।

    গোল হজম করে অবশ্য ম্যাচে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছিল জার্মানরা। দ্বিতীয়ার্ধে বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়েও ছিল তারা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। বল দখলে এগিয়ে থাকলেও গোলের সুযোগ তৈরিতে অনেকটাই পিছিয়ে ছিল বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। সব মিলিয়ে ৯টি শটের মধ্যে মাত্র ১টি গোলে রাখতে পেরেছে জার্মানি। অন্যদিকে ব্রাজিলের ৪টি শটের ৩টি-ই গোলে ছিল।ম্যাচের নায়ক গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে সতীর্থদের অভিনন্দন।

  • জঙ্গি হামলার ঘটনার পর এই প্রথম দেশে মালালা

    জঙ্গি হামলার ঘটনার পর এই প্রথম দেশে মালালা

    শান্তিতে নোবেলজয়ী পাকিস্তানের নারীশিক্ষা আন্দোলনের কর্মী মালালা ইউসুফজাই নিজের দেশে ফিরেছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, তালেবানের গুলিতে আহত হওয়ার ঘটনার পর এই প্রথম পাকিস্তানে ফিরলেন মালালা।

    নারীশিক্ষার পক্ষে প্রচারাভিযান চালানোয় ২০১২ সালে মালালাকে গুলি করে তালেবান। গুলি তাঁর মাথায় লাগে। পরে চিকিৎসার জন্য তাঁকে দেশের বাইরে নেওয়া হয়। সৌভাগ্যক্রমে রক্ষা পান তিনি।

    ২০ বছর বয়সী মালালা এখন নারীশিক্ষা ও মানবাধিকারের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।

    পাকিস্তান সফরকালে মালালা তাঁর দেশের প্রধানমন্ত্রী শহীদ খাকান আব্বাসির সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন।

    পাকিস্তানের প্রত্যন্ত সোয়াত উপত্যকায় জন্ম নেওয়া মালালা তালেবানের বাধার পরও নারীশিক্ষা বিস্তারে কাজ করে যাওয়ায় ২০১২ সালে জঙ্গিরা তাঁকে গুলি করে। ২০১৪ সালে সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন তিনি। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৭।

    স্পর্শকাতর হওয়ায় মালালার পাকিস্তান ফেরার বিষয়ে অনেক তথ্যই গোপন রাখা হয়েছে বলে দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তা জানান। তিনি বলেন, চার দিন দেশে থাকবেন মালালা। এ সময় শহীদ খাকান আব্বাসির সঙ্গে বৈঠক হতে পারে।

    কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ইসলামাবাদের বেনজির ভুট্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মালালাকে নিয়ে যাওয়া হয়। তালেবানদের হামলায় বেঁচে যাওয়ার পর আবারও তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

    সম্প্রতি এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে মালালা বলেন, তিনি তাঁর দেশের নদী ও পাহাড়গুলোকে খুব মিস করছেন। দেশের মাটিতে পা রাখতে চান।

    গত বছরে কানাডার পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর হাত থেকে দেশটির সম্মানসূচক নাগরিকত্বের সনদ গ্রহণ করেন ১৯ বছর বয়সী মালালা।

    হামলার ঘটনার পরও নারীশিক্ষা ও নারীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। মালালা ফান্ড নামের বিশেষ তহবিল গঠন করে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া, কেনিয়া, জর্ডানের মতো দেশে নারীশিক্ষায় বিনিয়োগে কাজ করছেন।

  • এইচএসসিতে প্রশ্ন ফাঁস হলে বোর্ড ঘেরাও

    এইচএসসিতে প্রশ্ন ফাঁস হলে বোর্ড ঘেরাও

    এইচএসসিতে প্রশ্ন ফাঁস হলেই শিক্ষা বোর্ড ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অভিভাবক ঐক্য ফোরাম। বৃহস্পতিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অভিভাবক ঐক্য ফোরামের নেতারা এ হুঁশিয়ারী দেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মুগদা পাড়ায় অভিভাবক সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অভিভাক নেতারা বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের মতো নেক্কারজনক কার্যক্রমকে কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না।

    তারা প্রশ্ন ফাঁস রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেয়া উদ্যোগ বাস্তবায়ন এবং এ বিষয়ে সরকারকে সার্বিক সহায়তা আশা করেন। নেতারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার আহ্বান জানান।

  • সংবাদের জন্য সাংবাদিক দম্পতির মারামারি

    সংবাদের জন্য সাংবাদিক দম্পতির মারামারি

    সংবাদমাধ্যমের জগতে প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়। নিত্যনতুন খবর সবার আগে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে চায় সব সংবাদমাধ্যমই। আর এ জন্যই তৈরি হয় প্রতিযোগিতা। হাল আমলে হলিউডে এ নিয়ে চলচ্চিত্রও তৈরি হচ্ছে। দ্য পোস্ট ছবিতেই এর কিছুটা আঁচ পাওয়া যায়। কিন্তু সেই প্রতিযোগিতার আগুনে কি সাংবাদিকের সংসারেও টানাপোড়েন হতে পারে? যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঘটনা অন্তত তা-ই বোঝাচ্ছ!

    দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, যেসব আমেরিকান শিল্প-সাহিত্য, কারুকাজ, বিনোদন, খেলাধুলা বা গণমাধ্যমে কাজ করেন, তাঁদের ১১ শতাংশ একই পেশার আরেকজনকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে বেছে নেন। ২০১২ সালের আদমশুমারিতে এ চিত্র দেখা গেছে। একইভাবে সংবাদমাধ্যমে কাজ করা দুই সহকর্মীর বিয়েও অস্বাভাবিক কিছু নয়।

    এমনই এক সাংবাদিক দম্পতি হলেন ড্যানিয়েল ব্রাউন ও সুসান স্লোসার। সানফ্রান্সিসকো বে এরিয়ার অধিবাসী তাঁরা। দুজনেরই পেশা ক্রীড়া সাংবাদিকতা। তবে একই সংবাদমাধ্যমে নয়, আলাদা অফিসে। চলতি সপ্তাহে ব্রাউন একটি কলাম লিখেছেন। তাতে তিনি বলেছেন, পেশাগত প্রতিযোগিতায় সংসারে টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে।

    ড্যানিয়েল ব্রাউনের লেখা কলাম এরই মধ্যে টুইটারে ভাইরাল হয়ে গেছে। স্লোসারকে অন্যতম পরিশ্রমী ও আস্থাভাজন সংবাদকর্মী হিসেবে উল্লেখ করে ব্রাউন লিখেছেন, ‘পেশাগত কারণে মাঝেমধ্যেই আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতাপূর্ণ মনোভাব ঢুকে পড়ে। আমরা দুজনই একই খবরের পেছনে ছুটি। তখন আর দুজনের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর রোমান্টিক সম্পর্ক খুব একটা থাকে না। তখন আমরা হই একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বী। সেগুলো ভয়ানক সময়।’

    ব্রাউনের দাবি, ভালো বিশেষ খবর জোগাড় করে দেওয়ার জন্য মাঝেমধ্যে নাকি স্লোসান তাঁকে মারতেন! ভালো বক্তব্য পেতেও তিনি নাকি চাপ দিতেন স্বামীকে। এ নিয়ে মন-কষাকষির জেরে এখন তালাক নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন এ দম্পতি।

    তবে কলামের বিষয় হওয়াটা পছন্দ হয়নি সুসান স্লোসারের। তাঁর বক্তব্য, ‘কলামে ব্রাউন যা লিখেছে, তার সবই ঠিক। তবে আমার মনে হয়, অনেক অতিরঞ্জিত করেই তুচ্ছ ঘটনাগুলো লেখা হয়েছে।’

    প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত স্লোসার আরও বলেন, সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী নন তাঁরা। ব্রাউন হলেন ফিচার লেখক। আর অন্যান্য সাংবাদিক দম্পতিরা কিছু ক্ষেত্রে একসঙ্গে বসে অনেক ইস্যু নিয়ে কাজ করেন। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন বলে তাঁদের পক্ষে তা করা সম্ভব ছিল না। অনেক ক্ষেত্রে তাঁদের সামনে হাজির হতো নৈতিক অনেক প্রশ্ন।

    তবে, একই পেশায় থাকা ব্যক্তিকে বিয়ে করাকে ক্ষতিকর বলে মনে করেন না স্লোসার। তিনি বলেন, ‘দিন শেষে আমাদের দুজনের সময় বেশ ভালোই কাটে। আমার মনে হয়, একই পেশায় থাকার বিষয়টি দুজনকেই কিছু সুবিধা দেয়। আমরা একে অন্যকে সহজে বুঝতে পারি। পরস্পরের সমস্যাগুলো ধরতে পারি।’