Author: banglarmukh official

  • জুয়া খেলায় স্ত্রীকে বাজি, অতঃপর…

    জুয়া খেলায় স্ত্রীকে বাজি, অতঃপর…

    হারতে হারতে শেষ নিজের কাছে থাকা সব অর্থ। কিন্তু জুয়ার আসর থেকে উঠতে চান না। বাধ্য হয়ে তাই নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে বাজি রেখেছিলেন। কিন্তু এবারও হেরে গেলেন। আর তাতেই বিপত্তি।

    ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলার খবর, ঘটনার সূত্রপাত ২০১৫ সালে। দিল্লির বুলেন্দশহরের বাসিন্দা মহসিন নামে এক ব্যক্তির জুয়া খেলার প্রবল নেশা ছিল। পরপর বেশ কয়েকটি খেলায় হেরে যাওয়ার পর ইমরান নামে এক ব্যক্তির কাছে নিজের স্ত্রী ও দুই সন্তানকে বাজি হিসেবে ধরে মহসিন। কিন্তু সেই খেলাতেও হেরে যান তিনি।

    মহসিনের স্ত্রীর অভিযোগ, এর পরেই ইমরান বাড়িতে ঢুকে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ওই নারী প্রতিবাদ করে স্থানীয় পঞ্চায়েতের দ্বারস্থ হন। সেখানে রায় দেয়, মহসিনের একটি সন্তানকে ইমরান তার সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবে। পঞ্চায়েতের নির্দেশ মতো মহসিনের একটি সন্তানকে নিয়ে চলে যায় ইমরান।

    এর পরেই মহসিনের স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়ে দেন। থানায় নিজের প্রাক্তন স্বামী মহসিনসহ আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। কিন্তু পুলিশি তদন্তে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় ওই নারী সিজেএম কোর্টে পিটিশন জমা দেন। গতকাল সোমবার আদালত পুলিশকে মূল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত করার নির্দেশ দেন। পরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। পুলিশি তদন্তে কী উঠে আসে, সেটাই এখন দেখার।

  • রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আইপিইউকে পাশে চায় বাংলাদেশ

    রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আইপিইউকে পাশে চায় বাংলাদেশ

    রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নকে (আইপিইউ) পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় চলমান ইন্টারপার্লামেন্টারি ইউনিয়নের ১৩৮তম সম্মেলনে মঙ্গলবার আবারও এ আহ্বান জানানো হয়।

    সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা চীফ হুইপ আ স ম ফিরোজ বলেন, রোহিঙ্গাদের অবশ্যই পূর্ণ মর্যাদায় ও নিরাপদে তাদের নিজ বাসভূমিতে ফিরিয়ে নিতে হবে। এজন্য আমরা রোহিঙ্গা সমস্যার মূল থেকে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সকল আইপিইউ সদস্য দেশের প্রতি বাংলাদেশের পাশে থেকে বিশ্ব জনমত গঠন করার আহ্বান জানাই। বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, আইপিইউ’র সংসদ সদস্যরা একত্রিত থাকলে বিশ্বের বাস্তুভিটাহীন নিপীড়িত মানুষগুলোর সমস্যা সমাধান সম্ভব।

    সংসদ সচিবালয় জানায়, মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের ‘স্ট্রেংদেনিং দ্যা গ্লোবাল রেজিম ফর মাইগ্রেন্ট অ্যান্ড রিফুজিস’ বিষয়ের ওপর সাধারণ আলোচনায় তিনি এ আহ্বান জানান।

    আ স ম ফিরোজ বলেন, মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের প্রতি নির্মম নির্যাতন ও তাদের নিজস্ব ভিটামাটি থেকে বিতাড়িত হওয়ার বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায় অবগত আছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার এ পরিস্থিতিকে “টেক্সট বুক  অন ক্রিমিনাল অব এথনিক ক্লিনজিং” অভিধায় আখ্যায়িত করেছেন।

    এসময় আইপিইউ সদস্য দেশগুলোকে সার্বজনীন বিশ্বমানবাধিকার লঙ্খনকারী দেশের বিরুদ্ধে একত্রিত থাকার আহ্বান জানান চীফ হুইপ।

  • প্রতারণা করে জেতাটা আবার জেতা নাকি

    প্রতারণা করে জেতাটা আবার জেতা নাকি

    কেপটাউন টেস্টে বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারিতে পুরো বিশ্বের ধুয়োধ্বনি শুনতে হচ্ছে স্মিথ-ওয়ার্নারদের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ব্যানক্রাফটের কাণ্ডে বিতর্কে পদ হারিয়েছেন স্মিথ-ওয়ার্নার দুজনেই।

    এবার এ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন বাংলাদেশ দলের অন্তবর্তীকালীন কোচ কোর্টনি ওয়ালশ। ওয়ালশ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমি কখনও স্বপ্নেও ভাবিনি ক্রিকেটে এমন কিছু দেখতে হবে। ক্রিকেট কেন, বিশ্বের কোনো খেলায় এমন হোক সেটা আমি চাই না। আমি সব সময় যোগ্যতায় বিশ্বাসী। যোগ্যতা দিয়েই জিততে চাই। প্রতারণা করে জেতাটা আবার জেতা নাকি? এমন জয়ের চেয়ে মাথা উচু করে পরাজয় মেনে নেয়াটাও সম্মানের। ‘

    টেস্ট জিততে মরিয়া হয়েই এমন জঘন্য প্রতারণার পরিকল্পনা করেছিলেন স্মিথরা। বল রিভার্স সুইং করছে না দেখে শনিবার ম্যাচের তৃতীয়দিন লাঞ্চের সময় দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা একসঙ্গে বসে নীলনকশা করেন। লক্ষ্য ছিল, জার্সিতে থাকা হলুদ রঙের টেপে উইকেটের ক্ষত অংশের মাটির দানা মাখিয়ে সেটা দিয়ে ঘষে বলের কন্ডিশন বদলানো।

    স্মিথরা ভেবেছিলেন, চেনা মুখ না হওয়ায় ব্যানক্রফটের দিকে টিভি ক্যামেরার মনোযোগ থাকবে না। কিন্তু বাস্তবে ক্যামেরার চোখে ধুলো দিতে পারেননি ব্যানক্রফট। বল টেম্পারিং করতে গিয়ে ধরা পড়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে সব স্বীকার করে নেন তিনি।

  • অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় থাকা যায় না: ড. কামাল

    অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় থাকা যায় না: ড. কামাল

    সংবিধান প্রণেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, এদেশ কোনো ব্যক্তির নয়, কোনো গোষ্ঠীর নয়, কোনো দলের নয়-এদেশ জনগণের। এদেশে অন্যায় করে কেউ পার পায়নি। অন্যায় ভাবে কোনো দিন ক্ষমতায় থাকা যায় না। গত ৪৭ বছরে অনেকেই ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার চেষ্টা করেছে, কেউ পারে নাই। ভবিষ্যতেও কেউ পারবে না।

    রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে মঙ্গলবার গণফোরাম আয়োজিত স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ‘গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই’ শীর্ষক আলোচনা সভার সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ড. কামাল হোসেন আরও বলেন, নিজের দলের প্রতি এক রকম বিচার, বিরোধী দলের প্রতি আরেক রকম বিচার-এটা আইনের শাসন হয় না। এটা স্বৈরশাসন। বঙ্গবন্ধু স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। বঙ্গবন্ধু গণতন্ত্রের কথা বলে গেছেন, রাজতন্ত্রের কথা বলেননি। বঙ্গবন্ধু লিখে দিয়েছেন এদেশ চলবে গণতন্ত্রে-রাজতন্ত্রে নয়। এদেশ কখনো রাজার অধীনে থাকবে না। জনগণের প্রতিনিধিরা দেশ চলাবে। জনগণের প্রতিনিধি কারা-যারা সুষ্ঠু  নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হবে।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে যে সংবিধান দিয়ে গেছেন সে সংবিধানের মূল কথা দেশের মালিক জনগণ। একজন জনগণ হিসেবে আমি দেশের মালিক, আমার অধিকার আছে ভোট দিয়ে আমার প্রতিনিধি নির্বাচন করার। সে অধিকার থেকে আজ জনগণকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

    ড. কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধুর লিখিত দলিলে (সংবিধানে) জনগণের যে স্বপ্নের কথা লেখা আছে, তা বাস্তবায়ন করতে হবে। যারা শোষণ করে, অর্থ আত্মসাৎ করে, দুর্নীতি করে-তারা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে অন্তরায় সৃষ্টি করছে? কেউ যদি অন্যায়ভাবে দেশের সম্পদ আত্মসাৎ করে, পাচার করে-ক্ষমতায় থাকলেই তা কি কখনো বৈধ হয়ে যায়?

    তিনি বলেন, স্বাধীনতার আগে পাকিস্তানী শাসকরা যা করেছে, এখন যারা দেশ থেকে পুঁজি পাচার করছে, তারা কী একই কাজ করছে কী-না? উপস্থিত জনতা তখন স্বতঃস্ফুতভাবে হ্যাঁ বলে ওঠেন। এ সময় তিনি জানতে চান আমার বক্তব্য কোনো দলের সাথে বিরোধীতা নয়, তবে বঙ্গবন্ধু যে দায়িত্ব দিয়ে গেছেন সে দায়িত্ব থেকে আমরা কী মুক্ত থাকতে পারি? আমরা কী জনগণের সাথে বেঈমানী করতে পারি? উপস্থিত জনতা তখন সমস্বরে না বলে তাদের প্রতিক্রিয়া জানান।

    ড. কামাল বলেন, আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই। মানুষের মাঝে যেতে হবে, তাদের অধিকারের কথা বলতে হবে। বঙ্গবন্ধু বলতেন, বড় অর্জনের জন্য প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ জাতি, এখন ঐক্যর ডাক পৌঁছে দিতে হবে। সবাই মনে করছে পেয়ে গেছি, হয়ে যাবে। কিন্তু এসব করে কেউ সাময়িকভাবে পার পেয়েছে-ভোগ করার সুযোগ পায়নি। মনে রাখবেন ঐক্যবদ্ধ হলে জনগণের জয় হবেই। এ সময় তিনি বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে ন্যায় প্রতিষ্ঠার কাজ করে যেন মরতে পারি।

    আলোচনা সভায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দকী বীর উত্তম বলেন, এই সরকার বৈধ নয়, সরকারকে যে মনোনীত করে সেই সংসদও বৈধ নয়। সংবিধানে পরিষ্কার লেখা আছে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদ গঠিত হবে। ১৫৪ জন তো প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হননি। খালেদা জিয়াকে নখড়া করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বড় লজ্জা হয়, যখন দেখি সরকারের এটর্নি জেনারেল বেগম খালেদা জিয়ার আপিলের বিরোধীতা করছে। এটা তো দুদকের মামলা, সরকার দাঁড়াবে কেন? এজন্যই জার্মান না কোন দেশ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে স্বৈরশাসন চলছে। তিনি আরো বলেন, যে টাকা খরচ হয়নি, সেই টাকার জন্য মামলা দিয়েছেন। এটা হতে পারতো টাকা কেন খরচ হয়নি।

    তিনি আরো বলেন, আমাদের রাজনীতির দুর্ভাগ্য হলো বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে আওয়ামী লীগকে মারে, আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গিয়ে বিএনপিকে মারে। এটা থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ আওয়ামী লীগ-বিএনপিকে বাদ দিয়ে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় সরকার কায়েম করা। মুক্তিযুদ্ধে তার লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করে কাদের সিদ্দকী বলেন, যুদ্ধচলাকালীন মেঘালয়ের পাড়াড়ে বসে ছাত্রলীগের কতিপয় নেতা আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলো। সেদিন আব্দুর রাজ্জাক তাদেরকে বলেছিলেন, মারামারি পরো করো, আগে দেশটা স্বাধীন করতে দাও।

    গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ড. জাফরউল্লাহ চৌধুরী বলেন, যুদ্ধ করতে বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছিলাম। বর্তমান সরকারকে স্বৈরাচারী সরকার আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এবার ২০০১৪ সালের নির্বাচন সম্ভব নয়। তারপরও কোনভাবে ক্ষমতা দখল করতে পারলেও আওয়ামী লীগ দেশ চালাতে পারবে না। দেশ সিরিয়ায় পরিণত হবে। আগামীতে বিএনপি জিতলেও বিশৃঙ্খলা হবে, নৈরাজ্য হবে। খালেদা জিয়াও তা ঠেকাতে পারবেন না। সে জন্য দেশ বাঁচাতে হলে দরকার ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যর সরকার।

    ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মাদ মুনসুর বলেন, একজন শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা তৈরি করার পেছনে বহু মানুষের শ্রম-ঘাম আছে। আজ বড় দুখ হয় যখন দেখি সেই বঙ্গবন্ধুকে রাজনীতির পণ্যে পরিণত করা হচ্ছে। মহল্লার মাস্তান, চাদাঁবাজরা পোস্টারে বঙ্গবন্ধুর ছবি ব্যবহার করে।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন গনফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসিন মন্টু, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, আবম মোস্তফা আমিন প্রমুখ।

  • বিএনপির সমাবেশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ডিএমপি

    বিএনপির সমাবেশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ডিএমপি

    আগামী ২৯ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দিতে সরকারের কোনো আপত্তি নেই। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এ কথা জানান।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যেদিন সমাবেশের অনুমতি চেয়েছে, সেদিন না হলেও এর পরের যেকোনো দিন সমাবেশ হতে পারে। তবে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

    এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সমাবেশের অনুমতি পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী বলে জানিয়েছেন।

    এর আগে নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে বিএনপির তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

  • পদত্যাগ করছেন অং সান সু চি

    পদত্যাগ করছেন অং সান সু চি

    মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা ও দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেত্রী অং সান সু চি যেকোনো মুহূর্তে অবসরে যেতে পারেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। দলটির কার্য নির্বাহী কমিটির এক বৈঠকে সু চি সম্ভব হলে নিজেকে সরিয়ে নিতে চান বলে জানানোর পর এ গুঞ্জন আরো জোরালো হয়েছে।

    তবে রোববার এনএলডি’র এক মুখপাত্র সু চির পদত্যাগের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন। মুখপাত্র ইউ মিও নিউন্ত বলেছেন, ‘খবর বেরিয়েছে যে অং সান সু চি অবসরে যাবেন। আমি বললাম, না। তবে দলের কর্মীরা যদি কঠোর পরিশ্রম করেন, তবেই তিনি অবসরে যাবেন। এটা তিনি (সু চি) সব সময়ই বলেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তিনি শিগগিরই অবসরে যাবেন।’

    শনিবার এনএলডি’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে সু চি বলেন, সম্ভব হলে তিনি পদত্যাগ করতে চান।

    এর আগে শনিবার দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল এনএলডি’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির (সিইসি) সদস্যদের এক বৈঠকে সু চি বলেন, সম্ভব হলে তিনি পদত্যাগ করতে চান। এনএলডি প্রধান সু চির এ মন্তব্যের পর দেশটির গণমাধ্যমে তার পদত্যাগের ব্যাপারে খবর প্রকাশিত হয়।

    এনএলডি’র মুখপাত্র ইউ মিও নিউন্ত শনিবারের ওই বৈঠকের ব্যাপারে বলেন, ‘নেইপিদোতে যে বৈঠক হয়েছে সেটি ছিল শুধুমাত্র সামাজিক সমাবেশ। বৈঠকে রাজনৈতিক কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়নি।’

    তিনি বলেন, ‘এটি ছিল অনিয়মিত একটি আলোচনা। সিইসির সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘসময় ধরে এ বৈঠক হয়েছে। প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করায় ভাইস প্রেসিডেন্ট ইউ উইন মিন্ত দেশের শীর্ষ এ পদের দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা কার্যনির্বাহী কমিটির পুরনো এবং নতুন সদস্যদের সঙ্গে সামাজিক আড্ডা দিয়েছি।’

    এনএলডির এই মুখপাত্র বলেন, ২০০৮ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দেশটির সংবিধানে সংশোধনী আনে। এতে সরকারি কর্মকর্তারা দলীয় রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না বলে বিধান করা হয়। যে কারণে সামাজিক সমাবেশ অবৈধ নয়।

    এনএলডির সংসদ সদস্য ইউ ন্যা মিও তুন বলেন, ‘ধৈর্য এবং প্রভাব বিবেচনায় অবশ্যই তিনি (সু চি) দেশের প্রধান থাকবেন। তার (বয়স এবং কাজের চাপ বিবেচনায়) প্রতি আমাদের সহানুভূতি নেই; বিষয়টি তেমন নয়। তিনি যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। আমি বিশ্বাস করি, তিনি এতে দ্বিমত করবেন না।’

    দলটির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘তিনি বলেছেন তার বয়স বেড়েছে। কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমে উৎসাহ দিতেই তিনি অবসরে যেতে চান বলে জানিয়েছেন।’

    গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়া সফর করেন মিয়ানমারের এ নেত্রী। সেখানে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় পরিশ্রান্ত-ক্লান্ত দেখা যায় ৭৩ বছর বয়সী সু চিকে। এনএলডির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইউ উইন হতেইন সু চির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া সফর করেছেন। ইউ উইন হতেইন বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় অধিকাংশ সময়ই বিছানায় কাটিয়েছেন সু চি।

    এনএলডির কার্যনির্বাহী কমিটির এ সদস্য বলেন, দীর্ঘ বিমান ভ্রমণের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন সু চি। এসময় তার সঙ্গে কথা বলা থেকেও বিরত থাকা হয়। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ ও একটি বৈঠকে বক্তৃতা দেয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাতিল করা হয়।

  • ফেসবুকে ভাইরাল হবিগঞ্জের কিশোরীকে গণধর্ষণে নারী মেম্বারের ছেলে

    ফেসবুকে ভাইরাল হবিগঞ্জের কিশোরীকে গণধর্ষণে নারী মেম্বারের ছেলে

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে একাধিকবার ধর্ষণের শিকার হয়ে হাওরের বুকে পড়ে থাকা সেই কিশোরীর মরদেহের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    বিউটি আক্তার (১৬) নামে ওই কিশোরীকে গণধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনায় জড়িত উপজেলার ব্রাহ্মণডুরা ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য কলম চান বিবির ছেলে বাবুল।

    এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে কলম চান বিবিকে শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ এবং বাবুলের বন্ধু ইসমাইল মিয়াকে অলিপুর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে ধর্ষণের মূল হোতা বাবুল পলাতক রয়েছে। তাকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ মার্চ বিউটি আক্তার নামে ওই কিশোরীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় বিউটির বাবা হবিগঞ্জ আদালতে একটি ধর্ষণ মামলা করেন। বিউটি আক্তার উপজেলার ব্রাহ্মণডুরা এলাকার সায়েদ আলীর মেয়ে।

    মামলার বিবরণে বাদী উল্লেখ করেন, স্থানীয় মোজাহের উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বিউটি আক্তারকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো নারী মেম্বারের ছেলে বাবুল মিয়া। একপর্যায়ে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে তা প্রত্যাখ্যান করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২১ জানুয়ারি বাবুল তাকে ধরে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে গত ৪ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে একটি মামলা করা হয়।

    নির্যাতিত কিশোরীর বাবার ভাষ্য, এ ঘটনার পর বিউটিকে লাখাই উপজেলার গুনিপুর গ্রামে তার নানার বাড়িতে রেখে আসি। ১৬ মার্চ রাত ১২টার দিকে টয়লেটে গিয়ে আর ঘরে ফিরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরদিন ১৭ মার্চ গুনিপুর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দূরে হাওরে তার মরদেহ পাওয়া যায়। তার শরীরের একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পায় পুলিশ।

    এ ঘটনায় ১৮ মার্চ কিশোরীর বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে একই গ্রামের বাবুল মিয়া (৩২) ও তার মা ইউপি সদস্য কলম চান বিবিকে (৪৫) আসামি করে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় আরেকটি মামলা করেন।

    এরপর অভিযান চালিয়ে কলম চান বিবিকে শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ এবং বাবুলের বন্ধু ইসমাইল মিয়াকে অলিপুর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    মামলার বাদী সায়েদ আলী বলেন, পুলিশ বলছে, প্রধান আসামিকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে একজন এজাহার নামীয় ২ নম্বর আসামি।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রথম মামলার পর ধর্ষকদের বিচার না হওয়ায় নানার বাড়ি থেকে ওই কিশোরীকে তুলে নিয়ে যায় ধর্ষকরা। পরে তাকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে ক্ষতবিক্ষত মরদেহ হাওরের বুকে ফেলে যায়। বিচার চাইতে গিয়ে এমন পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে ধর্ষকদের হাতে খুন হয় বিউটি।

    শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে।

  • সপ্তাহ শেষে বাড়বে বৃষ্টিপ্রবণতা

    সপ্তাহ শেষে বাড়বে বৃষ্টিপ্রবণতা

    চলতি সপ্তাহেও তাপপ্রবাহ বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ছাড়িয়েছে ৩৫ ডিগ্রি। এর মধ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সামান্য বৃষ্টিপাতের দেখা মিলেছে। তবে সপ্তাহের শেষের দিকে বাড়বে এই বৃষ্টিপাতের প্রবণতা।

    আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার শেষের দিকে বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়বে। এরপর বর্ধিত পাঁচ দিনে এ প্রবণতায় সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

    বুধবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেওয়া এক পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানিয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে।

    এ অবস্থায় চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গা এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এসময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও কমবে রাতের তাপমাত্রা।

    এখনই কালবৈশাখী, সামুদ্রিক ঝড়ের কোনো আশঙ্কা দেখছে না আবহাওয়া অধিদফতর। তবে দমকা হাওয়া বয়ে গেলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ গতিবেগ উঠতে পারে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার।

    মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলিসিয়াস। আর দেশের সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙায় ৩৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেটে ২৩ মিলিমিটার।

  • খালেদার সাজা বাড়াতে আপিল শুনানি আগামীকাল

    খালেদার সাজা বাড়াতে আপিল শুনানি আগামীকাল

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা আরও বাড়াতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আপিল শুনানি আগামীকাল।

    আবেদনের পর আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন। গত রবিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল দায়ের করে দুদক।

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাঁর বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য পাঁচজনকে। রায় ঘোষণার পরই সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারকে ‘বিশেষ কারাগার’ ঘোষণা দিয়ে সেখানে রাখা হয়।

  • এই দেশ হবে মুক্তিযোদ্ধাদের

    এই দেশ হবে মুক্তিযোদ্ধাদের

    আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ব্যর্থ হতে দিব না। আর যারা স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করতে চায় তারা যেন আর কোনো দিন ক্ষমতায় আসতে না পারে সে জন্য দেশবাসীকে সজাগ থাকতে হবে। এই দেশ জঙ্গিদের হবে না, এই দেশ স্বাধীনতা বিরোধীদের হবে না, এই যুদ্ধাপরাধীরদের হবে না। এই দেশ হবে মুক্তিযোদ্ধাদের দেশ। সেই দেশ হিসেবেই আমি গড়ে তুলতে চাই।’

    মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সভায় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-উর রশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম, মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম কামাল হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমতউল্লাহ।

    দলের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদের পরিচালনায় সূচনা বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।