Author: banglarmukh official

  • পরিবর্তন হচ্ছে ৫ জেলার ইংরেজি নামের বানান

    পরিবর্তন হচ্ছে ৫ জেলার ইংরেজি নামের বানান

    চট্টগ্রাম, বরিশাল, কুমিল্লা, বগুড়া ও যশোর জেলার নামের ইংরেজি বানান পরিবর্তন করা হচ্ছে। বাংলা নামের সঙ্গে মিল করতে এ পরিবর্তন আনছে সরকার।

    প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় আগামী সোমবার এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করবেন।

    বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, পাঁচটি জেলার নামের ইংরেজি বানানে কিছুটা অসঙ্গতি আছে। এটা দূর করতে নিকার সভায় একটি প্রস্তাব উঠছে। সভাটি হবে সোমবার।

    উল্লেখ্য, নতুন বিভাগ, জেলা, উপজেলা, থানাসহ প্রশাসনিক ইউনিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে থাকে নিকার সভায়। প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন এ কমিটির আহ্বায়ক।

    বর্তমানে চট্টগ্রামের ইংরেজি বানান Chittagong, কুমিল্লার বানান Comilla, বরিশাল বানান Barisal, যশোরের বানান Jessore ও বগুড়ার বানান Bogra।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে, Chittagong এর পরিবর্তে বানান Chattagram, Comilla এর পরিবর্তে Kumilla, Barisal এর পরিবর্তে Barishal, Jessore এর পরিবর্তে Jashore এবং Bogra এর পরিবর্তে Bogura করার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য নিকার সভায় উঠছে।

  • সাকেপের ভাইস চেয়ারম্যান হলেন উপমন্ত্রী জ্যাকব

    সাকেপের ভাইস চেয়ারম্যান হলেন উপমন্ত্রী জ্যাকব

    রাকিব সিকদার নয়ন:

    পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোতে অনুষ্ঠিত ‘দক্ষিণ এশিয়া পরিবেশ সহযোগী কর্মসূচী বিষয়ক সম্মেলন ‘ – বাংলাদেশের পক্ষে ভাইস চেয়ারম্যন নির্বাচিত হয়েছেন।

    বুধবার সাকেপের ১৪ তম গভর্নিং বডির সভায় আফগানিস্তানের শাহ- জামান মাইওয়ানদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সম্মেলনে এই উপমন্ত্রী তার বক্তাব্যে বলেন, দক্ষিন এশিয়ার অন্যান্য ভৌগলিক ও সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র রয়েছে। আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ অধিকার ও সংরক্ষন করার জন্য আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে।

    আমি বিশ্বাস করি জীববৈচিত্র ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সদস্য দেশের মধ্যে ব্যপক অংশগ্রহন-তথ্য আদান প্রদানের আন্ঞ্চলিক ক্লিয়ারিং হাউস ম্যকানিজম প্রতিষ্ঠা করা গুরুত্বপূর্ণ। উপমন্ত্রী বলেন, পবিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের অধিনে পরিবেশ অধিদপ্তর বাংলাদেশ ক্লিয়ারিং হাউস ম্যাকনিজমের জন্য ইতিমধ্যে একটি ওয়েবভিত্তিক প্লাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে, শিঘ্রই এটা উদ্ভোধন করা হবে।

  • I Can Change The World” এর পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

    I Can Change The World” এর পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

    হুজাইফা রহমানঃ

    অনলাইন ভিত্তিক অলাভজনক সামাজিক সংগঠন “I Can Change The World” এর পক্ষ থেকে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় হযরত আমানত শাহ কওমী মাদ্রাসার অসহায়, দরিদ্র ও মেধাবী ষাট (৬০) জন শিক্ষার্থীদের মাঝে এই শিক্ষা উপকরণ বিতরন করা হয়।

    জনাব শেখ আতাউল গণি, লাইফ লাইন ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং জাতীয় অনলাইন দৈনিক বাংলার মুখ টুয়েন্টিফোর ডটকম পত্রিকার সম্পাদক জনাব পলাশ চৌধুরীর সহযোগীতায় “I Can Change The World” এই আয়োজন করে।

    সেখানে উপস্থিত ছিলেন, “I Can Change The World” এর প্রতিষ্ঠাতা এডমিন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সংগঠক জনাব শেখ সুমন, হযরত আমানত শাহ কওমী মাদ্রাসার পরিচালক জনাব হাফেজ মা: আব্দুল মান্নান , এবং মাদ্রাসার শিক্ষক মো: নাসির , বিশিষ্ট সংগঠক জনাব আবু সুফিয়ান শেখ ও “I Can Change The World” এর মডারেটর হুজাইফা রহমান।

    উল্লেখ্য যে, “I Can Change The World” বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সংগঠক জনাব শেখ সুমন প্রতিষ্ঠা করেন। এটি একটি অলাভজনক সেবামূলক অনলাইন ভিত্তিক সংগঠন। এর উদ্দেশ্য নিজেকে পরিবর্তন করা। আর নিজেকে পরিবর্তন করতে পারলে পৃথিবীকে পরিবর্তন করা সম্ভব হবে।

  • জাতীয় গণসঙ্গীত প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে শিল্পী কমল ঘোষ

    জাতীয় গণসঙ্গীত প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে শিল্পী কমল ঘোষ

    হুজাইফা রহমানঃ

    বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী আয়োজিত সত্যেন সেন জাতীয় গণসঙ্গীত প্রতিযোগিতায় বরিশালের বিশিষ্ট তরুণ সঙ্গীত শিল্পী কমল ঘোষ বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

    গত ২৮ শে মার্চ ঢাকা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয় এই চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা। এবং ২৯ শে মার্চ ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সঙ্গীত শিল্পী কমল ঘোষকে পুরষ্কার তুলে দেন স্বাধীন বাংলা বেতারের বিশিষ্ট শিল্পীবর্গ। এর আগে ৯ ই মার্চ বরিশালে অনুষ্ঠিত জেলা গণসঙ্গীত প্রতিযোগিতায় বড়দের (গ) বিভাগ থেকে প্রথম স্থান অর্জন করেন। এরপর ১৬ ই মার্চ বরিশালে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় গণসঙ্গীত প্রতিযোগিতায় বড়দের (গ) বিভাগ থেকে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে প্রথম হওয়া প্রতিযোগীদের মধ্যে আবারো প্রথম স্থান অর্জন করেন।

    তরুণ এই মেধাবী সঙ্গীত শিল্পী কমল ঘোষ একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। তিনি একাধারে সঙ্গীত শিল্পী, সুরকার, নাট্যশিল্পী ও সংগঠক। তার পিতা বরিশালের সর্বজন শ্রদ্ধেয় বিশিষ্ট সাংবাদিক, সংগঠক ও নাট্যজন কাজল ঘোষ। মাতা রেবা ঘোষ নাট্যশিল্পী ও সঙ্গীত শিল্পী এবং তার দাদা সর্বজন শ্রদ্ধেয় বিশিষ্ট নজরুল সঙ্গীত শিল্পী উস্তাদ পঞ্চানন ঘোষ মাস্টার মশাই বরিশালের বিশিষ্ট শিক্ষক ছিলেন।

  • শেবাচিমে পরিচালক হিসেবে যোগ দিচ্ছেন ডাঃ মোঃ বাকের হোসেন

    শেবাচিমে পরিচালক হিসেবে যোগ দিচ্ছেন ডাঃ মোঃ বাকের হোসেন

    তানজীল শুভ:

    বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন পরিচালক হলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আস্থাভাজন ও বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের কৃতি সন্তান ডাঃ মোঃ বাকির হোসেন। গতকাল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ অধিশাখার যুগ্ম সচিব একেএম ফজলুল হক স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে শেবাচিমের পরিচালক হিসেবে যোগদানের নির্দেশ দেয়া হয়। তিনি বর্তমানে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন শীর্ষক প্রকল্প পরিচালক আছেন।

    আগামী সম্পাহেই তিনি শেবাচিম হাসপাতালের ৬৩তম পরিচালক হিসেবে যোগদান করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ডাঃ মোঃ বাকির হোসেন ইতো পূর্বে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল ও বরিশাল এবং সিভিল সার্জন অফিস ছাড়াও দক্ষিনাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন। তার ছাত্র ও সরকারি চাকুরী জীবনের বেশীরভাগ সময়ই কেটেছে এই বরিশালে। আগামী ২০২১ সালের ৭ মার্চ তিনি সরকারি চাকুরী জীবন থেকে অবসর নিবেন। ১৯৬২ সালের ৮ মার্চ তিনি পুরানো ঢাকার সূত্রাপুর থানার অন্তভূক্ত এলাকাতে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা আলতাফ হোসেন হাওলাদার ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। মাতা নূর জাহান বেগম। তার গ্রামের বাড়ী বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের চর সন্তেষপুর গ্রামে। তিনি যুদ্ধকালীন সময় কখনো ঢাকা আবার কখন বরিশালে প্রাথমিক শিক্ষা জীবন পার করেছেন। এরপর ১৯৭৭ সালে মুলাদীর দক্ষিণ কাজীর চর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ১৯৭৯ সালে ঢাকার জগন্নাথ কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।

    ১৯৮০ সালে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজে ১১ তম ব্যাচে ভর্তি হন। সেখান থেকে ৮৫তে এমবিবিএস পাশ এরপর এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই ইন সার্ভিস (ইন্টার্ন) করেন এক বছর। ১৯৮৮ সালে তার সরকারি চাকুরী জীবন শুরু। ওই বছর থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত স্বরুপকাঠীর আটঘর কুড়িয়ানার সাব সেন্টার, নেছারাবাদ স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বানারীপাড়া, আশোকাঠী ও মুলাদীতে বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন। ২০০২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার ছিলেন। ২০১১ সালের মে মাসে তিনি বরিশালের ডিপুটি সিভিল সার্জন হিসেবে পদন্নতি পান।

    এরপর ওই বছরের ৩১ মে ভোলার সিভিল সার্জন হন। ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারী বাঘেরহাটের সিভিল সার্জন হন ডাঃ মোঃ বাকির হোসেন। ফরিদপুরে ম্যাটস এর অধ্যক্ষ হিসেবে ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী যোগদান করেন তিনি। ওই বছরই সেখান থেকে তাকে ১৯ অক্টোবর সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন শীর্ষক প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। গতকাল এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগী সেবার মানবৃদ্ধির লক্ষ্যে সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

  • আলহাজ্ব দলিল উদ্দিন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৮ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা সম্পূর্ণ

    আলহাজ্ব দলিল উদ্দিন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৮ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা সম্পূর্ণ

    তানজীল শুভ:

    আজ ২৮ মার্চ রোজ বুধবার অনুষ্ঠিত হয়েছে শহরের অন্যতম প্রতিষ্ঠান আলহাজ্ব দলিল উদ্দিন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।অনুষ্ঠানটি শুরু হয় সকাল ১০ টায় স্কুল এর মাঠে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান জনাব মোঃ মইদুল ইসলাম,এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এর নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব রফিকুল ইসলাম তালুকদার ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাবা নাছিমা বেগম।

    সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব দলিল উদ্দিন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব রিয়াজ উল কবির। এবং আরো উপস্থিত ছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকাগণ।অনুষ্ঠানের প্রথমেই সভাপতি, প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দের আসনগ্রহণ এবং অতিথিবৃন্দের ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ ও ব্যাচ প্রদান,পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, জাতীয় ও ক্রীড়া পতাকা উত্তোলন,জাতীয় সংগীত পরিবেশন, প্রধান শিক্ষকের স্বাগত বক্তব্য, বিশেষ অতিথিবৃন্দের ভাষণ,প্রধান অতিথি কর্তৃক উদ্বোধন ঘোষণা ও পায়রা মুক্তি, ক্রীড়া মশাল প্রজ্জ্বলন ও মাঠ প্রদক্ষিণ, প্রতিযোগীদের শপথবাক্য পাঠ,ছাত্রীদের অংশগ্রহণে কুজকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শনের পর প্রতিযোগীতা শুরু হয় সবশেষে পুরষ্কার বিতরণী এবং সভাপতির ভাষণ এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন এর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়

  • মেডেল অব ডিসটিংকশন’ সম্মানে ভূষিত শেখ হাসিনা

    মেডেল অব ডিসটিংকশন’ সম্মানে ভূষিত শেখ হাসিনা

    দরিদ্র, অসহায়, বিশেষ করে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সেবায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মেডেল অব ডিসটিংকশন’ সম্মানে ভূষিত করেছে লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকায় সফররত লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট ড. নরেশ আগরওয়াল বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই মেডেলে ভূষিত করেন তিনি।

    মানবিক গুণাবলি বিশেষ করে লাখ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট।

    তিনি শেখ হাসিনাকে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আপনার এই গুণের জন্য ইতোমধ্যে আপনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিপন্ন মানবতার সেবা হচ্ছে আমার দায়িত্ব। আপনারা (লায়ন্স সদস্যরা) সাধারণ মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন, একইভাবে আমরা রাজনীতিবিদরা তাদের খাদ্য, বস্ত্র ও আশ্রয়সহ মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি।

    ড. আগরওয়াল বলেন, তার সংস্থা বাংলাদেশে বিপন্ন মানবতার জন্য সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব উন্নয়নের প্রশংসা করে লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট বলেন, এই উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উচ্চ প্রশংসিত হচ্ছে।

    লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনালের সাবেক পরিচালক শেখ কবির হোসেন, সাবেক আন্তর্জাতিক পরিচালক এবং ক্লাবের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর মোসলেম আলী খান, ক্লাবের বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিচালক কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশের কাউন্সিল চেয়ারপারসন লায়ন্স এম কে বাসার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • আত্মহত্যার শীর্ষে বরিশাল

    আত্মহত্যার শীর্ষে বরিশাল

    ২০১৭ সালে বরিশালসহ সারাদেশে ১১ হাজার ৯৫ ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন ৩০ জন মানুষ স্বেচ্ছায় মৃত্যু বেঁছে নিয়েছেন। এরমধ্যে বরিশাল বিভাগে গতবছর সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বরিশালের ছয় জেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে এক হাজার ৬০৮ জন, বিষপানে ৮৭১ জন এবং গায়ে কেরসিন ঢেলে ছয়জন আত্মহত্যা করেছেন। যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।
    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আত্মহত্যার কারণ হিসেবে তারা বলেন, প্রতিটি মানুষ তার প্রতিদিনের জীবনে কোনও না কোনও সংকটের মধ্যদিয়ে যাচ্ছেন। এসব সংকট কাটিয়ে উঠতে যে ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন, তা তারা পাননা। কারণ তাদের পাশের প্রতিটি মানুষ মহাব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। যেকারণে হতাশা গ্রস্তরাই আত্মহত্যার পথ বেঁছে নিচ্ছেন।
    পুলিশের সদর দফতরের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে সারাদেশে ১১ হাজার ৯৫ জন ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। এরমধ্যে ফাঁসিতে ঝুলে সাত হাজার ৫৬৯ জন, বিষপানে তিন হাজার ৪৬৭ জন এবং গায়ে আগুন লাগিয়ে ৫৯ ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। বরিশালে গত বছর দুই হাজার ৫৮৫ জন ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। সূত্রমতে, ২০১৬ সালে সারাদেশে আত্মহত্যার ঘটনা ছিল ১০ হাজার ৬০০টি। ২০১৭ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৯৫টিতে। প্রতিবছর আত্মহত্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
    বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন মানুষ যখন তাকে সহযোগিতা ও সমর্থন করার মানুষ চারপাশে পান না, তখন আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। আত্মহত্যার সবচেয়ে প্রচলিত কারণ হচ্ছে মানসিক চাপ ও বিষাদগ্রস্ততা। এর সাথে যুক্ত হয় যন্ত্রণার স্থায়ী অনুভূতি এবং আত্মহত্যার মাধ্যমে তা থেকে মুক্তি পাওয়ার অনড় এক বিশ্বাস। একসময় বিষাদগ্রস্ত মানুষটি মনে করেন বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়াই ভালো। আর তখনই তিনি আত্মহত্যা করেন। জীবনধারণের যন্ত্রণা সব সময় হতাশগ্রস্ত মানুষটিকে চাঁপের মধ্যে রাখে এবং এই চাঁপ বহনে সে নিজেকে অক্ষম ও অযোগ্য মনে করেন।
    এ পরিস্থিতি থেকে বের হতে হলে যেকোন সংকট ও অভাবকে মোকাবেলা করার জন্য হতাশাগ্রস্তদের মাঝে দৃঢ় মনোবল থাকার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সেগুলো পূরণের চেষ্টা করতে হবে। তাদের কথা শুনতে হবে ও তাদের সময় দিতে হবে। তাহলেই আত্মহত্যার সংখ্যা কমে আসবে বলেও বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন।

  • বরিশালে সাত দিনব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন

    বরিশালে সাত দিনব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন

    শেখ সুমন :

    ‘মননশীলতার র্চ্চায় বই’ এই শ্লোগান নিয়ে বরিশালে সাত দিনব্যাপী বিভাগীয় বইমেলা শুরু হয়েছে। মেলা চলবে আগামী ৩ এপ্রিল পর্যন্ত।

    বুধবার (২৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টায় বরিশাল জিলা স্কুল প্রাঙ্গণে বইমেলার উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. নুরুল আলম।

    সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধায়নে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উদ্যোগে বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সহযোগিতায় বরিশাল জেলা প্রশাসন এ বইমেলার আয়োজন করে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ব্রজমোহন কলেজের অধ্যক্ষ মো. শফিকুর রহমান, বরিশাল জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন প্রমুখ।

    বইমেলায় বাংলা একাডেমির স্টলসহ ঢাকা ও বরিশালের ৩৩টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত অংশগ্রহণ করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সব বক্তারা বই চর্চায় গুরুত্ব আরোপ করে বক্তব্য দেন।

    বইমেলা প্রাঙ্গণে প্রতিদিন সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সেমিনার, কবিতা পাঠ, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, কুইজ প্রতিযোগিতা, ধারাবাহিক গল্প বলা, সৃজনশীল নবীন কবি লেখক ও সাহিত্যিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

  • কেন্দ্র থেকে বিজেপির যাওয়ার সময় হয়ে গেছে: মমতা

    কেন্দ্র থেকে বিজেপির যাওয়ার সময় হয়ে গেছে: মমতা

    ব্যাগপত্র গুছিয়ে বিজেপির এখন কেন্দ্রের ক্ষমতা থেকে যাওয়ার সময় হয়ে এসেছে। মঙ্গলবার দিল্লিতে বিজেপি বিরোধী দলগুলির শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে দেখা করার পরই এই মন্তব্য করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি।

    বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারকে তীব্র নিশানা করে মমতা জানান, নোট বাতিল থেকে শুরু করে ব্যাংক জালিয়াতি-প্রতিটি বিষয় তৃণমূল স্তরের মানুষের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে এবং বিজেপির এখন ব্যাগপত্র গুছিয়ে যাওয়ার সময় হয়েছে।

    এদিন, দিল্লির সংসদ ভবনে বসেই সংবাদ সম্মেলন করে কেন্দ্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা জানান, ‘মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে। আমি প্রায় সব রাজ্যেই ঘুরেছি। আমি মানুষের মনের কথা জানি। নোট বাতিল, ব্যাংক প্রতারণা, পণ্য পরিষেবা কর (জিএসটি)-এর মতো বিষয়গুলি তৃণমূল স্তরের মানুষদের জীবনে অনেক প্রভাব ফেলেছে। বিজেপির এখন ব্যাগপত্র গুছিয়ে যাবার সময় এসে গেছে’।

    এদিন, সকালের দিকে সংসদের সেন্ট্রাল হলে গিয়ে প্রথমে দলীয় সাংসদদের সাথে দেখার করেন মমতা। পরে পৃথকভাবে বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতা-নেত্রীদের সাথে দেখা করেন। যাদের মধ্যে ছিলেন নাশ্যনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) প্রধান শারদ পাওয়ার ও দলের নেতা প্রফুল প্যাটেল, শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাওয়াত, রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) নেত্রী ও লালু প্রসাদের কন্যা মিশা ভারতী, দ্রাবিড়া মুনেত্রা কাঝাগাম (ডিএমকে) নেত্রী কানিমোঝি, সমাজবাদী পার্টি (এসপি) রামগোপাল যাদব, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি (টিআরএস) সাংসদ কবিতা।

    এরপরই সংবাদ সম্মেলনে করে কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে উৎখাত করতে সব বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের কথা জানান মমতা। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই সব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি একসাথে কাজ করুক। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমাদের উচিত প্রতিটি রাজ্যে শক্তিশালী বিরোধী দলগুলিকে সহায়তা করা, যাতে প্রতিটি জায়গায় বিজেপির বিরুদ্ধে একজন করে প্রার্থী দেওয়া যায়।

    রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে মমতা জানান, ‘রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বৈঠক করলে স্বাভাবিকভাবেই রাজনীতি নিয়েই আলোচনা হবে। এতে গোপনীয়তার কিছু নেই। ২০১৯ সালে লোকসভার নির্বাচন অত্যন্ত আকর্ষণীয় হবে’। বুধবারও বিজেপি নেতা শত্রুঘ্ন সিনহা, যশবন্ত সিংসহ একাধিক শীর্ষ নেতার সাথে দেখা হবে বলে এদিন জানান মমতা।

    তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, প্যাটেল আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেলসহ আমি সকলের সাথেই যোগাযোগ রাখি। রাহুল আমাকে মাঝেমধ্যেই এসএমএস করেন। আমি কাউকে দূরে সরিয়ে রাখতে চাই না। আসলে গান করতে যেমন হারমোনিয়াম ও তবলার প্রয়োজন, তেমনি ভারতের উন্নয়নেও বিভিন্ন ধারনা নিতে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সহায়তা প্রয়োজন। বিজেপির চেয়ে বেশি সাম্প্রদায়িক দল এই দেশে আর কেউ নেই বলেও অভিমত মমতার। তার অভিযোগ বিজেপি হিন্দুত্ব’এর অর্থকেই অসম্মান করে তুলেছে।

    তবে অসুস্থ থাকার কারণে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সাথে দেখা হয়নি মমতার। এবিষয়ে মমতা নিজেই জানান, ‘তিনি (সোনিয়া) এই মুহূর্তে হাসপাতালে রয়েছেন, তাকে সুস্থ হতে দিন। আমি তাকে বিরক্ত করতে চাই না’।